উপোসের তাত্ত্বিকতা- ১. ‘ﺼﻴﺎﻡ’ (সিয়াম) (আধ্যাত্মিকবিদ্যা, আত্মদর্শন, আত্মতত্ত্ব, দেহতত্ত্ব, পরম্পরাতত্ত্ব, স্বরূপদর্শন, নরত্বারোপ ও বলনদর্শন টীকা)
___________________________________
___________________________________
‘ﺼﻴﺎﻡ’ (সিয়াম) প্রসঙ্গ
সিয়াম (ﺼﻴﺎﻡ) নামক এ পরিভাষাটি পারস্য রূপকসাহিত্যের উপাসনামূলক একটি অনন্য পরিভাষাটি। এ পরিভাষাটিকে কেন্দ্র করে পারস্য সুবিজ্ঞ রূপকারগণ অসংখ্য ও অগণিত লৌকিকা নির্মাণ করেছেন। সুমহান ও সুবিজ্ঞ রূপকারগণ কর্তৃক নির্মিত অনন্য ও অনুপম লৌকিকাদি একত্র করেই সম্পাদিত হয়েছে বিশ্ববিখ্যাত অসংখ্য ও অগণিত মহাগ্রন্থ বা শাস্ত্রীয়গ্রন্থ। আরববিশ্বের অসংখ্য ও অগণিত পরিভাষার মধ্যে আরবিভাষার সিয়াম (ﺼﻴﺎﻡ) পরিভাষাটি উপাসনামূলক একটি অনন্য ও অনুপম পরিভাষা। আলোচ্য পরিভাষাটি কুরানীদের একটি অন্যতম শাস্ত্রীয় সংস্কার বটে। এটা পারস্য রূপকারগণের বিশ্ববিখ্যাত বিশ্ববিরল অনন্য ও অনুপম শাস্ত্রীয় সংস্কার। শাস্ত্রীয় সত্তাদি ও সংস্কারাদির শাস্ত্রীয় উপাসনা অনুষ্ঠান ও অলৌকিকগল্পকাহিনি জানার পর উক্ত পরিভাষাদির প্রকৃত তথ্য, তত্ত্ব ও প্রকৃত তাৎপর্য জানাও আমাদের একান্ত প্রয়োজন। এ জন্য আলোচ্য পরিভাষাটির প্রকৃতসত্তা প্রকৃত অর্থ ও আত্মদর্শনের মূলক উদ্ঘাটনের জন্য নিচে কয়েকটি অভিধান অবিকল অনুরূপ বা হুবহু তুলে ধরা হলো। অতঃপর সম্যক পর্যালোচনা শেষে সঠিক সমাধান প্রদানের চেষ্টা করা হলো।
সিয়াম (ﺼﻴﺎﻡ) নামক এ পরিভাষাটি পারস্য রূপকসাহিত্যের উপাসনামূলক একটি অনন্য পরিভাষাটি। এ পরিভাষাটিকে কেন্দ্র করে পারস্য সুবিজ্ঞ রূপকারগণ অসংখ্য ও অগণিত লৌকিকা নির্মাণ করেছেন। সুমহান ও সুবিজ্ঞ রূপকারগণ কর্তৃক নির্মিত অনন্য ও অনুপম লৌকিকাদি একত্র করেই সম্পাদিত হয়েছে বিশ্ববিখ্যাত অসংখ্য ও অগণিত মহাগ্রন্থ বা শাস্ত্রীয়গ্রন্থ। আরববিশ্বের অসংখ্য ও অগণিত পরিভাষার মধ্যে আরবিভাষার সিয়াম (ﺼﻴﺎﻡ) পরিভাষাটি উপাসনামূলক একটি অনন্য ও অনুপম পরিভাষা। আলোচ্য পরিভাষাটি কুরানীদের একটি অন্যতম শাস্ত্রীয় সংস্কার বটে। এটা পারস্য রূপকারগণের বিশ্ববিখ্যাত বিশ্ববিরল অনন্য ও অনুপম শাস্ত্রীয় সংস্কার। শাস্ত্রীয় সত্তাদি ও সংস্কারাদির শাস্ত্রীয় উপাসনা অনুষ্ঠান ও অলৌকিকগল্পকাহিনি জানার পর উক্ত পরিভাষাদির প্রকৃত তথ্য, তত্ত্ব ও প্রকৃত তাৎপর্য জানাও আমাদের একান্ত প্রয়োজন। এ জন্য আলোচ্য পরিভাষাটির প্রকৃতসত্তা প্রকৃত অর্থ ও আত্মদর্শনের মূলক উদ্ঘাটনের জন্য নিচে কয়েকটি অভিধান অবিকল অনুরূপ বা হুবহু তুলে ধরা হলো। অতঃপর সম্যক পর্যালোচনা শেষে সঠিক সমাধান প্রদানের চেষ্টা করা হলো।
আরবি সিয়াম (ﺼﻴﺎﻡ) পরিভাষাটির অনুবাদাদি
১. আরবি-বাংলা অভিধান (বাংলা একডেমী)।
ﺼﻴﺎﻢ (সিয়ামু)- রোজা, অনাহার, উপবাস। (ﺝ) ﺼﻮﻢ (ﻮ)
ﺼﻴﺎﻢ (সিয়ামু)- রোজা, অনাহার, উপবাস। (ﺝ) ﺼﻮﻢ (ﻮ)
২. আল-কাওসার (আধুনিক আরবি-বাংলা অভিধান)।
ﺼﻮﻡ (সাওমুন) রোজা, রমজান মাস।
ﺼﻮﻡ (সাওমুন) রোজা, রমজান মাস।
৩. আল কুরআনের বাংলা অভিধান
ﺼﻴﺎﻢ সিয়াম (বহুবচন) রোজা, সিয়াম।
ﺼﻴﺎﻢ সিয়াম (বহুবচন) রোজা, সিয়াম।
৪. উর্দু-বাংলা অভিধান (ফ’রহঙ্গ-ই-রব্বানি)।
ﺼﻮﻢ (সওম) আঃ নাঃ পুংঃ; রোজা, উপবাস।
ﺼﻮﻢ (সওম) আঃ নাঃ পুংঃ; রোজা, উপবাস।
৫. আরবি ফার্সি তুর্কি হিন্দি উর্দু শব্দের অভিধান (বাংলা একাডেমি)।
সিয়াম বি রোজা, উপবাসব্রত [সিয়াম. ﺼﻴﺎﻢ আ.]।
সিয়াম বি রোজা, উপবাসব্রত [সিয়াম. ﺼﻴﺎﻢ আ.]।
৬. ব্যবহারিক বাংলা অভিধান (বাংলা একাডেমি)।
সিয়াম [শিয়াম] বি রোজা, উপবাসব্রত {আ.সিয়াম.ﺼﻴﺎﻢ. একব.সয়ম.ﺼﻮﻢ}
—————————————————————————–
পর্যালোচনা (The discussion)
১. আরবি-বাংলা অভিধান (বাংলা একডেমী)- এর মধ্যে “ﺼﻴﺎﻢ (সিয়ামু)- রোজা, অনাহার, উপবাস। (ﺝ) ﺼﻮﻢ (ﻮ)”- আমরা যে তিনটি ভাষান্তর বা বাংলা অনুবাদ দেখতে পাই তার মধ্যে সর্ব প্রথম “রোজা” পরিভাষাটি আদৌ বাংলা অনুবাদ নয়। কারণ রোজা (ﺮﻮﺯﻩ) পরিভাষাটি ফার্সি। এটি কখনই আরবি সিয়াম পরিভাষাটির বঙ্গানুবাদ হতে পারে না। অতঃপর ‘অনাহার, উপবাস’- এ শব্দদ্বয়ের একটিও আরবি সিয়াম (ﺼﻴﺎﻢ) পরিভাষাটির বঙ্গানুবাদ নয় বরং রূপক পরিভাষা। এ জন্য এটি আরবি-বাংলা অভিধান হতে পারে না বরং এটি আরবি-ফার্সি অভিধান বলা-ই যুক্তিযুক্ত।
সিয়াম [শিয়াম] বি রোজা, উপবাসব্রত {আ.সিয়াম.ﺼﻴﺎﻢ. একব.সয়ম.ﺼﻮﻢ}
—————————————————————————–
পর্যালোচনা (The discussion)
১. আরবি-বাংলা অভিধান (বাংলা একডেমী)- এর মধ্যে “ﺼﻴﺎﻢ (সিয়ামু)- রোজা, অনাহার, উপবাস। (ﺝ) ﺼﻮﻢ (ﻮ)”- আমরা যে তিনটি ভাষান্তর বা বাংলা অনুবাদ দেখতে পাই তার মধ্যে সর্ব প্রথম “রোজা” পরিভাষাটি আদৌ বাংলা অনুবাদ নয়। কারণ রোজা (ﺮﻮﺯﻩ) পরিভাষাটি ফার্সি। এটি কখনই আরবি সিয়াম পরিভাষাটির বঙ্গানুবাদ হতে পারে না। অতঃপর ‘অনাহার, উপবাস’- এ শব্দদ্বয়ের একটিও আরবি সিয়াম (ﺼﻴﺎﻢ) পরিভাষাটির বঙ্গানুবাদ নয় বরং রূপক পরিভাষা। এ জন্য এটি আরবি-বাংলা অভিধান হতে পারে না বরং এটি আরবি-ফার্সি অভিধান বলা-ই যুক্তিযুক্ত।
২. আল-কাওসার (আধুনিক আরবি-বাংলা অভিধান)- এর মধ্যে
“ﺼﻮﻡ (সাওমুন) রোজা, রমজান মাস” আমরা যে দু’টি ভাষান্তর বা অনুবাদ দেখতে
পাই তার মধ্যে সর্ব প্রথম “রোজা” পরিভাষাটি আদৌ বাংলা শব্দ নয়। কারণ রোজা
(ﺮﻮﺯﻩ) পরিভাষাটি ফার্সি। এটি কখনই আরবি সাওম (ﺼﻮﻡ) পরিভাষাটির বঙ্গানুবাদ
হতে পারে না। অতঃপর “রমজান মাস” এ শব্দটিও আরবি সাওম (ﺼﻮﻡ) পরিভাষাটির
বঙ্গানুবাদ নয় বিধায় এটি আরবি-বাংলা অভিধান হতে পারে না বরং এটি
আরবি-ফার্সি অভিধান বলা-ই যুক্তিযুক্ত।
৩. আল কুরআনের বাংলা অভিধান এর মধ্যে ‘ﺼﻴﺎﻢ সিয়াম
(বহুবচন) রোজা, সিয়াম’ আমরা যে দু’টি অনুবাদ বা ভাষান্তর দেখতে পাই তার
মধ্যে একটিও বাংলা অনুবাদ নয়। প্রথম ‘রোজা’ পরিভাষাটি আদৌ বাংলা শব্দ নয়।
কারণ রোজা (ﺮﻮﺯﻩ) পরিভাষাটি ফার্সি। দ্বিতীয় শব্দটি হলো- ‘সিয়াম’। আরবি
সিয়াম পরিভাষাটির বঙ্গানুবাদ আরবি সিয়াম হতে পারে না। এ জন্য এটি আলকুরানের
বাংলা অভিধান হতে পারে না বরং আরবি-ফার্সি অভিধান বলা-ই যুক্তিযুক্ত।
৪. উর্দু-বাংলা অভিধান (ফ’রহঙ্গ-ই-রব্বানি) এর মধ্যে
“ﺼﻮﻢ (সওম) আঃ নাঃ পুংঃ; রোজা, উপবাস” আমরা যে দু’টি ভাষান্তর বা অনুবাদ
দেখতে পাই তার মধ্যে সর্ব প্রথম “রোজা” পরিভাষাটি আদৌ বাংলা শব্দ নয়। কারণ
রোজা (ﺮﻮﺯﻩ) পরিভাষাটি ফার্সি। এটি কখনই আরবি সিয়াম (ﺼﻴﺎﻢ) পরিভাষাটির
বঙ্গানুবাদ হতে পারে না। অতঃপর “উপবাস” এ বাংলা শব্দটিও আরবি সিয়াম
পরিভাষাটির বঙ্গানুবাদ নয় বরং রূপকপরিভাষা বিধায় এটি উর্দু-বাংলা অভিধান
হতে পারে না বরং এটি আরবি-ফার্সি অভিধান বলা-ই যুক্তিযুক্ত।
৫. আরবি ফার্সি তুর্কি হিন্দি উর্দু শব্দের অভিধান
(বাংলা একাডেমি) এর মধ্যে “সিয়াম বি রোজা, উপবাসব্রত [সিয়াম. ﺼﻴﺎﻢ আ.]”
আমরা যে দু’টি ভাষান্তর বা অনুবাদ দেখতে পাই তার মধ্যে সর্ব প্রথম “রোজা”
পরিভাষাটি আদৌ বাংলা শব্দ নয়। কারণ রোজা (ﺮﻮﺯﻩ) পরিভাষাটি ফার্সি। এটি কখনই
আরবি সিয়াম (ﺼﻴﺎﻢ) পরিভাষাটির বঙ্গানুবাদ হতে পারে না। অতঃপর “উপবাসব্রত” এ
বাংলা শব্দটিও আরবি সিয়াম পরিভাষাটির বঙ্গানুবাদ নয় বরং রূপকপরিভাষা বিধায়
এটি আরবি-বাংলা ও ফার্সি-বাংলা ইত্যাদি অভিধান হতে পারে না বরং এটি
আরবি-ফার্সি অভিধান বলা-ই যুক্তিযুক্ত।
৬. ব্যবহারিক বাংলা অভিধান (বাংলা একাডেমি) এর মধ্যে “সিয়াম [শিয়াম] বি রোজা, উপবাসব্রত {আ.সিয়াম.ﺼﻴﺎﻢ.
একব.সয়ম.ﺼﻮﻢ}” আমরা যে দু’টি ভাষান্তর বা অনুবাদ দেখতে পাই তার মধ্যে সর্ব
প্রথম “রোজা” পরিভাষাটি আদৌ বাংলা শব্দ নয়। কারণ রোজা (ﺮﻮﺯﻩ) পরিভাষাটি
ফার্সি। এটি কখনই আরবি সিয়াম (ﺼﻴﺎﻢ) পরিভাষাটির বঙ্গানুবাদ হতে পারে না।
অতঃপর “উপবাসব্রত” এ বাংলা শব্দটিও আরবি সিয়াম (ﺼﻴﺎﻢ) পরিভাষাটির
বঙ্গানুবাদ নয় বরং রূপকপরিভাষা বিধায় এটি ব্যবহারিক বাংলা অভিধান বলা যেতে
পারে না বরং এটি আরবি-ফার্সি অভিধান বলা-ই যুক্তিযুক্ত।
বিভিন্ন অভিধান হতে প্রাপ্ত পরিভাষাদি
“রোজা, অনাহার, উপবাস, উপবাসব্রত, সিয়াম”
পরিশেষে বলা যায় বিভিন্ন অভিধান হতে প্রাপ্ত পরিভাষাদির মধ্যে একটিও আলোচ্য আরবি সিয়াম (ﺼﻴﺎﻢ) পরিভাষাটির প্রকৃত বঙ্গানুবাদ বা যথার্থ বাংলা অনুবাদ নয়।
“রোজা, অনাহার, উপবাস, উপবাসব্রত, সিয়াম”
পরিশেষে বলা যায় বিভিন্ন অভিধান হতে প্রাপ্ত পরিভাষাদির মধ্যে একটিও আলোচ্য আরবি সিয়াম (ﺼﻴﺎﻢ) পরিভাষাটির প্রকৃত বঙ্গানুবাদ বা যথার্থ বাংলা অনুবাদ নয়।
সমাধান (solution)
সিয়াম [ﺼﻴﺎﻢ] (রূপ)বি ছুটি, বিরতি, নিষ্কৃতি, নিস্তার, অবসর, অবকাশ, অব্যাহতি, কর্মবিরতি, ছাড়, রহিত, কর্ম হতে অব্যাহতি গ্রহণ (বাসং)বি উপবাস, উপোস, উপোসন, অনাহার, অনশন (প্র) ১.পুরাণী মনীষীদের রূপকবর্ণনা মতে এক সন্ধ্যাকাল হতে অন্য সন্ধ্যাকালের পর, যে দেবতার নিমিত্ত উপোসব্রত পালন করা হয় সে দেবতার পূজা শেষ হওয়ার পর পর্যন্ত, উপোসব্রত পালন ২.কুরানী মনীষীদের রূপকবর্ণনা মতে প্রভাত হতে সন্ধ্যা বা উষা হতে অর্যমা পর্যন্ত উপোসব্রত পালন ৩.কুরানী পারম্পরিকদের ৪০ মূলকের একটি মূলকসদস্য বিশেষ (আবি) পুরো পবিত্রতার ২৭ দিন শুক্রপাতহীন গমনাগমন (পরি) রজস্বালা রমণিদের জোয়ার চলাকালীন তিনদিন বা সাড়েতিনদিন সময় কাম হতে সম্পূর্ণ বিরত থাকা (ব্য্য) বাংভারতীয় সাধু ও সন্ন্যাসীগণের মতে বসিধ প্রতীতির স্থায়ীত্বকাল মানবদেহে সাড়েতিনদিন। ফলে বছরে তাঁর স্থায়ীত্বকাল (১২ গুণ সাড়েতিন) = ৪২ দিন। এ বিয়াল্লিশ (৪২) দিন মৈথুন বিরতি হতেই পানাহার বিরতিরূপ উপোসের শাস্ত্রীয়সংস্কার করা হয়েছে। কিন্তু পারস্য দরবেশগণের মতে তাদের ‘বসিধ’ এর স্থায়িত্বকাল মানবদেহে মাত্র তিনদিন। ফলে বছরে তার স্থায়ীত্বকাল (১২ গুণ ৩) = ৩৬ দিন। এ ছত্রিশ (৩৬) দিন মৈথুনবিরতী হতেই পানাহার বিরতিরূপ উপোসের শাস্ত্রীয়সংস্কার করা হয়েছে। উল্লেখ্য কুরানী রূপকারগণ ত্রিশ (৩০)টি উপোস বা বিরতিকে একমাসে যুক্ত করে অবশিষ্ট ছয় (৬)টি বিরতিকে অন্য মাসে পূরণের ব্যবস্থা করেছেন। প্রকৃতিগতভাবে বিরতি বা ছুটি ছত্রিশ (৩৬)টি বা বিয়াল্লিশ (৪২)টি যাই হোক না কেন এটিই হলো সামাজিক বিরতি বা উপোস Mythology (মিথোলজি) এর প্রকৃত আত্মদর্শন Theology (থিওলোজি)। উপোসব্রত পালনের নিয়মাবলী শাস্ত্রীয় সংস্কার মাত্র। আবারও বলতে হয় বিশ্বের বিভিন্ন মতবাদীগণ প্রতি মাসের উপোসব্রতকে প্রতি মাসেই রেখে দিয়েছেন কিন্তু পারস্যের কুরানী রূপকারগণ ত্রিশ (৩০)টি উপোসকে একমাসে এবং অবশিষ্ট ছয় (৬)টিকে অন্য মাসে পালনের শাস্ত্রীয় বিধান সংস্কার করেছেন (বাপ)বি উপোস (দেত)বি শুক্রধারিতা {আ}
————————————————————————–
আন্তর্জাতিক অবকাশ কী? (What international vacation?)
কুরান নামক পবিত্র গ্রন্থে আন্তর্জাতিক অবকাশ বা বিরতিটির কথা পুনঃপুন বলা হয়েছে। আবার এও বলা হয়েছে যে, এ অবকাশটি পূর্ববর্তী সবার ওপর বিদ্যমান ছিল। এ হতেই বুঝা যায় মানবের সৃষ্টিলগ্ন হতে এ ছুটিটি ছিল, এখনো আছে এবং চিরকাল থাকবে। নিচে কয়েকটি উদ্ধৃতি তুলে ধরা হলো।
সিয়াম [ﺼﻴﺎﻢ] (রূপ)বি ছুটি, বিরতি, নিষ্কৃতি, নিস্তার, অবসর, অবকাশ, অব্যাহতি, কর্মবিরতি, ছাড়, রহিত, কর্ম হতে অব্যাহতি গ্রহণ (বাসং)বি উপবাস, উপোস, উপোসন, অনাহার, অনশন (প্র) ১.পুরাণী মনীষীদের রূপকবর্ণনা মতে এক সন্ধ্যাকাল হতে অন্য সন্ধ্যাকালের পর, যে দেবতার নিমিত্ত উপোসব্রত পালন করা হয় সে দেবতার পূজা শেষ হওয়ার পর পর্যন্ত, উপোসব্রত পালন ২.কুরানী মনীষীদের রূপকবর্ণনা মতে প্রভাত হতে সন্ধ্যা বা উষা হতে অর্যমা পর্যন্ত উপোসব্রত পালন ৩.কুরানী পারম্পরিকদের ৪০ মূলকের একটি মূলকসদস্য বিশেষ (আবি) পুরো পবিত্রতার ২৭ দিন শুক্রপাতহীন গমনাগমন (পরি) রজস্বালা রমণিদের জোয়ার চলাকালীন তিনদিন বা সাড়েতিনদিন সময় কাম হতে সম্পূর্ণ বিরত থাকা (ব্য্য) বাংভারতীয় সাধু ও সন্ন্যাসীগণের মতে বসিধ প্রতীতির স্থায়ীত্বকাল মানবদেহে সাড়েতিনদিন। ফলে বছরে তাঁর স্থায়ীত্বকাল (১২ গুণ সাড়েতিন) = ৪২ দিন। এ বিয়াল্লিশ (৪২) দিন মৈথুন বিরতি হতেই পানাহার বিরতিরূপ উপোসের শাস্ত্রীয়সংস্কার করা হয়েছে। কিন্তু পারস্য দরবেশগণের মতে তাদের ‘বসিধ’ এর স্থায়িত্বকাল মানবদেহে মাত্র তিনদিন। ফলে বছরে তার স্থায়ীত্বকাল (১২ গুণ ৩) = ৩৬ দিন। এ ছত্রিশ (৩৬) দিন মৈথুনবিরতী হতেই পানাহার বিরতিরূপ উপোসের শাস্ত্রীয়সংস্কার করা হয়েছে। উল্লেখ্য কুরানী রূপকারগণ ত্রিশ (৩০)টি উপোস বা বিরতিকে একমাসে যুক্ত করে অবশিষ্ট ছয় (৬)টি বিরতিকে অন্য মাসে পূরণের ব্যবস্থা করেছেন। প্রকৃতিগতভাবে বিরতি বা ছুটি ছত্রিশ (৩৬)টি বা বিয়াল্লিশ (৪২)টি যাই হোক না কেন এটিই হলো সামাজিক বিরতি বা উপোস Mythology (মিথোলজি) এর প্রকৃত আত্মদর্শন Theology (থিওলোজি)। উপোসব্রত পালনের নিয়মাবলী শাস্ত্রীয় সংস্কার মাত্র। আবারও বলতে হয় বিশ্বের বিভিন্ন মতবাদীগণ প্রতি মাসের উপোসব্রতকে প্রতি মাসেই রেখে দিয়েছেন কিন্তু পারস্যের কুরানী রূপকারগণ ত্রিশ (৩০)টি উপোসকে একমাসে এবং অবশিষ্ট ছয় (৬)টিকে অন্য মাসে পালনের শাস্ত্রীয় বিধান সংস্কার করেছেন (বাপ)বি উপোস (দেত)বি শুক্রধারিতা {আ}
————————————————————————–
আন্তর্জাতিক অবকাশ কী? (What international vacation?)
কুরান নামক পবিত্র গ্রন্থে আন্তর্জাতিক অবকাশ বা বিরতিটির কথা পুনঃপুন বলা হয়েছে। আবার এও বলা হয়েছে যে, এ অবকাশটি পূর্ববর্তী সবার ওপর বিদ্যমান ছিল। এ হতেই বুঝা যায় মানবের সৃষ্টিলগ্ন হতে এ ছুটিটি ছিল, এখনো আছে এবং চিরকাল থাকবে। নিচে কয়েকটি উদ্ধৃতি তুলে ধরা হলো।
১. “ وَيَسْأَلُونَكَ عَنْ الْمَحِيضِ قُلْ هُوَ أَذًى فَاعْتَزِلُوا
النِّسَاءَ فِي الْمَحِيضِ وَلَا تَقْرَبُوهُنَّ حَتَّى يَطْهُرْنَ فَإِذَا
تَطَهَّرْنَ فَأْتُوهُنَّ مِنْ حَيْثُ أَمَرَكُمْ اللَّهُ إِنَّ اللَّهَ
يُحِبُّ التَّوَّابِينَ وَيُحِبُّ الْمُتَطَهِّرِينَ”
অর্থ- “আপনার নিকট তারা নারীদের রজ সম্পর্কে জানতে চায়, আপনি বলে দিন এটা অত্যন্ত কষ্টকর। রজকালে তোমরা নারীসঙ্গ হতে বিরত থাকো, তারা পবিত্র হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত তাদের নিকট গমন করো না, যখন তারা উত্তমরূপে পরিশুদ্ধ বা পবিত্র হয় তখন কাঁই তোমাদের যেভাবে গমন করার আদেশ দিয়েছেন ঠিক সেভাবে গমন করো। নিশ্চয় কাঁই প্রত্যাবর্তনকারী ও পবিত্রতা অর্জনকারিকে ভালোবাসেন” (কুরান, সুরা- বাক্বারা-২২২)।
অর্থ- “আপনার নিকট তারা নারীদের রজ সম্পর্কে জানতে চায়, আপনি বলে দিন এটা অত্যন্ত কষ্টকর। রজকালে তোমরা নারীসঙ্গ হতে বিরত থাকো, তারা পবিত্র হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত তাদের নিকট গমন করো না, যখন তারা উত্তমরূপে পরিশুদ্ধ বা পবিত্র হয় তখন কাঁই তোমাদের যেভাবে গমন করার আদেশ দিয়েছেন ঠিক সেভাবে গমন করো। নিশ্চয় কাঁই প্রত্যাবর্তনকারী ও পবিত্রতা অর্জনকারিকে ভালোবাসেন” (কুরান, সুরা- বাক্বারা-২২২)।
ওপরোক্ত অনুচ্ছেদটি ছিল নারীদের রজ সম্পর্কে পবিত্র গ্রন্থের উম্মুক্ত
আলোচনা। কিন্তু আত্মতত্ত্বের লজ্জাস্কর সদস্যদের উম্মুক্ত আলোচনা করাও
লজ্জাস্কর বিধায় পবিত্র গ্রন্থের রজ সম্পর্কিত রূপকআলোচনার বিশেষ বিশেষ
উদ্ধৃতাদি তুলে ধরা হলো।
২. “يَاأَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا كُتِبَ عَلَيْكُمْ الصِّيَامُ كَمَا
كُتِبَ عَلَى الَّذِينَ مِنْ قَبْلِكُمْ لَعَلَّكُمْ تَتَّقُونَ”
অর্থ- “হে বিশ্বাসিগণ তোমাদের ওপরও ছুটি বা বিরতি ঘোষিত হলো- যেরূপ ছুটি ঘোষিত হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তিদের ওপর, যাতে তোমরা সাধু হতে পারো” (কুরান, সুরা- বাক্বারা-১৮৩)।
অর্থ- “হে বিশ্বাসিগণ তোমাদের ওপরও ছুটি বা বিরতি ঘোষিত হলো- যেরূপ ছুটি ঘোষিত হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তিদের ওপর, যাতে তোমরা সাধু হতে পারো” (কুরান, সুরা- বাক্বারা-১৮৩)।
৩. “أَيَّامًا مَعْدُودَاتٍ فَمَنْ كَانَ مِنْكُمْ مَرِيضًا أَوْ عَلَى
سَفَرٍ فَعِدَّةٌ مِنْ أَيَّامٍ أُخَرَ وَعَلَى الَّذِينَ يُطِيقُونَهُ
فِدْيَةٌ طَعَامُ مِسْكِينٍ فَمَنْ تَطَوَّعَ خَيْرًا فَهُوَ خَيْرٌ لَهُ
وَأَنْ تَصُومُوا خَيْرٌ لَكُمْ إِنْ كُنتُمْ تَعْلَمُونَ”
অর্থ- “গণনার কয়েকটি দিবস মাত্র, তবে তোমাদের মধ্যে কেউ যদি অসুস্থ থাকে বা পর্যটনে থাকে তবে পরবর্তিকালে সে দিবসাদি অবশ্যই গণনা (মান্য) করতে হবে। যারা সে শক্তি রাখে তারা যেনো নিঃস্বদের খাদ্য দান করে, যে হৃষ্টচিত্তে কর্ম করে তার জন্য মঙ্গল, যদি ছুটি কাটাও তবে উত্তম, যদি তোমরা তা বুঝতে পারো” (কুরান, সুরা- বাক্বারা-১৮৪)।
অর্থ- “গণনার কয়েকটি দিবস মাত্র, তবে তোমাদের মধ্যে কেউ যদি অসুস্থ থাকে বা পর্যটনে থাকে তবে পরবর্তিকালে সে দিবসাদি অবশ্যই গণনা (মান্য) করতে হবে। যারা সে শক্তি রাখে তারা যেনো নিঃস্বদের খাদ্য দান করে, যে হৃষ্টচিত্তে কর্ম করে তার জন্য মঙ্গল, যদি ছুটি কাটাও তবে উত্তম, যদি তোমরা তা বুঝতে পারো” (কুরান, সুরা- বাক্বারা-১৮৪)।
৪. “شَهْرُ رَمَضَانَ الَّذِي أُنزِلَ فِيهِ الْقُرْآنُ هُدًى لِلنَّاسِ
وَبَيِّنَاتٍ مِنْ الْهُدَى وَالْفُرْقَانِ فَمَنْ شَهِدَ مِنْكُمْ
الشَّهْرَ فَلْيَصُمْهُ وَمَنْ كَانَ مَرِيضًا أَوْ عَلَى سَفَرٍ فَعِدَّةٌ
مِنْ أَيَّامٍ أُخَرَ يُرِيدُ اللَّهُ بِكُمْ الْيُسْرَ وَلَا يُرِيدُ
بِكُمْ الْعُسْرَ وَلِتُكْمِلُوا الْعِدَّةَ وَلِتُكَبِّرُوا اللَّهَ عَلَى
مَا هَدَاكُمْ وَلَعَلَّكُمْ تَشْكُرُونَ”
অর্থ- “প্রসিদ্ধ উষ্ণভূমি- যেই ভূমিতে প্রেরিত হয় উপাদেয় পানীয়, যা মানবের পথপ্রদর্শক এবং সত্য পথযাত্রীদের জন্য পথনির্দেশক ও পার্থক্যকারী। অতঃপর তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি পরিনির্বাণলাভ করবেন, তিনি বিরত থাকবেন। তবে তোমাদের মধ্যে কেউ যদি অসুস্থ থাকে বা পর্যটনে থাকেন তবে তিনি পরবর্তিকালে সে দিবসাদি অবশ্যই গণনা (মান্য) করবেন। কাঁই ইচ্ছে করেন যা তোমাদের জন্য সহজ হয়, তিনি তোমাদের কাঠিন্যতা কামনা করেন না, যাতে তোমরা গণনাদি পূরণ করো এবং তোমাদেরকে সৎপথ প্রদর্শন করেছেন সে জন্য তোমরা কাঁইয়ের মহত্ত্ব বর্ণনা করো, সম্ভবত তোমরা প্রশংসাকারী হবে” (কুরান, সুরা বাক্বারা-১৮৫)।
অর্থ- “প্রসিদ্ধ উষ্ণভূমি- যেই ভূমিতে প্রেরিত হয় উপাদেয় পানীয়, যা মানবের পথপ্রদর্শক এবং সত্য পথযাত্রীদের জন্য পথনির্দেশক ও পার্থক্যকারী। অতঃপর তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি পরিনির্বাণলাভ করবেন, তিনি বিরত থাকবেন। তবে তোমাদের মধ্যে কেউ যদি অসুস্থ থাকে বা পর্যটনে থাকেন তবে তিনি পরবর্তিকালে সে দিবসাদি অবশ্যই গণনা (মান্য) করবেন। কাঁই ইচ্ছে করেন যা তোমাদের জন্য সহজ হয়, তিনি তোমাদের কাঠিন্যতা কামনা করেন না, যাতে তোমরা গণনাদি পূরণ করো এবং তোমাদেরকে সৎপথ প্রদর্শন করেছেন সে জন্য তোমরা কাঁইয়ের মহত্ত্ব বর্ণনা করো, সম্ভবত তোমরা প্রশংসাকারী হবে” (কুরান, সুরা বাক্বারা-১৮৫)।
৫. “أُحِلَّ لَكُمْ لَيْلَةَ الصِّيَامِ الرَّفَثُ إِلَى نِسَائِكُمْ
هُنَّ لِبَاسٌ لَكُمْ وَأَنْتُمْ لِبَاسٌ لَهُنَّ عَلِمَ اللَّهُ أَنَّكُمْ
كُنتُمْ تَخْتَانُونَ أَنفُسَكُمْ فَتَابَ عَلَيْكُمْ وَعَفَا عَنْكُمْ
فَالآنَ بَاشِرُوهُنَّ وَابْتَغُوا مَا كَتَبَ اللَّهُ لَكُمْ وَكُلُوا
وَاشْرَبُوا حَتَّى يَتَبَيَّنَ لَكُمْ الْخَيْطُ الْأَبْيَضُ مِنْ
الْخَيْطِ الْأَسْوَدِ مِنْ الْفَجْرِ ثُمَّ أَتِمُّوا الصِّيَامَ إِلَى
اللَّيْلِ وَلَا تُبَاشِرُوهُنَّ وَأَنْتُمْ عَاكِفُونَ فِي الْمَسَاجِدِ
تِلْكَ حُدُودُ اللَّهِ فَلَا تَقْرَبُوهَا كَذَلِكَ يُبَيِّنُ اللَّهُ
آيَاتِهِ لِلنَّاسِ لَعَلَّهُمْ يَتَّقُونَ”
অর্থ- “রজকালে সঙ্গম নিষিদ্ধ হলো নারীদের মতামতের ভিত্তির ওপর, তারা তোমাদের পরিচ্ছদ এবং তোমরা তাদের পরিচ্ছদ। কাঁই অবগত আছেন যে, তোমরা আত্মাপচয় করেছিলে! তিনি আবার তোমাদের প্রতি প্রত্যাবর্তন করেছেন এবং তোমাদেরকে ক্ষমা করেছেন। তোমরা তাদের জন্য অটল হও এবং তোমাদেরকে যা কিছু দিয়েছেন তা অন্বেষণ করো ও পানাহার করতে থাকো, যে পর্যন্ত উষার শুভ্রসূত্র হতে কৃষ্ণসূত্র দৃষ্ট না হয়। অতঃপর অর্যমা পর্যন্ত বিরতি পরিপূর্ণ করো। তাদের সঙ্গ করো না ও তাদের প্রতি আসক্ত হয়ে পড়ো না, যখন তোমরা মন্দিরে গমন করো, এটাই হলো কাঁইয়ের বিধান। অতএব তার নিকটবর্তী হয়ো না, এরূপভাবে কাঁই নিজের নিদর্শনাদি মানুষের জন্য ব্যক্ত করে থাকেন, যাতে তারা সাধু হয়” (কুরান, সুরা- বাক্বারা-১৮৭)।
অর্থ- “রজকালে সঙ্গম নিষিদ্ধ হলো নারীদের মতামতের ভিত্তির ওপর, তারা তোমাদের পরিচ্ছদ এবং তোমরা তাদের পরিচ্ছদ। কাঁই অবগত আছেন যে, তোমরা আত্মাপচয় করেছিলে! তিনি আবার তোমাদের প্রতি প্রত্যাবর্তন করেছেন এবং তোমাদেরকে ক্ষমা করেছেন। তোমরা তাদের জন্য অটল হও এবং তোমাদেরকে যা কিছু দিয়েছেন তা অন্বেষণ করো ও পানাহার করতে থাকো, যে পর্যন্ত উষার শুভ্রসূত্র হতে কৃষ্ণসূত্র দৃষ্ট না হয়। অতঃপর অর্যমা পর্যন্ত বিরতি পরিপূর্ণ করো। তাদের সঙ্গ করো না ও তাদের প্রতি আসক্ত হয়ে পড়ো না, যখন তোমরা মন্দিরে গমন করো, এটাই হলো কাঁইয়ের বিধান। অতএব তার নিকটবর্তী হয়ো না, এরূপভাবে কাঁই নিজের নিদর্শনাদি মানুষের জন্য ব্যক্ত করে থাকেন, যাতে তারা সাধু হয়” (কুরান, সুরা- বাক্বারা-১৮৭)।
৬. “وَأَتِمُّوا الْحَجَّ وَالْعُمْرَةَ لِلَّهِ فَإِنْ أُحْصِرْتُمْ
فَمَا اسْتَيْسَرَ مِنْ الْهَدْيِ وَلَا تَحْلِقُوا رُءُوسَكُمْ حَتَّى
يَبْلُغَ الْهَدْيُ مَحِلَّهُ فَمَنْ كَانَ مِنْكُمْ مَرِيضًا أَوْ بِهِ
أَذًى مِنْ رَأْسِهِ فَفِدْيَةٌ مِنْ صِيَامٍ أَوْ صَدَقَةٍ أَوْ نُسُكٍ
فَإِذَا أَمِنتُمْ فَمَنْ تَمَتَّعَ بِالْعُمْرَةِ إِلَى الْحَجِّ فَمَا
اسْتَيْسَرَ مِنْ الْهَدْيِ فَمَنْ لَمْ يَجِدْ فَصِيَامُ ثَلَاثَةِ
أَيَّامٍ فِي الْحَجِّ وَسَبْعَةٍ إِذَا رَجَعْتُمْ تِلْكَ عَشَرَةٌ
كَامِلَةٌ ذَلِكَ لِمَنْ لَمْ يَكُنْ أَهْلُهُ حَاضِرِي الْمَسْجِدِ
الْحَرَامِ وَاتَّقُوا اللَّهَ وَاعْلَمُوا أَنَّ اللَّهَ شَدِيدُ
الْعِقَابِ”
অর্থ- “তোমরা কাঁইয়ের জন্য পর্যটন ও পারমিতা অর্জন করো, যদি টল বা অপারগ হও তবে উপঢৌকনাদি প্রেরণ করো, উপহার সামগ্রি যথাস্থানে না পৌঁছা পর্যন্ত মাথামু-ন করো না, যারা দুর্বল হয়ে পড়ে বা কষ্টে পতিত হয় বা দুশ্চিন্তাগ্রস্ত থাকে তারা বিরত থাকবে ও পণ প্রদান করবে, দান করবে এবং পুনঃসাধন করবে। আর তোমাদের মধ্যে যারা এরূপ করতে চাও যে, পর্যটন দ্বারা পারমিতা অর্জন করবে, তবে যথাযথ উপহার প্রদান করো। অতঃপর কেউ যদি না পায় তবে পারমিতাসহ জন্য তিনদিন বিরত থাকবে এবং প্রত্যাবর্তনকালে সাতদিন। এরূপ দশদিনেই পূর্ণতা। এ বিধানটি হলো তাদের জন্য যাদের পরিজন পবিত্র মন্দিরের নিকটে অবস্থান করে না। তোমরা কাঁইকে ভয় করো, জেনে রেখো কাঁইয়ের শাস্তি বড়ই কঠিন” (কুরান, সুরা- বাক্বারা-১৯৬)।
অর্থ- “তোমরা কাঁইয়ের জন্য পর্যটন ও পারমিতা অর্জন করো, যদি টল বা অপারগ হও তবে উপঢৌকনাদি প্রেরণ করো, উপহার সামগ্রি যথাস্থানে না পৌঁছা পর্যন্ত মাথামু-ন করো না, যারা দুর্বল হয়ে পড়ে বা কষ্টে পতিত হয় বা দুশ্চিন্তাগ্রস্ত থাকে তারা বিরত থাকবে ও পণ প্রদান করবে, দান করবে এবং পুনঃসাধন করবে। আর তোমাদের মধ্যে যারা এরূপ করতে চাও যে, পর্যটন দ্বারা পারমিতা অর্জন করবে, তবে যথাযথ উপহার প্রদান করো। অতঃপর কেউ যদি না পায় তবে পারমিতাসহ জন্য তিনদিন বিরত থাকবে এবং প্রত্যাবর্তনকালে সাতদিন। এরূপ দশদিনেই পূর্ণতা। এ বিধানটি হলো তাদের জন্য যাদের পরিজন পবিত্র মন্দিরের নিকটে অবস্থান করে না। তোমরা কাঁইকে ভয় করো, জেনে রেখো কাঁইয়ের শাস্তি বড়ই কঠিন” (কুরান, সুরা- বাক্বারা-১৯৬)।
এরূপভাবে বিশ্বের সব মহাগ্রন্থে ঘুরিয়ে ফিরিয়ে রূপকার্থে পুনঃপুন যে
আন্তর্জাতিক ছুটি বা বিরতির কথা বলা হয়েছে তা হলো রজস্বলা রমণিদের রজকাল।
কারণ সারামাস ধরে কামব্রতসম্পন্ন করলেও রজকালের সাড়েতিনদিন সময় কামব্রত
চিরনিষিদ্ধ। কারণ রজকালে রমণিদের জননপথ থাকে অত্যন্ত কোমল বিধায় এ সময়ে
কামব্রতে রতো হলে নর-নারী উভয়ের জননাঙ্গের ব্যাপক ক্ষতি হওয়ার অধিক
সম্ভাবনা থাকে। উল্লেখ্য সুস্থ দেহে প্রকৃতিগত রজকাল তিনদিন। এ তিনদিনই হলো
কামব্রত বা কামসাধনের আন্তর্জাতিক অবকাশ। বিষয়টি লজ্জাস্কর হওয়ার কারণে
সরাসরি বলা যায় না। এ জন্য মহাগ্রন্থাদির মধ্যে রূপকার্থে ঘুরিয়েফিরিয়ে বলা
হয়।
————————————————————————————
আন্তর্জাতিক অবকাশ বা প্রাকৃতিক অবকাশ কী
(What is international vacation or natural vacation?)
আন্তর্জাতিক অবকাশ বা প্রাকৃতিক অবকাশ কী? বিষয়টি নিয়ে বিশিষ্ট মরমী মনীষীগণের কয়েকটি উদ্ধৃতি নিচে উপস্থাপন করা হলো।
————————————————————————————
আন্তর্জাতিক অবকাশ বা প্রাকৃতিক অবকাশ কী
(What is international vacation or natural vacation?)
আন্তর্জাতিক অবকাশ বা প্রাকৃতিক অবকাশ কী? বিষয়টি নিয়ে বিশিষ্ট মরমী মনীষীগণের কয়েকটি উদ্ধৃতি নিচে উপস্থাপন করা হলো।
“ত্রিধারা বয়রে নদী ত্রিধারা বয়,
কোন্ ধারাতে কী ধন প্রাপ্তি হয়।
কোন্ ধারাতে কী ধন প্রাপ্তি হয়।
ত্রিধারায় যোগানন্দ,
কার সঙ্গে কী সম্বন্ধ,
শুনলে ঘুচে মনের ধন্ধ,
প্রেমানন্দ বাড়ে সদায়,
শক্তিতত্ত্ব পরমতত্ত্ব
সত্য সত্য যাহার হৃদয়।
কার সঙ্গে কী সম্বন্ধ,
শুনলে ঘুচে মনের ধন্ধ,
প্রেমানন্দ বাড়ে সদায়,
শক্তিতত্ত্ব পরমতত্ত্ব
সত্য সত্য যাহার হৃদয়।
কারুণ্য তারুণ্য এসে,
লাবণ্যেতে কখন মিশে,
যার আছে এসব দিশে,
সচেতন বলা যায়,
আমার মতিমন্দ,
সে পথে ডুবে না মনোরায়।
লাবণ্যেতে কখন মিশে,
যার আছে এসব দিশে,
সচেতন বলা যায়,
আমার মতিমন্দ,
সে পথে ডুবে না মনোরায়।
কখন হয় শুকনানদী,
কখন হয় বর্ষাপাতি,
কোন্খানে তার কুলের স্থিতি,
সাধকে করে নির্ণয়,
অভাগা লালন না বুঝে,
ডুবে কিনারায়” (পবিত্র লালন- ৫০৩)।
কখন হয় বর্ষাপাতি,
কোন্খানে তার কুলের স্থিতি,
সাধকে করে নির্ণয়,
অভাগা লালন না বুঝে,
ডুবে কিনারায়” (পবিত্র লালন- ৫০৩)।
কারুণ্য বি বিনয়তা, দয়াদ্রতা, দয়াশীলতা, করুণাপরবশত।
কিনারা [ﻜﻨﺎﺮﻩ] (রূপ)বি কূল, পাড়, তীর, তট,
ধার, কান্ধা, কানছি, প্রান্ত, পার্শ্ব, সীমা, উপায়, প্রতিকার, উদ্ধার,
সন্ধান, সমাধান, মীমাংসা, নিষ্পত্তি, অন্ত, অনুসন্ধান দ্বারা সত্য প্রকাশ,
অনুসন্ধানের দ্বারা বাস্তব তথ্য উদঘাটন ক্রি মীমাংসা করা, নিষ্পত্তি করা (ব্য্য)
রূপকসাহিত্যে বৈকুণ্ঠকে গভীরতা এবং বৈতরণিকে পাড় বা ডাঙ্গা ধরা হয় অর্থাৎ
স্ত্রী জননপথের ভগ হতে ভৃগু পর্যন্ত সুদীর্ঘপথ রূপকসাহিত্যে পাড় বলা হয় (আবি)বি বৈতরণী, গয়া, গণ্ডকী, ফল্গু, বিরজা, মন্দাকিনী, যমুনা, সুরধুনী, সুরনদী, সুড়ঙ্গ (প্র) পুরাণোক্ত যমদূতের নদী, পুরাণোক্ত যমদ্বারের নদী, উড়িষ্যার একটি নদী বিশেষ (ভাঅ)বি জননপথ, ভেজাইনা (vagina), সাওয়া (আ.ﺴﻭﺀﺓ) (ব্য্য) জননপথ সরুপথ বলে তাকে সুড়ঙ্গ বলা হয় (আপ্র) বৈতরণী পরিবারের সদস্য বিশেষ, রূপক সাহিত্যের একটি দৈবিকা বা প্রতীতি, মর্ত্যধাম হতে স্বর্গধামে গমনের একমাত্র নদী (সংজ্ঞা) ভগ হতে ভৃগু পর্যন্ত প্রায় আট আঙ্গুলি দীর্ঘ স্ত্রী জননপথকে বৈতরণী বা পাড় বলে (উপ)বি নদী, খাল, নালা, ক্যানাল (canal) (বাপ)বি আঙ্গিনা, উঠান, ডাঙ্গা, দুয়ার (আপ)বি আরাফ (আ.ﻋﺭﻑ), বরজখ (আ.ﺒﺮﺯﺥ) (রূ)বি বিরজা (দেত)বি বৈতরণী {ফা}
তারুণ্য (রূপ)বি তরুণতা, তরুণত্ব, যৌবন, কৈশোর, নবযৌবন, কাঁচাযৌবন, অপরিপক্বতা, অনভিজ্ঞতা, তরুণ বয়স, তরুণ অবস্থা, প্রথম যৌবন (দেত)বি যৌবনকাল।
বর্ষাপাতি বি বর্ষাকাল, বর্ষাঋতু, প্রাবৃট, প্রাবৃষ, প্রাবৃট্, আষাঢ় ও শ্রাবণ মাস (দেত)বি রজকাল, ঋতুকাল, দেহবিশ্বের নয় প্রহরের এক প্রহর (পরি)
আর্তবাদের আর্তব চলাকালীন সাড়েতিনদিন সময়, রজস্বলাদের জোয়ার চলাকালীন সময়,
আর্তবাদের প্রতি মাসে জরায়ু হতে যে সময় থেকে স্রাব আরম্ভ হয়ে যে সময়
পর্যন্ত চলতে থাকে, the period of menstrual discharge, মুদ্দাতুল হায়েজ
(ﻤﺪﺓﺍﻟﺤﻴﺾ) (ব্যাপ)বি ১.ক্ষণদা, নিশি, নিশা, বিভাবরী, যামিনী,
রজনী, রাত, রাত্রি, শর্বরী ২.অন্ধকার, অপবিত্রতা, অমা, অমাবস্যা, অনানিশা,
অমানিশি, অমারজনী, অসুস্থতা, আঁধার, ধ্বান্ত, ক্ষপা, তমসা, তিনদিন, তিমির,
তেরাত্রি, তেরাত্তির, ত্রিরাত্র, শনিবার, সিনানী (রূ)বি অমাবস্যা, রাত।
লাবণ্য বি শোভা, কান্তি, শ্রী, চাকচিক্য, সৌন্দর্য, লাবণি।
শুকনানদী (রূপ)বিণ শুষ্কনদী, মরানদী, জোয়ার ভাটহীন নদী (ভাঅ)বি
১.খুষ্ক, মলিন, বিষণ্ন, অসার, ফাঁকা, নিরস, রসহীন, জলহীন, মাধুর্যহীন,
লাবণ্যহীন ২.আচোট, অনাবাদী, অনাহত, ত্যক্ত, পতিত, মরুদ্যান, মৃতগর্ভা,
যোগনিন্দ্রা, শূন্যভূমি (পরি) বুড়ী, প্রবীণা, বন্ধ্যা, বয়োজ্যেষ্ঠা, বয়স্কানারী, জোয়ারভাটা বন্ধ হয়ে গেছে এরূপ রমণী, যে স্ত্রীলোকের আর্তব শেষ হয়েছে, old, aged বি বৃদ্ধা নারী, ঋতুস্রাব বন্ধ হয়ে গেছে এরূপ (ব্য্য) মাসিক জোয়ার বন্ধ গতার্তবা রমণিদেরকে রূপকসাহিত্যে শুকনানদী বলা হয় (আদৈ)বি মুসিন্নাত (ﻤﺴﻧﺔ), বিয়াবান (ফা.ﺒﻴﺎﺒﺎﻦ), বিরানা (ফা.ﻮﻴﺮﺍﻦ), মিসকিন (আ.ﻤﺴﻜﻴﻦ), সাহারা (আ.ﺼﺤﺭﺍﺀ) (আবি)বিণস্ত্রী বৃদ্ধা, বুড়ী, প্রবীণা, বন্ধ্যা, যে স্ত্রীলোকের আর্তব শেষ হয়েছে, old (ওল্ড), aged (এজেড), আজুঝু (আ.ﻋﺠﻮﺯ), শাইখা (আ.ﺷﻴﺧﺔ) (আভা)বিণস্ত্রী অব্রহ্মা, মৃতগর্ভা, গতার্তবা, আচোট, মরুদ্যান, শূন্যভূমি (আপ)বি বিয়াবান (ফা.ﺒﻴﺎﺒﺎﻦ), বিরানা (ফা.ﻮﻴﺮﺍﻦ), মিসকিন (আ.ﻤﺴﻜﻴﻦ), সাহারা (আ.ﺼﺤﺭﺍﺀ) (ইপ)বি senility (সিনাইল্লিটি) (সংজ্ঞা) গতার্তবা রমণিগণকে বৃদ্ধা বা শুকনানদী বলে (আপ্র) বৃদ্ধা পরিবারের সদস্য বিশেষ, রূপকসাহিত্যের একটি পরিভাষা (উপ)বি মরুভূমি (রূ)বি আচোট (দেত)বিস্ত্রী বৃদ্ধা।
________________________________________
________________________________________
২. “নবুয়ত স্বরূপমণির সতর্কবাণী,
মাসেমাসে জীব তরাতে বর্ষিত সেই লালপানি।
মাসেমাসে জীব তরাতে বর্ষিত সেই লালপানি।
সাড়েতিনলক্ষ বছর চলে এক শাসন,
সে বিধান লঙ্ঘন করা রয়েছে কঠিন বারণ,
ভাঙ্গিওনা বিধির বিধান- ভাঙ্গিলে হয় পশুর সমান,
ডুবে যায় প্রেমতরণী।
সে বিধান লঙ্ঘন করা রয়েছে কঠিন বারণ,
ভাঙ্গিওনা বিধির বিধান- ভাঙ্গিলে হয় পশুর সমান,
ডুবে যায় প্রেমতরণী।
লালশালুর ধ্বজা গড়ে উড়াইয়া দেয় বাতাসে,
একটি প্রহর উড়ে ধ্বজা প্রতিটি মাসেমাসে,
নয় প্রহর-ই গোলকধামে- রক্তিমবর্ণ বৃষ্টি নামে,
ছোবল দেয় কামকামিনী।
একটি প্রহর উড়ে ধ্বজা প্রতিটি মাসেমাসে,
নয় প্রহর-ই গোলকধামে- রক্তিমবর্ণ বৃষ্টি নামে,
ছোবল দেয় কামকামিনী।
একলক্ষ চব্বিশ সহস্র নবির কথা বলে,
একজনকে জ্যান্ত রেখে সবাই তো গেছে চলে,
জ্যান্তনবি চিনে ধরো- মানবকর্ম সারাকরো,
বলন কয় ঠাঁই ত্রিবেণী।” (বলন তত্ত্বাবলী, বলন-১৫১)।
একজনকে জ্যান্ত রেখে সবাই তো গেছে চলে,
জ্যান্তনবি চিনে ধরো- মানবকর্ম সারাকরো,
বলন কয় ঠাঁই ত্রিবেণী।” (বলন তত্ত্বাবলী, বলন-১৫১)।
একপ্রহর (রূপ)বি একযাম, তিনঘণ্টা, দিনরাতের এক অষ্টমাংশ (আপ্র) আত্মদর্শনবিদ্যায় সাড়েতিনদিন, ৮৪ ঘণ্টা সময়, দেহবিশ্বের রজকাল ও পবিত্রতার একপর্বের নয়ভাগের একভাগ।
জিয়াননবি (রূপ)বি জীবিত বসিধ, জীবিত দূত (আবি)বি বসিধ, ভীষ্ম, সরস্বতী (পরি) রজস্বলাদের বিদ্যমান জোয়ার (ব্য্য) রজস্বলাদের বিদ্যমান জোয়ারকে জীবন্ত বসিধ বলা হয় (আপ)বি জিন্দানবি (ফা.জিন্দানবি. ﺠﻨﺪﻩﻨﺑﻰ) (আবি)বি রজ, আর্তব, স্রাব, ঋতুস্রাব, dust (ডাস্ট), menstrual (মিন্সট্রুয়াল), আদাত (আ.ﻋﺎﺪﺓ), কুরউ (আ.ﻘﺮﺃ), মাহিজ (আ.ﻤﺤﻴﺾ) (আঞ্চ)বি ঋতু, মাসিক (আভা)বি অবতার, জোয়ার, প্লাবন, বন্যা, রক্তবন্যা, লালজল, ভার্গব, ভীষ্ম, সরস্বতী (আপ্র) রজ পরিবারের সদস্য বিশেষ, রূপকসাহিত্যের একটি দৈবিকা বা প্রতীতি (সংজ্ঞা) রজস্বলাদের জরায়ু হতে প্রতি মাসেমাসে যে রক্তবন্যা প্রবাহিত হয় তাকে রজ বা জীবিত ঐশিদূত বলে (উপ)বি বন্যা, প্লাবন, জোয়ার (ভাপ)বি সরস্বতী, ভীষ্ম (আপ)বি নবি (আ.ﻧﺒﺉ), পয়গাম্বর (ফা.ﭙﻴﮕﻤﺒﺭ), ইঞ্জিল (আ.ﺍﻧﺠﻴﻝ), যাবুর (আ.ﺯﺒﻮﺭ), হাওয়া (আ.ﺤﻮﺍﺀ) (ইপ)বি messenger (মেসেঞ্জার) (ছনা)বি বসিধ (রূ)বি জোয়ার (দেত)বি রজ {বাং.জিয়ান+ আ.নবি.ﻨﺒﻰ}
ত্রিবেণী (রূপ)বি তিনটি স্রোতের মিলনস্থল,
১.লাল ২.সাদা ৩.কালা- এ তিনটি ধারার মিলনস্থন বা ১.গঙ্গা ২.যমুনা
৩.সরস্বতী- এ তিনটি নদীর মিলন বা বিচ্ছেদস্থল (পরি) জরায়ুমুখ (ব্য্য)
একমাত্র জরায়ুমুখ হতে লাল (বসিধ) সাদা (সুধা) ও কালো (মধু)- এ তিনটি ধারা
প্রবাহিত হয়। এ জন্য রূপকসাহিত্যে ভৃগুকে রূপকার্থে তিনটিধারার সঙ্গমস্থল
বা ত্রিবিণী বা ত্রিবেণী বলে, womb aperture (ওম্ব এপারচার), the face of
womb (দি ফেস ওফ ওম্ব), the mouth of womb (দি মাউথ ওফ ওম্ব) (ভাদৈ)বি
পরশু, প্রপাত, ভৃগুদেশ, ভৃগুমুণি, ভৃগুরাজ, ভৃগুপতি, স্বর্গদ্বার, অক্রুর,
ত্রিকুট, ত্রিত, ত্রিনাথ, ত্রিপুর, ত্রিপাদ, ত্রিমূর্তি, ত্রিলোচন,
ত্রিশংকু, ত্র্যম্বক, বজ্রপাণি, সান্দীপনি, হিমবান, হিমালয়, হিরণ্যবর্মা,
হিরণ্যরেতা (ইদৈ)বি declivity (ডিক্লিডিটি), precipice (প্রিসিপাইস) (আদৈ)বি আত্তার (আ.ﻋﻄﺎﺮ), আফলাত (ফা.ﺍﻔﻼﻄﻭﻦ), আযীযমিসর (আ.ﻋﺯﻴﺯ ﻤﺼﺮ), ওহোদ (আ.ﺍﺤﺪ), কেল্লাদার (আ.ﻘﻟﻌﻪ ﺪﺍﺭ), কোহি (ফা.ﻜﻮﻩ), কোহিতুর (ফা.ﻛﻭﻩ ﻄﻭﺮ), সেমহলা (ফা.ﺴﻪﻤﺤﻝ), জঙ্গিজ (তু.ﺟﻨﮕﻴﺯ), জল্লাদ (আ.ﺠﻼﺪ), জাঁহাবাজ (ফা.ﺠﺎﻧﺑﺎﺯ), জাসুস (আ.ﺠﺎﺴﻭﺱ), জুলকারনাইন (আ.ﺬﻮﺍﻟﻗﺭﻧﻴﻦ), মীযান (আ.ﻤﻴﺯﺍﻦ), মিসর (আ.ﻤﺻﺮ), মোক্তা (আ.ﻤﻗﻄﻊ), শাদ্দাদ (আ.ﺸﺪﺍﺪ), সিদরাতুল-মুন্তাহা (আ.ﺴﺪﺭﺓ ﺍﻟﻤﻨﺗﻬﻰٰ), সেকান্দর (আ.ﺳﻛﻨﺩﺮ), হায়দার (আ.ﺤﻴﺪﺮ) (আবি)বি ভৃগু, প্রপাত, জলপ্রপাত, নির্ঝরের পতনস্থান (আভা)বি ক্ষুর, তলোয়ার, পরশু, অর্জুন, গরুড়, ত্র্যম্বক, নারদ (প্র) পুরাণোক্ত জনৈক মুনি (আপ্র) ভৃগু পরিবারের সদস্য বিশেষ, রূপকসাহিত্যের একটি দৈবিকা বা প্রতীতি বিশেষ (ব্য্য) কামব্রতে রত হলে শুক্রপাতের মাধ্যমে মানুষ হতে মানুষ কেটে নিয়ে আবার মানুষরূপে বের করে দেয় বলে জরায়ুমুখকে ক্ষুর বলা হয় (সংজ্ঞা) জরায়ুমুখকে ভৃগু বা ত্রিবিণী বলে (পরি) জরায়ুমুখ, জরায়ুমুখ (উপ)বি স্বর্গদ্বার, স্বর্গমুখ, অন্তর্দ্বার (আদৈ)বি মুসা (আ.ﻤﻭﺴﻰٰ), হুদহুদ (আ.ﻫﺪﻫﺪ) (ইদৈ)বি chopper (চোপার) (চরি)বি অর্জুন (রূ)বি ত্রিবেণী (দেত)বি ভৃগু।
ধ্বজ (রূপ)বি ১.পতাকা, কেতন ২.শিশ্ন, শ্রেষ্ঠ, গৌরব, চিহ্ন, লক্ষণ (ভাঅ)বি স্রাব, রজ, রজস্রাব (আবি)বি আর্তব, স্রাব, ঋতুস্রাব, dust (ডাস্ট), menstrual (মিন্সট্রুয়াল), আদাত (আ.ﻋﺎﺪﺓ), কুরউ (আ.ﻘﺮﺃ), মাহিজ (আ.ﻤﺤﻴﺾ) (আঞ্চ)বি ঋতু, মাসিক (আভা)বি অবতার, জোয়ার, প্লাবন, বন্যা, রক্তবন্যা, লালজল, ভার্গব, ভীষ্ম, সরস্বতী (আপ্র) রজ পরিবারের সদস্য বিশেষ, রূপকসাহিত্যের একটি দৈবিকা বা প্রতীতি (সংজ্ঞা) রজস্বলাদের জরায়ু হতে প্রতি মাসেমাসে যে রক্তবন্যা প্রবাহিত হয় তাকে রজ বা ধ্বজ বলে (উপ)বি বন্যা, প্লাবন, জোয়ার (ভাপ)বি সরস্বতী, ভীষ্ম (আপ)বি নবি (আ.ﻧﺒﺉ), পয়গাম্বর (ফা.ﭙﻴﮕﻤﺒﺭ), ইঞ্জিল (আ.ﺍﻧﺠﻴﻝ), যাবুর (আ.ﺯﺒﻮﺭ), হাওয়া (আ.ﺤﻮﺍﺀ) (ইপ)বি messenger (মেসেঞ্জার) (ছনা)বি বসিধ (রূ)বি জোয়ার (দেত)বি রজ।
নবি [ﻧﺒﺉ] (রূপ)বি দূত, বাহ, চর, বাহক, দম্বল, বার্তাবহ, বার্তাবাহক, ভবিষ্যদ্বক্তা, ইঙ্গিতবাহক, দৈববাণী বহনকারী (প্র) কুরানী মনীষীদের রূপকবর্ণনা মতে কুরানোক্ত স্বর্গীয় মহাপুরুষ বা স্বর্গীয়বাণী সহকারে প্রেরিত মহাপুরুষ (পরি)
কিশোরীদের যুবতী হওয়ার সংবাদ বহনকারী সাংবাদিক, গমনাগমন সিদ্ধ ও নিষিদ্ধ
সময়ের সংবাদাদি এবং গর্ভসঞ্চার হওয়া ও না হওয়ার সংবাদাদি আদান-প্রদান করেন
বলে জোয়ারকে নবি (ﻧﺒﺉ) বা বসিদ বলা হয় (আবি)বি রজ, আর্তব, স্রাব, ঋতুস্রাব, (ডাস্ট), (মিন্সট্রুয়াল), আদাত (আ.ﻋﺎﺪﺓ), কুরউ (আ.ﻘﺮﺃ), মাহিজ (আ.ﻤﺤﻴﺾ) (আঞ্চ)বি ঋতু, মাসিক (আভা)বি অবতার, জোয়ার, প্লাবন, বন্যা, রক্তবন্যা, লালজল, ভার্গব, ভীষ্ম, সরস্বতী, বসিধ, সাংবাদিক, ঘটক, সারথী, যৌবনাবতার, যৌবনের সংবাদদাতা (আপ্র) রজ পরিবারের সদস্য বিশেষ, রূপকসাহিত্যের একটি দৈবিকা বা প্রতীতি (সংজ্ঞা) রজস্বলাদের জরায়ু হতে প্রতি মাসেমাসে যে রক্তবন্যা প্রবাহিত হয় তাকে রজ বা স্বর্গীয়দূত বলে (উপ)বি বন্যা, প্লাবন, জোয়ার (আপ)বি পয়গাম্বর (ফা.ﭙﻴﮕﻤﺒﺭ), ইঞ্জিল (আ.ﺍﻧﺠﻴﻝ), যাবুর (আ.ﺯﺒﻮﺭ), হাওয়া (আ.ﺤﻮﺍﺀ) (ইপ)বি messenger (মেসেঞ্জার) (ছনা)বি বসিধ (রূ)বি জোয়ার (দেত)বি রজ {আ.বব. আম্বিয়া.ﺍﻟﻧﺒﻴﺎﺀ}
নবুয়ত [ﻨﺒﻮﺖ] (রূপ)বিণ প্রচারকাল, সাংবাদিকতার সময়কাল দেহবিশ্বের নয় প্রহরের এক প্রহর (ভাঅ)
আর্তবাদের জোয়ার চলাকালীন সাড়ে তিনদিন সময়, রজস্বলাদের জোয়ার চলাকালীন
সময়, আর্তবাদের প্রতি মাসে জরায়ু হতে যে সময় থেকে জোয়ার আরম্ভ হয়ে যে সময়
পর্যন্ত চলতে থাকে, the period of menstrual discharge (দি পিরিওড ওফ
মিন্সট্রুয়ার ডিসচার্য), মুদ্দাতুল হায়েজ (ﻤﺪﺓ ﺍﻟﺤﻴﺾ) (ভাপ)বি
১.ক্ষণদা, নিশি, নিশা, বিভাবরী, যামিনী, রজনী, রাত, রাত্রি, শর্বরী
২.অন্ধকার, অপবিত্রতা, অমা, অমাবস্যা, অনানিশা, অমানিশি, অমারজনী,
অসুস্থতা, আঁধার, ধ্বান্ত, ক্ষপা, তমসা, তিনদিন, তিমির, তেরাত্রি,
তেরাত্তির, ত্রিরাত্র, শনিবার, সিনানী (বাপ)বি অমাবস্যা (আবি)বি রজকাল, ঋতুকাল, রজস্বলাদের রজ চলাকালীন সময় (আভা)বি অন্ধকার, অমাবস্যা, অসুস্থতা, আঁধার, শনিবার, সিনানী (আপ)বি আইয়ামবীজ (আ.ﺍﻴﺎﻡﺒﻌﺾ), নবুয়াত (আ.ﻧﺒﻮﺖ), লাইল (আ.ﻟﻴﻞ), শব (ফা.ﺸﺐ) (ইপ)বি night (নাইট), dust period (ডাস্ট পিরিওড) (সংজ্ঞা) রজস্বলাদের রজ চলাকালীন সময়কে রজকাল বা প্রচারকাল বলে (পরি) দেহবিশ্বের নয় প্রহরের এক প্রহর (আপ্র) রজকাল পরিবারের সদস্য বিশেষ, রূপকসাহিত্যের একটি পরিভাষা (রূ)বি অমাবস্যা (দেত)বি রজকাল {আ}
প্রেমতরণী (রূপ)বি দেহতরী, দেহরূপ তরী, দেহরূপ নৌকা (আবি)বি দেহ, কায়া, খাঁচা, ঠাট, ধড়, পিঞ্জর, শরীর, গা, গতর, body (বডি), জাসাদ (আ.ﺠﺴﺪ), জেসম (আ.ﺠﺴﻢ), বদন (আ.ﺒﺪﻦ) (আল)বি কংকাল, কলেবর, কাঠামো (আভা)বি
১.উষ্ট্র, গাছ, ঘোড়া, তপোবন, তিব্বত, দশরথ, নদীয়া, নবদ্বীপ, পাহাড়,
ব্রহ্মা-, মেঘ, সংসার, হাতি ২.কল্পতরু, কল্পদ্রুম, কল্পবৃক্ষ, কল্পলতা (আপ্র) দেহ পরিবারের সদস্য বিশেষ, রূপকসাহিত্যের একটি দৈবিকা বা প্রতীতি (সংজ্ঞা) জীবের স্থূল আকারকে দেহ বা প্রেমতরণী বলে (ইপ)বি shape (স্যাপ), world (ওয়ার্ল্ড), universe (ইউনিভার্স) (আপ)বি আলম (আ.ﻋﺎﻠﻡ), কবর (আ.ﻘﺑﺮ), কোহেতুর (ফা.ﻜﻮﻩ ﻄﻮﺭ), গোর (ফা.ﮔﻮﺭ), জাহান (ফা.ﺠﻬﺎﻦ), ফিল (আ.ﻔﻴﻞ), মখলুকাত (আ.ﻤﺧﻟﻭﻘﺎﺖ), মিসর (আ.ﻤﺻﺮ), মুলুক (আ.ﻤﻟﻚ), শাজারা (আ.ﺸﺠﺮﺓ) (রূ)বি রথ (দেত)বি দেহ।
মানবকর্ম বি মানষের দৈনন্দিন কাজকর্ম (আবি)বি সাঁইসাধন, কাঁইসাধন, সাঁইদর্শন, কাঁইদর্শন।
লালজল (রূপ)বি মদ্য, এক প্রকার নেশাযুক্ত পানীয় (পরি) প্রতি মাসেমাসে রজস্বলাদের জলবৎ লালবর্ণের যে স্রাবধারা প্রবাহিত হয় (আবি)বি রজ, রক্তিমাবতার, মাসিকাবতার, যৌবনাবতার, আর্তব, স্রাব, ঋতুস্রাব, dust (ডাস্ট), menstrual (মিন্সট্রুয়াল), আদাত (আ.ﻋﺎﺪﺓ), কুরউ (আ.ﻘﺮﺃ), মাহিজ (আ.ﻤﺤﻴﺾ) (আঞ্চ)বি ঋতু, মাসিক (আভা)বি অবতার, জোয়ার, প্লাবন, বন্যা, রক্তবন্যা, লালজল, ভার্গব, ভীষ্ম, সরস্বতী (আপ্র) রজ পরিবারের সদস্য বিশেষ, রূপকসাহিত্যের একটি দৈবিকা বা প্রতীতি (সংজ্ঞা) রজস্বলাদের জরায়ু হতে প্রতি মাসেমাসে যে রক্তবন্যা প্রবাহিত হয় তাকে রজ বা লালজল বলে (উপ)বি বন্যা, প্লাবন, জোয়ার, রক্তবৃষ্টি, রক্তবন্যা (আপ)বি নবি (আ.ﻧﺒﺉ), পয়গাম্বর (ফা.ﭙﻴﮕﻤﺒﺭ), ইঞ্জিল (আ.ﺍﻧﺠﻴﻝ), যাবুর (আ.ﺯﺒﻮﺭ), হাওয়া (আ.ﺤﻮﺍﺀ) (ছনা)বি বসিধ (রূ)বি জোয়ার (দেত)বি রজ।
লালশালু (রূপ)বি স্থূল-প্রবর্ত্য
অন্ধকার-ধন্ধকার আউল-নাড়া ইত্যাদি প্রাথমিক স্তরের সাধনাকারিদের চিহ্নযুক্ত
লালবর্ণের বিশেষ কাপড়- যা পরনে দেখলেই বুঝা যায় তারা
আধ্যাত্মিকপাঠ্যক্রমের শিক্ষার্থী (পরি) প্রতি মাসে রজস্বলাদের জলবৎ লালবর্ণের যে স্রাবধারা প্রবাহিত হয় (আবি)বি রজ, আর্তব, স্রাব, ঋতুস্রাব, রক্তিমাবতার, মাসিকাবতার, যৌবনাবতার, dust (ডাস্ট), menstrual (মিন্সট্রুয়াল), আদাত (আ.ﻋﺎﺪﺓ), কুরউ (আ.ﻘﺮﺃ), মাহিজ (আ.ﻤﺤﻴﺾ) (আঞ্চ)বি ঋতু, মাসিক (আভা)বি অবতার, জোয়ার, প্লাবন, বন্যা, রক্তবন্যা, লালজল, ভার্গব, ভীষ্ম, সরস্বতী (আপ্র) রজ পরিবারের সদস্য বিশেষ, রূপকসাহিত্যের একটি দৈবিকা বা প্রতীতি (সংজ্ঞা) রজস্বলাদের জরায়ু হতে প্রতি মাসেমাসে যে রক্তবন্যা প্রবাহিত হয় তাকে রজ বা লালশালু বলে (উপ)বি বন্যা, প্লাবন, জোয়ার, রক্তবৃষ্টি, রক্তবন্যা (ভাপ)বি সরস্বতী, ভীষ্ম (আপ)বি নবি (আ.ﻧﺒﺉ), পয়গাম্বর (ফা.ﭙﻴﮕﻤﺒﺭ), ইঞ্জিল (আ.ﺍﻧﺠﻴﻝ), যাবুর (আ.ﺯﺒﻮﺭ), হাওয়া (আ.ﺤﻮﺍﺀ) (ইপ)বি messenger (মেসেঞ্জার) (ছনা)বি বসিধ (রূ)বি জোয়ার (দেত)বি রজ।
সাড়েতিনলক্ষ বছর (রূপ)বি রূপকসাহিত্যের রজস্বলাদের জোয়ার চলাকালীন সাড়েতিনদিন সময় (ব্য্য)
উল্লেখ্য “মূলকের পরে শূন্য (০) হ্রাস বৃদ্ধি করলে গাণিতিকভাবে দশগুণ
পরিবর্তন হলেও মূলকের কোন পরিবর্তন হয় না”। এ জন্য বাংভারতীয় রজকালের
গাণিতিক মান সাড়েতিন সংখ্যাটির পরে পাঁচটি (০০,০০০) শূন্য বসিয়ে সাড়েতিন
সংখ্যাটিকে সাড়েতিনলক্ষ (৩,৫০,০০০) সংখ্যায় বর্ধিত করা হয়েছে। মূলকসংখ্যাকে
এরূপভাবে বর্ধিতকরণ রূপক সাহিত্যের বিশেষ পাণ্ডিত্য (রূ)বি রাত (দেত)বি রজকাল।
স্বরূপমণি (রূপ)বি স্বরূপরূপ মণি, স্বরূপরূপ অমূল্য সম্পদ (আবি)বি পালনকর্তা, ঈশ্বর, প্রভু, বিষ্ণু, বুদ্ধ, স্বামী, গার্ডিয়ান (মঁধৎফরধহ), রব (আ.ﺮﺐ) (আভা)বি উপাস্য, নারায়ণ, নিধি, নিমাই, নিরঞ্জন, সুধা, সোম, স্বরূপ (আদৈ)বি খোদা (ফা.ﺨﺪﺍ), মাবুদ (আ.ﻤﻌﺑﻭﺪ), মুহাম্মদ (আ.ﻤﺤﻤﺪ), রাসুল (আ.ﺮﺴﻭﻝ) (আপ)বি আবেহায়াত (ফা.ﺁﺐﺤﻴﺎﺖ), কাওসার (আ.ﻜﻭﺛﺮ), ফুরাত (আ.ﻔﺭﺍﺖ) (ইপ)বি God (গড), nectar (নেক্টার), elixir (ইলিক্সার) (সংজ্ঞা) মাতৃজঠরে সর্ব জীবের লালন পালনকারী অমৃতরসকে পালনকর্তা বা স্বরূপমণি বলে (আপ্র) পালনকর্তা পরিবারের সদস্য বিশেষ, রূপকসাহিত্যের একটি দৈবিকা বা প্রতীতি (পরি) তরলমানুষ যে এখনো মূর্ত্যাকার ধারণ করেনি। মাতৃজঠরে ভ্রূণ লালনপালনের দায়িত্ব পালনকারী সুমিষ্ট সুপেয় ও সাদাবর্ণের জল (উপ)বি উপাস্য, পালক, গুরু, গোঁসাই (রূ)বি সাঁই (দেত)বি পালনকর্তা।
___________________________________
___________________________________
(সংক্ষিপ্ত)
সূত্রতথ্যঃ আত্মতত্ত্ব ভেদ (১ম খণ্ড)
লেখকঃ বলন কাঁইজি।
সূত্রতথ্যঃ আত্মতত্ত্ব ভেদ (১ম খণ্ড)
লেখকঃ বলন কাঁইজি।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন