৩৪/১. পৃথিবী
World (ওয়ার্ল্ড)/ ‘عالم’ (আলম)
এটি রূপক সাহিত্যের বৈক্তিকসদস্য সারণির ‘দেহ’ পরিবারের অন্যতম একটি ‘রূপক পরিভাষা’। এর মূলকসদস্য ‘দেহ’, উপমান পরিভাষা ‘অশ্ব, কানন, গাড়ি, ঘোড়া, জাহাজ, তরী, পাহাড়, বৃক্ষ ও হাতি’, চারিত্রিক পরিভাষা ‘বপু ও ভুবন’ এবং ছদ্মনাম পরিভাষা ‘দেবালয়, বিশ্ব, ব্রজ, মন্দির, রথ, শাস্ত্র ও স্বর্গালয়’।
পৃথিবী (রূপ)বি ধরণী, ধরিত্রী, অবনী, ক্ষিতি, মহী, জগৎ, মেদিনী, বসুমতী, বসুন্ধরা, ভূমণ্ডল world, ‘عالم’ (আলম) (আবি) দেহ, খাঁচা, ধড়, পিঞ্জর, body, horse, জাসাদ (আ.ﺠﺴﺪ), বদন (আ.ﺒﺪﻦ), ‘ﻔﺮﺱ’ (ফারাস) (দেপ্র) এটি রূপক সাহিত্যের বৈক্তিকসদস্য সারণির ‘দেহ’ পরিবারের ‘রূপক পরিভাষা’ ও রূপক সাহিত্যের একটি পরিভাষা বিশেষ (সংজ্ঞা) ১.সূর্যের তৃতীয় নিকটতম গ্রহকে পৃথিবী বলা হয় ২.রূপক সাহিত্যে মানব দেহকে রূপকার্থে পৃথিবী বলা হয় (ছনা) দেবালয়, বিশ্ব, ব্রজ, মন্দির, রথ, শাস্ত্র ও স্বর্গালয় (চাপ) বপু ও ভুবন (উপ) অশ্ব, কানন, গাড়ি, ঘোড়া, জাহাজ, তরী, পাহাড়, বৃক্ষ ও হাতি (রূ) পৃথিবী (দেত) দেহ।
পৃথিবীর ১টি গুরুত্বপূর্ণ উদ্ধৃতি (A highly important quotations of world)
“ত্রিশহরফে কুরান লেখা, কে তা বুঝেছে, হরফের মানে বুঝলে, পৃথিবীর ভেদ পাবে” (পবিত্র লালন- ৬৯০/২)।
পৃথিবীর সংজ্ঞা (Definition of world)
সূর্যের তৃতীয় নিকটতম গ্রহকে পৃথিবী বলে।
পৃথিবীর আধ্যাত্মিক সংজ্ঞা (Theosophical definition of world)
রূপক সাহিত্যে মানব দেহকে রূপকার্থে পৃথিবী বলে।
পৃথিবীর প্রকারভেদ (Classification of world)
পৃথিবী দুই প্রকার। যথা- ১.উপমান পৃথিবী ও ২.উপমিত পৃথিবী।
১. উপমান পৃথিবী (Analogical world)
সূর্যের তৃতীয় নিকটতম গ্রহকে উপমান পৃথিবী বলে।
২. উপমিত পৃথিবী (Compared world)
রূপক সাহিত্যে মানব দেহকে উপমিত পৃথিবী বলে।
পৃথিবীর পরিচয় (Identity of world)
এটি রূপক সাহিত্যের বৈক্তিকসদস্য সারণির ‘দেহ’ পরিবারের অধীন একটি ‘রূপক পরিভাষা’ বিশেষ। বিশ্বের এমন কোন শাস্ত্রীয় দর্শন নেই যে ‘পৃথিবী’ নামক এ পরিভাষাটির ব্যবহার নেই। বলতে গেলে এ রূপক পরিভাষাটির ব্যবহারই সর্বাধিক। রূপক সাহিত্যে সর্বদা উপমান পরিভাষা ব্যবহার করে উপমিতপদের আলোচনা করা হয়। সে জন্য পাঠক শ্রোতাদের ‘উপমিতি’ জানা প্রয়োজন। এ ছাড়াও ‘নরত্বারোপ’ বিদ্যা জানাও অধিক প্রয়োজন। শক্ত করেই বলা যায় সারা বিশ্বের সর্ব প্রকার শাস্ত্রীয় দর্শনের গল্প-কাহিনী ও পারম্পরিক সাধক-সাধিকাদের অলৌকিককার্যাদি জানা ও বুঝার জন্য অবশ্যই ‘উপমিতি’, ‘নরত্বারোপ’ ও ‘বৈক্তিকসদস্য সারণী’ জানা ও বুঝা অতীব প্রয়োজন। ওপরোক্ত উপমিতিবিদ্যা দ্বারাই দেহকে পৃথিবীর সঙ্গে তুলনা করে, পৃথিবীকে দেহের উপমানপদ নির্ধারণ করা হয়েছে। এখানে পৃথিবী উপমান এবং দেহ উপমিত পদ। তবে রূপক সাহিত্যে কোথাও কোথাও পৃথিবী সৌরজগতের জ্যোতিষ্করূপেও ব্যবহৃত হয়ে থাকে। যেমন- “পৃথিবী গোলাকার জানি, দিবানিশি ঘুরে আপনি, তাই তো হয় দিনরজনী, জ্ঞানীগুণী তা মানে” (পবিত্র লালন- ৪৩৭/২)।
(সংক্ষিপ্ত সংকলন)
তথ্যসূত্রঃ
আত্মতত্ত্ব ভেদ (৫ম খণ্ড)
লেখকঃ বলন কাঁইজি
World (ওয়ার্ল্ড)/ ‘عالم’ (আলম)
এটি রূপক সাহিত্যের বৈক্তিকসদস্য সারণির ‘দেহ’ পরিবারের অন্যতম একটি ‘রূপক পরিভাষা’। এর মূলকসদস্য ‘দেহ’, উপমান পরিভাষা ‘অশ্ব, কানন, গাড়ি, ঘোড়া, জাহাজ, তরী, পাহাড়, বৃক্ষ ও হাতি’, চারিত্রিক পরিভাষা ‘বপু ও ভুবন’ এবং ছদ্মনাম পরিভাষা ‘দেবালয়, বিশ্ব, ব্রজ, মন্দির, রথ, শাস্ত্র ও স্বর্গালয়’।
পৃথিবী (রূপ)বি ধরণী, ধরিত্রী, অবনী, ক্ষিতি, মহী, জগৎ, মেদিনী, বসুমতী, বসুন্ধরা, ভূমণ্ডল world, ‘عالم’ (আলম) (আবি) দেহ, খাঁচা, ধড়, পিঞ্জর, body, horse, জাসাদ (আ.ﺠﺴﺪ), বদন (আ.ﺒﺪﻦ), ‘ﻔﺮﺱ’ (ফারাস) (দেপ্র) এটি রূপক সাহিত্যের বৈক্তিকসদস্য সারণির ‘দেহ’ পরিবারের ‘রূপক পরিভাষা’ ও রূপক সাহিত্যের একটি পরিভাষা বিশেষ (সংজ্ঞা) ১.সূর্যের তৃতীয় নিকটতম গ্রহকে পৃথিবী বলা হয় ২.রূপক সাহিত্যে মানব দেহকে রূপকার্থে পৃথিবী বলা হয় (ছনা) দেবালয়, বিশ্ব, ব্রজ, মন্দির, রথ, শাস্ত্র ও স্বর্গালয় (চাপ) বপু ও ভুবন (উপ) অশ্ব, কানন, গাড়ি, ঘোড়া, জাহাজ, তরী, পাহাড়, বৃক্ষ ও হাতি (রূ) পৃথিবী (দেত) দেহ।
পৃথিবীর ১টি গুরুত্বপূর্ণ উদ্ধৃতি (A highly important quotations of world)
“ত্রিশহরফে কুরান লেখা, কে তা বুঝেছে, হরফের মানে বুঝলে, পৃথিবীর ভেদ পাবে” (পবিত্র লালন- ৬৯০/২)।
পৃথিবীর সংজ্ঞা (Definition of world)
সূর্যের তৃতীয় নিকটতম গ্রহকে পৃথিবী বলে।
পৃথিবীর আধ্যাত্মিক সংজ্ঞা (Theosophical definition of world)
রূপক সাহিত্যে মানব দেহকে রূপকার্থে পৃথিবী বলে।
পৃথিবীর প্রকারভেদ (Classification of world)
পৃথিবী দুই প্রকার। যথা- ১.উপমান পৃথিবী ও ২.উপমিত পৃথিবী।
১. উপমান পৃথিবী (Analogical world)
সূর্যের তৃতীয় নিকটতম গ্রহকে উপমান পৃথিবী বলে।
২. উপমিত পৃথিবী (Compared world)
রূপক সাহিত্যে মানব দেহকে উপমিত পৃথিবী বলে।
পৃথিবীর পরিচয় (Identity of world)
এটি রূপক সাহিত্যের বৈক্তিকসদস্য সারণির ‘দেহ’ পরিবারের অধীন একটি ‘রূপক পরিভাষা’ বিশেষ। বিশ্বের এমন কোন শাস্ত্রীয় দর্শন নেই যে ‘পৃথিবী’ নামক এ পরিভাষাটির ব্যবহার নেই। বলতে গেলে এ রূপক পরিভাষাটির ব্যবহারই সর্বাধিক। রূপক সাহিত্যে সর্বদা উপমান পরিভাষা ব্যবহার করে উপমিতপদের আলোচনা করা হয়। সে জন্য পাঠক শ্রোতাদের ‘উপমিতি’ জানা প্রয়োজন। এ ছাড়াও ‘নরত্বারোপ’ বিদ্যা জানাও অধিক প্রয়োজন। শক্ত করেই বলা যায় সারা বিশ্বের সর্ব প্রকার শাস্ত্রীয় দর্শনের গল্প-কাহিনী ও পারম্পরিক সাধক-সাধিকাদের অলৌকিককার্যাদি জানা ও বুঝার জন্য অবশ্যই ‘উপমিতি’, ‘নরত্বারোপ’ ও ‘বৈক্তিকসদস্য সারণী’ জানা ও বুঝা অতীব প্রয়োজন। ওপরোক্ত উপমিতিবিদ্যা দ্বারাই দেহকে পৃথিবীর সঙ্গে তুলনা করে, পৃথিবীকে দেহের উপমানপদ নির্ধারণ করা হয়েছে। এখানে পৃথিবী উপমান এবং দেহ উপমিত পদ। তবে রূপক সাহিত্যে কোথাও কোথাও পৃথিবী সৌরজগতের জ্যোতিষ্করূপেও ব্যবহৃত হয়ে থাকে। যেমন- “পৃথিবী গোলাকার জানি, দিবানিশি ঘুরে আপনি, তাই তো হয় দিনরজনী, জ্ঞানীগুণী তা মানে” (পবিত্র লালন- ৪৩৭/২)।
(সংক্ষিপ্ত সংকলন)
তথ্যসূত্রঃ
আত্মতত্ত্ব ভেদ (৫ম খণ্ড)
লেখকঃ বলন কাঁইজি
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন