বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষে ধর্ম।গুরুজী। ক্ষর-অক্ষর-বর্ণ ও রস পরিচিতি।পর্ব-২
শুরু
করিতেছি আমি আমাকে স্মরণ
করে।
ব্যঞ্জণ ধ্বনি-
যে ধ্বনি স্বরধ্বনির সাহায্য ব্যাতীত একাকী প্রকাশ লাভ করিতে পারেনা।তাহাকে ব্যাঞ্জণ ধ্বনি বলে। ব্যাঞ্জণ ধ্বনি সর্বমোট ৪০টি।যথা-
ক,খ,গ,ঘ,ঙ। চ,ছ,জ,ঝ,ঞ। ট,ঠ,ড,ঢ,ণ। ত,থ,দ,ধ,ন। প,ফ,ব,ভ,ম। য,র,ল,ব,শ। ষ,স,হ,ড়,ঢ়। য়,ৎ,ং,ঃ,ঁ
কোন সৃষ্টিই কলেমা তৈয়ব বা স্রষ্টা ব্যাতীত প্রকাশ লাভ করিতে পারে নাই।তাই ব্যঞ্জণ ধ্বনি চিহ্ন হচ্ছে স্রষ্টার সমগ্র সৃষ্টি।অর্থাত স্রষ্টা স্বরধ্বনি আর সৃষ্টি ব্যঞ্জণ ধ্বনি।এই
ব্যঞ্জণ ধ্বনি চিহ্নকে আবার বর্ণ আকার ও লিঙ্গ ভেদে তিন ভাগে ভাগ করা হয়েছে।যথা-১.একক ব্যাঞ্জণ ধ্বনি চিহ্ন, ২.জোড় ব্যাঞ্জণ ধ্বনি চিহ্ন, ৩.ত্রি-রস ব্যাঞ্জণ ধ্বনি চিহ্ন ।
আর এই ৫২টি ধ্বনি চিহ্নই মূলত ৪টি বর্ণ বা রং সমন্বয়।
১.একক ব্যঞ্জণ ধ্বনি
ক,খ,গ,ঘ,ঙ। চ,ছ,জ,ঝ,ঞ। ট,ঠ,ড,ঢ,। ত,থ,দ,ধ,ন। প,ফ,ব,ভ,ম। র,ল,শ। হ,ড়। য়,ং,ঃ,ঁ
এই ৩৩টি ব্যঞ্জণ ধ্বনি চিহ্নকে বলা হয় একক ধ্বনি চিহ্ন বা রস ধ্বনি।আর এই ৩৩টি রস সত্বা থেকেই প্রতিটি জীব-স্ত্রী জাত সৃষ্টি হয়েছে।
আর ব্যঞ্জণ ধ্বনিতে ৫টি আছে জোড় ধ্বনি চিহ্ন।যথা-
১.ব-ব
২.ন-ণ
৩.ড়-ঢ়
৪.জ-য
৫.ত-ৎ
এই ৫টি জোড় ধ্বনি চিহ্নকে বলা হয়,বর্ণ বা রং।এই ৫টি বর্ণ ৫টি ভূতের।
আর একটি আছে ত্রী-রস ধ্বনি চিহ্ন।যথা-শ,ষ,স, আর এই ত্রী-রসই হলো,সন্তান নারী, পুরুষ বা হীজড়া জন্ম হওয়ার কারণ।
ব্যঞ্জণ ধ্বনি চিহ্নতে মোট অতিরিক্ত ধ্বনি চিহ্ন আছে ৭টি।যথা-ব,ণ,ঢ়,য,ৎ,ষ,স।ব্যঞ্জন ধ্বনি চিহ্নের অতিরিক্ত এই ৭টি ধ্বনি চিহ্নকে বলা হয় সৃষ্টির ছেফাত বা গুণ।স্রষ্টার ৭ ছেফাত+সৃষ্টি ৭ ছেফাত=১৪ ছেফাতের সমন্বয়ে সৃষ্টি হয়েছে ১৪ ভূবণ।আর এই ১৪ ভূবণের প্রভু অ ,কেননা অ এর যোগ ব্যাতীত সৃষ্টি প্রকাশ হতে পারে নি।যাহাকে বলা হয়েছে লা শারিক,যাহার কোন শরিক নাই।কিন্তু অ প্রতিটি সৃষ্টির শরিক।এই অ ই মহাসত্বা বা পরমানু।একামাত্র অ ই সমস্ত সৃষ্টির শরিক।এই অ অ-জপা, যাহা না জপেই পেয়েছি,বাদবাকি সমস্ত সত্বাই জপার পরেই জীব প্রাপ্ত হয়েছে।
নারী সৃষ্টিতে লেগেছে শুধু ৩৩ রস কিন্তু পুরুষ সৃষ্টি হয়েছে ৩৩ রস+৭ ব্যঞ্জণ ছেফাত=৪০ব্যঞ্জণ ধ্বনি চিহ্ন,তখন ৪০টি ব্যঞ্জণ ধ্বনি চিহ্ন রুপান্তরীত হয়ে তাসাউফের ভাষায় গঞ্জ হয়ে যায়।এই ৩৩ রস+৪০ গঞ্জের সমন্বয়ে সৃষ্টি হয় জীব।
আদিতে ৪ টি গোলা ছিলো,এই ৪ গোলা থেকে ৪ টি রাহা বা পথ সৃষ্টি হয়।যথা-১,শরিয়ত, .তরিকত, ৩,হকিকত, ৪.মারেফত
গোলা ৪টি -১,ত, ২.ড, ৩.ব, ৪.ন।
১.ত গোলা ফেটে সৃষ্টি হয়েছে ১৩টি ধ্বনি চিহ্ন।যথা-ত,অ,আ,ই,ঈ,৯,এ,ঐ,ও,ঔ,ঞ,থ,হ, এদের প্রত্যেকেরই মুখে মহাসত্বা অবস্থিত।
২.ড গোলা ফেটে সৃষ্টি হয়েছে ১৩টি ধ্বনি চিহ্ন।যথা-ড,ড়,জ,উ,ঊ,ঙ,ট,ঢ়,ঢ,চ,ছ,দ,ভ এদের মধ্যে দুটি ধ্বনি চিহ্নর মহাসত্বা ঝরে গেছে।
৩.ব গোলা ফেটে সৃষ্টি হয়েছে ১৩টি ধ্বনি চিহ্ন।যথা-ব,র.ক.ধ,ঝ,ঋ,ঘ,ব,খ,য,ফ,ষ,য়, এদের মধ্যে দুটি ধ্বনি চিহ্নর মহাসত্বা ঝরে গেছে।
৪.ন গোলা ফেটে সৃষ্টি হয়েছে ১৩টি ধ্বনি চিহ্ন।যথা-ন,ণ,ল,ম,গ,প,শ,স,ৎ,ং,ঃ,ঁ,ঠ এদের মধ্যে একটি ধ্বনি চিহ্নর মহাসত্বা মহাশুন্যে অবস্থান করাতে পেছে।
আর ইহাকেই তাস বলা হয়,৫২ টি তাসের ৫৩ টি খেলা।চলবে…
সত্য সহায়।গুরুজী।
রোযা পালন করতে গেলে,নামাজ তোমার হবে না।।
১।সূরা আরাফ দেখো পড়ে।
একত্রিশ আয়াতের পরে।
বলছে আল্লাহ নামাজীরে।
মসজিদে আসার ব্যানা।।
রোযা পালন করতে গেলে,নামাজ তোমার হবে না।।
২।মসজিদে আসিবার সময়।
পোষাক পরিবে অবশ্যয়।
পানাহার করিবে নিশ্চয়।
অপব্যায় করিবে না।।
রোযা পালন করতে গেলে,নামাজ তোমার হবে না।।
৩।পাঁচ ওয়াক্ত নামাজেতে।
পাঁচ বার আসো মসজিদেতে।
পাঁচ বার হবে আহার করতে।
তাহলেই রোযা হয় না।।
রোযা পালন করতে গেলে,নামাজ তোমার হবে না।।
৪।রোযা পালন করতে গেলে।
নামাজ তোমার যাই বিফলে।
তাইতে কয় সেরু পাগলে।
তোমরা নামাজের ভেদ জানো না।।
রোযা পালন করতে গেলে,নামাজ তোমার হবে না।।
সত্য সহায়।গুরুজী।।
সূরা নূর-৪১
তুমি কি দেখ না যে, নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলে যারা আছে, তারা এবং উড়ন্ত পক্ষীকুল তাদের পাখা বিস্তার করতঃ আল্লাহর পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করে? প্রত্যেকেই তার যোগ্য এবাদত এবং পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণার পদ্ধতি জানে। তারা যা করে, আল্লাহ সে বিষয়ে সম্যক জ্ঞাত।
মূলতঃ আয়াতটি-আলাম তারা আন্নাল্লাহু ইউ সাব্বিহু লা হু মান ফিস সামাওয়াতী ওয়াল আরদ ওয়াত্তাইরু সাফফাতিন।কুল্লুন কাদ আলিমা সালাতাহ ওয়া তাসবিহ।ওয়াল্লাহু আলিমুন বি মা ইয়াফ আলুনা।
অর্থ-তোমার কি জানা নাই যে,আল্লাহর পবিত্রতা বর্ণনা করে যাহা কিছু আসমান ও যমিনের মধ্যে আছে।আর উড়ন্ত পক্ষীরাও।প্রত্যেকেই জানে নিজ নিজ নামাজ ও তাসবিহ।তারা যা করে, আল্লাহ সে বিষয়ে সম্যক জ্ঞাত।
সালাতের যায়গায় সালাত বা নামাজ না লিখে এবাদত লিখে যে মাতবারী করলেন।এ অধিকার আপনাকে কে দিয়েছে।দয়া করে জানাবেন কি?কোরান নিয়ে এই মিথ্যাচার না করলে আপনাদের কি ক্ষতি হতো একটু বুঝিয়ে বলবেন কি?শুধু মানুষ নয় প্রতিটি সৃষ্টিই নামাজ পড়ে বলতে আপনাদের ভয়,কিসে একটু বুঝিয়ে বলুন।
সত্য সহায়।গুরুজী।।
মোমিনের কালেবে আল্লাহ,বিরাজীত সর্বদায়।।
১।সালাতুল মেরাজুল মোমিন।
নামাজে পায় খোদারই চিন।
তাইতে পৌঁছাও হক্কল একিন।
না হলে সবই বৃথায়।।
মোমিনের কালেবে আল্লাহ,বিরাজীত সর্বদায়।।
২।কুলুবল মোমিন আরশ আল্লাহ।
কালেবে রয় খোদা তায়ালা।
কাছে রেখে না চিনিলা।
সেজদা দিলা অন্যথায়।।
মোমিনের কালেবে আল্লাহ,বিরাজীত সর্বদায়।।
৩।তাইতে বলি ত্বরা করে।
দাখিল হও মারফত ভিতরে।
কাদিম সেজদা প্রভুর তরে।
বুঝো কোন নামাজে পায়।।
মোমিনের কালেবে আল্লাহ,বিরাজীত সর্বদায়।।
৪।বুঝে লও সাধন ও ভজন।
লও চিনে সেজদারই আসন।
সেরু পাগলা কয় অকারণ।
যেওনা মাটি সেজদায়।।
মোমিনের কালেবে আল্লাহ,বিরাজীত সর্বদায়।।
সত্য সহায়।গুরুজী।।
ব্যঞ্জণ ধ্বনি-
যে ধ্বনি স্বরধ্বনির সাহায্য ব্যাতীত একাকী প্রকাশ লাভ করিতে পারেনা।তাহাকে ব্যাঞ্জণ ধ্বনি বলে। ব্যাঞ্জণ ধ্বনি সর্বমোট ৪০টি।যথা-
ক,খ,গ,ঘ,ঙ। চ,ছ,জ,ঝ,ঞ। ট,ঠ,ড,ঢ,ণ। ত,থ,দ,ধ,ন। প,ফ,ব,ভ,ম। য,র,ল,ব,শ। ষ,স,হ,ড়,ঢ়। য়,ৎ,ং,ঃ,ঁ
কোন সৃষ্টিই কলেমা তৈয়ব বা স্রষ্টা ব্যাতীত প্রকাশ লাভ করিতে পারে নাই।তাই ব্যঞ্জণ ধ্বনি চিহ্ন হচ্ছে স্রষ্টার সমগ্র সৃষ্টি।অর্থাত স্রষ্টা স্বরধ্বনি আর সৃষ্টি ব্যঞ্জণ ধ্বনি।এই
ব্যঞ্জণ ধ্বনি চিহ্নকে আবার বর্ণ আকার ও লিঙ্গ ভেদে তিন ভাগে ভাগ করা হয়েছে।যথা-১.একক ব্যাঞ্জণ ধ্বনি চিহ্ন, ২.জোড় ব্যাঞ্জণ ধ্বনি চিহ্ন, ৩.ত্রি-রস ব্যাঞ্জণ ধ্বনি চিহ্ন ।
আর এই ৫২টি ধ্বনি চিহ্নই মূলত ৪টি বর্ণ বা রং সমন্বয়।
১.একক ব্যঞ্জণ ধ্বনি
ক,খ,গ,ঘ,ঙ। চ,ছ,জ,ঝ,ঞ। ট,ঠ,ড,ঢ,। ত,থ,দ,ধ,ন। প,ফ,ব,ভ,ম। র,ল,শ। হ,ড়। য়,ং,ঃ,ঁ
এই ৩৩টি ব্যঞ্জণ ধ্বনি চিহ্নকে বলা হয় একক ধ্বনি চিহ্ন বা রস ধ্বনি।আর এই ৩৩টি রস সত্বা থেকেই প্রতিটি জীব-স্ত্রী জাত সৃষ্টি হয়েছে।
আর ব্যঞ্জণ ধ্বনিতে ৫টি আছে জোড় ধ্বনি চিহ্ন।যথা-
১.ব-ব
২.ন-ণ
৩.ড়-ঢ়
৪.জ-য
৫.ত-ৎ
এই ৫টি জোড় ধ্বনি চিহ্নকে বলা হয়,বর্ণ বা রং।এই ৫টি বর্ণ ৫টি ভূতের।
আর একটি আছে ত্রী-রস ধ্বনি চিহ্ন।যথা-শ,ষ,স, আর এই ত্রী-রসই হলো,সন্তান নারী, পুরুষ বা হীজড়া জন্ম হওয়ার কারণ।
ব্যঞ্জণ ধ্বনি চিহ্নতে মোট অতিরিক্ত ধ্বনি চিহ্ন আছে ৭টি।যথা-ব,ণ,ঢ়,য,ৎ,ষ,স।ব্যঞ্জন ধ্বনি চিহ্নের অতিরিক্ত এই ৭টি ধ্বনি চিহ্নকে বলা হয় সৃষ্টির ছেফাত বা গুণ।স্রষ্টার ৭ ছেফাত+সৃষ্টি ৭ ছেফাত=১৪ ছেফাতের সমন্বয়ে সৃষ্টি হয়েছে ১৪ ভূবণ।আর এই ১৪ ভূবণের প্রভু অ ,কেননা অ এর যোগ ব্যাতীত সৃষ্টি প্রকাশ হতে পারে নি।যাহাকে বলা হয়েছে লা শারিক,যাহার কোন শরিক নাই।কিন্তু অ প্রতিটি সৃষ্টির শরিক।এই অ ই মহাসত্বা বা পরমানু।একামাত্র অ ই সমস্ত সৃষ্টির শরিক।এই অ অ-জপা, যাহা না জপেই পেয়েছি,বাদবাকি সমস্ত সত্বাই জপার পরেই জীব প্রাপ্ত হয়েছে।
নারী সৃষ্টিতে লেগেছে শুধু ৩৩ রস কিন্তু পুরুষ সৃষ্টি হয়েছে ৩৩ রস+৭ ব্যঞ্জণ ছেফাত=৪০ব্যঞ্জণ ধ্বনি চিহ্ন,তখন ৪০টি ব্যঞ্জণ ধ্বনি চিহ্ন রুপান্তরীত হয়ে তাসাউফের ভাষায় গঞ্জ হয়ে যায়।এই ৩৩ রস+৪০ গঞ্জের সমন্বয়ে সৃষ্টি হয় জীব।
আদিতে ৪ টি গোলা ছিলো,এই ৪ গোলা থেকে ৪ টি রাহা বা পথ সৃষ্টি হয়।যথা-১,শরিয়ত, .তরিকত, ৩,হকিকত, ৪.মারেফত
গোলা ৪টি -১,ত, ২.ড, ৩.ব, ৪.ন।
১.ত গোলা ফেটে সৃষ্টি হয়েছে ১৩টি ধ্বনি চিহ্ন।যথা-ত,অ,আ,ই,ঈ,৯,এ,ঐ,ও,ঔ,ঞ,থ,হ, এদের প্রত্যেকেরই মুখে মহাসত্বা অবস্থিত।
২.ড গোলা ফেটে সৃষ্টি হয়েছে ১৩টি ধ্বনি চিহ্ন।যথা-ড,ড়,জ,উ,ঊ,ঙ,ট,ঢ়,ঢ,চ,ছ,দ,ভ এদের মধ্যে দুটি ধ্বনি চিহ্নর মহাসত্বা ঝরে গেছে।
৩.ব গোলা ফেটে সৃষ্টি হয়েছে ১৩টি ধ্বনি চিহ্ন।যথা-ব,র.ক.ধ,ঝ,ঋ,ঘ,ব,খ,য,ফ,ষ,য়, এদের মধ্যে দুটি ধ্বনি চিহ্নর মহাসত্বা ঝরে গেছে।
৪.ন গোলা ফেটে সৃষ্টি হয়েছে ১৩টি ধ্বনি চিহ্ন।যথা-ন,ণ,ল,ম,গ,প,শ,স,ৎ,ং,ঃ,ঁ,ঠ এদের মধ্যে একটি ধ্বনি চিহ্নর মহাসত্বা মহাশুন্যে অবস্থান করাতে পেছে।
আর ইহাকেই তাস বলা হয়,৫২ টি তাসের ৫৩ টি খেলা।চলবে…
সত্য সহায়।গুরুজী।
বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষে ধর্ম।গুরুজী। উৎসর্গ বৈজ্ঞানীককে
আপনার
লেখা খুব সুন্দর ও
তথ্য ভিত্তিক,দুর্ভাগ্য আল্লাহর হাদিস বা আপনার
জানা কোরানের মূল আদর্শ পরিপন্থি।কেন
মূল আদর্শ পরিপন্থি তাহা
আমি আল্লাহর হাদিস দ্বারা প্রমান
করার চেষ্টা করছি।
সুরা মুমতাহানা ১২ আয়াতে নারী দিগকে যে বায়াতের বিষয় আলোচনা করেছে।আপনি বায়াত অর্থ আনুগত্য বলেছেন।কিন্তু আনুগত্য এর আরবী শব্দ তা,আহ।আপনি বায়াত শব্দের অর্থ উদ্ধার করুন।ধারনা পাল্টে যাবে।
১.লাইল অর্থ রাত, নাহার অর্থ দিন,ইয়াউমু অর্থ বার,অর্থাৎ এক রাত ও এক দিনের সমন্বয়ে এক বার।এটা পৃথিবী যে নক্ষত্রকে কেন্দ্র করে প্রদক্ষিন করিতেছে তাহার হিসাব,কিন্তু আপনার পৃথিবী যেই নক্ষত্রকে কেন্দ্র করে প্রদক্ষিন করে তাহার খবর নিন মিমাংসা পেয়ে যাবেন।
২.ওয়াক্ত মানে ক্ষন বা সময়।অর্থাৎ এক দিনে ৫ ওয়াক্ত নয়,এক বারে ৫ ওয়াক্ত।
আমি অবস্থান করি পৃথিবীর, এক বার সমান ২৪ ঘন্টা,আমাতে অবস্থান কারী পৃথিবীর, একবার সমান ১২৫ বৎসর।কিভাবে,তা জানার চেষ্টা করুন।
আগে আপনাকে জানতে হবে সালাতের কারণ কি,সালাত পালনে কারণ উদ্ধার হচ্ছে কি না।যদি সালাত পালনে কারণ উদ্ধার না হয়,তাহলে আপনার সালাত হচ্ছে না।সালাত পালনের কারণ-
নিশ্চয় সালাত নির্লজ্জ ও অশ্লিল কর্ম হইতে বাঁচাইয়া রাখে।সুরা আনকাবুত-আয়াতঃ৪৫
জুমুয়ার নামাজ ফরজ বলে নিয়ত করেন কিন্তু ১৩০ ফরজের মধ্যে জুমুয়ার ফরজ নাই কেনো?একটু জানার চেষ্টা করুন।
শুয়ারা ২১৮ নং আয়াতের অনুবাদটি ভুল করেছেন।ওখানে সালাত শব্দটি নাই।আরেক বার দেখে নিয়েন।
সুরা বাকারার ২৩৮ নং আয়াতের অনুবাদটি ভুল হয়েছে।ঐ আয়াতের অর্থ হবে,সংরক্ষিত হও সালাতের উপরে।আর মধ্যবর্তী সালাত।
সালাতের উপরে সংরক্ষিত ও মধবর্তী সালাত বুঝেন কি?
আপনি যাহাকে সালাত বলছেন তাহা সালাত নয়।কেনো সালাত নয় উপরে আলোচনা করেছি।পরিশেষে সেজদা দিয়ে শেষ করবো।
সুরা রাদ-১৫ আয়াত=আসমান ও যমিনে যাহা কিছু আছে সকলেই আল্লাহর জন্য সিজদা করিতেছে।
সুরা নহল-৪৮ আয়াত=তাহারা সিজদা করে ডানে ও বামে।
সুরা হজ্জ-১৮ আয়াত=আল্লাহর সেজদা করিতেছে আসমান যমিনে যাহা কিছু আছে,এবং সূর্য্য,চন্দ্র নক্ষত্র মন্ডলি,পর্বতমালা,বৃক্ষরাজী,চতুষ্পদ জন্তু আর মানুষ হতে অধিকাংশ।
এখন আপনারা যাহাকে সিজদা বলছেন,উহাই যদি প্রকৃত সিজদা হয়ে থাকে,তাহলে দয়া করে জানাবেন সূর্য্য,চন্দ্র নক্ষত্র মন্ডলি,পর্বতমালা,বৃক্ষরাজী,চতুষ্পদ জন্তুরা আপনাদের ঐ সেজদা কিভাবে করে।তাহলেই আশা করি আসল সালাত জানার রাস্তা বাহির হবে।সত্য সহায়।গুরুজী।
সুরা মুমতাহানা ১২ আয়াতে নারী দিগকে যে বায়াতের বিষয় আলোচনা করেছে।আপনি বায়াত অর্থ আনুগত্য বলেছেন।কিন্তু আনুগত্য এর আরবী শব্দ তা,আহ।আপনি বায়াত শব্দের অর্থ উদ্ধার করুন।ধারনা পাল্টে যাবে।
১.লাইল অর্থ রাত, নাহার অর্থ দিন,ইয়াউমু অর্থ বার,অর্থাৎ এক রাত ও এক দিনের সমন্বয়ে এক বার।এটা পৃথিবী যে নক্ষত্রকে কেন্দ্র করে প্রদক্ষিন করিতেছে তাহার হিসাব,কিন্তু আপনার পৃথিবী যেই নক্ষত্রকে কেন্দ্র করে প্রদক্ষিন করে তাহার খবর নিন মিমাংসা পেয়ে যাবেন।
২.ওয়াক্ত মানে ক্ষন বা সময়।অর্থাৎ এক দিনে ৫ ওয়াক্ত নয়,এক বারে ৫ ওয়াক্ত।
আমি অবস্থান করি পৃথিবীর, এক বার সমান ২৪ ঘন্টা,আমাতে অবস্থান কারী পৃথিবীর, একবার সমান ১২৫ বৎসর।কিভাবে,তা জানার চেষ্টা করুন।
আগে আপনাকে জানতে হবে সালাতের কারণ কি,সালাত পালনে কারণ উদ্ধার হচ্ছে কি না।যদি সালাত পালনে কারণ উদ্ধার না হয়,তাহলে আপনার সালাত হচ্ছে না।সালাত পালনের কারণ-
নিশ্চয় সালাত নির্লজ্জ ও অশ্লিল কর্ম হইতে বাঁচাইয়া রাখে।সুরা আনকাবুত-আয়াতঃ৪৫
জুমুয়ার নামাজ ফরজ বলে নিয়ত করেন কিন্তু ১৩০ ফরজের মধ্যে জুমুয়ার ফরজ নাই কেনো?একটু জানার চেষ্টা করুন।
শুয়ারা ২১৮ নং আয়াতের অনুবাদটি ভুল করেছেন।ওখানে সালাত শব্দটি নাই।আরেক বার দেখে নিয়েন।
সুরা বাকারার ২৩৮ নং আয়াতের অনুবাদটি ভুল হয়েছে।ঐ আয়াতের অর্থ হবে,সংরক্ষিত হও সালাতের উপরে।আর মধ্যবর্তী সালাত।
সালাতের উপরে সংরক্ষিত ও মধবর্তী সালাত বুঝেন কি?
আপনি যাহাকে সালাত বলছেন তাহা সালাত নয়।কেনো সালাত নয় উপরে আলোচনা করেছি।পরিশেষে সেজদা দিয়ে শেষ করবো।
সুরা রাদ-১৫ আয়াত=আসমান ও যমিনে যাহা কিছু আছে সকলেই আল্লাহর জন্য সিজদা করিতেছে।
সুরা নহল-৪৮ আয়াত=তাহারা সিজদা করে ডানে ও বামে।
সুরা হজ্জ-১৮ আয়াত=আল্লাহর সেজদা করিতেছে আসমান যমিনে যাহা কিছু আছে,এবং সূর্য্য,চন্দ্র নক্ষত্র মন্ডলি,পর্বতমালা,বৃক্ষরাজী,চতুষ্পদ জন্তু আর মানুষ হতে অধিকাংশ।
এখন আপনারা যাহাকে সিজদা বলছেন,উহাই যদি প্রকৃত সিজদা হয়ে থাকে,তাহলে দয়া করে জানাবেন সূর্য্য,চন্দ্র নক্ষত্র মন্ডলি,পর্বতমালা,বৃক্ষরাজী,চতুষ্পদ জন্তুরা আপনাদের ঐ সেজদা কিভাবে করে।তাহলেই আশা করি আসল সালাত জানার রাস্তা বাহির হবে।সত্য সহায়।গুরুজী।
বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষে ধর্ম।গুরুজী।দেহের অঙ্ক করো বুঝে।
কেনো
করলে বিয়োগ ঘাটে মাঠে।
বিয়োগের বাহাদুরী,করেছে ফতুরী,ফেলেছে আজ ঘোর সংকটে।।
১।বিয়োগ অঙ্ক কতই সহজ,
তাই তুমি করেছো হররোজ।
কোন দিন কি নিয়েছো খোঁজ,
যাচ্ছে পুজিঁ কার নিকটে।।
২।বিয়োগী যে সেই বিবাগী,
পুজিঁর ঘরে দেবেই দাগী।
মেজাজে সে হয় বদরাগী,
ব্যাবসা তাহার উঠবে লাটে।।
৩।হোক না পুজিঁ আঠারো আনা,
করলে বিয়োগ কিছুই রয় না।
বিয়োগ অঙ্কের এই নমুনা,
ঢুঁড়ে দেখো এ তলাটে।।
৪।সেরু পাগলা ভাবিয়া কয়,
দেহের সত্বা যা হচ্চে ক্ষয়।
উহাই বিয়োগ জানো নিশ্চয়,
মারো তালা ক্ষয় কপাটে।।
সত্য সহায়।গুরুজী।
বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষে ধর্ম।গুরুজী।কোরআন জানা শুরু।পর্ব=১
বিয়োগের বাহাদুরী,করেছে ফতুরী,ফেলেছে আজ ঘোর সংকটে।।
১।বিয়োগ অঙ্ক কতই সহজ,
তাই তুমি করেছো হররোজ।
কোন দিন কি নিয়েছো খোঁজ,
যাচ্ছে পুজিঁ কার নিকটে।।
২।বিয়োগী যে সেই বিবাগী,
পুজিঁর ঘরে দেবেই দাগী।
মেজাজে সে হয় বদরাগী,
ব্যাবসা তাহার উঠবে লাটে।।
৩।হোক না পুজিঁ আঠারো আনা,
করলে বিয়োগ কিছুই রয় না।
বিয়োগ অঙ্কের এই নমুনা,
ঢুঁড়ে দেখো এ তলাটে।।
৪।সেরু পাগলা ভাবিয়া কয়,
দেহের সত্বা যা হচ্চে ক্ষয়।
উহাই বিয়োগ জানো নিশ্চয়,
মারো তালা ক্ষয় কপাটে।।
সত্য সহায়।গুরুজী।
বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষে ধর্ম।গুরুজী।কোরআন জানা শুরু।পর্ব=১
আরবি
৩১ হরফের আঙ্কিক মান
(১)আলিফ এর মান ১
(২)বা এর মান ২
(৩)তা এর মান ৪০০
(৪)ছা এর মান ৫০০
(৫)জ্বীম এর মান ৩
(৬)বড় হা এর মান ৮
(৭)খা এর মান ৬০০
(৮)দাল এর মান ৪
(৯)যাল এর মান ৭০০
(১০)রা এর মান ২০০
(১১)যা এর মান ৭
(১২)সিন এর মান ৬০
(১৩)শীন এর মান ৩০০
(১৪)সোয়াদ এর মান ৯০
(১৫)দোয়াদ এর মান ৮০০
(১৬)তোয়া এর মান ৯
(১৭)যোয়া এর মান ৯০০
(১৮)আইন এ মান ৭০
(১৯)গাইন এর মান ১০০০
(২০)ফা এর মান ৮০
(২১)ছোট কাফ এর মান ১০০
(২২)বড় কাফ এর মান ২০
(২৩)লাম এর মা ৩০
(২৪)মীম এর মান ৪০
(২৫)নুন এর মান ৫০
(২৬)ওয়া এর মান ৬
(২৭)ছোট হা এর মান ৫
(২৮)লামালিফ এর মান ৩৪১
(২৯)হামজা এর মান ১১০
(৩০)ইয়া এর মান ১০
(৩১)ই-ইয়া এর মান ২২০
সর্ব মোট ৬৬৬৬ এই হলো আদি কোরআনের আয়াত সংখ্যা।
এর মধ্যে একক মান সম্পন্ন হরফ মোট ৯টা যথা-
(১)আলিফ এর মান ১
(২)বা এর মান ২
(৫)জ্বীম এর মান ৩
(৮)দাল এর মান ৪
(২৭)ছোট হা এর মান ৫
(২৬)ওয়া এর মান ৬
(১১)যা এর মান ৭
(৬)বড় হা এর মান ৮
(১৬)তোয়া এর মান ৯
শুন্য বৃদ্ধিতে দশক মান সম্পন্ন হরফ ৯টি যথা-
(৩০)ইয়া এর মান ১০
(২২)বড় কাফ এর মান ২০
(২৩)লাম এর মা ৩০
(২৪)মীম এর মান ৪০
(২৫)নুন এর মান ৫০
(১২)সিন এর মান ৬০
(১৮)আইন এ মান ৭০
(২০)ফা এর মান ৮০
(১৪)সোয়াদ এর মান ৯০
শুন্য বৃদ্ধিতে শতক মান সম্পন্ন হরফ ৯টি যথা-
(২১)ছোট কাফ এর মান ১০০
(১০)রা এর মান ২০০
(১৩)শীন এর মান ৩০০
(৩)তা এর মান ৪০০
(৪)ছা এর মান ৫০০
(৭)খা এর মান ৬০০
(৯)যাল এর মান ৭০০
(১৫)দোয়াদ এর মান ৮০০
(১৭)যোয়া এর মান ৯০০
শুন্য বৃদ্ধিতে সাহস্রীক মান সম্পন্ন হরফ ১টি যথা-
(১৯)গাইন এর মান ১০০০
গুণীন আলিফ যুক্ত মান সম্পন্ন হরফ ৩টি যথা-
(২৮)লামালিফ এর মান ৩৪১
(২৯)হামজা এর মান ১১০
(৩১)ই-ইয়া এর মান ২২০
সত্য সহায়।গুরুজী।
(১)আলিফ এর মান ১
(২)বা এর মান ২
(৩)তা এর মান ৪০০
(৪)ছা এর মান ৫০০
(৫)জ্বীম এর মান ৩
(৬)বড় হা এর মান ৮
(৭)খা এর মান ৬০০
(৮)দাল এর মান ৪
(৯)যাল এর মান ৭০০
(১০)রা এর মান ২০০
(১১)যা এর মান ৭
(১২)সিন এর মান ৬০
(১৩)শীন এর মান ৩০০
(১৪)সোয়াদ এর মান ৯০
(১৫)দোয়াদ এর মান ৮০০
(১৬)তোয়া এর মান ৯
(১৭)যোয়া এর মান ৯০০
(১৮)আইন এ মান ৭০
(১৯)গাইন এর মান ১০০০
(২০)ফা এর মান ৮০
(২১)ছোট কাফ এর মান ১০০
(২২)বড় কাফ এর মান ২০
(২৩)লাম এর মা ৩০
(২৪)মীম এর মান ৪০
(২৫)নুন এর মান ৫০
(২৬)ওয়া এর মান ৬
(২৭)ছোট হা এর মান ৫
(২৮)লামালিফ এর মান ৩৪১
(২৯)হামজা এর মান ১১০
(৩০)ইয়া এর মান ১০
(৩১)ই-ইয়া এর মান ২২০
সর্ব মোট ৬৬৬৬ এই হলো আদি কোরআনের আয়াত সংখ্যা।
এর মধ্যে একক মান সম্পন্ন হরফ মোট ৯টা যথা-
(১)আলিফ এর মান ১
(২)বা এর মান ২
(৫)জ্বীম এর মান ৩
(৮)দাল এর মান ৪
(২৭)ছোট হা এর মান ৫
(২৬)ওয়া এর মান ৬
(১১)যা এর মান ৭
(৬)বড় হা এর মান ৮
(১৬)তোয়া এর মান ৯
শুন্য বৃদ্ধিতে দশক মান সম্পন্ন হরফ ৯টি যথা-
(৩০)ইয়া এর মান ১০
(২২)বড় কাফ এর মান ২০
(২৩)লাম এর মা ৩০
(২৪)মীম এর মান ৪০
(২৫)নুন এর মান ৫০
(১২)সিন এর মান ৬০
(১৮)আইন এ মান ৭০
(২০)ফা এর মান ৮০
(১৪)সোয়াদ এর মান ৯০
শুন্য বৃদ্ধিতে শতক মান সম্পন্ন হরফ ৯টি যথা-
(২১)ছোট কাফ এর মান ১০০
(১০)রা এর মান ২০০
(১৩)শীন এর মান ৩০০
(৩)তা এর মান ৪০০
(৪)ছা এর মান ৫০০
(৭)খা এর মান ৬০০
(৯)যাল এর মান ৭০০
(১৫)দোয়াদ এর মান ৮০০
(১৭)যোয়া এর মান ৯০০
শুন্য বৃদ্ধিতে সাহস্রীক মান সম্পন্ন হরফ ১টি যথা-
(১৯)গাইন এর মান ১০০০
গুণীন আলিফ যুক্ত মান সম্পন্ন হরফ ৩টি যথা-
(২৮)লামালিফ এর মান ৩৪১
(২৯)হামজা এর মান ১১০
(৩১)ই-ইয়া এর মান ২২০
সত্য সহায়।গুরুজী।
বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষে ধর্ম।গুরুজী।শুদ্ধ করো দেহ তোমার।
প্রাণ,অপান,জীবাত্মা, নাদবিন্দু,পরমাত্মা।
সংমিলন সংঘটিত যথা,এইগুলি যেই ঘটে রয়।।
শুদ্ধ দেহ তাহাকেই কয়।।
১।শোধণ,দৃঢ়তা,লাঘব স্থৈর্য্য,
প্রত্যক্ষ নির্লিপ্ত ধৈর্য্য।
শপ্ত সাধন দেহে ধার্য্য,
করলে অনিবার্য্য বিশুদ্ধ হয়।।
শুদ্ধ দেহ তাহাকেই কয়।।
২।ধারণা,নিয়ম,প্রাণায়াম,আসন,
প্রত্যাহার,ধ্যান,সমাধী ও যম।
(যাগের)আটটি অঙ্গ কয় যোগীগন,
অষ্টাঙ্গ যোগ ইহারেই কয়।।
শুদ্ধ দেহ তাহাকেই কয়।
৩।প্রাণ-সংরোধ,সমাধী,আসন,
প্রত্যাহার,ধারণা ও ধ্যান।
এই ছয়টি যোগের অঙ্গ নাম,
এ বিনে মুক্তি নাই হেথায়।।
শুদ্ধ দেহ তাহাকেই কয়।।
৪।সেরু পাগলাকে সামসুদ্দীন বলে,
তুমি হয়েছো মন গন্ডোগো'লে।
নহে যোগ বিয়োগ করিলে,
তাই অকালে দেহ বিয়োগ হয়।।
শুদ্ধ দেহ তাহাকেই কয়।।
সত্য সহায়।গুরুজী।
সংমিলন সংঘটিত যথা,এইগুলি যেই ঘটে রয়।।
শুদ্ধ দেহ তাহাকেই কয়।।
১।শোধণ,দৃঢ়তা,লাঘব স্থৈর্য্য,
প্রত্যক্ষ নির্লিপ্ত ধৈর্য্য।
শপ্ত সাধন দেহে ধার্য্য,
করলে অনিবার্য্য বিশুদ্ধ হয়।।
শুদ্ধ দেহ তাহাকেই কয়।।
২।ধারণা,নিয়ম,প্রাণায়াম,আসন,
প্রত্যাহার,ধ্যান,সমাধী ও যম।
(যাগের)আটটি অঙ্গ কয় যোগীগন,
অষ্টাঙ্গ যোগ ইহারেই কয়।।
শুদ্ধ দেহ তাহাকেই কয়।
৩।প্রাণ-সংরোধ,সমাধী,আসন,
প্রত্যাহার,ধারণা ও ধ্যান।
এই ছয়টি যোগের অঙ্গ নাম,
এ বিনে মুক্তি নাই হেথায়।।
শুদ্ধ দেহ তাহাকেই কয়।।
৪।সেরু পাগলাকে সামসুদ্দীন বলে,
তুমি হয়েছো মন গন্ডোগো'লে।
নহে যোগ বিয়োগ করিলে,
তাই অকালে দেহ বিয়োগ হয়।।
শুদ্ধ দেহ তাহাকেই কয়।।
সত্য সহায়।গুরুজী।
বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষে ধর্ম।গুরুজী।গুরু তত্ব।
গুরু
হয় অমূল্য নিধি তার
তুলনা হয় নারে মন।
দিন থাকিতে তার চরণে করো আত্মসমর্পন।।
১।সে যে মহা মন্ত্রে মহা মতি,জীব উদ্ধারে পরম ঠাঁই।
তৃ-জগৎ ঢুড়িয়া দেখো হবে না এর তুলনায়।
ধরাতে সে জীব উদ্ধারে-সদা মনে বাঞ্ছা করে।
ভক্ত উদ্ধার হইতে পারে-হইলে মুক্তির আকিঞ্চন।।
২।মুক্তির আশে গুরুর তরে,কেউ মাথা নোয়ালে না।
গুরুর কাছে গেলে তুমি,নিয়ে ভবের বাসনা।
করিলেনা গুরু ভক্তি-চাহিলে না ভব মুক্তি।
ছাড়িলে না কামাশক্তি-পাহিলে না তার দরশণ।।
৩।।যা তোমার মমতার বস্তু,গুরু পদ্বে বলি দাও।
আত্ম পদ্বে গুরুস্থিতি,স্ব-হস্তে তুলিয়া নাও।
গুরুতে এক আত্মা হয়ে-স্ব-নাম তুমি দাও হারিয়ে।
সেরু পাগলা স্ব-বিনয়ে-করিতেছে এই নিবেদন।।
সত্য সহায়।গুরুজী।
দিন থাকিতে তার চরণে করো আত্মসমর্পন।।
১।সে যে মহা মন্ত্রে মহা মতি,জীব উদ্ধারে পরম ঠাঁই।
তৃ-জগৎ ঢুড়িয়া দেখো হবে না এর তুলনায়।
ধরাতে সে জীব উদ্ধারে-সদা মনে বাঞ্ছা করে।
ভক্ত উদ্ধার হইতে পারে-হইলে মুক্তির আকিঞ্চন।।
২।মুক্তির আশে গুরুর তরে,কেউ মাথা নোয়ালে না।
গুরুর কাছে গেলে তুমি,নিয়ে ভবের বাসনা।
করিলেনা গুরু ভক্তি-চাহিলে না ভব মুক্তি।
ছাড়িলে না কামাশক্তি-পাহিলে না তার দরশণ।।
৩।।যা তোমার মমতার বস্তু,গুরু পদ্বে বলি দাও।
আত্ম পদ্বে গুরুস্থিতি,স্ব-হস্তে তুলিয়া নাও।
গুরুতে এক আত্মা হয়ে-স্ব-নাম তুমি দাও হারিয়ে।
সেরু পাগলা স্ব-বিনয়ে-করিতেছে এই নিবেদন।।
সত্য সহায়।গুরুজী।
বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষে ধর্ম।গুরুজী।গুরু তত্ব=২।।
পারের
ও কান্ডারী,গুরু গুণধারী,জগতের
পূঁজারী সেই।
সে যে অমূল্য রতন,সাধনার ধন,ভবে তার তুলনা নেই।।
১।জীব উদ্ধারের আশে,প্রতি মাসে মাসে,
রজে বীজে সে বেড়াই।
ও সে আলাকেরই মাঝে,থাকে সকাল সাঁঝে,
খুজলে পাবে সর্বদায়।
ত্বরা খোঁজ এই গুরুকে,ভজোগো তাহাকে,
মুক্তি পাবার কারণেই।।
পারের ও কান্ডারী,গুরু গুণধারী,জগতের পূঁজারী সেই।।
২।যেথায় আদ্য কুণ,আদি কারে খুন,
ভ্রুণে গুরু দয়াময়।
ও সে তনেরই মাঝারে,সদা বিরাজ করে,
খুজেঁ দেখো কলেমায়।
আহাদ রুপে বারী,হয়ে আদ্য নূরী,
ঘুরিতেছে জগতেই।।
পারের ও কান্ডারী,গুরু গুণধারী,জগতের পূঁজারী সেই।।
৩।সেরু পাগলা ভেবে কহে,গুরু মানুষ নহে,
ঢুড়ে দেখো দুনিয়াই।
সে যে রুপে নিরাঞ্জন,বর্ত রয় তৃ-তন,
এক রুপে এক রঙ্গে নয়।
তৃ-জগতে ঘোরে,চতুর্থ রঙ ধরে,
পাবে তুমি খুঁজিলেই।।
পারের ও কান্ডারী,গুরু গুণধারী,জগতের পূঁজারী সেই।।
সত্য সহায়।গুরুজী।।
সে যে অমূল্য রতন,সাধনার ধন,ভবে তার তুলনা নেই।।
১।জীব উদ্ধারের আশে,প্রতি মাসে মাসে,
রজে বীজে সে বেড়াই।
ও সে আলাকেরই মাঝে,থাকে সকাল সাঁঝে,
খুজলে পাবে সর্বদায়।
ত্বরা খোঁজ এই গুরুকে,ভজোগো তাহাকে,
মুক্তি পাবার কারণেই।।
পারের ও কান্ডারী,গুরু গুণধারী,জগতের পূঁজারী সেই।।
২।যেথায় আদ্য কুণ,আদি কারে খুন,
ভ্রুণে গুরু দয়াময়।
ও সে তনেরই মাঝারে,সদা বিরাজ করে,
খুজেঁ দেখো কলেমায়।
আহাদ রুপে বারী,হয়ে আদ্য নূরী,
ঘুরিতেছে জগতেই।।
পারের ও কান্ডারী,গুরু গুণধারী,জগতের পূঁজারী সেই।।
৩।সেরু পাগলা ভেবে কহে,গুরু মানুষ নহে,
ঢুড়ে দেখো দুনিয়াই।
সে যে রুপে নিরাঞ্জন,বর্ত রয় তৃ-তন,
এক রুপে এক রঙ্গে নয়।
তৃ-জগতে ঘোরে,চতুর্থ রঙ ধরে,
পাবে তুমি খুঁজিলেই।।
পারের ও কান্ডারী,গুরু গুণধারী,জগতের পূঁজারী সেই।।
সত্য সহায়।গুরুজী।।
বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষে ধর্ম।গুরুজী। গুরু তত্ব=৩
গুরু
কিধন চিনো রে মন।
আনাছে যা বাত বলা হয়,তাহারেই কয় গুরু ধন।।
১।হেলা,চলা,ফোলা,কাঁপা,হাঁই,
এই পাঁচ গুণ বাত আনাছের হয়।
রং সবুজ লজ্জত খাট্টা হয়,
হক্কোল একিন হয় তার ইমান।।
গুরু কিধন চিনো রে মন।
২।ইস্রাফীল যাহারও মক্কেল,
লাহুত হয় তাহারও মঞ্জেল।
অজুদ তাহার ওয়াজেবুল,
সর্বক্ষনে তাই জানো মন।।
গুরু কিধন চিনো রে মন।
৩।রুহু যাহার হয় ইনছানী,
নফছ তাহার মোৎমাইন্নী।
রাহা তার মারফত জানি,
এই হয় গুরুর মহাজন।।
গুরু কিধন চিনো রে মন।
৪।সেরু পাগলা কয় শিষ্য তুমি,
গুরুকে ছেড়ো না ভ্রমি।
ভজো গুরু দিবাযামি,
করো গুরু আলিঙ্গন।।
গুরু কিধন চিনো রে মন।
সত্য সহায়।গুরুজী।।
আনাছে যা বাত বলা হয়,তাহারেই কয় গুরু ধন।।
১।হেলা,চলা,ফোলা,কাঁপা,হাঁই,
এই পাঁচ গুণ বাত আনাছের হয়।
রং সবুজ লজ্জত খাট্টা হয়,
হক্কোল একিন হয় তার ইমান।।
গুরু কিধন চিনো রে মন।
২।ইস্রাফীল যাহারও মক্কেল,
লাহুত হয় তাহারও মঞ্জেল।
অজুদ তাহার ওয়াজেবুল,
সর্বক্ষনে তাই জানো মন।।
গুরু কিধন চিনো রে মন।
৩।রুহু যাহার হয় ইনছানী,
নফছ তাহার মোৎমাইন্নী।
রাহা তার মারফত জানি,
এই হয় গুরুর মহাজন।।
গুরু কিধন চিনো রে মন।
৪।সেরু পাগলা কয় শিষ্য তুমি,
গুরুকে ছেড়ো না ভ্রমি।
ভজো গুরু দিবাযামি,
করো গুরু আলিঙ্গন।।
গুরু কিধন চিনো রে মন।
সত্য সহায়।গুরুজী।।
বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষে ধর্ম।গুরুজী।প্রবর্ত-১
মতু
কাবলা আনতা মতু,দলিলেতে
পাওয়া যায়।
মরার আগে মরোরে মন,মুক্তি পাবার বাসনায়।।
১।মরার আগে মরতে হলে।
পড়ো গুরুর চরণ তলে।
পোড় গুরুর ভোজানলে।
আহার যোগাও পঞ্চাত্মায়।।
মরার আগে মরোরে মন,মুক্তি পাবার বাসনায়।।
২।দাস্য বৃত্তে স্ব-বিক্রয়ে।
আত্ম শুদ্ধি করো গিয়ে।
গুরুর মহা মন্ত্র নিয়ে।
ধরে রাখো রশনায়।।
মরার আগে মরোরে মন,মুক্তি পাবার বাসনায়।।
৩।মরার আগে যার মরণ হয়।
শমন বলে তার কিসের ভয়।
নিজ দেহ তার হয় যমালয়।
যম তাকে দেখলেই ডরাই।।
মরার আগে মরোরে মন,মুক্তি পাবার বাসনায়।।
৪।থাকে না তার জন্ম মৃত্যৃ।
অনিত্ব হয়ে যায় নিত্ব।
বিচার নাই তার প্রভু ভৃত্ত।
ভেবে কয় সেরু পাগলায়।।
মরার আগে মরোরে মন,মুক্তি পাবার বাসনায়।।
সত্য সহায়।গুরুজী।।
মরার আগে মরোরে মন,মুক্তি পাবার বাসনায়।।
১।মরার আগে মরতে হলে।
পড়ো গুরুর চরণ তলে।
পোড় গুরুর ভোজানলে।
আহার যোগাও পঞ্চাত্মায়।।
মরার আগে মরোরে মন,মুক্তি পাবার বাসনায়।।
২।দাস্য বৃত্তে স্ব-বিক্রয়ে।
আত্ম শুদ্ধি করো গিয়ে।
গুরুর মহা মন্ত্র নিয়ে।
ধরে রাখো রশনায়।।
মরার আগে মরোরে মন,মুক্তি পাবার বাসনায়।।
৩।মরার আগে যার মরণ হয়।
শমন বলে তার কিসের ভয়।
নিজ দেহ তার হয় যমালয়।
যম তাকে দেখলেই ডরাই।।
মরার আগে মরোরে মন,মুক্তি পাবার বাসনায়।।
৪।থাকে না তার জন্ম মৃত্যৃ।
অনিত্ব হয়ে যায় নিত্ব।
বিচার নাই তার প্রভু ভৃত্ত।
ভেবে কয় সেরু পাগলায়।।
মরার আগে মরোরে মন,মুক্তি পাবার বাসনায়।।
সত্য সহায়।গুরুজী।।
বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষে ধর্ম।গুরুজী।গুরু তত্ব=৪
রাসুল
আমার বায়াত করেছে।
হওনা বায়াত এ মন্ত্রণা,কে তোমারে দিয়াছে।।
১।রাসুলের হাতে হলে বায়াত।
স্পর্শ পায় সে আল্লাহরই হাত।
বিজয় পায় সে পায় গণীমাত।
(যা)আল্লাহ তে বর্ত আছে।
রাসুল আমার বায়াত করেছে।।
২।(যদি)আল্লাহ স্পর্শের থাকে আশা।
বুঝো সূরা ফাত্হার ভাষা।
দশ আয়াতে বলছে খাসা।
(আর)আঠারো হতে বাইশে।।
রাসুল আমার বায়াত করেছে।।
৩।তোমার রাসুল রয় বর্তমান।
বলিতেছে ঐ পাক কোরআন।
সূরা ইউনুস দেই তার প্রমান।
আয়াত তার সাতচল্লিশে।।
রাসুল আমার বায়াত করেছে।।
৪।বুঝো কোরআন চিনো রাসুল।
ভেঙ্গে যাবে তোমার ঐ ভুল।
আহলে বাইয়াত ধর্মেরই মূল।
সেরু পাগলায় জেনেছে।।
রাসুল আমার বায়াত করেছে।।
সত্য সহায়।গুরুজী।।
হওনা বায়াত এ মন্ত্রণা,কে তোমারে দিয়াছে।।
১।রাসুলের হাতে হলে বায়াত।
স্পর্শ পায় সে আল্লাহরই হাত।
বিজয় পায় সে পায় গণীমাত।
(যা)আল্লাহ তে বর্ত আছে।
রাসুল আমার বায়াত করেছে।।
২।(যদি)আল্লাহ স্পর্শের থাকে আশা।
বুঝো সূরা ফাত্হার ভাষা।
দশ আয়াতে বলছে খাসা।
(আর)আঠারো হতে বাইশে।।
রাসুল আমার বায়াত করেছে।।
৩।তোমার রাসুল রয় বর্তমান।
বলিতেছে ঐ পাক কোরআন।
সূরা ইউনুস দেই তার প্রমান।
আয়াত তার সাতচল্লিশে।।
রাসুল আমার বায়াত করেছে।।
৪।বুঝো কোরআন চিনো রাসুল।
ভেঙ্গে যাবে তোমার ঐ ভুল।
আহলে বাইয়াত ধর্মেরই মূল।
সেরু পাগলায় জেনেছে।।
রাসুল আমার বায়াত করেছে।।
সত্য সহায়।গুরুজী।।
বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষে ধর্ম।গুরুজী।রোজা ও হজ্জ-পর্ব=১
আমেনায়
আহাম্মদ এলে,রমযানের চাঁদ
উদয় হয়।
মদিনা মক্কা হইবে,শোন গোপন পরিচয়।।
১।আনআম বাকারাহ হইলে।
আহাম্মদ ধরাই আসিলে।
রমযানের চাঁদ তারে বলে।
এ কথা জেনো নিশ্চয়।।
মদিনা মক্কা হইবে,শোন গোপন পরিচয়।।
২।মহাম্মদ আসিলে পরে।
হজ্জের চাঁদ লইবে ধরে।
একাত্তর দিনে হজ্জ লও সেরে।
তবেই হবে ঋপূ জয়।।
মদিনা মক্কা হইবে,শোন গোপন পরিচয়।।
৩।রমযানের ঐ শেষের দশে।
শবে কদর ফিরে আসে।
সে ধন জীবের হৃদে মিশে।
সর্ব পাপ তার করে লয়।।
মদিনা মক্কা হইবে,শোন গোপন পরিচয়।।
৪।শপ্ত পঞ্চ নাম ধরিয়া।
আসে মান্না ও সালওয়া।
সেহেরি ইফতারী হইয়া।
সেরু পাগলা তাহা কয়।।
মদিনা মক্কা হইবে,শোন গোপন পরিচয়।।
সত্য সহায়।গুরুজী।।
মদিনা মক্কা হইবে,শোন গোপন পরিচয়।।
১।আনআম বাকারাহ হইলে।
আহাম্মদ ধরাই আসিলে।
রমযানের চাঁদ তারে বলে।
এ কথা জেনো নিশ্চয়।।
মদিনা মক্কা হইবে,শোন গোপন পরিচয়।।
২।মহাম্মদ আসিলে পরে।
হজ্জের চাঁদ লইবে ধরে।
একাত্তর দিনে হজ্জ লও সেরে।
তবেই হবে ঋপূ জয়।।
মদিনা মক্কা হইবে,শোন গোপন পরিচয়।।
৩।রমযানের ঐ শেষের দশে।
শবে কদর ফিরে আসে।
সে ধন জীবের হৃদে মিশে।
সর্ব পাপ তার করে লয়।।
মদিনা মক্কা হইবে,শোন গোপন পরিচয়।।
৪।শপ্ত পঞ্চ নাম ধরিয়া।
আসে মান্না ও সালওয়া।
সেহেরি ইফতারী হইয়া।
সেরু পাগলা তাহা কয়।।
মদিনা মক্কা হইবে,শোন গোপন পরিচয়।।
সত্য সহায়।গুরুজী।।
বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষে ধর্ম।গুরুজী।নামাজ-পর্ব=৪
নামাজ
হয় বেহেশতের কুঞ্জি,এর গুপ্ত
ভেদ জানো মন।
লাম তালা আলিফ হয় চাবি,মীমে রয় বেহেশতি ধন।।
১।লাম তালায় তোর আলিফ চাবি।
যখনই প্রবেশ করাবি।
লামালীফ ইহারেই জানবি।
তালায় চাবি যায় যখন।।
লাম তালা আলিফ হয় চাবি,মীমে রয় বেহেশতি ধন।।
২।তালায় চাবির মুড়ামুড়ী।
বিসমিল্লাহর হয় দৌড়াদৌড়ী।
নুক্তা রুপে সরাসরি।
আরাফে করে গমন।।
লাম তালা আলিফ হয় চাবি,মীমে রয় বেহেশতি ধন।।
৩।আরাফে নুক্তার আবির্ভাব।
নামাজ ছাড়া হয় না এ ভাব।
নামাজেই হয় শুদ্ধ স্বভাব।
নামাজই জীবণ মরণ।।
লাম তালা আলিফ হয় চাবি,মীমে রয় বেহেশতি ধন।।
৪।আরাফ বাসীর প্রত্যাগমন।
মীমের দুয়ার খোলে তখন।
কয় সামসুদ্দীন ঐ স্বর্গধন।
সেরু পাগলার তাই দর্শণ।।
লাম তালা আলিফ হয় চাবি,মীমে রয় বেহেশতি ধন।।
সত্য সহায়।গুরুজী।।
লাম তালা আলিফ হয় চাবি,মীমে রয় বেহেশতি ধন।।
১।লাম তালায় তোর আলিফ চাবি।
যখনই প্রবেশ করাবি।
লামালীফ ইহারেই জানবি।
তালায় চাবি যায় যখন।।
লাম তালা আলিফ হয় চাবি,মীমে রয় বেহেশতি ধন।।
২।তালায় চাবির মুড়ামুড়ী।
বিসমিল্লাহর হয় দৌড়াদৌড়ী।
নুক্তা রুপে সরাসরি।
আরাফে করে গমন।।
লাম তালা আলিফ হয় চাবি,মীমে রয় বেহেশতি ধন।।
৩।আরাফে নুক্তার আবির্ভাব।
নামাজ ছাড়া হয় না এ ভাব।
নামাজেই হয় শুদ্ধ স্বভাব।
নামাজই জীবণ মরণ।।
লাম তালা আলিফ হয় চাবি,মীমে রয় বেহেশতি ধন।।
৪।আরাফ বাসীর প্রত্যাগমন।
মীমের দুয়ার খোলে তখন।
কয় সামসুদ্দীন ঐ স্বর্গধন।
সেরু পাগলার তাই দর্শণ।।
লাম তালা আলিফ হয় চাবি,মীমে রয় বেহেশতি ধন।।
সত্য সহায়।গুরুজী।।
বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষে ধর্ম।গুরুজী।নামাজ-পর্ব=৩
তোমার নামাজ সত্য হলে,রোযা রাখা যাবে
না।রোযা পালন করতে গেলে,নামাজ তোমার হবে না।।
১।সূরা আরাফ দেখো পড়ে।
একত্রিশ আয়াতের পরে।
বলছে আল্লাহ নামাজীরে।
মসজিদে আসার ব্যানা।।
রোযা পালন করতে গেলে,নামাজ তোমার হবে না।।
২।মসজিদে আসিবার সময়।
পোষাক পরিবে অবশ্যয়।
পানাহার করিবে নিশ্চয়।
অপব্যায় করিবে না।।
রোযা পালন করতে গেলে,নামাজ তোমার হবে না।।
৩।পাঁচ ওয়াক্ত নামাজেতে।
পাঁচ বার আসো মসজিদেতে।
পাঁচ বার হবে আহার করতে।
তাহলেই রোযা হয় না।।
রোযা পালন করতে গেলে,নামাজ তোমার হবে না।।
৪।রোযা পালন করতে গেলে।
নামাজ তোমার যাই বিফলে।
তাইতে কয় সেরু পাগলে।
তোমরা নামাজের ভেদ জানো না।।
রোযা পালন করতে গেলে,নামাজ তোমার হবে না।।
সত্য সহায়।গুরুজী।।
বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষে ধর্ম।গুরুজী।বৈজ্ঞানীকের আরেকটি কোরান নিয়ে নির্লজ্জ মিথ্যাচার।
আমার লেখা নামাজ পর্ব=২ এ বৈজ্ঞানীক
একটি মন্তব্য করেছেন যাহা নিম্নে
তুলে ধরলাম।সূরা নূর-৪১
তুমি কি দেখ না যে, নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলে যারা আছে, তারা এবং উড়ন্ত পক্ষীকুল তাদের পাখা বিস্তার করতঃ আল্লাহর পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করে? প্রত্যেকেই তার যোগ্য এবাদত এবং পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণার পদ্ধতি জানে। তারা যা করে, আল্লাহ সে বিষয়ে সম্যক জ্ঞাত।
মূলতঃ আয়াতটি-আলাম তারা আন্নাল্লাহু ইউ সাব্বিহু লা হু মান ফিস সামাওয়াতী ওয়াল আরদ ওয়াত্তাইরু সাফফাতিন।কুল্লুন কাদ আলিমা সালাতাহ ওয়া তাসবিহ।ওয়াল্লাহু আলিমুন বি মা ইয়াফ আলুনা।
অর্থ-তোমার কি জানা নাই যে,আল্লাহর পবিত্রতা বর্ণনা করে যাহা কিছু আসমান ও যমিনের মধ্যে আছে।আর উড়ন্ত পক্ষীরাও।প্রত্যেকেই জানে নিজ নিজ নামাজ ও তাসবিহ।তারা যা করে, আল্লাহ সে বিষয়ে সম্যক জ্ঞাত।
সালাতের যায়গায় সালাত বা নামাজ না লিখে এবাদত লিখে যে মাতবারী করলেন।এ অধিকার আপনাকে কে দিয়েছে।দয়া করে জানাবেন কি?কোরান নিয়ে এই মিথ্যাচার না করলে আপনাদের কি ক্ষতি হতো একটু বুঝিয়ে বলবেন কি?শুধু মানুষ নয় প্রতিটি সৃষ্টিই নামাজ পড়ে বলতে আপনাদের ভয়,কিসে একটু বুঝিয়ে বলুন।
সত্য সহায়।গুরুজী।।
বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষে ধর্ম।গুরুজী।নামাজ-পর্ব=২
সেজদা দিলি যেই মাটিতে,সেই মাটিতে আল্লাহ
নাই।মোমিনের কালেবে আল্লাহ,বিরাজীত সর্বদায়।।
১।সালাতুল মেরাজুল মোমিন।
নামাজে পায় খোদারই চিন।
তাইতে পৌঁছাও হক্কল একিন।
না হলে সবই বৃথায়।।
মোমিনের কালেবে আল্লাহ,বিরাজীত সর্বদায়।।
২।কুলুবল মোমিন আরশ আল্লাহ।
কালেবে রয় খোদা তায়ালা।
কাছে রেখে না চিনিলা।
সেজদা দিলা অন্যথায়।।
মোমিনের কালেবে আল্লাহ,বিরাজীত সর্বদায়।।
৩।তাইতে বলি ত্বরা করে।
দাখিল হও মারফত ভিতরে।
কাদিম সেজদা প্রভুর তরে।
বুঝো কোন নামাজে পায়।।
মোমিনের কালেবে আল্লাহ,বিরাজীত সর্বদায়।।
৪।বুঝে লও সাধন ও ভজন।
লও চিনে সেজদারই আসন।
সেরু পাগলা কয় অকারণ।
যেওনা মাটি সেজদায়।।
মোমিনের কালেবে আল্লাহ,বিরাজীত সর্বদায়।।
সত্য সহায়।গুরুজী।।
ইলমুল ইয়াকিন,
আইনুল ইয়াকিন ও হক্কুল ইয়াকিন বলতে কি বুঝেন???
এলমল একিন অর্থ-জ্ঞান দ্বারা বিশ্বাস।
আইনুল একিন অর্থ-দেখে বিশ্বাস।
হক্কুল একিন অর্থ-চিনে বিশ্বাস।
আপনার বংশ-তালিকা দেবেন??
আমার নাম প্রাণী।
বাবার নাম-মাটি।
মায়ের নাম-আগুন
গ্রামের নাম-নূর বা আলো।
থানার নাম-বাতাস।
জেলার নাম-পানি।
সত্য সহায়।গুরুজী।
মাকামে কাবা
কাউসাইন এর রহস্য কি?এলমল একিন অর্থ-জ্ঞান দ্বারা বিশ্বাস।
আইনুল একিন অর্থ-দেখে বিশ্বাস।
হক্কুল একিন অর্থ-চিনে বিশ্বাস।
আপনার বংশ-তালিকা দেবেন??
আমার নাম প্রাণী।
বাবার নাম-মাটি।
মায়ের নাম-আগুন
গ্রামের নাম-নূর বা আলো।
থানার নাম-বাতাস।
জেলার নাম-পানি।
সত্য সহায়।গুরুজী।
আনাছে-আতশ
রুহে-হাইয়ানী
নফসে-আম্মারা
অজুদ-মোমকেনাল
রাহা-শরিয়ত
মোকাম-কাবকাউসিন=ভ্রু
মঞ্জিল-নাছুত
মক্কেল-আজাজীল
ইমান-বেলগায়েব একিন
রং-ছিয়া বা কালো
স্বাদ-কড়ুয়া বা তিতা
রুহে-হাইয়ানী
নফসে-আম্মারা
অজুদ-মোমকেনাল
রাহা-শরিয়ত
মোকাম-কাবকাউসিন=ভ্রু
মঞ্জিল-নাছুত
মক্কেল-আজাজীল
ইমান-বেলগায়েব একিন
রং-ছিয়া বা কালো
স্বাদ-কড়ুয়া বা তিতা
তাজাল্লি কী?
উহা কত প্রকার ও কি কি?
নূর বা আলোর ছটাকে তাজল্লি বলে।
তাজল্লি ৫ প্রকার
১।জামালি
২।জালালি
৩।জাতি
৪।ছেফাতি
৫।আদি
ফানা ও বাকা কি?
এলমে তরিকতের ক্লাশ বা শ্রেণীর নাম।
ফানা-একাদশ শ্রেণী।এ স্তর তিনটি। যথা-
১।ফানাফিসশায়খ-গুরুর সাথে মিশে একাকার হয়ে যাওয়া।
২।ফানাফির রাসুল-রাসুলের সাথে মিশে একাকার হয়ে যাওয়া।
৩।ফানা ফিল্লাহ-আল্লাহর সাথে মিশে একাকার হয়ে যাওয়া।
বাকা-দ্বাদশ শ্রেণী।যে বাকা বিল্লাহতে পৌঁছায় আল্লাহ ও তার মধ্যে কোন পার্থক্য থাকেনা।
ওসলে উরয়ান কি?
এ বিষয়ে আমার ধারনা নাই।
বেলায়েতে আউলিয়া, বেলায়েতে আম্বিয়া ও বেলায়েতে মালায়ে আ'লা সম্বন্ধে আপনার বক্তব্য কি?
একমাত্রই আমি।
সত্য সহায়।গুরুজী।
নূর বা আলোর ছটাকে তাজল্লি বলে।
তাজল্লি ৫ প্রকার
১।জামালি
২।জালালি
৩।জাতি
৪।ছেফাতি
৫।আদি
ফানা ও বাকা কি?
এলমে তরিকতের ক্লাশ বা শ্রেণীর নাম।
ফানা-একাদশ শ্রেণী।এ স্তর তিনটি। যথা-
১।ফানাফিসশায়খ-গুরুর সাথে মিশে একাকার হয়ে যাওয়া।
২।ফানাফির রাসুল-রাসুলের সাথে মিশে একাকার হয়ে যাওয়া।
৩।ফানা ফিল্লাহ-আল্লাহর সাথে মিশে একাকার হয়ে যাওয়া।
বাকা-দ্বাদশ শ্রেণী।যে বাকা বিল্লাহতে পৌঁছায় আল্লাহ ও তার মধ্যে কোন পার্থক্য থাকেনা।
ওসলে উরয়ান কি?
এ বিষয়ে আমার ধারনা নাই।
বেলায়েতে আউলিয়া, বেলায়েতে আম্বিয়া ও বেলায়েতে মালায়ে আ'লা সম্বন্ধে আপনার বক্তব্য কি?
একমাত্রই আমি।
সত্য সহায়।গুরুজী।
বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষে ধর্ম।গুরুজী।।বিষয়=উপাষনার চন্দ্র।।
সাড়ে
তিন চন্দ্রে ইনসান সৃষ্টি,তাহার
হিসাব শোনরে মন।
জ্বীন সৃষ্টিও সাড়ে তিনে,সৃষ্টি লিলা এক রকম।।
১।দ্বি-দ্বলে যে চাঁদ রয়েছে।
দু-ভাগে বিভক্ত আছে।
তাইতে দ্বি-দ্বল নাম হয়েছে।
শত পঞ্চ নাম তার শোন।।
জ্বীন সৃষ্টিও সাড়ে তিনে,সৃষ্টি লিলা এক রকম।।
২।শত নামী হয় শপ্ত চাঁদ।
মৈথুনে ক্ষরণ হয় তার আধ।
আধেতে ইনসানের আবাদ।
আধেতে জ্বীন জেনো মন।।
জ্বীন সৃষ্টিও সাড়ে তিনে,সৃষ্টি লিলা এক রকম।।
৩।শপ্ত চন্দ্রের অর্ধ যে হয়।
সাড়ে তিন চন্দ্র তাহারে কয়।
সেরু পাগলায় বলে নিশ্চয়।
সৃষ্টি লিলা এই রকম।।
জ্বীন সৃষ্টিও সাড়ে তিনে,সৃষ্টি লিলা এক রকম।।
সত্য সহায়।গুরুজী।।
জ্বীন সৃষ্টিও সাড়ে তিনে,সৃষ্টি লিলা এক রকম।।
১।দ্বি-দ্বলে যে চাঁদ রয়েছে।
দু-ভাগে বিভক্ত আছে।
তাইতে দ্বি-দ্বল নাম হয়েছে।
শত পঞ্চ নাম তার শোন।।
জ্বীন সৃষ্টিও সাড়ে তিনে,সৃষ্টি লিলা এক রকম।।
২।শত নামী হয় শপ্ত চাঁদ।
মৈথুনে ক্ষরণ হয় তার আধ।
আধেতে ইনসানের আবাদ।
আধেতে জ্বীন জেনো মন।।
জ্বীন সৃষ্টিও সাড়ে তিনে,সৃষ্টি লিলা এক রকম।।
৩।শপ্ত চন্দ্রের অর্ধ যে হয়।
সাড়ে তিন চন্দ্র তাহারে কয়।
সেরু পাগলায় বলে নিশ্চয়।
সৃষ্টি লিলা এই রকম।।
জ্বীন সৃষ্টিও সাড়ে তিনে,সৃষ্টি লিলা এক রকম।।
সত্য সহায়।গুরুজী।।
বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষে ধর্ম।গুরুজী।পর্ব=নামাজ।।
না
জেনে পাঞ্জাতন ব্যানা,পড়ছো নামাজ
অকারণে।
পাঁচ অজুদে বিরাজীত,চিনো মন সেই পঞ্চ জনে।।
১।খাক জাতে আরেফেল অজুদ,ছিলো আদম সেই ধামে।
পড়িয়া ফজরের নামাজ,হয় জলি হুসাইনে।
জাতে আব অজুদ মোমতেনাল।
তাই ইব্রাহীম জোহরী হাল।
হাসান তথা রয় চিরকাল,কালবিতে সাধকে চিনে।।
পাঁচ অজুদে বিরাজীত,চিনো মন সেই পঞ্চ জনে।।
২।জাত আতশ মোমকেনাল অজুদ,রুহী হাল তার আছরে।
পরিত্রান পর পড়ে ইউনুস,ফাতিমা রয় সেই ঘরে।
অহেদাল অজুদ বাত জাতে।
দেখা পাবে ঐ ছিররিতে।
পড়ে ইসা মাগরিবেতে,আলি ধনি সেই ধনে।।
পাঁচ অজুদে বিরাজীত,চিনো মন সেই পঞ্চ জনে।।
৩।ছাফা হয় ওয়াজেবল অজুদ,খফি হয় তার নামাজ হাল।
পড়লো মুছা এশার নামাজ,ছিন্ন করে মায়াজাল।
হেথা মহাম্মদ পৌছিলে।
পাঞ্জাতন হয় জাত মন্ডলে।
তাইতে কয় সেরু পাগলে,পড়ো না নামাজ ভেদ না জেনে।।
পাঁচ অজুদে বিরাজীত,চিনো মন সেই পঞ্চ জনে।।
সত্য সহায়।গুরুজী।।
পাঁচ অজুদে বিরাজীত,চিনো মন সেই পঞ্চ জনে।।
১।খাক জাতে আরেফেল অজুদ,ছিলো আদম সেই ধামে।
পড়িয়া ফজরের নামাজ,হয় জলি হুসাইনে।
জাতে আব অজুদ মোমতেনাল।
তাই ইব্রাহীম জোহরী হাল।
হাসান তথা রয় চিরকাল,কালবিতে সাধকে চিনে।।
পাঁচ অজুদে বিরাজীত,চিনো মন সেই পঞ্চ জনে।।
২।জাত আতশ মোমকেনাল অজুদ,রুহী হাল তার আছরে।
পরিত্রান পর পড়ে ইউনুস,ফাতিমা রয় সেই ঘরে।
অহেদাল অজুদ বাত জাতে।
দেখা পাবে ঐ ছিররিতে।
পড়ে ইসা মাগরিবেতে,আলি ধনি সেই ধনে।।
পাঁচ অজুদে বিরাজীত,চিনো মন সেই পঞ্চ জনে।।
৩।ছাফা হয় ওয়াজেবল অজুদ,খফি হয় তার নামাজ হাল।
পড়লো মুছা এশার নামাজ,ছিন্ন করে মায়াজাল।
হেথা মহাম্মদ পৌছিলে।
পাঞ্জাতন হয় জাত মন্ডলে।
তাইতে কয় সেরু পাগলে,পড়ো না নামাজ ভেদ না জেনে।।
পাঁচ অজুদে বিরাজীত,চিনো মন সেই পঞ্চ জনে।।
সত্য সহায়।গুরুজী।।
বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষে ধর্ম।গুরুজী।এলমে তাসাউফের প্রথম শ্রেণী=দম
শ্বাষ
বায়ুর বহির্গত মান।
স্বাভাবিক দ্বাদশ আঙ্গুলি,বহির্গতির পরিমান।।
১।ষোড়ষ আঙ্গুল যাই গায়নে।
বিংশতি তোর যাই ভোজনে।
চতুর্বিংশ পথ গমনে।
নিদ্রায় ত্রিংশতি সমান।।
স্বাভাবিক দ্বাদশ আঙ্গুলি,বহির্গতির পরিমান।।
২।ষটত্রিংশত যাই মৈথুনে।
ইহার অধিক যাই ব্যায়ামে।
আয়ু বৃদ্ধি দ্বাদশ নুন্যে।
অধিকে ক্ষয় হবে প্রাণ।।
স্বাভাবিক দ্বাদশ আঙ্গুলি,বহির্গতির পরিমান।।
৩।প্রাণ বায়ু দেহে থাকিতে।
মৃত্যু হয় না কোন মতে।
সেরু পাগলা পায় জানিতে।
বায়ুই করে জীবণ দান।।
স্বাভাবিক দ্বাদশ আঙ্গুলি,বহির্গতির পরিমান।।
সত্য সহায়।গুরুজী।।
স্বাভাবিক দ্বাদশ আঙ্গুলি,বহির্গতির পরিমান।।
১।ষোড়ষ আঙ্গুল যাই গায়নে।
বিংশতি তোর যাই ভোজনে।
চতুর্বিংশ পথ গমনে।
নিদ্রায় ত্রিংশতি সমান।।
স্বাভাবিক দ্বাদশ আঙ্গুলি,বহির্গতির পরিমান।।
২।ষটত্রিংশত যাই মৈথুনে।
ইহার অধিক যাই ব্যায়ামে।
আয়ু বৃদ্ধি দ্বাদশ নুন্যে।
অধিকে ক্ষয় হবে প্রাণ।।
স্বাভাবিক দ্বাদশ আঙ্গুলি,বহির্গতির পরিমান।।
৩।প্রাণ বায়ু দেহে থাকিতে।
মৃত্যু হয় না কোন মতে।
সেরু পাগলা পায় জানিতে।
বায়ুই করে জীবণ দান।।
স্বাভাবিক দ্বাদশ আঙ্গুলি,বহির্গতির পরিমান।।
সত্য সহায়।গুরুজী।।
বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষে ধর্ম।গুরুজী।চন্দ্র পরিচয়।।
খুন দিয়ে মাসেরই শুরু,খুন দিয়ে শেষ
হলো মাস।
খুন থেকে খুনেরই হিসাব,জানিতে হও গুরু দাস।।
খুনের আগাম বার্তা নিয়ে,মহররম দেখ আসে ধেয়ে।
শহীদানের রক্তে নেয়ে,কাফেরে করে উল্লাস।
সে রক্তের বদলাতে দেখো,হয়েছে ইসলাম প্রকাশ।।
সফরে ভ্রমন করিয়া,আলাক রুপ গেলো হইয়া।
রবিউল আউয়াল বিজয়া,মহা নবীর হয় প্রকাশ।
রবিউস সানিতে প্রভু,বলে হতে কৃত দাস।।
জমাদিউল আউয়াল এলো,সবাই জমায়েত হইলো।
জমাদিউস সানি দিলো,নবীতে পূর্ব আভাস।
রজ্জবে মেরাজ কারণে,যাই নবী শপ্তম আকাশ।।
ভাগ্য বন্টন হয় সাবানে,প্রাপ্তি ঘটে ঐ রমজানে।
সেহরি ইফতারী ধ্যানে,রোজাদারের নাভীশ্বাষ।
তখন প্রভু কৃত দাসে,ফেৎরা দেওয়ার দেই আভাস।।
সবাই থাকে একই ধ্যানে,শবে কদর হয় কখনে।
সেজদা দেই প্রভুর চরণে,গাছ পালা আকাশ বাতাস।
সেজদায়ী ধন করলে গ্রহন,মুক্ত হয় সব কৃতদাস।।
দাসের ঘরে উঠেছে ধন,সওয়ালে তাই ঈদ আগমন।
জ্বীলকদে যাকাত বিতরণ,পায়না যাকাত নেওয়ার দাস।
কার যাকাত কে নেইরে সেদিন,সর্ব ঘরে রয় উল্লাস।।
জ্বীলহজ্জ মাসের আগমনে,যাই ছুটে মক্কা মদীনে।
হজ্জ করিবার আশা মনে,তাইতে বান্দা হয় প্রবাস।
কোরবানির পশুরও খুনে,সমাপ্ত হয় বারো মাস।।
বারো চন্দ্র আমার ইচ্ছায়,আসমানেতে ভ্রমণ করায়।
ইচ্ছা করলে এক অবস্থায়,রাখতে পারি হাজার মাস।
সেরু পাগলা কয় একথা,জানিতে হও গুরু দাস।।
সত্য সহায়।গুরুজী।।
খুন থেকে খুনেরই হিসাব,জানিতে হও গুরু দাস।।
খুনের আগাম বার্তা নিয়ে,মহররম দেখ আসে ধেয়ে।
শহীদানের রক্তে নেয়ে,কাফেরে করে উল্লাস।
সে রক্তের বদলাতে দেখো,হয়েছে ইসলাম প্রকাশ।।
সফরে ভ্রমন করিয়া,আলাক রুপ গেলো হইয়া।
রবিউল আউয়াল বিজয়া,মহা নবীর হয় প্রকাশ।
রবিউস সানিতে প্রভু,বলে হতে কৃত দাস।।
জমাদিউল আউয়াল এলো,সবাই জমায়েত হইলো।
জমাদিউস সানি দিলো,নবীতে পূর্ব আভাস।
রজ্জবে মেরাজ কারণে,যাই নবী শপ্তম আকাশ।।
ভাগ্য বন্টন হয় সাবানে,প্রাপ্তি ঘটে ঐ রমজানে।
সেহরি ইফতারী ধ্যানে,রোজাদারের নাভীশ্বাষ।
তখন প্রভু কৃত দাসে,ফেৎরা দেওয়ার দেই আভাস।।
সবাই থাকে একই ধ্যানে,শবে কদর হয় কখনে।
সেজদা দেই প্রভুর চরণে,গাছ পালা আকাশ বাতাস।
সেজদায়ী ধন করলে গ্রহন,মুক্ত হয় সব কৃতদাস।।
দাসের ঘরে উঠেছে ধন,সওয়ালে তাই ঈদ আগমন।
জ্বীলকদে যাকাত বিতরণ,পায়না যাকাত নেওয়ার দাস।
কার যাকাত কে নেইরে সেদিন,সর্ব ঘরে রয় উল্লাস।।
জ্বীলহজ্জ মাসের আগমনে,যাই ছুটে মক্কা মদীনে।
হজ্জ করিবার আশা মনে,তাইতে বান্দা হয় প্রবাস।
কোরবানির পশুরও খুনে,সমাপ্ত হয় বারো মাস।।
বারো চন্দ্র আমার ইচ্ছায়,আসমানেতে ভ্রমণ করায়।
ইচ্ছা করলে এক অবস্থায়,রাখতে পারি হাজার মাস।
সেরু পাগলা কয় একথা,জানিতে হও গুরু দাস।।
সত্য সহায়।গুরুজী।।
বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষে ধর্ম।গুরুজী।। ১৪০০ বছর ধরেই কি আমরা ভুল কোরান পড়ে আসছি?
পূর্বে
বিসমিল্লাহির রাহমানুর রাহিম সুরা ফাতিহার
আয়াত ছিলো না।কিন্তু বর্তমানে যে
সকল কোরআন (কু-সংস্কার
বাদীদের বলা) ইন্টারনেটে প্রকাশ
হয়েছে তাতে বিসমিল্লাহির রাহমানুর
রাহিমকে সুরা ফাতিহার প্রথম
আয়াত লিখেছে।নিম্নে
হুবহু তুলে দিলাম।
(بِسْمِ اللّهِ الرَّحْمـَنِ الرَّحِيمِ (1
শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু।
الْحَمْدُ للّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ (2
যাবতীয় প্রশংসা আল্লাহ তা’আলার যিনি সকল সৃষ্টি জগতের পালনকর্তা।
الرَّحْمـنِ الرَّحِيمِ (3
যিনি নিতান্ত মেহেরবান ও দয়ালু।
مَـالِكِ يَوْمِ الدِّينِ (4
যিনি বিচার দিনের মালিক।
إِيَّاكَ نَعْبُدُ وإِيَّاكَ نَسْتَعِينُ (5
আমরা একমাত্র তোমারই ইবাদত করি এবং শুধুমাত্র তোমারই সাহায্য প্রার্থনা করি।
اهدِنَــــا الصِّرَاطَ المُستَقِيمَ (6
আমাদেরকে সরল পথ দেখাও,
صِرَاطَ الَّذِينَ أَنعَمتَ عَلَيهِمْ غَيرِ المَغضُوبِ عَلَيهِمْ وَلاَ الضَّالِّينَ (7
সে সমস্ত লোকের পথ, যাদেরকে তুমি নেয়ামত দান করেছ। তাদের পথ নয়, যাদের প্রতি তোমার গজব নাযিল হয়েছে এবং যারা পথভ্রষ্ট হয়েছে।
এখন আমার জিজ্ঞাসা ১৪০০ বছর ধরেই কি আমরা ভুল কোরান পড়ে আসছি?সত্য সহায়।গুরুজী।।
(بِسْمِ اللّهِ الرَّحْمـَنِ الرَّحِيمِ (1
শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু।
الْحَمْدُ للّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ (2
যাবতীয় প্রশংসা আল্লাহ তা’আলার যিনি সকল সৃষ্টি জগতের পালনকর্তা।
الرَّحْمـنِ الرَّحِيمِ (3
যিনি নিতান্ত মেহেরবান ও দয়ালু।
مَـالِكِ يَوْمِ الدِّينِ (4
যিনি বিচার দিনের মালিক।
إِيَّاكَ نَعْبُدُ وإِيَّاكَ نَسْتَعِينُ (5
আমরা একমাত্র তোমারই ইবাদত করি এবং শুধুমাত্র তোমারই সাহায্য প্রার্থনা করি।
اهدِنَــــا الصِّرَاطَ المُستَقِيمَ (6
আমাদেরকে সরল পথ দেখাও,
صِرَاطَ الَّذِينَ أَنعَمتَ عَلَيهِمْ غَيرِ المَغضُوبِ عَلَيهِمْ وَلاَ الضَّالِّينَ (7
সে সমস্ত লোকের পথ, যাদেরকে তুমি নেয়ামত দান করেছ। তাদের পথ নয়, যাদের প্রতি তোমার গজব নাযিল হয়েছে এবং যারা পথভ্রষ্ট হয়েছে।
এখন আমার জিজ্ঞাসা ১৪০০ বছর ধরেই কি আমরা ভুল কোরান পড়ে আসছি?সত্য সহায়।গুরুজী।।
বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষে ধর্ম।গুরুজী।চন্দ্র পর্ব=২
দ্বি-দলে উঠিলে চন্দ্র
অমাবষ্যা হয়না তার।
বারো মুখী কুসুম কিরণ ছড়ায় জ্যোতী একাধার।।
১।এক চন্দ্র বারো মুখী।
আছে দু-ভাগে বিভক্তি।
বিভক্তি দু-ভাবে চুক্তি।
অন্যথা হয়না রে তার।।
২।এক মুখে শতদল কমল।
তার কিরণে জীবণ অটল।
তার বিহনে স্ব-রুপ অচল।
ছাড়িতে হয় ভূ-আধার।।
৩।শশি কিরণ পঞ্চদলো।
এতেই পাবে মুক্তির আলো।
এর অভাব পাপে ডুবালো।
সেরু পাগলা কয় এবার।।
সত্য সহায়।গুরুজী।।
বারো মুখী কুসুম কিরণ ছড়ায় জ্যোতী একাধার।।
১।এক চন্দ্র বারো মুখী।
আছে দু-ভাগে বিভক্তি।
বিভক্তি দু-ভাবে চুক্তি।
অন্যথা হয়না রে তার।।
২।এক মুখে শতদল কমল।
তার কিরণে জীবণ অটল।
তার বিহনে স্ব-রুপ অচল।
ছাড়িতে হয় ভূ-আধার।।
৩।শশি কিরণ পঞ্চদলো।
এতেই পাবে মুক্তির আলো।
এর অভাব পাপে ডুবালো।
সেরু পাগলা কয় এবার।।
সত্য সহায়।গুরুজী।।
বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষে ধর্ম।গুরুজী।চন্দ্র পর্ব=৫
সর্ব চন্দ্র স্বর্ণ বর্ণ,পঞ্চদশটি পত্র হয়।
শুক্লে এক এক পত্রোৎপত্তি,কৃষ্ণে এক এক ঝরে যায়।
(১)
আংশুমান সোম ঘৃত গন্ধ।
রজত প্রভাঃকৃতি কন্দ।
ভূঞ্জবাণ লশুনি সম।
চন্দ্রমা সুবর্ণ ন্যায়।।
(২)
শ্বেতাক্ষ, গরুড়াহৃত।
পান্ডু বর্ণ হয় আকৃত।
বৃক্ষাগ্রে রয় লম্বিত।
একথা জেনো নিশ্চয়।।
(৩)
চন্দ্র বর্ণ বলতে গেলে।
আনন্দ বিরাজে দিলে।
তাইতে কয় সেরু পাগলে।
গুরু ধরে চিনতে হয়।।
সত্য সহায়।গুরুজী।।
শুক্লে এক এক পত্রোৎপত্তি,কৃষ্ণে এক এক ঝরে যায়।
(১)
আংশুমান সোম ঘৃত গন্ধ।
রজত প্রভাঃকৃতি কন্দ।
ভূঞ্জবাণ লশুনি সম।
চন্দ্রমা সুবর্ণ ন্যায়।।
(২)
শ্বেতাক্ষ, গরুড়াহৃত।
পান্ডু বর্ণ হয় আকৃত।
বৃক্ষাগ্রে রয় লম্বিত।
একথা জেনো নিশ্চয়।।
(৩)
চন্দ্র বর্ণ বলতে গেলে।
আনন্দ বিরাজে দিলে।
তাইতে কয় সেরু পাগলে।
গুরু ধরে চিনতে হয়।।
সত্য সহায়।গুরুজী।।
বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষে ধর্ম।গুরুজী। কাম-প্রেম=পর্বঃ-১
গান
এক
প্রেমের ছলনাতে যেওনা।
কাম ক্ষুধা মিটিয়া গেলে ,দিয়ে যাবে বেদনা।।
(১)
কাম প্রয়োজন জেনো নিশ্চয়,প্রেম তোমার হলো অভিনয়।
অভিনয়ে কাম সারতে হয়,তার পর আর প্রেম থাকে না।।
(২)
কামে কামে হয় কামাতুর,তখন দেয় সে প্রেমেরই সুর।
পিছে পিছে করে ঘুর ঘুর,নিয়ে কামের বাসনা।।
(৩)
কামের জন্য প্রেম করে মন,কাম জগতে অমূল্য ধন।
সেরু পাগলার মন উচাটন,কাম ছাড়া প্রেম বুঝে না।।
গান দুই
প্রেম নাইরে প্রেম নাইরে ভবে,কাম ছাড়া প্রেম ভবে নাই।
ঢুঁড়ে দেখো এই ধরাতে,ঘুরছে সব কামের নেশায়।।
(১)
কাম সিদ্ধি করিবার আশে,জড়াতে হয় প্রেমাবেশে।
ব্যাথা দিয়ে অবশেষে,প্রেম তোমার চলিয়া যাই।।
(২)
হেতু বস্তু কাম হলো মন,প্রেম হলো ছলনার ধন।
কাম রক্ষার্থে প্রেম আলাপন,করে চলেছে সবাই।।
(৩)
কাম ক্ষুধা মিটিয়া গেলে,চলে যায় সব প্রেমকে ফেলে।
তাইতে কয় সেরু পাগলে,প্রেম হলো মিথ্যার আশ্রয়।।
সত্য সহায়।গুরুজী।।
প্রেমের ছলনাতে যেওনা।
কাম ক্ষুধা মিটিয়া গেলে ,দিয়ে যাবে বেদনা।।
(১)
কাম প্রয়োজন জেনো নিশ্চয়,প্রেম তোমার হলো অভিনয়।
অভিনয়ে কাম সারতে হয়,তার পর আর প্রেম থাকে না।।
(২)
কামে কামে হয় কামাতুর,তখন দেয় সে প্রেমেরই সুর।
পিছে পিছে করে ঘুর ঘুর,নিয়ে কামের বাসনা।।
(৩)
কামের জন্য প্রেম করে মন,কাম জগতে অমূল্য ধন।
সেরু পাগলার মন উচাটন,কাম ছাড়া প্রেম বুঝে না।।
গান দুই
প্রেম নাইরে প্রেম নাইরে ভবে,কাম ছাড়া প্রেম ভবে নাই।
ঢুঁড়ে দেখো এই ধরাতে,ঘুরছে সব কামের নেশায়।।
(১)
কাম সিদ্ধি করিবার আশে,জড়াতে হয় প্রেমাবেশে।
ব্যাথা দিয়ে অবশেষে,প্রেম তোমার চলিয়া যাই।।
(২)
হেতু বস্তু কাম হলো মন,প্রেম হলো ছলনার ধন।
কাম রক্ষার্থে প্রেম আলাপন,করে চলেছে সবাই।।
(৩)
কাম ক্ষুধা মিটিয়া গেলে,চলে যায় সব প্রেমকে ফেলে।
তাইতে কয় সেরু পাগলে,প্রেম হলো মিথ্যার আশ্রয়।।
সত্য সহায়।গুরুজী।।
বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষে ধর্ম।গুরুজী। কাম-প্রেম=পর্বঃ-২
গান-১
আমি কাম হইলাম দেহ রাজ।
আমার জন্য তুমি ও প্রেম,সাজিয়াছো এতো সাজ।।
(১)
আমারো কারণে ধরা,স্বয়ং প্রভুর সৃষ্টি করা।
কাম দেখো ভূবণে ভরা,ছাড়িয়া ভূষণ লাজ।।
(২)
যেই কামে আল্লাহর ললাটে, পছিনা পড়িলো ছুটে।
পড়িলো স্রষ্টা বিভ্রাটে,শুরু করে সৃষ্টি কাজ।।
(৩)
সেই নূর মহাম্মদ নামে,স্রষ্টাতে মশগুল হয় প্রেমে।
কাম হেতু প্রেম জানো মনে,সেরু পাগলাই বলে আজ।।
গান-দুই
পঞ্চ কামে ভরা জগৎময়।
অ-কাম,স্ব-কাম,কু-কাম,সু-কাম,নিষ্কাম নামে পরিচয়।।
(১)
অ-কামে কাম সবই বৃথা,পন্ডশ্রম হয় যাহার ব্যাখ্যা।
ফল শুন্য সে হয় অযথা,একথা জেনো নিশ্চয়।।
(২)
ইশ্বর আজ্ঞা কয় যাহারে,অজুদে স্ব-কাম প্রচারে।
ঋপূর ও তাড়নার কামরে,তাহারেই কু-কাম কয়।।
(৩)
শেষ ভালো যেই কামে থাকে,সু-কাম বলিবে তাহাকে।
শুক্ল কৃষ্ণ উভয় পক্ষে,সু-কামেরই হবে জয়।।
(৪)
আদ্য শক্তির অধিকারী,জগতে নিষ্কাম প্রচারী।
সেরু পাগলাই বিণয় করি,কয় সব কাম এইখানেই রয়।।
গান-তিন
আল্লাহর পরে কাম অবস্থান,ভেবে দেখো সর্বদায়।
যেই কামে মহাম্মদ সৃষ্টি,হলো প্রেমো নমুনায়।।
(১)
কামেতে ঝরে পছিনা,পছিনা হয় নূরে নামা।
কাম ছাড়া প্রেম জমিতো না,সৃষ্টি কি জন্মের বেলায়।।
(২)
কাম নাই যাহার দেহেতে,দাউজ নাম বলে ভবেতে।
নারী প্রেম তার নাই ভাগ্যেতে,ঢুঁড়ে দেখো দুনিয়াই।।
(৩)
দেহেতে যার কাম রয়েছে,প্রেম তাহার প্রয়োজন আছে।
কাম বিনে প্রেম হবে মিছে,বলতেছে সেরু পাগলাই।।
সত্য সহায়।গুরুজী।।
আমি কাম হইলাম দেহ রাজ।
আমার জন্য তুমি ও প্রেম,সাজিয়াছো এতো সাজ।।
(১)
আমারো কারণে ধরা,স্বয়ং প্রভুর সৃষ্টি করা।
কাম দেখো ভূবণে ভরা,ছাড়িয়া ভূষণ লাজ।।
(২)
যেই কামে আল্লাহর ললাটে, পছিনা পড়িলো ছুটে।
পড়িলো স্রষ্টা বিভ্রাটে,শুরু করে সৃষ্টি কাজ।।
(৩)
সেই নূর মহাম্মদ নামে,স্রষ্টাতে মশগুল হয় প্রেমে।
কাম হেতু প্রেম জানো মনে,সেরু পাগলাই বলে আজ।।
গান-দুই
পঞ্চ কামে ভরা জগৎময়।
অ-কাম,স্ব-কাম,কু-কাম,সু-কাম,নিষ্কাম নামে পরিচয়।।
(১)
অ-কামে কাম সবই বৃথা,পন্ডশ্রম হয় যাহার ব্যাখ্যা।
ফল শুন্য সে হয় অযথা,একথা জেনো নিশ্চয়।।
(২)
ইশ্বর আজ্ঞা কয় যাহারে,অজুদে স্ব-কাম প্রচারে।
ঋপূর ও তাড়নার কামরে,তাহারেই কু-কাম কয়।।
(৩)
শেষ ভালো যেই কামে থাকে,সু-কাম বলিবে তাহাকে।
শুক্ল কৃষ্ণ উভয় পক্ষে,সু-কামেরই হবে জয়।।
(৪)
আদ্য শক্তির অধিকারী,জগতে নিষ্কাম প্রচারী।
সেরু পাগলাই বিণয় করি,কয় সব কাম এইখানেই রয়।।
গান-তিন
আল্লাহর পরে কাম অবস্থান,ভেবে দেখো সর্বদায়।
যেই কামে মহাম্মদ সৃষ্টি,হলো প্রেমো নমুনায়।।
(১)
কামেতে ঝরে পছিনা,পছিনা হয় নূরে নামা।
কাম ছাড়া প্রেম জমিতো না,সৃষ্টি কি জন্মের বেলায়।।
(২)
কাম নাই যাহার দেহেতে,দাউজ নাম বলে ভবেতে।
নারী প্রেম তার নাই ভাগ্যেতে,ঢুঁড়ে দেখো দুনিয়াই।।
(৩)
দেহেতে যার কাম রয়েছে,প্রেম তাহার প্রয়োজন আছে।
কাম বিনে প্রেম হবে মিছে,বলতেছে সেরু পাগলাই।।
সত্য সহায়।গুরুজী।।
বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষে ধর্ম।গুরুজী।নামাজ ও রোজা-পর্ব=১
গান-এক
শরিয়তে ইমানদার নাই,ঢুঁড়ে দেখো দুনিয়াই।
ইমানদারের জন্য নামাজ,বলেছেন সৃষ্টি কর্তাই।।
(১)
হক্কোলো একিনে গেলে,তাহারে ইমানদার বলে।
বেলগায়েব শরিয়ত হলে,কেমনে ইমান তারা পায়।।
(২)
ইমান ছাড়া নামাজ পড়ো,ভূতের ব্যাগার খেটে মরো।
তাইতে বলি গুরু ধরো,চিনিতে আদ্য স্রষ্টাই।।
(৩)
যে ইনছান হয় ইমান ছাড়া,সে ইনছানে শয়তান ঘেরা।
ইসলামের শত্রু হয় তারা,বলতেছে সেরু পাগলায়।।
গান-দুই
নামাজ দেখো দুই প্রকারে হয়।
দায়েমি কায়েমি নামে,দিয়েছে তার পরিচয়।।
(১)
দায়েমি হয় আদায়ী নামাজ,আদায় করাই তার প্রধান কাজ।
আদায় করে ওয়াক্ত পাঁচ,গোলায় পুরে রাখতে হয়।।
(২)
কায়েমি নামাজ তারে বলে,যে ধন তুমি আদায় করলে।
প্রতিষ্ঠিত করো দিলে,তা যেনো অক্ষত রয়।।
(৩)
আদায় ও রক্ষা না করে,পড়াও নামাজ জনম ভরে।
কি যে হবে শেষ বিচারে,দেখলে না করে নির্ণয়।।
(৪)
এখনও তোমার সময় আছে,যাও ছুটে মন গুরুর ধারে।
নামাজের ভেদ লওগে বুঝে,সেরু পাগলা তাহা কয়।।
গান-তিন
আমেনায় আহাম্মদ এলে,রমযানের চাঁদ তারে কয়।
মদিনা মক্কা হইবে,শোন গোপন পরিচয়।।
(১)
আনআম বাকারাহ হইলে,আহাম্মদ ধরাই আসিলে।
রমযানের চাঁদ তারে বলে,কথা কিন্তু মিথ্যা নয়।।
(২)
মহাম্মদ আসিলে পরে,হজ্জের চাঁদ লইবে ধরে।
একাত্তর দিনে হজ্জ লও সেরে,তবেই হবে ঋপু জয়।।
(৩)
রমযানের ঐ শেষের দশে,শবে কদর ফিরে আসে।
সে ধন জীবের হৃদে মিশে,সর্ব পাপ তার করে লয়।।
(৪)
শপ্ত পঞ্চ নাম ধরিয়া,আসে মান্না ও সালওয়া।
সেহরি ইফতারি হইয়া,সেরু পাগলা তাহা কয়।।
সত্য সহায়। গুরুজী।।
শরিয়তে ইমানদার নাই,ঢুঁড়ে দেখো দুনিয়াই।
ইমানদারের জন্য নামাজ,বলেছেন সৃষ্টি কর্তাই।।
(১)
হক্কোলো একিনে গেলে,তাহারে ইমানদার বলে।
বেলগায়েব শরিয়ত হলে,কেমনে ইমান তারা পায়।।
(২)
ইমান ছাড়া নামাজ পড়ো,ভূতের ব্যাগার খেটে মরো।
তাইতে বলি গুরু ধরো,চিনিতে আদ্য স্রষ্টাই।।
(৩)
যে ইনছান হয় ইমান ছাড়া,সে ইনছানে শয়তান ঘেরা।
ইসলামের শত্রু হয় তারা,বলতেছে সেরু পাগলায়।।
গান-দুই
নামাজ দেখো দুই প্রকারে হয়।
দায়েমি কায়েমি নামে,দিয়েছে তার পরিচয়।।
(১)
দায়েমি হয় আদায়ী নামাজ,আদায় করাই তার প্রধান কাজ।
আদায় করে ওয়াক্ত পাঁচ,গোলায় পুরে রাখতে হয়।।
(২)
কায়েমি নামাজ তারে বলে,যে ধন তুমি আদায় করলে।
প্রতিষ্ঠিত করো দিলে,তা যেনো অক্ষত রয়।।
(৩)
আদায় ও রক্ষা না করে,পড়াও নামাজ জনম ভরে।
কি যে হবে শেষ বিচারে,দেখলে না করে নির্ণয়।।
(৪)
এখনও তোমার সময় আছে,যাও ছুটে মন গুরুর ধারে।
নামাজের ভেদ লওগে বুঝে,সেরু পাগলা তাহা কয়।।
গান-তিন
আমেনায় আহাম্মদ এলে,রমযানের চাঁদ তারে কয়।
মদিনা মক্কা হইবে,শোন গোপন পরিচয়।।
(১)
আনআম বাকারাহ হইলে,আহাম্মদ ধরাই আসিলে।
রমযানের চাঁদ তারে বলে,কথা কিন্তু মিথ্যা নয়।।
(২)
মহাম্মদ আসিলে পরে,হজ্জের চাঁদ লইবে ধরে।
একাত্তর দিনে হজ্জ লও সেরে,তবেই হবে ঋপু জয়।।
(৩)
রমযানের ঐ শেষের দশে,শবে কদর ফিরে আসে।
সে ধন জীবের হৃদে মিশে,সর্ব পাপ তার করে লয়।।
(৪)
শপ্ত পঞ্চ নাম ধরিয়া,আসে মান্না ও সালওয়া।
সেহরি ইফতারি হইয়া,সেরু পাগলা তাহা কয়।।
সত্য সহায়। গুরুজী।।
বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষে ধর্ম।গুরুজী। *বসন্ত*
আসিলো
বসন্ত,ভরিলো অনন্ত,
দিগন্ত জুড়িয়া ফুল।
আম্র কাননে,কুহু কুহু তানে,
কোকিলাই মশগুল।।
শাখায় শাখায় ফুলের মেলা,
গন্ধ বিকশিত।
মৌমাছি গানে,উড়িতেছে তানে,
লভিতেছে অমৃত।।
দোয়েল কোয়েল,পাপিয়ার গানে,
করিয়েছে দিশেহারা।
আম কাঁঠাল আর বেলি চামেলি,
ফুল নিয়ে মাতোয়ারা।।
চতুর্দিকেই ফুলের মেলা,
পাখির কন্ঠে সুর।
আসিলো ফিরিয়া,নব বসন্ত,
নেই আর বহুদুর।।
সত্য সহায়।গুরুজী।
দিগন্ত জুড়িয়া ফুল।
আম্র কাননে,কুহু কুহু তানে,
কোকিলাই মশগুল।।
শাখায় শাখায় ফুলের মেলা,
গন্ধ বিকশিত।
মৌমাছি গানে,উড়িতেছে তানে,
লভিতেছে অমৃত।।
দোয়েল কোয়েল,পাপিয়ার গানে,
করিয়েছে দিশেহারা।
আম কাঁঠাল আর বেলি চামেলি,
ফুল নিয়ে মাতোয়ারা।।
চতুর্দিকেই ফুলের মেলা,
পাখির কন্ঠে সুর।
আসিলো ফিরিয়া,নব বসন্ত,
নেই আর বহুদুর।।
সত্য সহায়।গুরুজী।
বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষে ধর্ম।গুরুজী।।
গান
এক
নিজকে নিজেই করি ভজনা।
আমার বিচার আমি করি,আমিই ফের করি ক্ষমা।।
১।
অজুদে পাঁচ জাত রয়েছে।প্রত্যেকের পাঁচ ছেফাত আছে।
পাঁচ পাঁচে পঁচিশ হয়েছে।জাতের এই ছেফাত গনা।।
২।
পঁচিশ ছেফাত পাঁচ জাত মিলে।তিরিশ হয় দেখো গনিলে।
একেই তিরিশ পারা বলে।এই হয় মোর কোরান খানা।।
৩।
আমার কোরান আমি গড়ি।আমার কোরান আমিই পড়ি।
নিজেই পড়শি নিজেই বাড়ি।নিজেই আমি হই সেনা।।
৪।
নিজেই দোষি নিজেই কাজি।নিজেই নৌকা নিজেই মাঝি।
নিজেই বলি নিজেই বুঝি।(কেবল)সেরু পাগলাই বোঝেনা।।
গান দুই
নবুয়তের আসল খবর,বুঝে নাও মন দিন থাকিতে।
না বুঝে নবুয়ত ব্যানা,রয়েছো মন কু-পথেতে।।
১।
ভেস্তের আদম ভেস্তে নিতে,চাহে আমার পরোয়ার।
ধিরে ধিরে তাইতো ধরাই,পাঠাই নবি পয়গম্বার।
নবির উপর পাঠাই বাণী-যে ইহাকে সত্য মানি।
চলিতেছে দিন রজনি,ভয় কিসের তার ত্রি-জগতে।।
২।
ভেস্তের আদম ভেস্তে গেলে,তার কিছুই নাই প্রয়োজন।
সদা চিত্তে আনন্দিত,নিত্ত করে বিনোদন।
(তখন)সেই দেহে না থাকে ছায়া-গঠিত হয় নূরী কায়া।
আদ্য নূরের অংশ হইয়া,বিচরণ করে বেহেস্তে।।
৩।
অংশ নূর যদি মিশতে চাই,যাইয়া আদ্য নূরে।
নূর নবুয়ত মানতে হবে,শোন বলি তোমারে।
(যদি)অংশ নূর ঐ আদ্য নূরে-যাইয়া মিশিতে পারে।
নিজকে নিজেই আল্লাহ ধরে,প্রচারিত হয় জগতে।।
৪।
সেরু পাগলা ভেবে বলে,ভেস্ত দোজখ এ ধরাই।
এই গানে যা বলে গেছি,তা ঐ মরার পরের কথা নয়।
(তাই)নবুয়তের আদ্য মর্ম-বুঝার পরেই করো ধর্ম।
যেন সাধের মানব জন্ম,পড়ে না বৃথার খাতাতে।।
সত্য সহায়।গুরুজী।।
নিজকে নিজেই করি ভজনা।
আমার বিচার আমি করি,আমিই ফের করি ক্ষমা।।
১।
অজুদে পাঁচ জাত রয়েছে।প্রত্যেকের পাঁচ ছেফাত আছে।
পাঁচ পাঁচে পঁচিশ হয়েছে।জাতের এই ছেফাত গনা।।
২।
পঁচিশ ছেফাত পাঁচ জাত মিলে।তিরিশ হয় দেখো গনিলে।
একেই তিরিশ পারা বলে।এই হয় মোর কোরান খানা।।
৩।
আমার কোরান আমি গড়ি।আমার কোরান আমিই পড়ি।
নিজেই পড়শি নিজেই বাড়ি।নিজেই আমি হই সেনা।।
৪।
নিজেই দোষি নিজেই কাজি।নিজেই নৌকা নিজেই মাঝি।
নিজেই বলি নিজেই বুঝি।(কেবল)সেরু পাগলাই বোঝেনা।।
গান দুই
নবুয়তের আসল খবর,বুঝে নাও মন দিন থাকিতে।
না বুঝে নবুয়ত ব্যানা,রয়েছো মন কু-পথেতে।।
১।
ভেস্তের আদম ভেস্তে নিতে,চাহে আমার পরোয়ার।
ধিরে ধিরে তাইতো ধরাই,পাঠাই নবি পয়গম্বার।
নবির উপর পাঠাই বাণী-যে ইহাকে সত্য মানি।
চলিতেছে দিন রজনি,ভয় কিসের তার ত্রি-জগতে।।
২।
ভেস্তের আদম ভেস্তে গেলে,তার কিছুই নাই প্রয়োজন।
সদা চিত্তে আনন্দিত,নিত্ত করে বিনোদন।
(তখন)সেই দেহে না থাকে ছায়া-গঠিত হয় নূরী কায়া।
আদ্য নূরের অংশ হইয়া,বিচরণ করে বেহেস্তে।।
৩।
অংশ নূর যদি মিশতে চাই,যাইয়া আদ্য নূরে।
নূর নবুয়ত মানতে হবে,শোন বলি তোমারে।
(যদি)অংশ নূর ঐ আদ্য নূরে-যাইয়া মিশিতে পারে।
নিজকে নিজেই আল্লাহ ধরে,প্রচারিত হয় জগতে।।
৪।
সেরু পাগলা ভেবে বলে,ভেস্ত দোজখ এ ধরাই।
এই গানে যা বলে গেছি,তা ঐ মরার পরের কথা নয়।
(তাই)নবুয়তের আদ্য মর্ম-বুঝার পরেই করো ধর্ম।
যেন সাধের মানব জন্ম,পড়ে না বৃথার খাতাতে।।
সত্য সহায়।গুরুজী।।
বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষে ধর্ম।গুরুজী।।সূরা ফাতিহা আল্লাহর বাণী নয়।ধৈর্যের সহিত যারা কোরান জানতে চান তাদের জন্য।।
সময়ের
অভাবে আমি,তেমন একটা
আর ব্লগে আসতে পারিনা।এজন্য
আমার খুব কষ্ট হয়।দীর্ঘ
দিন থেকেই আমার ইচ্ছা
ছিলো যে,কোরানের আলোকে
মানব কল্যাণ হয় এরুপ
বিষয় বিশ্ববাসীর কাছে তুলে ধরবো। বিজ্ঞানের
আসির্বাদে এখন তা আমার
হাতের মুঠোই,কিন্তু সময়ের
অভাবে পেরে উঠছিনা।তার পরেও যখনই
একটু সময় পায় আমার
ব্লগে ঢুঁ মেরে যায়।আজ
একটু সময় পাওয়াই কোরান
নিয়ে লেখার চেষ্টা করছি।
পাঠক,
কোরান এসেছে মানুষের কল্যাণ হেতু।আর তা থেকে যদি আমরা কল্যাণ প্রাপ্ত না হতে পারি এটা মানুষের জন্য বড়ই দুর্ভগ্য।আর তার থেকেও দুর্ভাগ্য যারা আমাদের কোরানকে বিকৃত করে কোরান বুঝতে বা মানতে অ-সহযোগিতা করছে তাদের কিছুই করতে পারছি না।
কোরানের সুত্র ও অন্যান্য আসমানী কিতাব গুলি মান্য করলে সমগ্র বিশ্ব থেকে অশান্তি দুর হয়ে যাবে।কিন্তু বর্তমানে এই কোরান ও অন্যান্য আসমানী কিতাব গুলিই বিশ্ব অশান্তির মূল কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।তাই আমি কোরান থেকে আমার বুঝ মত মানব কল্যাণে আসে এরুপ বিষয় আপনাদের সম্মুখে উপস্থাপন করার ইচ্ছা প্রকাশ করছি।
আজ আমি কোরানের প্রথম সূরা-সুরা ফাতিহা নিয়ে লিখছি।
১ নং সুরা ফাতিহা-রুকু=১-আয়াতঃ৭
বিসমিল্লাহির রাহমানুর রাহিম=দাতা ও দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করিতেছি।
১.আল হামদু লিল্লাহি রাব্বিল আলামিন।
অর্থঃ-সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য,যিনি বিশ্বস্ত প্রতিপালক।
২.আর রাহমানির রাহিম।
অর্থঃ-দাতা,দয়ালু।
৩.মালিকি ইয়াউমি দ্বীইন।
অর্থঃ-ধর্ম বারের প্রভূ।
৪.ই-ইয়াকানা বুদু ওয়া ই-ইয়াকানাস তাইনু।
অর্থঃ-আমি তোমারই উপাষনা করিতেছি,আর তোমাতেই মশগুল আছি।
৫.ইহ দিনাস সিরাতাল মুসতাকিইম।
অর্থঃ-আমাকে মশগুলতাই প্রতিষ্ঠিত রাখো নির্দেশিত পথে।
৬.সিরাতাল্লাযিইনা আন আমতা আলাইহিম।
অর্থঃ-তাহাদের উপরে অনুগ্রহ যাহাদের পথে।
৭.গাইরিল মাগদুবি আলাইহিম ওয়ালাদ্দাল্লিইন।
অর্থঃ-তাহাদের উপরে শাস্তি ভীন্ন আর না ভ্রষ্টতায়।
আপনারা শুনলে অবাক হবেন যে,সূরা ফাতিহা আল্লাহর বাণী নয়।ইহা মানুষের কথা।আমরা জানি আল্লাহর বাণী কোরান।কোরানে আল্লাহর বাণী ব্যাতীত অন্য কারও বাণী স্থান পাওয়ার কথা নয়।কিন্তু সূরা ফাতিহা আল্লার বাণী না হওয়া সত্বেও কিভাবে কোরানে স্থান পেলো তা একটু ভেবে দেখার বিষয়।
সূরা ফাতিহা আল্লাহর বাণী না হওয়া সত্বেও কেনো কোরানে স্থান পেলো এবং প্রত্যেক নামাজে সূরা ফাতিহা পাঠ বাধ্যতা মূলক কেনো হলো?
প্রশ্ন করতে পারেন,কেনো সূরা ফাতিহা আল্লাহর বাণী নয়।এর জবাব আমি পরবর্তিতে লিখব।তার আগে আমার জানার বিষয় হচ্ছে যে,আপনার জানা মতে সূরা ফাতিহা আল্লাহ বাণী বা কোরানের অংশ নয় এটা মানেন কি না?
মানলে কেনো মানেন ,না মানলে মানেন না কেনো?জানাবেন।
সত্য সহায়।গুরুজী।
পাঠক,
কোরান এসেছে মানুষের কল্যাণ হেতু।আর তা থেকে যদি আমরা কল্যাণ প্রাপ্ত না হতে পারি এটা মানুষের জন্য বড়ই দুর্ভগ্য।আর তার থেকেও দুর্ভাগ্য যারা আমাদের কোরানকে বিকৃত করে কোরান বুঝতে বা মানতে অ-সহযোগিতা করছে তাদের কিছুই করতে পারছি না।
কোরানের সুত্র ও অন্যান্য আসমানী কিতাব গুলি মান্য করলে সমগ্র বিশ্ব থেকে অশান্তি দুর হয়ে যাবে।কিন্তু বর্তমানে এই কোরান ও অন্যান্য আসমানী কিতাব গুলিই বিশ্ব অশান্তির মূল কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।তাই আমি কোরান থেকে আমার বুঝ মত মানব কল্যাণে আসে এরুপ বিষয় আপনাদের সম্মুখে উপস্থাপন করার ইচ্ছা প্রকাশ করছি।
আজ আমি কোরানের প্রথম সূরা-সুরা ফাতিহা নিয়ে লিখছি।
১ নং সুরা ফাতিহা-রুকু=১-আয়াতঃ৭
বিসমিল্লাহির রাহমানুর রাহিম=দাতা ও দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করিতেছি।
১.আল হামদু লিল্লাহি রাব্বিল আলামিন।
অর্থঃ-সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য,যিনি বিশ্বস্ত প্রতিপালক।
২.আর রাহমানির রাহিম।
অর্থঃ-দাতা,দয়ালু।
৩.মালিকি ইয়াউমি দ্বীইন।
অর্থঃ-ধর্ম বারের প্রভূ।
৪.ই-ইয়াকানা বুদু ওয়া ই-ইয়াকানাস তাইনু।
অর্থঃ-আমি তোমারই উপাষনা করিতেছি,আর তোমাতেই মশগুল আছি।
৫.ইহ দিনাস সিরাতাল মুসতাকিইম।
অর্থঃ-আমাকে মশগুলতাই প্রতিষ্ঠিত রাখো নির্দেশিত পথে।
৬.সিরাতাল্লাযিইনা আন আমতা আলাইহিম।
অর্থঃ-তাহাদের উপরে অনুগ্রহ যাহাদের পথে।
৭.গাইরিল মাগদুবি আলাইহিম ওয়ালাদ্দাল্লিইন।
অর্থঃ-তাহাদের উপরে শাস্তি ভীন্ন আর না ভ্রষ্টতায়।
আপনারা শুনলে অবাক হবেন যে,সূরা ফাতিহা আল্লাহর বাণী নয়।ইহা মানুষের কথা।আমরা জানি আল্লাহর বাণী কোরান।কোরানে আল্লাহর বাণী ব্যাতীত অন্য কারও বাণী স্থান পাওয়ার কথা নয়।কিন্তু সূরা ফাতিহা আল্লার বাণী না হওয়া সত্বেও কিভাবে কোরানে স্থান পেলো তা একটু ভেবে দেখার বিষয়।
সূরা ফাতিহা আল্লাহর বাণী না হওয়া সত্বেও কেনো কোরানে স্থান পেলো এবং প্রত্যেক নামাজে সূরা ফাতিহা পাঠ বাধ্যতা মূলক কেনো হলো?
প্রশ্ন করতে পারেন,কেনো সূরা ফাতিহা আল্লাহর বাণী নয়।এর জবাব আমি পরবর্তিতে লিখব।তার আগে আমার জানার বিষয় হচ্ছে যে,আপনার জানা মতে সূরা ফাতিহা আল্লাহ বাণী বা কোরানের অংশ নয় এটা মানেন কি না?
মানলে কেনো মানেন ,না মানলে মানেন না কেনো?জানাবেন।
সত্য সহায়।গুরুজী।
বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষে ধর্ম।গুরুজী।।ধর্ম পরিচয়।।ধৈর্যের সহিত যারা কোরান জানতে চান তাদের জন্য।।
ধর্ম
কি?
প্রতিটি বস্তুর ক্রীয়ার ক্ষমতাকে ধর্ম বলে।সেটা ভালো অথবা খারাপ ও হতে পারে।
ধর্ম শব্দের অর্থ কি?
ধর্ম শব্দের অর্থ-স্বভাব।বস্তুর নিজস্ব ভাব বা ক্রীয়ার ক্ষমতাকেই ধর্ম বলা হয়।
ধর্ম কত প্রকার?
যত প্রকারের বস্তু তত প্রকারের ধর্ম।কিন্ত ধর্ম সমগ্রকে গুণাগুনের দিক বিবেচনা করে দু-ভাগে ভাগ করা হয়েছে।যথা-
১।সু-ধর্ম= যে সকল ধর্ম জীবের কল্যাণ সাধন কাজে ব্যবহৃত হয় তাহাই সু-ধর্ম।
২।কু-ধর্ম= যে সকল ধর্ম জীবের অ-কল্যাণ সাধন কাজে ব্যবহৃত হয় তাহাই কু-ধর্ম।
কেনো ধর্ম করতে হবে?
জীবের দেহ গঠন হয়েছে সু-ও কু-বস্তুর সমন্নয়ে।দেহ থেকে কু-বস্তুকে ধংস করে সু-বস্তুর প্রবেশ ঘটানোই ধর্ম করার একমাত্র কারণ।
যদি সমস্ত জীবের দেহ থেকে কু-সত্বাকে ধংস করে সু-সত্বায় পরিপূর্ণ করা যাই।তবেই বিশ্ব থেকে অ-শান্তি দুর করে বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব।
আর কিভাবে দেহ থেকে কু-সত্বাকে ধংস করে সু-সত্বায় পরিপূর্ণ করা যাই।তার সমস্ত সুত্র আসমানি কিতাব।যথা-তাওরাত,জবুর ইঞ্জিল ও কোরানে(প্রচলিত)লিপি বদ্ধ আছে।
সত্য সহায়।গুরুজী।।
প্রতিটি বস্তুর ক্রীয়ার ক্ষমতাকে ধর্ম বলে।সেটা ভালো অথবা খারাপ ও হতে পারে।
ধর্ম শব্দের অর্থ কি?
ধর্ম শব্দের অর্থ-স্বভাব।বস্তুর নিজস্ব ভাব বা ক্রীয়ার ক্ষমতাকেই ধর্ম বলা হয়।
ধর্ম কত প্রকার?
যত প্রকারের বস্তু তত প্রকারের ধর্ম।কিন্ত ধর্ম সমগ্রকে গুণাগুনের দিক বিবেচনা করে দু-ভাগে ভাগ করা হয়েছে।যথা-
১।সু-ধর্ম= যে সকল ধর্ম জীবের কল্যাণ সাধন কাজে ব্যবহৃত হয় তাহাই সু-ধর্ম।
২।কু-ধর্ম= যে সকল ধর্ম জীবের অ-কল্যাণ সাধন কাজে ব্যবহৃত হয় তাহাই কু-ধর্ম।
কেনো ধর্ম করতে হবে?
জীবের দেহ গঠন হয়েছে সু-ও কু-বস্তুর সমন্নয়ে।দেহ থেকে কু-বস্তুকে ধংস করে সু-বস্তুর প্রবেশ ঘটানোই ধর্ম করার একমাত্র কারণ।
যদি সমস্ত জীবের দেহ থেকে কু-সত্বাকে ধংস করে সু-সত্বায় পরিপূর্ণ করা যাই।তবেই বিশ্ব থেকে অ-শান্তি দুর করে বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব।
আর কিভাবে দেহ থেকে কু-সত্বাকে ধংস করে সু-সত্বায় পরিপূর্ণ করা যাই।তার সমস্ত সুত্র আসমানি কিতাব।যথা-তাওরাত,জবুর ইঞ্জিল ও কোরানে(প্রচলিত)লিপি বদ্ধ আছে।
সত্য সহায়।গুরুজী।।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন