কে বুঝিতে পারে সৃষ্টি
কর্তার কুদরতি।
সে দ্বীপ জ্বালা ঘর করে আঁধার,আঁধারে ছড়ায় জ্যোতী।।
১.তুমি মুখ ভরা গজাইলে দাড়ি,
মন সেথায় দিলেনা দয়াল দাড়ি রাখারী।
কেটে দাড়ি মুখ পরিস্কার।করে দাড়ির কুখ্যাতী।
২.আবার মন দিয়েছো দাড়ি রাখিবার,
কভু মুখে দাড়ি তুমি দাও নি গো তাহার।
আবার যে কয়টা দিয়েছো দাড়ি তাই রেখেই তার সুন্নাতী।।
৩.আবার ধন দিয়েছো ধনি হইবার,
মন তুমি দাও নি হে দয়াল দাতা বনিবার।
ও ধন টাকশালে তুলিয়া রাখে,ভুকি থাকে অনাথী।।
৪.মন দিয়েছো দাতা হইবার,
ধনের অভাব রাখিয়াছো তাহারই উপর।
সেরু পাগলা ভেবেই গেলো,পেলো না কোন গতি।।
সে দ্বীপ জ্বালা ঘর করে আঁধার,আঁধারে ছড়ায় জ্যোতী।।
১.তুমি মুখ ভরা গজাইলে দাড়ি,
মন সেথায় দিলেনা দয়াল দাড়ি রাখারী।
কেটে দাড়ি মুখ পরিস্কার।করে দাড়ির কুখ্যাতী।
২.আবার মন দিয়েছো দাড়ি রাখিবার,
কভু মুখে দাড়ি তুমি দাও নি গো তাহার।
আবার যে কয়টা দিয়েছো দাড়ি তাই রেখেই তার সুন্নাতী।।
৩.আবার ধন দিয়েছো ধনি হইবার,
মন তুমি দাও নি হে দয়াল দাতা বনিবার।
ও ধন টাকশালে তুলিয়া রাখে,ভুকি থাকে অনাথী।।
৪.মন দিয়েছো দাতা হইবার,
ধনের অভাব রাখিয়াছো তাহারই উপর।
সেরু পাগলা ভেবেই গেলো,পেলো না কোন গতি।।
বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষে ধর্ম। বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে জীবের দেহে যে যে উপাদান রয়েছে ও ভূত সমাচার
নিজেকে
সুস্থ ও সুন্দর রাখতে
হলে ভূত বিষয়ে জ্ঞানার্জন
করা আবশ্যক। তাহলেই
ভূত-ভবিষ্যত ভালো হব।
জেনে নিন ভূত কি?
ভূত শব্দের অর্থ উপাদান,
আর পঞ্চ উপাদান বা
ভূতে জীবের দেহ গঠন
হয়েছে। তা
হলো, (১। আগুন,
২। পানি,
৩। মাটি,
৪। বাতাস
ও ৫। আলো)
আর মানুষ মরলে ভূত
হয়ে যায় এর অর্থ
হলো, মরার পরে পঞ্চ
ভূতে গঠিত দেহ আবার
পঞ্চ ভূতের সাথে মিশে
যায়। আর
জীবের দেহে এই পঞ্চ
ভূত এক একটি নির্দিষ্ট
পরিমানে বিরাজমান, বয়স অনুপাতে এই
পঞ্চ ভূত হ্রাস ও
বৃদ্ধি হলেও ভূত সমাহারের
নির্দিষ্টতা রক্ষিত রাখতে পারলেই
সে সুস্থ। আর
এর তারতম্য হলেই অসুস্থ।
অর্থাত, ভূতের অনুপাত ব্যতীক্রম
হলেই জীব অসুস্থ হবে। এর
অর্থ তাকে ভূতে পেয়েছে
বা ভূতে ধরেছে।
আর একেই কোরান জ্বিন
বলে অভিহিত করেছে।
আর পৃথিবী নামক গ্রহে
এই পঞ্চ ভূত বিরাজিত,
এবং জীবের দেহ গঠনও
এই পঞ্চ ভুতে।
আর এই পৃথিবীর পঞ্চ
ভূতই জীব সর্বদায় গ্রহন
করছে অর্থাত পৃথিবীর পঞ্চ
ভূত গ্রহনে তারতম্য হলেও
জীব অসুস্থ হয়ে যাবে
বা তাকে ভূতে পাবে
বা ভূতে ধরবে।
সার কথা পৃথিবী ভূতময়। ভূতের
জন্যই জীব অসুস্থ হয়
এবং ভূত শক্তিতেই জীব
সুস্থ হয়। ইহা
ব্যাতীত অন্য কোন ভূত
আমি দেখি নাই।
আর যা দেখি নাই
তা বিশ্বাস করার প্রশ্নই আসেনা। এর
বাইরে কেউ যদি অন্য
ভূত দেখে থাকেন বিশ্বাস
করবেন, তবে অনুরোধ রইলো
কারো যদি ভূত বা
জ্বীন বশীভূত থাকে আমার
শরিরে প্রয়োগ করে পারলে
আমাকে শায়েস্তা করুন । সত্য
সহায়। গুরুজী।
পুর্বে
প্রকাশ করেছি তাসাউফের দৃষ্টিতে
ভূত।
এবার এই পঞ্চভূতে গঠিত
৬৫ কেজি ওজনের মানুষের
দেহে যা পাওয়া যাবে।
১। কার্বন-৯০০০ পেনসিল তৈরী
করা যাবে।
২।চর্বি-৭ টি সাবান
তৈরী করা যাবে।
৩।লোহা-২ ইঞ্চি পেরেক
তৈরী করা যাবে।
৪।ফসফরাস-২২০০টি দিয়াশলায়ের কাঠি
তৈরী করা যাবে।
৫।বিদ্যুত-২৫ ওয়াটের বাল্ব
৩ মিনিট জ্বালানো যাবে।
৬।তাপ-ঘন্টায় ১ লিটার
পানি গরম করা যাবে।
৭।লোহিত
কণিকা-২৫ কোটি, যাহা
৩০৬৫ মিটার যায়গা দখল
করতে পারে।
আর উপরিউক্ত উপাদান গুলির উতপত্তি
হয়েছে পঞ্চভূত থেকে। যাহা-১।আগুন,
২।পানি,
৩।মাটি,
৪।বাতাস
ও ৫।আলো। কেননা
১।আগুন,
২।পানি,
৩।মাটি,
৪।বাতাস
ও ৫।আলো। প্রত্যেকটিই
৫ প্রকার করে এবং
প্রতিটি উপাদানই পঞ্চ গুণ বিশিষ্ট। এই
৫ টি উপাদান যোগ
৫ উপাদানের ২৫ টি গুণ
মোট ৩০। ইহাই
৩০ পারা সর্বদায় পঠিত
উম্মুল কোরান বা মাতৃ
কোরান । এই
কোরানই বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার একমাত্র নিয়ামক। তাই
কোরান জানুন কোরান বুঝুন
কোরান নির্দেশিত এবাদত করুন।।আর ঐ কোরান
জানতে ও চিনতেই অহিকৃত
কাগজে লেখা কোরান জানা
আবশ্যক।
পরিশেষে জানুন।
৮।হৃতপিন্ড-২৪ ঘন্টায় ৭৫০০
লিটার রক্ত পাম্প করে।
৯।হাঁচির
গতিবেগ-ঘন্টায় ১৬০ কিলোমিটার।
১০।নাক
দিয়ে বাতাস টানে-২৪
ঘন্টায় ১৪ কিউবেক মিটার।
আগামি পর্বের আলোচনা কোরানের
দৃষ্টিতে ফরজ কি এবং
ধর্ম ব্যবসায়ী বা কুসংস্কারবাদিরা কি
কি ফরজ প্রচার ও
পালন করে। সত্য
সহায়। গুরুজী।
২-৭ তম পর্ব পর্যন্ত
নিন্মে ইসলামি ডট কম
এর প্রকাশিত কোরান থেকে সুরা
ফাতিহাকে হুবহু উঠিয়ে দিলাম।
সুরা-ফাতিহা। মক্কাবতীর্ন। রুকু-১=আয়াতঃ৭
এখনই কোরান বিকৃতির বিরুদ্ধে
রুখে দাড়ান।নইলে
বিকৃত কারীরা ইসলামের অনেক
বড় ক্ষতি সাধন করবে।সত্য
সহায়,গুরুজী।
পর্ব-৫
সমাজের কাছে মিথ্যাবাদী রুপে
পরিগনিত হবেন এবং সমাজ
আপনাকে ঘৃনা করবে।
তার অর্থ হল আপনি
আপনাকে ভালোবাসতে পারেন নি ।আপনি ভালোবেসেছেন আপনার
ইচ্ছাকে ।আর
ইচ্ছাতো চেষ্টাতেই আছে আপনাকে রসাতলে
নেওয়ার জন্য।
পরিশেষে -মদ,গাজা,হেরোইন,বিড়ি,সিগারেট,পান,চা,খুন,ধর্ষন,চাদাবাজি,লুট,ছিনতাই,ডাকাতি,ঘুষ,দুর্নিতি এক
কথায় যেসকল চিন্তা ,বাক্যও
কর্ম আপনাকে সমাজের কাছে
হেয় প্রতিপন্ন করে ও নিজ
শরিরের ক্ষতি সাধন করে
এরুপ কর্ম সম্পাদন কারী
কোন মতেই নিজেকে ভালোবাসেনা।আর
যারা নিজেকে ভালোবাসে তারা
কোন অবস্থতেই ইচ্ছার বশীভূত হয়ে
ঐ সকল কর্ম করতেই
পারেনা।
এবার ভেবে দেখুন আপনি
আপনাকে ভালোবাসেন ,নাকি ইচ্ছাকে।যদি আপনি অপনাকে
ভালোবেসে থাকেন তাহলে আপনাকে
ভালো থাকার জন্য ধন্যবাদ।আর
যদি ইচ্ছাকে ভালোবাসেন এখন থেকে নিজেকে
ভালোবাসতে শুরু করুন।গুরুই সত্য।গুরুজী।
পর্ব-৪
১.সমস্ত প্রসংশা আল্লাহর
জন্য যিনি বিশ্বস্ত প্রতিপালক।২.দাতা দয়ালু।৩.স্বভাব বারের
প্রভু৪.আমরা তোমারই দাসত্ব
করি তোমাতেই মশগুর থাকি।৫.নির্দেশনা দিয়েছ
প্রতিষ্ঠিত মশগুলতার পথে।৬.যাহাদের পথে তাহাদের উপর
অনুগ্রহ হয়।৭.তাহাদের উপর রাগাম্বিত ভীন্ন,আরনা ভ্রষ্ট দিগের।সুরা
ফাতিহার এই অনুবাদ কিভাবে
সঠিক ও মর্মার্থ কি
আগামি কাল জানতে পারবেন।
পর্ব-২
অশান্তি হচ্ছে,যেকোন কারনে জীবের দৈহিক ও মানষীক কষ্টের শিকার হওয়ার নামই অশান্তি।
তাহলে কি পেলে আমরা শান্তি পেতে পারি।
এখন বিবেচনা করুন এ পর্যন্ত
কোরআন কতটুকু অবিকৃত রয়েছে।
শুনেছি এই কোরআন নাকি ৪০ টি ভাষায় অনুবাদ হয়েছে।
শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু।
২-৭ তম পর্ব পর্যন্ত
বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষে ধর্ম গুরুজী,পর্ব-৭ কিভাবে কোরান বিকৃত হচ্ছে।
লিখেছেনঃ সিরাজুল ইসলাম (তারিখঃ শনিবার,
২৪/০৯/২০১১ - ০০:০০)
এই নামাজ কোরানে উল্লিখিত
আল্লাহ প্রদত্ব সেই নামাজ নয়
এই নামাজ হযরত মহাম্মদ
সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়া সাল্লামকে
অপমান করার জন্য তৈরী
করা হয়েছে।কোরানের
বিবরণ ও নামাজে উচ্চারিত
কথাগুলির সারমর্ম নিরপেক্ষ দৃষ্টিতে বুঝলেই আপনারা অনুধাবন
করতে পারবেন।
সুরা আনআম ১৬১ আয়াত=কুল ইন্নি না
হাদানি রাব্বি ইলা সিরাতিল
মুস্তাকিম,দ্বীনা কিইয়ামান মিল্লাতা
ইবরাহিমা হানিফান,ওয়া মা কানা
মিনাল মুশরিকিনা।
অর্থ-বলুন আমার প্রতিপালক
আমাকে হোদয়েত করিয়াছেন সরল
পথে। যাহা
প্রতিষ্ঠিত ইবরাহিমের ধর্মাদর্শ।এবং
তিনি মোশরেক ছিলেন না।
অর্থাৎ এই আয়াত দ্বারা
প্রমানিত হয় যে,হযরত
মহাম্মদ(সাঃ)কে আল্লাহ
রাব্বুল আলামিন নতুন কোন
ধর্মাদর্শ দেন নাই।তাহাকে যে ধর্ম
দেওয়া হয়েছে তাহা পূর্বের
ইব্রাহীম খলিলুল্লাহ কে দেওয়া সেই
পুরাতন ধর্ম।
আর নামাজের মধ্যে দরুদে ইব্রাহীমে
নামাজিরা কি বলে এক
নজরে তা দেখে নিন।(দরুদে
ইব্রাহীম নামে প্রচার মূলত
এটা দরুদ নয়।দরুদ একটি বস্তুর
নাম,যাহা জানতে হলে
আলির মাধ্যমেই জানতে হবে।)
তারা পড়ে-আল্লাহুম্মা সাল্লিয়ালা
মুহাম্মদেও ওয়া আলা আলে
মুহাম্মাদিন কামা সাল্লাইতা আলা
ইব্রাহীমা ওয়া আলা আলে
ইব্রহীমা ইন্নাকা হামিদুম মাজিদ।
অর্থ-হে আল্লাহ হযরত
মহাম্মদ(সাঃ) ও হযরত
মহাম্মদ(সাঃ) এর বংশধরগনের
উপর রহমত বর্ষন কর,যেরুপ রহমত তুমি
হযরত ইব্রাহীম খলিলুল্লাহ ও হযরত ইব্রাহীম
খলিলুল্লাহর বংশধরগনের উপরে বর্ষন করেছ,নিশ্চয় তুমি মহান।
আল্লাহুম্মা বারিক আলা মুহাম্মদেও
ওয়া আলা আলে মুহাম্মাদিন
কামা বারাকতা আলা ইব্রাহীমা ওয়া
আলা আলে ইব্রহীমা ইন্নাকা
হামিদুম মাজিদ।
অর্থ-হে আল্লাহ হযরত
মহাম্মদ(সাঃ) ও হযরত
মহাম্মদ(সাঃ) এর বংশধরগনকে
বরকত প্রদান কর,যেরুপ
বরকত তুমি হযরত ইব্রাহীম
খলিলুল্লাহ ও হযরত ইব্রাহীম
খলিলুল্লাহর বংশধরগনকে দান করেছ,নিশ্চয়
তুমি মহান।
এখানে বিশ্লেষন করলে দেখা যায়
হযরত ইব্রাহীম খলিলুল্লাহ তার বংশধরগন সহ
রহমত ও বরকত পেয়ে
গেছে,আর বর্তমান নামাজীরা
পাঁচ ওয়াক্তো নামাজে হযরত মহাম্মদ(সাঃ) ও তার
বংশধরগনের জন্য রহমত ও
বরকত প্রার্থনা করে চলেছে।তাহলে আমাদের জানা
দরকার হযরত ইব্রাহীম খলিলুল্লাহ
কোন নামাজ পড়েছেন।যে নামাজের বদৌলতে
হযরত ইব্রাহীম খলিলুল্লাহ তার বংশধরগন সহ
রহমত ও বরকত পেয়ে
গেলো। আর
হযরত মহাম্মদ(সাঃ) কোন নামাজ
পড়ে গেলেন যে ,পাঁচ
ওয়াক্তো নামাজে বর্তমান নামাজিরা
হযরত মহাম্মদ(সাঃ) ও তার
বংশধরগনের জন্য রহমত ও
বরকত প্রার্থনা করে চলেছে।
হযরত মহাম্মদ(সাঃ)এর গোনাহ
মাফের জন্য প্রার্থনা কোন
মুসলমান করতে পারে?ইহা
একমাত্র তাকে হেয় প্রতিপন্ন
করার জন্য করা হয়েছে।
হযরত মহাম্মদ(সাঃ) হযরত ইব্রাহীম
খলিলুল্লাহর ধর্মই যদি পেয়ে
থাকে তাহলে হযরত ইব্রাহীম
খলিলুল্লাহ যে নামাজ পড়েছে
হযরত মহাম্মদ(সাঃ)এর ও
সেই নামাজই পড়ার কথা,তাহলে আমার জিজ্ঞাসা
হযরত ইব্রাহীম খলিলুল্লাহ কোন সুরার সাথে
কোন সুরা মিলিয়ে নামাজ
পড়তেন।তখন
কি সুরা ফাতিহা ছিলো?যদি না থেকে
থাকে তাহলে এরা নামাজে
সুরা ফাতিহা কোথাই পেলো?
পরিশেষে-এই নামাজ হযরত
ইব্রাহীম খলিলুল্লাহর নামাজ নয়,আর
যে নামাজ হযরত ইব্রাহীম
খলিলুল্লাহ পড়ে নাই সেই
নামাজ হযরত মহাম্মদ(সাঃ)
পেতে পারেনা।
তাহলে এই নামাজ কখন
কোথা থেকে এলো,
যারা ইমাম বংশকে নিধন
করেছে তারা নামাজের মধ্যে
হযরত মহাম্মদ(সাঃ) ও তার
বংশকে ছোট করার জন্য
ইমাম বংশকে নিধনের অনেক
পরে এই নামাজ প্রনালী
হাদিসের মধ্যে লিপিবদ্ধ করে।যাহা
কোরান স্বিকৃত নয়।তারা
বোঝাতে চেয়েছে হযরত মহাম্মদ(সাঃ) নতুন ধর্ম
প্রচার করে বড় অন্যায়
করেছে।তার
গোনাহ মাফের জন্য আমাদের
প্রার্থনা করা দরকার।তাই নামাজের মধ্যে
তারা হযরত মহাম্মদ(সাঃ)
ও তার বংশধরগনের জন্য
প্রার্থনা করে চলেছে।আরব দেশে এখনো
খুৎবার মধ্যে হযরত মহাম্মদ(সাঃ)কে অসম্মান
করার জন্য মহাম্মদ ইবনে
আব্দুল্লাহ বলা হয়।সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়া সাল্লাম
বলা হয় না।
জেনে নিন-হযরত ইব্রাহীম
খলিলুল্লাহর নামাজ হযরত মহাম্মদ(সাঃ) হযরত আলি
(কঃ) কে শিক্ষা দিয়েছেন।তাই
কোরান স্বিকৃত নামাজ জানতে ও
পড়তে হলে হযরত আলি
(কঃ)এর সিলসিলাই বায়াত
গ্রহন করে,আহলে বায়াতে
দাখিল হউন।সত্য
সহায়।গুরুজী।
পর্ব-৬
১৫০০ বছর আগে কোরান
কেমন ছিলো তার সু-নির্দিষ্ট ব্যাখ্যা দিতে হলে সেই
১৫০০ বছর আগের কোরান
প্রয়োজন।তাহা
ছাড়া যে যাই বলবে
সেটা অনুমান বা ধারনা।শিয়ারা
দাবি করে শুরুতে কোরানের
আয়াত সংখ্যা ছিলো ১৭০০০,এবং তাতে বেলায়েত
নামে একটি সুরা ছিলো,তাতে হযরত আলি(কঃ) ফাতিমা,হাসান
ও হোসেন বিষয়ে লিখিত
ছিলো।যতক্ষন
তারা মূল কোরান থেকে
দেখাতে না পারবে , ততক্ষন
এটাকে সত্য বলা যাবেনা,এটা তাদের অনুমান
বা ধারনার বিষয় বলে
গন্য হবে।কিন্তু
যাহা বর্তমান,যাহা আমরা সকলে
দেখেছি তার যদি বিকৃতি
ঘটে তাকে তো আর
অনুমান বলা যায় না।
যেমন-আমরা জন্ম থেকেই
জেনে আসছি এবং বর্তমানে
অনেক কোরানেই বিদ্যমান যে-আলহামদু লিল্লাহি
রাব্বুল আলামিন এটা সুরা
ফাতিহার প্রথম আয়াত।বিসমিল্লাহির রাহমানুর রহিম সুরা ফাতিহার
আয়াত নয়।
কিন্তু ২০১১ সালে কোন
কোরানে যদি দেখা যায়
বিসমিল্লাহির রাহমানুর রহিম সুরা ফাতিহার
প্রথম আয়াত তাহলে এটাকে
কোরানের সরাসরি বিকৃতি বলা
যাবে কি না?
সুরা-ফাতিহা। মক্কাবতীর্ন। রুকু-১=আয়াতঃ৭
بِسْمِ اللّهِ الرَّحْمـَنِ الرَّحِيمِ
০১
শুরু করছি আল্লাহর নামে
যিনি পরম করুণাময়, অতি
দয়ালু।
الْحَمْدُ للّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ
০২
যাবতীয় প্রশংসা আল্লাহ তা' আলার
যিনি সকল সৃষ্টি জগতের
পালনকর্তা।
الرَّحْمـنِ الرَّحِيم ০৩
যিনি নিতান্ত মেহেরবান ও দয়ালু।
مَـالِكِ يَوْمِ الدِّينِ ০৪
যিনি বিচার দিনের মালিক।
إِيَّاكَ نَعْبُدُ وإِيَّاكَ نَسْتَعِينُ ০৫
আমরা একমাত্র তোমারই ইবাদত করি এবং
শুধুমাত্র তোমারই সাহায্য প্রার্থনা করি।
اهدِنَــــا الصِّرَاطَ المُستَقِيمَ ০৬
আমাদেরকে সরল পথ দেখাও,
صِرَاطَ الَّذِينَ أَنعَمتَ عَلَيهِمْ غَيرِ المَغضُوبِ عَلَيهِمْ
وَلاَ الضَّالِّينَ ০৭
সে সমস্ত লোকের পথ,
যাদেরকে তুমি নেয়ামত দান
করেছ। তাদের
পথ নয়, যাদের প্রতি
তোমার গজব নাযিল হয়েছে
এবং যারা পথভ্রষ্ট হয়েছে।
কোরান অনুবাদে যে বিকৃতি হয়েছে
তার কিছু প্রমান নিম্নে
তুলে ধরলাম।
যেমন,কোরানে ৩১টি আয়াতে
আল্লাহ নিজেকে আমরা বলেছেন।কিন্তু
অনুবাদকেরা আমরার যায়গায় আমি
লিখেছে।আরবীতে
আনা-অর্থ=আমি।আর নাহনু-অর্থ=আমরা।
কোন কোন সুরার কত
নম্বর আয়াতে এরুপ করেছে
এক নজরে দেখে নিন।আনআম-১৫১,আয়াত ,তওবা-১০১,ইউসুফ-৩,হিজর-৯,২৩,বনীইস্রাইল-৩১,৪৭,৫৮,
কাহাফ-১৩, মরিয়ম-৪০,৭০, তোয়াহা-১০৪,১৩২, মুমিনুন-৯৬,
কাসাস-৫৮, ইয়াসিন-১২,
যুখরুফ-৩২, কাফ-১৬,৪৩,৪৫, ওয়াকিয়া-৫৪,৫৭,৫৯,৬০,৬৯,৭২,৭৩,৮৫, মায়ারিজ-৪১, দাহর-২৩,২৮ এই সকল
আয়াতে আল্লাহ নিজেকে আমরা
পরিচয় দিয়েছেন। আর
অনুবাদকেরা আমরার স্থলে আমি
লিখেছে।এটা
কি কোরানের বিকৃত অনুবাদ না।সুরা
বাকারার ২নং আয়াতে আল্লাহ
বলেছেন যালিকাল বিতাব,যালিকা অর্থ-ঐ, আর হাজা
অর্থ-এই,বাকারার ২নং
আয়াতের অর্থ করলে হয়,
ঐ কিতাবে সন্দেহ নাই।কিন্তু
অনুবাদকেরা লিখেছেন এই কিতাবে সন্দেহ
নাই। এটা
কি কোরানের বিকৃতি নয়।হে মানুষ আসল
কোরান খুজতে হযরত আলি(কঃ) সিলসিলায় বায়াত
গ্রহন করে আহলে বায়াতে
যোগ দিন।এবং
নিজেকে চিনুন স্রষ্টাকে চিন্তে
পারবনে।
পর্ব-৫
আমি আমার চেয়ে বিশ্বে
আর কাহাকেও বেশি ভালোবাসি না। আমি
যাহা কিছু করি শুধু
আমি ভালো থাকার জন্যই
করি।বলবেন
মা,বাবা,স্ত্রী-পুত্র
এদের সেবা করেন না?অবশ্বই করি ,এবং
সেটা তাদের জন্য নয়
সেখানেও আমি নিজে ভালো
থাকার জন্য করি।কেননা তারা অসান্তিতে
থাকলে আমার কষ্ট লাগে
তাই আমার কস্ট নিবারনের
জন্যই আমি তাদের দেখা
শোনা করি।বলবেন
ভিক্ষুককে ভিক্ষা অথবা অসহায়কে
সহায়তা করেন না?করি,এবং সেটা আমি
ভালো থাকার জন্যই করি। কেননা
তাদেরকে সহায়তা করতে পারলে
একটি পুন্য করতে পেরেছি
ভেবে মনে প্রশান্তি লাগে। অতএব
এটা আমি আমার জন্যই
করি।আর
প্রতিটি জীবেরই তার নিজেকে
ভালো ভালোবাসা উচিত।
তবে ভুলেও যেন ইচ্ছাকে
ভালোবাসবেন না।সে
আপনাকে রসাতলে নেওয়ার জন্য
সদা ব্যকুল
প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।সুযোগ পেলেই সে
কিন্তু আপনার ক্ষতি সাধন
করে ছাড়বে।সাবধান!
এক নজরে- আপনি আপনাকে
ভালোবাসেন না আপনার ইচ্ছাকে
ভালোবাসেন তা যাচাই করে
নিন।
আপনি যদি আপনাকে ভালোবাসেন
তাহলে আপনার প্রধান কাজ
,বিশ্বের যে প্রান্তেই থাকুন
না কেন
নিজেকে সুন্দর ভাবে উপস্থাপনের
চেষ্টা করুন।আর
নিজেকে সুন্দর ভাবে উপস্থাপন
করতে হলে কোন অবস্থাতেই
মিথ্যা বলা বা করা
যাবেনা।যদি
আপনি মিথ্যা বলেন বা
করেন তাহলে আপনি
কোরআনের অনুবাদ তো বিকৃত
করেছেই,বিকৃত করেছে আয়াত
সংখ্যারও।কোরানের
কোথায় কি বিকৃত করেছে,ধারাবাহিক ভাবে আলোচনা করবো।শীয়া
সম্প্রদায় দাবি করে শুরুতে
কোরানের আয়াত সংখ্যা ছিল
১৭০০০,এবং কোরানের মধ্যে
বেলায়েত নামে একটি সুরা
ছিল।
যে সুরাই হযরত আলি,ফাতিমা ও হাসান,হোসেনের গুরুত্ব বিষয়ে লিখিত ছিল।কিন্তু
ইমাম বংশ ধংসকারী মীর-
মোশাররফ হোসেনের বিষাদ সিন্ধুর ভাষায়
কাফের আর সুন্নিদের ভাষায়
তাদের কি বলে,দয়া
করে নিজেরা একটু জেনে
নেয়ার চেষ্টা করুন।তারা কোরান থেকে
সেগুলি সরিয়ে ফেলেন।এবং কোরানের আয়াত
সংখ্যা ৬৬৬৬ টি নির্ধারণ
করেন।কালে
কালে কমতে কমতে ৬৬৬৬
থেকে এ পর্যন্ত কোরানের
আয়াত সংখ্যা ৬২৩৬ এ
দাড়িয়েছে।কমেছে
৪৩০ টি আয়াত।এটা কি কোরানের
বিকৃতি নয়?মন্তব্য করবেন।আগামীতে
আরও কত কমে তা
পরবর্তীরা দেখে যেতে পারবে। ১৯৬৭
সালে প্রকাশিত অধ্যক্ষ আলি হায়দার চৌধুরীর
বাংলায় অনুবাদ কৃত কোরানে
সুরা আনামের আয়াত সংখ্যা
ছিল ১৬৬ টি,কিন্তু
বর্তমান কোরান শরিফে সুরা
আনামের আয়াত সংখ্যা ১৬৫
টি এটা কোরানের বিকৃতী
কি না আপনারা মন্তব্য
করবেন। এ
পর্যন্ত যত কোরান দেখেছি
তাতে সুরা ফাতিহার আয়াত
সংখ্যা ৭ এবং বিসমিল্লাহির
রাহমানুর রহিম সুরা ফাতিহার
আয়াত নয়।কিন্তু
বর্তমান অনুবাদিত দুটি কোরানের অনুবাদে
দেখলাম তারা সুরা ফাতিহার
আয়াত সংখ্যা লিখেছে ৭
এবং বিসমিল্লাহির রাহমানুর রহিম কে তারা
সুরা ফাতিহার প্রথম আয়াত লিখেছে
৬ও৭ নং আয়াতকে একত্রিত
করে ৭ম আয়াত করেছে।প্রমান
স্বরুপ অনুবাদ কৃত সুরা
ফাতিহা হুবহু উঠিয়ে দিলাম। ।কিন্তু আপনারা যারা
এই লেখা পড়বেন তারা
মন্তব্য করবেন এটা কোরানের
বিকৃতি কি না।যদি বিকৃতি হয়ে
থাকে আমাদের কি করা
উচিৎ। মন্তব্য
করবেন।হাসিনা
সরকারের নারী নিতিমালা প্রকাশের
পর যারা আন্দোলন করলেন
তারাও এ বিষয়ে চুপ
কেন।জানতে
চাই।সুরা
ফাতিহার অনুবাদ যে কত
বিকৃত করেছে ও কোন
কোন অনুবাদক এরূপ করেছে সেটা
আগামি প্রকাশনায় প্রকাশ করবো।চলবে…সত্য সহায়া।গুরুজী
সুরা-ফাতিহা। মক্কাবতীর্ন। রুকু-১=আয়াতঃ৭
بِسْمِ اللّهِ الرَّحْمـَنِ الرَّحِيمِ
০১
শুরু করছি আল্লাহর নামে
যিনি পরম করুণাময়, অতি
দয়ালু।
الْحَمْدُ للّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ
০২
যাবতীয় প্রশংসা আল্লাহ তা' আলার
যিনি সকল সৃষ্টি জগতের
পালনকর্তা।
الرَّحْمـنِ الرَّحِيمِ ০৩
যিনি নিতান্ত মেহেরবান ও দয়ালু।
مَـالِكِ يَوْمِ الدِّينِ ০৪
যিনি বিচার দিনের মালিক।
إِيَّاكَ نَعْبُدُ وإِيَّاكَ نَسْتَعِينُ ০৫
আমরা একমাত্র তোমারই ইবাদত করি এবং
শুধুমাত্র তোমারই সাহায্য প্রার্থনা করি।
اهدِنَــــا الصِّرَاطَ المُستَقِيمَ ০৬
আমাদেরকে সরল পথ দেখাও,
صِرَاطَ الَّذِينَ أَنعَمتَ عَلَيهِمْ غَيرِ المَغضُوبِ عَلَيهِمْ
وَلاَ الضَّالِّينَ ০৭
সে সমস্ত লোকের পথ,
যাদেরকে তুমি নেয়ামত দান
করেছ। তাদের
পথ নয়, যাদের প্রতি
তোমার গজব নাযিল হয়েছে
এবং যারা পথভ্রষ্ট হয়েছে।
পর্ব-৩
পবিত্র কোরান শরীফ আরবী
হতে বাংলা অনুবাদ করতে
প্রায় ৫০% বিকৃত হয়েছে
এবং মুল অর্থে ১০০%ই বিকৃত হয়েছে।এর
কারন যারা কোরানের অনুবাদ
করেছেন তারা আভিধানিক অর্থে
কোরানের অনুবাদ করেছেন।
কিন্তু কোরান নাজিল হয়েছে
সাংকেতিক শব্দে,যার মর্মার্থ
অনুবাদ কারীদের ধারনাতেই নাই।এর
ধারনা রাসুল(সা:)আলি
(ক:)কে শিক্ষা দিয়ে
নিজেই ঘোষনা দিয়েছেন,আনা
মাদিনাতু এলম ওয়া আলিউন
বাবুহা।যার
অর্থ আমি জ্ঞানের শহর
আলি তার দরজা।অর্থ্যাত এই জ্ঞান ভান্ডারে
প্রবেশ করতে হলে আলি(ক:)এর মাধ্যমেই
পবেশ করতে হবে।ইহা ব্যাতীত শুধু
আভিধানিক অর্থে কোরানের মর্মার্থ
বোঝা সম্ভব নয়।
আর যারা কোরানর অনুবাদ
করেছে তারা আলি(ক:)কে পাত্তাই দেয়নি।তাই
তারা সাংকেতিক শব্দের মর্মার্থ না
বুঝে অনুবাদ করতে গিয়ে
মুল বিষয়কে হারিয়ে ফেলেছে।এবং
পূর্ণাঙ্গ জীবন ব্যাবস্থাকে উল্টো
করে ফেলেছে।এখন
জানা দরকার সাংকেতিক শব্দ
কি।
সাংকেতিক শব্দ:প্রত্যেক ডিপার্টমেন্টেরই
নিজস্ব সাংকেতিক ভাষা আছে,পুলিশ,বিডিআর,চোর ডাকাত
হকার,মাদকসেবী,মাদকব্যাবসায়ী এমন কি কণ্ঠ
শিল্পী ও চিত্র শিল্পীরাও
নিজস্ব আলাদা আলাদা সাংকেতিক
শব্দের মাধ্যমে মনের ভাব প্রকাশ
করে থাকে।আমার
পরিচিত একটি ডিপার্টমেন্টের ব্যাবহৃত
সাংকেতিক শব্দগুলি আমি জানি।যা আপনাদের অবগতির
জন্য উপাস্থপন করছি।তারা-
খাবারকে-খিটনি, সুন্দরকে-হারক,
খারাপকে-বিলা, টাকাকে-চতি,
১০কে-দয়লা, ৫০কে-হাফগজ,
১০০কে-গজ, ১০০০কে-থান,
নারীকে-বাচকি, পুরুষকে-বাইচকা,
দেহব্যাবসায়ীকে-বিলাবাচকি, ক্ষুধালাগাকে-খিটনিবিলা, কথাবলাকে-সোল, জিজ্ঞাসাকে-সোলাও,
মদকে-কিটা, গাজাকে-ঝুপশি
বলে থাকে।এখন
এই ডিপার্টমেন্টের একজন একটা চিরকুট
একজনের হাতে দিয়ে বলল
এই চিরকুটটা অমুকের কাছে পৌছে
দিবে।চিরকুটের
লেখাটি এরুপ।
চিরকুটটি পাওয়া মাত্র শফিকের
নিকট হতে দয়লা থান
চতি নিয়ে হারক দেখে
একটা বিলাবাচকি, দুইটা কিটা, একগজ
চতির ঝুপশি, আর চার
জনের জন্য খিটনি নিয়ে
আসবি।আমি
কিন্তু খিটনি বিলা হয়ে
বসে আছি।আর
অবশ্যই বিলা বাচকি কত
চতি চাই সোলায়ে নিবি।
এখন বলুন,ভাষার উপরে
ডক্টরেট নিয়ে আসলেও কি
এই চিরকুটের মর্মকথা আভিধানিক অর্থে অনুবাদ করে
জানতে পারবে?তদ্রুপ এই
কোরান ও আভিধানিক অর্থে
অনুবাদ করে মর্মকথা অনুধাবন
করা সম্ভব নয়।কেন না রাসুল
খলিফা দের মধ্যে একমাত্র
আলিকেই সাংকেতিক শব্দ শিখিয়ে নিজেই
ঘোষনা দিয়েছিলেন,আনা মাদীনাতু এলমে
ওয়া আলিউন বাবুহা।অর্থ-আমি জ্ঞানের
শহর আলি তার দরজা।অর্থাত
রাসুলের রেখে যাওয়া জ্ঞান
ভান্ডে প্রবেশ করতে হলে
আলির মাধ্যম দিয়েই যেতে
হবে।তা
না হলে বোঝা সম্ভব
নয়।আর
এই সাংকেতিক শব্দ রাসুল শিখিয়েছেন
আলিকে,আলি হাসানকে, হাসান
হোসেনকে এভাবে ধাপে ধাপে
আসতে আসতে বর্তমানে একচল্লিশতম
ধাপে দাড়িয়েছে।এরা
হলেন খেলাফত প্রাপ্ত পির
বা মুর্ষীদ।তাই
কোরান বুঝতে বা জানতে
হলে বা কোরানের আইন
বাস্তবায়ন করতে হলে একজন
মুর্ষীদের কাছে তালিম নিতে
হবে।ইহা
ছাড়া সম্ভব নয়।এখন আসুন সুরা
ফাতিহার অনুবাদ কত টুকু
সঠিক হয়েছে দেখে নিই।আভিধানিক
অর্থ করলে সুরা ফাতিহার
অর্থ দাড়াই। সুরা
ফাতিহা অবতীর্ণ-মক্কা, রুকু-১,
আয়াত-৭।
বিশ্বে যতগুলি ধর্মিয় গ্রন্থ
এসেছে,প্রতিটি গ্রন্থেই উল্লেখ রয়েছে যে,অশান্তি দুর করতেই ইশ্বর
বা স্রষ্টা আইন বা সংবিধান
হিসাবে ধর্মিয় গন্থ প্রেরণ
করেছেন।এর
অর্থ এই যে,ধর্মীয়
গ্রন্থ শান্তি পতিষ্ঠার নিয়ামক।তাহলে
বিশ্ব শ্বান্তি প্রতিষ্ঠা করতে হলে আগে
ধর্মীয় গ্রন্থকে সঠিক ভাবে বুঝতে
হবে,বিশ্বে তা প্রয়োগ
করতে হবে এবং বাস্তবায়ন
করতে হবে।তবেই
বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব।
তাহলে প্রথমে জানতে হবে
অশান্তি কি?তবেই না
অশান্তি থেকে উত্তরনের পথ
খোজার চেষ্টা করা যেতে
পারে।অশান্তি হচ্ছে,যেকোন কারনে জীবের দৈহিক ও মানষীক কষ্টের শিকার হওয়ার নামই অশান্তি।
তাহলে কি পেলে আমরা শান্তি পেতে পারি।
শান্তি পেতে হলে জীবের
জন্য ৫ টি বিষয়
আবশ্যক।১.ব্যাধি মুক্ত শরীর
২.ক্ষুধা নিবৃত্বির আহার
৩.থাকিবার স্থান ৪.অন্যের
দ্বারা অন্যায় আচরণ না
পাওয়ার নিশ্চয়তা ও ৫.ইজ্জত
নিবারণের আব্রু বা পোশাক।আর
প্রতিটি ধর্মীয় গ্রন্থেই কি
কি নিতিমালা বাস্তবায়ীত হলে এগুলি পাওয়া
যেতে পারে তার পুর্ণাঙ্গ
আলোচনা করা হয়েছে।তাই এ সকল
গ্রন্থকে জীবের পূর্ণাঙ্গ জীবন
ব্যবস্থা বলা হয়েছে।
কিন্তু প্রতিটি কিতাবী সম্প্রদায়ের ধর্ম
ব্যাবসায়ীরা নিজ ব্যাবসা টিকিয়ে
রাখার স্বার্থে ধর্ম গ্রন্থের মূল
বিষয়কে বিকৃত করেছে।আর তাতেই সৃষ্টি
হয়েছে অসাম্য,অশান্তি ও
কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠার প্রতিযোগীতা,আর তারই শিকারে
বিশ্বে ৪০% জীব দরীদ্র
সীমার নিচে অশান্তিতে বাস
করতে বাধ্য হয়েছে।
ধর্ম গ্রন্থের বিকৃতী ।।সর্ব
প্রথম আমি মুসলীম ধর্ম
সম্প্রদায়ের স্রষ্টা হতে প্রাপ্ত ধর্মীয়
কিতাব পবিত্র কোরআন শরিফ
নিয়ে আলোচনা করব।এই কোরআন ৬১০
খৃষ্টাব্দ হতে ৬৩৩ খৃষ্টাব্দ
পর্যন্ত তাদের নবী হযরত
মহাম্মদ (সা)এর নিকটে
আরবী ভাষায় অবতির্ণ হয়।ধর্ম
ব্যবসায়ী ও অন্ধ বিশ্বাসীরা
বলে একমাত্র তাদের কিতাব অর্থাত
কোরআনই এ পর্যন্ত অবিকৃত
রয়েছে বাদ বাকি সব
কিতাবই বিকৃত হয়েছে।কিন্তু মুক্ত চিন্তার
জীব তো আর চুপ
করে বসে থাকতে পারে
না।তাই
আসুন দেখা যাক এই
কোরআন কতটুকু অবিকৃত রয়েছে। শীয়া
মুসলিমরা দাবি করে প্রথম
দিকে কোরআনের আয়াত সংখ্যা ছিল
১৭ হাজার,কিন্তু সুন্নী
মুসলমানেরা বলে এবং কোরঅনের
প্রারম্ভে লেখে ৬৬৬৬ আয়াত।৮২
সালে আমি অধম কোরআনের
আয়াত গুণে দেখলাম ৬২৩৬
টি।৪৩০
টি আয়াত এই কোরআন
শরিফের মধ্যে নাই।শুনেছি এই কোরআন নাকি ৪০ টি ভাষায় অনুবাদ হয়েছে।
অনুবাদ কোন ভাষায় কতটুকু
বিকৃত হয়েছে জানিনা ,তবে
বাংলা অনুবাদে যে প্রায় ৫০%
অনুবাদ বিকৃত হয়েছে,তা
আমি অধম অশিক্ষিত,মূর্খ
হয়েও উপলব্ধি করতে পেরেছি।প্রমান হিসাবে সুরা
ফাতিহা আপনাদের সামনে উপস্থাপন করছি।আগামী
২৪ ঘন্টায় আপনারা খুজে
দেখুন অনুবাদে কোন ভুল আছে,কি,না।আগামীকাল ঠিক এই সময়
কি কি ভুল আছে
,আমি অজ্ঞ, উঠিয়ে ধরার
চেষ্টা করবো।
সুরা-ফাতিহা"মক্কাবতীর্ণ-রুকু=১.আয়াত=৭শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু।
الْحَمْدُ للّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ
যাবতীয় প্রশংসা আল্লাহ তা' আলার
যিনি সকল সৃষ্টি জগতের
পালনকর্তা।
الرَّحْمـنِ الرَّحِيمِ
যিনি নিতান্ত
মেহেরবান ও দয়ালু
مَـالِكِ يَوْمِ الدِّينِ
যিনি বিচার দিনের মালিক।
إِيَّاكَ نَعْبُدُ وإِيَّاكَ نَسْتَعِينُ
আমরা একমাত্র তোমারই ইবাদত করি এবং
শুধুমাত্র তোমারই সাহায্য প্রার্থনা করি।
اهدِنَــــا الصِّرَاطَ المُستَقِيمَ
আমাদেরকে সরল পথ দেখাও,
صِرَاطَ الَّذِينَ أَنعَمتَ عَلَيهِمْ غَيرِ المَغضُوبِ عَلَيهِمْ
وَلاَ الضَّالِّينَ
সে সমস্ত লোকের পথ,
যাদেরকে তুমি নেয়ামত দান
করেছ। তাদের
পথ নয়, যাদের প্রতি
তোমার গজব নাযিল হয়েছে
এবং যারা পথভ্রষ্ট হয়েছে।
বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষে ধর্ম।গুরুজী। ক্ষর-অক্ষর-বর্ণ ও রস পরিচিতি।
শুরু করিলাম আমি আমাকে
স্মরন করে।
অক্ষর,
১.অন্ধকার,
২.ধন্দকার,
৩.আকার,
৪.স্বাকার,
৫.কূয়াকার,
৬.দ্বীপ্তকার,
৭.নিরাকার,
৮.বিম্বকার,
৯.স্বিম্বকার
১০.ডিম্বকার,
১১.হু-হুঙ্কার,
যে স্বর অন্য স্বরের সাহায্য ব্যাতীত নিজে উচ্চারীত হতে পারেনা,তাহাকেই যুক্তস্বর বলে। সর্বমোট যুক্তস্বর ৭টি,যথা=আ,ঈ,ঊ,ঋ,৯,ঐ,ঔ।
১.অ+অ=আ
২.ই+ই=ঈ
৩.উ+উ=ঊ
৪.র+ই=ঋ
৫.ল+ই=৯
৬.ও+ই=ঐ
৭.ও+উ=ঔ
অক্ষর,
অক্ষর শব্দের অর্থ অবিনাশ্য।অর্থাৎ
যাহার কোন বিনাশ নাই।আর
ক্ষর শব্দের অর্থ বিনাশ্য,অর্থাৎ যাহার বিনাশ
বা ধংস আছে।কিন্তু আমরা যাহাকে
অক্ষর বলে জানি তাহার
সবগুলিই কিন্তু অক্ষর নয়,তার মধ্যে কিছু
আছে অক্ষর,কিছু ক্ষর
এবং কিছু বর্ণ।আসুন সে বিষয়ে
বিস্তারীত আলোচনায় আসা যাক।
বাংলা ভাষায় লিখিত মনের
ভাব প্রকাশ করতে ধ্বনি
চিহ্ন আবিস্কারকগন মোট ৩৮টি ধ্বনি
উচ্চারণের জন্য মোট ৫২টি
ধ্বনি চিহ্ন ব্যাবহার করেছেন।এই
ধবনি চিহ্নকে দুভাগে ভাগ করা
হয়েছে।যথা=১.স্বর-ধ্বনি
চিহ্ন,২.ব্যঞ্জন ধ্বনি
চিহ্ন.
আমরা বিদ্যালয়ের শিক্ষায় শিখেছি বাংলায় অক্ষর
বা বর্ণ ৫২ টি,কিন্তু এলমে তাসাউফে
এসে জানলাম বিদ্যালয়ের শিক্ষাটি
ছিলো ত্রুটি যুক্ত,ত্রুটি
মুক্ত নয়,আর ত্রুটি
মুক্ত শিক্ষা হচ্ছে,৫২
টি ধ্বনি চিহ্নই অক্ষর
বা বর্ণ নয়।এই ৫২ টি
ধ্বনি চিহ্নকে দোষ,গুণ আকার
ও লিঙ্গ বিচারে চার
ভাগে ভাগ করা হয়েছে।যথা-১.ক্ষর,২.অক্ষর.৩.বর্ণ
ও ৪.রস।প্রথমত আমি স্বরধ্বনি
চিহ্ন নিয়ে আলোচনা করবো।
স্বরধ্বনি-
অন্য ধ্বনির সাহায্য ব্যাতীরেকেই
যে ধ্বনি নিজেই প্রকাশ
হইতে পারে তাহাকে স্বরধ্বনি
বলে। স্বরধ্বনি
চিহ্ন সর্বমোট ১২ টি।যথা-অ,আ,ই,ঈ,উ,ঊ,ঋ,৯,এ,ঐ,ও,ঔ।কিন্তু
আমাদের দুর্ভাগ্য, বর্তমানে যারা বাংলা ভাষার
ধারক বাহক তিনারা ৯
ধ্বনি চিহ্ন আবিস্কারের প্রয়োজনিয়তা
না জানাই ধ্বনি চিহ্ন
মালা থেকে ৯ কে
বাদ দিয়েছে।এর
অর্থ যাহারা এই ধ্বনি
চিহ্ন আবিস্কার করেছিলেন, তাহারা ভুল করে
৯ ধ্বনি চিহ্নকে আবিস্কার
করেছিলেন।
৯ ধ্বনি চিহ্ন,কিন্তু
৯ কার নয়,৯
ব্যাতীত ১১টি স্বর ধ্বনি
চিহ্নই কিন্তু কার।এই ১১টি কার
কি কি এক নজরে
দেখে নিন।১.অন্ধকার,
২.ধন্দকার,
৩.আকার,
৪.স্বাকার,
৫.কূয়াকার,
৬.দ্বীপ্তকার,
৭.নিরাকার,
৮.বিম্বকার,
৯.স্বিম্বকার
১০.ডিম্বকার,
১১.হু-হুঙ্কার,
আমিতে শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে
চাইলে,অবশ্যয় এ বিষয়ে
জ্ঞান আহরণ ও ক্রীয়া
সম্পাদন করা প্রতিটি জীবেরই
উচিৎ।
আসুন স্বরধ্বনি চিহ্ন কেন ১২
টি,স্বরধ্বনি বলতে আমরা কি
বুঝি,এবং স্বরধ্বনি বলতে
আমাদের কি বুঝা উচিত
সে বিষয়ে আলোচনা করি।
আপনারা জানেন স্বরধ্বনি প্রকাশ
হতে কাহারও সাহায্য লাগেনা।আর
এই মহাবিশ্বে প্রকাশ লাভ করিতে
একমাত্র কলেমা তৈয়বই কাহারও
সাহায্য নেই নি।আর তাহা হচ্ছে
লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ।আর এই লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ লিখতে
মোট ১২টি ধ্বনিচিহ্ন ব্যাবহার
হয়েছে। তাসাউফের
দৃষ্টিতে এই লা-ইলাহা
ইল্লাল্লাহ ই স্বরধ্বনি।অর্থাত স্রষ্টা নিজেই
স্বরধ্বনি।
এই স্বরধ্বনিকে আবার লিঙ্গ ভেদে
দুভাগে বিভক্ত করা হয়েছে,
যথা-১.মুক্তস্বর,২.যুক্তস্বর।
১.মুক্তস্বর=
যে স্বর উচ্চারণে অন্য
কোন স্বরের সাহায্য নেইনি,তাহাকেই মুক্তস্বর বলে,মুক্তস্বর সর্বমোট
৫টি যথা-অ,ই,উ,এ,ও,আর তাসাউফে ইহাকে
বলা হয় লা ইলাহা,আর লা ইলাহা
লিখতেও মোট ৫টি হরফ
ব্যাবহার হয়েছে।এই
৫টি হরফকে আল্লাহর জাত
বা ভূত বলা হয়।মূলত
ইহাকেই অক্ষর বা অবিনাশ্য
বলে।
২.যুক্তস্বর=যে স্বর অন্য স্বরের সাহায্য ব্যাতীত নিজে উচ্চারীত হতে পারেনা,তাহাকেই যুক্তস্বর বলে। সর্বমোট যুক্তস্বর ৭টি,যথা=আ,ঈ,ঊ,ঋ,৯,ঐ,ঔ।
১.অ+অ=আ
২.ই+ই=ঈ
৩.উ+উ=ঊ
৪.র+ই=ঋ
৫.ল+ই=৯
৬.ও+ই=ঐ
৭.ও+উ=ঔ
তাসাউফের দৃষ্টিতে ইল্লাল্লাহ লিখতেও মোট ৭টি
হরফ ব্যাবহার হয়েছে।এই
৭টি হরফকে আল্লাহর সেফাত
বা গুণ বলা হয়।মূলত
ইহাকেই ক্ষর বা বিনাশ্য
বলে।
এই ৫ জাত ও
৭ সেফাতের সমন্বয়কেই কলেমা তৈয়ব বলে।অর্থাত
কলেমা তৈয়ব লিখতে ১২টি
হরফ ব্যাবহার হয়েছে,যাহা প্রকাশ
লাভে কাহারো সাহায্য নেই
নি,তদ্রুপ, স্বরধ্বনি উচ্চারিতেও অন্য কোন ধ্বনির
সাহায্য নেই নি,
পরিশেষে,প্রতিটি সৃষ্টির মাঝেই স্রষ্টা বিরাজিত,তাই প্রতিটি সৃষ্টির
মাঝেই এই ১২টি স্বরধ্বনি
চিহ্ন বিরাজিত।তাই
স্বরধ্বনি চিহ্ন চিনলেই কলেমা
তৈয়ব চিনা যায়,আর
কলেমা তৈয়ব চিনলেই স্রষ্টাকে
চিনা যায়।
ব্যঞ্জণ ধ্বনি-
যে ধ্বনি স্বরধ্বনির সাহায্য
ব্যাতীত একাকী প্রকাশ লাভ
করিতে পারেনা।তাহাকে
ব্যাঞ্জণ ধ্বনি বলে।
ব্যাঞ্জণ ধ্বনি সর্বমোট ৪০টি।যথা-
ক,খ,গ,ঘ,ঙ। চ,ছ,জ,ঝ,ঞ। ট,ঠ,ড,ঢ,ণ। ত,থ,দ,ধ,ন। প,ফ,ব,ভ,ম। য,র,ল,ব,শ। ষ,স,হ,ড়,ঢ়। য়,ৎ,ং,ঃ,ঁ
কোন সৃষ্টিই কলেমা তৈয়ব বা
স্রষ্টা ব্যাতীত প্রকাশ লাভ করিতে
পারে নাই।তাই
ব্যঞ্জণ ধ্বনি চিহ্ন হচ্ছে
স্রষ্টার সমগ্র সৃষ্টি।অর্থাত স্রষ্টা স্বরধ্বনি
আর সৃষ্টি ব্যঞ্জণ ধ্বনি।এই
ব্যঞ্জণ ধ্বনি চিহ্নকে আবার
বর্ণ আকার ও লিঙ্গ
ভেদে তিন ভাগে ভাগ
করা হয়েছে।যথ্-১.একক ব্যাঞ্জণ
ধ্বনি চিহ্ন, ২.জোড়
ব্যাঞ্জণ ধ্বনি চিহ্ন, ৩.ত্রি-রস ব্যাঞ্জণ
ধ্বনি চিহ্ন ।
আর এই ৫২টি ধ্বনি
চিহ্নই মূলত ৪টি বর্ণ
বা রং সমন্বয়।চলবে…
সত্য সহায়।গুরুজী।
বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষে ধর্ম।গুরুজী।কোরানের পরিচয়।
কোরান-
যাহার ওজন আছে,যায়গা
দখল করে ও তাহার
শক্তি বা ক্ষমতা আছে,
সে ভালো এবং মন্দ
উভয় কাজই করিতে সক্ষম।অর্থাৎ
কোরান একটি বস্তু বা
পদার্থের নাম,যাহা সমস্ত
সৃষ্টির কল্যান ও অকল্যান
করিবার ক্ষমতা রাখে,মহাবিশ্বে
এমন কোন সৃষ্টি নাই
যে কোরানের আদেশ ও নিষেধের
গন্ডির মাঝে নিয়ণ্ত্রীত নয়।কোরানের
আদেশ আপনাকে শান্তির নিশ্চয়তা
দিবে এবং কোরানের নিষেধ
আপনাকে অশান্তিতে নিমজ্জিত করিবে।তাই
প্রতিটি জীবেরই কোরানের জ্ঞান
আহরণ ও কোরান সংরক্ষন
করা উচিৎ।
কোরান জানলে আমাদের কি
কি কল্যান সাধিত হবে।
১.কি করলে শরির
রোগমুক্ত রাখা যায়।
২.শরিরে যৌবণ কে
কিভাবে ধরে রাখা যায়।
৩.এক সময়ে কমপক্ষে
৩ জন নারী এবং
পুরুষের যৌন ক্ষুধা মিটানোর
শক্তি অর্জন কিভাবে করা
যায়।উর্দ্ধে
১৫ জন নারী এবং
পুরুষের।
৪.৮০ বৎসর বয়সেও
চেহারা ৩০ বৎসরের যুবক
এবং যুবতীর ন্যায় কিভাবে
ধরে রাখা যায়।
৫.শারিরীক,মানষীক,সামাজীক ও
আর্থিক শান্তি প্রতিষ্ঠা কিভাবে
করা যায়।
৬.সন্তান ছেলে নিবেন
না মেয়ে নিবেন,কালো
না ফর্সা নিবেন.লম্বা
না বেটে নিবেন,সুস্থ
না অসুস্থ নিবেন,বোকা
না ব্রেনি নিবেন,অল্পায়ু
না দির্ঘায়ু নিবেন জেনে শুনে
নেওয়া যায়।
৭.হায়াৎ বৃদ্ধি করার
প্রক্রিয়া জেনে হায়াত বৃদ্ধি
করতে পারা যায়।
৮.কি কারণে হায়াত
বৃদ্ধি করবেন।তাহা
জানতে পারা যায়।
কিভাবে আপনি কোরান জানবেন,চিনবেন।
আল্লাহর হাদিসের মর্মার্থ বুঝলেই কোরানের দর্শন
পাওয়া সম্ভব।সত্য
সহায়।গুরুজী।
বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষে ধর্ম।গুরুজী।
আমি
আপনাদের সম্মুখে আজ এমন বিষয়
উপস্থাপন করছি,যে বিষয়টি
ইমাম বংশকে নিধনের মাধ্যমে
একটি সম্প্রদায় পৃথিবী থেকে চিরতরে
মুছে দিতে চেয়েছিলো।এমন কি ইমাম
বংশকে নিধনের পরে যারা
রাসুলের মূল আদর্শ ত্যাগ
না করেছিলো তাদেরকেও হত্যা করা হয়েছিলো।ইহাতে
প্রাণে বাঁচার জন্য অনেকেই
রাসুলের আদর্শ ত্যাগ করেছিলো।অথবা
নিহত হয়েছিলো।আর
মুষ্টিমেয় কিছু সাহাবা তাদের
বশ্যতা শিকারও করেনি আবার
নিহতও হয়নি, তারা রাসুলের
মূল আদর্শ হৃদয়ে ধারণ
করে,মিশর ও শিরিয়াতে
আত্মগোপন করেছিলো।এবং
তাদের সাধ্যমত তারা তা প্রচার
করেছিলো।এভাবেই
রাসুলের মুল আদর্শ হৃদয়ে
ধারণ কারীর সংখ্যা উত্তর
উত্তর কিছুটা সম্প্রসারিত হয়েছিলো।
হিজরী ষষ্ঠ শতকে বংশ
পরাম্পরায় রাসুলের মূল আদর্শ হৃদয়ে
ধারনকারীরা একত্রিত হয়ে তারা তা
প্রচারের উদ্দোগ নেয়।সংখ্যায় তারা কমপক্ষে ৬০০-৮০০ জন ছিলো।তম্মধ্যে
৩৬০ জন আমাদের ভারতবর্ষে
এসেছিলো।
সে সময় সমগ্র ভারতবর্ষই
ছিলো হিন্দু ধর্মাবলম্বী,এবং
তাদের ছিলো প্রচণ্ড বর্ণ
বৈষম্য।নিম্ন
বর্ণের হিন্দুদিগকে পূঁজা মন্ডপে প্রবেশ
করতে দেওয়া হতোনা।উচ্চবর্ণ ও মধ্যবর্ণের হিন্দুরা
যে থালা বাসনে খাওয়া
দাওয়া করতো তাহাতে কখনোই
নিম্ন বর্ণের হিন্দুদিগকে খেতে
দেওয়া হতোনা।এবং
নিম্ন বর্ণের হিন্দুদিগের দ্বারা
বাড়ির আঙ্গিনায় কাজ করালে কাজ
শেষে সেখানে গঙ্গাজল ছিটিয়ে
পবিত্র করে নেওয়া হতো।এক
কথায় নিম্ন বর্ণের হিন্দুরা
ছিলো সৃষ্টির অশুচি ।অতএব
তাদের ছায়া মাড়ানোও ছিলো
পাপ।
ঠিক সেই সময় ৩৬০
জন আউলিয়া রাসুলের আদর্শ
প্রচারে ভারতবর্ষে আগমন করেন।এক একজন আউলিয়ার
দলে কমপক্ষে ৪০ জন পুরুষ
সদস্য ও কমপক্ষে দশজন
নারী সদস্যা ছিলো।একজন আউলিয়ার সাথে
কমপক্ষে ২ জন দোভাষি
ছিলো।এদের
মধ্যে ৩০ জন ছিলো
যোদ্ধা।
তারা একটি স্থানে তাঁবু
পেতেছে,তারপর সেখানকার অধিবাসীদেরকে
দাওয়াত করেছে রাসুলের আদর্শে
বায়াত গ্রহনের জন্য।তাঁবু
পাতার পরে সেখানকার উচ্চবর্ণের
হিন্দুরা কৌতুহল বশতঃ তাদেরকে
দেখতে এলে তারা অতিথির
তাঁবুতে ফরাসের উপরে তাদের
বসতে দিয়েছে।তাদের
সাথে থাকা খাবার দিয়ে
আপ্যায়ণ করেছে,এবং রাসুলের
সাম্যের বাণী তাদের কাছে
উপস্থাপন করেছে।কিন্তু
উচ্চবিত্তরা সম-অধিকারে বিশ্বাসী
নয় হেতু তাদেরকে প্রত্যাখ্যান
করেছে এবং করেছে তাদের
বিরোধিতা।এরা
বিদায় হলে এসেছে মধ্য-বর্ণের হিন্দুরা।এদেরকেও তারা উচ্চবর্ণের হিন্দুদের
যেখানে বসতে দেওয়া হয়েছিলো
মধ্য-বর্ণের হিন্দুদেরও সেখানেই
বসতে দিলো,আপ্যায়ণ করলো
আগের মতই,এবং আগের
মতই শোনানো হলো সাম্যের
বাণী। তারাও
তা প্রত্যাখ্যান করলো এবং করলো
সাম্যের বিরোধিতা।
নিম্ন বর্ণের হিন্দুরা সৃষ্টির
অশুচি হেতু তারা তাঁবুর
বেশ কিছু দুরে সমবেত
হয়ে এসকল দৃশ্য অবলোকন
করতে থাকে।নিকটে
যেতে সাহস পায়না।উচ্চ বর্ণ ও
নিম্ন বর্ণেরা বিদায় হয়ে গেলে,আউলিয়া তার শিষ্য
দিয়ে নিম্ন বর্ণের হিন্দুদের
ডেকে আনতে বলে।এবার নিম্নবর্ণের হিন্দুদেরও
যখন একই বিছানায় বসতে
দিলো,আপ্যায়ণ করলো একই পাত্র
দ্বারা,এবং শোনালেন সাম্যের
বাণী।তখন
নিম্নবর্ণের হিন্দুরা ভাবলো,উচ্চ ও
মধ্য বর্ণের হিন্দুরা আমাদের
অশুচি বলে ঘৃনা করে
আমাদের দেইনা আমাদের প্রাপ্য
অধিকার,কিন্তু এখানে তো
কোন বর্ণ ভেদাভেদ নাই,এবং সম অধিকারের
মাধ্যমে সবাই সূখি জীবণ
গড়তে পারে।অতএব
ইহাই সত্য ধর্ম।তখন এই নিম্নবর্ণের
হিন্দুরাই রাসুলের আদর্শে বায়াত গ্রহন
কারী মুসলমান।এবং
আমাদের পূর্ব পুরুষ।
একারণেই আমরা পায়খানা আর
পেশাব ছাড়া ত্যাগ করতে
শিখি নাই।শিখেছি
শুধুই ভোগ করতে।এক মাত্র সাম্যই
পারে জীবকে ত্যাগী তৈরী
করতে।
আর যে সকল আউলিয়ারা
সে সময় ইসলাম প্রচার
করেছে,তাদের প্রত্যেকের মাজার
আছে,সেখানে হিন্দু,মুসলমান,বৌদ্ধ খৃষ্টান সকলেই
আসে,জিয়ারত করে,মানত
করে,এবং প্রতিটি মাজারেই
বাৎসরীক ওরশ হয়,এবং
গান বাজনা হয়।
আর প্রতিটি আউলিয়ার স্বরচিত বই ছিলো,কিন্তু
মসজিদ ভিত্তিক বন্দেগীকারী মুসলমানেরা সে সকল বইকে
বিলুপ্ত করতে কোটি কোটি
টাকা ব্যায় করেছে।আসুন আমরা তাদের
লেখা বইগুলি সংগ্রহের জন্য
চেষ্টা করি,এবং রাসুলের
মূল আদর্শ পুণরুদ্ধার ও
প্রচারের চেষ্টা করি।যেনো বিশ্বের প্রতিটি
সৃষ্টিই শান্তিতে বসবাস করতে পারে।সত্য
সহায়।গুরুজী।
বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষে ধর্ম।গুরুজী।ধর্ম পরিচয়
আল্লাহ
নামক মহাসত্বাটির উৎপত্তি আর ধর্মের উৎপত্তি
একই অবস্থান থেকে সংঘটিত হয়েছে।আর
আল্লাহ মহাসত্বা খন্ডিত হয়ে মহাবিশ্ব
সৃষ্টি হয়েছে।আর
মহাবিশ্ব হচ্ছে অভাবিত প্রাণ
সমাহার।আর
সমস্ত প্রাণই ধর্মের উপসর্গ
বহিঃপ্রকাশে অঙ্গিকারাবদ্ধ।তাই
প্রাণ আর ধর্ম একে
অপরের সাথে অঙ্গাঙ্গী ভাবে
জড়িত।আর
প্রাণ মাত্রেই আলোচনার কেন্দ্র বিন্দু হচ্ছে ধর্ম।তাই
প্রাণীকুলে একে অপরের সহিত
তুলনা করে চলেছে কার
ধর্ম কত উত্তম আর
কার ধর্ম কত অধম,এই কাদা ছোড়াছুড়ি
সৃষ্টির শুরু হতে আজ
অবধি বিদ্যমান এবং সব কিছু
ধংশ হয়ে যাওয়ার পরও
কেবল মাত্র ধর্মই অবশিষ্ট
থাকবে।আর
উত্তম ধর্মই প্রাণীকে উত্তম
করে আর অধম ধর্মই
প্রাণীকে অধম করে।প্রাণ মাত্রেই ধর্ম
সমাহার,তাই সর্বপ্রথম জীবের
জানা প্রয়োজন, ধর্ম কি?ধর্মের
প্রয়োজনিয়তা কি?এবং কিভাবে
ধর্ম করা যাই।কেননা ধর্মই প্রাণীকে
শান্তিময় করে আবার ধর্মই
প্রাণীকে অশান্তিতে নিমজ্জিত করে।
১.ধর্ম কি?
আরবী দ্বীন শব্দটিকে আমরা
ধর্ম বলে জানি.কিন্তু
এই ধর্মকে বিজ্ঞান যখন
চরিত্র বলে ব্যাখ্যা দিলো
তখনই প্রাণীকুল ধর্মের সুফল প্রাপ্তি
হতে ছিটকে পড়ে কু-সংস্কারে আচ্ছন্ন হতে থাকলো,আর
যতই সময় গড়াতে থাকলো
ততই প্রাণীকুল ধর্ম বিষয়ে প্রয়োজনের
তুলনায় পিছিয়ে পড়তে লাগলো।ভাগ্যিস
ধর্ম স্ব-শক্তিতে প্রাণীকে
প্রকৃতির নিয়মে সত্যের দিকে
ধেয়ে নিয়ে যাচ্ছে তাই
মুক্তির যতটুকু আশা।
ধর্ম হচ্ছে বস্তু আর
চরিত্র হচ্ছে বস্তুর উপসর্গ,আরবীতে যাহাকে বলা
হয়েছে আখলাক,তাই যেই
প্রাণী যেরুপ ধর্ম সমাহারে
উৎপত্তি সেই প্রাণী প্রকৃতির
নিয়মে সেই সব উপসর্গের
বাইরে বের হতে পারে
না,তাই প্রত্যেক প্রাণেরই
ধর্ম বিষয়ে জানা উচিৎ
এবং উপসর্গ অশান্তি ধর্ম
বিয়োজন ঘটিয়ে উপসর্গ শান্তি
ধর্ম সংযোজন করা উচিৎ।
২,ধর্মের প্রয়োজনিয়তা কি?
মুক্তি পাওয়ার লক্ষে প্রতিটি
প্রাণীকেই অশান্তি উপসর্গ সৃষ্টিকারী ধর্মের
বিয়োজন ঘটিয়ে শান্তি সৃষ্টিকারী
ধর্ম সংযোজন করায় ধর্ম
করার এক মাত্র উদ্দেশ্য।
মুক্তি চেষ্টার পূর্বে প্রতিটি প্রাণীরই
জানা উচিৎ সে কোথায়
আবদ্ধ,আবদ্ধ না হলে
মুক্তির প্রয়োজন থাকেনা।আর
যতক্ষন প্রাণী নিজেকে আবদ্ধ
অনুভব না করবে ততক্ষন
সে মুক্তি পাওয়ার আকাঙ্খা
করবে না।
এখন আপনাদের কাছে আমার জিজ্ঞাসা,আপনি আবদ্ধ কোথায়?যেখান থেকে আপনি
মুক্তি চান।চলবে…..
সত্য সহায়।গুরুজী।
বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষে ধর্ম।গুরুজী। ।।শান্তির সনদ।।
শনিতে
শোণিত ধারায় এ ধরায়
কার আগমন।
যুগ যুগান্তে প্রতি মাসান্তে,নব রুপে পেয়ে জনম।।
১।ঋতুর আগমনে,প্রলয়ের মাধ্যমে,হয়ে অমাবষ্যা রুপ।
দুনিয়ার তরে,ষড় দিন ভরে,বসে রয় নিশ্চুপ।
কে সে আসিয়া,দেয় ভাসাইয়া,পাতাল পূরীর দেশ।
লাল পতাকা উড়াইয়া পূরী,খুনে করে নিশ্বেষ।
শনির খুনেতে,পাতাল পূরীতে,পড়েনা চন্দ্র কিরণ।।
২।শনি বৃহষ্পতির কালে,খুনো ভান্ডস্থলে,পড়ে যদি কুণ।
কুণ ভাসিয়া যাই,শনির শোণিত ধারায়,হয় নাকো ভ্রুন।
তাতে হয় লানতী,পাতালগামী পতি,অস্বতী হয় পূরী।
না রয় উপষ্য যোগ্য,বেধে যায় দক্ষযজ্ঞ,রয়ে যায় উত্তরসূরী।
এসে উত্তরী বায়,জাত শুকাইয়া যায়,পাইনা ছেফাতি চরণ।।
৩।আসিলে শুক্র বার,লৌহ থাকেনা আর,করে ভান্ড কুণ হরণ।
প্লাবণের আগে আর,থাকে না শনির বাহার,করে না খুনের স্মরণ।
নুহ না আসিলে হায়,এ খুন থাকে কোথায়,মনে বাঞ্চা জানিতে।
জানিলে এ জীবনে,শান্তি পাবো তার স্মরণে,ভরবে না জনম গ্লানীতে।
সামসুদ্দীনের দয়ার জন্য,সেরু পাগলার জনম ধন্য,পেয়েছি গুরু চরণ।।
সত্য সহায়।গুরুজী্
আর বাজারে যে নামাজ শিক্ষা বই বিক্রয় হইতেছে তাহাতে ফরজ লেখা আছে নিম্নরুপ।
১.তায়াম্মুম-৩
২.গোসলে-৩
৩.অজুতে-৪
৪.পাঁচ স্তম্ভে-৫
৫.চার মাজহাবে-৪
৬.চার কুরছি-৪
৭.আরকান আহকাম-১৩
৮.পাঁচ ওয়াক্ত নামাজে-১৭
৯.ত্রিশ রোজায়-৩০
১০.ত্রিশ নিয়তে-৩০
১১.ইমানে-৭
১২.নামাজে ফরজ পাঁচ নিয়তে-৫
১৩.পাঁচ ওয়াক্তে-৫
কোরানের ফরজ ও নামাজ শিক্ষা বই এর ফরজে আদৌ কোন মিল নাই।
কোরনের দৃষ্টিতে কোরানই ফরজ। তাহা হইলে কোরানের ৬২৩৬ আয়াতে যাহা বলা হয়েছে তাহা সবই ফরজ হওয়ার কথা।
যুগ যুগান্তে প্রতি মাসান্তে,নব রুপে পেয়ে জনম।।
১।ঋতুর আগমনে,প্রলয়ের মাধ্যমে,হয়ে অমাবষ্যা রুপ।
দুনিয়ার তরে,ষড় দিন ভরে,বসে রয় নিশ্চুপ।
কে সে আসিয়া,দেয় ভাসাইয়া,পাতাল পূরীর দেশ।
লাল পতাকা উড়াইয়া পূরী,খুনে করে নিশ্বেষ।
শনির খুনেতে,পাতাল পূরীতে,পড়েনা চন্দ্র কিরণ।।
২।শনি বৃহষ্পতির কালে,খুনো ভান্ডস্থলে,পড়ে যদি কুণ।
কুণ ভাসিয়া যাই,শনির শোণিত ধারায়,হয় নাকো ভ্রুন।
তাতে হয় লানতী,পাতালগামী পতি,অস্বতী হয় পূরী।
না রয় উপষ্য যোগ্য,বেধে যায় দক্ষযজ্ঞ,রয়ে যায় উত্তরসূরী।
এসে উত্তরী বায়,জাত শুকাইয়া যায়,পাইনা ছেফাতি চরণ।।
৩।আসিলে শুক্র বার,লৌহ থাকেনা আর,করে ভান্ড কুণ হরণ।
প্লাবণের আগে আর,থাকে না শনির বাহার,করে না খুনের স্মরণ।
নুহ না আসিলে হায়,এ খুন থাকে কোথায়,মনে বাঞ্চা জানিতে।
জানিলে এ জীবনে,শান্তি পাবো তার স্মরণে,ভরবে না জনম গ্লানীতে।
সামসুদ্দীনের দয়ার জন্য,সেরু পাগলার জনম ধন্য,পেয়েছি গুরু চরণ।।
সত্য সহায়।গুরুজী্
বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষে ধর্ম।গুরুজী। কার সাথে বন্ধুত্ব করবেন।
জীবের
জীবনে সবচেয়ে বড় বন্ধু
জ্ঞান,সে সব সময়
আপনার পাশে থাকবে আপনাকে,পাহারা দিবে।তাই জ্ঞানের সাথে
বন্ধুত্ব করুন।
দ্বিতীয়ে জীবের জীবনে বড়
বন্ধু সুস্থ দেহ,সে
সর্বদায় আপনার সাথে থেকে
আপনাকে শান্তি দিবে।তাই সুস্থতার সাথে
বন্ধুত্ব করুন।
তৃতীয়ে জীবের জীবনে বড়
বন্ধু রুপ,সে সর্বদায়
আপনার সাথে থেকে সকলকে
তন্ময় করে দিবে।তাই রুপের সাথে
বন্ধুত্ব করুন।
চতুর্থে জীবের জীবনে বড়
বন্ধু গুণ,সে সর্বদায়
আপনার সাথে থেকে সকলকে
মুগ্ধ করে দিবে।তাই গুণের সাথে
বন্ধুত্ব করুন।
পঞ্চমে জীবের জীবনে বড়
বন্ধু শ্রম দেওয়ার মানষীকতা,সে সর্বদায় আপনার
সাথে থেকে আপনাকে সচ্ছল
করে দিবে।তাই
শ্রম দেওয়ার মানষীকতার সাথে
বন্ধুত্ব করুন।
আর জীবের জীবনে সবচেয়ে
বড় শত্রু অজ্ঞতা আর
অলসতা,শান্তি পেতে হলে
দয়া করে এদেরকে পরিহার
করুন।সত্য
সহায়।গুরুজী।
বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষে ধর্ম।গুরুজী। সুন্নতের গোঁজামিল।
শুরু
করিতেছি আমি আমিকে স্মরণ
করে।
সমগ্র কোরান শরিফের (মূলত
এটা কোরান নয়) ৬২৩৬
আয়াতের মধ্যে মোট ৯
টি আয়াতে আল্লাহ হতে
সুন্নাত বিষয়ে উল্লেখ করা
হয়েছে।কু-সংস্কারবাদীদের কথিত কোরানে সুন্নাত
শব্দটি যে ভাবে লিখিত
নিম্নে সে ভাবেই তুলে
ধরলাম।
১.বলুন যাহাদের জন্য
কাফেরী,যদি তাহা নিবৃত্ত
হয়,তবে তাহাদের অতিতের
পাপ ক্ষমা করা হইবে।আর
যদি তাহারা সেই ভাবেই
থাকে,তবে তাহাদের জন্য
আগের সুন্নাতই প্রবর্তিত রহিয়াছে।সুরা
আনফাল-আয়াত=৩৮
২.তাহারা ইহাতে ইমান
রাখে না,কেন না
এই সুন্নাত প্রথম থেকেই চলে
আসছে।সুরা
হিজর-আয়াত=১৩
৩.পূর্বের রাসুলদের যেই সুন্নাত দিয়েছিলাম,এই রাসুলকেই তাহাই
দিয়াছি।আর
আমার সুন্নাতের ব্যাতীক্রম পাইবেন না।সুরা বনী ইস্রাইল-আয়াত=৭৭
৪,আর মানুষেরা যদি
ইমান আনে,তবে হেদায়েত
ও ক্ষমার প্রতিবন্ধক হইবে
না রব ব্যাতীত।তাহাদের সহিত ও প্রথম
সময়ের সুন্নাতই বর্ত রহিলো।হয়তো শাস্তি তাহাদের
উপর আসিয়া পড়ে।সুরা কাহাফ-আয়াত=৫৫
৫.এই নবির উপর
আল্লাহ যাহা ফরজ করিয়াছেন
তাহাতে কোন দোষ নাই।আল্লাহর
সুন্নাত পূর্ব হতেই যাদের
উপর রহিয়াছে।আর
আল্লাহর আদেশ সাব্যস্ত হইয়া
থাকে।সুরা
আহযাব-আয়াত=৩৮
৬.যাহাদের মধ্যে পূর্ব হতেই
এই সুন্নাত প্রচলিত।আর
আপনি আল্লাহর সুন্নাতের কোন পরিবর্তন পাইবেন
না।সুরা
আহযাব-আয়াত=৬২
৭.ভূমিতে তাহাদের প্রাধান্য
বজায় রাখিতে তাহারা ষড়যন্ত্র
করে।এবং
তাহা তাহাদের নিজেদের উপরই প্রবর্তিত হয়।তবে
কি তাহারা প্রথম সুন্নাত
ব্যাতীতের অপেক্ষায় রহিয়াছে।সুতরাং,আল্লাহর সুন্নাতের কোন পরিবর্তন পাইবে
না।এবং
কখনো তাহার সুন্নাতের স্থানান্তরীত
সম্ভব নহে।সুরা
ফাতির-আয়াত=৪৩
৮.সুতরাং,এই ইমান
আনা তাহাদের কোন উপকারে আসিবে
না। আল্লাহ
তার সুন্নাত এবাদীর মধ্যে প্রবর্তীত
করিয়া আসিতেছেন।আর
কাফেররা ক্ষতিগ্রস্ত হইলো।সুরা
মুমিন-আয়াত=৮৫
৯.পূর্ব হতেই এই
সুন্নাত চলিয়া আসিতেছে।আর আল্লাহর সুন্নাতের
কোন পরিবর্তন পাইবেন না।সুরা ফাত্হ-আয়াত=২৩
ইসলামি পাঠ্য বইয়ে আমাদেরকে
পড়ানো হয়েছে আল্লাহর বানী
ফরজ এবং রাসুলের বানী
সুন্নাত।কিন্তু
যাহাকে আমরা কোরান বলে
জানি, তাহাতে পরিস্কার লেখা
আছে সমস্ত সুন্নাতই আল্লাহর,
রাসুলদের নিজস্ব কোন সুন্নাত
নাই।
এখন প্রশ্ন আসে ইসলামী
চিন্তাবীদরা আমাদের কে এই
ভুল তথ্য শেখাচ্ছেন কেন।তাদের
কথিত কোরান বিকৃত করে
প্রচারে,তাদের লাভ কি?আপনারাও গবেষনা করুন।
মূলত যারা কোরান মানার
দাবিদার তারা আদৌ কোরানের
জ্ঞান রাখেনা।তারা
জ্ঞান রাখে পূর্ব হতে
চলে আসা কু-সংস্কারে।তাই
রাসুলের জীবদ্দশায় সংগৃহিত বানী না মানার
জন্য রাসুল মারা যাওয়ার
৩০০ বছর পরে হাদিস
আবিস্কার করেছে।তারা
তাদের মনগড়া রচিত হাদিসকেই
অনুসরন করে।অনুসরন
করে না রাসুল ও
আল্লাহর বানিকে।
তাই আল্লাহর রেসালা ও রাসুলে
হাদিস জানতে ও বুঝতে
আহলে বায়াতে যোগ দিন।সত্য
সহায।গুরুজী।
বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষে ধর্ম।গুরুজী। ফরজের গোঁজামিল।।
আমরা
যাহাকে কোরান বলে জানি(মূলত এটা কোরান
নয়)এই কিতাবের ৬২৩৬
টি আয়াতে মোট ফরজ
শব্দটি ব্যাবহার হয়েছে ১১ টি
আয়াতে।এবং
তাহাতে নিম্নলিখিত বিষয়গুলিকে ফরজ বলা হয়েছে।
১.এবং ঐ নারীগন
যাহারা স্বধবা কিন্তু তোমাদের
মালিকানাধীন হয়।আল্লাহ
উহা কিতবস্থ করিতেছেন।উহা
তোমাদের জন্য হালাল।আর অর্থের বিনিময়ে
মিলিত হও।আর
তাহাদিগকে উপভোগের জন্য পারিশ্রমীক প্রদান
ফরজ করিয়াছি।যে
পরিমানে তোমরা সম্মত হও
তাহা দেওয়া ফরজ।নিশ্চয় আল্লাহ মহাজ্ঞানী,প্রজ্ঞাময়।সুরা
নিসা-আয়াত=২৪
২.ছদকাগুলি ফকির,মিসকিন,কর্মচারী,কালেব রক্ষায়,গোলাম
আজাদ ও আল্লাহর পথে
খরচ করিবে।ইহা
আল্লাহ হতে ফরজ।আল্লাহ মহাজ্ঞানী, প্রজ্ঞাময়।সুরা
তাওবা-আয়াত=৬০
৩.নিশ্চয় যিনি আপনার
উপর কোরআন ফরজ করিয়াছেন,তিনিই স্বদেশে পৌঁছাইবেন।বলুন,রব জানে কে
হেদায়েতে রহিয়াছে আর কে পথভ্রষ্ট।সুরা
কাসাস-আয়াত=৮৫
৪.এই নবির উপর
আল্লাহ যাহা ফরজ করিয়াছেন
উহাতে কোন দোষ নাই।আল্লাহর
এই সুন্নাত পূর্বে যারা গত
হইয়াছে তাদের প্রতিও ছিলো।আর
আল্লাহর আদেশ সাব্যস্ত হইয়াই
থাকে।সুরা
আহযাব-আয়াত=৩৮
৫.হে নবি,নিশ্চয়
হালাল করিয়াছি সেই জোড়াদিগকে, যাহাদের
আপনি পারিশ্রমিক দিয়াছেন।আর
যাহারা আপনার মালিকানাধীন আছে,এবং চাচার মেয়ে,ফুপুর মেয়ে,খালার
মেয়ে,মামার মেয়ে আর
যাহারা হিজরত করিয়াছে,আর
ঐ মুমেনগনকে,যাহারা নফসের কারনে
নবির কাছে সমর্পিত হয়েছে।যদি
নবি বিবাহে ইচ্ছা রাখে।ইহা
আপনার জন্য মোমেনদের জন্য
জন্য নহে।এ
সমস্ত ফরজ করিয়াছি তাহাদের
জন্য যাহারা জোড়ার সাক্ষাত
পায় না।যেন
তাহাদের কোন অসুবিধা না
হয়।সুরা
আহযাব-আয়াত=৫০
৬.আল্লাহ ফরজ ভঙ্গকে
হালাল করিয়াছেন।আর
আল্লাহই কার্য্যনির্বাহক।তিনি
মহা জ্ঞানী।অতিশয়
হেকমত ওয়ালা।সুরা
তাহরীম-আয়াত=২
৭.হজ্জের মাসগুলি সুবিদিত
যাহাদের জন্য হজ্জ ফরজ
করা হইয়াছে।উহাতে
না আছে অশ্লিলতা,না
আছে ঝগড়া বিবাদ।আর হজে নাই
অসৎ কার্য্য।আর
তোমাদের উত্তম যাহা কিছু
সবই আল্লাহ জানেন।আর পাথেয়র মধ্যে
উত্তম হচ্ছে আল্লাহ ভীতি
সঙ্গে নিও। আর
আমাকে ভয় করিতে থাকো।সুরা
বাকারা-আয়াত=১৯৭
৮.তোমাদের কোন দায়িত্ব নাই
যদি তোমরা নারীগনকে তালাক
দাও ফরজ স্পর্শ না
করিয়া তবে উহা তোমাদের
জন্য ফরজ না।তবে কাছে রাখো
নিজ ক্ষমতা মত শান্তিদায়ক
সত্যের উপরে।সুরা
বাকারা-আয়াত=২৩৬
৯.আর যদি স্পর্শের
পূর্বে তালাক দাও,কিন্তু
যদি ফরজ হয়,তবে
ফরজ আদায় করো।সুরা বাকারা-আয়াত=২৩৭
১০.আল্লাহ তোমাদিগকে নির্দেশ
দিতেছেন তোমাদের সন্তানদের সম্বন্ধে।পুত্রের
অংশ দুই কন্যার সমান।আর
যদি শুধু কন্যা হয়
আর তাহা দুই এর
অধিক হয় ,তবে তাহারা
সম্পত্তির দুই-তৃতীয়াংশ পাইবে।আর
যদি মাত্র একটি কন্যা
হয় তবে সে অর্ধেক
সম্পত্তি পাইবে।আর
পিতা মাতা অর্থাৎ উভয়ের
প্রত্যেকে মৃত ব্যাক্তির সম্পত্তির
এক ষষ্ঠাংশ পাইবে,যদি মৃত
ব্যাক্তির কোন সন্তান থাকে।আর
যদি কোন সন্তান না
থাকে,কেবল পিতা মাতাই
তাহার ওয়ারিশ হয় তবে
মাতার প্রাপ্য এক তৃতীয়াংশ।আর যদি মৃত
ব্যক্তির একাধীক ভাই বোন
থাকে তবে তাহার মাতা
এক ষস্ঠাংশ পাইবে অসিয়ত আদায়
করার পরে,যাহা মৃত
ব্যক্তি অসিয়ত করিয়াছে।এবং ঋণ পরিশোধের
পরে।জেনে
নাও কারা তোমাদের উপকার
সাধনে অধিকতর নিকটবর্তি।ইহা আল্লাহর নিকট
হইতে ফরজ।নিশ্চয়
আল্লাহ মহাজ্ঞানী, প্রজ্ঞাময়।সুরা
নিসা-আয়াত=১১
১১.সুরাটি অবতরণ করেছি
আর ফরজ করেছি।আর অবতরণ করেছি
প্রবেশ পথ সমুহে প্রমানীত
আয়াত সমুহ।যাহাতে
স্মরণকারীরা জানিতে পারে।সরা নূর-আয়াত=১
আর বাজারে যে নামাজ শিক্ষা বই বিক্রয় হইতেছে তাহাতে ফরজ লেখা আছে নিম্নরুপ।
১.তায়াম্মুম-৩
২.গোসলে-৩
৩.অজুতে-৪
৪.পাঁচ স্তম্ভে-৫
৫.চার মাজহাবে-৪
৬.চার কুরছি-৪
৭.আরকান আহকাম-১৩
৮.পাঁচ ওয়াক্ত নামাজে-১৭
৯.ত্রিশ রোজায়-৩০
১০.ত্রিশ নিয়তে-৩০
১১.ইমানে-৭
১২.নামাজে ফরজ পাঁচ নিয়তে-৫
১৩.পাঁচ ওয়াক্তে-৫
কোরানের ফরজ ও নামাজ শিক্ষা বই এর ফরজে আদৌ কোন মিল নাই।
কোরনের দৃষ্টিতে কোরানই ফরজ। তাহা হইলে কোরানের ৬২৩৬ আয়াতে যাহা বলা হয়েছে তাহা সবই ফরজ হওয়ার কথা।
কিন্তু এই কিতাব কোরান
হলে মাত্র ১১ টি
আয়াতকে সরাসরি ফরজ বলতো
না।কোরনের
সবই ফরজ হতো।এর অর্থ,আমরা
যাহাকে কোরান বলে জানি
মূলত উহা কোরান নয়।।আর
যাহাকে আমরা হাদিস বলে
জানি উহা রাসুল মারা
যাওয়ার ৩০০ বছর পরে
কোরান মানবো না হেতু
কু-সংস্কার বাদীরা আবিস্কার করেছে।
পরিশেষে,নামাজ রোজা ,ইমান
ও যাকাত ফরজ নয়,আর মাজহাব ফরজ
হওয়ার তো প্রশ্নই আসে
না।যারা
এই ১৩০ ফরজের আবিস্কারক
তারা আদৌ কোরান মানে
না।তারা
পূর্ব থেকে চলে আসা
কু-সংস্কার বাদী।
কোরান চিনতে ও ফরজ
জানতে আহলে বায়াতে যোগ
দিন। সত্য
সহায়।গুরুজী।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন