কাঁই প্রসঙ্গঃ (পর্ব- ১) (আধ্যাত্মিকবিদ্যা,
আত্মতত্ত্ব, আত্মদর্শন, দেহতত্ত্ব, পরম্পরাতত্ত্ব, দিব্যজ্ঞান,
স্বরূপদর্শন, নরত্বারোপ ও বলনদর্শন টীকা)
—————————————————————————
কাঁই
Lord (লর্ড) ‘ﺍﻟﻟﻪ’ (আল্লাহ)
যৌবনকালে জীবদেহে অবতরণ করে নতুনভাবে জীব সৃষ্টিকারী আদিপ্রতীতিকে কাঁই বলা হয়। এটি রূপকসাহিত্যের রূপকপরিবারের অন্যতম একটি ‘রূপকসদস্য’। এর মূলকসদস্য ‘সৃষ্টিকর্তা’, উপমানসদস্য ‘অমৃতসুধা, ঘি, ননি, সূর্য, স্বর্গীয়ান্ন’ চারিত্রিকসদস্য ‘কানীন, স্বায়ম্ভু’ এবং রূপকনামসদস্য ‘চোর, স্রষ্টা’।
—————————————————————————
কাঁই
Lord (লর্ড) ‘ﺍﻟﻟﻪ’ (আল্লাহ)
যৌবনকালে জীবদেহে অবতরণ করে নতুনভাবে জীব সৃষ্টিকারী আদিপ্রতীতিকে কাঁই বলা হয়। এটি রূপকসাহিত্যের রূপকপরিবারের অন্যতম একটি ‘রূপকসদস্য’। এর মূলকসদস্য ‘সৃষ্টিকর্তা’, উপমানসদস্য ‘অমৃতসুধা, ঘি, ননি, সূর্য, স্বর্গীয়ান্ন’ চারিত্রিকসদস্য ‘কানীন, স্বায়ম্ভু’ এবং রূপকনামসদস্য ‘চোর, স্রষ্টা’।
কাঁই (রূপ)বি ব্রহ্মা, বিরিঞ্চি, কালা, কালু, কেলে, কালিয়া, কৃষ্ণ, কাজলা, শ্যাম, শ্যামল, শ্যামলা (সাঅ)বি নির্মাতা, সৃষ্টিকর্তা, জগৎস্রষ্টা, পিতা, জনক, ক্রিয়েটর (creator), অথার (author), খালিক্ব (আ.ﺨﺎﻟﻖ) (আবি)বি ঈশ্বর, অনন্ত, কালোঈশ্বর, প্রজাপতি, হিরণ্যগর্ভ, বিধাতা, বিবস্বান, স্বায়ম্ভু (আদৈ)বি আল্লাহ (আ.ﺍﻠﻠﻪ), ইসা (আ.ﻋﻴﺴﻰٰ), মসিহ (আ.ﻤﺴﻴﺢ), শাম (আ.ﺷﺄﻢ), শামস (আ.ﺸﻤﺲ), শিশ (আ.ﺸﻴﺶ) (ইদৈ)বি লর্ড (Lord), মেকার (maker), ডিজাইনার (designer) (ব্য্য) কাঁইশক্তি বা জীবনিশক্তি ভিন্ন জীব সৃষ্টি হয় না এবং জীবকুল পরমাত্মার সাথে সংযুক্ত থাকতে পারে না বলে কাঁইকে সৃষ্টিকর্তা বলা হয় (সংজ্ঞা)
১. যৌবনকালে জীবদেহে অবতরণ করে নতুনভাবে জীব সৃষ্টিকারী আদিপ্রতীতিকে কাঁই
বলা হয়। ২. মানবদেহে প্রাপ্ত কালোবর্ণের অমৃতজলকে সৃষ্টিকর্তা বা
রূপকার্থে কাঁই বলা হয় (দেপ্র) সৃষ্টিকর্তা পরিবারের রূপকসদস্য ও রূপকসাহিত্যের একটি দৈবিকা বা প্রতীতিবিশেষ (রূনা)বি চোর, স্রষ্টা (চরি)বি কানীন, স্বায়ম্ভু (উপ)বি অমৃতসুধা, ঘি, ননি, সূর্য, স্বর্গীয়ান্ন (রূ)বি কাঁই (দেত)বি সৃষ্টিকর্তা {বাং.কালো+ বাং.ঈশ্বর)> (কা + ঈ) > কাঈ >}
কাঁইকোষ (রূপ)বি বিচি, আঁটি, বড়া, অণ্ডকোষ, ফল বা শস্যাদির ক্ষুদ্র আঁটি, ফোঁড়ার মধ্যেকার গুঁটি(আবি)বি
মুষ্ক, অণ্ড, আণ্ডা, বিচি, অণ্ডকোষ, আণ্ডাধার, ব্রহ্মকোষ, জননকোষ,
অংকুরোদ্গমশক্তির আধার, টেষ্টিকল (testicle), স্কটাম (scrotum), বয়জা (আ.ﺑﻴﺿﺎﻦ), খুসিয়া (আ.ﺨﺼﻴﺔ), বিয়াউ (আ.ﻮﻋﺎﺀ), সফন (আ.ﺼﻔﻦ) (আভা)বি থলে, বস্তা, ছালা (আপ)বি ঝুলি (হি.ﺠﻬﻮﻟﻰ), ঝোলা (হি.ﺠﻬﻮﻻ) (আদৈ)বিস্ত্রী মারিয়াম (আ.ﻤﺮﻴﻢ) (সংজ্ঞা) শিশ্নের অণ্ডথলিকে মুষ্ক বা রূপকার্থে কাঁইকোষ বলা হয় (দেপ্র) মুষ্ক পরিবারের সদস্য ও রূপক সাহিত্যের একটি দৈবিকা বা প্রতীতি বিশেষ (চরি)বি অণ্ডাল (রূনা)বি অষ্ঠি (রূ)বি থলি (দেত)বি মুষ্ক।
কাঁইচারী (রূপ)বিণ কাঁইজি, কাঁইবিহারী, কাঁইধারী, ব্রাহ্মণ, ব্রহ্মচারী, কাঁই বা সৃষ্টিকর্তার সাথে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে দর্শনলাভকারী {বাং.কাঁই>}
কাঁইজি (রূপ)বি পরমেশ্বর, পরমপতি, বিশ্বেশ্বর, বিশ্বনাথ, বিশ্বপতি (সাঅ)বিণ ব্রাহ্মণ, বৈরিঞ্চি, কাঁইচারী, কাঁইবিহারী, ব্রহ্মচারী, Lord (প্র)
১. কাঁইদর্শনকারী সাধকসাধিকার উপাধি বিশেষ। ২. কাঁইয়ের সাথে প্রত্যক্ষ বা
পরোক্ষভাবে দর্শনলাভকারী। ৩. আত্মতত্ত্বদর্শনের আউল, বাউল, নাড়া ও সাঁইজি এ
চতুর্সাধন পথের সর্বশেষপথের অন্তর্ভুক্ত (পরি) জ্ঞানের নৈরাকার স্তর এবং রসাশ্রয় ও রূপাশ্রয় হতে এই ‘সাঁইজি’ ও ‘কাঁইজি’ সম্প্রদায়ের উৎপত্তি (ভাপ) ব্রাহ্মণ (আপ) নায়িবে ইলাহি (ﻨﺎﺌﺏ ﺍﻟﻬﻰ) (ইদৈ) Lord {বাং.কাঁই+ তু.জি.ﺠﻰ}
কাঁইধারী (রূপ)বিণ কাঁইজি, কাঁইচারী, কাঁইবিহারী, ব্রাহ্মণ, ব্রহ্মচারী (প্র) কাঁই বা সৃষ্টিকর্তার সাথে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে দর্শনলাভকারী {বাং.কাঁই>}
কাঁইবিহারী (রূপ)বিণ কাঁইজি, কাঁইচারী, কাঁইধারী, ব্রাহ্মণ, ব্রহ্মচারী (প্র) কাঁই বা সৃষ্টিকর্তার সাথে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে দর্শনলাভকারী {বাং.কাঁই>}
কাঁইরাতি (রূপ)বি কোজাগর, মধুনিশি, মধুযামিনী, মধুরাতি, আনন্দরাত্রি (আদৈ)বি শবেক্বদর (ﺸﺑﻰ ﻘﺪﺭ) (প্র)বসন্তকালের
রাত্রি (আবি) যে রাতে জীবের সৃষ্টিকর্তা কাঁই দেহধামে অবতরণ করে এবং
সাধকগণ তার সাথে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে দর্শনলাভ করে ধন্য হন।
কাঁইয়ের উদাহরণ
১. কাঁই কাঁইরে মজার খাল কেটেছে ভারি কৌশলে, একবিন্দু জল নাইরে খালে, কাপড় ভিজে ঝাঁপ দিলে (বলন তত্ত্বাবলী)।
২. কাঁইয়ের বসতবাড়ি নাইরে ভুবনে, গড়িয়া এ নিখিল সংসার, বিরাজ করে কোনখানে (বলন তত্ত্বাবলী)।
১. কাঁই কাঁইরে মজার খাল কেটেছে ভারি কৌশলে, একবিন্দু জল নাইরে খালে, কাপড় ভিজে ঝাঁপ দিলে (বলন তত্ত্বাবলী)।
২. কাঁইয়ের বসতবাড়ি নাইরে ভুবনে, গড়িয়া এ নিখিল সংসার, বিরাজ করে কোনখানে (বলন তত্ত্বাবলী)।
কাঁইয়ের সংজ্ঞা
যৌবনকালে জীবদেহে অবতরণ করে নতুনভাবে জীব সৃষ্টিকারী আদিপ্রতীতিকে কাঁই বলে।
যৌবনকালে জীবদেহে অবতরণ করে নতুনভাবে জীব সৃষ্টিকারী আদিপ্রতীতিকে কাঁই বলে।
কাঁইয়ের আধ্যাত্মিকসংজ্ঞা
মানবদেহে প্রাপ্ত কালোবর্ণের অমৃতজলকে সৃষ্টিকর্তা বা কাঁই বলে।
মানবদেহে প্রাপ্ত কালোবর্ণের অমৃতজলকে সৃষ্টিকর্তা বা কাঁই বলে।
কাঁইয়ের পরিচয়
রূপকসাহিত্যে সৃষ্টিকর্তা নামে পরিচিত কাঁইয়ের ২টি রূপ পরিলক্ষিত হয়।
রূপকসাহিত্যে সৃষ্টিকর্তা নামে পরিচিত কাঁইয়ের ২টি রূপ পরিলক্ষিত হয়।
প্রথমতঃ যে কোন ফলবান বৃক্ষের ফলের শাস হওয়ার পর তা পরিপক্ব হওয়ার সময়
যে শক্তি ফলের মধ্যে প্রবেশ করলে পরবর্তীকালে বিচিটি অংকুরিত হয় তাকেই কাঁই
বলা হয়। যে কোন ফল কাঁচা কর্তন করলে ও পরবর্তীকালে বপণ করলে তা অংকুরিত হয়
না কিন্তু পাকাফল কর্তন করে আবার বপন করলে তা অবশ্যই অংকুরিত হয়। এ হতে
বুঝা যায় পাকাফলের মধ্যে অদৃশ্য কোন একটি শক্তি অবশ্যই প্রবেশ করে।
পাকাফলের মধ্যে যে অদৃশ্যশক্তি প্রবেশ করে তা-ই কাঁইসত্তা। জীবের বেলায়ও
ঠিক তাই দেখা যায়। অপ্রাপ্তবয়স্ক কোন নর বা পুরুষের কাঁচাশুক্র
প্রাপ্তবয়স্কা কোন নারির গর্ভে নিক্ষেপ করলেও কোন ভ্রূণের সৃষ্টি হয় না।
কিন্তু প্রাপ্তবয়স্ক নরের শুক্র যে কোন প্রাপ্তবয়স্কা নারির গর্ভে নিক্ষেপ
করলেই তা মানবভ্রণ সঞ্চার করতে পারে। মানবভ্রূণ সঞ্চারকারী এ
অদৃশ্যশক্তিকেই কাঁই বলে।
ধান সিদ্ধ করলে বা ডিম সিদ্ধ করলে ধান ও ডিম অক্ষত থাকে বটে কিন্তু তার
ভিতরের অদৃশ্য জীবনিশক্তি লোপ পায়। ধান ও ডিম সিদ্ধ করার পর যে
জীবনিশক্তিটি লোপ পেয়ে থাকে তাকেই কাঁই বলা হয়। ধান ও ডিম সিদ্ধ করলে
যেহেতু কাঁইশক্তিটি লোপ পায় তাই সিদ্ধ ধান বপণ করলে তা আর অংকুরিত হয় না
এবং সিদ্ধ ডিমে ‘ঊষুম’ বা ‘তা’ দিলেও তা আর ছানায় পরিণত হয় না। এ প্রথম
রূপটি নিয়ে রূপকসাহিত্যের কোন রূপকারের তেমন কোন লেখালেখি বা আলোচনা নেই।
দ্বিতীয়তঃ কিশোরিদের দেহের অঙ্গ-পতঙ্গ সুগঠিত ও সুঠাম হওয়ার পর যে
শক্তিটি প্রবেশ করাই নতুন একটি আন্ত আলোড়নের মাধ্যমে রজস্রাবের সৃষ্টি হয়
তাকেই কাঁই বলা হয়। অথবা সম্পূর্ণ সুস্থদেহে যার নির্দেশে প্রতি মাসেমাসে
রজস্বলা রমণিদের গর্ভাশয় হতে রজধারা নিঃসৃত হয়ে থাকে সে মহাশক্তিকেই কাঁই
বলা হয়। এ মহাশক্তিটি যতদিন নারিদেহে আগমন ও প্রত্যাগমন করতে থাকে ততদিনই
প্রাপ্তবয়স্কা নারিদের রজধারা চলতে থাকে। উক্ত কাঁইশক্তির আগমন প্রত্যাগমন
বন্ধ হয়ে গেলেই তাদের রজ আগমন ধারাও চিরতরে বন্ধ হয়ে যায়।
আমরা আরো বলতে পারি একটা নারিদেহে কাঁইরূপ মহাশক্তি প্রবেশ করার পর পরই
কেবল প্রতি মাসেমাসে রজ আগমন আরম্ভ হয়ে থাকে। রজধারার রূপকনামসদস্য হলো
‘বসিধ’। তাই এবার বলা যায় “নারিদেহে কাঁইয়ের আগমনে বসিধের আগমন হয় এবং
বসিধের আমগনেই সাঁইয়ের আগমন হয়ে থাকে।” প্রাপ্তবয়স্কা নারিদেহে বসিধ
বাহ্যিকভাবে সর্বশেষ প্রতীতি এবং অদৃশ্যভাবে সাঁই সর্বশেষ ঐশিঅবতার। কাঁই ও
সাঁই জীবের আত্মা, মন ও জ্ঞান ইত্যাদি অদৃশ্যসত্তাদি বহন করেন। কাঁই জীবের
আত্মা, মন ও জ্ঞান ইত্যাদি অদৃশ্যসত্তাদি বহন করেন এবং জীবের ভ্রূণ সৃষ্টি
করেন কিন্তু সাঁই জীবের আত্মা, মন ও জ্ঞান ইত্যাদি অদৃশ্যসত্তাদি বহনও
করেন এবং জীবের সদ্য সৃষ্ট ভ্রূণাদি প্রতিপালনও করে থাকেন বিধায় কাঁইকে
জীবের সৃষ্টিকর্তা এবং সাঁইকে জীবের পালনকর্তা বলা হয়।
সাধুশাস্ত্রে বসিধের কোন সাধন ভজন নেই। তবে বসিধ কেবল সময়ের গুরুত্ব বহন
করেন। অপরদিকে কাঁইসাধন ও সাঁইসাধন সাধকদের প্রকৃত সাধন। স্মরণীয় বসিধের
বর্ণ লাল, সাঁইয়ের বর্ণ সাদা ও কাঁইয়ের বর্ণ কালো। বসিধ অসার ও
দুর্গন্ধযুক্ত কিন্তু সাঁই কচি ডাবের জলবৎ সুমিষ্ট, সুঘ্রাণযুক্ত, সুস্বাদু
ও সুপেয় এবং কাঁই মধুবৎ সুমিষ্ট, অত্যন্ত সুস্বাদু ও সুপেয়।
আমাদের আলোচ্য কাঁইজিকেই সংস্কৃত ভাষায় ব্রহ্মা ও কৃষ্ণ এবং আরবি ভাষায়
আল্লাহ (ﺍﻠﻟﻪ) এবং ইংরেজি ভাষায় লর্ড (Lord) বলা হয়। সাধনবলে মানবদেহে
প্রাপ্ত এ কালো জলের সক্সেগ সাক্ষাৎলাভ করতে পারলেও সাধকগণ কাঁইজি বা
ব্রহ্মচারী বা অলিউল্লাহ বা লর্ডস (Lords) উপাধিপ্রাপ্ত হয়ে থাকেন। সাঁই
বা কাঁইয়ের দর্শনলাভকারী সাধকগণ সব সময় জন্মান্তরহীন বা পুনর্জনমহীন বা
নিঃসন্তান অবস্থায় জীবনযাপন করেন। অর্থাৎ তারা সর্বদা অখণ্ড থাকার চেষ্টা
করেন। সাঁই ও কাঁইদর্শনকারী সাধকরা কখনই খণ্ডিত হন না। এরূপ সাধকগণ খণ্ডিত
হলে বা সন্তানরূপে পুনর্জন্মে গেলে তাদের উক্ত সাঁইজি, কাঁইজি ও
ব্রহ্মচারী ইত্যাদি উপাধিও চিরদিনের জন্য চিররহিত হয়ে যায়। তারা আর
মহাশক্তিশালী মহামানবরূপে থাকেন না বরং তখন তারা আবার সাধারণ জীবে পরিণত
হয়ে যান।
জীবের সৃষ্টিকর্তা
১. সারাজগতের সৃষ্টিকারিকে সৃষ্টিকর্তা বা স্রষ্টা বলে।
২. সৃষ্টিক্রিয়ার সরাসরি অংশ গ্রহণকারিকে সৃষ্টিকর্তা বা স্রষ্টা বলে।
১. সারাজগতের সৃষ্টিকারিকে সৃষ্টিকর্তা বা স্রষ্টা বলে।
২. সৃষ্টিক্রিয়ার সরাসরি অংশ গ্রহণকারিকে সৃষ্টিকর্তা বা স্রষ্টা বলে।
(সংক্ষিপ্ত সংকলন)
তথ্যসূত্রঃ
আত্মতত্ত্ব ভেদ (ষষ্ঠ খণ্ড)
লেখকঃ বলন কাঁইজি
তথ্যসূত্রঃ
আত্মতত্ত্ব ভেদ (ষষ্ঠ খণ্ড)
লেখকঃ বলন কাঁইজি
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন