বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষে ধর্ম।গুরুজী।।যাহারা আল্লাহ দেখতে চাই তাদের জন্য।।
অল্লাহ
নিয়ে মানুষের অনেক আগ্রহ।আগ্রহ আল্লাহর আদেশ
পালনে।আগ্রহ
আল্লাহকে জানতে,আল্লাহকে চিনতে। আল্লাহর
সাথে সম্পর্ক করতে।কিন্তু
কজন পেরেছে আল্লাহকে জানতে,চিনতে বা আল্লাহর
সান্নিদ্ধ পেতে।যুগে
যুগে আল্লাহ, নবি ও রাসুল
প্রেরন ও রাসুলদের মাধ্যমে
লিখিত কালাম পাঠিয়ে নিজ
পরিচয় প্রকাশের চেষ্টা চালিয়েছেন।তাতে সৃষ্টির কত
পার্সেন্ট আল্লাহকে চিনতে ও জানতে
পেরেছে?কত পার্সেন্ট পেরেছে
আল্লাহর সান্নিদ্ধ পেতে?তবুও আল্লাহকে
চিনা ও জানার প্রচেষ্টা
বন্ধ হয়নি।
তাই যারা আল্লাহকে চিনতে জানতে ও তারা সান্নিদ্ধ পেতে চান।তাদের জন্যেই আমার এই পোষ্ট।
আল্লাহ-
আল্লাহ আরবী শব্দ।এর বাংলা অর্থ স্রষ্টা।অর্থাৎ- যাহা দ্বারা আমি সৃষ্টি হয়েছি তাহাকে স্রষ্টা বলা হয়।কিন্তু আমরা এ যাবত জেনে আসছি বা আমাদিগকে জানানো হয়েছে,স্রষ্টা অর্থ যিনি সৃষ্টি করেছেন।এলমে তাসাউফের দৃষ্টিতে উহা ভুল। আসল সত্য হলো।আমি যে সকল উপাদানে সৃষ্টি হয়েছি তাহাই আল্লাহ বা স্রষ্টা।আল্লাহ একজন নয়,আল্লাহ অনেক।তাই কোরানের মধ্যে ৩১ টি আয়াতে আল্লাহ নিজেকে আমরা বলেছেন।
খালিক-
খালিক আরবী শব্দ,এর বাংলা অর্থ সৃষ্টি।আলাদা আলাদা প্রতিটি উপাদান এক একটি আল্লাহ বা স্রষ্টা।আর কয়েকটি আল্লাহ বা স্রষ্টা একত্রীত হয়ে নতুন কিছু তৈরী হওয়া অবস্থাকে খালিক বা সৃষ্টি বলা হয়।অর্থাৎ- একাধিক আল্লাহর একিভূত অবস্থানকে খালিক বা সৃষ্টি বলা হয়।
তবে কে এ সকল সৃষ্টি কাজ সম্পন্ন করছে আজ পর্যন্ত কেহই তাহা আবিস্কার করতে সক্ষম হয় নাই।তবে আনুমানিক ভাবে ধারণা করা হয় অবশ্যয় এই বিশাল সৃষ্টির কোন না কোন সৃষ্টিকর্তা আছে।এবং সে একজন।কেন না একের অধিক হলে বিশাল সৃষ্টিতে কোন না কোন বিশৃঙ্খলা দেখা দিতো।যেহেতু বিশৃঙ্খলা দেখা দেয় না ,তাই সৃষ্টিকর্তা একজনই ধারণা করা হয়।
দ্বীন-
দ্বীন আরবী শব্দ।এর বাংলা অর্থ চরিত্র।এক এক আল্লাহর এক এক চরিত্রকে এক একটি ধর্ম বা দ্বীন বলা হয়।সাধারনত যত আল্লাহ বা উপাদান আছে ধর্ম ও ততটি।তবে প্রতিটি উপাদান বা আল্লাহর ক্ষমতা দু-প্রকারের আছে।১।শান্তি দান ক্ষমতা ও ২। অশান্তি দান ক্ষমতা।তাই গুণ বিচারে ধর্মকে দু- ভাগে ভাগ করা হয়েছে।১।ইসলাম বা শান্তির ধর্ম।২।আদম বা অশান্তির ধর্ম।জীব যখন আল্লাহর ক্ষমতাকে অশান্তি সৃষ্টি কাজে ব্যাবহার করে,তখন সে হয় কাফের।আর যখন আল্লাহর ক্ষমতাকে শান্তি সৃষ্টি কাজে ব্যাবহার করে,তখন সে হয় মুমিন।
শান্তি প্রতিষ্ঠাকারী মহাস্বত্বার নাম ইমান বা বীর্য বা প্রাণ সমাহার।যে প্রাণ সমাহার ক্রীয়াতে লিপ্ত।সেই মুমিন,
আর অশান্তি প্রতিষ্ঠাকারী মহাস্বত্বার নাম কাফির বা আবৃতকারী বা বিনষ্টকারী।আর যে প্রান বিনষ্ট ক্রীয়াতে লিপ্ত,সেই কাফের।
আমাদিগের এক প্রাণ থেকে সৃষ্টি শুরু,আমাদের দেহে বিবর্তন ধারায় প্রতি জন্মে প্রাণ যোগ হচ্ছে।এভাবে এক প্রান থেকে শুরু করে প্রকৃতির নিয়মে ৮৪ লক্ষ জনমের পরে আমার দেহে কোটি কোটি প্রাণের সমাহার ঘটবে।তখন আমি জন্ম মৃত্যুর বাইরে চলে যাবো।অর্থাৎ আমি মুক্তি পেয়ে যাবো।আর যতক্ষণ আমাতে কোটি কোটি প্রাণের সমাহার না ঘটবে,ততক্ষণ আমি জন্ম মৃত্যুর আবর্তে আবর্তিত হতে থাকবো ।
আর যতক্ষণ আমি জন্ম এর মধ্যে থাকবো ততক্ষণ আমি এবাদি বা গোলাম বা দাস।কেনো না জন্মের সাথে সাথে আমার দাসত্ব শুরু হয়ে যায়।কারণ,জন্মের পরে আমাকে খেতে হবে।খেলেই পায়খানা পেশাব করতে হবে।খাইতে হলেই খাবার যোগাড়ে প্ররিশ্রম করতে হবে।আর পরিশ্রম করলেই বিশ্রাম নিতে হবে।অর্থাৎ জন্ম নিলেই আমাকে দাসত্ব করতে হবে। আর দাসত্ব হতে মুক্তি পেতে হলে আমাকে জন্ম মৃত্যুর বাইরে চলে যেতে হবে।আর সে জন্য প্রয়োজন আমাতে কোটি কোটি প্রাণ সমাহার ঘটানো ।এবং তা প্রকৃতির নিয়মেই হচ্ছে।
তবে আমরা যে ধর্মের জন্য আঁকু পাঁকু করছি এটা কি?এটা হলো,নিজ দেহে প্রাণ সমাহারের ক্ষুধা নিবারণের কারণে।প্রাণ সমাহার আমাকে যে ভাবে খাটাচ্ছে আমি সে ভাবেই খাটছি মাত্র।
তবে,বন্যার পানি নেমে যাওয়ার সময় লক্ষ করলে দেখতে পাবেন।সাগর হতে পানির দুরত্ব যত বেশি হবে । সেখানে স্রোত ততো কম হবে।আর পানি যতো সাগরের নিকটে পৌছুবে ততোই স্রোত বাড়তে থাকবে।এবং সাগর হতে পানি যতো দুরে অবস্থান করবে সেখানে পানির পরিমানও কম থাকবে,আর পানি যতো সাগরের নিকটবর্তি হবে পানির পরিমানও ততোই বাড়তে থাকবে।
তাই যার প্রাণ সমাহার কম সে মহা মুক্তি হতে অনেক দুরে অবস্থান করছে।এবং তার প্রান সমাহার কম ঘটেছে ,তাই সে ধর্ম করা নিয়ে বেশি আগ্রহী নয়।আর যে ধর্ম নিয়ে বেশি মাতামাতি করে, নিশ্চিৎ তার প্রান সমাহার পঞ্চাশ লক্ষ কোটি ছাড়িয়ে গিয়েছে।আর যে ধর্ম নিয়ে মাথা ঘামায় না,নিশ্চিৎ তার দেহে প্রান সমাহার পঞ্চাশ লক্ষ কোটির কম হয়েছে।
আপনারা অবশ্যয় সাপ লুডু খেলা সম্বন্ধে অবগত আছেন।যদি চলার পথে মই পেয়ে যান তাহলে অল্প পয়েন্টেই অনেক উপরে চলে যাওয়া সম্ভব। আবার অনেক উপরে গিয়েও যদি সাপের মূখে পড়েন।পয়েণ্ট বেশি হওয়া সত্বেও আপনাকে নিচে নেমে আসতে হবে।তাই মূর্ষিদ সহায় হলে ৮৪ লক্ষ জনমের পূর্বেও জন্ম মৃত্যুর বাইরে চলে যাওয়া সম্ভব।এজন্যই মূর্ষিদের স্মরনাপন্ন হতে হয়।
যারা আল্লাহ নিরাকার ও তাকে দেখা যায় না জেনে এবাদৎ করছে।এরা পঞ্চাশ লক্ষ কোটি প্রাণ সমাহারের নিকট বর্তি।আর যারা আল্লাহ নিরাকার (নির অর্থ পানি আকার অর্থ চেহারা)বা পানির চেহারা বিশ্বাস করে।ও সে অনুযায়ি কাজ করে।তারা পচাত্তর লক্ষ কোটি প্রাণ সমাহার ঘটিয়ে ফেলেছে।
চলবে------------------চলবে।
সত্য সহায়।গুরুজী।।
তাই যারা আল্লাহকে চিনতে জানতে ও তারা সান্নিদ্ধ পেতে চান।তাদের জন্যেই আমার এই পোষ্ট।
আল্লাহ-
আল্লাহ আরবী শব্দ।এর বাংলা অর্থ স্রষ্টা।অর্থাৎ- যাহা দ্বারা আমি সৃষ্টি হয়েছি তাহাকে স্রষ্টা বলা হয়।কিন্তু আমরা এ যাবত জেনে আসছি বা আমাদিগকে জানানো হয়েছে,স্রষ্টা অর্থ যিনি সৃষ্টি করেছেন।এলমে তাসাউফের দৃষ্টিতে উহা ভুল। আসল সত্য হলো।আমি যে সকল উপাদানে সৃষ্টি হয়েছি তাহাই আল্লাহ বা স্রষ্টা।আল্লাহ একজন নয়,আল্লাহ অনেক।তাই কোরানের মধ্যে ৩১ টি আয়াতে আল্লাহ নিজেকে আমরা বলেছেন।
খালিক-
খালিক আরবী শব্দ,এর বাংলা অর্থ সৃষ্টি।আলাদা আলাদা প্রতিটি উপাদান এক একটি আল্লাহ বা স্রষ্টা।আর কয়েকটি আল্লাহ বা স্রষ্টা একত্রীত হয়ে নতুন কিছু তৈরী হওয়া অবস্থাকে খালিক বা সৃষ্টি বলা হয়।অর্থাৎ- একাধিক আল্লাহর একিভূত অবস্থানকে খালিক বা সৃষ্টি বলা হয়।
তবে কে এ সকল সৃষ্টি কাজ সম্পন্ন করছে আজ পর্যন্ত কেহই তাহা আবিস্কার করতে সক্ষম হয় নাই।তবে আনুমানিক ভাবে ধারণা করা হয় অবশ্যয় এই বিশাল সৃষ্টির কোন না কোন সৃষ্টিকর্তা আছে।এবং সে একজন।কেন না একের অধিক হলে বিশাল সৃষ্টিতে কোন না কোন বিশৃঙ্খলা দেখা দিতো।যেহেতু বিশৃঙ্খলা দেখা দেয় না ,তাই সৃষ্টিকর্তা একজনই ধারণা করা হয়।
দ্বীন-
দ্বীন আরবী শব্দ।এর বাংলা অর্থ চরিত্র।এক এক আল্লাহর এক এক চরিত্রকে এক একটি ধর্ম বা দ্বীন বলা হয়।সাধারনত যত আল্লাহ বা উপাদান আছে ধর্ম ও ততটি।তবে প্রতিটি উপাদান বা আল্লাহর ক্ষমতা দু-প্রকারের আছে।১।শান্তি দান ক্ষমতা ও ২। অশান্তি দান ক্ষমতা।তাই গুণ বিচারে ধর্মকে দু- ভাগে ভাগ করা হয়েছে।১।ইসলাম বা শান্তির ধর্ম।২।আদম বা অশান্তির ধর্ম।জীব যখন আল্লাহর ক্ষমতাকে অশান্তি সৃষ্টি কাজে ব্যাবহার করে,তখন সে হয় কাফের।আর যখন আল্লাহর ক্ষমতাকে শান্তি সৃষ্টি কাজে ব্যাবহার করে,তখন সে হয় মুমিন।
শান্তি প্রতিষ্ঠাকারী মহাস্বত্বার নাম ইমান বা বীর্য বা প্রাণ সমাহার।যে প্রাণ সমাহার ক্রীয়াতে লিপ্ত।সেই মুমিন,
আর অশান্তি প্রতিষ্ঠাকারী মহাস্বত্বার নাম কাফির বা আবৃতকারী বা বিনষ্টকারী।আর যে প্রান বিনষ্ট ক্রীয়াতে লিপ্ত,সেই কাফের।
আমাদিগের এক প্রাণ থেকে সৃষ্টি শুরু,আমাদের দেহে বিবর্তন ধারায় প্রতি জন্মে প্রাণ যোগ হচ্ছে।এভাবে এক প্রান থেকে শুরু করে প্রকৃতির নিয়মে ৮৪ লক্ষ জনমের পরে আমার দেহে কোটি কোটি প্রাণের সমাহার ঘটবে।তখন আমি জন্ম মৃত্যুর বাইরে চলে যাবো।অর্থাৎ আমি মুক্তি পেয়ে যাবো।আর যতক্ষণ আমাতে কোটি কোটি প্রাণের সমাহার না ঘটবে,ততক্ষণ আমি জন্ম মৃত্যুর আবর্তে আবর্তিত হতে থাকবো ।
আর যতক্ষণ আমি জন্ম এর মধ্যে থাকবো ততক্ষণ আমি এবাদি বা গোলাম বা দাস।কেনো না জন্মের সাথে সাথে আমার দাসত্ব শুরু হয়ে যায়।কারণ,জন্মের পরে আমাকে খেতে হবে।খেলেই পায়খানা পেশাব করতে হবে।খাইতে হলেই খাবার যোগাড়ে প্ররিশ্রম করতে হবে।আর পরিশ্রম করলেই বিশ্রাম নিতে হবে।অর্থাৎ জন্ম নিলেই আমাকে দাসত্ব করতে হবে। আর দাসত্ব হতে মুক্তি পেতে হলে আমাকে জন্ম মৃত্যুর বাইরে চলে যেতে হবে।আর সে জন্য প্রয়োজন আমাতে কোটি কোটি প্রাণ সমাহার ঘটানো ।এবং তা প্রকৃতির নিয়মেই হচ্ছে।
তবে আমরা যে ধর্মের জন্য আঁকু পাঁকু করছি এটা কি?এটা হলো,নিজ দেহে প্রাণ সমাহারের ক্ষুধা নিবারণের কারণে।প্রাণ সমাহার আমাকে যে ভাবে খাটাচ্ছে আমি সে ভাবেই খাটছি মাত্র।
তবে,বন্যার পানি নেমে যাওয়ার সময় লক্ষ করলে দেখতে পাবেন।সাগর হতে পানির দুরত্ব যত বেশি হবে । সেখানে স্রোত ততো কম হবে।আর পানি যতো সাগরের নিকটে পৌছুবে ততোই স্রোত বাড়তে থাকবে।এবং সাগর হতে পানি যতো দুরে অবস্থান করবে সেখানে পানির পরিমানও কম থাকবে,আর পানি যতো সাগরের নিকটবর্তি হবে পানির পরিমানও ততোই বাড়তে থাকবে।
তাই যার প্রাণ সমাহার কম সে মহা মুক্তি হতে অনেক দুরে অবস্থান করছে।এবং তার প্রান সমাহার কম ঘটেছে ,তাই সে ধর্ম করা নিয়ে বেশি আগ্রহী নয়।আর যে ধর্ম নিয়ে বেশি মাতামাতি করে, নিশ্চিৎ তার প্রান সমাহার পঞ্চাশ লক্ষ কোটি ছাড়িয়ে গিয়েছে।আর যে ধর্ম নিয়ে মাথা ঘামায় না,নিশ্চিৎ তার দেহে প্রান সমাহার পঞ্চাশ লক্ষ কোটির কম হয়েছে।
আপনারা অবশ্যয় সাপ লুডু খেলা সম্বন্ধে অবগত আছেন।যদি চলার পথে মই পেয়ে যান তাহলে অল্প পয়েন্টেই অনেক উপরে চলে যাওয়া সম্ভব। আবার অনেক উপরে গিয়েও যদি সাপের মূখে পড়েন।পয়েণ্ট বেশি হওয়া সত্বেও আপনাকে নিচে নেমে আসতে হবে।তাই মূর্ষিদ সহায় হলে ৮৪ লক্ষ জনমের পূর্বেও জন্ম মৃত্যুর বাইরে চলে যাওয়া সম্ভব।এজন্যই মূর্ষিদের স্মরনাপন্ন হতে হয়।
যারা আল্লাহ নিরাকার ও তাকে দেখা যায় না জেনে এবাদৎ করছে।এরা পঞ্চাশ লক্ষ কোটি প্রাণ সমাহারের নিকট বর্তি।আর যারা আল্লাহ নিরাকার (নির অর্থ পানি আকার অর্থ চেহারা)বা পানির চেহারা বিশ্বাস করে।ও সে অনুযায়ি কাজ করে।তারা পচাত্তর লক্ষ কোটি প্রাণ সমাহার ঘটিয়ে ফেলেছে।
চলবে------------------চলবে।
সত্য সহায়।গুরুজী।।
বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষে ধর্ম।গুরুজী।।এই নামাজের কারণেই নামাজিরা দোজখে যাইবে।।
সালাত
একটি এবাদৎ।যাহা
সৃষ্টিকে নির্লজ্জ ও যঘন্য কাজ
হইতে বিরত রাখে।আর এই সালাত
আদায়ের জন্য প্রত্যেক মহল্লায়
মহল্লায় মসজিদ স্থাপন করা
হয়েছে।এবং
প্রত্যেক মসজিদেই নামাজ পড়ানোর জন্য
ইমাম নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।তারা
নির্দিষ্ট বেতনের মাধ্যমে নামাজের
ইমামতি করে নিজেদের জীবিকা
নির্বাহ করিতেছে।
কিন্তু,দুঃখের বিষয় হলো।যারা এত কষ্ট করে পূণ্যের আশায় নামাজ পড়ছে ও ইমামের বেতন পরিশোধ করছে তারা কি জানে যে,তারা যে নামাজ পড়ছে তাতে তাদের পূণ্য নয় বরং পাপ হচ্ছে।এবং তা হচ্ছে শুধুমাত্র তাদের ইমামের জন্য।যদি তারা ইমামের পিছনে নামাজ না পড়ে নিজেরা একা একা নামাজ পড়তো, তাহলে নামাজের বিনিময়ে আল্লাহ যদি কোন পূণ্য দেওয়ার প্রতিশ্রুতি করে থাকেন,তা তারা পেত।কিন্তু ইমামের পিছে নামাজ পড়ার জন্য তারা পূণ্যের পরিবর্তে পাপ অর্জণ করে চলেছে।তার অর্থ এই দাঁড়ায় যে,এত কষ্ট করে নামাজ পড়ার পরে।শুধু মাত্র ইমামের কারণে নামাজিরা দোজখে যাব।
আপনারা হয়তো চিন্তা করছেন,কি সব বাজে কথা বলে চলেছে।নামাজ পড়লে পাপ হবে কেনো?আসুন আমরা কোরানের সূরা বাকারা ১৭৪ নম্বর আয়াতটি পড়ে দেখি তাতে আল্লাহ কি বলেছেন।
নিঃসন্দেহে ,যাহারা আল্লাহর অবতারিত কিতাব গোপন করে ও তৎপরিবর্তে নগণ্য মূল্য গ্রহন করে ।তাহারা আর কিছুই নহে,শুধু নিজেদের পেটে অগ্নি পুরিতেছে।আর আল্লাহ কিয়ামতের দিন তাহাদের সহিত কথাও বলিবেন না এবং তাহাদিগকে পবিত্র ও করিবেন না।তাহাদের জন্য রহিয়াছে যন্ত্রণাময় শাস্তি। সূরা বাকারা ১৭৪ নম্বর আয়াত।
এই আয়াতে ষ্পষ্ট পরিলক্ষিত হয় যে,প্রথমত ইমামেরা ইমামতির জন্য কোন অর্থ বা সম্পদ নেওয়া যাবে না।একথা প্রকাশ না করে তারা ইমামতির বিনিময়ে অর্থ নিয়ে আল্লাহর অবতারিত কিতাবকে গোপন করিতেছে।এবং ইমামতির বিনিময়ে অর্থ সম্পদ নেওয়া নিষেধ থাকলেও ইমামরা অর্থ নিয়ে কোরান অমান্য করেছে।
আর অন্যায় যে করে আর অন্যায় যে সহে ,দুজনেই সম দোষি।কেন না কোরানে বলেছে তুমি অন্যায় কাজে সাহায্য করলে পাপের ভাগী হবে এবং ন্যায় কাজে সাহায্য করলে তুমি তার প্রতিদান পাবে।তাই নামাজিরা ইমামকে অন্যায় করতে সাহায্য হেতু ইমামতির বিনিময়ে অর্থ দিয়ে পাপের ভাগী হচ্ছে।যা তাকে জাহান্নামে যেতে সাহায্য করছে।
আসুন বেতন ভুক্ত নয় বেতন মুক্ত ইমাম এর পিছনে নামাজ পড়ার অঙ্গিকার করি।
সত্য সহায়।গুরুজী।।
কিন্তু,দুঃখের বিষয় হলো।যারা এত কষ্ট করে পূণ্যের আশায় নামাজ পড়ছে ও ইমামের বেতন পরিশোধ করছে তারা কি জানে যে,তারা যে নামাজ পড়ছে তাতে তাদের পূণ্য নয় বরং পাপ হচ্ছে।এবং তা হচ্ছে শুধুমাত্র তাদের ইমামের জন্য।যদি তারা ইমামের পিছনে নামাজ না পড়ে নিজেরা একা একা নামাজ পড়তো, তাহলে নামাজের বিনিময়ে আল্লাহ যদি কোন পূণ্য দেওয়ার প্রতিশ্রুতি করে থাকেন,তা তারা পেত।কিন্তু ইমামের পিছে নামাজ পড়ার জন্য তারা পূণ্যের পরিবর্তে পাপ অর্জণ করে চলেছে।তার অর্থ এই দাঁড়ায় যে,এত কষ্ট করে নামাজ পড়ার পরে।শুধু মাত্র ইমামের কারণে নামাজিরা দোজখে যাব।
আপনারা হয়তো চিন্তা করছেন,কি সব বাজে কথা বলে চলেছে।নামাজ পড়লে পাপ হবে কেনো?আসুন আমরা কোরানের সূরা বাকারা ১৭৪ নম্বর আয়াতটি পড়ে দেখি তাতে আল্লাহ কি বলেছেন।
নিঃসন্দেহে ,যাহারা আল্লাহর অবতারিত কিতাব গোপন করে ও তৎপরিবর্তে নগণ্য মূল্য গ্রহন করে ।তাহারা আর কিছুই নহে,শুধু নিজেদের পেটে অগ্নি পুরিতেছে।আর আল্লাহ কিয়ামতের দিন তাহাদের সহিত কথাও বলিবেন না এবং তাহাদিগকে পবিত্র ও করিবেন না।তাহাদের জন্য রহিয়াছে যন্ত্রণাময় শাস্তি। সূরা বাকারা ১৭৪ নম্বর আয়াত।
এই আয়াতে ষ্পষ্ট পরিলক্ষিত হয় যে,প্রথমত ইমামেরা ইমামতির জন্য কোন অর্থ বা সম্পদ নেওয়া যাবে না।একথা প্রকাশ না করে তারা ইমামতির বিনিময়ে অর্থ নিয়ে আল্লাহর অবতারিত কিতাবকে গোপন করিতেছে।এবং ইমামতির বিনিময়ে অর্থ সম্পদ নেওয়া নিষেধ থাকলেও ইমামরা অর্থ নিয়ে কোরান অমান্য করেছে।
আর অন্যায় যে করে আর অন্যায় যে সহে ,দুজনেই সম দোষি।কেন না কোরানে বলেছে তুমি অন্যায় কাজে সাহায্য করলে পাপের ভাগী হবে এবং ন্যায় কাজে সাহায্য করলে তুমি তার প্রতিদান পাবে।তাই নামাজিরা ইমামকে অন্যায় করতে সাহায্য হেতু ইমামতির বিনিময়ে অর্থ দিয়ে পাপের ভাগী হচ্ছে।যা তাকে জাহান্নামে যেতে সাহায্য করছে।
আসুন বেতন ভুক্ত নয় বেতন মুক্ত ইমাম এর পিছনে নামাজ পড়ার অঙ্গিকার করি।
সত্য সহায়।গুরুজী।।
বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষে ধর্ম।গুরুজী।।আসুন জেনে নিই,মা আমিনার দুধ কে খেয়েছিলো ও বাউল সমাচার।।
আমরা
জানি হযরত মহাম্মদ জন্ম
গ্রহন করেন মা আমিনার
গর্ভে এবং দুধ পান
করেন মা হালিমার।
কিন্তু কেন এক মায়ের
গর্ভে জন্ম নেওয়ার পরে
আরেক মায়ের দুধ পান
করতে হবে।আর
হযরত মহাম্মদ মা হালিমার দুধ
পান করলে মা আমিনার
দুধ কে পান করেছিলো?আসুন আজ আমরা
জেনে নিই ,কেন হযরত
মহাম্মদ এক মায়ের গর্ভে
জন্ম নিয়ে আরেক মায়ের
দুধ পান করেছিলেন এবং
মা আমেনার স্তন্য দুগ্ধ
কে পান করেছিলেন।
হযরত মহাম্মদের মাতা আমিনা ও বাবা আব্দুল্লাহ মদিনাবাসী সাম্যবাদী বাউল সাধক উলাইয়ার হাতে হাত দিয়ে বায়াত গ্রহন করেন,ও সেখান থেকে এলমে তাসাউফ বা আধ্মাত্মিকতা শিক্ষা নেন।বাউল সাধক উলাইয়া মা আমিনা ও বাবা আব্দুল্লাহকে শিক্ষাদেন, কি ভাবে সন্তান নিলে সন্তান নারী পুরুষ বা হিজড়া হয়।কি কর্ম করিলে সন্তান জ্ঞানী হয়।সে শিক্ষা পাওয়ার পরে মা আমিনা ও বাবা আব্দুল্লাহ সে মতেই জন্ম দিয়ে পৃথিবীতে আনেন হযরত মহাম্মদ সঃ কে।
বাউল সাধক উলাইয়া মা আমিনাকে শিক্ষা দেন সন্তান প্রসবের পরে পূণঃ মাসিক আসিলে,মাসিক সময়ের ছয় দিন স্তন্য দুগ্ধ সন্তানকে খাওয়ানো যাবে না।কেন না মাসিক সময়ের ছয় দিন সন্তানকে মাসিক গ্রস্ত মায়ের দুধ খাওয়ালে সন্তানের দেহে অ-পবিত্র সত্বার প্রবেশ ঘটে।আর এই অ-পবিত্র সত্বাই জীবকে স্বল্প জ্ঞানী করে রাখে।তাই মা আমিনা হযরত মহাম্মদ সঃ কে প্রসব করার পরে তার মাসিক আগমন ঘটলে ঐ ছয় দিন মহাম্মদ সঃ কে দুধ পান করানোর জন্য মা আমিনা বেছে নেই মা হালিমাকে।কেন না,মা আমিনা ও মা হালিমা তরিকত সুত্রে গুরু বোন ছিলেন।হযরত মহাম্মদ জন্মের চার মাস পরে মা আমিনার পূণঃ মাসিক আসে।তখন থেকে মহাম্মদ সঃ মা আমিনার মাসিক সময়ের ছয় দিন মা হালিমার দুধ পান করে একাধারে আঠারো মাস। ততদিনে মা হালিমার নিজ সন্তানের বয়স হয়ে যায় তিরিশ মাস।সন্তানের বয়স তিরিশ মাস হয়ে গেলে সে মায়ের স্তন্য দুগ্ধ খাওয়ানো যাবে না হেতু বাকি আট মাস হযরত মহাম্মদ সঃ কে দুধ পান করানো হয় বাউল সাধক উলাইয়ার স্ত্রী মিলন এর।তখন মিলনের সন্তানের বয়স ছিলো মাত্র তিন দিন।
এখন আমাদের জানার বিষয় মা আমিনার মাসিক সময়ে তার দুধ কে পান করেছিলে।এ বিষয়টা আপনারা বিশ্বাস করেন আর না করেন।আসল সত্য হলো,বাউল সাধক উলাইয়া নিজেই ঐ ছয় দিন মা আমিনার দুধ পান করে মা আমিনার শরির থেকে অ-পবিত্র দুধ মুক্ত করেন।
রাসুলের বয়স ছয় বৎসর হলে মা আমিনা হযরত মহাম্মদ সঃ কে বাউল সাধক উলাইয়ার কাছে বায়াত করিয়ে দেন,এবং রাসুলের বাবা আব্দুল্লাহর কবর যিয়ারতে গেলে মা আমিনার মৃত্যু হয়।পরিশেষে রাসুল নিজ গুরু বাউল সাধক উলাইয়ার আদেশ মতে ২৫ বৎসরের যুবক ৪০ বৎসরের খাদিজাকে বিবাহ করেন।আর সাম্য প্রতিষ্ঠাকল্পেই বিবি খাদিজা তার সমস্ত সম্পত্তির মালিকানা ত্যাগ করেন।এবং সাম্য রক্ষা হেতু হযরত মহাম্মদ মৃত্যুকালে নিজ নামে কোন সম্পদ রেখে যান নি।
হযরত মহাম্মদ সঃ নিজে বাউল জ্ঞানে সমৃদ্ধ হয়ে বাউল মত প্রচারে ব্রতী হন।পূর্ণাঙ্গ প্রচলিত কোরানেই বাউল মতবাদ লেখা আছে।কিন্তু বিশ্বের ৭০% লোকেরা বাউল মতবাদে বিশ্বাসী নয়।তাই আরবের বাউল মতবাদ অবিশ্বাসী ৭০% লোক রাসুলের বিরোধীতা করে।এমন কি রাসুলকে মেরে ফেলার পরিকল্পনা করে।তখন রাসুল রাতের অন্ধকারে নিজ বিছানায় আলিকে শায়িত রাখিয়া ,একাকী পলাইয়া আশ্রয় নেন মদিনার বাউল সাধক উলাইয়ার ভক্তবৃন্দের কাছে।এবং শুরু করেন বাউল মত সাম্যের বাণী প্রচার।এবং তাতে তিনি সফল হন।
তাই সারা জীবন রাসুল বাউল সাধকদের শ্রদ্ধা করেছেন।এবং ছিলেন বাউলদের প্রতি কৃতজ্ঞ।
পরিশেষে সাম্য বিরোধীতাকারীরা রাসুল মারা যাওয়ার পরে ইমাম বংশকে নিধনের মাধ্যমে রাসুলের বাউলিয়ানা মত বিলুপ্ত করে ,তারা আবার তাদের মত করে পূর্ব থেকে চলে আসা কূ-সংস্কারকে ধর্ম হিসাবে প্রতিষ্ঠিত করে।
তখন থেকেই দুটি মত চলে আসে। এক বাউল বা সাম্যবাদ দুই কু-সংস্কারী বা পূজীবাদ।
সত্য সহায়।গুরুজী।।
হযরত মহাম্মদের মাতা আমিনা ও বাবা আব্দুল্লাহ মদিনাবাসী সাম্যবাদী বাউল সাধক উলাইয়ার হাতে হাত দিয়ে বায়াত গ্রহন করেন,ও সেখান থেকে এলমে তাসাউফ বা আধ্মাত্মিকতা শিক্ষা নেন।বাউল সাধক উলাইয়া মা আমিনা ও বাবা আব্দুল্লাহকে শিক্ষাদেন, কি ভাবে সন্তান নিলে সন্তান নারী পুরুষ বা হিজড়া হয়।কি কর্ম করিলে সন্তান জ্ঞানী হয়।সে শিক্ষা পাওয়ার পরে মা আমিনা ও বাবা আব্দুল্লাহ সে মতেই জন্ম দিয়ে পৃথিবীতে আনেন হযরত মহাম্মদ সঃ কে।
বাউল সাধক উলাইয়া মা আমিনাকে শিক্ষা দেন সন্তান প্রসবের পরে পূণঃ মাসিক আসিলে,মাসিক সময়ের ছয় দিন স্তন্য দুগ্ধ সন্তানকে খাওয়ানো যাবে না।কেন না মাসিক সময়ের ছয় দিন সন্তানকে মাসিক গ্রস্ত মায়ের দুধ খাওয়ালে সন্তানের দেহে অ-পবিত্র সত্বার প্রবেশ ঘটে।আর এই অ-পবিত্র সত্বাই জীবকে স্বল্প জ্ঞানী করে রাখে।তাই মা আমিনা হযরত মহাম্মদ সঃ কে প্রসব করার পরে তার মাসিক আগমন ঘটলে ঐ ছয় দিন মহাম্মদ সঃ কে দুধ পান করানোর জন্য মা আমিনা বেছে নেই মা হালিমাকে।কেন না,মা আমিনা ও মা হালিমা তরিকত সুত্রে গুরু বোন ছিলেন।হযরত মহাম্মদ জন্মের চার মাস পরে মা আমিনার পূণঃ মাসিক আসে।তখন থেকে মহাম্মদ সঃ মা আমিনার মাসিক সময়ের ছয় দিন মা হালিমার দুধ পান করে একাধারে আঠারো মাস। ততদিনে মা হালিমার নিজ সন্তানের বয়স হয়ে যায় তিরিশ মাস।সন্তানের বয়স তিরিশ মাস হয়ে গেলে সে মায়ের স্তন্য দুগ্ধ খাওয়ানো যাবে না হেতু বাকি আট মাস হযরত মহাম্মদ সঃ কে দুধ পান করানো হয় বাউল সাধক উলাইয়ার স্ত্রী মিলন এর।তখন মিলনের সন্তানের বয়স ছিলো মাত্র তিন দিন।
এখন আমাদের জানার বিষয় মা আমিনার মাসিক সময়ে তার দুধ কে পান করেছিলে।এ বিষয়টা আপনারা বিশ্বাস করেন আর না করেন।আসল সত্য হলো,বাউল সাধক উলাইয়া নিজেই ঐ ছয় দিন মা আমিনার দুধ পান করে মা আমিনার শরির থেকে অ-পবিত্র দুধ মুক্ত করেন।
রাসুলের বয়স ছয় বৎসর হলে মা আমিনা হযরত মহাম্মদ সঃ কে বাউল সাধক উলাইয়ার কাছে বায়াত করিয়ে দেন,এবং রাসুলের বাবা আব্দুল্লাহর কবর যিয়ারতে গেলে মা আমিনার মৃত্যু হয়।পরিশেষে রাসুল নিজ গুরু বাউল সাধক উলাইয়ার আদেশ মতে ২৫ বৎসরের যুবক ৪০ বৎসরের খাদিজাকে বিবাহ করেন।আর সাম্য প্রতিষ্ঠাকল্পেই বিবি খাদিজা তার সমস্ত সম্পত্তির মালিকানা ত্যাগ করেন।এবং সাম্য রক্ষা হেতু হযরত মহাম্মদ মৃত্যুকালে নিজ নামে কোন সম্পদ রেখে যান নি।
হযরত মহাম্মদ সঃ নিজে বাউল জ্ঞানে সমৃদ্ধ হয়ে বাউল মত প্রচারে ব্রতী হন।পূর্ণাঙ্গ প্রচলিত কোরানেই বাউল মতবাদ লেখা আছে।কিন্তু বিশ্বের ৭০% লোকেরা বাউল মতবাদে বিশ্বাসী নয়।তাই আরবের বাউল মতবাদ অবিশ্বাসী ৭০% লোক রাসুলের বিরোধীতা করে।এমন কি রাসুলকে মেরে ফেলার পরিকল্পনা করে।তখন রাসুল রাতের অন্ধকারে নিজ বিছানায় আলিকে শায়িত রাখিয়া ,একাকী পলাইয়া আশ্রয় নেন মদিনার বাউল সাধক উলাইয়ার ভক্তবৃন্দের কাছে।এবং শুরু করেন বাউল মত সাম্যের বাণী প্রচার।এবং তাতে তিনি সফল হন।
তাই সারা জীবন রাসুল বাউল সাধকদের শ্রদ্ধা করেছেন।এবং ছিলেন বাউলদের প্রতি কৃতজ্ঞ।
পরিশেষে সাম্য বিরোধীতাকারীরা রাসুল মারা যাওয়ার পরে ইমাম বংশকে নিধনের মাধ্যমে রাসুলের বাউলিয়ানা মত বিলুপ্ত করে ,তারা আবার তাদের মত করে পূর্ব থেকে চলে আসা কূ-সংস্কারকে ধর্ম হিসাবে প্রতিষ্ঠিত করে।
তখন থেকেই দুটি মত চলে আসে। এক বাউল বা সাম্যবাদ দুই কু-সংস্কারী বা পূজীবাদ।
সত্য সহায়।গুরুজী।।
বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষে ধর্ম।গুরুজী।।কে,কখন,কেন এবং কিভাবে শিশুদের শাল দুধ খাওয়া বন্ধ করে।।।
ইসা
নবি কুমারী মাতা মরিয়ামের
গর্ভে জন্ম নিলেন জেরুজালেমে।জন্ম
সুত্রেই তিনি পরমগুরু থেকে
প্রাপ্ত হলেন ল্যাংড়া ,অন্ধ
ও কুষ্ঠ রোগ নিরাময়
ও মৃতকে জীবণ দেওয়ার
ক্ষমতা।আর
এ সকল নিরাময়ের প্রধান
উপাদান ছিলো স্তন্য দুগ্ধ।কোন্
নারীর কোন্ সময়ের কতটুকু
স্তন্য দুগ্ধ কি সারাতে
ক্ষমতা রাখে ইসা নবি
সে জ্ঞান প্রাপ্ত হয়েই
পৃথিবীতে আসেন।তবে
ইসা নবি সন্তান জন্মাবার
পরে মায়ের স্তনে যে
শাল দুধ আসে তার
গুণাগুণ সম্বন্ধে ১০০% জ্ঞান প্রাপ্ত
হয়েই পৃথিবীতে এসেছিলেন।
ইসা নবি বয়ঃপ্রাপ্ত হওয়ার পর ,ধিরে ধিরে অন্ধকে চক্ষুদান, কুষ্ঠ রোগিকে নিরাময় ল্যাংড়াকে সুস্থতা এবং মৃতকে জীবিত করার মাধ্যমে অল্প সময়ের মধ্যে ব্যাপক পরিচিতি লাভ ও জনপ্রিয়তা অর্জণ করে ফেলেন।তখন সে দেশের রাজা দেখলেন, সকল মানুষ ২৭ বৎসর বয়সি ইসার প্রতি ধাবিত হচ্ছে এবং রাজার থেকেও মানুষ ইসাকে প্রাধান্য দিচ্ছে।রাজা চিন্তা করলেন,আমি যদি ইসার ঐ সকল জ্ঞান অর্জণ করতে পারি তাহলে সকলেই আমার কথা শুনবে। তাই তিনি পরিকল্পনা মত যিহুদাকে প্রেরণ করলেন ইসার কাছে ।যেন সে ইসার কাছ থেকে সমস্ত জ্ঞান জেনে আসে।
যিহুদা ইসা নবির কাছে এসে চরম বিশ্বস্ততার সহিত সমস্ত আদেশ নিষেধ পালন করতে লাগলেন এবং রাজার কাছ থেকে প্রাপ্ত খাবার ইসাকে দিতে লাগলেন। এভাবে যিহুদা অল্প সময়ের মধ্যে ইসা নবির প্রিয় পাত্র হয়ে উঠলেন এবং ১২ সাহাবার এক সাহাবা হয়ে গেলেন।অল্প সময়েই যিহুদা ইসা নবি কর্তৃক জানতে পারলেন শিশু জন্মের সাথে সাথে মায়ের স্তনে যে শাল দুধ আসে, তাহা সন্তানের বুদ্ধি বিকাশ,রোগ প্রতিরোধ ও দির্ঘায়ু লাভ করাতে ভুমিকা রাখে।এবং সন্তান জন্ম দেবার ক্ষণ নির্ণয়ের মাধ্যমে ও সন্তান জন্ম নেওয়ার তিন দিনের মধ্যে বিশেষ একটা সময় মায়ের স্তনের দুধ পান করলে সেই সন্তান সাধারণ মানুষ অপেক্ষা অনেক বেশি কিছু উপলব্ধি করবে এবং নতুন নতুন আবিস্কার করতে পারবে।
মাঝে মধ্যেই যিহুদা রাজার সাথে সাক্ষাত করে কি শিখেছে তা জানিয়ে যেতো এবং খরচের সামগ্রি নিয়ে যেত।ইতিমধ্যে যিহুদা রাজাকে জানালো শিশু জন্মের পরে মায়ের শাল দুধই শিশুর বুদ্ধি বিকাশ,রোগ প্রতিরোধ ও দির্ঘায়ু করতে ভুমিকা রাখে।এবং সন্তান জন্ম দেবার ক্ষণ নির্ণয়ের মাধ্যমে ও সন্তান জন্ম নেওয়ার তিন দিনের মধ্যে বিশেষ একটা সময় মায়ের স্তনের দুধ পান করলে সেই সন্তান সাধারণ মানুষ অপেক্ষা অনেক বেশি কিছু উপলব্ধি করবে এবং নতুন নতুন আবিস্কার করতে পারবে। যারা সন্তান নিতে চাই তাদেরকে ইসা এই জ্ঞান দিয়ে চলেছে।এবং কিভাবে নারী, পুরুষ ও হিজড়া জন্ম নেই সে বিষয়ে জ্ঞান দিচ্ছে।
স্বল্প জ্ঞানী রাজা চিন্তা করলেন।ইসা যদি মানুষের রোগ নিরাময় ও এই জ্ঞান মানুষকে দিতে থাকে তাহলে অল্প সময়ের মধ্যে তার জনপ্রিয়তার কাছে আমি পরাজিত হবো এবং আমি রাজ্য হারা হবো।তাই তিনি সিদ্ধান্ত নিলেন,ইসাকে মেরে ফেলতে হবে।
রাজাকে যিহুদা বললো অমুক দিন ইসা অমুক পাহাড়ে শিষ্যদের নিয়ে বসবেন।রাজা বললেন ঠিক আছে আমি ইসাকে ধরে আনতে লোক পাঠাবো তুমি চিনিয়ে দেবে ইসা কোন জন।কেন না যারা ইসাকে ধরে আনতে যাবে তারা কেহই ইসাকে চিনতো না।এর পর যিহুদার চিনিয়ে দেয়া মত রাজার লোকজন ইসাকে তুলে এনে ৩৩ বৎসর বয়সে ক্রুশ বিদ্ধ করে মৃত্যু নিশ্চিৎ করে ।
এর পর প্রচার চালাতে থাকে,সন্তান ভূমিষ্টের পরে মায়ের স্তনে যে শাল দুধ আসে তাহা দেখতে পুঁজের মত এবং ইহা শিশুকে পান করানোর জন্যই বিভিন্ন রোগ হয়।তাই সন্তান হওয়ার পরে শাল দুধ চিপে ফেলে দেবার পর সন্তানকে দুধ খাওয়াতে হবে।এভাবেই ধিরে ধিরে মায়েরা নিজেদের শিশুকে এবং গৃহপালিত স্তন্যপায়ী পশুর বাচ্চাকেও শাল দুধ খেতে দেয়া বন্ধ করে দেয়।
আর এভাবেই ধিরে ধিরে আমাদের বুদ্ধি কমতে কমতে বিশ্বশান্তির পরিবর্তে বিশ্ব অ-শান্তি সৃষ্টির লক্ষে ব্যাবহার করে চলেছি।আমরা নিজের লাভ ছাড়া সার্বজণীন লাভ চিন্তা ও সমভাবে সুখি হওয়ার চিন্তা করতে জানি না।কিন্তু একজন বিজ্ঞানী যাহা করেন তাহা সার্বজণীন উপকার চিন্তা করেই করেন।আর আমরা বিজ্ঞানীর সার্বজণীন উপকারার্থে আবিস্কৃত জিনিসটি কি ভাবে অন্যের ক্ষতি সাধনে ব্যাবহার করা যায়।সে চিন্তায় ব্যাস্ত হয়ে পড়ি।
আবার শাল দুধ খাওয়া শুরু হয়েছ।আগামি ৫০ থেকে ৮০ বৎসরের মধ্যে মানুষ হয়তো বা বর্তমান অপেক্ষা আরও সৎ এবং সার্বজণীন কল্যাণ হেতু বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠাকল্পে আবারও ফিরে আসতে পারে সাম্যের ছায়াতলে।
সত্য সহায়।গুরুজী।।
ইসা নবি বয়ঃপ্রাপ্ত হওয়ার পর ,ধিরে ধিরে অন্ধকে চক্ষুদান, কুষ্ঠ রোগিকে নিরাময় ল্যাংড়াকে সুস্থতা এবং মৃতকে জীবিত করার মাধ্যমে অল্প সময়ের মধ্যে ব্যাপক পরিচিতি লাভ ও জনপ্রিয়তা অর্জণ করে ফেলেন।তখন সে দেশের রাজা দেখলেন, সকল মানুষ ২৭ বৎসর বয়সি ইসার প্রতি ধাবিত হচ্ছে এবং রাজার থেকেও মানুষ ইসাকে প্রাধান্য দিচ্ছে।রাজা চিন্তা করলেন,আমি যদি ইসার ঐ সকল জ্ঞান অর্জণ করতে পারি তাহলে সকলেই আমার কথা শুনবে। তাই তিনি পরিকল্পনা মত যিহুদাকে প্রেরণ করলেন ইসার কাছে ।যেন সে ইসার কাছ থেকে সমস্ত জ্ঞান জেনে আসে।
যিহুদা ইসা নবির কাছে এসে চরম বিশ্বস্ততার সহিত সমস্ত আদেশ নিষেধ পালন করতে লাগলেন এবং রাজার কাছ থেকে প্রাপ্ত খাবার ইসাকে দিতে লাগলেন। এভাবে যিহুদা অল্প সময়ের মধ্যে ইসা নবির প্রিয় পাত্র হয়ে উঠলেন এবং ১২ সাহাবার এক সাহাবা হয়ে গেলেন।অল্প সময়েই যিহুদা ইসা নবি কর্তৃক জানতে পারলেন শিশু জন্মের সাথে সাথে মায়ের স্তনে যে শাল দুধ আসে, তাহা সন্তানের বুদ্ধি বিকাশ,রোগ প্রতিরোধ ও দির্ঘায়ু লাভ করাতে ভুমিকা রাখে।এবং সন্তান জন্ম দেবার ক্ষণ নির্ণয়ের মাধ্যমে ও সন্তান জন্ম নেওয়ার তিন দিনের মধ্যে বিশেষ একটা সময় মায়ের স্তনের দুধ পান করলে সেই সন্তান সাধারণ মানুষ অপেক্ষা অনেক বেশি কিছু উপলব্ধি করবে এবং নতুন নতুন আবিস্কার করতে পারবে।
মাঝে মধ্যেই যিহুদা রাজার সাথে সাক্ষাত করে কি শিখেছে তা জানিয়ে যেতো এবং খরচের সামগ্রি নিয়ে যেত।ইতিমধ্যে যিহুদা রাজাকে জানালো শিশু জন্মের পরে মায়ের শাল দুধই শিশুর বুদ্ধি বিকাশ,রোগ প্রতিরোধ ও দির্ঘায়ু করতে ভুমিকা রাখে।এবং সন্তান জন্ম দেবার ক্ষণ নির্ণয়ের মাধ্যমে ও সন্তান জন্ম নেওয়ার তিন দিনের মধ্যে বিশেষ একটা সময় মায়ের স্তনের দুধ পান করলে সেই সন্তান সাধারণ মানুষ অপেক্ষা অনেক বেশি কিছু উপলব্ধি করবে এবং নতুন নতুন আবিস্কার করতে পারবে। যারা সন্তান নিতে চাই তাদেরকে ইসা এই জ্ঞান দিয়ে চলেছে।এবং কিভাবে নারী, পুরুষ ও হিজড়া জন্ম নেই সে বিষয়ে জ্ঞান দিচ্ছে।
স্বল্প জ্ঞানী রাজা চিন্তা করলেন।ইসা যদি মানুষের রোগ নিরাময় ও এই জ্ঞান মানুষকে দিতে থাকে তাহলে অল্প সময়ের মধ্যে তার জনপ্রিয়তার কাছে আমি পরাজিত হবো এবং আমি রাজ্য হারা হবো।তাই তিনি সিদ্ধান্ত নিলেন,ইসাকে মেরে ফেলতে হবে।
রাজাকে যিহুদা বললো অমুক দিন ইসা অমুক পাহাড়ে শিষ্যদের নিয়ে বসবেন।রাজা বললেন ঠিক আছে আমি ইসাকে ধরে আনতে লোক পাঠাবো তুমি চিনিয়ে দেবে ইসা কোন জন।কেন না যারা ইসাকে ধরে আনতে যাবে তারা কেহই ইসাকে চিনতো না।এর পর যিহুদার চিনিয়ে দেয়া মত রাজার লোকজন ইসাকে তুলে এনে ৩৩ বৎসর বয়সে ক্রুশ বিদ্ধ করে মৃত্যু নিশ্চিৎ করে ।
এর পর প্রচার চালাতে থাকে,সন্তান ভূমিষ্টের পরে মায়ের স্তনে যে শাল দুধ আসে তাহা দেখতে পুঁজের মত এবং ইহা শিশুকে পান করানোর জন্যই বিভিন্ন রোগ হয়।তাই সন্তান হওয়ার পরে শাল দুধ চিপে ফেলে দেবার পর সন্তানকে দুধ খাওয়াতে হবে।এভাবেই ধিরে ধিরে মায়েরা নিজেদের শিশুকে এবং গৃহপালিত স্তন্যপায়ী পশুর বাচ্চাকেও শাল দুধ খেতে দেয়া বন্ধ করে দেয়।
আর এভাবেই ধিরে ধিরে আমাদের বুদ্ধি কমতে কমতে বিশ্বশান্তির পরিবর্তে বিশ্ব অ-শান্তি সৃষ্টির লক্ষে ব্যাবহার করে চলেছি।আমরা নিজের লাভ ছাড়া সার্বজণীন লাভ চিন্তা ও সমভাবে সুখি হওয়ার চিন্তা করতে জানি না।কিন্তু একজন বিজ্ঞানী যাহা করেন তাহা সার্বজণীন উপকার চিন্তা করেই করেন।আর আমরা বিজ্ঞানীর সার্বজণীন উপকারার্থে আবিস্কৃত জিনিসটি কি ভাবে অন্যের ক্ষতি সাধনে ব্যাবহার করা যায়।সে চিন্তায় ব্যাস্ত হয়ে পড়ি।
আবার শাল দুধ খাওয়া শুরু হয়েছ।আগামি ৫০ থেকে ৮০ বৎসরের মধ্যে মানুষ হয়তো বা বর্তমান অপেক্ষা আরও সৎ এবং সার্বজণীন কল্যাণ হেতু বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠাকল্পে আবারও ফিরে আসতে পারে সাম্যের ছায়াতলে।
সত্য সহায়।গুরুজী।।
বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষে ধর্ম।গুরুজী।।মানুষ সহ সৃষ্টির ৯৮.৫% জীবই ব্যাভীচারী।।
আরবী
জ্বিনা শব্দটির বাংলা অর্থ ব্যাভীচার।এই
ব্যাভীচার একটি নিকৃষ্টতম নিন্দনীয়
কাজ।সমাজে
ব্যাভীচারী ও ব্যাভীচারীণীকে ঘৃণার
চোখে দেখা হয়।এবং ব্যাভীচার ক্রীয়ার
জন্য বিচারের সম্মুখীন ও সাজা পাওয়ার
ঘটনাও নেহায়েৎ কম নয়।কিন্তু আশ্চর্যের বিষয়
এই যে,সমাজ যাহাকে
ব্যাভীচার দোষে দৃষ্ট হয়,সে দৃষ্টিতে সৃষ্টির
১০০% জীবই ব্যাভীচারী ও
ব্যাভীচারীণী,আর এলমে তাসাউফের
দৃষ্টিতে সৃষ্টির ৯৮.৫% জীবই
ব্যাভীচারী ও ব্যাভীচারীণী।আসুন আজ আমরা
সমাজের দৃষ্টিতে ও এলমে তাসাউফের
দৃষ্টিতে ব্যাভীচার কি জেনে নিই।
সমাজের দৃষ্টিতে ব্যাভীচার-
সমাজের দৃষ্টিতে ব্যাভীচার হলো বৈধ বিবাহিত সম্পর্ক স্থাপন ব্যাতীত কোন পুরুষ কোন নারীর সাথে বা কোন নারী কোন পুরুষের সাথে যৌণ ক্রীয়া করাকে বুঝায়।আর ইহাই যদি ব্যাভীচার হয়, তাহলে বিশ্বের সমস্ত জীবই ব্যাভীচার দোষে দোষি।কেন না হলফ করে কেউই বলার সাহস রাখে না যে,সে জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত নিজ বৈধ বিবাহিত স্বামি বা স্ত্রী ব্যাতীত অন্য কারও সাথে যৌণ সম্পর্ক করে নাই।অ-প্রিয় হলেও সত্য এই যে, ধরা না পড়ায় আমরা সকলেই সাধু,কিন্ত নিজ মনের কাছে আমরা সকলেই অ-সাধু।এ দৃষ্টিকোন থেকে বিশ্বের ১০০% জীবই ব্যাভীচারী।
এলমে তাসাউফের দৃষ্টিতে ব্যাভীচার-
এলমে তাসাউফের দৃষ্টিতে ব্যাভীচার হলো, আপনি যার সাথেই যৌণ ক্রীয়া করেন না কেনো,যদি যৌণ ক্রীয়াতে আপনার যে পরিমান শুক্রাণু বা ডিম্বাণু খরচ হলো, তা পূরণ না করেন তাহাই ব্যাভীচার বা জ্বিনা।অর্থাৎ আপনি আপনার বৈধ বিবাহিত স্ত্রীর সাথেও যদি শুধু মাত্র শুক্রাণু ক্ষয় হেতু যৌণ ক্রীয়া করেন, তাহা ব্যাভীচারের আওতাভুক্ত। এলমে তাসাউফের দৃষ্টিতে ৭৩ জনে ৭২ জনই ব্যাভীচারী।অর্থাৎ ৯৮.৫% জীব এলমে তাসাউফের দৃষ্টিতে ব্যাভীচারী।এরাই হিজবুশ-শয়তান বা শয়তানের দল।
আপনি আপনার বিবাহিত স্ত্রী বা স্বামীর সাথে যৌণ ক্রীয়াতে যে অনুভূতি অনুভব করেন এবং যে শুক্র ক্ষয় বা যাহা যাহা ঘটে, বিবাহিত সম্পর্ক ব্যাতীত যার সাথেই উহা করেন না কেন একই রকম অনুভূত হবেন।পার্থক্য শুধু এটুকুই,যার সাথে আপনি বিয়ে করেছেন,সমাজ আপনাকে তার সাথে বৈধ ব্যাভীচার করার সনদ দিয়েছেন।আর অন্যের সাথে বৈধ ব্যাভীচারের সনদ দেই নি।
যদি বৈধ বিবাহিত সম্পর্ক না করেও অন্য যে কারও সাথে যৌণ ক্রীয়া করে,যে পরিমান শুক্রাণু বা ডিম্বাণু খরচ করলেন তাহা পূরণ করতে পারেন,উহা ব্যাভীচার নয়,উহা শুভাচার ।তাই, যে শুভাচারী তার জন্য নিষেধ আছে ব্যাভীচারীকে বিবাহ করতে। এলমে তাসাউফের দৃষ্টিতে ৭৩ জনে একজন শুভাচারী।অর্থাৎ ১.৫% জীব এলমে তাসাউফের দৃষ্টিতে শুভাচারী।এরাই হিজবুল্লাহ বা আল্লাহর দল।
সূরা নূরের তিন নম্বর আয়াতে তাহাই বলা হয়েছে।
ব্যাভীচারী পুরুষ,ব্যাভীচারীণী নারী অথবা মুশরেক নারী ভিন্ন কাহাকেও বিবাহ করিবে না।এবং ব্যাভীচারীণী নারীকে ব্যাভীচারী পুরুষ অথবা মুশরেক পুরুষ ভিন্ন বিবাহ করিবে না।উহা মুমিনদের জন্য হারাম করা হয়েছে।
পরিশেষে,নিজে শুভাচারী হন,এবং শুভাচার প্রত্যাশীর সাথে যৌণ ক্রীয়া করুন।
সত্য সহায়।গুরুজী।।
সমাজের দৃষ্টিতে ব্যাভীচার-
সমাজের দৃষ্টিতে ব্যাভীচার হলো বৈধ বিবাহিত সম্পর্ক স্থাপন ব্যাতীত কোন পুরুষ কোন নারীর সাথে বা কোন নারী কোন পুরুষের সাথে যৌণ ক্রীয়া করাকে বুঝায়।আর ইহাই যদি ব্যাভীচার হয়, তাহলে বিশ্বের সমস্ত জীবই ব্যাভীচার দোষে দোষি।কেন না হলফ করে কেউই বলার সাহস রাখে না যে,সে জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত নিজ বৈধ বিবাহিত স্বামি বা স্ত্রী ব্যাতীত অন্য কারও সাথে যৌণ সম্পর্ক করে নাই।অ-প্রিয় হলেও সত্য এই যে, ধরা না পড়ায় আমরা সকলেই সাধু,কিন্ত নিজ মনের কাছে আমরা সকলেই অ-সাধু।এ দৃষ্টিকোন থেকে বিশ্বের ১০০% জীবই ব্যাভীচারী।
এলমে তাসাউফের দৃষ্টিতে ব্যাভীচার-
এলমে তাসাউফের দৃষ্টিতে ব্যাভীচার হলো, আপনি যার সাথেই যৌণ ক্রীয়া করেন না কেনো,যদি যৌণ ক্রীয়াতে আপনার যে পরিমান শুক্রাণু বা ডিম্বাণু খরচ হলো, তা পূরণ না করেন তাহাই ব্যাভীচার বা জ্বিনা।অর্থাৎ আপনি আপনার বৈধ বিবাহিত স্ত্রীর সাথেও যদি শুধু মাত্র শুক্রাণু ক্ষয় হেতু যৌণ ক্রীয়া করেন, তাহা ব্যাভীচারের আওতাভুক্ত। এলমে তাসাউফের দৃষ্টিতে ৭৩ জনে ৭২ জনই ব্যাভীচারী।অর্থাৎ ৯৮.৫% জীব এলমে তাসাউফের দৃষ্টিতে ব্যাভীচারী।এরাই হিজবুশ-শয়তান বা শয়তানের দল।
আপনি আপনার বিবাহিত স্ত্রী বা স্বামীর সাথে যৌণ ক্রীয়াতে যে অনুভূতি অনুভব করেন এবং যে শুক্র ক্ষয় বা যাহা যাহা ঘটে, বিবাহিত সম্পর্ক ব্যাতীত যার সাথেই উহা করেন না কেন একই রকম অনুভূত হবেন।পার্থক্য শুধু এটুকুই,যার সাথে আপনি বিয়ে করেছেন,সমাজ আপনাকে তার সাথে বৈধ ব্যাভীচার করার সনদ দিয়েছেন।আর অন্যের সাথে বৈধ ব্যাভীচারের সনদ দেই নি।
যদি বৈধ বিবাহিত সম্পর্ক না করেও অন্য যে কারও সাথে যৌণ ক্রীয়া করে,যে পরিমান শুক্রাণু বা ডিম্বাণু খরচ করলেন তাহা পূরণ করতে পারেন,উহা ব্যাভীচার নয়,উহা শুভাচার ।তাই, যে শুভাচারী তার জন্য নিষেধ আছে ব্যাভীচারীকে বিবাহ করতে। এলমে তাসাউফের দৃষ্টিতে ৭৩ জনে একজন শুভাচারী।অর্থাৎ ১.৫% জীব এলমে তাসাউফের দৃষ্টিতে শুভাচারী।এরাই হিজবুল্লাহ বা আল্লাহর দল।
সূরা নূরের তিন নম্বর আয়াতে তাহাই বলা হয়েছে।
ব্যাভীচারী পুরুষ,ব্যাভীচারীণী নারী অথবা মুশরেক নারী ভিন্ন কাহাকেও বিবাহ করিবে না।এবং ব্যাভীচারীণী নারীকে ব্যাভীচারী পুরুষ অথবা মুশরেক পুরুষ ভিন্ন বিবাহ করিবে না।উহা মুমিনদের জন্য হারাম করা হয়েছে।
পরিশেষে,নিজে শুভাচারী হন,এবং শুভাচার প্রত্যাশীর সাথে যৌণ ক্রীয়া করুন।
সত্য সহায়।গুরুজী।।
বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষে ধর্ম।গুরুজী।।আবু বকর কৌশল করে আয়েশার সাথে রাসুলের বিয়ে দেন।।।
রাসূল
সাঃ আয়েশাকে বিয়ে করতে চাননি।কিন্তু
ক্ষমতার লোভে আবু বকর
কৌশল করে নিজ মেয়েকে
রাসুলের উপর চাপিয়ে দেন,এবং রাসুল মারা
যাওয়ার পরে তিনি রাসুলের
সমস্ত আদেশ লঙ্ঘন করে
নিজেই খেলাফত গ্রহন করেন।আসুন
আজ আমরা জেনে নিই
কিভাবে আবু বকর কৌশল
করে আয়েশাকে রাসুলের ঘাড়ে চাপিয়ে দেন
এবং তার সিদ্দিক উপাধী
পাওয়ার কাহিনী।
আবু বকর কখনই ধর্মকে ভালোবেসে ইসলাম গ্রহন করেন নি ।আবু বকর ক্ষমতাকে ভালোবেসে ক্ষমতার লোভে ইসলাম গ্রহন করেন।
নবুয়তের দশম সনে রাসুলের চাচা আবু তালেব ও খাদিজার মৃত্যু হলে রাসুল একেবারে ভেঙ্গে পড়েন।তখন তাঁর ঘরে অ-বিবাহিত দুই কন্যা বর্তমান,এবং দু-কন্যার বিয়ে দিয়েছেন।আবু বকরের লোভাতুর আচরণে রাসুল কখনোই তাকে গুরুত্ব দিতেন না।কিন্তু আবু বকর সম্পদ ও ক্ষমতার লোভে ছিলেন বিভোর।তাই আবু বকর তার অনুগত বিধবা সাওদাকে রাসুলের সাথে বিয়ে দিয়ে সম্পদ আত্মসাতের পরিকল্পনা করেন।পরিকল্পনা মোতাবেক আবুবকর খাওলার মাধ্যমে সাওদার সাথে রাসুলের বিয়ের প্রস্তাব পাঠালে,রাসুল বিয়ে করতে অস্বীকার করেন।কারণ হিসাবে বলেন আমার দাস দাসি কিছুরই অভাব নাই,আর এই বয়সে বিয়ে করলে মানুষ আমাকে খারাপ ভাববে।
কিন্তু আবু বকর ছাড়ার পাত্র নয়।তিনি খাওলার মাধ্যমে জানালেন আপনার ঘরে স্ত্রী না থাকলে কোন দাসী রাখা যাবে না। কেন না এতে মানুষ আপনাকে সন্দেহের চোখে দেখবে।তাতে ইসলামের ক্ষতি হবে।তাই যদি আপনি বিয়ে না করেন, বাড়িতে কোন দাসি রাখতে পারবেন না।অগত্যা বাধ্য হয়েই রাসুল সাওদাকে বিয়ে করেন শুধুমাত্র তার কন্যাদের দেখাশোনার জন্য।কিন্তু বিবাহের পরে সাওদা রাসুলের আদেশের বাইরে কোন কাজ করেন নি ,তাই আবুবকরের উদ্দেশ্য বিফল হয়।তখন আবু বকর নতুন করে ফন্দি আটতে থাকেন কিভাবে সাওদাকে সরিয়ে নিজ স্বার্থ সিদ্ধি করা যায়।
পরিকল্পনামত আবু বকর রাসুলকে দাওয়াত করে নিজ বাড়িতে এনে মেয়ে আয়েশাকে তাঁর সেবায় নিয়োগ করেন ।আয়েশা রাসুলকে সেবা করার সময় রাসুলের পাশে শুয়ে পড়েন।এবং রাসুল শিশু আয়েশাকে জড়িয়ে ধরে আদর করেন।এমতাবস্থায় আবু বকর ঘরে প্রবেশ করে রাসুলকে বলে ,আপনার দ্বারা তো আমি এটা আশা করিনি।রাসুল বলে আমি কি করলাম যে তুমি তা আশা করো নি।আবু বকর বলে আমার ছোট মেয়েটাকে আপনি পাশে নিয়ে যা করেছেন আমি সমাজকে বলি,দেখি সমাজ এর কি বিচার করে।আবু বকরের শেখানো মত খাওলা রাসুলকে এই অপমানের হাত থেকে পরিত্রাণের পথ বাতলে দেন যে,রাসুল যদি আয়েশাকে বিয়ে করেন তাহলে আবু বকরের আর কোন রাগ থাকবে না।অগত্যা বাধ্য হয়েই রাসুল আয়েশাকে বিয়ে করেন।
রাসুল আয়েশাকে বিবাহ করলে আবু বকর তার উদ্দেশ্য হাসিলে স্বার্থক হলেও রাসুল কোন দিনই আয়েশার দ্বারা সুখী হন নি।এবং কখনই রাসুল আবু বকর এবং আয়েশাকে বিশ্বাস করতেন না।এবং আয়েশার চরিত্র নিয়ে রাসুলের সন্দেহের বিষয়টি কোরানেও স্থান পেয়েছে।ওসমান গনি মারা যাওয়ার পরে আয়েশা পূণরায় কোরান সংস্কারের সময় যোগ করে যে,আল্লাহ বলেন হে রাসুল তুমি যা সন্দেহ করছো আয়েশা সে বিষয়ে সন্দেহ মুক্ত।শুধুমাত্র আয়েশা ও আবু বকরের কারণেই খাদিজা মারা যাওয়ার পরে মাত্র তেরো বছরে রাসুল আরও ১৩ টি বিয়ে করতে বাধ্য হন।এবং রাসুল মারা যাওয়া পরে রাসুলের সমস্ত অসিয়ত পদদলিত করে আবু বকর খেলাফত গ্রহন করেন ।
রাসুলের চোখে সবচেয়ে মিথ্যাবাদী ও কুটকৌশলী ছিলেন আবু বকর।কিন্তু তাকে রাসুলের সবচেয়ে বিশ্বস্ত বানাতে রাসুল মারা যাওয়ার পরে হাদিসে যোগ করা হয় কাল্পনিক মেরাজ কাহিনী।এবং সে মেরাজে রাসুল বেহেস্ত দোজখ সহ তামাম সৃষ্টি দর্শণ ও মেরাজ থেকে মুসলমানের জন্য পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ নিয়ে আসাকে এক মাত্র আবু বকর, বিনা প্রশ্নে বিশ্বাস করার জন্য রাসুল তাকে সিদ্দিক বা বিশ্বাসী উপাধি দেন বলে প্রচার করেন।কিন্তু আসল সত্য হলো,রাসুলের মেরাজ বলতে হাদিস যাহা বলছে কোরান তা আদৌ স্বীকার করে না এবং নামাজ রোজা হজ্জ যাকাত বা যে সকল এবাদৎ তারা করে তার সবই রাসুল জন্মের পূর্বেও কু-সংস্কারবাদীরা পালন করতো।
কোরানের সূরা বণী ইস্রাইলের ১ নম্বর আয়াতে বলা হয়েছ-
যিনি সুবহান এক রাতে এবাদিকে মসজিদুল হারাম হইতে মসজিদুল আকসা পর্যন্ত ভ্রমন করাইলেন।
আর তারা যে মেরাজ শব্দটি ব্যাবহার করে তাহা কোরানের কোথাও ব্যাবহার হয় নি।
সেই সাথে তারা প্রচার করেন হিজরতের সময় রাসুলের সাথে আবু বকর ছিলেন,একথাটিও বানোয়াট।কেন না,বাউল সাধক উলাইয়ার ভক্ত সাব্বাত বলেছেন।রাসুল হিজরতের সময় একাকিই মক্কা থেকে মদিনা এসেছিলেন।তার সঙ্গে কেউই ছিলেন না।সাব্বাতের ভাষ্যমতে আবু বকর পরিবারের জন্য ইসলামের যে ক্ষতি হয়েছে তা কিয়ামত পর্যন্ত পূরণ করা সম্ভব নয়।
সত্য সহায়।গুরুজী।।
আবু বকর কখনই ধর্মকে ভালোবেসে ইসলাম গ্রহন করেন নি ।আবু বকর ক্ষমতাকে ভালোবেসে ক্ষমতার লোভে ইসলাম গ্রহন করেন।
নবুয়তের দশম সনে রাসুলের চাচা আবু তালেব ও খাদিজার মৃত্যু হলে রাসুল একেবারে ভেঙ্গে পড়েন।তখন তাঁর ঘরে অ-বিবাহিত দুই কন্যা বর্তমান,এবং দু-কন্যার বিয়ে দিয়েছেন।আবু বকরের লোভাতুর আচরণে রাসুল কখনোই তাকে গুরুত্ব দিতেন না।কিন্তু আবু বকর সম্পদ ও ক্ষমতার লোভে ছিলেন বিভোর।তাই আবু বকর তার অনুগত বিধবা সাওদাকে রাসুলের সাথে বিয়ে দিয়ে সম্পদ আত্মসাতের পরিকল্পনা করেন।পরিকল্পনা মোতাবেক আবুবকর খাওলার মাধ্যমে সাওদার সাথে রাসুলের বিয়ের প্রস্তাব পাঠালে,রাসুল বিয়ে করতে অস্বীকার করেন।কারণ হিসাবে বলেন আমার দাস দাসি কিছুরই অভাব নাই,আর এই বয়সে বিয়ে করলে মানুষ আমাকে খারাপ ভাববে।
কিন্তু আবু বকর ছাড়ার পাত্র নয়।তিনি খাওলার মাধ্যমে জানালেন আপনার ঘরে স্ত্রী না থাকলে কোন দাসী রাখা যাবে না। কেন না এতে মানুষ আপনাকে সন্দেহের চোখে দেখবে।তাতে ইসলামের ক্ষতি হবে।তাই যদি আপনি বিয়ে না করেন, বাড়িতে কোন দাসি রাখতে পারবেন না।অগত্যা বাধ্য হয়েই রাসুল সাওদাকে বিয়ে করেন শুধুমাত্র তার কন্যাদের দেখাশোনার জন্য।কিন্তু বিবাহের পরে সাওদা রাসুলের আদেশের বাইরে কোন কাজ করেন নি ,তাই আবুবকরের উদ্দেশ্য বিফল হয়।তখন আবু বকর নতুন করে ফন্দি আটতে থাকেন কিভাবে সাওদাকে সরিয়ে নিজ স্বার্থ সিদ্ধি করা যায়।
পরিকল্পনামত আবু বকর রাসুলকে দাওয়াত করে নিজ বাড়িতে এনে মেয়ে আয়েশাকে তাঁর সেবায় নিয়োগ করেন ।আয়েশা রাসুলকে সেবা করার সময় রাসুলের পাশে শুয়ে পড়েন।এবং রাসুল শিশু আয়েশাকে জড়িয়ে ধরে আদর করেন।এমতাবস্থায় আবু বকর ঘরে প্রবেশ করে রাসুলকে বলে ,আপনার দ্বারা তো আমি এটা আশা করিনি।রাসুল বলে আমি কি করলাম যে তুমি তা আশা করো নি।আবু বকর বলে আমার ছোট মেয়েটাকে আপনি পাশে নিয়ে যা করেছেন আমি সমাজকে বলি,দেখি সমাজ এর কি বিচার করে।আবু বকরের শেখানো মত খাওলা রাসুলকে এই অপমানের হাত থেকে পরিত্রাণের পথ বাতলে দেন যে,রাসুল যদি আয়েশাকে বিয়ে করেন তাহলে আবু বকরের আর কোন রাগ থাকবে না।অগত্যা বাধ্য হয়েই রাসুল আয়েশাকে বিয়ে করেন।
রাসুল আয়েশাকে বিবাহ করলে আবু বকর তার উদ্দেশ্য হাসিলে স্বার্থক হলেও রাসুল কোন দিনই আয়েশার দ্বারা সুখী হন নি।এবং কখনই রাসুল আবু বকর এবং আয়েশাকে বিশ্বাস করতেন না।এবং আয়েশার চরিত্র নিয়ে রাসুলের সন্দেহের বিষয়টি কোরানেও স্থান পেয়েছে।ওসমান গনি মারা যাওয়ার পরে আয়েশা পূণরায় কোরান সংস্কারের সময় যোগ করে যে,আল্লাহ বলেন হে রাসুল তুমি যা সন্দেহ করছো আয়েশা সে বিষয়ে সন্দেহ মুক্ত।শুধুমাত্র আয়েশা ও আবু বকরের কারণেই খাদিজা মারা যাওয়ার পরে মাত্র তেরো বছরে রাসুল আরও ১৩ টি বিয়ে করতে বাধ্য হন।এবং রাসুল মারা যাওয়া পরে রাসুলের সমস্ত অসিয়ত পদদলিত করে আবু বকর খেলাফত গ্রহন করেন ।
রাসুলের চোখে সবচেয়ে মিথ্যাবাদী ও কুটকৌশলী ছিলেন আবু বকর।কিন্তু তাকে রাসুলের সবচেয়ে বিশ্বস্ত বানাতে রাসুল মারা যাওয়ার পরে হাদিসে যোগ করা হয় কাল্পনিক মেরাজ কাহিনী।এবং সে মেরাজে রাসুল বেহেস্ত দোজখ সহ তামাম সৃষ্টি দর্শণ ও মেরাজ থেকে মুসলমানের জন্য পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ নিয়ে আসাকে এক মাত্র আবু বকর, বিনা প্রশ্নে বিশ্বাস করার জন্য রাসুল তাকে সিদ্দিক বা বিশ্বাসী উপাধি দেন বলে প্রচার করেন।কিন্তু আসল সত্য হলো,রাসুলের মেরাজ বলতে হাদিস যাহা বলছে কোরান তা আদৌ স্বীকার করে না এবং নামাজ রোজা হজ্জ যাকাত বা যে সকল এবাদৎ তারা করে তার সবই রাসুল জন্মের পূর্বেও কু-সংস্কারবাদীরা পালন করতো।
কোরানের সূরা বণী ইস্রাইলের ১ নম্বর আয়াতে বলা হয়েছ-
যিনি সুবহান এক রাতে এবাদিকে মসজিদুল হারাম হইতে মসজিদুল আকসা পর্যন্ত ভ্রমন করাইলেন।
আর তারা যে মেরাজ শব্দটি ব্যাবহার করে তাহা কোরানের কোথাও ব্যাবহার হয় নি।
সেই সাথে তারা প্রচার করেন হিজরতের সময় রাসুলের সাথে আবু বকর ছিলেন,একথাটিও বানোয়াট।কেন না,বাউল সাধক উলাইয়ার ভক্ত সাব্বাত বলেছেন।রাসুল হিজরতের সময় একাকিই মক্কা থেকে মদিনা এসেছিলেন।তার সঙ্গে কেউই ছিলেন না।সাব্বাতের ভাষ্যমতে আবু বকর পরিবারের জন্য ইসলামের যে ক্ষতি হয়েছে তা কিয়ামত পর্যন্ত পূরণ করা সম্ভব নয়।
সত্য সহায়।গুরুজী।।
বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষে ধর্ম।গুরুজী।।তালিমের দৃষ্টিতে জীবের উৎপত্তি,তাসাউফ কি ও নিজেকে চিনে নিন ।।
তাসাউফ
শব্দটি পবিত্র কোরানের ৬২৩৬
আয়াতের মধ্যে কোথাও ব্যাবহার
হয়নি।তাই
এ শব্দটিকে আরবী শব্দ মানতে
আরবী বিশারদরা রাজি নয়।কিন্তু মূলতঃই তাসাউফ
শব্দটি আরবী।যার
বাংলা অর্থ পরিস্কারকারী।আরেকটু খোলসা করলে
অর্থ দাঁড়াই, যে পরিস্কার কর্মে
রত তাহাকেই তাসাউফ বলে।
আরবী সাফ শব্দ থেকে তাসাউফ শব্দের উৎপত্তি।আরবী সাফ শব্দের অর্থ পরিস্কার ,সারিবদ্ধ।সফফা শব্দের অর্থ পরিস্কার করা । মূসফফী শব্দের অর্থ পরিস্কারক বা যাহা দ্বারা পরিস্কার করা হয়।আর মুসফফা শব্দের অর্থ পরিস্কৃত যাহা পরিস্কার হয়েছে।আর এলমে তাসাউফ শব্দের বাংলা অর্থ যে জ্ঞান পরিস্কার কর্মে রত। আর এলমে তাসাউফের ভাষা বলতে বুঝানো হয় জ্ঞান পরিস্কারের সরঞ্জাম সামগ্রীকে।
পবিত্র কোরানের ৬১ তম সূরাটির নাম, সূরায়ে সাফ।এই সাফ থেকেই তাসাউফের উৎপত্তি।
এবার আসুন তালিমে।
তালিমের দৃষ্টিতে জীবের উৎপত্তি হয়-
নূর বা সাফা বা পরিস্কার কারক ১ অণু, আব বা পানি ১ অণু, আতশ বা আগুন ১ অণু, খাক বা মাটি ১ অণু ও বাত বা বাতাস ১ অণুতে।ইহাকেই আল্লাহর পাঁচ জাত বা উপাদান বা ভূত বলা হয় ।আর এই ৫ অণুর সম্মিলিত রুপ বা ৫ অণু মিস্রন ১ অনু এক কোষী প্রাণী হতে।
প্রকাশ থাকে যে,যতক্ষন পর্যন্ত এই আগুন পানি মাটি বাতাস ও পরিস্কার কারী মৈথুনে একিভূত না হবে ততক্ষণ পর্যন্ত সৃষ্টির শুরু হবে না।প্রকৃতির নিয়মে যখনই পাঁচটি অণু স্ব-স্ব অবস্থান থেকে গুণনের মাধ্যমে নিজেকে অন্য ভূতের সাথে একিভূত হয়ে পূণরাই এক অণুতে রুপান্তর হয়,তখন থেকেই সৃষ্টি শুরু হয়ে যায়।যেমন-
সৃষ্টি সুত্রটা এরুপ-
১।নূর বা সাফা বা পরিস্কার কারক অণু প্রাণ=১*১=১
২।পানি অণু প্রাণ=১*১=১
৩।আগুন অণু প্রাণ=১*১=১
৪।মাটি অণু প্রাণ=১*১=১
৫।বাতাস অণু প্রাণ=১*১=১
সর্বমোট পাঁচ অণু প্রাণ সম্মিলিত মৈথুণে এক অণুতে রুপান্তরীত হলেই পূণরুত্থান শুরু হয়ে গেলো।এখন সেই অবস্থানের নাম এককোষি প্রাণী বা জীব।
আর এই সৃষ্টি হওয়ার সাথে সাথেই শুরু হয়ে গেলো আল্লাহর এবাদৎ বা উপাষনা।যেমন খাইতে হবে,খাইলে পায়খানা কেরতে হবে,খাবার সংগ্রহের জন্য শ্রম দিতে হবে,শ্রম দিলে বিশ্রাম নিতে হবে।আর এসকলই হচ্ছে দাসত্ব বা উপাষনা । সৃষ্টির এমন কেহই নাই যে স্রষ্টার উপষনা না করে ।
মূলতঃ স্রষ্টার উপাষনা হলো যাহা করলে নিজে শান্তিতে থাকা যাই।আর শয়তানের উপাষনা হলো যাহা করলে নিজে অ-শান্তিতে নিমজ্জিত হয়।
এই এক অণু প্রাণীর পূর্ণ দেহের মধ্যেই অবস্থান করে পাঁচ টি দেহ এবং দেহ সজীব রাখার সকল উপাদান।এবং তা থেকে নিজ নিজ দেহে যাহা উৎপত্তি হয় তাহার বিবরণ ।যেমন-
১।নূর বা সাফা বা পরিস্কার কারক অণু দিয়ে যাহা যাহা তৈরী হলো তার নাম।
১।দেহের নাম =ওয়াযেবুল।
২।রুহের নাম=কুদচি।
৩।নফসের নাম =রহমানি।
৪।রাহার নাম=অহেদানিয়াত।
৫।মোকামের নাম=অরা অল অরা।
৬।মঞ্জিলের নাম=হাহুত।
৭।মক্কেলের নাম=আজরাইল।
৮।ইমানের নাম=হুয়াল একিন।
২। আব বা পানি অণু দিয়ে যাহা যাহা তৈরী হলো তার নাম।
১।দেহের নাম =মোমতেনাল।
২।রুহের নাম=নাবাদাত।
৩।নফসের নাম =লোয়াম্মা।
৪।রাহার নাম=তরিকত।
৫।মোকামের নাম=মাহমুদা।
৬।মঞ্জিলের নাম=মলকুত।
৭।মক্কেলের নাম=মেকাইল।
৮।ইমানের নাম=এলমল একিন।
৩। আতশ বা আগুন অণু দিয়ে যাহা যাহা তৈরী হলো তার নাম।
১।দেহের নাম =মোমকেনাল।
২।রুহের নাম=হায়ানী।
৩।নফসের নাম =আম্মারা।
৪।রাহার নাম=শরিয়ত।
৫।মোকামের নাম=কাবকাউসিন।
৬।মঞ্জিলের নাম=নাসুত।
৭।মক্কেলের নাম=আজাজিল।
৮।ইমানের নাম=বেল গায়েব একিন।
৪।খাক বা মাটি অণু দিয়ে যাহা যাহা তৈরী হলো তার নাম।
১।দেহের নাম =আরেফেল।
২।রুহের নাম=যামাদাত।
৩।নফসের নাম =মোলহেমার।
৪।রাহার নাম=হকিকত।
৫।মোকামের নাম=সোলতানন নসিরা।
৬।মঞ্জিলের নাম=জবরুত।
৭।মক্কেলের নাম=জিবরাইল।
৮।ইমানের নাম=আইনাল একিন।
৫।বাত বা বাতাস অণু দিয়ে যাহা যাহা তৈরী হলো তার নাম।
১।দেহের নাম =অহেদাল।
২।রুহের নাম=ইনসানি।
৩।নফসের নাম =মোৎমাইন্না।
৪।রাহার নাম=মারফত।
৫।মোকামের নাম=আউদানা।
৬।মঞ্জিলের নাম=লাহুত।
৭।মক্কেলের নাম=ইসরাফিল।
৮।ইমানের নাম=হক্কোল একিন।
এই এক দেহে ,পাঁচ দেহের মোট উপাদান হয় ৫*৮=৪০ এটাই বাংলা বর্ণ মালার ব্যাঞ্জন বর্ণ বা সৃষ্টি।যাহা স্রষ্টার সাহায্য ব্যাতীত সৃষ্টি হতে পারে না।ইহাকে তাসাউফের ভাষায় গঞ্জ বলা হয়।সমস্ত জীবই চল্লিশ গঞ্জের মাধ্যমেই সৃষ্টি হয়েছে।
আর আগুন পানি মাটি বাতাস ও নূর বা পরিস্কারকারী এই পাঁচটিই স্রষ্টা।
এই পাঁচ স্রষ্টার নিজস্ব সাতটি সেফাত বা গুন আছে।যথা-
১।সাফা বা পরিস্কারকারী স্রষ্টার সেফাত=হাইউন বা জীবিত শক্তি।
২।বাত বা বাতাস স্রষ্টার সেফাত=আলিমুন বা জ্ঞান শক্তি ও সামিউন বা শ্রবণ শক্তি।
৩।আতশ বা আগুন স্রষ্টার সেফাত=মুরিদুন বা যৌণ শক্তি ও বসিরুন বা দর্শণ শক্তি।
৪।আব বা পানি স্রষ্টার সেফাত=কলিমুন বা বাকশক্তি।
৫।খাক বা মাটি স্রষ্টার সেফাত=কুদিরুন বা কর্মশক্তি।
এই পাঁচ স্রষ্টা + স্রষ্টার সাত গুন=১২। ইহাই বাংলা বর্ণমালার স্বর বর্ণ বা কলেমা তৈয়ব।ইহাই জীবের দেহের সমস্ত কালিমা পরিস্কার করার ক্ষমতা রাখে।তাই ইহাকেই মুসফফী বা কলেমা তৈয়ব বলে।
এই এক অণুপ্রাণ থেকে সৃষ্টি হয়ে যেদিন কোটি কোটি অণু প্রাণ দেহে সংগৃহিত হবে ।তখনই জীব জন্ম মৃত্যুর বাইরে চলে যাবে।
তাতে দেহে অণুপ্রাণ ১*১=১ অণুপ্রাণ সঞ্চয় হতে সময় লাগে=একলক্ষ জনম।
তার পরে সেই দেহে ১*২=২ অণুপ্রাণ সঞ্চয় হতে সময় লাগে ১২ লক্ষ জনম।
তার পরে সেই দেহে ২*২=৪ অণুপ্রাণ সঞ্চয় হতে সময় লাগে ১২লক্ষ জনম।
তার পরে সেই দেহে ৪*৪=১৬ অণুপ্রাণ সঞ্চয় হতে সময় লাগে ১২ লক্ষ জনম।
তার পরে সেই দেহে ১৬*১৬= ২৫৬ অণুপ্রাণ সঞ্চয় হতে সময় লাগে ১২ লক্ষ জনম।
তার পরে সেই দেহে ২৫৬*২৫৬=৬৫৫৩৬ অণুপ্রাণ সঞ্চয় হতে সময় লাগে ১২ লক্ষ জনম।
তার পরে দেহে ৬৫৫৩৬* ৬৫৫৩৬=৪২৯৪৯৬৭২৯৬ অণুপ্রাণ সঞ্চয় হতে সময় লাগে ১২ লক্ষ জনম। এই জনম পাড়ি দিলেই মানব জনম।
মানব জনম পাওয়ার পরে ১২ লক্ষ জনম পরে জীব প্রকৃতির নিয়মে ৪২৯৪৯৬৭২৯৬* ৪২৯৪৯৬৭২৯৬= অণুপ্রাণ সঞ্চয় করে ,এবং জীব জন্ম মৃত্যুর বাইরে চলে যায়।ইহাই মহামুক্তি।ইহাই সফলতা।
প্রকৃতির নিয়মের পূর্বেও নিজ প্রচেষ্টায় বহু জনম পূর্বেই জন্ম মৃত্যুর বাইরে এবং জন্মনোর পরে শান্তিতে থাকার জন্যই এবাদতের প্রয়োজন।
এখন প্রতিটি দেহে সম অনুপাতে অণুপ্রান না থাকলেই সেই দেহ অ-পরিস্কার হবে ও জীব অ-শান্তিতে থাকবে।এই অণুপ্রাণ সম অনুপাত রাখতেই কলেমা তৈয়ব বা মুসফফীর গ্রয়োজন।আর যে পরিস্কার করতে ইচ্ছুক বা পরিস্কার কাজে রত,তাকেই তাসাউফ বলে।
সত্য সহায়।গুরুজী।।
আরবী সাফ শব্দ থেকে তাসাউফ শব্দের উৎপত্তি।আরবী সাফ শব্দের অর্থ পরিস্কার ,সারিবদ্ধ।সফফা শব্দের অর্থ পরিস্কার করা । মূসফফী শব্দের অর্থ পরিস্কারক বা যাহা দ্বারা পরিস্কার করা হয়।আর মুসফফা শব্দের অর্থ পরিস্কৃত যাহা পরিস্কার হয়েছে।আর এলমে তাসাউফ শব্দের বাংলা অর্থ যে জ্ঞান পরিস্কার কর্মে রত। আর এলমে তাসাউফের ভাষা বলতে বুঝানো হয় জ্ঞান পরিস্কারের সরঞ্জাম সামগ্রীকে।
পবিত্র কোরানের ৬১ তম সূরাটির নাম, সূরায়ে সাফ।এই সাফ থেকেই তাসাউফের উৎপত্তি।
এবার আসুন তালিমে।
তালিমের দৃষ্টিতে জীবের উৎপত্তি হয়-
নূর বা সাফা বা পরিস্কার কারক ১ অণু, আব বা পানি ১ অণু, আতশ বা আগুন ১ অণু, খাক বা মাটি ১ অণু ও বাত বা বাতাস ১ অণুতে।ইহাকেই আল্লাহর পাঁচ জাত বা উপাদান বা ভূত বলা হয় ।আর এই ৫ অণুর সম্মিলিত রুপ বা ৫ অণু মিস্রন ১ অনু এক কোষী প্রাণী হতে।
প্রকাশ থাকে যে,যতক্ষন পর্যন্ত এই আগুন পানি মাটি বাতাস ও পরিস্কার কারী মৈথুনে একিভূত না হবে ততক্ষণ পর্যন্ত সৃষ্টির শুরু হবে না।প্রকৃতির নিয়মে যখনই পাঁচটি অণু স্ব-স্ব অবস্থান থেকে গুণনের মাধ্যমে নিজেকে অন্য ভূতের সাথে একিভূত হয়ে পূণরাই এক অণুতে রুপান্তর হয়,তখন থেকেই সৃষ্টি শুরু হয়ে যায়।যেমন-
সৃষ্টি সুত্রটা এরুপ-
১।নূর বা সাফা বা পরিস্কার কারক অণু প্রাণ=১*১=১
২।পানি অণু প্রাণ=১*১=১
৩।আগুন অণু প্রাণ=১*১=১
৪।মাটি অণু প্রাণ=১*১=১
৫।বাতাস অণু প্রাণ=১*১=১
সর্বমোট পাঁচ অণু প্রাণ সম্মিলিত মৈথুণে এক অণুতে রুপান্তরীত হলেই পূণরুত্থান শুরু হয়ে গেলো।এখন সেই অবস্থানের নাম এককোষি প্রাণী বা জীব।
আর এই সৃষ্টি হওয়ার সাথে সাথেই শুরু হয়ে গেলো আল্লাহর এবাদৎ বা উপাষনা।যেমন খাইতে হবে,খাইলে পায়খানা কেরতে হবে,খাবার সংগ্রহের জন্য শ্রম দিতে হবে,শ্রম দিলে বিশ্রাম নিতে হবে।আর এসকলই হচ্ছে দাসত্ব বা উপাষনা । সৃষ্টির এমন কেহই নাই যে স্রষ্টার উপষনা না করে ।
মূলতঃ স্রষ্টার উপাষনা হলো যাহা করলে নিজে শান্তিতে থাকা যাই।আর শয়তানের উপাষনা হলো যাহা করলে নিজে অ-শান্তিতে নিমজ্জিত হয়।
এই এক অণু প্রাণীর পূর্ণ দেহের মধ্যেই অবস্থান করে পাঁচ টি দেহ এবং দেহ সজীব রাখার সকল উপাদান।এবং তা থেকে নিজ নিজ দেহে যাহা উৎপত্তি হয় তাহার বিবরণ ।যেমন-
১।নূর বা সাফা বা পরিস্কার কারক অণু দিয়ে যাহা যাহা তৈরী হলো তার নাম।
১।দেহের নাম =ওয়াযেবুল।
২।রুহের নাম=কুদচি।
৩।নফসের নাম =রহমানি।
৪।রাহার নাম=অহেদানিয়াত।
৫।মোকামের নাম=অরা অল অরা।
৬।মঞ্জিলের নাম=হাহুত।
৭।মক্কেলের নাম=আজরাইল।
৮।ইমানের নাম=হুয়াল একিন।
২। আব বা পানি অণু দিয়ে যাহা যাহা তৈরী হলো তার নাম।
১।দেহের নাম =মোমতেনাল।
২।রুহের নাম=নাবাদাত।
৩।নফসের নাম =লোয়াম্মা।
৪।রাহার নাম=তরিকত।
৫।মোকামের নাম=মাহমুদা।
৬।মঞ্জিলের নাম=মলকুত।
৭।মক্কেলের নাম=মেকাইল।
৮।ইমানের নাম=এলমল একিন।
৩। আতশ বা আগুন অণু দিয়ে যাহা যাহা তৈরী হলো তার নাম।
১।দেহের নাম =মোমকেনাল।
২।রুহের নাম=হায়ানী।
৩।নফসের নাম =আম্মারা।
৪।রাহার নাম=শরিয়ত।
৫।মোকামের নাম=কাবকাউসিন।
৬।মঞ্জিলের নাম=নাসুত।
৭।মক্কেলের নাম=আজাজিল।
৮।ইমানের নাম=বেল গায়েব একিন।
৪।খাক বা মাটি অণু দিয়ে যাহা যাহা তৈরী হলো তার নাম।
১।দেহের নাম =আরেফেল।
২।রুহের নাম=যামাদাত।
৩।নফসের নাম =মোলহেমার।
৪।রাহার নাম=হকিকত।
৫।মোকামের নাম=সোলতানন নসিরা।
৬।মঞ্জিলের নাম=জবরুত।
৭।মক্কেলের নাম=জিবরাইল।
৮।ইমানের নাম=আইনাল একিন।
৫।বাত বা বাতাস অণু দিয়ে যাহা যাহা তৈরী হলো তার নাম।
১।দেহের নাম =অহেদাল।
২।রুহের নাম=ইনসানি।
৩।নফসের নাম =মোৎমাইন্না।
৪।রাহার নাম=মারফত।
৫।মোকামের নাম=আউদানা।
৬।মঞ্জিলের নাম=লাহুত।
৭।মক্কেলের নাম=ইসরাফিল।
৮।ইমানের নাম=হক্কোল একিন।
এই এক দেহে ,পাঁচ দেহের মোট উপাদান হয় ৫*৮=৪০ এটাই বাংলা বর্ণ মালার ব্যাঞ্জন বর্ণ বা সৃষ্টি।যাহা স্রষ্টার সাহায্য ব্যাতীত সৃষ্টি হতে পারে না।ইহাকে তাসাউফের ভাষায় গঞ্জ বলা হয়।সমস্ত জীবই চল্লিশ গঞ্জের মাধ্যমেই সৃষ্টি হয়েছে।
আর আগুন পানি মাটি বাতাস ও নূর বা পরিস্কারকারী এই পাঁচটিই স্রষ্টা।
এই পাঁচ স্রষ্টার নিজস্ব সাতটি সেফাত বা গুন আছে।যথা-
১।সাফা বা পরিস্কারকারী স্রষ্টার সেফাত=হাইউন বা জীবিত শক্তি।
২।বাত বা বাতাস স্রষ্টার সেফাত=আলিমুন বা জ্ঞান শক্তি ও সামিউন বা শ্রবণ শক্তি।
৩।আতশ বা আগুন স্রষ্টার সেফাত=মুরিদুন বা যৌণ শক্তি ও বসিরুন বা দর্শণ শক্তি।
৪।আব বা পানি স্রষ্টার সেফাত=কলিমুন বা বাকশক্তি।
৫।খাক বা মাটি স্রষ্টার সেফাত=কুদিরুন বা কর্মশক্তি।
এই পাঁচ স্রষ্টা + স্রষ্টার সাত গুন=১২। ইহাই বাংলা বর্ণমালার স্বর বর্ণ বা কলেমা তৈয়ব।ইহাই জীবের দেহের সমস্ত কালিমা পরিস্কার করার ক্ষমতা রাখে।তাই ইহাকেই মুসফফী বা কলেমা তৈয়ব বলে।
এই এক অণুপ্রাণ থেকে সৃষ্টি হয়ে যেদিন কোটি কোটি অণু প্রাণ দেহে সংগৃহিত হবে ।তখনই জীব জন্ম মৃত্যুর বাইরে চলে যাবে।
তাতে দেহে অণুপ্রাণ ১*১=১ অণুপ্রাণ সঞ্চয় হতে সময় লাগে=একলক্ষ জনম।
তার পরে সেই দেহে ১*২=২ অণুপ্রাণ সঞ্চয় হতে সময় লাগে ১২ লক্ষ জনম।
তার পরে সেই দেহে ২*২=৪ অণুপ্রাণ সঞ্চয় হতে সময় লাগে ১২লক্ষ জনম।
তার পরে সেই দেহে ৪*৪=১৬ অণুপ্রাণ সঞ্চয় হতে সময় লাগে ১২ লক্ষ জনম।
তার পরে সেই দেহে ১৬*১৬= ২৫৬ অণুপ্রাণ সঞ্চয় হতে সময় লাগে ১২ লক্ষ জনম।
তার পরে সেই দেহে ২৫৬*২৫৬=৬৫৫৩৬ অণুপ্রাণ সঞ্চয় হতে সময় লাগে ১২ লক্ষ জনম।
তার পরে দেহে ৬৫৫৩৬* ৬৫৫৩৬=৪২৯৪৯৬৭২৯৬ অণুপ্রাণ সঞ্চয় হতে সময় লাগে ১২ লক্ষ জনম। এই জনম পাড়ি দিলেই মানব জনম।
মানব জনম পাওয়ার পরে ১২ লক্ষ জনম পরে জীব প্রকৃতির নিয়মে ৪২৯৪৯৬৭২৯৬* ৪২৯৪৯৬৭২৯৬= অণুপ্রাণ সঞ্চয় করে ,এবং জীব জন্ম মৃত্যুর বাইরে চলে যায়।ইহাই মহামুক্তি।ইহাই সফলতা।
প্রকৃতির নিয়মের পূর্বেও নিজ প্রচেষ্টায় বহু জনম পূর্বেই জন্ম মৃত্যুর বাইরে এবং জন্মনোর পরে শান্তিতে থাকার জন্যই এবাদতের প্রয়োজন।
এখন প্রতিটি দেহে সম অনুপাতে অণুপ্রান না থাকলেই সেই দেহ অ-পরিস্কার হবে ও জীব অ-শান্তিতে থাকবে।এই অণুপ্রাণ সম অনুপাত রাখতেই কলেমা তৈয়ব বা মুসফফীর গ্রয়োজন।আর যে পরিস্কার করতে ইচ্ছুক বা পরিস্কার কাজে রত,তাকেই তাসাউফ বলে।
সত্য সহায়।গুরুজী।।
বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষে ধর্ম।গুরুজী।।কোরান পুড়িয়ে ফেলার শর্তে আবু বকর খেলাফত গ্রহন করেন।।
রাসুলের
জীবদ্দশাতেই রাসুলের মুখ নিসৃত বাণী
বা হাদিস (প্রচলিত কোরান)রাসুল নিজ দ্বায়িত্বে
লিখে সংরক্ষণের দায়ীত্ব দেন ফাতিমা ও
আলিকে এবং একটি আয়েশাকে
দিয়ে যান।সেই
কোরানের সূরা সংখ্যা ও
আয়াত সংখ্যা ছিলো বর্তমান
অপেক্ষা অনেক বেশি।সেই কোরানে লেখা
ছিলো,আবু বকরকে কখনোই
বিশ্বাস করবে না,উমাইয়া
পরিবারকে কোরানের মর্ম কথা কখনই
জানাবে না।ওসমান
ধনি হলেও রাসুলের সাথে
কি কি খারাপ আচরণ
করেছে।সেই
সাথে লেখা ছিলো রাসুলের
প্রতি আলির আনুগত্যতা,ইসলামের
জন্য আলির একনিষ্ঠতা ,আমি
জ্ঞানের শহর আলি তার
প্রবেশদ্বার। এবং
রাসুলের মৃত্যুর পরে যেন আলিকেই
খলিফার দায়িত্ব দেওয়া হয় এবং
ছিলো সাম্যের কথা। ।
রাসুল যখন শেষ হজ্জ করিতে মক্কাতে যান,তখন তিনি শারিরীক ভাবে একেবারেই সুস্থ ছিলেন।কেহ ভাবতেই পারেনি যে রাসুল এত তাড়াতাড়ি মারা যাবেন।হজ্জ শেষ করে মদীনায় ফেরত আসার পরে হঠাৎ করেই রাসুলের মাথা ব্যাথা শুরু হলো এবং সেই মাথা ব্যাথাতেই রাসুল ইহলোক ত্যাগ করেন।ফাতেমা মনে করেন আবু বকর কর্তৃক রাসুল বিষাক্রান্ত হয়েই তার হঠাৎ মৃত্যু হয়।
রাসুল মারা যাওয়ার পরে রাসুলের লাশ দাফনের পূর্বেই চতুর আবু বকর, কাকে খলিফা নিযুক্ত করা হবে এই নিয়ে দ্বন্দ শুরু করে দেয়।এবং এই দ্বন্দ মিমাংসা করতেই তিন দিন অতিবাহিত হয়ে যায়।তাই রাসুলের লাশ তিন দিন পরে কবরস্থ করা হয়।
যদিও খলিফার বিষয়টি রাসুল জীবদ্দশাতেই অসিয়ত করে যান ।কিন্তু আয়েশা তা মানতে রাজি নন।আয়েশার বক্তব্য এই যে।তার বাবা বয়োঃজেষ্ঠ,তাই আলিকে নয়,আমার বাবাকেই খলিফার পদ দিতে হবে।ওসমান ও আলি ছিলেন রাসুলের জামাতা।ওসমান ছিলেন অনেক ধনি এবং আলি ছিলেন গরিব।এদিকে রাসুল খেলাফতের জন্য আলিকে অসিয়ত করে গেছেন তাই ওসমান চাইলো আলি যেনো খলিফা না হতে পারে।কেন না আলি খলিফা হলে ওসমান অপমানিত হন।তাই ওসমান আয়েশার পক্ষ অবলম্বন করে।
এদিকে উমাইয়া পরিবার ছিলো সাম্যের ঘোর বিরোধী।তাই তারা আলির কাছে এসে বললো,তুমি যদি কোরান থেকে কিছু কথা বাদ দাও তাহলে আমরা তোমার পক্ষে আছি।এবং তোমাকেই খলিফার দায়িত্ব দেওয়া হবে।আলি বললো,এমন খেলাফত আমার দরকার নাই।যেই খেলাফত নিতে হলে রাসুলের আইন বাতিল করতে হবে।আমি রাসুলের হাদিসের এতটুকুও নড়চড় করতে পারবো না।এতে আমাকে খেলাফত দেওয়া হোক আর না হোক।
আবু বকর দেখলো উমাইয়া পরিবার আলির পক্ষ নিলে খলিফার পদ হাতছাড়া হয়ে যায়।তাই তারা উমাইয়া বংশের সরণাপন্ন হলে,উমাইয়া পরিবার দেখলো এই একমাত্র সুযোগ।তখন উমাইয়া পরিবার আয়েশা ও আবু বকরকে প্রস্তাব দিলো।যদি তুমি কোরানের আইনকে বাদ দাও তাহলে আমরা তোমার সঙগে আছি,এবং তুমিই খলিফা হবে।আবু বকর বললো আমি রাজি আছি।তৎক্ষণাৎ আবু বকর কোরান আগুন দিয়ে পুড়িয়ে খেলাফতির পদ দখল করে।এবং তখন থেকে আবু বকর ,ওমর ও ওসমানরা জানলো মুসলমানরা দুটি দল হলো।এক আয়েশার দল দুই আলির দল।কিন্তু আলি জানলো দল দুটি নয়,দল তিনটি হলো। এক আয়েশার দল,দুই উমাইয়ার দল,তিন আলির দল।
আলি দেখলো যে কোন মুহুর্তে তারা আমার কাছে থাকা কোরানের পান্ডুলিপিটা নিয়ে যেতে পারে।তাই আলি কোরানের আর একটি কপি লিখে হোসেনের দায়িত্বে রেখে দেন।
আবু বকর কোরান পুড়িয়ে ফেললেও আলির কাছে কোরান থেকে গেলো।ওসমান খলিফা হলে, উমাইয়া পরিবারের যুক্তিমত ওসমান আলিকে বললো,আমি এবং তুমি রাসুলের জামাই।আমরা যদি এই কোরান প্রচার করে না যেতে পারি ,তাহলে রাসুলের আইন একেবারেই বিলুপ্ত হয়ে যবে।তাই আমি চিন্তা করেছি,আমার জীবদ্দশাতেই কোরান ছাপাতে চাই।তাই তুমি যদি কোরানের পান্ডুলিপিটা দাও তাহলে আমি কোরান ছাপিয়ে রেখে যেতে পারি।যাতে এটা আর কেউ নষ্ট করতে না পারে।
আলি বললো ঠিক আছে।তবে আমি তোমার হাতে আমার কাছে থাকা পান্ডুলিপিটা দিব না।আমার কাছে বসে বসে তুমি কোরান লিখে নিয়ে যাবে।ওসমান আলির কথা মেনে নিয়ে তার উপস্থিতিতে কোরান লিখে নিয়ে গেলো।এবং উমাইয়া বংশের বুদ্ধিতে ওসমান কোরান থেকে তাদের মত বিরুদ্ধ প্রায় সমস্ত বিষয় বাদ দিয়ে কোরান ছাপিয়ে মিশরের বাদশাহর কাছে এক কপি পৌছে দিলো।সে কোরানে আলির কোরান সত্যায়নের সহি রহিয়াছে।তবে আলির বক্তব্য তারা যে কোরানের জন্য আলির কাছ থেকে সহি নিয়েছে । এবং যে কোরান আমার কাছে রহিয়াছ্ তাহা হতে প্রায় এক-তৃতীয়াংশ বাদ দেওয়া হয়েছে।
ওসমানও স্বীকার করেন যে ,কোরান হতে অনেক কথায়ই কাটছাট করা হয়েছে। ইতি মধ্যে ওসমান উমাইয়া পরিবারের কূট-বুদ্ধি ধরে ফেলেছে যে,এবং সে জানতে পেরেছে উমাইয়া বংশই ওমরকে হত্যা করেছে,এবং আয়েশাকে হাতে রেখে নিজেদের মধ্যে কোলাহল টিকিয়ে রেখে ধিরে ধিরে সবাইকেই শেষ করে দেবে।ওসমান আয়েশাকে একথা বোঝাতে গেলে।হীতে বিপরিত হয়।আয়েশা উমাইয়াকে বলে দেয় যে ওসমান আপনাকে সন্দেহ করে।এ কারণে ধিরে ধিরে ওসমান আয়েশার উপর থেকে আস্থা হারাতে থাকে এবং আলির প্রতি আশ্বস্ত হতে থাকে।উমাইয়া দেখলো,ওসমান আমাদের কূট কৌশল জেনে ফেলেছে এবং আলির সাথে হাত মিলাচ্ছে এতে করে আমাদের কার্য্য সিদ্ধি করতে বড়ই কঠিন হবে।তাই তারা ওসমানকে হত্যা করে।
পরে আলি খলিফা হলে পূণরায় নিজের কাছে থাকা আসল কোরান ছাপানোর সিদ্ধান্ত নিলে তালহা,যুবায়ের, আয়েশা ও উমাইয়া আলির বিরুদ্ধে অবস্থান নেন।এবং তারা আলির কাছ থেকে কোরানের মূল পান্ডুলিপি কেড়ে নেওয়ার জন্য চেষ্টা করে।এ সময় তিনটি গৃহযুদ্ধ হয়।পরিশেষে আলি মূল কোরান ছাপানোর সিদ্ধান্তে অটল থাকলে তাকে হত্যা করে লাশ গাধার পিঠে তুলে দেওয়া হয়।এবং তার লাশ কেউ স্পর্শ করলে তাকেও মেরে ফেরা হবে ঘোষনা দেওয়া হয়। আর এর সবই করে উমাইয়া লোভী নির্বোধ আয়েশাকে সঙ্গে নিয়ে।
পরিশেষে এই কোরান রক্ষা করতেই ইমাম বংশ ধংস হয়।তার পরও মূল কোরান রক্ষা করা সম্ভব হয় নি।
সত্য সহায়।গুরুজী।।
রাসুল যখন শেষ হজ্জ করিতে মক্কাতে যান,তখন তিনি শারিরীক ভাবে একেবারেই সুস্থ ছিলেন।কেহ ভাবতেই পারেনি যে রাসুল এত তাড়াতাড়ি মারা যাবেন।হজ্জ শেষ করে মদীনায় ফেরত আসার পরে হঠাৎ করেই রাসুলের মাথা ব্যাথা শুরু হলো এবং সেই মাথা ব্যাথাতেই রাসুল ইহলোক ত্যাগ করেন।ফাতেমা মনে করেন আবু বকর কর্তৃক রাসুল বিষাক্রান্ত হয়েই তার হঠাৎ মৃত্যু হয়।
রাসুল মারা যাওয়ার পরে রাসুলের লাশ দাফনের পূর্বেই চতুর আবু বকর, কাকে খলিফা নিযুক্ত করা হবে এই নিয়ে দ্বন্দ শুরু করে দেয়।এবং এই দ্বন্দ মিমাংসা করতেই তিন দিন অতিবাহিত হয়ে যায়।তাই রাসুলের লাশ তিন দিন পরে কবরস্থ করা হয়।
যদিও খলিফার বিষয়টি রাসুল জীবদ্দশাতেই অসিয়ত করে যান ।কিন্তু আয়েশা তা মানতে রাজি নন।আয়েশার বক্তব্য এই যে।তার বাবা বয়োঃজেষ্ঠ,তাই আলিকে নয়,আমার বাবাকেই খলিফার পদ দিতে হবে।ওসমান ও আলি ছিলেন রাসুলের জামাতা।ওসমান ছিলেন অনেক ধনি এবং আলি ছিলেন গরিব।এদিকে রাসুল খেলাফতের জন্য আলিকে অসিয়ত করে গেছেন তাই ওসমান চাইলো আলি যেনো খলিফা না হতে পারে।কেন না আলি খলিফা হলে ওসমান অপমানিত হন।তাই ওসমান আয়েশার পক্ষ অবলম্বন করে।
এদিকে উমাইয়া পরিবার ছিলো সাম্যের ঘোর বিরোধী।তাই তারা আলির কাছে এসে বললো,তুমি যদি কোরান থেকে কিছু কথা বাদ দাও তাহলে আমরা তোমার পক্ষে আছি।এবং তোমাকেই খলিফার দায়িত্ব দেওয়া হবে।আলি বললো,এমন খেলাফত আমার দরকার নাই।যেই খেলাফত নিতে হলে রাসুলের আইন বাতিল করতে হবে।আমি রাসুলের হাদিসের এতটুকুও নড়চড় করতে পারবো না।এতে আমাকে খেলাফত দেওয়া হোক আর না হোক।
আবু বকর দেখলো উমাইয়া পরিবার আলির পক্ষ নিলে খলিফার পদ হাতছাড়া হয়ে যায়।তাই তারা উমাইয়া বংশের সরণাপন্ন হলে,উমাইয়া পরিবার দেখলো এই একমাত্র সুযোগ।তখন উমাইয়া পরিবার আয়েশা ও আবু বকরকে প্রস্তাব দিলো।যদি তুমি কোরানের আইনকে বাদ দাও তাহলে আমরা তোমার সঙগে আছি,এবং তুমিই খলিফা হবে।আবু বকর বললো আমি রাজি আছি।তৎক্ষণাৎ আবু বকর কোরান আগুন দিয়ে পুড়িয়ে খেলাফতির পদ দখল করে।এবং তখন থেকে আবু বকর ,ওমর ও ওসমানরা জানলো মুসলমানরা দুটি দল হলো।এক আয়েশার দল দুই আলির দল।কিন্তু আলি জানলো দল দুটি নয়,দল তিনটি হলো। এক আয়েশার দল,দুই উমাইয়ার দল,তিন আলির দল।
আলি দেখলো যে কোন মুহুর্তে তারা আমার কাছে থাকা কোরানের পান্ডুলিপিটা নিয়ে যেতে পারে।তাই আলি কোরানের আর একটি কপি লিখে হোসেনের দায়িত্বে রেখে দেন।
আবু বকর কোরান পুড়িয়ে ফেললেও আলির কাছে কোরান থেকে গেলো।ওসমান খলিফা হলে, উমাইয়া পরিবারের যুক্তিমত ওসমান আলিকে বললো,আমি এবং তুমি রাসুলের জামাই।আমরা যদি এই কোরান প্রচার করে না যেতে পারি ,তাহলে রাসুলের আইন একেবারেই বিলুপ্ত হয়ে যবে।তাই আমি চিন্তা করেছি,আমার জীবদ্দশাতেই কোরান ছাপাতে চাই।তাই তুমি যদি কোরানের পান্ডুলিপিটা দাও তাহলে আমি কোরান ছাপিয়ে রেখে যেতে পারি।যাতে এটা আর কেউ নষ্ট করতে না পারে।
আলি বললো ঠিক আছে।তবে আমি তোমার হাতে আমার কাছে থাকা পান্ডুলিপিটা দিব না।আমার কাছে বসে বসে তুমি কোরান লিখে নিয়ে যাবে।ওসমান আলির কথা মেনে নিয়ে তার উপস্থিতিতে কোরান লিখে নিয়ে গেলো।এবং উমাইয়া বংশের বুদ্ধিতে ওসমান কোরান থেকে তাদের মত বিরুদ্ধ প্রায় সমস্ত বিষয় বাদ দিয়ে কোরান ছাপিয়ে মিশরের বাদশাহর কাছে এক কপি পৌছে দিলো।সে কোরানে আলির কোরান সত্যায়নের সহি রহিয়াছে।তবে আলির বক্তব্য তারা যে কোরানের জন্য আলির কাছ থেকে সহি নিয়েছে । এবং যে কোরান আমার কাছে রহিয়াছ্ তাহা হতে প্রায় এক-তৃতীয়াংশ বাদ দেওয়া হয়েছে।
ওসমানও স্বীকার করেন যে ,কোরান হতে অনেক কথায়ই কাটছাট করা হয়েছে। ইতি মধ্যে ওসমান উমাইয়া পরিবারের কূট-বুদ্ধি ধরে ফেলেছে যে,এবং সে জানতে পেরেছে উমাইয়া বংশই ওমরকে হত্যা করেছে,এবং আয়েশাকে হাতে রেখে নিজেদের মধ্যে কোলাহল টিকিয়ে রেখে ধিরে ধিরে সবাইকেই শেষ করে দেবে।ওসমান আয়েশাকে একথা বোঝাতে গেলে।হীতে বিপরিত হয়।আয়েশা উমাইয়াকে বলে দেয় যে ওসমান আপনাকে সন্দেহ করে।এ কারণে ধিরে ধিরে ওসমান আয়েশার উপর থেকে আস্থা হারাতে থাকে এবং আলির প্রতি আশ্বস্ত হতে থাকে।উমাইয়া দেখলো,ওসমান আমাদের কূট কৌশল জেনে ফেলেছে এবং আলির সাথে হাত মিলাচ্ছে এতে করে আমাদের কার্য্য সিদ্ধি করতে বড়ই কঠিন হবে।তাই তারা ওসমানকে হত্যা করে।
পরে আলি খলিফা হলে পূণরায় নিজের কাছে থাকা আসল কোরান ছাপানোর সিদ্ধান্ত নিলে তালহা,যুবায়ের, আয়েশা ও উমাইয়া আলির বিরুদ্ধে অবস্থান নেন।এবং তারা আলির কাছ থেকে কোরানের মূল পান্ডুলিপি কেড়ে নেওয়ার জন্য চেষ্টা করে।এ সময় তিনটি গৃহযুদ্ধ হয়।পরিশেষে আলি মূল কোরান ছাপানোর সিদ্ধান্তে অটল থাকলে তাকে হত্যা করে লাশ গাধার পিঠে তুলে দেওয়া হয়।এবং তার লাশ কেউ স্পর্শ করলে তাকেও মেরে ফেরা হবে ঘোষনা দেওয়া হয়। আর এর সবই করে উমাইয়া লোভী নির্বোধ আয়েশাকে সঙ্গে নিয়ে।
পরিশেষে এই কোরান রক্ষা করতেই ইমাম বংশ ধংস হয়।তার পরও মূল কোরান রক্ষা করা সম্ভব হয় নি।
সত্য সহায়।গুরুজী।।
বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষে ধর্ম।গুরুজী।।ব্লগার মহসিনাকে ধরুন,সে আল্লাহকে থাপ্পড় মারতে চেয়েছে ।।
আমার
ব্লগের ব্লগার মিসেস মহসিনা
খাতুনকে আপনারা প্রায় সকলেই
চিনেন।কিছুদিন
আগে তিনি তার একটি
পোষ্টে বলেছিলেন।তার
বাবা মহাম্মদের মত বে-আক্কেলে
নন।এ
নিয়ে অনেক আলোচনা সমালোচনার
পরে,উনি আমার মন্তব্যের
প্রতিউত্তর দিতে ব্যার্থ হন।এবং
কিছুদিন নীরব থাকার পর,আবার লিখলেন “মনান্তর-২” দুই।
তাতে তিনি নিজেকে ধর্মের
উপর পড়াশোনার পরিচয়,মুসলিম পরিচয়
দিলেন এবং বাবা মা
আল্লাহ ও রাসুলকে উপেক্ষা
করে তিনি একটি বৌদ্ধ
মূর্তিকে প্রাধান্য দিয়েছেন বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক
করুন ।এটা
তিনি দিতেই পারেন,এটা
তার ব্যাক্তি গত বিষয়।সে তার বাবা
মাকে অসম্মান করে ভুলুণ্ঠিত করে
সে একটা জানোয়ারকেও সম্মানের
আসনে বসাতে পারেন।এটা তার বিষয়।কিন্তু
তিনি একটি পোষ্টে লিখেছেনে“আল্লাহকে পেলে তিনি কষে
দুটো থাপ্পড় মারতেন”বিস্তারিত
জানতে এই লিংকটি ঘুরে
আসতে পারেন।
এখানে মিসেস মহসিনা খাতুন আল্লাহকে থাপ্পড় মারতে চেয়েছেন
এখন আমি মিসেস মহসিনা খাতুনকে বলবো,আপনি কি আমার আল্লাহকে থাপ্পড় মারতে চেয়েছেন ,না কি আপনার আল্লাহকে থাপ্পড় মারতে চেয়েছেন,না কি সকলের আল্লাহকে থাপ্পড় মারতে চেয়েছেন, তা কিন্তু বলেন নি।
কেন না যে টা সকলের আল্লাহ,সে আল্লাহ বান্দার শাহা রগ হতেও নিকটে অবস্থান করে।আর যেটা আমার আল্লাহ বা স্রষ্টা সে হলো,আমি যাহা দ্বারা সৃষ্টি হয়েছি বা আমার নিজ দেহে যে আল্লাহ বর্তমান। তাকে যদি থাপ্পড় মারতে আসেন তাহলে তো আপনাকে আমার কাছে আসতে হবে।তা না হলে তো আপনি আমার আল্লাহকে থাপ্পড় মারতে পারবেন না।আর আমার কাছে এসে আমার আল্লাহকে থাপ্পড় মারার চেষ্টা করলে,আমি কিন্তু আপনাকে ছেড়ে দেবোনা।কিছু না পারলেও আপনার কিছু একটা করে দিবো, তাতে কোন সন্দেহ নাই।তাতে দুনিয়াই আরেকটি সৃষ্টিও হয়ে যেতে পারে।
আর ব্লগার ভাইয়েরাও তার কাছ থেকে জেনে নিন, সে কার আল্লাহকে থাপ্পড় মারতে চাই এবং আপনার আল্লাহকে থাপ্পড় মারতে চাইলে তাকে ধরুন।ও শায়েস্তা করুন।
আর যদি আপনার আল্লাহকে বা স্রষ্টাকে আপনি থাপ্পড় মারতে চান,তাহলে আপনি একা মারতে না পারলে আমাকে ডাইকেন, আমিও আপনার আল্লাহকে বা স্রষ্টাকে কয়েকটা লাথ্থি গুতা দিয়ে আপনাকে সহযোগিতা করতে প্রস্তুত আছি।কেন না মানুষ মাত্রেই ভাই ভাই, তাই ভা্ই হিসাবে সহযোগিতার হাত বাড়াতে আমি এত টুকুও কুণ্ঠিত হবো না।
আর যদি বিশ্ব স্রষ্টাকে চড় থাপ্পড় মারতে চান তাতে আমার কোন আপত্তি নাই।তিনি অনেক ক্ষমতার মালিক।আমার সাহায্যের আশায় তিনি বসে নাই যে,তাকে অপমান করলে আমার সাহায্য ছাড়া তিনি তার অপমানকারীর প্রতিশোধ নিতে পারবেন না।তিনি তার অপমানকারীকে শায়েস্তা করতে সক্ষম।এটা তার ব্যাপার সে বুঝবে।আর যদি তার ক্ষমতা না থাকে তাহলে,সে তার প্রতিশোধ নিতে পারবেন না।আপনার মত মহসিনার কাছে অপমানিত হবে এবং হবে এবং হবে এবং হতেই থাকবে।
কিন্তু মহসিনার কাছে আমার প্রশ্ন,আপনার ঐ বৌদ্ধ মূর্তির কি কি ক্ষমতা আছে,তাকি জানাবেন।
আপনি ধর্ম নিয়ে অনেক পড়ালেখা করেছেন।দয়া করে বলবেন ধর্ম বলতে আপনি কি বুঝেন?
ধর্ম শব্দের অর্থ কি?
ধর্মের প্রয়োজনীয়তা কি?
আপনার পড়ালেখা মতে কিভাবে ধর্ম পালন করতে হবে?
ধর্ম পালন করলে ইহলোকে আমার কি প্রাপ্তি ঘটবে?
ধর্ম পালন না করলে ইহলোকে আমার কি সমস্যা ঘটবে?
আর ধার্মীক অ-ধার্মীক চেনার উপায় কি?
দয়া করে জানালে অধম আপনার প্রতি কৃতজ্ঞ থাকবে,হাশরের ময়দান পর্যন্ত।
পরিশেষে, একজন শিক্ষিত বলছে আমি রাইচ খাই ।আর অশিক্ষিত তা শুনে বলছে।আমি বাপের জন্মে রাইচ খাইনি।রাইচের কথা শুনলেই আমার বমি আসে।সারা জনম ভাত খেয়েছি।ভাতই খাবো।রাইচের কপালে উষ্টা মারি।মিসেস মহসিনার কথা প্রায় এ রকম ই হয়েছে।তবে তার থেকেও নিচে নেমেছে বৌদ্ধ মূর্তির জন্য।
মিসেস মহসিনা থাতুন।জেনে নিন বিশ্বের সমস্ত সৃষ্টিতেই হাত আছে একজন স্রষ্টার।তাকে আল্লাহ ,গড, ভগবান বা ইশ্বর যাই বলুন না কেনো।তাকে ছোট ভাবা বা অপমান করার মধ্যে কোনই কৃতীত্ব নেই।উপরে থুথু ফেললে নিজের গায়েই পড়ে।হিন্দু বলেন খৃষ্টান বলেন বৌদ্ধ বলেন আর মুসলিম বলেন।আমাদের সৃষ্টি সুত্র একই রকম।কর্ম প্রণালিও একই রকম।শুধু মাত্র নিজেদের গড়া কু-সংস্কারে গঠিত কর্মগুলি কারও সাথে কারও মিল নাই।এই আর কি।
আর আপনার লেখা পড়ে মনে হলো আপনিও কু-সংস্কার মুক্ত নন।আহবান করি কু-সংস্কার মুক্ত হয়ে, ধর্ম জানার ও মানার চেষ্টা করুন।আখেরে মঙ্গল হবে।
সত্য সহায়।গুরুজী।।
এখানে মিসেস মহসিনা খাতুন আল্লাহকে থাপ্পড় মারতে চেয়েছেন
এখন আমি মিসেস মহসিনা খাতুনকে বলবো,আপনি কি আমার আল্লাহকে থাপ্পড় মারতে চেয়েছেন ,না কি আপনার আল্লাহকে থাপ্পড় মারতে চেয়েছেন,না কি সকলের আল্লাহকে থাপ্পড় মারতে চেয়েছেন, তা কিন্তু বলেন নি।
কেন না যে টা সকলের আল্লাহ,সে আল্লাহ বান্দার শাহা রগ হতেও নিকটে অবস্থান করে।আর যেটা আমার আল্লাহ বা স্রষ্টা সে হলো,আমি যাহা দ্বারা সৃষ্টি হয়েছি বা আমার নিজ দেহে যে আল্লাহ বর্তমান। তাকে যদি থাপ্পড় মারতে আসেন তাহলে তো আপনাকে আমার কাছে আসতে হবে।তা না হলে তো আপনি আমার আল্লাহকে থাপ্পড় মারতে পারবেন না।আর আমার কাছে এসে আমার আল্লাহকে থাপ্পড় মারার চেষ্টা করলে,আমি কিন্তু আপনাকে ছেড়ে দেবোনা।কিছু না পারলেও আপনার কিছু একটা করে দিবো, তাতে কোন সন্দেহ নাই।তাতে দুনিয়াই আরেকটি সৃষ্টিও হয়ে যেতে পারে।
আর ব্লগার ভাইয়েরাও তার কাছ থেকে জেনে নিন, সে কার আল্লাহকে থাপ্পড় মারতে চাই এবং আপনার আল্লাহকে থাপ্পড় মারতে চাইলে তাকে ধরুন।ও শায়েস্তা করুন।
আর যদি আপনার আল্লাহকে বা স্রষ্টাকে আপনি থাপ্পড় মারতে চান,তাহলে আপনি একা মারতে না পারলে আমাকে ডাইকেন, আমিও আপনার আল্লাহকে বা স্রষ্টাকে কয়েকটা লাথ্থি গুতা দিয়ে আপনাকে সহযোগিতা করতে প্রস্তুত আছি।কেন না মানুষ মাত্রেই ভাই ভাই, তাই ভা্ই হিসাবে সহযোগিতার হাত বাড়াতে আমি এত টুকুও কুণ্ঠিত হবো না।
আর যদি বিশ্ব স্রষ্টাকে চড় থাপ্পড় মারতে চান তাতে আমার কোন আপত্তি নাই।তিনি অনেক ক্ষমতার মালিক।আমার সাহায্যের আশায় তিনি বসে নাই যে,তাকে অপমান করলে আমার সাহায্য ছাড়া তিনি তার অপমানকারীর প্রতিশোধ নিতে পারবেন না।তিনি তার অপমানকারীকে শায়েস্তা করতে সক্ষম।এটা তার ব্যাপার সে বুঝবে।আর যদি তার ক্ষমতা না থাকে তাহলে,সে তার প্রতিশোধ নিতে পারবেন না।আপনার মত মহসিনার কাছে অপমানিত হবে এবং হবে এবং হবে এবং হতেই থাকবে।
কিন্তু মহসিনার কাছে আমার প্রশ্ন,আপনার ঐ বৌদ্ধ মূর্তির কি কি ক্ষমতা আছে,তাকি জানাবেন।
আপনি ধর্ম নিয়ে অনেক পড়ালেখা করেছেন।দয়া করে বলবেন ধর্ম বলতে আপনি কি বুঝেন?
ধর্ম শব্দের অর্থ কি?
ধর্মের প্রয়োজনীয়তা কি?
আপনার পড়ালেখা মতে কিভাবে ধর্ম পালন করতে হবে?
ধর্ম পালন করলে ইহলোকে আমার কি প্রাপ্তি ঘটবে?
ধর্ম পালন না করলে ইহলোকে আমার কি সমস্যা ঘটবে?
আর ধার্মীক অ-ধার্মীক চেনার উপায় কি?
দয়া করে জানালে অধম আপনার প্রতি কৃতজ্ঞ থাকবে,হাশরের ময়দান পর্যন্ত।
পরিশেষে, একজন শিক্ষিত বলছে আমি রাইচ খাই ।আর অশিক্ষিত তা শুনে বলছে।আমি বাপের জন্মে রাইচ খাইনি।রাইচের কথা শুনলেই আমার বমি আসে।সারা জনম ভাত খেয়েছি।ভাতই খাবো।রাইচের কপালে উষ্টা মারি।মিসেস মহসিনার কথা প্রায় এ রকম ই হয়েছে।তবে তার থেকেও নিচে নেমেছে বৌদ্ধ মূর্তির জন্য।
মিসেস মহসিনা থাতুন।জেনে নিন বিশ্বের সমস্ত সৃষ্টিতেই হাত আছে একজন স্রষ্টার।তাকে আল্লাহ ,গড, ভগবান বা ইশ্বর যাই বলুন না কেনো।তাকে ছোট ভাবা বা অপমান করার মধ্যে কোনই কৃতীত্ব নেই।উপরে থুথু ফেললে নিজের গায়েই পড়ে।হিন্দু বলেন খৃষ্টান বলেন বৌদ্ধ বলেন আর মুসলিম বলেন।আমাদের সৃষ্টি সুত্র একই রকম।কর্ম প্রণালিও একই রকম।শুধু মাত্র নিজেদের গড়া কু-সংস্কারে গঠিত কর্মগুলি কারও সাথে কারও মিল নাই।এই আর কি।
আর আপনার লেখা পড়ে মনে হলো আপনিও কু-সংস্কার মুক্ত নন।আহবান করি কু-সংস্কার মুক্ত হয়ে, ধর্ম জানার ও মানার চেষ্টা করুন।আখেরে মঙ্গল হবে।
সত্য সহায়।গুরুজী।।
বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষে ধর্ম।গুরুজী।।প্রচলিত কোরানের দৃষ্টিতে আল্লাহ প্রদত্ব কোরানের পরিচয়।।
আমরা
জানি কোরান হলো সমস্ত
সৃষ্টির পূর্ণঙ্গ জীবণ ব্যাবস্থা ।তাই আমাদের সকলেরই
কোরান জানা উচিৎ।তাই আজ আমি
প্রচলিত কোরানের দৃষ্টিতে মূল কোরানের পরিচয়
দিতে চাই।কেন
না এতদিন আমি আমার
মত করে কোরানের পরিচয়
দিয়েছি।তা
আপনারা কেউ বিশ্বাস করেছেন
কেউ বিশ্বাস করেন নাই।তাই আমি প্রচলিত
কোরানের দৃষ্টিতে মূল কোরান কি
,তাহা দলিল মত উপস্থাপন
করছি।
আমি পূর্বে বলেছি যে ,আল্লাহ যে কোরান মহাম্মদ সাঃ এর কাছে অবতরণ করেছেন তাহা তিনি লিখেই পাঠিয়েছেন।এটা আমার কথা ছিলো না।এটা ছিলো কোরানের কথা।এখন দেখে নিন আল্লাহ কি সত্যিই রাসুলের কাছে লিখিত কোরান পাঠিয়েছিলেন?
রাসুলের কাছে সর্ব প্রথম স্রষ্টা হতে অবতরণ কৃত কোরানের আয়াত হলো,সূরা আলাকের ১ হইতে ৫ নম্বর আয়াত।(যদিও কোরানের কোথাও তাহা বলা হয় নি) তার মধ্যে প্রথম আয়াতে স্রষ্টা মহাম্মদকে বললেন,
একরা বিসমি রাব্বুকাল্লাযি খালাক।যার অর্থ হয় পড়ো তোমার প্রতিপালকের নাম যিনি সৃষ্টি কর্তা।
এই আয়াতের সার্মর্ম হলো, রাসুলের কাছে স্রষ্টা লিখিত কিছু পাঠিয়েছিলেন।স্রষ্টা যদি রাসুলের কাছে লিখিত আয়াত না পাঠাতেন,তাহলে একরা বা পাঠ করো না বলে, বলতেন কুল বা বলো।কিন্তু আমরা কোরান পড়ে আমরা কি দেখছি।সেখানে স্রষ্টা কুল বা বলো না বলে, একরা বা আবৃত্তি করো বলেছেন।তাতে বোঝা যায় যে, স্রষ্টার অবতনকৃত বাণী বা কোরান স্রষ্টা লিখেই মহাম্মদ সাঃ এক কাছে পাঠিয়েছিলেন।
আর আমরা বর্তমানে যে কোরান নিয়ে আলোচনা করছি এ কোরান কিন্তু আল্লাহর লিখে পাঠানো সেই কোরান নয়।এটা মানুষ লিখেছে।তাই ইসলাম বা ধর্মকে জানতে হলে প্রথমে আমাদের খুঁজে বের করতে হবে,স্রষ্টা যে কোরান লিখে পাঠিয়েছিলেন, সেই কোরানকে।
এই কোরানে লেখা আছে।
আল্লাহর বাণী সমুহের কোন পরিবর্তনকারী নাই।সূরা ইউনুস আয়াত=৬৪,সূরা কাহাফ আয়াত=২৭ ছাড়া আরও কয়েক যায়গাই এ কথা লেখা রয়েছে।
এই আয়াতের সার্মর্ম, স্রষ্টার বাণী কেউ পরিবর্তন করিতে সক্ষম হবে না।
কিন্তু বর্তমানে আমরা যাকে স্রষ্টা হতে প্রাপ্ত কোরান বলছি এই কোরানের মধ্যে লেখা আছে কোরানের আয়াত সংখ্যা ৬৬৬৬ টি কিন্তু প্রত্যেক সূরার শুরুতে লেখা আয়াত যোগ করলে দেখা যায়,বর্তমান কোরানের আয়াত সংখ্যা রহিয়াছে ৬২৩৬ টি।৪৩০ টি আয়াত নাই।তার মানে কোরানের বাণীর পরিবর্তণ হয়েছে। তাহলে কি দাঁড়ালো।এই কোরান আল্লাহর বাণী হলে ইহাকে পরিবর্তণ করা সম্ভব হতো না।তাই বর্তমানে যাহাকে আমরা স্রষ্টা হতে অবতরণকৃত কোরান বলে জানি তাহা স্রষ্টার অবতরণকৃত কোরান নয়।এখন প্রশ্ন আসে এই কোরান তাহলে কার লেখা।
সূরা হাক্কাহ এর ৪০ নম্বর আয়াত ও সূরা তাকভীরের ১৯ নম্বর আয়াতে বলা হয়েছে।
ইন্নাহু লা কাউলু রাসুলিন কারিম।যার অর্থ হয়,নিশ্চয় এই বাণী সমুহ সম্মানীত রাসূলের।
তার মানে এই কোরান মহাম্মদের সাঃ এর লেখা । এই কোরান স্রষ্টা হতে অবতরণকৃত কোরান নয়।
রাসুলের কাছে স্রষ্টা লিখিত কোরান পঠিয়েছেন ।আর রাসুল সেই কোরানের ব্যাখ্যা বা সৃষ্টির কল্যাণে সেই কোরান কি কাজে লাগবে, বা কিভাবে কাজে লাগবে এবং স্রষ্টা লিখিত সেই কোরান কি ভাবে চিনবো ইত্যাদি বিষয় জানাতে, তিনি যে কথা বা হাদিস বলেছেন, তাহাই হলো আমাদের কাছে থাকা বর্তমান কোরান বা রাসুলের হাদিস।তাই এই কোরানে রহিয়াছে আয়াত বা নির্দশণ।
আয়াত শব্দের বাংলা অর্থ নিদর্শণ। ব্যাখ্যা করলে এরুপ হয় যে,কেউ তার কোন দর্শিত বিষয় অন্য কাউকে ধারণা দিতে যাহা বলে বা করে তাকেই নিদর্শণ বলে।তাই রাসুল আল্লাহ হতে লিখিত কোরান ও তার গুণাগুণ জানার পরে বিশ্ববাসীকে তার ধারণা দিতে তিনি যে নিদর্শণ দিয়েছেন,তাহাই রাসুলের হাদিস বা আয়াতী কোরান বা নিদর্শণী কোরান।
আর আল্লাহর অবতরণকৃত মূল কোরান এর সংরক্ষক আল্লাহরা নিজেই।তাই রাসুল বলেছেন,আল্লাহর কাছ থেকে জেনেছি যে,
নিশ্চয় আমরা যাহা অবতরণ করেছি তাহা আমাকে স্মরণ করার জন্যই ।আর তাহার সংরক্ষক আমরাই।সূরা হিজর আয়াত ৯।
এবং সেই অবতরণ কৃত বস্তু টি কোথায় আছে তার নিদর্শণ দিতে,মহাম্মদ সাঃ বলেছেন।
সূরা বুরুজ ২১-২২ আয়াত।বরং উহা এক সম্মানিত কোরান সংরক্ষিত রহিয়াছে দুগ্ধবতীর মধ্যে।
এখানে কিন্তু মহাম্মদ বলেন নাই ইহা এক সম্মানিত কোরান ,বলেছেন উহা এক সম্মানিত কোরান ।তার মানে এই কোরানের কথা তিনি বলেন নি।
আবার সূরা বাকারার ২ নম্বর আয়াতে বলা হয়েছে।
যালিকাল কিতাবু লা রাইবা।যার অর্থ হয় ,ঐ কিতাবে কোনই সন্দেহ নাই।
এখানেও কিন্তু এই কিতাব বলে নাই বলেছে ঐ কিতাব।যদি এই কিতাব হতো ,তাহলে যালিকা না হয়ে হতো হাযা, যার অর্থ এই ।কিন্তু বলেছে যালিকাল কিতাবু বা ঐ কিতাবে ।তার মানে এখানেও রাসুল এই কোরানের কথা বলেন নাই। বলেছেন আল্লাহ যে কোরান লিখে পাঠিয়েছেন সেই কোরানের কথা।এবং সেই কোরানের সংরক্ষক আল্লাহরা নিজেই।এবং তাহার সংরক্ষণ করা আছে দুগ্ধবতীর মধ্যে।যাহা সূরা বুরুযের ২১-২২ নম্বর আয়াতে দেখেছেন।
তাই আর ও পরিস্কার করতে মহাম্মদ বলেছেন।
সূরা যুখরুফ আয়াত ৪ এ ,আর উহা রহিয়াছে মাতৃ কিতাব মধ্যে।
অর্থাৎ মায়ের কাছে।এক কথায় কোরান মায়ের কাছে রহিয়াছে ,এবং তা স্তন্যপায়ী মায়ের দুধের মধ্যে আর স্তন্যপায়ী না হলেও তা মায়ের মধ্যে রহিয়াছে।আর তাই যারা মায়ের গর্ভে গিয়েছেন এবং মায়ের দুধ খেয়েছেন তারাই স্রষ্টার কোরান পড়েছেন।বা মান্য করছেন।স্রষ্টা বা কোরানের বাইরে কিছুই নাই।এমন কোন সৃষ্টি নাই যে ,কোরান ,মহাম্মদ ও স্রষ্টাকে মানে না।তার মানে বিশ্বের সকল সৃষ্টিই কোরান পাঠ করেছে।তাই এই কোরান সমস্ত সৃষ্টির জন্য পূর্ণাঙ্গ জীবণ ব্যাবস্থা।
আমরা মায়ের কাছ থেকে যে কোরান পড়ে এসেছি বা যে স্বত্বা নিয়ে এসেছি।তাহাই কিন্তু খরচ করছি।দেহ হতে কিন্তু কোরানের আয়াত মুছে যাচ্ছে ।বা স্রষ্টা নিয়ে নিচ্ছেন।কিন্তু আপনি তাহা আবার পূরণ করতে পারেন।এবং নিজে শান্তিতে থাকতে পারেন।তবে তা অবশ্যয়ই আল্লাহর লিখিত কোরান হতে।আর আল্লাহর লিখিত কোরান কে জানতেই ।রাসুলের হাদিস বা প্রচলিত কোরান জানা আবশ্যক।
সত্য সহায়।গুরুজী।।
আমি পূর্বে বলেছি যে ,আল্লাহ যে কোরান মহাম্মদ সাঃ এর কাছে অবতরণ করেছেন তাহা তিনি লিখেই পাঠিয়েছেন।এটা আমার কথা ছিলো না।এটা ছিলো কোরানের কথা।এখন দেখে নিন আল্লাহ কি সত্যিই রাসুলের কাছে লিখিত কোরান পাঠিয়েছিলেন?
রাসুলের কাছে সর্ব প্রথম স্রষ্টা হতে অবতরণ কৃত কোরানের আয়াত হলো,সূরা আলাকের ১ হইতে ৫ নম্বর আয়াত।(যদিও কোরানের কোথাও তাহা বলা হয় নি) তার মধ্যে প্রথম আয়াতে স্রষ্টা মহাম্মদকে বললেন,
একরা বিসমি রাব্বুকাল্লাযি খালাক।যার অর্থ হয় পড়ো তোমার প্রতিপালকের নাম যিনি সৃষ্টি কর্তা।
এই আয়াতের সার্মর্ম হলো, রাসুলের কাছে স্রষ্টা লিখিত কিছু পাঠিয়েছিলেন।স্রষ্টা যদি রাসুলের কাছে লিখিত আয়াত না পাঠাতেন,তাহলে একরা বা পাঠ করো না বলে, বলতেন কুল বা বলো।কিন্তু আমরা কোরান পড়ে আমরা কি দেখছি।সেখানে স্রষ্টা কুল বা বলো না বলে, একরা বা আবৃত্তি করো বলেছেন।তাতে বোঝা যায় যে, স্রষ্টার অবতনকৃত বাণী বা কোরান স্রষ্টা লিখেই মহাম্মদ সাঃ এক কাছে পাঠিয়েছিলেন।
আর আমরা বর্তমানে যে কোরান নিয়ে আলোচনা করছি এ কোরান কিন্তু আল্লাহর লিখে পাঠানো সেই কোরান নয়।এটা মানুষ লিখেছে।তাই ইসলাম বা ধর্মকে জানতে হলে প্রথমে আমাদের খুঁজে বের করতে হবে,স্রষ্টা যে কোরান লিখে পাঠিয়েছিলেন, সেই কোরানকে।
এই কোরানে লেখা আছে।
আল্লাহর বাণী সমুহের কোন পরিবর্তনকারী নাই।সূরা ইউনুস আয়াত=৬৪,সূরা কাহাফ আয়াত=২৭ ছাড়া আরও কয়েক যায়গাই এ কথা লেখা রয়েছে।
এই আয়াতের সার্মর্ম, স্রষ্টার বাণী কেউ পরিবর্তন করিতে সক্ষম হবে না।
কিন্তু বর্তমানে আমরা যাকে স্রষ্টা হতে প্রাপ্ত কোরান বলছি এই কোরানের মধ্যে লেখা আছে কোরানের আয়াত সংখ্যা ৬৬৬৬ টি কিন্তু প্রত্যেক সূরার শুরুতে লেখা আয়াত যোগ করলে দেখা যায়,বর্তমান কোরানের আয়াত সংখ্যা রহিয়াছে ৬২৩৬ টি।৪৩০ টি আয়াত নাই।তার মানে কোরানের বাণীর পরিবর্তণ হয়েছে। তাহলে কি দাঁড়ালো।এই কোরান আল্লাহর বাণী হলে ইহাকে পরিবর্তণ করা সম্ভব হতো না।তাই বর্তমানে যাহাকে আমরা স্রষ্টা হতে অবতরণকৃত কোরান বলে জানি তাহা স্রষ্টার অবতরণকৃত কোরান নয়।এখন প্রশ্ন আসে এই কোরান তাহলে কার লেখা।
সূরা হাক্কাহ এর ৪০ নম্বর আয়াত ও সূরা তাকভীরের ১৯ নম্বর আয়াতে বলা হয়েছে।
ইন্নাহু লা কাউলু রাসুলিন কারিম।যার অর্থ হয়,নিশ্চয় এই বাণী সমুহ সম্মানীত রাসূলের।
তার মানে এই কোরান মহাম্মদের সাঃ এর লেখা । এই কোরান স্রষ্টা হতে অবতরণকৃত কোরান নয়।
রাসুলের কাছে স্রষ্টা লিখিত কোরান পঠিয়েছেন ।আর রাসুল সেই কোরানের ব্যাখ্যা বা সৃষ্টির কল্যাণে সেই কোরান কি কাজে লাগবে, বা কিভাবে কাজে লাগবে এবং স্রষ্টা লিখিত সেই কোরান কি ভাবে চিনবো ইত্যাদি বিষয় জানাতে, তিনি যে কথা বা হাদিস বলেছেন, তাহাই হলো আমাদের কাছে থাকা বর্তমান কোরান বা রাসুলের হাদিস।তাই এই কোরানে রহিয়াছে আয়াত বা নির্দশণ।
আয়াত শব্দের বাংলা অর্থ নিদর্শণ। ব্যাখ্যা করলে এরুপ হয় যে,কেউ তার কোন দর্শিত বিষয় অন্য কাউকে ধারণা দিতে যাহা বলে বা করে তাকেই নিদর্শণ বলে।তাই রাসুল আল্লাহ হতে লিখিত কোরান ও তার গুণাগুণ জানার পরে বিশ্ববাসীকে তার ধারণা দিতে তিনি যে নিদর্শণ দিয়েছেন,তাহাই রাসুলের হাদিস বা আয়াতী কোরান বা নিদর্শণী কোরান।
আর আল্লাহর অবতরণকৃত মূল কোরান এর সংরক্ষক আল্লাহরা নিজেই।তাই রাসুল বলেছেন,আল্লাহর কাছ থেকে জেনেছি যে,
নিশ্চয় আমরা যাহা অবতরণ করেছি তাহা আমাকে স্মরণ করার জন্যই ।আর তাহার সংরক্ষক আমরাই।সূরা হিজর আয়াত ৯।
এবং সেই অবতরণ কৃত বস্তু টি কোথায় আছে তার নিদর্শণ দিতে,মহাম্মদ সাঃ বলেছেন।
সূরা বুরুজ ২১-২২ আয়াত।বরং উহা এক সম্মানিত কোরান সংরক্ষিত রহিয়াছে দুগ্ধবতীর মধ্যে।
এখানে কিন্তু মহাম্মদ বলেন নাই ইহা এক সম্মানিত কোরান ,বলেছেন উহা এক সম্মানিত কোরান ।তার মানে এই কোরানের কথা তিনি বলেন নি।
আবার সূরা বাকারার ২ নম্বর আয়াতে বলা হয়েছে।
যালিকাল কিতাবু লা রাইবা।যার অর্থ হয় ,ঐ কিতাবে কোনই সন্দেহ নাই।
এখানেও কিন্তু এই কিতাব বলে নাই বলেছে ঐ কিতাব।যদি এই কিতাব হতো ,তাহলে যালিকা না হয়ে হতো হাযা, যার অর্থ এই ।কিন্তু বলেছে যালিকাল কিতাবু বা ঐ কিতাবে ।তার মানে এখানেও রাসুল এই কোরানের কথা বলেন নাই। বলেছেন আল্লাহ যে কোরান লিখে পাঠিয়েছেন সেই কোরানের কথা।এবং সেই কোরানের সংরক্ষক আল্লাহরা নিজেই।এবং তাহার সংরক্ষণ করা আছে দুগ্ধবতীর মধ্যে।যাহা সূরা বুরুযের ২১-২২ নম্বর আয়াতে দেখেছেন।
তাই আর ও পরিস্কার করতে মহাম্মদ বলেছেন।
সূরা যুখরুফ আয়াত ৪ এ ,আর উহা রহিয়াছে মাতৃ কিতাব মধ্যে।
অর্থাৎ মায়ের কাছে।এক কথায় কোরান মায়ের কাছে রহিয়াছে ,এবং তা স্তন্যপায়ী মায়ের দুধের মধ্যে আর স্তন্যপায়ী না হলেও তা মায়ের মধ্যে রহিয়াছে।আর তাই যারা মায়ের গর্ভে গিয়েছেন এবং মায়ের দুধ খেয়েছেন তারাই স্রষ্টার কোরান পড়েছেন।বা মান্য করছেন।স্রষ্টা বা কোরানের বাইরে কিছুই নাই।এমন কোন সৃষ্টি নাই যে ,কোরান ,মহাম্মদ ও স্রষ্টাকে মানে না।তার মানে বিশ্বের সকল সৃষ্টিই কোরান পাঠ করেছে।তাই এই কোরান সমস্ত সৃষ্টির জন্য পূর্ণাঙ্গ জীবণ ব্যাবস্থা।
আমরা মায়ের কাছ থেকে যে কোরান পড়ে এসেছি বা যে স্বত্বা নিয়ে এসেছি।তাহাই কিন্তু খরচ করছি।দেহ হতে কিন্তু কোরানের আয়াত মুছে যাচ্ছে ।বা স্রষ্টা নিয়ে নিচ্ছেন।কিন্তু আপনি তাহা আবার পূরণ করতে পারেন।এবং নিজে শান্তিতে থাকতে পারেন।তবে তা অবশ্যয়ই আল্লাহর লিখিত কোরান হতে।আর আল্লাহর লিখিত কোরান কে জানতেই ।রাসুলের হাদিস বা প্রচলিত কোরান জানা আবশ্যক।
সত্য সহায়।গুরুজী।।
বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষে ধর্ম।গুরুজী।।জীবদ্দশায় রাসুল পিয়ন ছিলেন।।
কু-সংস্কারবাদীরা হযরত মহাম্মদ সাঃ
কে ভূয়া সম্মানীত করতে
গিয়ে,পদে পদে করেছেন
মহাম্মদের মানহানি, সেই সাথে করেছেন
তাঁকে প্রশ্নের সম্মুখীন।যেমন
তারা প্রচার করেছেন, মহাম্মদকে
সৃষ্টি না করলে আল্লাহ
কিছুই সৃষ্টি করতেন না। আল্লাহর
নূরে নবি সৃষ্টি নবির
নূরে সারে জাহান,হাশরের
ময়দানে মহাম্মদের সুপারিশ ব্যাতীত কেহই পারে যেতে
পারবে না।এমন
কি নবি রাসুলরাও না
।সকল নবিদের
ইমামতি করেছেন মহাম্মদ সাঃ।যদিও
কোরান শরিফ এর একটিকেও
স্বীকার করে না।কোরান স্বীকার করে,জীবদ্দশায় রাসুল একজন পিয়ন
ছিলেন।আসুন
আজ আমরা সে বিষয়ে
আলোচনা করি ও আসল
সত্য জানার চেষ্টা করি।
১।কু-সংস্কারবাদীরা বলে-আল্লাহর নূরে নবি সৃষ্টি নবির নূরে সারে জাহান।
কোরানে একথার কোন প্রমান না থাকলেও, কূ-সংস্কারবাদীরা মহাম্মদকে সমস্ত সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ প্রমান করতে এই উক্তিটি প্রচার করেছে।যদিও একথাটি সম্পুর্ণ ভিত্তিহীন মিথ্যা ও বানোয়াট।তারা মনে করেছে এই কথা দিয়ে অন্যান্য নবিগনের উম্মতদিগকে ঘায়েল করে নিজ নবিকে সম্মানিত করবে।কিন্তু বিধি বাম।যখন দার্শনিকের দৃষ্টি দিয়ে কেউ ,কু-সংস্কারবাদিদের উক্তি ও কোরানের কথা মিলাতে গিয়েছে,তখনই মহাম্মদ হয়েছেন প্রশ্নের সম্মুখীন,পড়েছেন সন্দেহের আওতায়,এবং প্রমান হয়েছে কু-সংস্কারবাদিদের বক্তব্য সঠিক হলে মহাম্মদ মিথ্যা,মিথ্যা মহাম্মদের কোরান।
২। কু-সংস্কারবাদীরা বলে-মহাম্মদকে সৃষ্টি না করলে আল্লাহ কিছুই সৃষ্টি করতে না।
এই কথার মাধ্যমে কু-সংস্কারবাদীরা সকল নবী অপেক্ষা মহাম্মদের গুণ ক্ষমতা ও সম্মান বেশি বুঝাতে চেয়েছে।কিন্তু কোরানের কোথাও একথার সত্যতা প্রমানের কোন উল্লেখ নাই।বরং কোরানে উল্লেখ আছে,
তোমরা রাসুলগনের মধ্যে কোন পার্থক্য করো না।সূরা বাকারা=আয়াতঃ২৮৫
তাহলে যারা কোরানে নিষেধ থাকা সত্বেও রাসুলগনের মধ্যে পার্থক্য সৃষ্টি করে, ও নবি রাসুলদের সম্মান ও মর্যাদা ছোট বড় বিবেচনা করে।তারা কি কোরান মানে বলে আপনাদের মনে হয়?অবশয়ই না।
৩। কু-সংস্কারবাদীরা বলে-হাশরের ময়দানে মহাম্মদের সুপারিশ ব্যাতীত কেহই পারে যেতে পারবে না।এমন কি নবি রাসুলরাও না ।
একথাটিও পূর্বের কথার ন্যায় কু-সংস্কারবাদী কর্তৃক বানোয়াট কথা। এবং সকল নবি রাসুল অপেক্ষা মহাম্মদকে সম্মানের দিক থেকে বড় প্রমানের অপচেষ্টা।কিন্তু কোরান বলেছে ঠিক তার উল্টা কথা।
সেদিন গৃহিত হইবেনা কাহার ও সুপারিশ।সূরা বাকারা ৪৮ নম্বর আয়াত
আর ভয় করো সে দিনকে,যেদিন গৃহিত হইবে না কাহারও কোন সুপারিশ।সূরা বাকারা ১২৩ নম্বর আয়াত।
যেখানে কোরান বলেছে সেদিন কারও সুপারিশ গ্রহন করা হবে না,আর কু-সংস্কারবাদীরা বলছে মহাম্মদের সুপারিশ ব্যাতীত কেহই পারে যেতে পারবে না।আপনি কোনটা মানবেন?যদি কোরান মানেন তাহলে আপনাকে অবশ্যয়ই কু-সংস্কারবাদীদের বিপক্ষে অবস্থান নিতে হবে।আর যদি কু-সংস্কারবাদীদের কথা মানেন তাহলে আপনাকে কোরানের বিপক্ষে অবস্থান নিতে হবে ।আপনি কোন দিকে যাবেন?এখনই ভাবার সময়।ভাবুন ও সিদ্ধান্ত নিন।
৪।কু-সংস্কারবাদীরা বলে-মৃত ব্যাক্তির নামে দোয়া দরুদ, কোরান খানি ও এতিম মিসকিন খাওয়নোতে,মৃত ব্যাক্তির শাস্তি কমানো হয়।
এ কথাও কু-সংস্কার বাদীদের বানানো কথা।কোরানে এ কথার কোনই প্রমান নাই।কোরান পড়লে দেখা যায়-
সূরা রাদের ১৮ নম্বর আয়াতে উল্লেখ করেছে।মরার পরে কোন বিনিময় গ্রহন করা হবে না, শাস্তি থেকে রক্ষা পেতে।
যেখানে কোরান বলেছে মরার পরে মৃত ব্যাক্তির শাস্তি থেকে রক্ষা পেতে কোন বিনিময় গ্রহন করা হবে না।সেখানে যে বা যারা বলে মরার পরে মৃত ব্যাক্তির শাস্তি কমাতে দোয়া দরুদ, কোরান খানি ও এতিম মিসকিন খাওয়নো বিনিময় হিসাবে গ্রহন করা হবে।তারা কি কোরান মানে বলে আপনার মনে হয়?না !তারা কোরান মানে না।তারা ব্যাবসা করার জন্য ও পূর্ব থেকে চলে আসা কু-সংস্কারকে টিকিয়ে রাখতে মহাম্মদকে ব্যাবহার করে,তারা তাদের নিজ রচিত কিতাব ও নিজেদের বিশ্বাস কে মান্য ও প্রচার করে চলেছে।
৪। কু-সংস্কারবাদীরা বলে-মেরাজ কালে মহাম্মদ বাইতুল মামুর মসজিদে সকল নবি রাসুলদের নিয়ে নামাজ পড়েন,সেখানে সকল নবি ও রাসুলদের ইমামতি করেছে মহাম্মদ সাঃ।
এ কথার মাধ্যমেও কু-সংস্কার বাদীরা হযরত মহাম্মদক সকল নবি রাসুল অপেক্ষা মর্যাদার দিক থেকে বড় করার চেষ্টা করেছেন।কিন্তু কোরান পড়তে গিয়ে বাস্তবে দার্শনিকেরা কি দেখছে?দেখছে মহাম্মদ মেরাজের জন্য পৃথিবীর বাইরে কোথাও যাননি।
সূরা বনি ইস্রাইলের ১ নম্বর আয়াতে উল্লেখ আছে। এক রজনিতে স্রষ্টা তার এবাদিকে, বাইতুল হরম হইতে বাইতুল আকসা পর্যন্ত ভ্রমন করাইলেন।
কোরান এর বাইরে ভ্রমন স্বীকার করে না।তাহলে এরা এ সকল কথা কোথায় পেলো?কার প্ররোচনায় তারা এ সকল কথা প্রচার করে চলেছে, তা ভেবে দেখার দরকার আছে কি না? সময় হয়েছে।আসুন আমরা কু-সংস্কারবাদীদের কথা বিশ্বাস না করে ,কোরানকে বিশ্বাস করা শিখি।সেজন্য আমাদের প্রথম প্রয়োজন ,কু-সংস্কারবাদী কর্তৃক ধর্মের কোন কথা না শোনা ও তাদের অনুবাদকৃত কোরান পরিহার করা,
পরিশেষে-
কোরান স্বীকার করে মহাম্মদ একজন পিয়ন ছিলেন।
রাসুলের দায়িত্ব শুধু পৌছাইয়া দেওয়া।সূরা মায়ীদা =আয়াতঃ৯২
এই আয়াত লক্ষ করলে বোঝা যায় যে, রাসুল শুধু মাত্র একজন পিয়নের দায়িত্ব পালন করেছেন।আল্লাহ মানব মন্ডলির কাছে চিঠি পাঠিয়েছেন,আর রাসুল তা পিয়ন হিসাবে আমাদের কাছে পৌছে দিয়েছেন।ইহা ব্যাতীত আর কোন দায়িত্ব রাসুলকে দেওয়া হয়নি।
তাই আসুন ,কোরানের আইন জানতে ও মানতে ,কু-সংস্কারবাদীদের পরিহার করি।
সত্য সহায়।গুরুজী।।
১।কু-সংস্কারবাদীরা বলে-আল্লাহর নূরে নবি সৃষ্টি নবির নূরে সারে জাহান।
কোরানে একথার কোন প্রমান না থাকলেও, কূ-সংস্কারবাদীরা মহাম্মদকে সমস্ত সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ প্রমান করতে এই উক্তিটি প্রচার করেছে।যদিও একথাটি সম্পুর্ণ ভিত্তিহীন মিথ্যা ও বানোয়াট।তারা মনে করেছে এই কথা দিয়ে অন্যান্য নবিগনের উম্মতদিগকে ঘায়েল করে নিজ নবিকে সম্মানিত করবে।কিন্তু বিধি বাম।যখন দার্শনিকের দৃষ্টি দিয়ে কেউ ,কু-সংস্কারবাদিদের উক্তি ও কোরানের কথা মিলাতে গিয়েছে,তখনই মহাম্মদ হয়েছেন প্রশ্নের সম্মুখীন,পড়েছেন সন্দেহের আওতায়,এবং প্রমান হয়েছে কু-সংস্কারবাদিদের বক্তব্য সঠিক হলে মহাম্মদ মিথ্যা,মিথ্যা মহাম্মদের কোরান।
২। কু-সংস্কারবাদীরা বলে-মহাম্মদকে সৃষ্টি না করলে আল্লাহ কিছুই সৃষ্টি করতে না।
এই কথার মাধ্যমে কু-সংস্কারবাদীরা সকল নবী অপেক্ষা মহাম্মদের গুণ ক্ষমতা ও সম্মান বেশি বুঝাতে চেয়েছে।কিন্তু কোরানের কোথাও একথার সত্যতা প্রমানের কোন উল্লেখ নাই।বরং কোরানে উল্লেখ আছে,
তোমরা রাসুলগনের মধ্যে কোন পার্থক্য করো না।সূরা বাকারা=আয়াতঃ২৮৫
তাহলে যারা কোরানে নিষেধ থাকা সত্বেও রাসুলগনের মধ্যে পার্থক্য সৃষ্টি করে, ও নবি রাসুলদের সম্মান ও মর্যাদা ছোট বড় বিবেচনা করে।তারা কি কোরান মানে বলে আপনাদের মনে হয়?অবশয়ই না।
৩। কু-সংস্কারবাদীরা বলে-হাশরের ময়দানে মহাম্মদের সুপারিশ ব্যাতীত কেহই পারে যেতে পারবে না।এমন কি নবি রাসুলরাও না ।
একথাটিও পূর্বের কথার ন্যায় কু-সংস্কারবাদী কর্তৃক বানোয়াট কথা। এবং সকল নবি রাসুল অপেক্ষা মহাম্মদকে সম্মানের দিক থেকে বড় প্রমানের অপচেষ্টা।কিন্তু কোরান বলেছে ঠিক তার উল্টা কথা।
সেদিন গৃহিত হইবেনা কাহার ও সুপারিশ।সূরা বাকারা ৪৮ নম্বর আয়াত
আর ভয় করো সে দিনকে,যেদিন গৃহিত হইবে না কাহারও কোন সুপারিশ।সূরা বাকারা ১২৩ নম্বর আয়াত।
যেখানে কোরান বলেছে সেদিন কারও সুপারিশ গ্রহন করা হবে না,আর কু-সংস্কারবাদীরা বলছে মহাম্মদের সুপারিশ ব্যাতীত কেহই পারে যেতে পারবে না।আপনি কোনটা মানবেন?যদি কোরান মানেন তাহলে আপনাকে অবশ্যয়ই কু-সংস্কারবাদীদের বিপক্ষে অবস্থান নিতে হবে।আর যদি কু-সংস্কারবাদীদের কথা মানেন তাহলে আপনাকে কোরানের বিপক্ষে অবস্থান নিতে হবে ।আপনি কোন দিকে যাবেন?এখনই ভাবার সময়।ভাবুন ও সিদ্ধান্ত নিন।
৪।কু-সংস্কারবাদীরা বলে-মৃত ব্যাক্তির নামে দোয়া দরুদ, কোরান খানি ও এতিম মিসকিন খাওয়নোতে,মৃত ব্যাক্তির শাস্তি কমানো হয়।
এ কথাও কু-সংস্কার বাদীদের বানানো কথা।কোরানে এ কথার কোনই প্রমান নাই।কোরান পড়লে দেখা যায়-
সূরা রাদের ১৮ নম্বর আয়াতে উল্লেখ করেছে।মরার পরে কোন বিনিময় গ্রহন করা হবে না, শাস্তি থেকে রক্ষা পেতে।
যেখানে কোরান বলেছে মরার পরে মৃত ব্যাক্তির শাস্তি থেকে রক্ষা পেতে কোন বিনিময় গ্রহন করা হবে না।সেখানে যে বা যারা বলে মরার পরে মৃত ব্যাক্তির শাস্তি কমাতে দোয়া দরুদ, কোরান খানি ও এতিম মিসকিন খাওয়নো বিনিময় হিসাবে গ্রহন করা হবে।তারা কি কোরান মানে বলে আপনার মনে হয়?না !তারা কোরান মানে না।তারা ব্যাবসা করার জন্য ও পূর্ব থেকে চলে আসা কু-সংস্কারকে টিকিয়ে রাখতে মহাম্মদকে ব্যাবহার করে,তারা তাদের নিজ রচিত কিতাব ও নিজেদের বিশ্বাস কে মান্য ও প্রচার করে চলেছে।
৪। কু-সংস্কারবাদীরা বলে-মেরাজ কালে মহাম্মদ বাইতুল মামুর মসজিদে সকল নবি রাসুলদের নিয়ে নামাজ পড়েন,সেখানে সকল নবি ও রাসুলদের ইমামতি করেছে মহাম্মদ সাঃ।
এ কথার মাধ্যমেও কু-সংস্কার বাদীরা হযরত মহাম্মদক সকল নবি রাসুল অপেক্ষা মর্যাদার দিক থেকে বড় করার চেষ্টা করেছেন।কিন্তু কোরান পড়তে গিয়ে বাস্তবে দার্শনিকেরা কি দেখছে?দেখছে মহাম্মদ মেরাজের জন্য পৃথিবীর বাইরে কোথাও যাননি।
সূরা বনি ইস্রাইলের ১ নম্বর আয়াতে উল্লেখ আছে। এক রজনিতে স্রষ্টা তার এবাদিকে, বাইতুল হরম হইতে বাইতুল আকসা পর্যন্ত ভ্রমন করাইলেন।
কোরান এর বাইরে ভ্রমন স্বীকার করে না।তাহলে এরা এ সকল কথা কোথায় পেলো?কার প্ররোচনায় তারা এ সকল কথা প্রচার করে চলেছে, তা ভেবে দেখার দরকার আছে কি না? সময় হয়েছে।আসুন আমরা কু-সংস্কারবাদীদের কথা বিশ্বাস না করে ,কোরানকে বিশ্বাস করা শিখি।সেজন্য আমাদের প্রথম প্রয়োজন ,কু-সংস্কারবাদী কর্তৃক ধর্মের কোন কথা না শোনা ও তাদের অনুবাদকৃত কোরান পরিহার করা,
পরিশেষে-
কোরান স্বীকার করে মহাম্মদ একজন পিয়ন ছিলেন।
রাসুলের দায়িত্ব শুধু পৌছাইয়া দেওয়া।সূরা মায়ীদা =আয়াতঃ৯২
এই আয়াত লক্ষ করলে বোঝা যায় যে, রাসুল শুধু মাত্র একজন পিয়নের দায়িত্ব পালন করেছেন।আল্লাহ মানব মন্ডলির কাছে চিঠি পাঠিয়েছেন,আর রাসুল তা পিয়ন হিসাবে আমাদের কাছে পৌছে দিয়েছেন।ইহা ব্যাতীত আর কোন দায়িত্ব রাসুলকে দেওয়া হয়নি।
তাই আসুন ,কোরানের আইন জানতে ও মানতে ,কু-সংস্কারবাদীদের পরিহার করি।
সত্য সহায়।গুরুজী।।
বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষে ধর্ম।গুরুজী।।দেহের মহা-স্বত্বা রক্ষায় এখন আমাদের কি করণীয়।।
সম্মানিত
পাঠক,জীব রুপে যখন
জন্ম নিয়েছি, মৃত্যু বরণ করতেই
হবে।এর
কোন মাফ নাই ।তবে যে কয়দিন
বেঁচে আছি , সে কয়দিন
যেন সুস্থ ও সুন্দর
থাকতে পারি,তার চেষ্টা
করতে তো আর কোন
অসুবিধা নাই?তাই শান্তিতে
থাকতে আমাদের কি কি
প্রয়োজন তা, এতদিন আমি
আমার সাধ্য মত ধর্মের
আলোকে অনেক বিষয় উপস্থাপণ
করেছি। এবং
অনেক বিষয়ের ধারণা দেওয়ার
চেষ্টা করেছি।এখন
আমি চাইবো ,আগামিতে আপনারা
যেন নিজে শান্তিতে থাকতে
কি কি করা উচিৎ,
কিভাবে করা উচিৎ,এবং
কি করলে আপনাতে কি
উৎপত্তি হবে, এবং আপনি
শান্তিতে থাকতে পারবেন, তাই
নিয়ে আলোচনা করবো ।
তার আগে এতদিন আমি
কি উপস্থাপন করলাম,এক নজরে
তাহা দেখে নিন।
আল্লাহ-
আল্লাহ শব্দের অর্থ-স্রষ্টা।অর্থাৎ যাহা দ্বারা আমি সৃষ্টি হয়েছি।এক কথায় জীব সৃষ্টির সকল উপাদান বা অণুপ্রাণই স্রষ্টা।
ধর্ম-
আরবি দ্বীন শব্দের বাংলা অর্থ ধর্ম বা স্বভাব।আল্লাহ সত্বার চরিত্রের নাম দ্বীন বা ধর্ম।তাই আল্লাহর চরিত্র গুণ বিচারে ৯৯ টি নাম করণ করা হয়েছে।একেক স্বভাব প্রাপ্ত হতে একেক নামের স্রষ্টা প্রাপ্ত হওয়া আবশ্যক।জীবের শরিরে যেই যেই স্রষ্টা বর্তমান সে সেই স্বভাবের অধিকারী হয়ে থাকে।
ইসলাম-
ইসলাম অর্থ শান্তি।প্রতিটি সৃষ্টিই জীবিত অবস্থায় শান্তিতে থাকতে চাই ।অর্থাৎ সৃষ্টির সকলেই ইসলাম ধর্ম প্রত্যাশী,তাই ইসলাম ধর্ম সব থেকে উত্তম ধর্ম।
কাফের-
ঢেঁকে যাওয়,নষ্ট হয়ে যাওয়া।অর্থাৎ ,দেহ মধ্যে আমার যে মহাস্বত্বা আছে তাহা বিনষ্ট হলে আমার যে অবস্থার সৃষ্টি হচ্ছে তার নাম কাফের।
শয়তান-
দেহ মধ্যস্থিত যে স্বত্বা আমার মহাস্বত্তার ধংস ক্রীয়া সাধন করছে ,তাহার নাম শয়তান।
নবি-
নবি শব্দের অর্থ-নতুন ধন।নতুন সৃষ্টি হেতু,নতুন নতুন স্রষ্টারা একত্রিত হয়ে উৎপত্তি হওয়া।এক কথায় পুরুষ লিঙ্গ,স্ত্রী-লিঙ্গ ও স্তনে যে ধন আসে তাহাকেই নতুন ধন বা নবি বলে।
নবুয়ত-
নবুয়ত শব্দের অর্থ নতুন ধন উৎপত্তি।এক কথায় পুরুষ লিঙ্গ,স্ত্রী-লিঙ্গ ও স্তনে যখন নতুন ধন উৎপত্তি হয়,তাহাকেই নবুয়ত বলে।
রাসুল-
রাসুল শব্দের অর্থ প্রাপক,অর্থাৎ যে এই নতুন ধন প্রাপ্ত হয় তাকেই রাসুল বলে।এক কথায় যে বা যাহারা পুরুষ লিঙ্গ,স্ত্রী-লিঙ্গ ও স্তনে যে ধন আসে তাহা প্রাপ্ত হয়েছে,তারাই রাসুল।
ইমান-
জীবের জীবণে অবস্থিত জীবিত শক্তি,জ্ঞান শক্তি,কর্ম শক্তি,যৌণ শক্তি,শ্রবণ শক্তি,দর্শণ শক্তি ও বাক শক্তি উৎপত্তিকারী মহাধনের নাম ইমান।তাই বলা হয়েছে-
ইমান নষ্ট করিও না।অর্থাৎ ইমান এমন একটা ধন বা বস্তু, যাহা নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা আছে।তাই বলা হয়েছে ইমান যেন নষ্ট না হয়।
ইমান হেফাযত বা সংরক্ষণ করো।অর্থাৎ ইমান একটি বস্তু যাহা সংরক্ষণ করা যায়।
ইমান আনো।অর্থাৎ কেহ যদি ইমান নষ্ট করে ফেলে তাহলে পূণরায় ইমান আনা বা সঞ্চয় করার ও প্রক্রীয়া আছে।
নামাজ-
আরবি সালাত শব্দে বাংলা অর্থ সংশোধণ।অর্থাৎ জীবের দেহে অবস্থিত ইমান অনুপাত তারতম্য হলে যাহার মাধ্যমে তাহা নিরুপণ করা যায়,তার নাম সালাত।
সিয়ম-
আরবি সিয়ম শব্দের অর্থ সংযম।অর্থাৎ জীবের দেহ হতে স্রষ্টা বিনষ্ট মিত্যব্যায়ীতা।এক কথায়,জীব দেহে যে সকল সত্বা আছে,তাহা প্রয়োজন মত হিসাব করে খরচ করারকে বুঝাই।
মুত্তাকি-
মুত্তাকি শব্দের অর্থ ছড়ানো বস্তু গোছানোকারী।অর্থাৎ জীবের দেহ হতে যে ইমান নষ্ট হচ্ছে বা হয়েছে তাহা পূরণ করাকে বুঝায়।এক কথায় জীবিত শক্তি,জ্ঞান শক্তি,কর্ম শক্তি,যৌণ শক্তি,শ্রবণ শক্তি,দর্শণ শক্তি ও বাক শক্তি উৎপত্তিকারী মহাসত্বা সঞ্চয় করা।
হজ্জ-
হ্জ্জ শব্দের অর্থ বৃদ্ধি।অর্থাৎ,ইমান ধন প্রয়োজন অপেক্ষা বৃদ্ধি প্রাপ্ত হওয়া।এক কথায় জীবের দেহে যে পরিমান ইমান ধন প্রয়োজন তার থেকে বেশি হয়ে যাওয়া।
যাকাত-
যাকাত শব্দের অর্থ দানের মাধ্যমে পবিত্র হওয়া।অর্থাৎ জীবের দেহে যখন ইমান ধন প্রয়োজন অতিরিক্ত হয়ে যায়,তখন যাকাত বা দানের মাধ্যমে ধন সমতা আনা।
ইবাদৎ-
আবাদ শব্দের অর্থ উৎপন্ন ও উপাষনা।
উৎপন্ন-দেহ মধ্যে নতুন নতুন স্রষ্টা উৎপন্ন করাকে বুঝায়।
উপাষনা-স্রষ্টাকে শান্তিতে রাখার জন্য শ্রম দেওয়ার নাম এবাদৎ বা উপাষনা।এক কথায় খাওয়া,পায়খানা পেশাব ও খাবার যোগাড় এ সবই এবাদতের আওতায় পড়ে।সেই সাথে ইমান ধন সঞ্চয়।
প্রভু চাইলে ০৫-০৭-২০১২ তারিখে, সাধন তত্ব নিয়ে পোষ্ট দিবো।অর্থাৎ কিভাবে আমরা এ সকল ধন সঞ্চয় করে সুস্থ সুন্দর থাকতে পারি।
সত্য সহায়।গুরুজী।।
আল্লাহ-
আল্লাহ শব্দের অর্থ-স্রষ্টা।অর্থাৎ যাহা দ্বারা আমি সৃষ্টি হয়েছি।এক কথায় জীব সৃষ্টির সকল উপাদান বা অণুপ্রাণই স্রষ্টা।
ধর্ম-
আরবি দ্বীন শব্দের বাংলা অর্থ ধর্ম বা স্বভাব।আল্লাহ সত্বার চরিত্রের নাম দ্বীন বা ধর্ম।তাই আল্লাহর চরিত্র গুণ বিচারে ৯৯ টি নাম করণ করা হয়েছে।একেক স্বভাব প্রাপ্ত হতে একেক নামের স্রষ্টা প্রাপ্ত হওয়া আবশ্যক।জীবের শরিরে যেই যেই স্রষ্টা বর্তমান সে সেই স্বভাবের অধিকারী হয়ে থাকে।
ইসলাম-
ইসলাম অর্থ শান্তি।প্রতিটি সৃষ্টিই জীবিত অবস্থায় শান্তিতে থাকতে চাই ।অর্থাৎ সৃষ্টির সকলেই ইসলাম ধর্ম প্রত্যাশী,তাই ইসলাম ধর্ম সব থেকে উত্তম ধর্ম।
কাফের-
ঢেঁকে যাওয়,নষ্ট হয়ে যাওয়া।অর্থাৎ ,দেহ মধ্যে আমার যে মহাস্বত্বা আছে তাহা বিনষ্ট হলে আমার যে অবস্থার সৃষ্টি হচ্ছে তার নাম কাফের।
শয়তান-
দেহ মধ্যস্থিত যে স্বত্বা আমার মহাস্বত্তার ধংস ক্রীয়া সাধন করছে ,তাহার নাম শয়তান।
নবি-
নবি শব্দের অর্থ-নতুন ধন।নতুন সৃষ্টি হেতু,নতুন নতুন স্রষ্টারা একত্রিত হয়ে উৎপত্তি হওয়া।এক কথায় পুরুষ লিঙ্গ,স্ত্রী-লিঙ্গ ও স্তনে যে ধন আসে তাহাকেই নতুন ধন বা নবি বলে।
নবুয়ত-
নবুয়ত শব্দের অর্থ নতুন ধন উৎপত্তি।এক কথায় পুরুষ লিঙ্গ,স্ত্রী-লিঙ্গ ও স্তনে যখন নতুন ধন উৎপত্তি হয়,তাহাকেই নবুয়ত বলে।
রাসুল-
রাসুল শব্দের অর্থ প্রাপক,অর্থাৎ যে এই নতুন ধন প্রাপ্ত হয় তাকেই রাসুল বলে।এক কথায় যে বা যাহারা পুরুষ লিঙ্গ,স্ত্রী-লিঙ্গ ও স্তনে যে ধন আসে তাহা প্রাপ্ত হয়েছে,তারাই রাসুল।
ইমান-
জীবের জীবণে অবস্থিত জীবিত শক্তি,জ্ঞান শক্তি,কর্ম শক্তি,যৌণ শক্তি,শ্রবণ শক্তি,দর্শণ শক্তি ও বাক শক্তি উৎপত্তিকারী মহাধনের নাম ইমান।তাই বলা হয়েছে-
ইমান নষ্ট করিও না।অর্থাৎ ইমান এমন একটা ধন বা বস্তু, যাহা নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা আছে।তাই বলা হয়েছে ইমান যেন নষ্ট না হয়।
ইমান হেফাযত বা সংরক্ষণ করো।অর্থাৎ ইমান একটি বস্তু যাহা সংরক্ষণ করা যায়।
ইমান আনো।অর্থাৎ কেহ যদি ইমান নষ্ট করে ফেলে তাহলে পূণরায় ইমান আনা বা সঞ্চয় করার ও প্রক্রীয়া আছে।
নামাজ-
আরবি সালাত শব্দে বাংলা অর্থ সংশোধণ।অর্থাৎ জীবের দেহে অবস্থিত ইমান অনুপাত তারতম্য হলে যাহার মাধ্যমে তাহা নিরুপণ করা যায়,তার নাম সালাত।
সিয়ম-
আরবি সিয়ম শব্দের অর্থ সংযম।অর্থাৎ জীবের দেহ হতে স্রষ্টা বিনষ্ট মিত্যব্যায়ীতা।এক কথায়,জীব দেহে যে সকল সত্বা আছে,তাহা প্রয়োজন মত হিসাব করে খরচ করারকে বুঝাই।
মুত্তাকি-
মুত্তাকি শব্দের অর্থ ছড়ানো বস্তু গোছানোকারী।অর্থাৎ জীবের দেহ হতে যে ইমান নষ্ট হচ্ছে বা হয়েছে তাহা পূরণ করাকে বুঝায়।এক কথায় জীবিত শক্তি,জ্ঞান শক্তি,কর্ম শক্তি,যৌণ শক্তি,শ্রবণ শক্তি,দর্শণ শক্তি ও বাক শক্তি উৎপত্তিকারী মহাসত্বা সঞ্চয় করা।
হজ্জ-
হ্জ্জ শব্দের অর্থ বৃদ্ধি।অর্থাৎ,ইমান ধন প্রয়োজন অপেক্ষা বৃদ্ধি প্রাপ্ত হওয়া।এক কথায় জীবের দেহে যে পরিমান ইমান ধন প্রয়োজন তার থেকে বেশি হয়ে যাওয়া।
যাকাত-
যাকাত শব্দের অর্থ দানের মাধ্যমে পবিত্র হওয়া।অর্থাৎ জীবের দেহে যখন ইমান ধন প্রয়োজন অতিরিক্ত হয়ে যায়,তখন যাকাত বা দানের মাধ্যমে ধন সমতা আনা।
ইবাদৎ-
আবাদ শব্দের অর্থ উৎপন্ন ও উপাষনা।
উৎপন্ন-দেহ মধ্যে নতুন নতুন স্রষ্টা উৎপন্ন করাকে বুঝায়।
উপাষনা-স্রষ্টাকে শান্তিতে রাখার জন্য শ্রম দেওয়ার নাম এবাদৎ বা উপাষনা।এক কথায় খাওয়া,পায়খানা পেশাব ও খাবার যোগাড় এ সবই এবাদতের আওতায় পড়ে।সেই সাথে ইমান ধন সঞ্চয়।
প্রভু চাইলে ০৫-০৭-২০১২ তারিখে, সাধন তত্ব নিয়ে পোষ্ট দিবো।অর্থাৎ কিভাবে আমরা এ সকল ধন সঞ্চয় করে সুস্থ সুন্দর থাকতে পারি।
সত্য সহায়।গুরুজী।।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন