বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষে ধর্ম।গুরুজী।উৎসর্গ জনাবা মহসিনা খাতুনকে।।
সম্মানিত ব্লগারবৃন্দ,আপনারা অবশ্যয় লক্ষ করেছেন । জনাবা মহসিনা খাতুন তার লেখাতে হযরত মহাম্মদকে ছোট করার প্রাণান্ত চেষ্টা শেষে বলেছেন তার বাবা মহাম্মদের মত বেয়াক্কেলে নয় ।কোরানের প্রবর্তক মহাম্মদ তার বাবার চেয়েও বে-আক্কেলে এটা কেবল সেই বলতে পারে যে মহাম্মদের আচার বিরোধী।কেন না কাফেরেরা মহাম্মদকে সব সময়ই খাটো করার চেষ্টা করেছে।তাই তার এরুপ উক্তিতে আমি আশ্চর্য হই নি।আমি আশ্চর্য হয়েছি আমার ব্লগের কোন ব্লগারই তার মতামত উপস্থাপনা অপেক্ষা কোরানের উক্ত বিষয় গুলি আরও সুন্দর ও মহাম্মদ তার চিন্তা অপেক্ষা আরও জ্ঞানি ও মর্যাদাবাণ প্রমানে প্রায় কেহই আগ্রহি নয় এবং যারা আগ্রহি তারা সুন্দর কোন সদুত্তর দিতে না পারায়।তাই আমার এই পোষ্ট।
আমি জনাবা মহসিনাকে বলেছিলাম “তার বাবা মহাম্মদের মত বেয়াক্কেলে নয়” কথাটি তুলে নিতে।তিনি তাহা তুলে নেন নি এবং আমার কথার বিপরিতে কোন মন্তব্য করেন নি।এটা তার ব্যাপার,সে আমার মন্তব্যে জবাব দিতেও পারে আবার নাও পারে এটা তার ব্যাক্তিগত বিষয়।কিন্তু আমি “তার বাবা মহাম্মদের মত বেয়াক্কেলে নয়”কথার প্রেক্ষিতে বলতে পারি,জনাবা মহসিনা খাতুন একজন নিম্ন পরিবারের মর্যাদাহীন এক নিম্ন রুচির জীব।কেন না, যার মান নাই সে সবাইকেই মান দিয়ে কথা বলতে জানে না।আর যার জ্ঞান নাই সে সকলকেই নির্বোধ ভাবে।তাই আমি বলবো তার যদি নিম্নতম মর্যাদাও থাকতো তাহলে সে মহাম্মদ সম্মন্ধে এরুপ উক্তি করতে পারতো না।কেন না মহাম্মদ কি এটা বড় কথা নয় বড় কথা হলো,মহাম্মদের কথা বিশ্বে ১০০ কোটিরও বেশি লোক মেনে চলে।অথচ জনাবা মহসিনার দৃষ্টিতে “তার বাবা মহাম্মদ অপেক্ষা আক্কেল সম্পন্ন লোক”আমি জিজ্ঞাসা করেছিলাম আপনার বাবার কথা কি আপনি যে মহল্লায় বাস করেন সে মহল্লার সকলে মেনে চলে উনি তার কোন জবাব করেন নাই।এটা নিতান্তই তার ব্যাক্তিগত বিষয়।আমার না।
আমিও একজন ব্যাক্তি।আমার কিছু ব্যাক্তিগত বিষয় থাকা অস্বাভাবিক নয়।আমার ব্যাক্তিগত মত হচ্ছে, বিশ্বে যতগুলি ধর্ম এসেছে তার মধ্যে একমাত্র ইসলামই সর্ব শ্রেষ্ঠ ধর্ম, ইহার উপরে আর কোন ধর্ম নাই ও কোন দিন হবেও না।এবং বিশ্বে যতগুলি ধর্মিয় গ্রন্থ এসেছে ও বর্তমানে রহিয়াছে তম্মধ্যে একমাত্র কোরানই সর্ব শ্রেষ্ঠ ধর্ম গ্রন্থ।ইহা অপেক্ষা আর কোন ভালো ধর্ম গ্রন্থ নাই যাহা পালন করে জীব উপকৃত বা কল্যাণ পেতে পারে।সন্দেহ থাকলে আমাকে প্রশ্ন করতে পারেন আমি তার জবাব সাধ্যমত দেওয়ার চেষ্টা করবো।কিন্তু দুর্ভাগ্য মহসিনার মত মহসিনার “বাবা অপেক্ষা মহাম্মদ বেয়াক্কেলে”জ্ঞান সম্পন্ন ব্যাক্তিরা কোরান না বুঝে কোরানের সাধারণ ভুল শাব্দিক অর্থ নিয়ে মন্তব্য করাটা।এটা শুধু শিষ্টাচার বহীর্ভূতই নয়, অনেক বড় বে-আদবী।
তাই আমি জনাবা মহসিনা খাতুনের লেখা পোষ্টের জবাব কোরানের দৃষ্টিতেই দেওয়ার চেষ্টা করছি।
আপনি বলেছেন-ধর্মের ইতিহাসে সর্বাধিক বিতর্কিত ধর্মীয় বাণী সম্ভবত আল কোরআন এর সুরা নিশা-র তৃতীয় আয়াত।
বিবাহ করবে স্বাধীনা রমণী দের মধ্যে যাকে তোমার ভাল লাগে ,দুই তিন অথবা চার।এই আয়াতের আলোচনায় আপনি মহাম্মদকে ছোট করার অনেক অপচেষ্টা চালিয়েছেন।কিন্তু আপনাকে মনে রাখতে হবে,কোরান পড়তে ও বুঝতে হলে কোরানের ভাষাতেই বুঝতে হবে।অন্যভাবে বুঝতে গেলে আপনি লাইন চ্যুত হবেন।
সূরা নিসা ৩ নম্বর আয়াতের তাসাউফের দৃষ্টিতে সঠিক উত্তর নিম্নরুপ-
আর যদি আশংকা তোমরা করো পরিবে না এতিমদিগকে কিস্তি দিতে । অতঃপর তোমাদের উত্তম হবে নারীগন হতে দুই দুই,তিন তিন,চার চার বিবাহ করো।
এতিম শব্দের অর্থ অনাথ,অর্থাৎ বন্ধুহীন,
এলমে তাসাউফের দৃষ্টিতে যে বিবাহ যোগ্য নারীর স্বামি নাই সে এতিম,আর যে বিবাহ যোগ্য পুরুয়ের স্ত্রী নাই সে মিসকিন এবং এই এতিম ও মিসকিন উভয়কেই ফকির বলা হয়।এর আধ্মাত্মিকতা আছে।যতক্ষন না আধ্মাত্মিকতা বুঝবেন।শুধু প্যাঁচাইতেই থাকবেন ছাড়াইতে পারবেন না।আর যদি আধ্মাত্মিকতা একবার বুঝেন,দেখবেন এহা আপনাকে কেমন দিক নির্দেশনা দিচ্ছে।
বিবাহ নিয়ে আলোচনা করতে হলে প্রথম সূরা নিসা নয়,সুরা বাকারা থেকে শুরু করতে হবে।সুরা বাকারা ২১ নং আয়াত।
এই আয়াতে বলা হয়েছে-
আর বিবাহ করিও না মুশরিককে মুমেন না হওয়া পর্যন্ত।মুমেনা দাসি উত্তম মুশরিক চিত্তাকর্ষক অপেক্ষা।আর বিবাহ দিওনা মোমেনা কে মুশরিকের সহিত।মুমিন দাস উত্তম মুশরিক চিত্তাকর্ষক অপেক্ষা।
এই আয়াতে দেখা গেলো মুশরিকের সহিত মুমিনের বিবাহ নিষেধ করা হয়েছে।এখন মুশরিক হলো সে, যে ধর্ম বিনষ্টের জন্য বিবাহ করে বা কামক্ষুধা চরিতার্থ করার জন্য বিবাহ করে ও সংসারে উত্তরসূরী রেখে যাওয়ার জন্য বিবাহ করে ।আর মুমেন হলো সে,যে ধর্ম রক্ষার জন্য শুধু মাত্র ধর্ম অটুট রাখার জন্য বিবাহ করে।তাই যারা ধর্ম রক্ষার জন্য বিবাহ করতে চাই তারা যেন শুধু মাত্র কাম উত্তেজনা নিবৃত্তি ও সংসারে উত্তরসূরী রেখে যাওয়ার জন্য বিবাহ করতে চাই তার সহিত বিবাহ না দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।
এবার দেখুন কোরান কত সুন্দর ভাবে ধর্ম করতে ইচ্ছুক ব্যাক্তিকে নির্দেশনা দিয়েছেন সূরা নূরের তিন নম্বর আয়াতে।
এই আয়াতে পরিস্কার ভাবে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে,ব্যাভিচারী পুরুষ,ব্যাভিচারীণী নারী অথবা মুশরেক নারী ভিন্ন কাহাকেও বিবাহ করিতে পারিবে না।এবং ব্যাভিচারীণী নারীকে ব্যাভিচারী পুরুষ অথবা মুশরেক পুরুষ ভিন্ন বিবাহ করিতে পারিবেনা।উহা মুমিনদের জন্য হারাম করা হয়েছে।
আর এই কোরানে যাহা বলা হয়েছে তাহা শুধু মাত্র যারা ধর্মের জন্য বিবাহ করতে চাই তাদের জন্য।যারা শুধু মাত্র কাম উত্তেজনা নিবৃত্তি ও উত্তরসূরী রেখে যাওয়ার জন্য বিবাহ করতে চাই তাদের জন্য নয়।আপনি ইহা সাধারণ্যে প্রয়োগ করলে আউলায়ে যাবেন।তাই, যদি আপনি ধর্ম বুঝেন তবেই এই কোরান নিয়ে আলোচনা করতে আসবেন।নচেৎ নাক না গলানোই শ্রেয়।
এবার আসা যাক সূরা নিসার ৩ নম্বর আয়াতে-
জনাবা মহসিনা খাতুন বলেছেন- আল্লাহ যদি কোরআনে চার টি পর্যন্ত বিবাহের কথাই বলে থাকেন , তবে নবী কেন নিজে সেটা মানেন নি ? কেন নিজে ১০ এর অধিক বিবাহ করলেন ?
আপনার জানা ভুল হয়েছে।এখানে বিবাহ চারটিতে সীমাবদ্ধ করে নাই।শুধু মাত্র যারা ধর্ম করার উদ্দেশ্যে বিয়ে করতে চাই তাদেরকে বলা হয়েছে,তোমরা দুই দুই,তিন তিন ও চার চার বিয়ে করতে পারো।অর্থাৎ যারা ধর্মিয় ধন সঞ্চয় করতে চাই তারা যখন বায়াত গ্রহন করে প্রাথমিক তরিকতে দাখিল হয় তখন কমপক্ষে ২*২=৪ নারীর প্রয়োজন হবে।আর যখন তরিকতের মাধ্যমিক স্তরে পৌঁছে যাবে তখন ৩*৩=৯ জন স্ত্রীর প্রয়োজন হবে, যখন তরিকতের উচ্চ মাধ্যমিক স্তরে অবস্থান করবে তখন ৪*৪=১৬ জন স্ত্রীর প্রয়োজন হবে, আর যখন তরিকতের একেবারে উচ্চ স্তরে অবস্থান করবে তখন কমপক্ষে ৪+৯+১৬=২৯ জন স্ত্রীর পয়োজন হবে।সূরা নিসার ৩ নম্বর আয়াতে একথাই বলা হয়েছে।
এবং এই আয়াতেই বলা হয়েছে যদি মনে করো ন্যায় বিচারে সক্ষম হইবে না তবে এক স্ত্রীতেই সন্তুষ্ট থাকো।
এখানে ন্যায় বিচার বলতে একজন নারী একজন পুরুষের কাছে বা একজন পুরুষ একজন নারীর কাছে যায় প্রধানত যৌণ ক্ষুধা নিবৃত্তির জন্য।তাই যদি কারো একসাথে চল্লিশজনের কামক্ষুধা মিটানোর ক্ষমতা থাকে সে চল্লিশ জনের প্রতি ন্যায় বিচারে সক্ষম ।অতএব সে চল্লিশটি বিয়েও করতে পারে। আর যদি কেউ এক স্ত্রীর কামক্ষুধা মিটানোর ক্ষমতা না রাখে তাহলে তাকে বিবাহ করতে না করা হয়েছে সূরা নূরের ৩৩ নম্বর আয়াতে।আয়াত টি নিম্নরুপ-
সূরা নূর ৩৩ নম্বর আয়াত।
আর যাহারা বিবাহ করিতে অসমর্থ তাহাদের উচিৎ তাহারা যেনো সংযমি থাকে।
জনাবা মহসিনা খাতুন আলোচনায় এনেছেন সূরা আহযাবের ৩৭ নম্বর আয়াতটি।
এ আয়াতে বলা হয়েছে-যায়েদের স্ত্রীর সহিত আমি আপনার বিবাহ করাইয়া দিলাম।
এ আয়াতের সার্মর্ম এই যে।যায়েদ মহাম্মদের প্যেষ্য পুত্র ছিলেন, ঔরশজাত ছিলেন না।ঔরশ জাত সন্তানকে বা সন্তানের স্ত্রীকে বিবাহ করা যাবে না কিন্তু পাতানো যে কোন সম্পর্কেরই হউক না কেনো তাকে বিবাহ করা যাবে।
জনাবা মহসিনা খাতুন সুরা আহযাবের ৪০ নম্বর আয়াত পর্যালোচনায় বলেছেন যে-মহাম্মদ নিন্দা ঠেকাতে ৪০ নম্বর আয়াত টি ব্যাবহার করেছেন।বিষয়টা একেবারেই অজ্ঞতা প্রসূত।কারন।এ আয়াতে বলা হয়েছে মহাম্মদ কোন পুরুষের পিতা নহে।কিন্তু বাস্তবতা হলো মহাম্মদের ৪ জন পুরুষ সন্তান হয়েছে।তাহলে কিভাবে মহাম্মদ পুরুষ সন্তানের পিতা নন?এখানে যদি লেখা থাকতো মহাম্মদ কোন জীবিত পুরুষ সন্তানের পিতা নন তাহলেও আপনি গোঁজামিল দিতে পারতেন।কিন্তু তা লেখা হয় নি।হয়েছে মহাম্মদ কোন পুরুষের পিতা নন।
এখানে ব্যাক্তি মহাম্মদের কথা বলা হয় নি এখানে বলা হয়েছে বস্তু মহাম্মদের কথা।মহাম্মদ নবী সত্বার কথা।মহাম্মদের নবী সত্বা দ্বারাই নারী সত্বার সৃষ্টি।অর্থাৎ নবী মহাম্মদ যে সত্বা তাহা দ্বারা পুরুষ সৃষ্টি হয় না।বিস্তারিত জানতে এলমে তাসাউফে কমপক্ষে ৮ বৎসরে আটটি ক্লাশ উত্তির্ণ হওয়া চাই নইলে এ সকল বিষয় বোধগম্য হবে না।
প্রথম প্রচেষ্টা :- আয়াত ৪০ –“মহম্মদ তোমাদের পুরুষ দের মধ্যে কারো পিতা নয় । সে আল্লাহ-র প্রেরিত ও বারতা বাহকদের শেষ জন ।” সেই সময় পোষ্যপুত্র ও নিজ পুত্র কে আলাদা করে দেখা হতো না । পুত্রের তালাকপ্রাপ্তা স্ত্রী কে বিবাহের নিন্দা যারা করছিল , তাদের এই আয়াতের দ্বারা বোঝানো হল যে ,তিনি জায়েদের পিতা নন , সুতরাং তার তালাক প্রাপ্তা স্ত্রী এ বিবাহ করতেই পারেন ।
আমি মহসিনা খাতুন এর কাছে জানতে চাই।ধর্ম বা সম্প্রাদায় যাই বলুন,মূলতঃআপনার জন্ম কোন সম্প্রদায়ে।সে সম্প্রদায়ের ধর্মে দিক নির্দেশনার কোন বই আছে কি?থাকলে সে বইটির নাম কি?আপনি তাহা পালন করেন কি না?করলে কিভাবে করেন না করলে করেন না কেনো?
পরিশেষে বলবো অজ্ঞতা ঝেড়ে ফেলতে কোরানের জ্ঞানে জ্ঞানী হওয়ার চেষ্টা করুন।
বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষে ধর্ম।গুরুজী।।হিজড়া জন্ম রোধে আমাদের করণীয়।।
যাতে
পৃথিবীতে আর হিজড়া সন্তান
জন্ম না হয়,সেজন্য
আমাদের যা জানতে হবে
বা করতে হবে।
নারীর ডিম্বাণু ক ক,এবং পুরুষের শুক্রাণু ক খ,পুরুষের এই ক খ শুক্রাণুই সন্তান নারী,পুরুষ বা হিজড়া তৈরী করে।তাই আমাদের জানা প্রয়োজন কিভাবে সহবাস করলে সন্তান নারী,পুরুষ এবং হিজড়া হয় তবেই হিজড়া জন্ম রোধ সম্ভব।
পুরুষের শুক্রাণু ক গেলে নারীর ডিম্বাণু ক পায় তাতে ক যোগ ক = ক ক এ জন্ম নেই নারী।
পুরুষের শুক্রাণু খ গেলে নারীর ডিম্বাণু ক পায় তাতে ক যোগ খ = ক খ এ জন্ম নেই পুরুষ।
পুরুষের শুক্রাণু ক ও খ গেলে নারীর ডিম্বাণু ক পায় তাতে ক যোগ ক খ = ক খ ক জন্ম নেই হিজড়া।
কিভাবে বুঝবো শুক্রাণু ক যাচ্ছে খ যাচ্ছে না ক খ যাচ্ছে।
জানার উপায় হলো, জীবের নাকের দুটি ছিদ্রে কিন্তু সব সময় সমান শ্বাষ চলে না।তাই সঙ্গমকালে-
পুরুষের ডান ছিদ্রে শ্বাষ বেশি চললে অধিক শুক্রাণু যাবে খ,আর নারীর ডিম্বাণু ক= ক খ এ জন্ম নেবে পুরুষ সন্তান।
পুরুষের বাম ছিদ্রে শ্বাষ বেশি চললে অধিক শুক্রাণু যাবে ক,আর নারীর ডিম্বাণু ক= ক ক এ জন্ম নেবে নারী সন্তান।
পুরুষের ডান ও বাম উভয় ছিদ্রে শ্বাষ সমান চললে শুক্রাণু যাবে ক ও খ,আর নারীর ডিম্বাণু ক= ক খ ও ক এ জন্ম নেবে হিজড়া সন্তান।
তাই হিজড়া সন্তান জন্মরোধে আমাদের থেয়াল রাখতে হবে সহবাসকালে যেনো কোন অবস্থাতেই নাকের দুই ছিদ্রে শ্বাষ সমান না চলে।
সত্য সহায়।গুরুজী।।
নারীর ডিম্বাণু ক ক,এবং পুরুষের শুক্রাণু ক খ,পুরুষের এই ক খ শুক্রাণুই সন্তান নারী,পুরুষ বা হিজড়া তৈরী করে।তাই আমাদের জানা প্রয়োজন কিভাবে সহবাস করলে সন্তান নারী,পুরুষ এবং হিজড়া হয় তবেই হিজড়া জন্ম রোধ সম্ভব।
পুরুষের শুক্রাণু ক গেলে নারীর ডিম্বাণু ক পায় তাতে ক যোগ ক = ক ক এ জন্ম নেই নারী।
পুরুষের শুক্রাণু খ গেলে নারীর ডিম্বাণু ক পায় তাতে ক যোগ খ = ক খ এ জন্ম নেই পুরুষ।
পুরুষের শুক্রাণু ক ও খ গেলে নারীর ডিম্বাণু ক পায় তাতে ক যোগ ক খ = ক খ ক জন্ম নেই হিজড়া।
কিভাবে বুঝবো শুক্রাণু ক যাচ্ছে খ যাচ্ছে না ক খ যাচ্ছে।
জানার উপায় হলো, জীবের নাকের দুটি ছিদ্রে কিন্তু সব সময় সমান শ্বাষ চলে না।তাই সঙ্গমকালে-
পুরুষের ডান ছিদ্রে শ্বাষ বেশি চললে অধিক শুক্রাণু যাবে খ,আর নারীর ডিম্বাণু ক= ক খ এ জন্ম নেবে পুরুষ সন্তান।
পুরুষের বাম ছিদ্রে শ্বাষ বেশি চললে অধিক শুক্রাণু যাবে ক,আর নারীর ডিম্বাণু ক= ক ক এ জন্ম নেবে নারী সন্তান।
পুরুষের ডান ও বাম উভয় ছিদ্রে শ্বাষ সমান চললে শুক্রাণু যাবে ক ও খ,আর নারীর ডিম্বাণু ক= ক খ ও ক এ জন্ম নেবে হিজড়া সন্তান।
তাই হিজড়া সন্তান জন্মরোধে আমাদের থেয়াল রাখতে হবে সহবাসকালে যেনো কোন অবস্থাতেই নাকের দুই ছিদ্রে শ্বাষ সমান না চলে।
সত্য সহায়।গুরুজী।।
বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষে ধর্ম।গুরুজী।চিনে নিন কারা এতদিন কোরান বিকৃত করে আসছে।।
আমরা
জানতাম এবং কোরানের শুরুতে
এখনও লেখা আছে কোরানের
আয়াত সংখ্যা ৬৬৬৬ কিন্তু
আমি ৮২ সালে কোরানের
আয়াত গুনে দেখলাম তাতে
আয়াত রয়েছে ৬২৩৬।তাতে আমার মনে
হয় আমিই প্রথম কোরানের
সঠিক আয়াত সংখ্যা আবিস্কার
করি। এই
আয়াত সংখ্যা ৬২৩৬ বলাতে
এক যায়গাই অনেক মুসল্লিরা
আমাকে মারার জন্য আটকায়।কিন্তু
সেখানে আমার বংশ পরিচয়
জানার পরে মারের হাত
থেকে রেহাই পায়।সে অনেক বড়
কাহিনী,আরেক দিন আলোচনা
করবো।আসুন
আজকের বিষয়ে মনোঃনিবেশ করি।
পাঠক,কোরানের এই ৬২৩৬ আয়াতের মধ্যে কেবল মাত্র সূরা নামলের ৩০ নম্বর আয়াতে বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম বাক্যটি ব্যাবহার হয়েছে।সমগ্র কোরানের আর কোন আয়াতেই বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম ব্যাবহার হয়নি।তবে সূরা তৌবা বাদে সকল সূরার শুরুতেই বিসমিল্লাহির রাহমানুর রাহিম রয়েছে।
কিন্তু বর্তমানে ইন্টারনেটে ৪০ ভাষায় কোরানের অনুবাদ এ সূরা ফাতিহার প্রথম আয়াতকে বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম লিখেছে এবং ৬ ও ৭ নম্বর আয়াতকে একত্রিত করে বিসমিল্লাহ যোগের পরও সূরা ফাতিহার আয়াত সংখ্যা ৭ রাখা হয়েছে।নিচে লিংক দিলাম ঘুরে আসতে পারেন।
http://www.ourholyquran.com/index.php?option=com_content&view=article&id=54&Itemid=83
এরা এভাবেই যুগে যুগে কোরান বিকৃত করে আসছে।কোরানে যেখানে মসজিদ ভিত্তিক বন্দেগিকারীকে রাসুল কু-সংস্কারবাদি বলেছে।তাদেরকে ভর্তসনা করেছে এবং পীর ওলি দরবার ও মাজার ভিত্তিক বন্দেগি করতে উৎসাহিত করেছে,সে সকল আয়াত তারা বাদ দিতে দিতে কোরানের আয়াত সংখ্যা ৬৬৬৬ থেকে ৬২৩৬ এ এনে দাঁড় করিয়েছে।এখনই প্রতিরোধ না করলে আগামিতে আরও অনেক কিছু দেখার জন্য অপেক্ষা করতে হবে।
তাই,আসুন যারা যুগে যুগে কোরানকে বিকৃত করে আসছে তাদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াই।
আমি আমার স্রষ্টা হতে প্রাপ্ত জ্ঞানে ও গুরু হতে দর্শণে প্রচলিত কোরানকে যেভাবে জেনেছি,সেভাবেই বিশ্বের কাছে তুলে ধরলাম।আমার উপস্থাপিত বিষয় হতে কল্যাণ প্রাপ্ত হতে চাইলে আমার লেখা পড়বেন,নতুবা পড়বেন না।
নিচে যে কোরানের অনুবাদ দেখছেন তাহা নেট থেকে নেওয়া নিচে তার লিংক দিয়ে দিলাম মন চাইলে ঘুরে আসতে পারেন।
بِسْمِ اللّهِ الرَّحْمـَنِ الرَّحِيمِ
০১ শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু।
الْحَمْدُ للّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ
02
যাবতীয় প্রশংসা আল্লাহ তা' আলার যিনি সকল সৃষ্টি জগতের পালনকর্তা।
الرَّحْمـنِ الرَّحِيمِ
03
যিনি নিতান্ত মেহেরবান ও দয়ালু।
مَـالِكِ يَوْمِ الدِّينِ
04
যিনি বিচার দিনের মালিক।
إِيَّاكَ نَعْبُدُ وإِيَّاكَ نَسْتَعِينُ
05
আমরা একমাত্র তোমারই ইবাদত করি এবং শুধুমাত্র তোমারই সাহায্য প্রার্থনা করি।
اهدِنَــــا الصِّرَاطَ المُستَقِيمَ
06
আমাদেরকে সরল পথ দেখাও,
صِرَاطَ الَّذِينَ أَنعَمتَ عَلَيهِمْ غَيرِ المَغضُوبِ عَلَيهِمْ وَلاَ الضَّالِّينَ
07
সে সমস্ত লোকের পথ, যাদেরকে তুমি নেয়ামত দান করেছ। তাদের পথ নয়, যাদের প্রতি তোমার গজব নাযিল হয়েছে এবং যারা পথভ্রষ্ট হয়েছে।
http://www.ourholyquran.com/index.php?option=com_content&view=article&id=54&Itemid=83
আর এখন সূরা ফাতিহার যে অনুবাদ উপস্থাপন করছি সেটা আমার।
সূরা ফাতিহা=মক্কাবতীর্ণ=রুকুঃ১=আয়াতঃ৭।
بِسْمِ اللّهِ الرَّحْمـَنِ الرَّحِيمِ
শুরু করিতেছি দয়াতে দয়ালু স্রষ্টার নাম নিয়ে।
الْحَمْدُ للّهِ رَبِّ الْعَالَمِين
আল-সমস্ত, হামদ-প্রসংশা, লি-জন্য, আল্লাহ-স্রষ্টা (যাহাদারা আমি সৃষ্টি হয়েছি),রব-প্রতিপালক,আলম-বিশ্ব।
০১=সমস্ত প্রশংসা স্রষ্টার জন্য,যিনি বিশ্বসমুহের প্রতিপালক।
পাঠক এখানে লক্ষ করুন,রাব্বিল লিখতে মাঝখানে অ-প্রয়োজনিয় একটি আলিফ ব্যাবহার হয়েছে।ইহাই এলমে মারিফাত বা এলমে তাসাউফের সাংকেতিক শব্দ।এই অ-প্রয়োজনিয় আলিফ দ্বারা কি বোঝাতে চেয়েছে তাহা না বুঝা পর্যন্ত কোরান বুঝা সম্ভব নয়।
الرَّحْمـنِ الرَّحِيمِ
রহমান-দয়াতে, রাহিম-দয়ালু।
০২=যিনি দয়াতে দয়ালু।
এখানেও রহমান ও রাহিম লিখতে দু-যায়গাতেই অ-প্রয়োজনিয় আলিফ লাম ব্যাবহার হয়েছে।
مَـالِكِ يَوْمِ الدِّينِ
০৩=চরিত্র বারের প্রভু।
إِيَّاكَ نَعْبُدُ وإِيَّاكَ نَسْتَعِينُ
০৪=ওগো ,আমাদিগকে তোমারই উপাষনাকারী করো আর আমাদিগকে তোমারই একাগ্র করো।
اهدِنَــــا الصِّرَاطَ المُستَقِيمَ
০৫=যিনি একাগ্র তাকেই প্রতিষ্ঠিত রাখো নির্দেশিত পথে।,
صِرَاطَ الَّذِينَ أَنعَمتَ عَلَيهِمْ
০৬=যাহার পথে তোমার অনুগ্রহ তাহাদের উপরে।
غَيرِ المَغضُوبِ عَلَيهِمْ وَلاَ الضَّالِّينَ
০৭=তাহাদের উপরে রাগকারী ভিন্ন আর না ভ্রষ্টতা।
সত্য সহায়।গুরুজী।।
পাঠক,কোরানের এই ৬২৩৬ আয়াতের মধ্যে কেবল মাত্র সূরা নামলের ৩০ নম্বর আয়াতে বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম বাক্যটি ব্যাবহার হয়েছে।সমগ্র কোরানের আর কোন আয়াতেই বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম ব্যাবহার হয়নি।তবে সূরা তৌবা বাদে সকল সূরার শুরুতেই বিসমিল্লাহির রাহমানুর রাহিম রয়েছে।
কিন্তু বর্তমানে ইন্টারনেটে ৪০ ভাষায় কোরানের অনুবাদ এ সূরা ফাতিহার প্রথম আয়াতকে বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম লিখেছে এবং ৬ ও ৭ নম্বর আয়াতকে একত্রিত করে বিসমিল্লাহ যোগের পরও সূরা ফাতিহার আয়াত সংখ্যা ৭ রাখা হয়েছে।নিচে লিংক দিলাম ঘুরে আসতে পারেন।
http://www.ourholyquran.com/index.php?option=com_content&view=article&id=54&Itemid=83
এরা এভাবেই যুগে যুগে কোরান বিকৃত করে আসছে।কোরানে যেখানে মসজিদ ভিত্তিক বন্দেগিকারীকে রাসুল কু-সংস্কারবাদি বলেছে।তাদেরকে ভর্তসনা করেছে এবং পীর ওলি দরবার ও মাজার ভিত্তিক বন্দেগি করতে উৎসাহিত করেছে,সে সকল আয়াত তারা বাদ দিতে দিতে কোরানের আয়াত সংখ্যা ৬৬৬৬ থেকে ৬২৩৬ এ এনে দাঁড় করিয়েছে।এখনই প্রতিরোধ না করলে আগামিতে আরও অনেক কিছু দেখার জন্য অপেক্ষা করতে হবে।
তাই,আসুন যারা যুগে যুগে কোরানকে বিকৃত করে আসছে তাদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াই।
আমি আমার স্রষ্টা হতে প্রাপ্ত জ্ঞানে ও গুরু হতে দর্শণে প্রচলিত কোরানকে যেভাবে জেনেছি,সেভাবেই বিশ্বের কাছে তুলে ধরলাম।আমার উপস্থাপিত বিষয় হতে কল্যাণ প্রাপ্ত হতে চাইলে আমার লেখা পড়বেন,নতুবা পড়বেন না।
নিচে যে কোরানের অনুবাদ দেখছেন তাহা নেট থেকে নেওয়া নিচে তার লিংক দিয়ে দিলাম মন চাইলে ঘুরে আসতে পারেন।
بِسْمِ اللّهِ الرَّحْمـَنِ الرَّحِيمِ
০১ শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু।
الْحَمْدُ للّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ
02
যাবতীয় প্রশংসা আল্লাহ তা' আলার যিনি সকল সৃষ্টি জগতের পালনকর্তা।
الرَّحْمـنِ الرَّحِيمِ
03
যিনি নিতান্ত মেহেরবান ও দয়ালু।
مَـالِكِ يَوْمِ الدِّينِ
04
যিনি বিচার দিনের মালিক।
إِيَّاكَ نَعْبُدُ وإِيَّاكَ نَسْتَعِينُ
05
আমরা একমাত্র তোমারই ইবাদত করি এবং শুধুমাত্র তোমারই সাহায্য প্রার্থনা করি।
اهدِنَــــا الصِّرَاطَ المُستَقِيمَ
06
আমাদেরকে সরল পথ দেখাও,
صِرَاطَ الَّذِينَ أَنعَمتَ عَلَيهِمْ غَيرِ المَغضُوبِ عَلَيهِمْ وَلاَ الضَّالِّينَ
07
সে সমস্ত লোকের পথ, যাদেরকে তুমি নেয়ামত দান করেছ। তাদের পথ নয়, যাদের প্রতি তোমার গজব নাযিল হয়েছে এবং যারা পথভ্রষ্ট হয়েছে।
http://www.ourholyquran.com/index.php?option=com_content&view=article&id=54&Itemid=83
আর এখন সূরা ফাতিহার যে অনুবাদ উপস্থাপন করছি সেটা আমার।
সূরা ফাতিহা=মক্কাবতীর্ণ=রুকুঃ১=আয়াতঃ৭।
بِسْمِ اللّهِ الرَّحْمـَنِ الرَّحِيمِ
শুরু করিতেছি দয়াতে দয়ালু স্রষ্টার নাম নিয়ে।
الْحَمْدُ للّهِ رَبِّ الْعَالَمِين
আল-সমস্ত, হামদ-প্রসংশা, লি-জন্য, আল্লাহ-স্রষ্টা (যাহাদারা আমি সৃষ্টি হয়েছি),রব-প্রতিপালক,আলম-বিশ্ব।
০১=সমস্ত প্রশংসা স্রষ্টার জন্য,যিনি বিশ্বসমুহের প্রতিপালক।
পাঠক এখানে লক্ষ করুন,রাব্বিল লিখতে মাঝখানে অ-প্রয়োজনিয় একটি আলিফ ব্যাবহার হয়েছে।ইহাই এলমে মারিফাত বা এলমে তাসাউফের সাংকেতিক শব্দ।এই অ-প্রয়োজনিয় আলিফ দ্বারা কি বোঝাতে চেয়েছে তাহা না বুঝা পর্যন্ত কোরান বুঝা সম্ভব নয়।
الرَّحْمـنِ الرَّحِيمِ
রহমান-দয়াতে, রাহিম-দয়ালু।
০২=যিনি দয়াতে দয়ালু।
এখানেও রহমান ও রাহিম লিখতে দু-যায়গাতেই অ-প্রয়োজনিয় আলিফ লাম ব্যাবহার হয়েছে।
مَـالِكِ يَوْمِ الدِّينِ
০৩=চরিত্র বারের প্রভু।
إِيَّاكَ نَعْبُدُ وإِيَّاكَ نَسْتَعِينُ
০৪=ওগো ,আমাদিগকে তোমারই উপাষনাকারী করো আর আমাদিগকে তোমারই একাগ্র করো।
اهدِنَــــا الصِّرَاطَ المُستَقِيمَ
০৫=যিনি একাগ্র তাকেই প্রতিষ্ঠিত রাখো নির্দেশিত পথে।,
صِرَاطَ الَّذِينَ أَنعَمتَ عَلَيهِمْ
০৬=যাহার পথে তোমার অনুগ্রহ তাহাদের উপরে।
غَيرِ المَغضُوبِ عَلَيهِمْ وَلاَ الضَّالِّينَ
০৭=তাহাদের উপরে রাগকারী ভিন্ন আর না ভ্রষ্টতা।
সত্য সহায়।গুরুজী।।
বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষে ধর্ম।গুরুজী।।মুসলমানের সাথে মহাম্মদের সম্পর্ক কি এবং মা আমেনার দুধ সমাচার।।
আমরা
যারা মুসলমান তারা হযরত মহাম্মদের
মাতা আমিনাকে সম্বোধন করি মা বলে।আমিনা
যদি মুসলমানদের মা হয় তাহলে
সম্পর্কে হযরত মহাম্মদ মুসলমানদের
কে হয়?
হযরত মহাম্মদ এর স্ত্রী খাদিজাকে আমরা সম্বোধন করি বিবি খাদিজা এবং আরেক স্ত্রী আয়েশাকে সম্বোধন করি মা আয়েশা বলে।এখন বলুন হযরত মহাম্মদ সম্পর্কে মুসলমানদের কি হয়?একই ব্যাক্তির এক স্ত্রী-কে বিবি ও আরেক স্ত্রী-কে মা সম্বোধন করা কতটা যুক্তি যুক্ত?
হযরত মহাম্মদের মেয়ে ফাতিমাকে আমরা সম্বোধন করি মা ফাতিমা বলে।এখন বলুন হযরত মহাম্মদ সম্পর্কে মুসলমানদের কি হয়?
হযরত মহাম্মদ জন্ম নিলেন মা আমিনার গর্ভে,দুধ খেয়ে প্রতিপালিত হলেন দায় মা হালিমার।এখন বলুন, হযরত মহাম্মদ হালিমার দুধ খাওয়াতে হালিমা ধন্য হয়ে গেলেন।কিন্তু মা আমিনার দুধ খেয়ে কে ধন্য হয়েছিলেন। নাকি হযরত মহাম্মদকে জন্ম দেওয়ার পরে মা আমিনার স্তনে দুধ এসেছিল না ? নাকি মা আমিনার স্তনে দুধ এসেছিল কিন্তু সে দুধ কেউ খাইনি , ফেলে দেওয়া হয়েছিল?
সত্য সহায়।গুরুজী।।
হযরত মহাম্মদ এর স্ত্রী খাদিজাকে আমরা সম্বোধন করি বিবি খাদিজা এবং আরেক স্ত্রী আয়েশাকে সম্বোধন করি মা আয়েশা বলে।এখন বলুন হযরত মহাম্মদ সম্পর্কে মুসলমানদের কি হয়?একই ব্যাক্তির এক স্ত্রী-কে বিবি ও আরেক স্ত্রী-কে মা সম্বোধন করা কতটা যুক্তি যুক্ত?
হযরত মহাম্মদের মেয়ে ফাতিমাকে আমরা সম্বোধন করি মা ফাতিমা বলে।এখন বলুন হযরত মহাম্মদ সম্পর্কে মুসলমানদের কি হয়?
হযরত মহাম্মদ জন্ম নিলেন মা আমিনার গর্ভে,দুধ খেয়ে প্রতিপালিত হলেন দায় মা হালিমার।এখন বলুন, হযরত মহাম্মদ হালিমার দুধ খাওয়াতে হালিমা ধন্য হয়ে গেলেন।কিন্তু মা আমিনার দুধ খেয়ে কে ধন্য হয়েছিলেন। নাকি হযরত মহাম্মদকে জন্ম দেওয়ার পরে মা আমিনার স্তনে দুধ এসেছিল না ? নাকি মা আমিনার স্তনে দুধ এসেছিল কিন্তু সে দুধ কেউ খাইনি , ফেলে দেওয়া হয়েছিল?
সত্য সহায়।গুরুজী।।
বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষে ধর্ম।গুরুজী।।এবার শেখের পো এর কোরান নিয়ে মিথ্যাচার।।
শেখের
পো সাহেব কোরন নিয়ে
কি বিকৃতি ঘটিয়েছেন,এক
নজরে তাহা দেখে নিন।সূরা
নিসার ১৬০ ও ১৬১
নম্বর আয়াত তো করেছে
এলমে তাসাউফ না জানার
জন্য কিন্ত ১৬২ নম্বর
আয়াতটি বিকৃত অনুবাদ করেছে
তাদের গোঁজামিল কু-সংস্কারী ধর্মকে
টিকিয়ে রাখার জন্য।
শেখের পো লিখেছেন
৪:১৬০- বস্তুতঃ ইহুদীদের জন্য আমি হারাম করে দিয়েছি বহু পূত-পবিত্র বস্তু যা তাদের জন্য হালাল ছিল-তাদের পাপের কারণে এবং আল্লাহর পথে অধিক পরিমাণে বাধা দানের দরুন।
মূলতঃ হবে এরুপ-
ফা বি জুলমিম মিনাল্লাযিইনা হাদু হাররামনা আলাই হিম তায়িবাতিন উহিল্লাত লাহুম ওয়া বি সাদ্দি হিম আন সাবিলিল্লাহি কাসিরান। সূরা নিসা=আয়াতঃ১৬০
আয়াতের শব্দার্থঃ-
ফা = অতঃপর ।বি = প্রতি । জুলম = অত্যাচার। মিন = হতে ।আল্লাযিইনা = যাহারা ।হাদা = নির্দেশনা । হারাম = অনুপোকারী ।আলা =উপরে ।হিম =তাহাদের ।তায়ীব = পবিত্র । উহিল্লা = উপকারী । লা = নাই । ওয়া = আর ।সদ্দা = নিবারণ করা ।সাবিলিল্লাহ = স্রষ্টার জন্য ।কাছির = অধিকাংশ।
মূল অর্থঃ- অতঃপর যাহারা অত্যাচারী নির্দেশনার প্রতি , পবিত্র বস্তু গুলি তাহাদের উপরে উপকারী নাই হয়েছে অনুপোকারী।আর অধিকাংশই নিবারণ করে স্রষ্টার জন্য।
আয়াতের ব্যাখ্যাঃ-
একবার ভেবে দেখুন তো।জন্মে পর থেকে প্রতিটি পূত-পবিত্র বস্তু প্রতিটি জীবের জন্যই হালাল (উপকারী) বা হজম করার ক্ষমতা ছিলো।আর ধিরে ধিরে সেই পূত-পবিত্র বস্তুগুলি কিভাবে হারাম (অনুপোকারী) হজম ক্ষমতা হীন হয়ে গেলো?এখন যদি বলি ভাই একটু গরুর মাংস দিই,বলে ,আর বইলেন না ১০ বছর ওর কাছে যেতে পারি নি।গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা।
তো একটু খাশির মাংস দিই।ওর কাছে তো যাওয়ারই কায়দা নাই,১৫ বছর হাই প্রেসার।তো একটু মিষ্টি খান। ডায়াবেটিসের জন্য ১২ বছর ওর ধারে কাছে ঘেসার কায়দা নাই।তো একটু দই খান।২২ বছর তো ওর কাছ যাইতেই পারিনি এ্যজমার কারণে।এভাবেই সকল পুত-পবিত্র হালাল (উপকারী) বস্তু গুলিকে জীব হারাম (অনুপোকারী) করে ফেলছে ।এর থেকে মুক্তির একটিই রাস্তা তাহা সুদ না খাওয়া।
তাই বলেছে-
শেখের পো লিখেছেন-
৪:১৬১- আর এ কারণে যে, তারা সুদ গ্রহণ করত, অথচ এ ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছিল এবং এ কারণে যে, তারা অপরের সম্পদ ভোগ করতো অন্যায় ভাবে। বস্তুত; আমি কাফেরদের জন্য তৈরী করে রেখেছি বেদনাদায়ক আযাব।
মূলতঃ হবে এরুপ-
ওয়া আখজি হিমুররিবা ওয়া কাদ নুহু আনহু ওয়া আকলিহিম আমওয়া লান্নাসি বিল বাতিলি।ওয়া আতাদনা লিল কাফিরিনা মিন হুন আযাবান আলিইম। সূরা নিসা=আয়াতঃ১৬১
দুধের পরিবর্তে যাহা খাওয়া হয় তাহাই সুদ।এ বিষয় জানতে হলে এলমে তাসাউফ জানতে হবে।
শেখের পো বলেছেন-
৪:১৬২- কিন্তু যারা তাদের মধ্যে জ্ঞানপক্ক ও ঈমানদার, তারা তাও মান্য করে যা আপনার উপর অবতীর্ণ হয়েছে এবং যা অবতীর্ণ হয়েছে আপনার পূর্বে। আর যারা নামাযে অনুবর্তিতা পালনকারী, যারা যাকাত দানকারী এবং যারা আল্লাহ ও কেয়ামতে আস্থাশীল। বস্তুতঃ এমন লোকদেরকে আমি দান করবো মহাপুণ্য।
লা কিনির রাসিখুউনা ফিল ইলমি মিনহুম ওয়াল মুমিনুনা ইউমিনুনা বিমা উনযিলা ইলাইকা ওয়া মা উনযিলা মিন কাবলিকা ওয়াল মুকিমিনাস সালাতা ওয়াল মুতুনায যাকাতা ওয়াল মুমিনুনা বিল্লাহি ওয়াল ইয়াউমিল আখিরি।উলাইকা সানু তিহিম আজরান আযিম।
সম্মনিত পাঠক।১৬২ নম্বর আয়াতের সাধারন অর্থ করলে হয় এরুপ-
কিন্তু যারা তাদের মধ্যে জ্ঞানপক্ক ও ঈমানদার, তারা ইমান আনে যা আপনার উপর অবতীর্ণ হয়েছে এবং যা অবতীর্ণ হয়েছে আপনার পূর্বে। আর যারা নামাযে অনুবর্তিতা পালনকারী, যারা যাকাত দানকারী এবং যারা আল্লাহ ও কেয়ামতে আস্থাশীল। বস্তুতঃ এমন লোকদেরকে আমি দান করবো বড় পারিশ্রমিক।
কিন্তু আরবি ইউমিনুনা থাকার পরও ইমান আনে না লিখে মান্য করে লিখে পুরো আয়াতটিকেই বিকৃত করে ফেলেছে।উপরের বোল্ড কৃত শব্দ দেখুন।এখানে বলা হয়েছে ইমান আনে আপনার উপর অবতির্ন কৃত ও আপনার পূর্বে অবতরন কৃতে।
ইমানের শর্ত তিনটি ।১।অন্তরে বিশ্বাস ।২। মুখে স্বীকার ও ৩। সে অনুযায়ি কাজ করা।এখন পূর্বের কিতাবে ইমান আনতে হলে তো তিনটি শর্তই মানতে হবে।তা হলে তো পূর্বের কিতাব অনুযায়ি কাজ করতে হবে।অর্থাৎ তাওরাত ইঞ্জিল ও যবুরে লেখা এবাদৎ করতে হবে।তা না হলে ইমানদার হওয়া যাবে না।তাই শেখের পো সাহেব ইমানের যায়গায় ইমান না লিখে মান্য শব্দটি লিখে কোরানের মূল বিষয়কে পাস কাটিয়ে গেছেন।
আর আজরান আযিম অর্থ বড় পারিশ্রমিক হলেও তিনি লিখেছেন মহা পুণ্য।পাঠক পূণ্যের আরবি শব্দ বীর। যদিও শব্দটি এই আয়াতে ব্যাবহার হয় নাই।তাহলে শেখের পো এরুপ অর্থ করে কি কোরানকে বিকৃতি করে নাই?তাই আসুন।
এখনই সময়।কোরান বিকৃতীকারীদের রুখে দাঁড়ান।
আয়াতটির শব্দার্থঃ-
লা = নাই ।কিন = বাসস্থান । রাসিখ = শক্তিবান ।ফি = মধ্যে । এলম = জ্ঞান ।মিনহুম =তাহাদের হতে ।ওয়া = আর। মুমিনুনা = বীর্য্যধারীগন ।ইউমিনুনা = বীর্য্য আনে ।বি = প্রতি ।মা = যাহা ।উনযিলা =অবতারিত । ইলাইকা = তোমার উপরে । মিন = হতে ।কাবলুকা = পূর্বের তোমাতে । মুকিমিনা =প্রতিষ্ঠাকারী । সালাত = পুরুষ লিঙ্গ স্ত্রী-লিঙ্গ সংশোধন । মুতুনা = আদায়কারী । যাকাতা = পবিত্র কারী । বিল্লাহী = স্রষ্টার প্রতি ।ইয়াউমা = বার । আখেরী = পুনরায় ।উলাইকা = উহাদিগকেই ।সানাতীহিম = তাহাদের বাৎসরিক ।আজুরা =পারিশ্রমিক । আযিম = বড় ।
আয়াতের মূল অর্থঃ-
তাহাদের বীর্য্যধারীগন হতে জ্ঞান মধ্যে নাই শক্তিবান বাসস্থান আর বীর্য্য আনে তোমার উপরে যাহা অবতির্ণ ও তোমার পূর্বে যাহা অবতির্ণ হতে।আর প্রতিষ্ঠাকারী পুরুষ লিঙ্গ স্ত্রী-লিঙ্গ সংশোধনে আর আদায় করে পবিত্রকারী পুনরায় স্রষ্টার প্রতি বারে।উহাদিগেকেই বাৎসরীক বড় পারিশ্রমিক প্রদান করিবো।
লিংকটি দেখে আসতে পারেন।
http://www.amarblog.com/digen/posts/148371
সত্য সহায়।গুরুজী।।
শেখের পো লিখেছেন
৪:১৬০- বস্তুতঃ ইহুদীদের জন্য আমি হারাম করে দিয়েছি বহু পূত-পবিত্র বস্তু যা তাদের জন্য হালাল ছিল-তাদের পাপের কারণে এবং আল্লাহর পথে অধিক পরিমাণে বাধা দানের দরুন।
মূলতঃ হবে এরুপ-
ফা বি জুলমিম মিনাল্লাযিইনা হাদু হাররামনা আলাই হিম তায়িবাতিন উহিল্লাত লাহুম ওয়া বি সাদ্দি হিম আন সাবিলিল্লাহি কাসিরান। সূরা নিসা=আয়াতঃ১৬০
আয়াতের শব্দার্থঃ-
ফা = অতঃপর ।বি = প্রতি । জুলম = অত্যাচার। মিন = হতে ।আল্লাযিইনা = যাহারা ।হাদা = নির্দেশনা । হারাম = অনুপোকারী ।আলা =উপরে ।হিম =তাহাদের ।তায়ীব = পবিত্র । উহিল্লা = উপকারী । লা = নাই । ওয়া = আর ।সদ্দা = নিবারণ করা ।সাবিলিল্লাহ = স্রষ্টার জন্য ।কাছির = অধিকাংশ।
মূল অর্থঃ- অতঃপর যাহারা অত্যাচারী নির্দেশনার প্রতি , পবিত্র বস্তু গুলি তাহাদের উপরে উপকারী নাই হয়েছে অনুপোকারী।আর অধিকাংশই নিবারণ করে স্রষ্টার জন্য।
আয়াতের ব্যাখ্যাঃ-
একবার ভেবে দেখুন তো।জন্মে পর থেকে প্রতিটি পূত-পবিত্র বস্তু প্রতিটি জীবের জন্যই হালাল (উপকারী) বা হজম করার ক্ষমতা ছিলো।আর ধিরে ধিরে সেই পূত-পবিত্র বস্তুগুলি কিভাবে হারাম (অনুপোকারী) হজম ক্ষমতা হীন হয়ে গেলো?এখন যদি বলি ভাই একটু গরুর মাংস দিই,বলে ,আর বইলেন না ১০ বছর ওর কাছে যেতে পারি নি।গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা।
তো একটু খাশির মাংস দিই।ওর কাছে তো যাওয়ারই কায়দা নাই,১৫ বছর হাই প্রেসার।তো একটু মিষ্টি খান। ডায়াবেটিসের জন্য ১২ বছর ওর ধারে কাছে ঘেসার কায়দা নাই।তো একটু দই খান।২২ বছর তো ওর কাছ যাইতেই পারিনি এ্যজমার কারণে।এভাবেই সকল পুত-পবিত্র হালাল (উপকারী) বস্তু গুলিকে জীব হারাম (অনুপোকারী) করে ফেলছে ।এর থেকে মুক্তির একটিই রাস্তা তাহা সুদ না খাওয়া।
তাই বলেছে-
শেখের পো লিখেছেন-
৪:১৬১- আর এ কারণে যে, তারা সুদ গ্রহণ করত, অথচ এ ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছিল এবং এ কারণে যে, তারা অপরের সম্পদ ভোগ করতো অন্যায় ভাবে। বস্তুত; আমি কাফেরদের জন্য তৈরী করে রেখেছি বেদনাদায়ক আযাব।
মূলতঃ হবে এরুপ-
ওয়া আখজি হিমুররিবা ওয়া কাদ নুহু আনহু ওয়া আকলিহিম আমওয়া লান্নাসি বিল বাতিলি।ওয়া আতাদনা লিল কাফিরিনা মিন হুন আযাবান আলিইম। সূরা নিসা=আয়াতঃ১৬১
দুধের পরিবর্তে যাহা খাওয়া হয় তাহাই সুদ।এ বিষয় জানতে হলে এলমে তাসাউফ জানতে হবে।
শেখের পো বলেছেন-
৪:১৬২- কিন্তু যারা তাদের মধ্যে জ্ঞানপক্ক ও ঈমানদার, তারা তাও মান্য করে যা আপনার উপর অবতীর্ণ হয়েছে এবং যা অবতীর্ণ হয়েছে আপনার পূর্বে। আর যারা নামাযে অনুবর্তিতা পালনকারী, যারা যাকাত দানকারী এবং যারা আল্লাহ ও কেয়ামতে আস্থাশীল। বস্তুতঃ এমন লোকদেরকে আমি দান করবো মহাপুণ্য।
লা কিনির রাসিখুউনা ফিল ইলমি মিনহুম ওয়াল মুমিনুনা ইউমিনুনা বিমা উনযিলা ইলাইকা ওয়া মা উনযিলা মিন কাবলিকা ওয়াল মুকিমিনাস সালাতা ওয়াল মুতুনায যাকাতা ওয়াল মুমিনুনা বিল্লাহি ওয়াল ইয়াউমিল আখিরি।উলাইকা সানু তিহিম আজরান আযিম।
সম্মনিত পাঠক।১৬২ নম্বর আয়াতের সাধারন অর্থ করলে হয় এরুপ-
কিন্তু যারা তাদের মধ্যে জ্ঞানপক্ক ও ঈমানদার, তারা ইমান আনে যা আপনার উপর অবতীর্ণ হয়েছে এবং যা অবতীর্ণ হয়েছে আপনার পূর্বে। আর যারা নামাযে অনুবর্তিতা পালনকারী, যারা যাকাত দানকারী এবং যারা আল্লাহ ও কেয়ামতে আস্থাশীল। বস্তুতঃ এমন লোকদেরকে আমি দান করবো বড় পারিশ্রমিক।
কিন্তু আরবি ইউমিনুনা থাকার পরও ইমান আনে না লিখে মান্য করে লিখে পুরো আয়াতটিকেই বিকৃত করে ফেলেছে।উপরের বোল্ড কৃত শব্দ দেখুন।এখানে বলা হয়েছে ইমান আনে আপনার উপর অবতির্ন কৃত ও আপনার পূর্বে অবতরন কৃতে।
ইমানের শর্ত তিনটি ।১।অন্তরে বিশ্বাস ।২। মুখে স্বীকার ও ৩। সে অনুযায়ি কাজ করা।এখন পূর্বের কিতাবে ইমান আনতে হলে তো তিনটি শর্তই মানতে হবে।তা হলে তো পূর্বের কিতাব অনুযায়ি কাজ করতে হবে।অর্থাৎ তাওরাত ইঞ্জিল ও যবুরে লেখা এবাদৎ করতে হবে।তা না হলে ইমানদার হওয়া যাবে না।তাই শেখের পো সাহেব ইমানের যায়গায় ইমান না লিখে মান্য শব্দটি লিখে কোরানের মূল বিষয়কে পাস কাটিয়ে গেছেন।
আর আজরান আযিম অর্থ বড় পারিশ্রমিক হলেও তিনি লিখেছেন মহা পুণ্য।পাঠক পূণ্যের আরবি শব্দ বীর। যদিও শব্দটি এই আয়াতে ব্যাবহার হয় নাই।তাহলে শেখের পো এরুপ অর্থ করে কি কোরানকে বিকৃতি করে নাই?তাই আসুন।
এখনই সময়।কোরান বিকৃতীকারীদের রুখে দাঁড়ান।
আয়াতটির শব্দার্থঃ-
লা = নাই ।কিন = বাসস্থান । রাসিখ = শক্তিবান ।ফি = মধ্যে । এলম = জ্ঞান ।মিনহুম =তাহাদের হতে ।ওয়া = আর। মুমিনুনা = বীর্য্যধারীগন ।ইউমিনুনা = বীর্য্য আনে ।বি = প্রতি ।মা = যাহা ।উনযিলা =অবতারিত । ইলাইকা = তোমার উপরে । মিন = হতে ।কাবলুকা = পূর্বের তোমাতে । মুকিমিনা =প্রতিষ্ঠাকারী । সালাত = পুরুষ লিঙ্গ স্ত্রী-লিঙ্গ সংশোধন । মুতুনা = আদায়কারী । যাকাতা = পবিত্র কারী । বিল্লাহী = স্রষ্টার প্রতি ।ইয়াউমা = বার । আখেরী = পুনরায় ।উলাইকা = উহাদিগকেই ।সানাতীহিম = তাহাদের বাৎসরিক ।আজুরা =পারিশ্রমিক । আযিম = বড় ।
আয়াতের মূল অর্থঃ-
তাহাদের বীর্য্যধারীগন হতে জ্ঞান মধ্যে নাই শক্তিবান বাসস্থান আর বীর্য্য আনে তোমার উপরে যাহা অবতির্ণ ও তোমার পূর্বে যাহা অবতির্ণ হতে।আর প্রতিষ্ঠাকারী পুরুষ লিঙ্গ স্ত্রী-লিঙ্গ সংশোধনে আর আদায় করে পবিত্রকারী পুনরায় স্রষ্টার প্রতি বারে।উহাদিগেকেই বাৎসরীক বড় পারিশ্রমিক প্রদান করিবো।
লিংকটি দেখে আসতে পারেন।
http://www.amarblog.com/digen/posts/148371
সত্য সহায়।গুরুজী।।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন