৫৭/৪. ‘ইহকাল’ (‘বর্তমানজনম’ ৪র্থ পর্বের শেষ পর্ব বিশেষ)। এটি রূপকসাহিত্যের বৈক্তিকসদস্য সারণির ৫৭ নং ‘বর্তমানজনম’ মূলকের অধীন একটি ‘ছদ্মনামপরিভাষা’ বিশেষ। এর অন্যান্য সদস্যগুলো হচ্ছে- ১.বর্তমানজনম, ২.ইহকাল ও ৩.ইহধাম। বলন কাঁইজির নির্মিত ‘আত্মতত্ত্ব ভেদ’ (৫ম খণ্ড) গ্রন্থে এ মূলকের অধীন অন্যান্য সদস্যগুলো সবিস্তারে আলোচনা করা হয়েছে।
——————————————————————–
ইহলোক
Herein (হিয়ারিন)/ ‘هنا’ (হানা)
——————————————————————–
ইহলোক
Herein (হিয়ারিন)/ ‘هنا’ (হানা)
এটি রূপকসাহিত্যের বৈক্তিকসদস্য সারণির ‘বর্তমানজনম’ পরিবারের অন্যতম একটি ‘ছদ্মনামপরিভাষা’। এর মূলক ‘বর্তমানজনম’, রূপকপরিভাষা ‘ইহকাল’ এবং উপমানপরিভাষা ‘ইহধাম’।
ইহলোক (রূপ)বি ইহকাল, ইহধাম, ইহজগৎ, ইহসংসার,
এপার, ইহজনম জীবিতকাল, মর্ত্যলোক, এই পৃথিবী, এই সংসার, এজন্ম, জন্ম হতে
প্রয়াণকাল পর্যন্ত সময়, Herein (হিয়ারিন)/ ‘هنا’ (হানা), Armageddon life
(আর্মাগেডান লাইফ), ‘ﺤﻴﺎﺓ ﺍﻠﻓﺎﻨﻴﺔ’ (হায়াতুল ফানিয়া) বিপ পরকাল, ‘ﺍﺨﺮﺓ’ (আখিরাত) (আপ)বি হাশর (আ.ﺤﺸﺭ) (ইপ)বি regeneration (রিজেনারেশন) (দেপ্র) এটি রূপকসাহিত্যের বৈক্তিকসদস্য সারণির ‘বর্তমানজনম’ পরিবারের ‘ছদ্মনামপরিভাষা’ ও রূপকসাহিত্যের একটি পরিভাষা বিশেষ (সংজ্ঞা) রূপকসাহিত্যে বর্তমান জীবনকালকে ইহলোক বলা হয় (ছনা)বি ইহলোক (উপ)বি ইহধাম (রূ)বি ইহকাল (দেত)বি বর্তমানজনম {বাং.ইহ+ বাং.লোক}
‘ﻋﺎﺠﻠﺔ’ [আজিল্লা] বি ইহকাল, তাড়াতাড়ি, তাৎক্ষণাৎ, তাৎক্ষণিক {আ}
‘ﺍﺨﺮﺓ’ [আখিরাত] বি পরকাল, প্রয়াণোত্তরকাল {আ}
‘ﻋﺎﺠﻠﺔ’ [আজিল্লা] বি ইহকাল, তাড়াতাড়ি, তাৎক্ষণাৎ, তাৎক্ষণিক {আ}
‘ﺍﺨﺮﺓ’ [আখিরাত] বি পরকাল, প্রয়াণোত্তরকাল {আ}
ইহলোকের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্ধৃতি
(Some highly important quotations of Herein)
১. “ইহকালে ভোগ করে সুখ, পরে যদি হলো অসুখ, লালন বলে মনরে, মতবাদের জন্য অসুখ ভালো” (পবিত্র লালন- ২৪০/৪)।
২. “ইহকালের পরে পরকাল, আছে সেথা হাজার আল, বলন কয় কাটরে বাঁধাল, বায়ু হাজারী সাধু সেজে” (বলন তত্ত্বাবলী- ১৭৩)।
৩. “থেকে সাধুর চরণতলে, স্থুলজ্ঞান সূক্ষ্ম হলে, পরকাল পাবি ইহকালে, বলন কয় ভেদখানা” (বলন তত্ত্বাবলী- ২৪৩)।
৪. “মান করো না ওগো রাধে, তোমায় করি মানা, মান করলে ইহকালে, তোমার কাছে কেউ যাবে না” (পবিত্র লালন- ৭৭৭/১)।
৫. “মান ছেড়ে দাও ওগো রাধে, কৃষ্ণ কেঁদে কেঁদে কয়, কৃষ্ণ গেলে ইহকালে, তোমার কোন গতি নাই” (পবিত্র লালন- ৭৭৮/১)।
৬. “মন সত্য সূক্ষ্মজগৎ বিনে পরকাল পাবি না, স্থুলজগৎ ইহকাল বলে অভিধানে রচনা” (বলন তত্ত্বাবলী- ২৪৩)।
(Some highly important quotations of Herein)
১. “ইহকালে ভোগ করে সুখ, পরে যদি হলো অসুখ, লালন বলে মনরে, মতবাদের জন্য অসুখ ভালো” (পবিত্র লালন- ২৪০/৪)।
২. “ইহকালের পরে পরকাল, আছে সেথা হাজার আল, বলন কয় কাটরে বাঁধাল, বায়ু হাজারী সাধু সেজে” (বলন তত্ত্বাবলী- ১৭৩)।
৩. “থেকে সাধুর চরণতলে, স্থুলজ্ঞান সূক্ষ্ম হলে, পরকাল পাবি ইহকালে, বলন কয় ভেদখানা” (বলন তত্ত্বাবলী- ২৪৩)।
৪. “মান করো না ওগো রাধে, তোমায় করি মানা, মান করলে ইহকালে, তোমার কাছে কেউ যাবে না” (পবিত্র লালন- ৭৭৭/১)।
৫. “মান ছেড়ে দাও ওগো রাধে, কৃষ্ণ কেঁদে কেঁদে কয়, কৃষ্ণ গেলে ইহকালে, তোমার কোন গতি নাই” (পবিত্র লালন- ৭৭৮/১)।
৬. “মন সত্য সূক্ষ্মজগৎ বিনে পরকাল পাবি না, স্থুলজগৎ ইহকাল বলে অভিধানে রচনা” (বলন তত্ত্বাবলী- ২৪৩)।
ইহলোকের সংজ্ঞা (Definition of Herein)
রূপকসাহিত্যে বর্তমান জীবনকালকে ইহলোক বলে।
রূপকসাহিত্যে বর্তমান জীবনকালকে ইহলোক বলে।
ইহলোকের পরিচয় (Identity of Herein)
এটি রূপকসাহিত্যের বৈক্তিকসদস্য সারণির ‘বর্তমানজনম’ পরিবারের অধীন একটি ‘ছদ্মনামপরিভাষা’ বিশেষ। বর্তমান জীবনকালকে ইহলোক বলা হয় বা প্রত্যেক মানবজনমকেই ইহলোক বলা হয়। মানবসন্তানরূপে জন্মগ্রহণ করে জ্ঞানপ্রাপ্ত ও বয়োঃপ্রাপ্ত হওয়ার পর আবার সন্তানরূপে জন্মগ্রহণ করাকে পরলোক বলা হয়। যেমন পিতা-পুত্রের ক্ষেত্রে পিতা ইহলোক এবং পুত্র পরলোক। তদ্রূপ মাতা-কন্যার ক্ষেত্রেও মাতা ইহলোক ও কন্যা পরলোক।
এটি রূপকসাহিত্যের বৈক্তিকসদস্য সারণির ‘বর্তমানজনম’ পরিবারের অধীন একটি ‘ছদ্মনামপরিভাষা’ বিশেষ। বর্তমান জীবনকালকে ইহলোক বলা হয় বা প্রত্যেক মানবজনমকেই ইহলোক বলা হয়। মানবসন্তানরূপে জন্মগ্রহণ করে জ্ঞানপ্রাপ্ত ও বয়োঃপ্রাপ্ত হওয়ার পর আবার সন্তানরূপে জন্মগ্রহণ করাকে পরলোক বলা হয়। যেমন পিতা-পুত্রের ক্ষেত্রে পিতা ইহলোক এবং পুত্র পরলোক। তদ্রূপ মাতা-কন্যার ক্ষেত্রেও মাতা ইহলোক ও কন্যা পরলোক।
শাস্ত্রীয় পণ্ডিতরা কেবল আত্মতত্ত্ব না জানা ও না বুঝার কারণেই
বর্তমানকালকে ইহলোক বলে স্বীকার করলেও পরলোক বলতে যার যার সন্তানকে না
বুঝিয়ে বরং যার যার প্রয়াণোত্তর অনন্তকালকে বুঝিয়ে থাকেন। এ কারণেই ইহলোক ও
পরলোক নির্ণয় করা নিয়ে তাদের প্রায় গোলমেলে ও লেজে গোবরে বর্ণনা বিবরণ
দেখতে পাওয়া যায়। কিন্তু আত্মতাত্ত্বিক দার্শনিকদের পরিষ্কার বর্ণনা হলো-
দাদা ইহলোক হলে পিতা অবশ্যই পরলোক এবং পিতা ইহলোক হলে সন্তান অবশ্যই পরলোক।
এ ছাড়া ইহলোক ও পরলোক বলে কোন কিছুর অস্তিত্ব নেই। এখনো পৃথিবীতে অনেক
শাস্ত্রীয় মতবাদ আছে যারা পরলোক বা পরকাল বলতে কোন কিছুই স্বীকার করেন না।
যেমন বৌদ্ধ সম্প্রদায়।
———————————————————————————————
(সংক্ষিপ্ত সংকলন)
তথ্যসূত্রঃ
আত্মতত্ত্ব ভেদ (৫ম খণ্ড)
লেখকঃ বলন কাঁইজি
———————————————————————————————
(সংক্ষিপ্ত সংকলন)
তথ্যসূত্রঃ
আত্মতত্ত্ব ভেদ (৫ম খণ্ড)
লেখকঃ বলন কাঁইজি
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন