৩০/২. আলো
Light (লাইট)/ ‘ﻨﻮﺮ’ (নুর)
Light (লাইট)/ ‘ﻨﻮﺮ’ (নুর)
এটি রূপক সাহিত্যের বৈক্তিকসদস্য সারণির ‘জ্ঞান’ পরিবারের অন্যতম একটি ‘উপমান পরিভাষা’। এর মূলকসদস্য ‘জ্ঞান’, রূপক পরিভাষা ‘গুরু’, চারিত্রিক পরিভাষা ‘সম্বিত’ এবং ছদ্মনাম পরিভাষা ‘মানুষগুরু’।
আলো (রূপ)বি আলোক, জ্যোতি, দীপ্তি, প্রভা, দীপ, রূপ, সৌন্দর্য বিণ উজ্জ্বল, আলোকিত, Light, ‘ﻨﻮﺮ’ (নুর) (আবি) জ্ঞান, বুদ্ধি, প্রজ্ঞা, knowledge, আক্বল (আ.ﻋﻘﻝ), ইলিম (আ.ﻋﻟﻢ) (আভা) বিচারক (আদৈ) মুর্শিদ (আ.ﻤﺭﺷﺪ), পির (ফা.ﭙﻴﺭ) (ইদৈ) master, teacher (দেপ্র) এটি রূপক সাহিত্যের বৈক্তিকসদস্য সারণির ‘জ্ঞান’ পরিবারের ‘উপমান পরিভাষা’ ও রূপক সাহিত্যের একটি পরিভাষা বিশেষ (সংজ্ঞা) ১.আকারী পদার্থাদি দৃষ্টিগোচর হওয়ার শক্তিকে আলো বলা হয় ২.রূপক সাহিত্যে জ্ঞানকে রূপকার্থে আলো বলা হয় (ছনা) মানুষগুরু (চাপ) সম্বিত (উপ) আলো (রূ) গুরু (দেত) জ্ঞান।
২.আলো অব্য সম্বোধনসূচক শব্দ (আলো বউ)।
২.আলো অব্য সম্বোধনসূচক শব্দ (আলো বউ)।
আলোর কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্ধৃতি
(Some highly important quotations of Light)
১. “অন্ধকার ঘুচাইয়া যেমন আলোয় দিলো ভরে, আবার কেন বিদায় নিলো বিশ্ব পাগল করে, মনের ব্যথা মনে জানেরে, ব্যথা ফুরাই না জনমে।” (বলন তত্ত্বাবলী- ১২৭)। (মুখঃ- “ডুবিল গগনের শশীরে ও শশী ডুবিল গগণে, কিবা হারাইলাম জীবনে”)।
২. “কত অন্ধকার ঘরে জ্ঞানের আলো জ্বেলেছ, হেলা করে অন্ধকারে আমায়ে ফেলে রেখেছ, আমি বুঝি এত ভারি, তায় অকূলে রাখলে ফেলিয়া।” (বলন তত্ত্বাবলী- ২১৩)। (মুখঃ- “কত অন্ধকার ঘরে জ্ঞানের আলো জ্বেলেছ, হেলা করে অন্ধকারে আমায়ে ফেলে রেখেছ, আমি বুঝি এত ভারি, তায় অকূলে রাখলে ফেলিয়া”)।
৩. “সাদা চাঁদ আলো যোগায়, কালো চাঁদ আঁধার ঘুচায়, ভয় রহে না ঝরে মরায়, যুগল চাঁদ প্রতি মাসে।” (বলন তত্ত্বাবলী- ১৮১)। (মুখঃ- “পাতালের চাঁদ উদয় আকাশে, তিনদিন রয় সাধনপুরে, দ্বিখ- হয় অনায়াশে”)।
(Some highly important quotations of Light)
১. “অন্ধকার ঘুচাইয়া যেমন আলোয় দিলো ভরে, আবার কেন বিদায় নিলো বিশ্ব পাগল করে, মনের ব্যথা মনে জানেরে, ব্যথা ফুরাই না জনমে।” (বলন তত্ত্বাবলী- ১২৭)। (মুখঃ- “ডুবিল গগনের শশীরে ও শশী ডুবিল গগণে, কিবা হারাইলাম জীবনে”)।
২. “কত অন্ধকার ঘরে জ্ঞানের আলো জ্বেলেছ, হেলা করে অন্ধকারে আমায়ে ফেলে রেখেছ, আমি বুঝি এত ভারি, তায় অকূলে রাখলে ফেলিয়া।” (বলন তত্ত্বাবলী- ২১৩)। (মুখঃ- “কত অন্ধকার ঘরে জ্ঞানের আলো জ্বেলেছ, হেলা করে অন্ধকারে আমায়ে ফেলে রেখেছ, আমি বুঝি এত ভারি, তায় অকূলে রাখলে ফেলিয়া”)।
৩. “সাদা চাঁদ আলো যোগায়, কালো চাঁদ আঁধার ঘুচায়, ভয় রহে না ঝরে মরায়, যুগল চাঁদ প্রতি মাসে।” (বলন তত্ত্বাবলী- ১৮১)। (মুখঃ- “পাতালের চাঁদ উদয় আকাশে, তিনদিন রয় সাধনপুরে, দ্বিখ- হয় অনায়াশে”)।
আলোর কয়েকটি সাধারণ উদ্ধৃতি
(Some ordinary quotations of Light)
১. “উত্তরা সুর বাজে ভালো, হৃদ কমলে জ্বলে আলো, দক্ষিণা সুর বদন কালো, বিখ-ন ঘটিয়া যায়।” (বলন তত্ত্বাবলী- ১৫৯)।
২. “চন্দ্র সাদা সূর্য্য কালো, যাতে উদয় জ্ঞানের আলো, কোন্ সাধনে পাবো বল, তা এখন কারে শুধাই” (বলন তত্ত্বাবলী- ৮২)।
(Some ordinary quotations of Light)
১. “উত্তরা সুর বাজে ভালো, হৃদ কমলে জ্বলে আলো, দক্ষিণা সুর বদন কালো, বিখ-ন ঘটিয়া যায়।” (বলন তত্ত্বাবলী- ১৫৯)।
২. “চন্দ্র সাদা সূর্য্য কালো, যাতে উদয় জ্ঞানের আলো, কোন্ সাধনে পাবো বল, তা এখন কারে শুধাই” (বলন তত্ত্বাবলী- ৮২)।
সাধারণ আলো অর্থে ‘আলো’ পরিভাষাটির ব্যবহার
(Using the terminology Light sense for ordinary Light)
*. “একচাঁদে জগৎ আলো, একবীজে সব জন্ম হলো, লালন বলে মিছে কলহ, ভবে শুনতে পাই।” (পবিত্র লালন- ৭০৭/৪)। (“ভক্তের দ্বারে বান্ধা আছেন সাঁই, হিন্দু কী যবন বলে, জাতির বিচার নাই”)।
*. “দীপের আলো দেখে যেমন, উড়ে পড়ে পতঙ্গগণ, অবশেষে হারায় জীবন, আমায় মন তাই করলি হারে।” (পবিত্র লালন- ৩৩৬/৩)। (মুখঃ- “কেন মলিরে মন, ঝাঁপ দিয়ে তোর বাবারপুকুরে, দেখি চিত্ত কামে মত্ত, পাগলপারা প্রায় তোরে”)।
*. “নিশিতে সূর্য উদয় কোন্ দেশে, দিনে চাঁদের আলো আসে (গো), চাঁদ-সুরুজ এক অক্ষে ভাসে, তাকালে কেউ দেখে না।” (বলন তত্ত্বাবলী- ১৫)। (মুখঃ- “আপনদেশের মধুরবাণী, গুরু আমায় শোনাও না, দেশবাসী কয় উল্টাকথা, সোজা করে শোনায় না”)।
*. “পূর্ণিমাশশী বিলীন হইলে তমসা নেমে আসে, মনেরমানুষ ছাড়িয়া গেলে নয়নজলে ভাসে, ডুবিয়া গেলে রবি শশীরে, ঐ আলো জ্বলে কী কিরণে।” (বলন তত্ত্বাবলী- ১২৭)। (মুখঃ- “ডুবিল গগনের শশীরে ও শশী ডুবিল গগণে, কিবা হারাইলাম জীবনে”)।
*. “শতদল আর সহস্র দল, একরূপে করছে আলো, সেরূপে যে নয়ন দিলো, মহাকাল তার কী করবে।” (পবিত্র লালন- ৭১৯/২)। (মুখঃ- “ভাবের উদয় যেদিন হবে, সেদিন হৃদকমলে রূপ ঝলক দিবে”)।
*. “সাদা ও কালো দু’টি শশী, আলো জ্বালায় দিবানিশি, চাঁদ কুড়াতে সাধু সন্ন্যাসী, বসে রয় তেমাথায়।” (বলন তত্ত্বাবলী- ১০৫)। (মুখঃ- “চাঁদের নদে চাঁদ ভেসে যায়, কোন্ সাধনে ধরবি তারে, ধরতে গেলে দূরে পালায়”)।
————————————————————-
১. “আছে নূরের শ্রেষ্ঠনূর, জানে সদায় সুচতুর, জীব যারা, যে নূরের আলোতে হয়, নূর জোহরা।” (পবিত্র লালন- ৪৬১/৩)।
২. “আজবলীলা মানুষগঙ্গায়, আলোর ওপর জলময়, যেদিন শুকায় জল- সব হয় বিফল, মীন পালায় শূন্য ’পরে।” (পবিত্র লালন- ৯৫০/৩)।
৩. “আঠারো মুক্বামে জানা, মহারসের বারামখানা, সে রসের ভিতরে সে-না, আলো করে সাঁই” (পবিত্র লালন- ১১২/৩)।
৪. “আলেক শহরে আজব কুদরতি, রাতে উদয় ভানু দিবসে চাঁদি, আলোর খবর যে জানে- দেখতে পায় নয়নে, লালন বলে চাঁদ দেখেছে তারা।” (পবিত্র লালন- ৪৩৫/৪)।
৫. “আলোক উদ্ভব নিত্যগোলক, তাতে বিরাজে পূর্ণব্রহ্ম আলেক, হলে দ্বিদল নির্ণয়- জানা যায়, বাঁধা থাকে না সাধনদ্বারে।” (পবিত্র লালন- ৩১৫/২)।
৬. “কৌশলী বিন্দুতরু তেলে, অবিরত প্রদীপ জ্বলে, পূর্ব পশ্চিম মধ্য মূলে, আলোতে উজ্বালাময়।” (বলন তত্ত্বাবলী- ৮৬)।
৭. “ছেলের রূপে ভুবন আলো হলো, কোথায় অকস্মাৎ জন্ম হলো, লালন বলে সে ছেলের গুণ, কারো কারো হৃদয়ে গাঁথা।” (পবিত্র লালন- ৫৫২/৪)।
৮. “জগৎ আলো করেছে সাঁই, ফুটিয়ে প্রেমের কলি, কী শোভা করেছে সাঁই, তার কাননে এক মালি।” (পবিত্র লালন- ৪৫৪/১)।
৯. “দেখ আজগুবি একফুল ফুটেছে, ক্ষণেক্ষণে মুদিত হয় ফুল, ক্ষণে আলো করছে।” (পবিত্র লালন- ৫৩২/১)।
১০. “নূরেতে মুক্বাম ঘিরা, তার ভিতরে সাত সিতারা, তার ওপরে যুগলতারা, আলো করে ত্রিভুবন।” (পবিত্র লালন- ৪৫/২)।
১১. “প্রদীপ দানিতে দীপ রাখা, কম আলোতে বেশি দেখা, ঊর্ধ্বমু-ে চেরাগ সেথা, চিমনি ঘিরা সদায়।” (বলন তত্ত্বাবলী- ১৮৬)।
১২. “প্রদীপ যেন তারকা দেখায়, একতরু তেলে জ্বলে সদায়, পূর্বে কিম্বা পশ্চিমেও নয়, আলো রয় বিজলিময়।” (বলন তত্ত্বাবলী- ১৮৬)।
১৩. “ফুল ফুটে হয় জগৎ আলো, তারে দেখে মন শীতল হলো, লালন কয় উপায় বলো, খেলছে সাধু দরবেশ অলি।” (পবিত্র লালন- ৪৫৪/৩)।
১৪. “বিকার যার শান্ত হলো, হৃদকমলে সদায় আলো, যথায় মন্দ তথায় ভালো, অবশ্য সে পায় দেখা।” (পবিত্র লালন- ৬৯৮/২)।
১৫. “মাধবীতলায় গায়, মাধবী-লতার ছায়, দেখ দেখ সই লতায় পাতায়, বন্ধুরূপে আলো।” (পবিত্র লালন- ৭৭৫/২)।
১৬. “যেরূপ দেখি তাইতো আঁখি, হয়ে যায়রে বিভোল, দীপের আলো দেখে যেমন, পতঙ্গ পুড়ে মরল।” (পবিত্র লালন- ৩৯৯/২)।
১৭. “লালন বলে দেখবি ভালো, চাররঙে করেছে আলো, একরঙ গোপনে রয়, চারদিকে লাল জহুরা।” (পবিত্র লালন- ৫৪২/৪)।
১৮. “সবে বলে কালো কালো, কালো নয় সে চাঁদের আলো, সে যে কালাচাঁদ- নাই এমন চাঁদ, যে চাঁদের তুলনা তারি সনে।” (পবিত্র লালন- ৪৮৫/২)।
১৯. “সাধক যদি হয় বিহারী, সাঁই আলোক হয় সবারি, কেউ মরা মরে না- ধরা সে দেয় না, ধরতে গেলে পালায় অচিনদেশে।” (পবিত্র লালন- ৭৭২/৩)।
(Using the terminology Light sense for ordinary Light)
*. “একচাঁদে জগৎ আলো, একবীজে সব জন্ম হলো, লালন বলে মিছে কলহ, ভবে শুনতে পাই।” (পবিত্র লালন- ৭০৭/৪)। (“ভক্তের দ্বারে বান্ধা আছেন সাঁই, হিন্দু কী যবন বলে, জাতির বিচার নাই”)।
*. “দীপের আলো দেখে যেমন, উড়ে পড়ে পতঙ্গগণ, অবশেষে হারায় জীবন, আমায় মন তাই করলি হারে।” (পবিত্র লালন- ৩৩৬/৩)। (মুখঃ- “কেন মলিরে মন, ঝাঁপ দিয়ে তোর বাবারপুকুরে, দেখি চিত্ত কামে মত্ত, পাগলপারা প্রায় তোরে”)।
*. “নিশিতে সূর্য উদয় কোন্ দেশে, দিনে চাঁদের আলো আসে (গো), চাঁদ-সুরুজ এক অক্ষে ভাসে, তাকালে কেউ দেখে না।” (বলন তত্ত্বাবলী- ১৫)। (মুখঃ- “আপনদেশের মধুরবাণী, গুরু আমায় শোনাও না, দেশবাসী কয় উল্টাকথা, সোজা করে শোনায় না”)।
*. “পূর্ণিমাশশী বিলীন হইলে তমসা নেমে আসে, মনেরমানুষ ছাড়িয়া গেলে নয়নজলে ভাসে, ডুবিয়া গেলে রবি শশীরে, ঐ আলো জ্বলে কী কিরণে।” (বলন তত্ত্বাবলী- ১২৭)। (মুখঃ- “ডুবিল গগনের শশীরে ও শশী ডুবিল গগণে, কিবা হারাইলাম জীবনে”)।
*. “শতদল আর সহস্র দল, একরূপে করছে আলো, সেরূপে যে নয়ন দিলো, মহাকাল তার কী করবে।” (পবিত্র লালন- ৭১৯/২)। (মুখঃ- “ভাবের উদয় যেদিন হবে, সেদিন হৃদকমলে রূপ ঝলক দিবে”)।
*. “সাদা ও কালো দু’টি শশী, আলো জ্বালায় দিবানিশি, চাঁদ কুড়াতে সাধু সন্ন্যাসী, বসে রয় তেমাথায়।” (বলন তত্ত্বাবলী- ১০৫)। (মুখঃ- “চাঁদের নদে চাঁদ ভেসে যায়, কোন্ সাধনে ধরবি তারে, ধরতে গেলে দূরে পালায়”)।
————————————————————-
১. “আছে নূরের শ্রেষ্ঠনূর, জানে সদায় সুচতুর, জীব যারা, যে নূরের আলোতে হয়, নূর জোহরা।” (পবিত্র লালন- ৪৬১/৩)।
২. “আজবলীলা মানুষগঙ্গায়, আলোর ওপর জলময়, যেদিন শুকায় জল- সব হয় বিফল, মীন পালায় শূন্য ’পরে।” (পবিত্র লালন- ৯৫০/৩)।
৩. “আঠারো মুক্বামে জানা, মহারসের বারামখানা, সে রসের ভিতরে সে-না, আলো করে সাঁই” (পবিত্র লালন- ১১২/৩)।
৪. “আলেক শহরে আজব কুদরতি, রাতে উদয় ভানু দিবসে চাঁদি, আলোর খবর যে জানে- দেখতে পায় নয়নে, লালন বলে চাঁদ দেখেছে তারা।” (পবিত্র লালন- ৪৩৫/৪)।
৫. “আলোক উদ্ভব নিত্যগোলক, তাতে বিরাজে পূর্ণব্রহ্ম আলেক, হলে দ্বিদল নির্ণয়- জানা যায়, বাঁধা থাকে না সাধনদ্বারে।” (পবিত্র লালন- ৩১৫/২)।
৬. “কৌশলী বিন্দুতরু তেলে, অবিরত প্রদীপ জ্বলে, পূর্ব পশ্চিম মধ্য মূলে, আলোতে উজ্বালাময়।” (বলন তত্ত্বাবলী- ৮৬)।
৭. “ছেলের রূপে ভুবন আলো হলো, কোথায় অকস্মাৎ জন্ম হলো, লালন বলে সে ছেলের গুণ, কারো কারো হৃদয়ে গাঁথা।” (পবিত্র লালন- ৫৫২/৪)।
৮. “জগৎ আলো করেছে সাঁই, ফুটিয়ে প্রেমের কলি, কী শোভা করেছে সাঁই, তার কাননে এক মালি।” (পবিত্র লালন- ৪৫৪/১)।
৯. “দেখ আজগুবি একফুল ফুটেছে, ক্ষণেক্ষণে মুদিত হয় ফুল, ক্ষণে আলো করছে।” (পবিত্র লালন- ৫৩২/১)।
১০. “নূরেতে মুক্বাম ঘিরা, তার ভিতরে সাত সিতারা, তার ওপরে যুগলতারা, আলো করে ত্রিভুবন।” (পবিত্র লালন- ৪৫/২)।
১১. “প্রদীপ দানিতে দীপ রাখা, কম আলোতে বেশি দেখা, ঊর্ধ্বমু-ে চেরাগ সেথা, চিমনি ঘিরা সদায়।” (বলন তত্ত্বাবলী- ১৮৬)।
১২. “প্রদীপ যেন তারকা দেখায়, একতরু তেলে জ্বলে সদায়, পূর্বে কিম্বা পশ্চিমেও নয়, আলো রয় বিজলিময়।” (বলন তত্ত্বাবলী- ১৮৬)।
১৩. “ফুল ফুটে হয় জগৎ আলো, তারে দেখে মন শীতল হলো, লালন কয় উপায় বলো, খেলছে সাধু দরবেশ অলি।” (পবিত্র লালন- ৪৫৪/৩)।
১৪. “বিকার যার শান্ত হলো, হৃদকমলে সদায় আলো, যথায় মন্দ তথায় ভালো, অবশ্য সে পায় দেখা।” (পবিত্র লালন- ৬৯৮/২)।
১৫. “মাধবীতলায় গায়, মাধবী-লতার ছায়, দেখ দেখ সই লতায় পাতায়, বন্ধুরূপে আলো।” (পবিত্র লালন- ৭৭৫/২)।
১৬. “যেরূপ দেখি তাইতো আঁখি, হয়ে যায়রে বিভোল, দীপের আলো দেখে যেমন, পতঙ্গ পুড়ে মরল।” (পবিত্র লালন- ৩৯৯/২)।
১৭. “লালন বলে দেখবি ভালো, চাররঙে করেছে আলো, একরঙ গোপনে রয়, চারদিকে লাল জহুরা।” (পবিত্র লালন- ৫৪২/৪)।
১৮. “সবে বলে কালো কালো, কালো নয় সে চাঁদের আলো, সে যে কালাচাঁদ- নাই এমন চাঁদ, যে চাঁদের তুলনা তারি সনে।” (পবিত্র লালন- ৪৮৫/২)।
১৯. “সাধক যদি হয় বিহারী, সাঁই আলোক হয় সবারি, কেউ মরা মরে না- ধরা সে দেয় না, ধরতে গেলে পালায় অচিনদেশে।” (পবিত্র লালন- ৭৭২/৩)।
আলোর সংজ্ঞা (Definition of Light)
আকারী পদার্থাদি দৃষ্টিগোচর হওয়ার শক্তিকে আলো বলে।
আলোর আধ্যাত্মিক সংজ্ঞা (Theosophical definition of Light)
রূপক সাহিত্যে জ্ঞানকে রূপকার্থে আলো বলে।
আকারী পদার্থাদি দৃষ্টিগোচর হওয়ার শক্তিকে আলো বলে।
আলোর আধ্যাত্মিক সংজ্ঞা (Theosophical definition of Light)
রূপক সাহিত্যে জ্ঞানকে রূপকার্থে আলো বলে।
আলোর প্রকারভেদ (Classification of Light)
আলো দুই প্রকার। যথা- ১.উপমান আলো ও ২.উপমিত আলো।
১. উপমান আলো (Analogical Light)
আকারী পদার্থাদি দৃষ্টিগোচর হওয়ার শক্তিকে উপমান আলো বলে। যেমন- সূর্যরশ্মি।
২. উপমিত আলো (Compared Light)
রূপক সাহিত্যে জ্ঞানকে উপমিত আলো বলে।
আলো দুই প্রকার। যথা- ১.উপমান আলো ও ২.উপমিত আলো।
১. উপমান আলো (Analogical Light)
আকারী পদার্থাদি দৃষ্টিগোচর হওয়ার শক্তিকে উপমান আলো বলে। যেমন- সূর্যরশ্মি।
২. উপমিত আলো (Compared Light)
রূপক সাহিত্যে জ্ঞানকে উপমিত আলো বলে।
আলোর পরিচয় (Identity of Light)
এটি রূপক সাহিত্যের বৈক্তিকসদস্য সারণির ‘জ্ঞান’ পরিবারের অধীন একটি ‘উপমান পরিভাষা’ বিশেষ। সারাবিশ্বের সর্ব প্রকার শাস্ত্রীয় ও পারম্পরিক গ্রন্থ-গ্রন্থিকায় এর ন্যূনাধিক ব্যবহার লক্ষ্য করা যায়। তবে এ পরিভাষাটি একেক গ্রন্থে একেক ভাষায় ব্যবহার হওয়ার কারণে সাধারণ পাঠক-পাঠিকা ও শ্রোতাদের তেমন দৃষ্টিগোচর হয় না। সাধারণত আকারী পদার্থাদি দৃষ্টিগোচর হওয়ার শক্তিকেই আলো বলা হয় কিন্তু রূপক সাহিত্যে জ্ঞানকে আলো বলা হয়। আলো ব্যতীত যেমন কোন কিছুই দেখা ও বুঝা যায় না তদ্রূপ জ্ঞান ব্যতীত কোন কিছুই জানা ও বুঝা যায় না।
এটি রূপক সাহিত্যের বৈক্তিকসদস্য সারণির ‘জ্ঞান’ পরিবারের অধীন একটি ‘উপমান পরিভাষা’ বিশেষ। সারাবিশ্বের সর্ব প্রকার শাস্ত্রীয় ও পারম্পরিক গ্রন্থ-গ্রন্থিকায় এর ন্যূনাধিক ব্যবহার লক্ষ্য করা যায়। তবে এ পরিভাষাটি একেক গ্রন্থে একেক ভাষায় ব্যবহার হওয়ার কারণে সাধারণ পাঠক-পাঠিকা ও শ্রোতাদের তেমন দৃষ্টিগোচর হয় না। সাধারণত আকারী পদার্থাদি দৃষ্টিগোচর হওয়ার শক্তিকেই আলো বলা হয় কিন্তু রূপক সাহিত্যে জ্ঞানকে আলো বলা হয়। আলো ব্যতীত যেমন কোন কিছুই দেখা ও বুঝা যায় না তদ্রূপ জ্ঞান ব্যতীত কোন কিছুই জানা ও বুঝা যায় না।
এ জন্য জ্ঞানকে আলোর সাথে তুলনা করা হয়ে থাকে। উল্লেখ্য রূপক সাহিত্যে
ব্যবহৃত আলো পরিভাষাটির দ্বারা প্রায় সর্বক্ষেত্রেই জ্ঞান অর্থ প্রকাশ করে
কিন্তু অত্যন্ত মজার বিষয় হলো বাংভারতের খুষ্কমুষ্ক শাস্ত্রীয় মতানুসারী
প-িত আত্মতত্ত্বজ্ঞানহীন শাস্ত্রীয় মতানুসারী বক্তা, শাস্ত্রীয় মতানুসারী
লেখক, গবেষক, অভিধানবেত্তা, অনুবাদক, বৈখ্যিক, টৈকিক ও আলোচকরা রূপক
সাহিত্যের আলো পরিভাষাটির দ্বারা কেবল জ্যোতি গ্রহণ করে আসছেন দীর্ঘদিন
হতে। ফলে মানবকল্যাণের জন্য নির্মিত বিশ্ববিখ্যাত শাস্ত্রীয় গ্রন্থাদিও
বর্তমানে মুখথুবড়ে পড়তে বাধ্য হয়েছে। সে জন্যই সারাবিশ্বে আতংবাদ, উগ্রবাদ ও
সন্ত্রাসবাদের মরণকবলে পতিত হয়েছেন কেবল ঐশিবাদিরাই। আতংবাদ, উগ্রবাদ ও
সন্ত্রাসবাদের মূল হোতা বলতে বিশ্ববাসী কেবল ঐশিবাদী ও অবতারবাদীদেরকেই
চিনেন ও জানেন।
(সংক্ষিপ্ত সংকলন)
তথ্যসূত্রঃ
আত্মতত্ত্ব ভেদ (৫ম খণ্ড)
লেখকঃ বলন কাঁইজি
তথ্যসূত্রঃ
আত্মতত্ত্ব ভেদ (৫ম খণ্ড)
লেখকঃ বলন কাঁইজি
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন