সেরু পাগলার বয়ান-৩য় পর্ব



বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষে ধর্মগুরুজী।।ধর্ম পরিচয়।।ধৈর্যের সহিত যারা কোরান জানতে চান তাদের জন্য।।

ধর্ম কি?
প্রতিটি বস্তুর ক্রীয়ার ক্ষমতাকে ধর্ম বলেসেটা ভালো অথবা খারাপ হতে পারে
ধর্ম শব্দের অর্থ কি?
ধর্ম শব্দের অর্থ-স্বভাববস্তুর নিজস্ব ভাব বা ক্রীয়ার ক্ষমতাকেই ধর্ম বলা হয়
ধর্ম কত প্রকার?
যত প্রকারের বস্তু তত প্রকারের ধর্মকিন্ত ধর্ম সমগ্রকে গুণাগুনের দিক বিবেচনা করে দু-ভাগে ভাগ করা হয়েছেযথা-
সু-ধর্ম= যে সকল ধর্ম জীবের কল্যাণ সাধন কাজে ব্যবহৃত হয় তাহাই সু-ধর্ম
কু-ধর্ম= যে সকল ধর্ম জীবের -কল্যাণ সাধন কাজে ব্যবহৃত হয় তাহাই কু-ধর্ম
কেনো ধর্ম করতে হবে?
জীবের দেহ গঠন হয়েছে সু- কু-বস্তুর সমন্নয়েদেহ থেকে কু-বস্তুকে ধংস করে সু-বস্তুর প্রবেশ ঘটানোই ধর্ম করার একমাত্র কারণ
যদি সমস্ত জীবের দেহ থেকে কু-সত্বাকে ধংস করে সু-সত্বায় পরিপূর্ণ করা যাইতবেই বিশ্ব থেকে -শান্তি দুর করে বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব
আর কিভাবে দেহ থেকে কু-সত্বাকে ধংস করে সু-সত্বায় পরিপূর্ণ করা যাইতার সমস্ত সুত্র আসমানি কিতাবযথা-তাওরাত,জবুর ইঞ্জিল কোরানে(প্রচলিত)লিপি বদ্ধ আছে
সত্য সহায়গুরুজী।।
   
বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষে ধর্মগুরুজীএক সময়ে ৪০ জনের কাম ক্ষুধা নিবারণের ক্ষমতা পেতে চাইলে করণীয়।।পর্ব=এক।।
কেন ধর্ম করতে হবে?
প্রতিটি প্রাণ যেন অনন্তকাল শান্তিতে থাকতে পারেএজন্যই সকলকে ধর্ম করতে হবে
আর শান্তি পেতে হলে প্রাণীতে পাঁচটি বিষয়ের প্রাপ্তি ঘটতে হবে
ব্যাধিমুক্ত শরীর
ক্ষুধা নিবৃত্তির আহার
থাকিবার স্থান
ইজ্জত নিবারণের পোশাক
অন্যের দ্বারা অন্যায় আচরণ না পাওয়ার নিশ্চয়তা
কিভাবে ব্যাধিমুক্ত শরীর থাকা যায়?
নারী হলো আবাদ যোগ্য যমিন বা উপাষনার স্থান আর পুরুষ হলো আবাদী বা উপাষক বা কৃষক
প্রকাশ থাকে যে-স্থান কাল পাত্র বিশেষে নারী পুরুষ আট আট প্রকারের
যথাঃ-
হাইউন-জীবিতশক্তি=ইহার নারী পুরুষ আছে
ইহার নারীতে ইহার পুরুষ সঠিক এবাদত করতে পারলে সে তার হায়াত বৃদ্ধি করতে সক্ষম হবে
আলিমুন-জ্ঞান শক্তি=ইহার নারী পুরুষ আছে
ইহার নারীতে ইহার পুরুষ সঠিক এবাদত করতে পারলে সে তার জ্ঞান শক্তি বৃদ্ধি করতে সক্ষম হবে
কুদিরুন-কর্ম শক্তি=ইহার নারী পুরুষ আছে
ইহার নারীতে ইহার পুরুষ সঠিক এবাদত করতে পারলে সে তার কর্ম শক্তি বৃদ্ধি করতে সক্ষম হবে
মুরিদুন-যৌণ শক্তি=ইহার নারী পুরুষ আছে
ইহার নারীতে ইহার পুরুষ সঠিক এবাদত করতে পারলে সে তার যৌণ শক্তি বৃদ্ধি করতে সক্ষম হবে
সামিউন-শ্রবণ শক্তি=ইহার নারী পুরুষ আছে
ইহার নারীতে ইহার পুরুষ সঠিক এবাদত করতে পারলে সে তার শ্রবণ শক্তি বৃদ্ধি করতে সক্ষম হবে
বসিরুন-দর্শণ শক্তি=ইহার নারী পুরুষ আছে
ইহার নারীতে ইহার পুরুষ সঠিক এবাদত করতে পারলে সে তার দর্শণ শক্তি বৃদ্ধি করতে সক্ষম হবে
কলিমুন-বাক শক্তি=ইহার নারী পুরুষ আছে
ইহার নারীতে ইহার পুরুষ সঠিক এবাদত করতে পারলে সে তার বাক শক্তি বৃদ্ধি করতে সক্ষম হবে
জ্বীন-অবয়বধারী নারী, ইনসান-অবয়বধারী পুরুষ
ইহার নারীতে ইহার পুরুষ সঠিক এবাদত করতে পারলে সে উপরিউক্ত স্বত্বায় পরিপূর্ণ জ্বীন ইনসান বৃদ্ধি করতে সক্ষম হবে
তবেই প্রাণী ব্যাধিমুক্ত থাকতে সক্ষম হবে
আর এই আটটি শান্তির স্থান হলো আট বেহেশ্ত

যমিনে বীজ বপণের পর অঙ্কুরীত হওয়ার পরে যদি কোন কৃষক তার যমিনের পরিচর্যা না করে,পুণঃ পুণঃ বীজ বপণ করতে থাকে,তাহলে তাকে আপনারা কি বলবেননিশ্চয় পাগল

ঠিক তাহাই হলাম আমরা মানব জাতী,আশরাফুল মাখলুকাতযমিনে বীজ অঙ্কুরীত(স্ত্রীর গর্ভে সন্তান)হওয়ার পরও পূণঃপূণঃ বীজ বপণ করি

আমারা নির্দিষ্ট পরিমান বীজ নিয়ে জন্মগ্রহন করেছিআমাদের উচিৎ মৃত্যুর পূর্বদিন পর্য্যন্ত বীজ বপণ করবো,ফসল উৎপাদন করবো বীজ সংগ্রহ করে জন্ম সুত্রে প্রাপ্ত বীজ পূরণ করে পারলে বৃদ্ধি করে সংরক্ষণ করাকিন্তু আমরা সঞ্চয় না করে শুধু ব্যায় অপচয় করিআসুন আমরা কিভাবে বীজ অপচয় না করে সঞ্চয় করতে পারি তা জানার চেষ্টা করি

যদি আপনার বীজ শুন্য ডিগ্রি তাপ মাত্রার নিচে থাকে তাহলে কোন অবস্থাতেই আপনার বীজ ক্ষয় প্রাপ্ত হবে নাআপনার এক রুটি শত জনকে খাওয়ানোর পরেও আপনার রুটিটি থেকেই যাবেআর যে এই পর্যায়ে পৌছে যাই সেই সাধু

যদি বীজ বারো ডিগ্রি তাপ মাত্রার নিচে থাকে তাহলে সে এক সময়ে ৪০ জন নারীর কাম ক্ষুধা নিবারণের ক্ষমতা রাখে

যদি বীজ চব্বিশ ডিগ্রি তাপ মাত্রার নিচে থাকে তাহলে সে এক সময়ে ১০ জন নারীর কাম ক্ষুধা নিবারণের ক্ষমতা রাখে

যদি বীজ ছত্রিশ ডিগ্রি তাপ মাত্রার নিচে থাকে তাহলে সে এক সময়ে জন নারীর কাম ক্ষুধা নিবারণের ক্ষমতা রাখে

যদি বীজ আটচল্লিশ ডিগ্রি তাপ মাত্রার নিচে থাকে তাহলে সে এক সময়ে এক চতুর্থংশ জন নারীর কাম ক্ষুধা নিবারণের ক্ষমতা রাখে

যদি বীজ আটচল্লিশ ডিগ্রি তাপ মাত্রার উপরে থাকে তাহলে তার লিঙ্গ কাম ক্ষমতা হারিয়ে ফেলবেতাই আসুন,কিভাবে বীজ তাপমাত্রা কমাতে পারি তা জানার চেষ্টা করি

কজন পুরুষ সঠিক আবাদ প্রণালী জেনে নারীর কাছে গমন করেছিস্রেফ পশুর ক্ষুধা নিয়ে গমনের পরে অযাচিত ভাবে সন্তান হয়ে যাওয়ার পরে সন্তান বন্ধের প্রচেষ্টায় ব্যাস্ত হই

একজন গরু সন্তান জন্ম দেবার পর তার স্তনের দুধ দ্বারা নিজের বাচ্চা সহ ২৫-৩০ জন মানব শিশু প্রতিপালনে সক্ষমআর আমরা আশরাফুল মাখলুকাত হয়ে সন্তান জন্ম দেবার পরে ছুটে যাই গরুর কাছে,নিজ সন্তানের আহার ভিক্ষা চাইতেহায়রে আবাদি,হায়রে আশরাফুল মাখলুকাত

পুরুষ বীজের মালিকতার জমিনে সে যেই বীজ বপন করবে সেই গাছ অঙ্কুরীত হবেঅর্থাৎ সন্তান নারী,পুরুষ বা হীজড়া হওয়া একান্তই পুরুষের হাতেতাহলে প্রতিটি পুরুষেরই কি বিষয়ে জ্ঞান অর্জণ করা উচিৎ নয়?আসুন আমরা বিষয়ে জ্ঞান অর্জনের চেষ্টা করি
চলবে-------চলবে
এই লেখাটি ধারাবাহিক ভাবে প্রতিদিন দুপুর ১২টার মধ্যে প্রকাশ করার ইচ্ছা পোষণ করছি

সত্য সহায়গুরুজী।।
বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষে ধর্মগুরুজী।।৪০ জনের কাম ক্ষুধা নিবারণের ক্ষমতা পেতে চাইলে করণীয়।।পর্ব=দুই
এবাদৎ বলেন আর বন্দেগীই বলেন, পুরুষ নারীতে এবং নারী পুরুষেতেই সকল ধর্মীয় কৃত্যাদী করতে হবেইহা ব্যাতীত যত ধর্মীয় কৃষ্টি আছে আমার দৃষ্টিতে সবই কু-সংস্কারআসুন কু-সংস্কার ভেঙ্গে শান্তি প্রাপ্তির এবাদত শিখি করার চেষ্টা করি

সকল ধর্মীয় সম্প্রদায়ের মান্য করা ধর্মীয় গ্রন্থ তাদের স্রষ্টা হতে প্রাপ্ত এবং ইহলোক পরোলোকে শান্তি প্রাপ্তি হেতু প্রেরণ বলেই বিশ্বাস করেকিন্ত -প্রিয় হলেও সত্য এই যে,যারা সেই গ্রন্থ মান্যকারী তারা কেউই গ্রন্থের কারণে ইহলোকে শান্তি প্রাপ্ত হয়েছে শপথ করে বলতে পারবে নাতাহলে সকল ধর্মীয় গ্রন্থ মান্য করার কোন কারণ আছে বলে আমি মনে করি না

তবে নিশ্চিৎ ভাবে জেনে নিন, স্রষ্টা হতে প্রেরীত গ্রন্থ মান্য করা ব্যাতীত ইহলোক বা পরোলোকে কোন লোকেই শান্তি পাওয়া সম্ভব নয়

তবে আমরা যে সকল ধর্ম গ্রন্থগুলিকে স্রষ্টা হতে প্রেরীত বলে জানি এর একটিও স্রষ্টা হতে প্রেরীত নয়ইহা সবই আমার আপনার মত মানুষেরই লেখাতবে তারা মহামানুষআর স্রষ্টা হতে প্রেরীত গ্রন্থ সবই স্রষ্টার নিজ হাতের লেখা যাহার সংরক্ষণ স্রষ্টা নিজেই করেনএবং তাহার বাণীর কোন পরিবর্তনকারী নাইকিন্তু সকল ধর্মীয় গ্রন্থ অনেক পরিবর্তন পরিবর্ধন হয়েছেযার কিছু অংশ আমি পূর্বের লেখায় তুলে ধরেছি আগামীতে তুলে ধরার চেষ্টা করবো

গর্ভে শুক্র প্রবেশ কালে একজন মানুষ ১২৫ বৎসর বেঁচে থাকতে যে পরিমান আব হায়াত বা জীবণ পানি প্রয়োজন তা ধারণ করার মত একটি ভান্ড, ১০,০০০ বার যৌণ ক্রীয়া করার মত আব যমযম বা প্রবাহমান পানি ধারণ করার মত একটি ভান্ড এবং পাঁচ জাত,যথা- আগুন,পানি,মাটি,বাতাস,আলোএবং ইহাদের সাত গুণ,যথা-জীবিত শক্তি,জ্ঞান শক্তি,কর্ম শক্তি,যৌণ শক্তি,শ্রবণ শক্তি,দর্শণ শক্তি বাক শক্তি এদেরকে শান্তিময় পরিচালনা এবং ১২৫ বৎসর এর সাথে আরও ৭০ বৎসর এর হায়াত বৃদ্ধি এবং আরও ১০,০০০ বার যৌণ ক্রীয়াই ব্যাবহার করার মত যমযম সঞ্চয় প্রণালী জানার মত আব কাউসার বা জ্ঞান পানি ধারণ করা যায় এমন ভান্ড নিয়ে প্রবেশ করে

এর পরে গর্ভিনীর বাম ডান স্তন থেকে যথাক্রমে সাত পাঁচটি ভান্ড হতে বারো প্রকারের রস ২৮০ বারে মোট ২৮৬ বার প্রদান দ্বারা গর্ভস্থ সন্তানের তিন ভান্ড পূরণ এবং ভুমিষ্ট হওয়ার পরে মায়ের দুই স্তন থেকে প্রাপ্ত ধনে পরি পূর্ণ করে দেয়ার কথাকিন্তু আমরা আবাদ প্রণালী না জেনে আবাদ করার কারণে কদাচিৎ দু-একজন ব্যাতীত কেহই পূর্ণ ধন পেতে সক্ষম হই নাই

এই ধনই আমরা খরচ করছি,তাই হারানো ধন পূরণ করতে সেখানেই যেতে হবে

চলবে-------চলবে
এই লেখাটি ধারাবাহিক ভাবে প্রতিদিন দুপুর ১২টার মধ্যে প্রকাশ করার ইচ্ছা পোষণ করছি
পরবর্তি পর্ব=০৩=০৪=১২ তে প্রকাশ হবে
সত্য সহায়গুরুজী।।
বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষে ধর্মগুরুজী।।৪০ জনের কাম ক্ষুধা নিবারণের ক্ষমতা পেতে চাইলে করণীয়।।পর্ব=তিন
শুক্রাণু মাতৃগর্ভে প্রবেশ করানোর পূর্বেই প্রতিটি পুরুষেরই জানা আবশ্যক যে,কি প্রক্রিয়ায় শুক্রাণু গর্ভে প্রবেশ করালে সন্তান ছেলে,মেয়ে বা হিজড়া হয় এবং নিরোগ সন্তান জন্ম দেওয়া যায় এবং কিভাবে বিকলাঙ্গ সন্তান জন্ম রোধ করা যাইআসুন আজ আমরা বিষয়ে জানার চেষ্টা করি

সন্তান নারী পুরুষ কিংবা হিজড়া হয় কি কারণে-

পুরুষের শরিরের ডান দিক হতে শুক্র স্খলিত হলে সেই শুক্রে যে সন্তান হবে তাহা পুরুষ,বাম দিক থেকে শুক্র স্খলন হলে হবে নারী এবং দুইদিক থেকে সমভাবে শুক্র স্খলন হলে সেই শুক্রে জন্ম নেবে হিজড়া

কিভাবে আমরা জানতে পারবো শুক্র কোন দিক থেকে স্খলন হবে বা হচ্ছে-

নাকে দুটি ছিদ্র আছে,দুই ছিদ্রে সব সময় সমান শ্বাষ চলে নাযখন নাকের ডান ছিদ্রে শ্বাষ বেশি চলবে তখন সেই শুক্রে জন্ম নেবে পুরুষ,বাম ছিদ্রে শ্বাষ বেশি চললে জন্ম নেবে নারী এবং দুই ছিদ্রে সম ভাবে শ্বাষ চলাকালিন সময়ের শুক্রে জন্ম নেবে হিজড়া

আপনি যখন স্ত্রী-সহবাসে যেতে চাচ্ছেন একজন পুরুষ সন্তানের আশায় কিন্তু দেখলেন আপনার বাম ছিদ্রে শ্বাষ বেশি চলছে তখন আপনি কি করবেন

কিছু সময়ের জন্য যেই ছিদ্রে বেশি শ্বাষ চলাতে চান সেই ছিদ্র উপরের দিকে রেখে শুয়ে থাকুন১০-১৫ মিনিটের মধ্যেই আপনার ইচ্ছামত ছিদ্রে বেশি শ্বাষ চলাতে সক্ষম হবেন

গর্ভে শুক্রাণু ধারনের পূর্বে একজন নারীকে অবশ্যই জানতে হবে কোন কোন বারে সে সন্তান ধারণ ক্ষমতা রাখেতাহলে সে তার ইচ্ছামত সন্তান ধারণ জন্ম নিয়ন্ত্রণ করতে পারে আসুন আমরা জেনে নিই নারী কোন কোন বার সন্তান ধারণ ক্ষমতা রাখে

যেদিন ঋতু স্রাব হবে সেই দিনকে প্রথম তারিখ হিসাবে ১০,১১,১২,২১ও ২৫ তারিখ নারী সন্তান ধারণ ক্ষমতা রাখেইহা ব্যাতীত অন্য কোন তারিখে নারী সন্তান ধারণ ক্ষমতা রাখে না

১০ ১২ তারিখ ১৮ ঘন্টা সন্তান ধারণ ক্ষমতা রাখে,১১ তারিখ ২৪ ঘন্টা,২১ তারিখ ১২ ঘন্টা এবং ২৫ তারিখ মাত্র ঘন্টা সন্তান ধারণ ক্ষমতা রাখে

১০ ১২ তারিখ সন্তান নিলে সেই সন্তানের গায়ের রং পিতা মাতার মিশ্র বর্ণ হবে১১ তারিখে পিতা মাতা অপেক্ষা উজ্জল বর্ণের হবে২১ তারিখে পিতা মাতা অপেক্ষা কিঞ্চিৎ কালো এবং ২৫ তারিখে পিতা মাতা অপেক্ষা অধিক কালো বর্ণের হবে

শুক্রাণু গর্ভে প্রবেশের পরে মায়ের বাম স্তনের সাতটি ভান্ড হতে সন্তানকে গুণ গঠন রস ডান স্তনের পাঁচটি ভান্ড হতে দেহ গঠন রস দিতে থাকে

বাম স্তনের সাতটি ভান্ডের নাম যথাক্রমে-

রবি বার-সূর্য্য গুণ-হাইউন -জীবিত শক্তি
সোম বার-চন্দ্র গুণ-আলিমুন -জ্ঞান শক্তি
মঙ্গল বার-শুভ গুণ-কুদিরুন -কর্ম শক্তি
বুধ বার-অণুভুক গুণ-সামিউন -শ্রবণ শক্তি
বৃহষ্পতি বার-সর্বভুক গুণ-বসিরুন -দর্শণ শক্তি
শুক্র বার-বীর্য্য গুণ-মুরিদুন -যৌণ শক্তি
শনি বার-অশুভ গুণ-কলিমুন -বাক শক্তি

এই সাতটি ভান্ডের প্রতিটি ভান্ডই আলাদা আলাদা বারে ৪০ বার করে রস দেই্তাতে সাতটি ভান্ড হতে সন্তান সাত গুণ চল্লিশ সমান ২৮০ বারে মোট ২৮৬টি রস দেয়

কেনো সন্তান খুঁত নিয়ে জন্ম নেয়

রবিতে গ্রহন সময়ে স্বামী-স্ত্রী সহবাস করলে মৃত সন্তান,সোম বারে পাগল,মঙ্গল বারে পঙ্গু,বুধ বারে কালা,বৃহষ্পতি বারে অন্ধ,শুক্র বারে খোজা,শনি বারে বোবা,

চলবে----চলবে

পরবর্তি পর্ব ০৫-০৪-১২ তারিখে প্রকাশের ইচ্ছা আছে

সত্য সহায়গুরুজী।।
বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষে ধর্মগুরুজী।।৪০ জনের কাম ক্ষুধা নিবারণের ক্ষমতা পেতে চাইলে করণীয়।।পর্ব=চার
শুক্রাণু পিতার দেহ থেকে স্খলন সময়ে দুটি অন্ডোকোষের বহিঃর্গমন স্থানে দুটি গ্রন্থির সাথে ঘর্ষণ প্রাপ্ত হয়ে ১২৫ বৎসরের আয়ু প্রাপ্ত হয়ে গর্ভে পবেশ করেগর্ভে প্রবেশের পরে বৎসরের হায়াত বিয়োগ হয়ে ১২০ বৎসর হয়ে যায়

প্রকাশ থাকে যে শুক্র স্খলন সময় নাকের যে ছিদ্রে শ্বাষ বেশি চলে সেই দিকের শুক্রকীট দুইলক্ষ চব্বিশ হাজার যে দিকে শ্বাষ কম চলে সেই দিকে এক লক্ষ চব্বিশ হাজার মোট তিন লক্ষ আটচল্লিশ হাজার পূর্ণ জীবিত শুক্রকীট মাতৃগর্ভে প্রবেশ করেপ্রবেশের পর এক কীট আরেক কীটকে খেতে থাকে, এভাবে ৬০ ঘন্টা খাওয়া খাওয়ি পর্ব শেষ করে, যে দিকের শ্বাষ ক্রীয়া বেশি ছিলো সেই দিকের কীট টিকে থাকে এই ৬০ ঘন্টার জন্যই গর্ভের সন্তান এর বৎসরের হায়াত কাটা যায়

এর পর ডান স্তনের পাঁচটি ভান্ড,যথা-

নূর
আগুন
পানি
বাতাস
মাটি

নিজ অক্ষের উপর ৫৬ বার আবর্তন কালে প্রত্যেকেই গর্ভের সন্তানকে ৫৬ বার করে মোট ২৮০ বার রস দেয়সেই রসেই এক বিন্দু শুক্রকীট এর পাঁচটি দেহ বা ভান্ড তৈরী হয়যথা-

নূর দিয়ে যে দেহ গঠন হয় তার নাম-ওয়াজেবুল অজুদ

আগুন দিয়ে যে দেহ গঠন হয় তার নাম-মোমকেনাল অজুদ

পানি দিয়ে যে দেহ গঠন হয় তার নাম-মোমতেনাল অজুদ

বাতাস দিয়ে যে দেহ গঠন হয় তার নাম-অহেদাল অজুদ

মাটি দিয়ে যে দেহ গঠন হয় তার নাম-আরেফাল অজুদ

অর্থাত, আমারা জীবেরা যে দেহ নিয়ে চলাফেরা করছি এই দেহের মধ্যে উপরিউক্ত পাঁচটি দেহ বর্তমান

এই পাঁচটি দেহ বা ভান্ডের মধ্যে বাম স্তন এর সাতটি ভান্ড হতে সাতটি রস নিজ অক্ষের উপর ৪০ বার আবর্তন কালে ২৮০ বার রস দেয়যথা-

হাইউন
আলিমুন
কুদিরুন
সামিউন
বসিরুন
মুরিদুন
কলিমুন

শুক্রকীটের যে ভান্ডে গর্ভিনী তার ডান স্তন থেকে নূর রস ৫৬ বার দেই সেই ভান্ডেই বাম স্তন থেকে হাইউন রস ৪০ বার দেয়

শুক্রকীটের যে ভান্ডে গর্ভিনী তার ডান স্তন থেকে বাতাস রস ৫৬ বার দেই সেই ভান্ডেই বাম স্তন থেকে আলিমুন রস ৪০ বার এবং সামিউন রস ৪০ বার মোট ৮০ বার দেয়

শুক্রকীটের যে ভান্ডে গর্ভিনী তার ডান স্তন থেকে আগুন রস ৫৬ বার দেই সেই ভান্ডেই বাম স্তন থেকে মুরিদুন রস ৪০ বার এবং বসিরুন রস ৪০ বার মোট ৮০ বার দেয়

শুক্রকীটের যে ভান্ডে গর্ভিনী তার ডান স্তন থেকে পানি রস ৫৬ বার দেই সেই ভান্ডেই বাম স্তন থেকে কলিমুন রস ৪০ বার দেয়

শুক্রকীটের যে ভান্ডে গর্ভিনী তার ডান স্তন থেকে মাটি রস ৫৬ বার দেই সেই ভান্ডেই বাম স্তন থেকে কুদিরুন রস ৪০ বার দেয়

ডান স্তনের রসে পাঁচটি জাত বা বস্তুর উৎপত্তি হয়েছে,যথা-

নূর
আগুন
পানি
বাতাস
মাটি

বাম স্তনের রসে সাতটি ছেফাত বা গুন উৎপত্তি হয়েছে,যথা-

হাইউন
আলিমুন
কুদিরুন
সামিউন
বসিরুন
মুরিদুন
কলিমুন

ডান স্তন নিজ অক্ষের উপর ৫৬ বার আবর্তন কালে এবং বাম স্তন নিজ অক্ষের উপর ৪০ বার আবর্তন কালে নূর জাতটি সাতটি ছেফাতের সাথে বার করে সামনা সামনি হয়,এই সামনা সামনি হওয়া কালিন সময়ে উভয়ে যে রস দেই তাতেই পূর্বে প্রাপ্ত সমস্ত রস নির্দিষ্ট সময়ের জন্য সংরক্ষিত হয়উহাই সংরক্ষিত রস নামে পরিচিত

প্রকাশ থাকে যে, ডান স্তন নিজ অক্ষের উপর একবার ঘুরে আসতে সময় লাগে ১২০ ঘন্টা এবং বাম স্তন একবার নিজ অক্ষের উপর ঘুরে আসতে সময় লাগে ১৬৮ ঘন্টাআর জাত ছেফাত নিজ অক্ষের উপর একবার ঘুরে আসতে সময় লাগে ২৪ ঘন্টা

নূর জাত ছেফাত সামনা সামনি হওয়া কালকেই গ্রহন বলে, আর গ্রহন কালে গর্ভিনী সহবাস করলে গর্ভের সন্তান সংরক্ষিত রস পায় নাআর এভাবে যদি কোন ছেফাত পাঁচ বার সংরক্ষিত রস না পায়তাহলে গর্ভের সন্তান সেই ছেফাত বঞ্চিত হয়েই ভূমিষ্ট হবে

চলবে------------চলবে

পরবর্তি পর্ব ০৮-০৪-১২ প্রকাশের আশা করছি

সত্য সহায়গুরুজী।।



বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষে ধর্মগুরুজী।।আমি মুক্তি চাই,আমি শান্তি চাই।।

আমি পানির নিচে শুধু মাত্র কাদার মধ্যে বিচরণশীল ভাবে ১২ লক্ষ বার জন্মেছি এবং মরেছি আবার জন্মেছি
আমি পানি কাদার মধ্যে সমবিচরণশীল ভাবে ১২ লক্ষ বার জন্মেছি এবং মরেছি আবার জন্মেছি
আমি শুধু মাত্র পানির মধ্যে বিচরণশীল ভাবে ১২ লক্ষ বার জন্মেছি এবং মরেছি আবার জন্মেছি
আমি পানি ডাঙ্গায় সমবিচরণশীল ভাবে ১২ লক্ষ বার জন্মেছি এবং মরেছি আবার জন্মেছি
আমি শুধু মাত্র ডাঙ্গায় বিচরণশীল ভাবে ১২ লক্ষ বার জন্মেছি এবং মরেছি আবার জন্মেছি
আমি আর ডাঙ্গা আকাশে সমবিচরণশীল হয়ে ১২ লক্ষ বার জন্ম মরনের প্যাঁচে পড়তে চাই না
আমি আর শুধু মাত্র আকাশে বিচরণশীল হয়ে ১২ লক্ষ বার জন্ম মরনের প্যাঁচে পড়তে চাই না
এই জনম থেকেই আমি স্রষ্টার জাতের সাথে মিশে গিয়ে জন্ম মৃত্যুর বাইরে চলে যেতে চাইতবেই আমার মুক্তি,তবেই আমার চির শান্তি
আর সেজন্য আমার এক মাত্র করণীয় আমার দেহ থেকে যে পরিমান শুক্রাণু আমি পৃথিবীতে ছড়িয়ে ফেলেছি,সেই শুক্রাণু সাগর, নদি মুরুভুমি যেখানেই থাকুক না কেন তাদেরকে আবার আমার দেহে ফিরিয়ে আনতে হবেতবেই হবে আমার মুক্তি,তবেই হবে আমার বন্ধুর সাথে মিলন
তাই লালন শাহ বলেছেন-
মিলন হবে কত দিনে
আমার মনের মানুষেরই সনে।।
চাতকো প্রায় অহর্নিশি,চেয়ে আছি কালা শশি
হবো বলে চরণো দাসি,তা হয়না কপাল গুণে।।
মেঘের বিদ্যুৎ মেঘেই যেমন,লুকালে না পাই অন্বেষন
কালারে হারায়ে তেমন,ঐরুপ হেরি দর্পণে।।
ঐরুপ যখন স্মরনো হয়,থাকে না লোক লজ্জার ভয়
লালন ফকির ভেবে বলে সদায়, প্রেম যে করে সেই জানে।।

সত্য সহায়গুরুজী।।

বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষে ধর্মগুরুজী।।৪০ জনের কাম ক্ষুধা নিবারণের ক্ষমতা পেতে চাইলে করণীয়।।পর্ব=পাঁচ
পূর্বেই আলোচনা করা হয়েছে যে ,গর্ভের সন্তানকে বাম স্তন এর সাতটি ভান্ড থেকে প্রত্যেকেই ৪০ দিন করে ডান স্তনের পাঁচটি ভান্ড থেকে প্রত্যকেই ৫৬ দিন করে রস দেয়বাম স্তনের সাতটি ভান্ড ২৮০ দিনে সন্তানকে যে রস দেয় তাহাকে সংরক্ষণ করার জন্য যে রসটি কাজ করে তাহা ডান স্তন থেকে প্রাপ্ত নূর নামক জাত রস
এই নূর জাত রস সাতটি সেফাত বা গুণকে মোট ৫৬ দিন রস দেয়এবং প্রতিটি সেফাত মোট দিন করে সংরক্ষিত রস পায়তাই গর্ভে সন্তান প্রবেশের পরে যে ৫৬ দিন নূর জাত রস দেয় সেই ৫৬ দিন গর্ভিনীর সহবাস নিসিদ্ধ কালএই ৫৬ দিনের মধ্যে সহবাস করলে নূর জাত রস যেই সেফাতে প্রাপ্ত হওয়ার কথা সেই সেফাতটি তাহার সংরক্ষিত রস পাবেনা
আর কোন সেফাত যদি দিনের নূর জাত রস না পায় তাহলে সাড়ে ১২ পার্সেন্ট কম ক্ষমতা প্রাপ্ত হবে যদি দিন রস না পায় তাহলে ২৫ পার্সেন্ট , দিনে ৫০ পার্সেন্ট , দিনে ৮০ পার্সেন্ট এবং দিন সংরক্ষিত রস না পেলে সেই সেফাত হীন হয়ে জন্ম নেবেঅর্থাৎ যদি কোন সেফাতে নূর জাত রস প্রাপ্ত হেওয়ার নির্ধারিত দিনের দিন গর্ভিনী সহবাস করে তাহলে সেই সেফাত হীন হয়ে জন্ম নেবে
প্রকাশ থাকে যে,যে দিন গর্ভে সন্তান প্রবেশ করবে এর চতুর্থ দিন থেকে জাত সেফাতি রস প্রদান শুরু হয়তাই শুক্রাণু গর্ভে প্রবেশের চতুর্থ দিনকে তারিখ ধরে মাস তারিখের হিসাব নিস্নরুপ
আসুন জেনে নিই নূর জাত রস যে ৫৬ দিন রস দেই তাহা কোন মাসের কত তারিখে কোন সেফাতে রস প্রদান করে
হাইউন বা জীবিত শক্তিকে সংরক্ষণকারী রস = নূর
=২য় মাসের তারিখহাইউন
=৩য় মাসের তারিখহাইউন
=৪র্থ মাসের ১৫ তারিখহাইউন
=৫ম মাসের ২২ তারিখহাইউন
=৭ম মাসের তারিখ হাইউন
=৮ম মাসের তারিখহাইউন
=৯ম মাসের ১৫ তারিখহাইউন
=১০ম মাসের ২২ তারিখহাইউন
আলিমুন বা জ্ঞান শক্তিকে সংরক্ষণকারী রস
=১ম মাসের তারিখআলিমুন
১০=২য় মাসের ১৬ তারিখআলিমুন
১১=৩য় মাসের ২৩ তারিখআলিমুন
১২=৫ম মাসের তারিখআলিমুন
১৩=৬ষ্ঠ মাসের তারিখআলিমুন
১৪=৭ম মাসের ১৬ তারিখআলিমুন
১৫=৮ম মাসের ২৩ তারিখআলিমুন
১৬=১০ম মাসের তারিখআলিমুন

কুদিরুন বা কর্ম শক্তিকে সংরক্ষণকারী রস
১৭=১ম মাসের ২৪ তারিখকুদিরুন
১৮=৩য় মাসের তারিখকুদিরুন
১৯=৪র্থ মাসের ১০ তারিখকুদিরুন
২০=৫ম মাসের ১৭ তারিখকুদিরুন
২১=৬ষ্ঠ মাসের ২৪ তারিখকুদিরুন
২২=৮ম মাসের তারিখকুদিরুন
২৩=৯ম মাসের ১০ তারিখেকুদিরুন
২৪=১০ম মাসের ১৭ তারিখকুদিরুন
সামিউন বা শ্রবণ শক্তিকে সংরক্ষণকারী রস
২৫=১ম মাসের তারিখসামিউন
২৬=২য় মাসের ১১ তারিখসামিউন
২৭=৩য় মাসের ১৮ তারিখসামিউন
২৮=৪র্থ মাসের ২৫ তারিখসামিউন
২৯=৬ষ্ঠ মাসের তারিখসামিউন
৩০=৭ম মাসের ১১ তারিখসামিউন
৩১=৮ম মাসের ১৮ তারিখসামিউন
৩২=৯ম মাসের ২৫ তারিখসামিউন
বসিরুন বা দর্শণ শক্তিকে সংরক্ষণকারী রস
৩৩=১ম মাসের ১৯ তারিখবসিরুন
৩৪=২য় মাসের ২৬ তারিখবসিরুন
৩৫=৪র্থ মাসের তারিখবসিরুন
৩৬=৫ম মাসের ১২ তারিখবসিরুন
৩৭=৬ষ্ঠ মাসের ১৯ তারিখবসিরুন
৩৮=৭ম মাসের ২৬ তারিখবসিরুন
৩৯=৯ম মাসের তারিখবসিরুন
৪০=১০ম মাসের ১২ তারিখবসিরুন
মুরিদুন বা যৌণ শক্তিকে সংরক্ষণকারী রস
৪১=২য় মাসের তারিখমুরিদুন
৪২=৩য় মাসের ১৩ তারিখমুরিদুন
৪৩=৪র্থ মাসের ২০ তারিখমুরিদুন
৪৪=৫ম মাসের ২৭ তারিখমুরিদুন
৪৫=৭ম মাসের তারিখমুরিদুন
৪৬=৮ম মাসের ১৩ তারিখমুরিদুন
৪৭=৯ম মাসের ২০ তারিখমুরিদুন
৪৮=১০ম মাসের ২৭ তারিখমুরিদুন
কলিমুন বা বাক শক্তিকে সংরক্ষণকারী রস
৪৯=১ম মাসের ১৪ তারিখকলিমুন
৫০=২য় মাসের ২১ তারিখকলিমুন
৫১=৩য় মাসের ২৮ তারিখকলিমুন
৫২=৫ম মাসের তারিখকলিমুন
৫৩=৬ষ্ঠ মাসের ১৪ তারিখকলিমুন
৫৪=৭ম মাসের ২১ তারিখকলিমুন
৫৫=৮ম মাসের ২৮ তারিখকলিমুন
৫৬=১০ম মাসের তারিখকলিমুন
আগুন জাত সাত সেফাতকে মোট ৫৬ দিনে প্রত্যেক সেফাতকে দিন করে রস দেইআর সেই রস নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত সেফাত মন্ডলিকে উত্তপ্ত রাখে
প্রকাশ থাকে যে নিখুঁত,পরিপুষ্ট সুস্থ সন্তান জন্ম দিতে হলে গর্ভে শুক্রাণু প্রবেশের পরে আগুন জাত রস সেফাতকে ৫৬ দিন রস দেয়া কালে গর্ভিনীকে অবশ্যয় ২৮ দিন সহবাস করতে হবে
আসুন জেনে নিই নূর জাত রস যে ৫৬ দিন রস দেই তাহা কোন মাসের কত তারিখে কোন সেফাতে রস প্রদান করে
হাইউন বা জীবিত শক্তিকে উত্তপ্তকারী রস =আগুন
=১ম মাসের ১৫ তারিখেহাইউন
=২য় মাসের ২২ তারিখেহাইউন
=৪র্থ মাসের তারিখেহাইউন
=৫ম মাসের তারিখেহাইউন
=৬ষ্ঠ মাসের ১৫ তারিখেহাইউন
=৭ম মাসের ২২ তারিখেহাইউন
=৯ম মাসের তারিখেহাইউন
=১০ম মাসের তারিখেহাইউন
আলিমুন বা জ্ঞান শক্তিকে উত্তপ্তকারী রস
=২য় মাসের তারিখেআলিমুন
১০=৩য় মাসের তারিখেআলিমুন
১১=৪র্থ মাসের ১৬ তারিখেআলিমুন
১২=৫ম মাসের ২৩ তারিখেআলিমুন
১৩=৭ম মাসের তারিখেআলিমুন
১৪=৮ম মাসের তারিখেআলিমুন
১৫=৯ম মাসের ১৬ তারিখেআলিমুন
১৬=১০ম মাসের ২৩ তারিখেআলিমুন
কুদিরুন বা কর্ম শক্তিকে উত্তপ্তকারী রস
১৭=১ম মাসের ১০ তারিখেকুদিরুন
১৮=২য় মাসের ১৭ তারিখেকুদিরুন
১৯=৩য় মাসের ২৪ তারিখেকুদিরুন
২০=৫ম মাসের তারিখেকুদিরুন
২১=৬ষ্ঠ মাসের ১০ তারিখেকুদিরুন
২২=৭ম মাসের ১৭ তারিখেকুদিরুন
২৩=৮ম মাসের ২৪ তারিখেকুদিরুন
২৪=১০ম মাসের তারিখেকুদিরুন
সামিউন বা শ্রবণ শক্তিকে উত্তপ্তকারী রস
২৫=১ম মাসের ২৫ তারিখেসামিউন
২৬=৩য় মাসের তারিখেসামিউন
২৭=৪র্থ মাসের ১১ তারিখেসামিউন
২৮=৫ম মাসের ১৮ তারিখেসামিউন
২৯=৬ষ্ঠ মাসের ২৫ তারিখেসামিউন
৩০=৮ম মাসের তারিখেসামিউন
৩১=৯ম মাসের ১১ তারিখেসামিউন
৩২=১০ম মাসের ১৮ তারিখেসামিউন
বসিরুন বা দর্শণ শক্তিকে উত্তপ্তকারী রস
৩৩=১ম মাসের তারিখেবসিরুন
৩৪=২য় মাসের ১২ তারিখেবসিরুন
৩৫=৩য় মাসের ১৯ তারিখেবসিরুন
৩৬=৪র্থ মাসের ২৬ তারিখেবসিরুন
৩৭=৬ষ্ঠ মাসের তারিখেবসিরুন
৩৮=৭ম মাসের ১২ তারিখেবসিরুন
৩৯=৮ম মাসের ১৯ তারিখেবসিরুন
৪০=৯ম মাসের ২৬ তারিখেবসিরুন
মুরিদুন বা যৌণ শক্তিকে উত্তপ্তকারী রস
৪১=১ম মাসের ২০ তারিখেমুরিদুন
৪২=২য় মাসের ২৭ তারিখেমুরিদুন
৪৩=৪র্থ মাসের তারিখেমুরিদুন
৪৪=৫ম মাসের ১৩ তারিখেমুরিদুন
৪৫=৬ষ্ঠ মাসের ২০ তারিখেমুরিদুন
৪৬=৭ম মাসের ২৭ তারিখেমুরিদুন
৪৭=৯ম মাসের তারিখেমুরিদুন
৪৮=১০ম মাসের ১৩ তারিখেমুরিদুন
কলিমুন বা বাক শক্তিকে উত্তপ্তকারী রস
৪৯=২য় মাসের তারিখেকলিমুন
৫০=৩য় মাসের ১৪ তারিখেকলিমুন
৫১=৪র্থ মাসের ২১ তারিখেকলিমুন
৫২=৫ম মাসের ২৮ তারিখেকলিমুন
৫৩=৭ম মাসের তারিখেকলিমুন
৫৪=৮ম মাসের ১৪ তারিখেকলিমুন
৫৫=৯ম মাসের ২১ তারিখেকলিমুন
৫৬=১০ম মাসের ২৮ তারিখেকলিমুন
আসুন জেনে নিই গর্ভিনীকে কোন কোন তারিখ অবশ্যয় সহবাস করতে হবে
হাইউন বা জীবিত শক্তিকে উত্তপ্তকারী রস =আগুন
=১ম মাসের ১৫ তারিখেহাইউন
=৬ষ্ঠ মাসের ১৫ তারিখেহাইউন
=২য় মাসের ২২ তারিখেহাইউন
=৭ম মাসের ২২ তারিখেহাইউ
=৪র্থ মাসের তারিখেহাইউন
=৯ম মাসের তারিখেহাইউন
=৫ম মাসের তারিখেহাইউন
=১০ম মাসের তারিখেহাইউন
উপরিউক্ত তালিকাটিতে লক্ষ করুনহাইউন সেফাতকে আগুন জাত যে দিন রস দেয় তাহার দু-বার মাসের ১৫ তারিখ, দু-বার মাসের ২২ তারিখ,দু-বার মাসের তারিখ দু-বার মাসের তারিখএর প্রত্যেক জোড় তারিখ হতে এক দিন করে অবশ্যয় সহবাস করতে হবেঅর্থাৎ প্রত্যেক সেফাতে দিন হিসাবে সেফাতে মোট ২৮ দিন সহবাস করতে হবে
নিম্নে পূর্ণাঙ্গ তালিকা দেয়া হলো
আলিমুন বা জ্ঞান শক্তিকে উত্তপ্তকারী রস
=২য় মাসের তারিখেআলিমুন
১৩=৭ম মাসের তারিখেআলিমুন
১০=৩য় মাসের তারিখেআলিমুন
১৪=৮ম মাসের তারিখেআলিমুন
১১=৪র্থ মাসের ১৬ তারিখেআলিমুন
১৫=৯ম মাসের ১৬ তারিখেআলিমুন
১২=৫ম মাসের ২৩ তারিখেআলিমুন
১৬=১০ম মাসের ২৩ তারিখেআলিমুন
কুদিরুন বা কর্ম শক্তিকে উত্তপ্তকারী রস
১৭=১ম মাসের ১০ তারিখেকুদিরুন
২১=৬ষ্ঠ মাসের ১০ তারিখেকুদিরুন
১৮=২য় মাসের ১৭ তারিখেকুদিরুন
২২=৭ম মাসের ১৭ তারিখেকুদিরুন
১৯=৩য় মাসের ২৪ তারিখেকুদিরুন
২৩=৮ম মাসের ২৪ তারিখেকুদিরুন
২০=৫ম মাসের তারিখেকুদিরুন
২৪=১০ম মাসের তারিখেকুদিরুন
সামিউন বা শ্রবণ শক্তিকে উত্তপ্তকারী রস
২৫=১ম মাসের ২৫ তারিখেসামিউন
২৯=৬ষ্ঠ মাসের ২৫ তারিখেসামিউন
২৬=৩য় মাসের তারিখেসামিউন
৩০=৮ম মাসের তারিখেসামিউন
২৭=৪র্থ মাসের ১১ তারিখেসামিউন
৩১=৯ম মাসের ১১ তারিখেসামিউন
২৮=৫ম মাসের ১৮ তারিখেসামিউন
৩২=১০ম মাসের ১৮ তারিখেসামিউন
বসিরুন বা দর্শণ শক্তিকে উত্তপ্তকারী রস
৩৩=১ম মাসের তারিখেবসিরুন
৩৭=৬ষ্ঠ মাসের তারিখেবসিরুন
৩৪=২য় মাসের ১২ তারিখেবসিরুন
৩৮=৭ম মাসের ১২ তারিখেবসিরুন
৩৫=৩য় মাসের ১৯ তারিখেবসিরুন
৩৯=৮ম মাসের ১৯ তারিখেবসিরুন
৩৬=৪র্থ মাসের ২৬ তারিখেবসিরুন
৪০=৯ম মাসের ২৬ তারিখেবসিরুন
মুরিদুন বা যৌণ শক্তিকে উত্তপ্তকারী রস
৪১=১ম মাসের ২০ তারিখেমুরিদুন
৪৫=৬ষ্ঠ মাসের ২০ তারিখেমুরিদুন
৪২=২য় মাসের ২৭ তারিখেমুরিদুন
৪৬=৭ম মাসের ২৭ তারিখেমুরিদুন
৪৩=৪র্থ মাসের তারিখেমুরিদুন
৪৭=৯ম মাসের তারিখেমুরিদুন
৪৪=৫ম মাসের ১৩ তারিখেমুরিদুন
৪৮=১০ম মাসের ১৩ তারিখেমুরিদুন
কলিমুন বা বাক শক্তিকে উত্তপ্তকারী রস
৪৯=২য় মাসের তারিখেকলিমুন
৫৩=৭ম মাসের তারিখেকলিমুন
৫০=৩য় মাসের ১৪ তারিখেকলিমুন
৫৪=৮ম মাসের ১৪ তারিখেকলিমুন
৫১=৪র্থ মাসের ২১ তারিখেকলিমুন
৫৫=৯ম মাসের ২১ তারিখেকলিমুন
৫২=৫ম মাসের ২৮ তারিখেকলিমুন
৫৬=১০ম মাসের ২৮ তারিখেকলিমুন
আর আমরা এখান থেকে প্রাপ্ত রস খরচ করছি,আর এই রস হ্রাস আমাদের অচল করে দিচ্ছেআর এই রসের অনুপাত তারতম্যের জন্যই অসুখ বিসুখ বিভিন্ন চরিত্র বা ধর্ম অধিকারী হয়েছিসুস্থ সুন্দর থাকতে সুন্দর চরিত্র গঠন করতে পুনঃ এই রস প্রয়োজন এর কোন বিকল্প নাই
চলবে----------------চলবে
পরের পর্বটি ১১/০৪/১২ তারিখে প্রকাশের আশা করছি
সত্য সহায়গুরুজী
বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষে ধর্মগুরুজী।।৪০ জনের কাম ক্ষুধা নিবারণের ক্ষমতা পেতে চাইলে করণীয়।।পর্ব=ছয়
সমস্ত সৃষ্টিই পাঁচ জাত বা বস্তুতে,যথা-আগুন,পানি,মাটি,বাতাস নূর দিয়ে গড়া
আমাদের এই দেহের মধ্যে নূর দিয়ে যে দেহটি গঠন হয়েছে, সেই দেহটির নাম ওয়াজেবল অজুদ বা অপরিহার্য দেহ আল্লাহর দেহএই দেহকে জীবিত করে রাখে যে রুহ বা আত্মা তার নাম রুহে কুদচি বা পবিত্র আত্মা,আর এই রুহে কুদচির নফস বা আকাঙ্খার নাম নফসে রহমানি,বা দয়াময়ী আকাঙ্খাযে সর্ব অবস্থায় নিজের প্রতি দয়ালু নিশ্চিত জানবেন তার দেহে রুহে কুদচির প্রভাব বেশিযার সমস্ত আত্মা রুহে কুদচির আয়ত্বাধীন সেই পবিত্র এবং সে নিজেই আল্লাহসে যে রাস্তায় চলে বা এবাদৎ করে,সে পথটির নাম অহেদানিয়াতসে নিজের কল্যাণ নিজের উপকার ব্যাতীত কিছুই বুঝে না আমাদের উচিৎএরুপ লোকের নেতৃত্বে চলাতবেই বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব
আমাদের এই দেহের মধ্যে বাতাস দিয়ে যে দেহটি গঠন হয়েছে, সেই দেহটির নাম অহেদাল অজুদ বা একত্ববাদী দেহ এই দেহকে জীবিত করে রাখে যে রুহ বা আত্মা তার নাম রুহে ইনছানি বা মানুষ আত্মা,আর এই রুহে ইনছানির নফস বা আকাঙ্খার নাম নফসে মোৎমাইন্না বা বীর্য্য উৎপত্তি মানবতা আকাঙ্খাযে সর্ব অবস্থায় সৃষ্টির প্রতি মানবতাভাবা সম্পন্ন, নিশ্চিত জানবেন তার দেহে রুহে ইনছানির প্রভাব বেশিযার সমস্ত আত্মা রুহে ইনছানির আয়ত্বাধীন সেই মানুষসে যে রাস্তায় চলে বা এবাদৎ করে,সে পথটির নাম মারিফাত জ্ঞান রাস্তাসে কোলাহল মুক্ত শান্তিতে নিজে থাকতে অন্যকে নিজ রাস্তায় আনার জন্য চেষ্টা করেআমাদের উচিৎএরুপ লোকের নেতৃত্বে চলাতবেই বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব
আমাদের এই দেহের মধ্যে আগুন দিয়ে যে দেহটি গঠন হয়েছে, সেই দেহটির নাম মোমকেনাল অজুদ বা যান্ত্রীক দেহএই দেহকে জীবিত করে রাখে যে রুহ বা আত্মা তার নাম রুহে হাইয়ান বা পশু আত্মা,আর এই রুহে হাইয়ানীর নফস বা আকাঙ্খার নাম নফসে আম্মারা বা আদেশ পালনকারী আকাঙ্খাযে সর্ব অবস্থায় সৃষ্টির প্রতি আদেশ পালনকারী,কঠোর,দয়ামায়াহীন,ক্ষতি সাধনকারী বিসৃঙ্খলা সৃষ্টি কারী , নিশ্চিত জানবেন তার দেহে রুহে হায়ানীর প্রভাব বেশিযার সমস্ত আত্মা রুহে হায়ানীর আয়ত্বাধীন সেই -মানুষ বা পশুসে যে রাস্তায় চলে বা এবাদৎ করে,সে পথটির নাম শরিয়াতসে কোলাহলযুক্ত -শান্তিতে নিজে থাকতে অন্যকে নিজ রাস্তায় আনার জন্য চেষ্টা করেআমাদের উচিৎএরুপ লোকের নেতৃত্বে না চলা তবেই বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব
আমাদের এই দেহের মধ্যে পানি দিয়ে যে দেহটি গঠন হয়েছে, সেই দেহটির নাম মোমতেনাল অজুদ বা পরিক্ষীত দেহ এই দেহকে জীবিত করে রাখে যে রুহ বা আত্মা তার নাম রুহে নাবাদাত বা স্পন্দিত প্রাণ,আর এই রুহে নাবাদাতের নফস বা আকাঙ্খার নাম নফসে লোয়াম্মা,বা তিরস্কারী আকাঙ্খাযে সর্ব অবস্থায় সৃষ্টির প্রতি তিরস্কারীতাভাবা সম্পন্ন, নিশ্চিত জানবেন তার দেহে রুহে নাবাদাতের প্রভাব বেশিযার সমস্ত আত্মা রুহে নাবাদাতের আয়ত্বাধীন সে তিরস্কার কারী বা বদ মেজাজীসে যে রাস্তায় চলে বা এবাদৎ করে,সে পথটির নাম তরিকাতসে ফ্যাসাদ সৃষ্টির মাধ্যমে -শান্তিতে নিজে থাকতে অন্যকে নিজ রাস্তায় আনার জন্য চেষ্টা করেআমাদের উচিৎএরুপ লোকের নেতৃত্বে না চলাতবেই বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব
আমাদের এই দেহের মধ্যে মাটি দিয়ে যে দেহটি গঠন হয়েছে, সেই দেহটির নাম আরেফাল অজুদ বা বিশেষজ্ঞ দেহএই দেহকে জীবিত করে রাখে যে রুহ বা আত্মা তার নাম রুহে জামাদাত বা হিমায়ীত আত্মা,আর এই রুহে জামাদাতের নফস বা আকাঙ্খার নাম নফসে মোলহেমার বা প্রেরণা আকাঙ্খাযে সর্ব অবস্থায় সৃষ্টির প্রতি প্রেরণাদাতাভাবা সম্পন্ন, নিশ্চিত জানবেন তার দেহে রুহে জামাদাত এর প্রভাব বেশিযার সমস্ত আত্মা রুহে জামাদাতের আয়ত্বাধীন সেই শ্রেষ্ঠসে যে রাস্তায় চলে বা এবাদৎ করে,সে পথটির নাম হাকিকাতসে কোলাহল মুক্ত শান্তিতে নিজে থাকতে অন্যকে নিজ রাস্তায় আনার জন্য চেষ্টা করেআমাদের উচিৎএরুপ লোকের নেতৃত্বে চলাতবেই বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব
আর এই আরেফেল অজুদ বা হিমায়ীত আত্মা সমস্ত আত্মার তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে যার প্রাণ বা রুহে ইনছানি বা মানুষ আত্মা (প্রাণীর দেহ হতে যে প্রাণের মাধ্যমে আরেকটি আমার আপনার মত জীব সৃষ্টি হতে পারে তার নাম রুহে ইনছানিএক কথায় শুক্র বা বীর্য্য) এর তাপ মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে পারলেই আপনার শুক্র বা বীর্য্য আপনার নিয়ন্ত্রনে চলে আসলোএবং আপনার সাধনায় সিদ্ধি লাভ হলো
তাই লালন শাহ বলেছেন
সর্ব সাধন সিদ্ধি হয় তার,মানুষ গুরু নিষ্ঠা যার
নিষ্ঠা অর্থ বাধ্য বা অনুগত,আর মানুষ গুরু হলো যে মহাসত্বা হতে শুক্র সৃষ্টি হয় বা আমার আপনার মত মানুষ তৈরী হয়
অর্থাৎ শুক্র সৃষ্টি সত্বা যার বাধ্য বা নিষ্ঠা হয়েছে,তার সর্ব সাধন সিদ্ধি হয়েছে
চলবে-------------চলবে
পরের পর্ব ২৩/০৪/১২ তে প্রকাশের আশা আছে
সত্য সহায়গুরুজী।।
বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষে ধর্মগুরুজীবিবাহের শুভক্ষণ নির্ণয়।।
মানব জীবনে বিবাহ একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়আর বিবাহের শুভদিন বা শুভ ক্ষণ নির্ণয় প্রতিটি ধর্মীয় সম্প্রদায়েরই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের একটিবিবাহের শুভ ক্ষণ হিসাবে কোন সম্প্রদায় মাস,কোন সম্প্রদায় তারিখ কোন সম্প্রদায় বারকে প্রাধান্য দিয়ে থাকেতাতে নব-দম্পতীর আত্মীয় স্বজন আনন্দিত হলেও এই ক্ষণ নির্ধারণ এর জন্য কোন কোন সময় নব-দম্পতীরা বিড়ম্বনার শিকার হনতাই বিবাহের পূর্বে বিবাহের শুভ ক্ষণ নির্ণয়ে কি কি বিষয়ে লক্ষ রাখা উচিৎ,আসুন আমরা তা জেনে নিই
পৃথিবীতে সর্ব প্রথম তারিখ বা মাস গণনা শুরু হয় চন্দ্রের হিসাবেএই চন্দ্র দু-প্রকারের
পৃথিবীতে তারিখ মাস বৎসরের হিসাব গণনা শুরু হয় নারীর ঋতু স্রাব শুরু হওয়া কালিন সময় থেকে গর্ভধারণ বাচ্চা প্রসব বাচ্চা প্রসব পরে আবার ঋতু স্রাব হওয়া পর্যন্ত এক বৎসর সময় গণনাকে ধর্মীয় চন্দ্রমাস গণনা বলা হয়
আকাশে যে চাঁদ উঠে এই চাঁদ দেখে যে মাস গণনা করা হয় তাকে পার্থিব চন্দ্র তারিখ মাস বলা হয়পার্থিব চন্দ্র তারিখ মাস গণনা শুরু হয় ধর্ম চন্দ্র মাস গণনা শুরুর কয়েক লক্ষ বছর পরেএবং সন গণনা শুরু হয় হযরত মহাম্মদ সঃ এর হিজরত থেকেআর এই পার্থিব চাঁদ হিসাবে যারা ধর্মীয় কর্ম কান্ড করে তারা ধর্ম সম্বন্ধে কোন জ্ঞান রাখে না
পার্থিব চন্দ্রের হিসাব আমরা সকলেই কম বেশি বুঝিতাই আসুন পার্থিব চন্দ্র নয়,ধর্ম চন্দ্র বিষয়ে জানার চেষ্টা করি
ধর্ম চন্দ্র মাস গণনা শুরু হয় যেদিন নারীর ঋতু স্রাব শুরু হয় সেদিন থেকেনারীর যেদিন ঋতুস্রাব হয় সেদিন কে মহররমের এক তারিখ বলা হয়,ঋতুস্রাব বা রক্ত দিয়ে শুরু বলে এই মাসকে খুনের মাসও বলা হয়এখন যতবারই ঋতু স্রাব হবে ততবারই পৃথিবীতে মহররমের চাঁদ ধরে নিতে হবেযেদিন নারী গর্ভে শুক্রাণু গ্রহন করে সেদিন থেকে সফর মাসের শুরুসফর থেকে সাবান মাস পর্যন্ত এই সাত মাস ৪০ দিন হিসাবে গণনা করতে হবেযেদিন সন্তান ভুমিষ্ট হয় সেদিন রমজানের এক তারিখ,এর পরে পূণঃ ঋতু স্রাবের পূর্ব দিন পর্যন্ত যিলহজ্জ চাঁদআবার ঋতু স্রাব আসলে মহররম শুরু
প্রকাশ থাকে যে ধর্মচন্দ্র মাস কোন টা ২৫ দিনে কোনটা ৪০ দিনে কোন টা ৩০ আবার কোনটা ২০ দিনে কোনটা মাত্র ১০ দিনে শুক্লপক্ষ কৃষ্ণ পক্ষ শেষ করে মোট ৩৫৪ দিনে বৎসর হয়।।বিস্তরীত আগামীতে জানানোর চেষ্টা করবো
এবার আসুন বিবাহের শুভক্ষণ বা তারিখ নির্ণয় হিসাব জেনে নিই
বিবাহ একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠান,ধর্ম করতে হলে আপনাকে বিয়ে করতে হবেকেনো না বিয়ে করে আপনি যত সহজে ধর্মীয় কর্ম সম্পাদন করতে পারবেন বিবাহ ব্যাতীত এত সহজে আপনি ধর্ম কর্ম করতে পারবেন নাকিন্তু আমরা কজন ধর্ম করার জন্য বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হইআমরা বিবাহ করি হয় যৌণ ক্ষুধা মিটানোর একজন সঙ্গিনী দরকার তাই, নয় তো সংসারের কাজকর্ম করার পাশাপাশি বিষয় সম্পত্তি রক্ষার উত্তরাধীকার রেখে যাওয়ার জন্য
যারা যৌণ ক্ষুধা নিবৃত্বির জন্য বিয়ে করে তাদের কে বলা হয় পাঁঠাআর সে যে মেয়েকে বিয়ে করে আনলো তাকে সম্বোধন করে বৌ বলেআর বৌ হচ্ছে পাঁঠার ভাষাতাই সে তার সঙ্গিনীকে বৌ বলে
যারা সংসার দেখাশুনার জন্য এবং সম্পদের উত্তরাধীকার রেখে যাওয়ার জন্য বিয়ে করে তাদের কে বলা হয় গৃহস্তআর সে যে মেয়েকে বিয়ে করে আনলো তাকে সম্বোধন করে স্ত্রী বলে
যারা ধর্ম করার জন্য বিয়ে করে তাদের কে বলা হয় স্বামীআর সে যে মেয়েকে বিয়ে করে আনলো তাকে সম্বোধন করে সহধর্মীনী বলে
বিবাহের পরে নব-দম্পতি বাসরের জন্য অধির আগ্রহে অপেক্ষা করেতার পরে যখন বাসরের সেই অপেক্ষার প্রহরটি শেষ হয় এবং দু-জন একান্ত কাছাকাছি হওয়ার পর যদি স্ত্রী বলে আজ আমার ঋতু স্রাব হয়েছে,তখন তাদের বাসরের আনন্দ কেমন যেন পাংসুটে হয়ে যায়তাই নয় কি? আর এই পরিস্থিতি হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে যদি ধর্ম চন্দ্র হিসাবে বিবাহের শুভক্ষণ নির্ণয় করা না হয়আর যদি বিবাহের শুভ ক্ষণটি ধর্মচন্দ্র হিসাবে করা হয় তাহলে নব-দম্পতি বাসর ঘরে বিড়ম্বনার শিকার হবে না
তাই আসুন বিবাহের শুভক্ষণ নির্ণয়ে আমরা ধর্মচন্দ্র মাস ব্যাবহার করিএবং সেটা যেন মহররম চাঁদের -১১ তারিখের মধ্যে হয়
সত্যসহায়গুরুজী।।
বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষে ধর্মগুরুজী।।৪০ জনের কাম ক্ষুধা নিবারণের ক্ষমতা পেতে চাইলে করণীয়।।পর্ব=সাত
সত্য সহায় হউক সর্ব জীবে
৪০ জনের কাম ক্ষুধা নিবৃত্তি করার ক্ষমতা কিভাবে অর্জণ করা সম্ভব,সে বিষয় নিয়ে লেখার পূর্বে আমি জানতে চাই, কতজন পাঠক বিষয়ে জানতে আগ্রহীতাই একটু জনমত জরিপ করতে চাই
যারা বিষয়ে জানতে আগ্রহী তারা আমার লেখাটি পড়ার পরে কোন মন্তব্য করবেন না
যারা ব্যাঙ্গাত্তক মন্তব্য করবে নিশ্চিৎ ভাবে তারা ৭৫% জানতে আগ্রহী ধরে নেব
যারা বিরক্তির সহিত মন্তব্য করবে ধরে নেবো তারা আসলেই জানতে চাই না
কত পার্সেন্ট পাঠক বিষয়ে জানতে আগ্রহী,জনমত জরীপ সাপেক্ষে নির্ধারণ করবো কি প্রক্রীয়ায় তাদেরকে বিষয়টি জানাবো
সত্য সহায়গুরুজী।।
বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষে ধর্মগুরুজীস্রষ্টা হতে অবতরণকৃত কিতাবের পরিচয়।।
ফোরকান
যাহা সর্ব পথম আসমানি কিতাব এবং নাযিল হয় মুসা হারুনের উপর
নারী শিশু জন্ম নেওয়ার ৩০ মাস পর হতে মাসিক শুরু হওয়ার ৯০ দিন পূর্ব পর্যন্ত স্ত্রী-লিঙ্গে যে রস অবতরণ বা নাযিল হয় সেই রসের নাম এলমে তাসাউফের ভাষায় ফোরকান এই ফোরকান এর মধ্যে যে রস থাকে তাহার নাম এলমে তাসাউফের ভাষায় লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ যাহার অক্ষর সংথ্যা বারো এই ফোরকানই জীবকে পাপ মোচনে সহায়তা কাফের হওয়া থেকে বাঁচাইতে পারে আলাদা ভাবে এই গ্রন্থটি এখন আর পাওয়া যাই না
প্রকাশ থাকে যে শুক্রাণু মাতৃগর্ভে প্রবেশের পরে গর্ভিনীর ডান বাম স্তন থেকে যে রস প্রাপ্ত হয় তাহার নাম এলমে তাসাউফের ভাষায় লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ তবে দুই লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ এর গুণ এক হলেও পঠন ক্রীয়া ভীন্ন
এই রসের গুণাগুন এই রস আমাদের শরিরে কিভাবে কতটুকু প্রবেশ করেছে, মূলতঃ একজন দেহীর জন্য রস কতটুকু প্রয়োজন এই রসের অভাবে আমাদের কি কি উপসর্গ দেখা দেবে এবং কিভাবে আমরা পূণরায় রস শরিরে যোগ করতে পারি বিষয় যে গ্রন্থে লিখিত হয়েছে সে গ্রন্থের নামই ফোরকান এই রস যে স্থান হতে অবতরণ বা নাযিল হয় সে স্থানের নাম এলমে তাসাউফের ভাষায় লৌহ মাহফুজ বা রক্তের ফোয়ারা এবং যে পাত্রে অবতরণ করে সে পাত্রের নাম এলমে তাসাউফের ভাষায় মুসা হারুন
তাওরাত
নারীর প্রথম মাসিক শুরুর ৯০ দিন পূর্বে তার স্ত্রী-লিঙ্গে যে রস অবতরন বা নাযিল হয়,সেই রসের নামকে এলমে তাসাউফের ভাষায় তাওরাত (রুহু বা প্রাণ ধারক) বলা হয়এই রসের গুণাগুন এই রস আমাদের শরিরে কিভাবে কতটুকু প্রবেশ করেছে, মূলতঃ একজন দেহীর জন্য রস কতটুকু প্রয়োজনএই রসের অভাবে আমাদের কি কি উপসর্গ দেখা দেবে এবং কিভাবে আমরা পূণরায় রস শরিরে যোগ করতে পারি বিষয় যে গ্রন্থে লিখিত হয়েছে সে গ্রন্থের নামই তাওরাতএই রস যে স্থান হতে অবতরণ বা নাযিল হয় সে স্থানের নাম লৌহ মাহফুজ বা রক্তের ফোয়ারাএবং যে পাত্রে অবতরণ করে সে পাত্রের নাম মুসা বা টানিয়া তোলাআপনাকে অতল গহবর থেকে একমাত্র মুছা পাত্র ধনই টানিয়া তুলতে সক্ষমঅন্য কেহ নহে
যব্বুর
একজন নারীর প্রথম মাসিক শুরুর ৪৫ দিন পূর্বে তার স্ত্রী-লিঙ্গে যে রস অবতরন বা নাযিল হয়,সেই রসের নামকে এলমে তাসাউফের ভাষায় যব্বুর (অজুদ বা দেহ ধারক) বলা হয়এই রসের গুণাগুন এই রস আমাদের শরিরে কিভাবে কতটুকু প্রবেশ করেছে, মূলতঃ একজন দেহীর জন্য রস কতটুকু প্রয়োজনএই রসের অভাবে আমাদের কি কি উপসর্গ দেখা দেবে এবং কিভাবে আমরা পূণরায় রস শরিরে যোগ করতে পারি বিষয় যে গ্রন্থে লিখিত হয়েছেসে গ্রন্থের নামই যব্বুর এই রস যে স্থান হতে অবতরণ বা নাযিল হয় সে স্থানের নাম লৌহ মাহফুজ বা রক্তের ফোয়ারাএবং যে পাত্রে অবতরণ করে সে পাত্রের নাম এলমে তাসাউফের ভাষায় দাওয়াত দাউদযার বাংলা অর্থ আহবান বা ডাকাআপনি যখনই অচেতন হবেন, তখন এই দাউদ আপনাকে ডেকে সজাগ করিয়ে দিতে পারে
ইঞ্জিল
একজন নারীর মাসিক সময়ে সাত দিন তার স্ত্রী-লিঙ্গে যে রস অবতরন বা নাযিল হয়,সেই রসের নামকে এলমে তাসাউফের ভাষায় ইঞ্জিল বা চালিকা শক্তি বলা হয়এই রসের গুণাগুন এই রস আমাদের শরিরে কিভাবে কতটুকু প্রবেশ করেছে, মূলতঃ একজন দেহীর জন্য রস কতটুকু প্রয়োজনএই রসের অভাবে আমাদের কি কি উপসর্গ দেখা দেবে এবং কিভাবে আমরা পূণরায় রস শরিরে যোগ করতে পারি বিষয় যে গ্রন্থে লিখিত হয়েছেসে গ্রন্থের নামই ইঞ্জিল এই রস যে স্থান হতে অবতরণ বা নাযিল হয় সে স্থানের নাম লৌহ মাহফুজ বা রক্তের ফোয়ারাএবং যে পাত্রে অবতরণ করে সে পাত্রের নাম এলমে তাসাউফের ভাষায় ইসা বা অমরআপনাকে জন্ম মৃত্যুর আবর্ত থেকে এই ইসা ধনই মুক্তি দিয়ে অমরত্ব লাভ করাতে পারে
ফোরকান
যাহা শেষ আসমানী কিতাব এবং নাজিল হয়েছে মহাম্মদ বা প্রসংশা কারীর উপরে নারীর সন্তান প্রসবের পরে স্তনে যে রস অবতরন বা নাযিল হয়,সেই রসকে এলমে তাসাউফের ভাষায় ফোরকান বা প্রভেদকারী বলা হয়এই মহাম্মদী ফোরকানের মধ্যে যে রস থাকে তার নাম এলমে তাসাউফের ভাষায় মহাম্মাদুর রাসুলাল্লাহআপনাতে যখন স্রষ্টার প্রসংশাকারী থাকবে না তখন আপনি -শান্তিতে নিমজ্জিত হবেনতখন -শান্তি দুর করে পূণঃ শান্তি এই মহাম্মদী ফোরকানই আপনাকে এনে দিতে পারে
এই রসের গুণাগুন এই রস আমাদের শরিরে কিভাবে কতটুকু প্রবেশ করেছে, মূলতঃ একজন দেহীর জন্য রস কতটুকু প্রয়োজনএই রসের অভাবে আমাদের কি কি উপসর্গ দেখা দেবে এবং কিভাবে আমরা পূণরায় রস শরিরে যোগ করতে পারি বিষয় যে গ্রন্থে লিখিত হয়েছেসে গ্রন্থের নামই ফোরকানএই রস যে স্থান হতে অবতরণ বা নাযিল হয় সে স্থানের নাম এলমে তাসাউফের ভাষায় লৌহ মাহফুজ বা রক্তের ফোয়ারাএবং যে পাত্রে অবতরণ করে সে পাত্রের নাম এলমে তাসাউফের ভাষায় মহাম্মদ
সহিফা
যৌবণকালে কামবশতঃ পুরুষের লিঙ্গ দিয়ে যে রস অবতরণ বা নাজিল হয় তাহার নাম এলমে তাসাউফের ভাষায় সহিফা বা সাদা খাতাসর্ব মোট সহিফার সংখ্যা দশটিযার মধ্যে ইব্রহিমের উপর নাজিল হয়েছে ছয়টি এবং মুসার উপর নাজিল হয়েছে চারটিযে ধনে সহিফা উৎপত্তি সে ধনের নাম এলমে তাসাউফের ভাষায় বিসমিল্লাহির রাহমানুর রাহিমযাহার অক্ষর সংখ্য উনিশ
কোরান
উপরিউক্ত কিতাব সমষ্টির নাম এলমে তাসাউফের ভাষায় কোরানযাহা একত্রিশটি অক্ষর দ্বারা লিখিত হয়েছেতাহা বিসমিল্লাহির রাহমানুর রাহিম এর উনিশ যোগ লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ এর বারো সমান একত্রিশ
কোরান তুমি পড়ো না, কোরান তোমাতে পড়ে সময় থাকতে তোমাতে পুণঃ কোরান নাজিলের জন্য একজন গুরুর কাছ থেকে জ্ঞান আহরণ করোকোরানের আয়াত বিলুপ্ত হওয়ার পূর্বে কোরান পরিপূর্ণ করে নাওনইলে জন্ম মৃত্যুর আবর্ত হতে মুক্তির কোনই আশা নাই
সত্য সহায়গুরুজী।।
বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষে ধর্মগুরুজীপ্রচলিত কোরানের পাগলা অনুবাদ ব্যাখ্যা।।
সূরা বাকারা=মদীনাবতীর্ণ=রুকুঃ৪০=আয়াতঃ২৮৬
শুরু করিতেছি দয়াতে দয়ালু স্রষ্টার নাম নিয়ে
আলিফ লাম মীম
শব্দার্থঃ- আলিফ=পুরুষ লিঙ্গ, লাম=স্ত্রী লিঙ্গ, মীম=স্তন
অর্থঃ- পুরুষ লিঙ্গ,স্ত্রী-লিঙ্গ স্তন
নং আয়াতের ব্যাখ্যা-
এরুপ অক্ষরকে রাসুল সাংকেতিক চিহ্ন হিসাবে ব্যাবহার করেছেনআলিফ অর্থ পুরুষ লিঙ্গ, লাম অর্থ স্ত্রী-লিঙ্গ মীম অর্থ স্তনআর ঐগুলিই আল্লাহ প্রদত্ত কিতাব
যালিকাল কিতাবু লা রাইবা,“ফিহিহুদাল্লিল মুত্তাকিইন
শব্দার্থঃ- যালিকা=, কিতাব=গ্রন্থ, লা=নাই, রাইবা=সন্দেহ, ফিহি=প্রবেশ পথ সমুহ, হাদা=নির্দেশনা, লি=জন্য, মোত্তাকি=ছড়ানো বস্তু গোছানোকারী
আয়াতের অর্থঃ- কিতাবের প্রবেশ পথ সমুহে কোনই সন্দেহ নাই নির্দেশনা ছড়ানো বস্তু গোছানোকারীদের জন্য
নং আয়াতের ব্যাখ্যা-
বাংলায় অনুবাদকৃত প্রতিটি হাদিসেই(প্রচলিত কোরান)অনুবাদকগন এই আয়াতের অর্থ করেছেন
এই কিতাবে কোনই সন্দেহ নাইআরবি যালিকা শব্দের বাংলা অর্থ এবং হাযা শব্দের অর্থ এইকিন্তু অনুবাদকগন অনেক গবেষনার পরও আবিস্কার করতে সক্ষম হন নাই যে, রাসুল এই কিতাব না বলে কিতাব দ্বারা কোন কিতাবকে বোঝাতে চেয়েছেনতাই তারা কিতাব না বলে বলেছেন এই কিতাবে কোনই সন্দেহ নাইঅর্থাৎ এই প্রচলিত কোরানে কোনই সন্দেহ নাই
আর ফিহি শব্দের অর্থ প্রবেশ পথ সমুহঅনুবাদকগন এই শব্দটির কোন অর্থ করেন নাই বা লেখেন নাইকেন লেখেন নাই তা তারাই ভোলো জানেন
মোত্তাকি শব্দের অর্থ ছড়ানো বস্তু গোছানোকারী
মূলতঃ রাসুল এখানে বোঝাতে চেয়েছেন, পুরুষ লিঙ্গ,স্ত্রী-লিঙ্গ স্তনএগুলিই আল্লাহ প্রদত্ত কিতাব আর কিতাবের প্রবেশ পথ সমুহ দ্বারা যাহা আসে বা কিতাবে যাহা লিখিত আছে তাহাতে কোনই সন্দেহ নাই,আর এই নির্দেশনা শুধু মাত্র তাদের জন্য যারা নিজ শরিরের মহা সত্বাকে পৃথিবীতে ছড়িয়ে ফেলেছেন,কিন্তু এখন আবার গোছাতে চাই
আল্লাযীইনা উইমিনুনা বিল গাইবী ওয়া ইউকিমুনাস সালাতা ওয়া মিম্মা রাযাকনাহুম ইউনফিকুনা
শব্দার্থঃ- আল্লাযি=যাহারা, ইমান=বীর্য্য, গাইব=অদৃশ্য, আকিমু=প্রতিষ্ঠিত, সালাত=সংশোধন, মিম্মা=থেকে, রিজেক=জীবিকা, নাফাক=ব্যায়
আয়াতের অর্থঃ-যাহারা বীর্যধন অদৃশ্যের প্রতি আর প্রতিষ্ঠিত সংশোধনে আর তা থেকেই তাদের জীবিকা ব্যায় করে
নং আয়াতের ব্যাখ্যা
যাহারা মাতৃ সুত্রে বীর্য্য পেয়েছে এবং তা সংশোধন করে প্রতিষ্ঠিত করেছে,এবং জন্মের পরে আয়কৃত বীর্য্য দ্বারা জীবণ পরিচালনায় ব্যায় করেঅর্থাৎ মাতৃ সুত্রে প্রাপ্ত বীর্য্য সংশোধনের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত বা গচ্ছিত রেখে পুণরাই বীর্য্য আয় করে খরচ করে
আপনি হয়তো মনে করতে পারেন আমি তো স্ত্রী সঙ্গম বা অন্য কোন প্রক্রীয়াতেই শুক্র ক্ষয় করি না তাই আমার শুক্র জমা আছেতাহলে আপনি ভুল করছেনকেন না প্রত্যেক ৭২ ঘন্টায় একবার প্রকৃতির নিয়মেই আপনার শরির থেকে একবার সঙ্গম কালে যে পরিমান শুক্র ক্ষয় হওয়ার কথা সে পরিমান শুক্র এমনিতেই নষ্ট হয়ে যাইঅর্থাৎ অপচয় হয়ে যাইআর আল্লাহ অপচয়কারীকে পছন্দ করেন নাঅপচয় নয়, খরচ করুন, আয় করা সঞ্চয় করা শিখুন
সত্য সহায়গুরুজী।।
বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষে ধর্মগুরুজী।।কেন মহাম্মদ শেষ নবি?শেষ যামানায় ইসার আগমন রহস্য।।
নবী অর্থ নতুন ধন বা সম্পদনবুয়াত অর্থ ধনাগমনএই নবুয়াতের প্রতিটি সত্বাকেই বলা হয়েছে রেছালা বা চিঠিআর যিনি রেছালা বা চিঠি পেয়েছেন তাহাকে বলা হয় রাসুল বা প্রাপকআর চিঠি যখন পাঠানো হয় তাহাকে বলা হয় আরছালা বা প্রেরণআর চিঠি যিনি প্রেরণ করেন তাহাকে বলা হয় মুরছালিন বা প্রেরকতাহলে সারমর্ম দাঁড়ালোমুরছালিন হলো আমি যাহা দ্বারা সৃষ্টি হয়েছি সে সকল সত্বা সমষ্টি রেছালা হলো ফোরকান,সহিফা,তাওরাত,যব্বুর ইঞ্জিল মুরছালিন বা প্রেরিত হলো হলো আমার দেহের পঞ্চ মহা ভূতের পঁচিশ অণু ভূত হতেতাই নবির সংখ্যা মোট পঁচিশআর রাসুল হলাম আমিকারণ সমস্ত নবুয়াতের রেসালা আমি প্রাপ্ত হয়েছেতাই আমিই প্রাপক বা রাসুল
সহিফা
যৌবণকালে কামবশতঃ পুরুষের লিঙ্গ দিয়ে যে রস অবতরণ বা নাজিল হয় তাহার নাম এলমে তাসাউফের ভাষায় সহিফা বা সাদা খাতা সর্ব মোট সহিফার সংখ্যা দশটিযার মধ্যে ইব্রহিমের উপর নাজিল হয়েছে ছয়টি এবং মুসার উপর নাজিল হয়েছে চারটি
শুনলে অবাক হবেন যে আমাদের বিদ্যালয়ের পাঠ্য বইয়ে ইসলাম শিক্ষাতে লিখিত হয়েছে যে মোট সহিফা সংখ্যা একশত খানাতম্মধ্যে দশখানা আদমের উপরে,দশখানা ইব্রাহিমের উপরে,তিরিশখানা ইদ্রিসের উপরে পঞ্চাশখানা শীষের উপরে নাযিল হয়েছেঅথচ প্রচলিত কোরান বলছে শুধু মাত্র ইব্রাহিম মুসার উপর সহিফা নাযিল হয়েছে
যাহা মুসার সহিফা গুলিতে রহিয়াছে সূরা নাজম=আয়াতঃ৩৬
ইহা পূর্ববর্তি সহিফা সমুহে রহিয়াছেইব্রাহিম মুসার সহিফা সমুহে রহিয়াছেসূরা আলা=আয়াতঃ১৮-১৯
ফোরকান
যাহা সর্ব পথম আসমানি কিতাব এবং নাযিল হয় মুসা হারুনের উপর
নারী শিশু জন্ম নেওয়ার ৩০ মাস পর হতে মাসিক শুরু হওয়ার ৯০ দিন পূর্ব পর্যন্ত স্ত্রী-লিঙ্গে যে রস অবতরণ বা নাযিল হয় সেই রসের নাম এলমে তাসাউফের ভাষায় ফোরকান
তাওরাত
নারীর প্রথম মাসিক শুরুর ৯০ দিন পূর্বে তার স্ত্রী-লিঙ্গে যে রস অবতরন বা নাযিল হয়,সেই রসের নামকে এলমে তাসাউফের ভাষায় তাওরাত (রুহু বা প্রাণ ধারক) বলা হয়
যব্বুর
একজন নারীর প্রথম মাসিক শুরুর ৪৫ দিন পূর্বে তার স্ত্রী-লিঙ্গে যে রস অবতরন বা নাযিল হয়,সেই রসের নামকে এলমে তাসাউফের ভাষায় যব্বুর (অজুদ বা দেহ ধারক) বলা হয়
ইঞ্জিল
একজন নারীর মাসিক সময়ে সাত দিন তার স্ত্রী-লিঙ্গে যে রস অবতরন বা নাযিল হয়,সেই রসের নামকে এলমে তাসাউফের ভাষায় ইঞ্জিল বা চালিকা শক্তি বলা হয়
ইসাকে ক্রশ বিদ্ধ করা হলে স্রষ্টা তাকে চৌঠা আসমানে তুলে নিলেন মহাম্মদ আগমনের পরে শেষ যামানায় আবার ইসার আগমন ঘটবেএর মূল রহস্য এরুপ
যেহেতু নারীর মাসিক হলো ইসাই ধন ইঞ্জিল, যখন নারী সন্তান ধারণ করে তখন এই মাসিক আর যমিনে অবতরণ হয় না চৌঠা আসমানে উঠে যাইমহাম্মদ আগমনের পরে শেষ যামানায় আবার আসবেকারণ ,সন্তান ভুমিষ্ট হয়ে যাওয়ার পরে অর্থাৎ ফোরকান নাজিল হওয়ার পরে বা স্তনে দুধ আসার পরে দুই তিন মাস পরে আবার ইসা ইঞ্জিলের আগমন ঘটবে
ফোরকান
যাহা শেষ আসমানী কিতাব এবং নাজিল হয়েছে মহাম্মদ বা প্রসংশা কারীর উপরে নারীর সন্তান প্রসবের পরে স্তনে যে রস অবতরন বা নাযিল হয়,সেই রসকে এলমে তাসাউফের ভাষায় ফোরকান বা প্রভেদকারী বলা হয়
মহাম্মদের উপর ফোরকান নাজিল হয়ে গেলে আর কোন নবুয়াত বা নব ধন আসার থাকে নাতাই ফোরকান শেষ আসমানি কিতাব মহাম্মদ শেষ নবি
মজার ব্যাপার হলো, প্রচলিত আরবি কোরান পড়তে গেলে দেখবেন -প্রয়োজনিয় আরবি কিছু অক্ষর অনেক যায়গায় ব্যাবহার হয়েছেতার একটি হলো লামালিফশুনলে অবাক হবেন যে লামালিফ কোন মুক্ত বর্ণ নয়ইহা একটি যুক্ত বর্ণআরবি বর্ণ মালার প্রথম অক্ষরটির নাম আলিফ বা পুরুষ লিঙ্গ,তেইশ নম্বর অক্ষরটির নাম লাম বা স্ত্রী-লিঙ্গ,এবং আঠাশ নম্বরে গিয়ে এই লাম এর ভিতরে আলিফ বা স্ত্রী-লিঙ্গের ভিতরে পুরুষ লিঙ্গ প্রবেশের পরে উৎপত্তি হয়েছে লামালিফ
সত্য সহায়গুরুজী।।
 

বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষে ধর্মগুরুজী।।তাসাউফের দৃষ্টিতে কোরান জানুন।।
সূরা বাকারা আয়াত
ওয়াল্লাযীইনা ইউমিনুনা বি মা উনযিলা ইলাইকা ওয়া মা উনযিলা মিন কাবলুকাওয়া বিল আখিরাতি হুম ইউকিনুনা
শব্দার্থঃ-ওয়াল্লাযীইনা=আর যাহারা ইউমিনুনা =বীর্য্য পেয়েছে বি=দ্বারা,কর্তৃক মা=যাহা উনযিলা=অবতরণ, ইলাই= কল্যাণ, দান কা =তোমাকে ওয়া=আর মিন=হতে কাবলু=সম্মুখ,পূর্ব আখিরাতি=শেষে হুম=তাহাদেরএকিন=বিশ্বাসের স্তর
অর্থঃ-আর যারা বীর্য ধন পেয়েছে তোমার কল্যাণ কর্তৃক যাহা অবতারিত আর সম্মুখীন হতে যাহা অবতারিত আর তাহাদের শেষ বিশ্বাস স্তরের প্রতি
ব্যাখ্যাঃ- আয়াতে বলা হয়েছে,যারা বীর্য্য পেয়েছে তোমার কল্যাণে যাহা অবতারিতআমার কল্যাণে অবতরণ করেছে এবং আমি নিজ মুখেও তাহা গ্রহন করি নাই তাহা হলো আমি মাতৃ গর্ভে থাকাকালীন সময়ে আমার ফুল নাড়ি দ্বারা ২৮০ দিনে যে ২৮৬ বার রস সঞ্চয় হতে ৪০ দিনের মুরিদুন বা যৌণ সত্বা আমাতে নাযিল বা অবতরণ হয়েছে
আর সম্মুখীন হতে যাহা অবতারিত বলতে বোঝাতে চেয়েছে, ভুমিষ্ট হওয়ার পরে স্তনে যে রস আসে তাহা সামনা সামনি হয়েই আমাতে নাযিল বা অবতরণ করাতে হয়েছে একথাটির আরও জটিল আধ্মাত্মিকতা আছে,যাহা এখনও আলোচনার সময় আসেনিসময় হলে সত্য প্রকাশ করে দেবো বা হাটে হাঁড়ি ভেঙে দেব
আর তাহাদের শেষ বিশ্বাস স্তরের প্রতিএকথা দ্বারা বুঝাতে চেয়েছে যে ,তোমাতে নাযিলকৃত সমস্ত সত্বাই বিশ্বাসের প্রথম হতে শেষ স্তর পর্যন্ত পাড়ি দিয়ে কাজ করে যাবেঅর্থাৎ ,তোমোতে যাহা নাযিল হয়েছে তদনুরুপ ক্রীয়াই তোমাতে হতে থাকবে
প্রকাশ থাকে যে ,আপনারা জানেন ইমান অর্থ বিশ্বাষ,এবং পাঠ্য বইতে এভাবেই পড়ানো হয়েছে এং বুঝনো হয়েছেকিন্তু এটা আমাদের ভুল বুঝানো হয়েছেবিশ্বাসের আরবি শব্দ ইমান নয়,বিশ্বাসের আরবি শব্দ আকাইদআর একিন শব্দের বাংলা অর্থ বিশ্বাসের স্তরআর একিন মোট পাঁচ প্রকারযথা-
বেলগায়েব একিন = অদেখা বিশ্বাস
এলমল একিন = জ্ঞান দ্বারা বিশ্বাস
আইনুল একিন = দেখে বিশ্বাস
হক্কল একিন = চিনে বিশ্বাস
হুয়াল একিন = দেখে চিনে একাকার হয়ে বিশ্বাস
জীবকে কোন বিষয়ে বিশ্বাস স্থাপন করতে হলে তাকে উপরিউক্ত পাঁচটি বিশ্বাসের স্তর পাড়ি দিতে হবে তবেই সে, সে বিষয়ে পূর্ণ বিশ্বাস স্থাপন কেরতে পারবে,নচেৎ নয়
কিভাবে একিন পাড়ি দিয়ে আপনি কোন বিষয়ে পূর্ণ বিশ্বাস স্থাপন করবেন?
কমলা পুর রেল ষ্টেশনে জমিদার আসবে,আপনি জমিদার দর্শণে যাচ্ছেনষ্টেশনে পৌছানোর পরে দেখলেন এক লোক ষ্টেশন থেকে বের হয়ে আসছেতাকে আপনি জিজ্ঞাসা করলেন,ভাই জমিদার আসার কথা ছিলো তিনি কি এসেছেন?লোকটি বললো,হ্যাঁ,জমিদার এসেছেআপনি বললেন,আপনি কি জমিদারকে দেখেছেন?সে বললো নাআমি জমিদারকে দেখি নাই তবে শুণে আসলাম, এখন যে ট্রেন আসলো এই ট্রেনেই জমিদার এসে নেমেছেনে লোকটি জমিদারকে না দেখলেও শুনে বিশ্বাস করে ফেলেছে যে ,জমিদার এসেছে,আর সে যত দুরেই যাবে আর তাকে যেই জিজ্ঞাসা করবে সে বলবে এই ট্রেনে জমিদার এসেছেএই অদেখা বিশ্বাস টুকুর নামই হলো বেল গায়েব একিন বা অদেখা বিশ্বাস
আপনি আর একটু অগ্রসর হয়ে ষ্টেশনের প্ল্যাটফর্মের এক দোকানদারকে দেখে জিজ্ঞাসা করলেন,ভাই জমিদার আসার কথা ছিলো তিনি কি এসেছেন ? দোকানদার বললো হ্যাঁ এসেছেন আপনি বললেন,আপনি কি জমিদারকে দেখেছেন ? দোকানদার বললো না, আমি জমিদারকে দেখিনি, তবে যে ট্রেনের কেটে রাখা সাজানো যে বগিটা দেখছেন, বগিতেই জমিদার এসেছেন এখানে দোকানদার জমিদারকে না দেখলেও ট্রেনের সাজানো বগি দেখেই বিশ্বাস করেছে জমিদার এসেছে এর নাম এলমল একিন বা জ্ঞান দ্বারা বিশ্বাস
আপনি আর একটু অগ্রসর হয়ে দেখলেন কাচারির দিক থেকে একজন লোক আসছে,তাকে জিজ্ঞাসা করলেনভাই জমিদার আসার কথা ছিলো তিনি কি এসেছেন লোকটি বললো হ্যাঁ, জমিদার এসেছেনআপনি বললেন ,আপনি কি জমিদার কে দেখেছেনলোকটি বললো হ্যাঁ দেখেছিআপনি বললেন জমিদার কে কেমন দেখলেন লোকটি বললো কোনটা জমিদার তা আমি বলতে পারবো না তবে পাঁচজন লোক কাচারির দিকে গেলো তার মধ্যে জমিদার আছে লোক যেহেতু পাঁচজনকেই দেখেছে তাই সে জমিদারকেও দেখেছেতবে জমিদারকে চিনে নিএর নাম আইনুল একিন বা দেখে বিশ্বাস
আপনি আরেকটু অগ্রসর হয়ে দেখলেন কাচারির বারান্দায় একজন লোকতাকে জিজ্ঞাসা করলেন ভাই জমিদার আসার কথা ছিলো তিনি কি এসেচেন?লোকটি বললো হ্যাঁ ,জমিদার এসেছেআপনি বললেন জমিদারকে কেমন দেখলেন?লোকটি বললো উঁচা লম্বা,ফর্সা,স্বাস্থবান ,গোলগাল চেহারা,দেখতে খুব সুন্দরআপনি বললেন জমিদারের মেজাজ মর্জি কেমন মনে হলোপ্রজার প্রতি দয়ালু না কঠোর হবেন?লোকটি বললেন আমি এর কিছুই উপলব্ধি করতে পারি নাইএই লোকটি হক্কল একিন বা চিনে বিশ্বাসীকিন্তু পূর্ণ বিশ্বাসী হতে পারে নিকেন না সে এখনও হুয়াল একিন পাড়ি দেই নাই
অতঃপর আপনি জমিদারের কাছে গিয়ে আপনার আবেদন পেশ করলে আপনার সাথে কি আচরণ করে অন্যান্য লোকের প্রতি কি আচরণ করে নিজে দর্শণ পাওয়ার পরেই আপনি হুয়াল একিন পাড়ি দিবেন বা দেখে চিনে একাকার হয়ে বিশ্বাস করবেন তবেই আপনি ইতিকাদ বা বিশ্বাস্য ইহার পূর্ব পর্যন্ত আপনি নিজেকে ইতিকাদ বা বিশ্বাস্য দাবি করতে পারেন না

সত্য সহায়গুরুজী।।


কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন