৯৮/১৩. সৃষ্টিকর্তা প্রসঙ্গঃ ‘আদি’ (১৬ পর্বের ১৩তম
পর্ব বিশেষ) (আধ্যাত্মিকবিদ্যা, আত্মতত্ত্ব, আত্মদর্শন, দেহতত্ত্ব,
পরম্পরাতত্ত্ব, দিব্যজ্ঞান, স্বরূপদর্শন, নরত্বারোপ ও বলনদর্শন টীকা)
________________________________
________________________________
আদি
Embryonic (এ্যাম্ব্রাওনিক)/ ‘جنينية’ (জানিনিয়া)
এটি রূপকসাহিত্যের বৈক্তিকসদস্য সারণির ব্যাপকপরিবারের অন্যতম একটি ‘ছদ্মনামপরিভাষা’। এর মূলকসদস্য ‘সৃষ্টিকর্তা’, রূপকপরিভাষা ‘কাঁই’, উপমানপরিভাষা ‘ঘি, নীর, পীযূষ, মধু, শস্য ও সূর্য’, ছদ্মনামপরিভাষা ‘অসিত, কালা, কালু ও কৃষ্ণ’ এবং অন্যান্য ছদ্মনামপরিভাষা ‘স্রষ্টা, স্বায়ম্ভু ও হর’। এ পরিভাষাটি রূপকসাহিত্যের ‘প্রথমপ্রহর’ ও ‘সৃষ্টিকর্তা’ এ ২টি বৈক্তিকসদস্যেরই চারিত্রিক পরিভাষা রূপে ব্যবহার হয়ে থাকে। এ জন্য বর্ণনার ক্ষেত্র অনুযায়ী এর সঠিকমূলক উদ্ঘাটন করা একান্ত প্রয়োজন।
Embryonic (এ্যাম্ব্রাওনিক)/ ‘جنينية’ (জানিনিয়া)
এটি রূপকসাহিত্যের বৈক্তিকসদস্য সারণির ব্যাপকপরিবারের অন্যতম একটি ‘ছদ্মনামপরিভাষা’। এর মূলকসদস্য ‘সৃষ্টিকর্তা’, রূপকপরিভাষা ‘কাঁই’, উপমানপরিভাষা ‘ঘি, নীর, পীযূষ, মধু, শস্য ও সূর্য’, ছদ্মনামপরিভাষা ‘অসিত, কালা, কালু ও কৃষ্ণ’ এবং অন্যান্য ছদ্মনামপরিভাষা ‘স্রষ্টা, স্বায়ম্ভু ও হর’। এ পরিভাষাটি রূপকসাহিত্যের ‘প্রথমপ্রহর’ ও ‘সৃষ্টিকর্তা’ এ ২টি বৈক্তিকসদস্যেরই চারিত্রিক পরিভাষা রূপে ব্যবহার হয়ে থাকে। এ জন্য বর্ণনার ক্ষেত্র অনুযায়ী এর সঠিকমূলক উদ্ঘাটন করা একান্ত প্রয়োজন।
১. আদি (রূপ)বি প্রথম, প্রারম্ভ, সূচনা, আরম্ভ, হেতু, কারণ, উৎপত্তি, উৎপত্তিস্থান, Embryonic (এ্যাম্ব্রাওনিক), ‘جنينية’ (জানিনিয়া) বিণ
মূল, প্রকৃত, পূর্ব, পুরা, প্রাচীন, জগতের দৃশ্য অদৃশ্য ও স্পর্শ
শক্তিগুলো ও প্রতিটি বস্তুর আদিরূপ সৃষ্টিকারিকে আদি (আদিস্রষ্টা) বলা হয়।
যেমন- প্রথম মানুষ, প্রথম হাতি, প্রথম বটগাছ ও প্রথম ইলিশ ইত্যাদি
সৃষ্টিকারী, prior (প্রাইওর) ‘آنِف’ (আনিফ) (সাঅ)বি নির্মাতা, সৃষ্টিকর্তা, জগৎস্রষ্টা, জনক, creator (ক্রিয়েটর), author (অথর), খালিক্ব (আ.ﺨﺎﻟﻖ) (আবি)বি
১.কাঁই, কালা, কালু, কেলে, কালিয়া, কৃষ্ণ, কাজলা, ব্রহ্মা, বিরিঞ্চি,
শ্যাম, শ্যামল, শ্যামলা, Melanin (মিলেনিন), ‘ميلانين’ (মিলেনিন) ২.অনন্ত,
ঈশ্বর, কালোঈশ্বর, প্রজাপতি, হিরণ্যগর্ভ, বিধাতা, বিবস্বান, স্বায়ম্ভু (আদৈ)বি আল্লাহ (আ.ﺍﻠﻠﻪ), ইসা (আ.ﻋﻴﺴﻰٰ), মসিহ (আ.ﻤﺴﻴﺢ), শাম (আ.ﺷﺄﻢ), শামস (আ.ﺸﻤﺲ), শিশ (আ.ﺸﻴﺶ) (ইদৈ)বি Lord (লর্ড), maker (মেকার), designer (ডিজাইনার) (দেপ্র) এটি রূপকসাহিত্যের বৈক্তিকসদস্য সারণির ‘সৃষ্টিকর্তা’ পরিবারের ‘ছদ্মনামপরিভাষা’ ও রূপকসাহিত্যের একটি পরিভাষা বিশেষ (সংজ্ঞা) ১.সৌরজগতের সূর্যকে আদিত্য বলা হয় ২.কালোবর্ণের অমৃতজলকে সৃষ্টিকর্তা বা আদি বলা হয় (ছনা)বি আদি, স্রষ্টা, স্বায়ম্ভু ও হর (চরি)বিণ অসিত, কালা, কালু ও কৃষ্ণ (উপ)বি ঘি, নীর, পীযূষ, মধু, শস্য ও সূর্য (রূ)বি কাঁই (দেত)বি সৃষ্টিকর্তা।
২. আদি বি ইত্যাদি, সব, মোট, থোক এরূপ অর্থজ্ঞাপক প্রত্যয় বিশেষ (পুরাণাদি)।
আদির সংজ্ঞা (Definition of Embryonic)
সৌরজগতের সূর্যকে আদি বলে।
সৌরজগতের সূর্যকে আদি বলে।
আদির আধ্যাত্মিক সংজ্ঞা (Theosophical definition of Embryonic)
মানবদেহে প্রাপ্ত কালোবর্ণের অমৃতজলকে সৃষ্টিকর্তা বা আদি বলে।
মানবদেহে প্রাপ্ত কালোবর্ণের অমৃতজলকে সৃষ্টিকর্তা বা আদি বলে।
আদির প্রকারভেদ (Classification of Embryonic)
১. উপমান আদি (Analogical Embryonic)
সৌরজগতের সূর্যকে উপমান আদি বলে।
২. উপমিত আদি (Compared Embryonic)
মানবদেহে প্রাপ্ত কালোবর্ণের অমৃতজলকে কাঁই বা উপমিত আদি বলে।
১. উপমান আদি (Analogical Embryonic)
সৌরজগতের সূর্যকে উপমান আদি বলে।
২. উপমিত আদি (Compared Embryonic)
মানবদেহে প্রাপ্ত কালোবর্ণের অমৃতজলকে কাঁই বা উপমিত আদি বলে।
আদির পরিচয় (Identity of Embryonic)
এটি রূপকসাহিত্যের বৈক্তিকসদস্য সারণির ‘সৃষ্টিকর্তা’ পরিবারের অধীন একটি ‘ছদ্মনামপরিভাষা’ বিশেষ। সারাবিশ্বের সর্ব প্রকার শাস্ত্রীয় ও পারম্পরিক গ্রন্থ-গ্রন্থিকায় এর ন্যূনাধিক ব্যবহার লক্ষ্য করা যায়। তবে এ পরিভাষাটি একেক গ্রন্থে একেক ভাষায় ব্যবহার হওয়ার কারণে সাধারণ পাঠক-পাঠিকা ও শ্রোতাদের তেমন দৃষ্টিগোচর হয় না। সবকিছুর প্রথম বা অগ্রজকে আদি বলা হয়। কাঁই যেহেতু জীবদেহের আদিস্বায়ম্ভু ও জীবের সৃষ্টিকর্তা বিধায় কাঁইকে আদি বলা হয়। অনুরূপভাবে পবিত্রতার প্রহরাদির মধ্যে ঊষা সর্ব প্রথমা বলে ঊষাকেও আদি বলা হয়। অর্থাৎ ঊষা পবিত্রতার প্রথমপ্রহর বলে একে আদি বলা হয়। সৃষ্টিক্রিয়ার স্বায়ম্ভু অনুঘটক ১.বসিধ, ২.সাঁই ও ৩.কাঁই- এ ত্রিসত্তার মধ্যে কাঁই সর্বাগ্রে স্বায়ম্ভুত হন বলে কাঁইকে স্বায়ম্ভু বা আদি বলা হয়। অন্যদিকে দিবসের ১.ঊষা ২.নিশা ৩.ঊর্ধ্বা ৪.শংকা ৫.বিপদ ৬.নীরব ৭.নিরাপদ ও ৮.অর্যমা- এ ৮ প্রহরের মধ্যে ঊষা সর্বাগ্রে আগমন করে বলে ঊষাকে আদি বলা হয়।
——————————————————————————
(সংক্ষিপ্ত সংকলন)
সূত্রতথ্যঃ
আত্মতত্ত্ব ভেদ (৬ষ্ঠ খণ্ড)
লেখকঃ বলন কাঁইজি
এটি রূপকসাহিত্যের বৈক্তিকসদস্য সারণির ‘সৃষ্টিকর্তা’ পরিবারের অধীন একটি ‘ছদ্মনামপরিভাষা’ বিশেষ। সারাবিশ্বের সর্ব প্রকার শাস্ত্রীয় ও পারম্পরিক গ্রন্থ-গ্রন্থিকায় এর ন্যূনাধিক ব্যবহার লক্ষ্য করা যায়। তবে এ পরিভাষাটি একেক গ্রন্থে একেক ভাষায় ব্যবহার হওয়ার কারণে সাধারণ পাঠক-পাঠিকা ও শ্রোতাদের তেমন দৃষ্টিগোচর হয় না। সবকিছুর প্রথম বা অগ্রজকে আদি বলা হয়। কাঁই যেহেতু জীবদেহের আদিস্বায়ম্ভু ও জীবের সৃষ্টিকর্তা বিধায় কাঁইকে আদি বলা হয়। অনুরূপভাবে পবিত্রতার প্রহরাদির মধ্যে ঊষা সর্ব প্রথমা বলে ঊষাকেও আদি বলা হয়। অর্থাৎ ঊষা পবিত্রতার প্রথমপ্রহর বলে একে আদি বলা হয়। সৃষ্টিক্রিয়ার স্বায়ম্ভু অনুঘটক ১.বসিধ, ২.সাঁই ও ৩.কাঁই- এ ত্রিসত্তার মধ্যে কাঁই সর্বাগ্রে স্বায়ম্ভুত হন বলে কাঁইকে স্বায়ম্ভু বা আদি বলা হয়। অন্যদিকে দিবসের ১.ঊষা ২.নিশা ৩.ঊর্ধ্বা ৪.শংকা ৫.বিপদ ৬.নীরব ৭.নিরাপদ ও ৮.অর্যমা- এ ৮ প্রহরের মধ্যে ঊষা সর্বাগ্রে আগমন করে বলে ঊষাকে আদি বলা হয়।
——————————————————————————
(সংক্ষিপ্ত সংকলন)
সূত্রতথ্যঃ
আত্মতত্ত্ব ভেদ (৬ষ্ঠ খণ্ড)
লেখকঃ বলন কাঁইজি
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন