৩০/৩. সম্বিত
Sensors (সেন্সর্স)/ ‘مجسات’ (মুজাসাত)
Sensors (সেন্সর্স)/ ‘مجسات’ (মুজাসাত)
এটি রূপক সাহিত্যের বৈক্তিকসদস্য সারণির ‘জ্ঞান’ পরিবারের অন্যতম একটি ‘চারিত্রিক পরিভাষা’। এর মূলকসদস্য ‘জ্ঞান’, রূপক পরিভাষা ‘গুরু’, উপমান পরিভাষা ‘আলো’ এবং ছদ্মনাম পরিভাষা ‘মানুষগুরু’।
সম্বিত (রূপ)বি জ্ঞান, বুদ্ধি, প্রতীক্ষা,
সংকেত, Sensors, ‘مجسات’ (মুজাসাত), sense, ‘مدركات’ (মুদরিকাত),
knowledge, আক্বল (আ.ﻋﻘﻝ), ইলিম (আ.ﻋﻟﻢ) বিণ সম্ভাষণ, light, ‘ﻨﻮﺮ’ (নুর) (আবি) প্রজ্ঞা, বিচারক (আদৈ) মুর্শিদ (আ.ﻤﺭﺷﺪ), পির (ফা.ﭙﻴﺭ) (ইদৈ) master, teacher (দেপ্র) এটি রূপক সাহিত্যের বৈক্তিকসদস্য সারণির ‘জ্ঞান’ পরিবারের ‘চারিত্রিক পরিভাষা’ ও রূপক সাহিত্যের একটি পরিভাষা বিশেষ (সংজ্ঞা) রূপক সাহিত্যে জীবের জ্ঞানশক্তিকে সম্বিত বলা হয় (ছনা) মানুষগুরু (চাপ) সম্বিত (উপ) আলো (রূ) গুরু (দেত) জ্ঞান।
সম্বিতের ১টি গুরুত্বপূর্ণ উদ্ধৃতি
(A highly important quotations of Sensors)
“বহু বেদ পড়াশুনা, সম্বিতে পায়রে মনা, সদা শিব যোগী সে না, সদায় ধ্যানযজ্ঞ করে, শ্মশানে মশানে- ফিরে সর্বখানে, কিঞ্চিতের লাগিয়ে” (পবিত্র লালন- ৫০৬/৪)।
সম্বিতের সংজ্ঞা (Definition of Sensors)
রূপক সাহিত্যে জীবের জ্ঞানশক্তিকে সম্বিত বলে।
(A highly important quotations of Sensors)
“বহু বেদ পড়াশুনা, সম্বিতে পায়রে মনা, সদা শিব যোগী সে না, সদায় ধ্যানযজ্ঞ করে, শ্মশানে মশানে- ফিরে সর্বখানে, কিঞ্চিতের লাগিয়ে” (পবিত্র লালন- ৫০৬/৪)।
সম্বিতের সংজ্ঞা (Definition of Sensors)
রূপক সাহিত্যে জীবের জ্ঞানশক্তিকে সম্বিত বলে।
সম্বিতের পরিচয় (Identity of Sensors)
এটি রূপক সাহিত্যের বৈক্তিকসদস্য সারণির ‘জ্ঞান’ পরিবারের অধীন একটি ‘চারিত্রিক পরিভাষা’ বিশেষ। তবু বিশ্বের অধিকাংশ শাস্ত্রীয় ও পারম্পরিক পণ্ডিত একে রক্তমাংসে গড়া মানুষ বলে মনে করে থাকেন। ফলে মানবকল্যাণের জন্য নির্মিত বিশ্ববিখ্যাত শাস্ত্রীয় গ্রন্থাদিও বর্তমানে মুখথুবড়ে পড়তে বাধ্য হয়েছে। সে জন্যই সারাবিশ্বে আতংবাদ, উগ্রবাদ ও সন্ত্রাসবাদের মরণকবলে পতিত হয়েছে কেবল ঐশিবাদীরাই। আতংবাদ, উগ্রবাদ ও সন্ত্রাসবাদের মূল হোতা বলতে বিশ্ববাসী এখন কেবল ঐশিবাদী ও অবতারবাদী শাস্ত্রীয়দেরকেই চিনেন ও জানেন। সমাজের রক্ষণশীল শাস্ত্রীয় পণ্ডিত, বৈখ্যিক ও টৈকিকরা আত্মদর্শনমূলক গ্রন্থাদির শাস্ত্রীয় ব্যাখ্যা ও টীকা প্রদান করতে গিয়েই ছিন্নমূলরূপে ছিটকে পড়েছেন। এ জন্যই সমাজের সর্বত্রই শাস্ত্রীয়দের এরূপ করুণ পরিণতি।
এটি রূপক সাহিত্যের বৈক্তিকসদস্য সারণির ‘জ্ঞান’ পরিবারের অধীন একটি ‘চারিত্রিক পরিভাষা’ বিশেষ। তবু বিশ্বের অধিকাংশ শাস্ত্রীয় ও পারম্পরিক পণ্ডিত একে রক্তমাংসে গড়া মানুষ বলে মনে করে থাকেন। ফলে মানবকল্যাণের জন্য নির্মিত বিশ্ববিখ্যাত শাস্ত্রীয় গ্রন্থাদিও বর্তমানে মুখথুবড়ে পড়তে বাধ্য হয়েছে। সে জন্যই সারাবিশ্বে আতংবাদ, উগ্রবাদ ও সন্ত্রাসবাদের মরণকবলে পতিত হয়েছে কেবল ঐশিবাদীরাই। আতংবাদ, উগ্রবাদ ও সন্ত্রাসবাদের মূল হোতা বলতে বিশ্ববাসী এখন কেবল ঐশিবাদী ও অবতারবাদী শাস্ত্রীয়দেরকেই চিনেন ও জানেন। সমাজের রক্ষণশীল শাস্ত্রীয় পণ্ডিত, বৈখ্যিক ও টৈকিকরা আত্মদর্শনমূলক গ্রন্থাদির শাস্ত্রীয় ব্যাখ্যা ও টীকা প্রদান করতে গিয়েই ছিন্নমূলরূপে ছিটকে পড়েছেন। এ জন্যই সমাজের সর্বত্রই শাস্ত্রীয়দের এরূপ করুণ পরিণতি।
(সংক্ষিপ্ত সংকলন)
তথ্যসূত্রঃ
আত্মতত্ত্ব ভেদ (৫ম খণ্ড)
লেখকঃ বলন কাঁইজি
তথ্যসূত্রঃ
আত্মতত্ত্ব ভেদ (৫ম খণ্ড)
লেখকঃ বলন কাঁইজি
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন