৯৮/৮. সৃষ্টিকর্তা প্রসঙ্গঃ ‘সূর্য’ (১৬ পর্বের ৮ম
পর্ব) (আধ্যাত্মিকবিদ্যা, আত্মতত্ত্ব, আত্মদর্শন, দেহতত্ত্ব,
পরম্পরাতত্ত্ব, দিব্যজ্ঞান, স্বরূপদর্শন, নরত্বারোপ ও বলনদর্শন টীকা)
সূর্য
Sun (সান)/ ‘ﺸﻤﺲ’ (শামস)
এটি রূপকসাহিত্যের বৈক্তিকসদস্য সারণির ব্যাপক পরিবারের অন্যতম একটি ‘উপমানপরিভাষা’। এর মূলকসদস্য ‘সৃষ্টিকর্তা’, রূপকপরিভাষা ‘কাঁই’, অন্যান্য উপমানপরিভাষা ‘ঘি, নীর, পীযূষ, মধু ও শস্য’, চারিত্রিকপরিভাষা ‘অসিত, কালা, কালু ও কৃষ্ণ’ এবং ছদ্মনামপরিভাষা ‘আদি, স্রষ্টা, স্বায়ম্ভু ও হর’।
Sun (সান)/ ‘ﺸﻤﺲ’ (শামস)
এটি রূপকসাহিত্যের বৈক্তিকসদস্য সারণির ব্যাপক পরিবারের অন্যতম একটি ‘উপমানপরিভাষা’। এর মূলকসদস্য ‘সৃষ্টিকর্তা’, রূপকপরিভাষা ‘কাঁই’, অন্যান্য উপমানপরিভাষা ‘ঘি, নীর, পীযূষ, মধু ও শস্য’, চারিত্রিকপরিভাষা ‘অসিত, কালা, কালু ও কৃষ্ণ’ এবং ছদ্মনামপরিভাষা ‘আদি, স্রষ্টা, স্বায়ম্ভু ও হর’।
সূর্য (রূপ)বি অর্ক, আদিত্য, রবি, ভানু, তপন,
মিত্র, মিহির, সবিতা, ভাস্কর, মার্তণ্ড , পূষা, বিবস্বান, দিবাকর,
প্রভাকর, দিনমণি, Sun (সান), ‘ﺸﻤﺲ’ (শামস) (প্র) সৌরজগতের কেন্দ্রীয় নক্ষত্র- যাকে কেন্দ্র করে গ্রহাদি আবর্তিত হয় এবং যার নিকট থেকে গ্রহ উপগ্রহাদি আলো পেয়ে থাকে (আবি)বি
১.কাঁই, কাজলা, কালা, কালিয়া, কালু, কেলে, কৃষ্ণ, ব্রহ্মা, বিরিঞ্চি,
শ্যাম, শ্যামল, শ্যামলা, melanin (মিলেনিন), ‘ميلانين’ (মিলেনিন) ২.ঈশ্বর,
অনন্ত, কালোঈশ্বর, প্রজাপতি, হিরণ্যগর্ভ, বিধাতা, স্বায়ম্ভু (আদৈ)বি আল্লাহ (আ.ﺍﻠﻠﻪ), ইসা (আ.ﻋﻴﺴﻰٰ), মসিহ (আ.ﻤﺴﻴﺢ), শাম (আ.ﺷﺄﻢ), শিশ (আ.ﺸﻴﺶ) (ইদৈ)বি Lord (লর্ড) (দেপ্র) এটি রূপকসাহিত্যের বৈক্তিকসদস্য সারণির ‘সৃষ্টিকর্তা’ পরিবারের ‘উপমানপরিভাষা’ ও রূপকসাহিত্যের একটি পরিভাষা বিশেষ (সংজ্ঞা) ১.সৌরজগতের কেন্দ্রীয় জ্যোতিষ্ককে সূর্য বলা হয় ২.কালো বর্ণের অমৃত মানবজলকে সৃষ্টিকর্তা বা রূপকার্থে সূর্য বলা হয় (ছনা)বি আদি, স্রষ্টা, স্বায়ম্ভু ও হর (চরি)বিণ অসিত, কালা, কালু ও কৃষ্ণ (উপ)বি ঘি, নীর, পীযূষ, মধু, শস্য ও সূর্য (রূ)বি কাঁই (দেত)বি সৃষ্টিকর্তা।
সূর্যের ওপর কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্ধৃতি
(Some highly important quotations of Sun)
১. “ইন্দ্র দেবের সুপারিশে দরশন দান করবেন সাঁই, অষ্টকাঁধের ওপর বিচার করতে বসবে কাঁই, সূর্য সাড়েতিন হাত ওপর- তাপ দিবে মাথা বরাবর, বলন কয় সহস্রবছর টিকে থাকবে ভাগ্যবান” (বলন তত্ত্বাবলী- ৪৭)।
২. “এক নিরীক্ষ দেখ ধনী, সূর্যগত কমলিনী, দিনে বিকশিত তেমনি, নিশিতে মুদিত রহে, তেমনি যেন- ভক্তের লক্ষণ, একরূপে বাঁধে হিয়ে” (পবিত্র লালন- ৫০৬/৩)।
৩. “কোন্দিন সূর্যের অমাবস্যে, দেখি চাঁদের অমাবস্যা মাসেমাসে” (পবিত্র লালন- ৩৬১/১)।
৪. “চন্দ্রকান্তি সূর্যকান্তি, ধরে আছে আলেক পান্তি, যুগলগতি হলে একান্তি, পাবি মন প্রেম উপাসনা” (পবিত্র লালন- ৭৪৮/৩)।
৫. “চন্দ্র সূর্য যে গড়েছে, ডিম্বরূপে সে ভেসেছে, একদিন হিল্লোলে এসে, নিরঞ্জনের জন্ম হয়” (পবিত্র লালন- ৬৬৮/২)।
৬. “চন্দ্র সূর্য যে গঠেছে, তার খবর কে করেছে, শুনি নীরেতে নিরঞ্জন আছে, তবে নীরের জন্ম কে দিয়েছে” (পবিত্র লালন- ৯১৪/৩)।
৭. “নলিনী ও সূর্যের প্রেম যেমন, প্রেমের ভার লও রসিক সুজন, লালন বলে আগে ঠকলে, কাঁদলে শেষে সারবে না” (পবিত্র লালন- ৬৯২/৪)।
৮. “নিচে পদ্ম চরকবাণে, যুগলমিলন চাঁদ চকোরা, সূর্যের সঙ্গে নলিন কিরূপে হয় যুগল মিলন, না জেনে মন হলে কেবল, মায়াবশে মাতোয়ারা” (পবিত্র লালন- ৬০৩/১)।
৯. “নিশিতে সূর্য উদয় কোন্ দেশে, দিনে চাঁদের আলো আসে (গো), চাঁদ-সুরুজ এক অক্ষে ভাসে, তাকালে কেউ দেখে না” (বলন তত্ত্বাবলী- ১৫)।
১০. “পশ্চিমে যখন সূর্য উদয় হয়, মানবকর্মের হয়রে সারা, জন্মমৃত্যু দূরে যায়” (বলন তত্ত্বাবলী- ১৭৬)।
১১. “বলন কাঁইজি বিনয় করে কয়, ঘিরে এলো তেষট্টিবাই, ওরে পশ্চিমে সূর্য উদয়, হলো না জীবনে মোর” (বলন তত্ত্বাবলী- ৬৮)।
১২. “তিন তিনটি চন্দ্র উদয় আকাশ ভূমি পাতালে, পশ্চিমে সূর্য উদয় হয়গো ভরা সন্ধ্যাকালে” (বলন তত্ত্বাবলী- ১২৮)।
১৩. “পঞ্চবাণে তাপন নিরূপণ করিবার ভেদ বিচার, ষোলকলার জানলে বিধি থাকবে না কভু বিমার, হলে পশ্চিমে সূর্য উদয়- জন্মমরণ দূরে পালায়, বলন কয় নাই ভয়- ধরা পড়ে শ্যামকালা” (বলন তত্ত্বাবলী- ১৪০)।
১৪. “বড় নিগুম ঘরে আছেন সাঁই, যে ধামেতে বাস করেন সে, সেথা চন্দ্র সূর্যের কিরণ নাই” (পবিত্র লালন- ৬৬৮/১)।
১৫. “মনরে কবে ভবে সূর্যযোগ হয় করো বিবেচনা, চন্দ্রকান্তি যোগ মাসান্তি ভবে আছে জানা” (পবিত্র লালন- ৭৪৮/১)।
১৬. “মাসেমাসে চন্দ্রের উদয়, অমাবস্যা মাসান্তে হয়, সূর্যের অমাবস্যার নির্ণয়, জানতে হয় লিহাজ করে” (পবিত্র লালন- ৬০/২)।
১৭. “যেমন সবাই বলে দেহের সূর্য আকাশে নিয়া, তেমন আকাশের সাঁই ধরা পড়ে পাতালে গিয়া, বলন কয় খুঁজ সদায়, সাঁই ঘুরে নাকের কাছে” (বলন তত্ত্বাবলী- ১৪৯)।
১৮. “শক্তি সাঁই আত্মা ইন্দ্র, রিপু কর্ম ভাবকেন্দ্র, আকাশ ভূমি সূর্য চন্দ্র, চল্লিশগুণ চুরাশি” (বলন তত্ত্বাবলী- ১৫৬)।
১৯. “সূর্যের আগমন টের পায় যেজনা, সে পেয়েছে সূর্যসাধন, পেয়েছে নবির বেনা” (পবিত্র লালন- ৯৫৪/১)।
২০. “সূর্যের সঙ্গে আছে কমল, যতন করে তোল সে কমল, লালন ভেবে করে ঊল, মূলমানুষ তাতে আছে” (পবিত্র লালন- ৫৩২/৪)।
২১. “সে যে আজব গাছে, চন্দ্র সূর্য ফুল ফুটেছে, কী শোভা তাতে দেখাচ্ছে, বোঁটাহীন ফুল ধরে গাছে” (পবিত্র লালন- ৪৯১/২)।
২২. “সোনার দাঁড় ছিল একখানা, পবনের বৈঠা ময়ূরপঙ্খি না, গলুইতে ছিল ফুল তোলা গহণা, চন্দ্র সূর্য তারা জোৎস্না” (পবিত্র লালন- ৭২/২)।
(Some highly important quotations of Sun)
১. “ইন্দ্র দেবের সুপারিশে দরশন দান করবেন সাঁই, অষ্টকাঁধের ওপর বিচার করতে বসবে কাঁই, সূর্য সাড়েতিন হাত ওপর- তাপ দিবে মাথা বরাবর, বলন কয় সহস্রবছর টিকে থাকবে ভাগ্যবান” (বলন তত্ত্বাবলী- ৪৭)।
২. “এক নিরীক্ষ দেখ ধনী, সূর্যগত কমলিনী, দিনে বিকশিত তেমনি, নিশিতে মুদিত রহে, তেমনি যেন- ভক্তের লক্ষণ, একরূপে বাঁধে হিয়ে” (পবিত্র লালন- ৫০৬/৩)।
৩. “কোন্দিন সূর্যের অমাবস্যে, দেখি চাঁদের অমাবস্যা মাসেমাসে” (পবিত্র লালন- ৩৬১/১)।
৪. “চন্দ্রকান্তি সূর্যকান্তি, ধরে আছে আলেক পান্তি, যুগলগতি হলে একান্তি, পাবি মন প্রেম উপাসনা” (পবিত্র লালন- ৭৪৮/৩)।
৫. “চন্দ্র সূর্য যে গড়েছে, ডিম্বরূপে সে ভেসেছে, একদিন হিল্লোলে এসে, নিরঞ্জনের জন্ম হয়” (পবিত্র লালন- ৬৬৮/২)।
৬. “চন্দ্র সূর্য যে গঠেছে, তার খবর কে করেছে, শুনি নীরেতে নিরঞ্জন আছে, তবে নীরের জন্ম কে দিয়েছে” (পবিত্র লালন- ৯১৪/৩)।
৭. “নলিনী ও সূর্যের প্রেম যেমন, প্রেমের ভার লও রসিক সুজন, লালন বলে আগে ঠকলে, কাঁদলে শেষে সারবে না” (পবিত্র লালন- ৬৯২/৪)।
৮. “নিচে পদ্ম চরকবাণে, যুগলমিলন চাঁদ চকোরা, সূর্যের সঙ্গে নলিন কিরূপে হয় যুগল মিলন, না জেনে মন হলে কেবল, মায়াবশে মাতোয়ারা” (পবিত্র লালন- ৬০৩/১)।
৯. “নিশিতে সূর্য উদয় কোন্ দেশে, দিনে চাঁদের আলো আসে (গো), চাঁদ-সুরুজ এক অক্ষে ভাসে, তাকালে কেউ দেখে না” (বলন তত্ত্বাবলী- ১৫)।
১০. “পশ্চিমে যখন সূর্য উদয় হয়, মানবকর্মের হয়রে সারা, জন্মমৃত্যু দূরে যায়” (বলন তত্ত্বাবলী- ১৭৬)।
১১. “বলন কাঁইজি বিনয় করে কয়, ঘিরে এলো তেষট্টিবাই, ওরে পশ্চিমে সূর্য উদয়, হলো না জীবনে মোর” (বলন তত্ত্বাবলী- ৬৮)।
১২. “তিন তিনটি চন্দ্র উদয় আকাশ ভূমি পাতালে, পশ্চিমে সূর্য উদয় হয়গো ভরা সন্ধ্যাকালে” (বলন তত্ত্বাবলী- ১২৮)।
১৩. “পঞ্চবাণে তাপন নিরূপণ করিবার ভেদ বিচার, ষোলকলার জানলে বিধি থাকবে না কভু বিমার, হলে পশ্চিমে সূর্য উদয়- জন্মমরণ দূরে পালায়, বলন কয় নাই ভয়- ধরা পড়ে শ্যামকালা” (বলন তত্ত্বাবলী- ১৪০)।
১৪. “বড় নিগুম ঘরে আছেন সাঁই, যে ধামেতে বাস করেন সে, সেথা চন্দ্র সূর্যের কিরণ নাই” (পবিত্র লালন- ৬৬৮/১)।
১৫. “মনরে কবে ভবে সূর্যযোগ হয় করো বিবেচনা, চন্দ্রকান্তি যোগ মাসান্তি ভবে আছে জানা” (পবিত্র লালন- ৭৪৮/১)।
১৬. “মাসেমাসে চন্দ্রের উদয়, অমাবস্যা মাসান্তে হয়, সূর্যের অমাবস্যার নির্ণয়, জানতে হয় লিহাজ করে” (পবিত্র লালন- ৬০/২)।
১৭. “যেমন সবাই বলে দেহের সূর্য আকাশে নিয়া, তেমন আকাশের সাঁই ধরা পড়ে পাতালে গিয়া, বলন কয় খুঁজ সদায়, সাঁই ঘুরে নাকের কাছে” (বলন তত্ত্বাবলী- ১৪৯)।
১৮. “শক্তি সাঁই আত্মা ইন্দ্র, রিপু কর্ম ভাবকেন্দ্র, আকাশ ভূমি সূর্য চন্দ্র, চল্লিশগুণ চুরাশি” (বলন তত্ত্বাবলী- ১৫৬)।
১৯. “সূর্যের আগমন টের পায় যেজনা, সে পেয়েছে সূর্যসাধন, পেয়েছে নবির বেনা” (পবিত্র লালন- ৯৫৪/১)।
২০. “সূর্যের সঙ্গে আছে কমল, যতন করে তোল সে কমল, লালন ভেবে করে ঊল, মূলমানুষ তাতে আছে” (পবিত্র লালন- ৫৩২/৪)।
২১. “সে যে আজব গাছে, চন্দ্র সূর্য ফুল ফুটেছে, কী শোভা তাতে দেখাচ্ছে, বোঁটাহীন ফুল ধরে গাছে” (পবিত্র লালন- ৪৯১/২)।
২২. “সোনার দাঁড় ছিল একখানা, পবনের বৈঠা ময়ূরপঙ্খি না, গলুইতে ছিল ফুল তোলা গহণা, চন্দ্র সূর্য তারা জোৎস্না” (পবিত্র লালন- ৭২/২)।
সূর্যের ওপর একটি পূর্ণ বলন (A full Balon on the Sun)
“কোথায় সূর্য রাতে উদয়?
দিনে কোথায় চাঁদ দেখা যায়?
“কোথায় সূর্য রাতে উদয়?
দিনে কোথায় চাঁদ দেখা যায়?
চাঁদ সুরুজ একই দিনে
চলে প্রভাত অপরাহেৃ
রাতে কোথায় রয় দু’জনে
শূন্যে উঠে যায় কোথায়?
চলে প্রভাত অপরাহেৃ
রাতে কোথায় রয় দু’জনে
শূন্যে উঠে যায় কোথায়?
চন্দ্র সাদা সূর্য কালো
যাতে উদয় জ্ঞানের আলো
কোন্ সাধনে পাবো বল
তা এখন কারে শুধাই?
যাতে উদয় জ্ঞানের আলো
কোন্ সাধনে পাবো বল
তা এখন কারে শুধাই?
পুরাণীদের বিষ্ণু ব্রহ্মা
কুরানীদের রাসুল আল্লাহ
শাস্ত্রীয়রা পড়ে তওবাতুল্লাহ
বাঙালীদের সাঁই কাঁই।” (বলন তত্ত্বাবলী- ৮২)।
কুরানীদের রাসুল আল্লাহ
শাস্ত্রীয়রা পড়ে তওবাতুল্লাহ
বাঙালীদের সাঁই কাঁই।” (বলন তত্ত্বাবলী- ৮২)।
সূর্যের সংজ্ঞা (Definition of Sun)
সৌরজগতের কেন্দ্রীয় জ্যোতিষ্ককে সূর্য বলে।
সৌরজগতের কেন্দ্রীয় জ্যোতিষ্ককে সূর্য বলে।
সূর্যের আধ্যাত্মিক সংজ্ঞা (Theosophical definition of Sun)
মানবদেহে প্রাপ্ত কালোবর্ণ অমৃতজলকে সৃষ্টিকর্তা বা সূর্য বলে।
মানবদেহে প্রাপ্ত কালোবর্ণ অমৃতজলকে সৃষ্টিকর্তা বা সূর্য বলে।
সূর্যের প্রকারভেদ (Classification of Sun)
সূর্য দুই প্রকার। যথা- ১.উপমান সূর্য ও ২.উপমিত সূর্য।
১. উপমান সূর্য (Analogical Sun)
সৌরজগতের কেন্দ্রীয় জ্যোতিষ্ককে উপমান সূর্য বলে।
২. উপমিত সূর্য (Compared Sun)
মানবদেহে প্রাপ্ত কালোবর্ণ অমৃতজলকে সৃষ্টিকর্তা বা উপমিত সূর্য বলে।
সূর্য দুই প্রকার। যথা- ১.উপমান সূর্য ও ২.উপমিত সূর্য।
১. উপমান সূর্য (Analogical Sun)
সৌরজগতের কেন্দ্রীয় জ্যোতিষ্ককে উপমান সূর্য বলে।
২. উপমিত সূর্য (Compared Sun)
মানবদেহে প্রাপ্ত কালোবর্ণ অমৃতজলকে সৃষ্টিকর্তা বা উপমিত সূর্য বলে।
সূর্যস্নান (Sunbathing)
সূর্যস্নান বি রৌদ্রস্নান, দেহে সূর্যকিরণ উপভোগ, সূর্যকিরণে সর্বাঙ্গ অভিষিক্তকরণ, Sunbathing {বাং.সূর্য+ বাং.স্নান}
সূর্যস্নান বি রৌদ্রস্নান, দেহে সূর্যকিরণ উপভোগ, সূর্যকিরণে সর্বাঙ্গ অভিষিক্তকরণ, Sunbathing {বাং.সূর্য+ বাং.স্নান}
বর্তামন বিজ্ঞানের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী সূর্য শক্তির কেন্দ্রবিন্দু।
সর্ব প্রকার শক্তি কেবল সূর্য হতেই নির্গত হয়ে থাকে। এক কথায় বলতে গেলে
আমাদের বিশ্ব অস্তিত্বশীল কেবল সূর্যের কারণে। বিশ্বের সবই প্রাণীই সূর্য
হতে প্রাণশক্তি আহরণ করে। এ শক্তি অনেক ও অঢেল। সে জন্য সৌরশক্তি অধিক
মাত্রায় গ্রহণ করা উচিৎ।
সূর্যের পরিচয় (Identity of Sun)
এটি রূপকসাহিত্যের বৈক্তিকসদস্য সারণির ‘সৃষ্টিকর্তা’ পরিবারের অধীন একটি ‘উপমানপরিভাষা’ বিশেষ। সারাবিশ্বের সর্ব প্রকার শাস্ত্রীয় ও পারম্পরিক গ্রন্থ-গ্রন্থিকায় এর ন্যূনাধিক ব্যবহার লক্ষ্য করা যায়। তবে এ পরিভাষাটি একেক গ্রন্থে একেক ভাষায় ব্যবহার হওয়ার কারণে সাধারণ পাঠক-পাঠিকা ও শ্রোতাদের তেমন দৃষ্টিগোচর হয় না।
এটি রূপকসাহিত্যের বৈক্তিকসদস্য সারণির ‘সৃষ্টিকর্তা’ পরিবারের অধীন একটি ‘উপমানপরিভাষা’ বিশেষ। সারাবিশ্বের সর্ব প্রকার শাস্ত্রীয় ও পারম্পরিক গ্রন্থ-গ্রন্থিকায় এর ন্যূনাধিক ব্যবহার লক্ষ্য করা যায়। তবে এ পরিভাষাটি একেক গ্রন্থে একেক ভাষায় ব্যবহার হওয়ার কারণে সাধারণ পাঠক-পাঠিকা ও শ্রোতাদের তেমন দৃষ্টিগোচর হয় না।
সাধারণত সৌরজগতের কেন্দ্রীয় জ্যোতিষ্ককে সূর্য বলা হয় কিন্তু
রূপকসাহিত্যে মানবদেহে প্রাপ্ত কালোবর্ণ অমৃতজলকে সৃষ্টিকর্তা বা সূর্য বলা
হয়। রূপকসাহিত্যে ব্যবহৃত সূর্য পরিভাষাটি দ্বারা কখনই সৌরজগতের কেন্দ্রীয়
জ্যোতিষ্ক সূর্যকে বুঝায় না। বরং সূর্য দ্বারা সর্বদাই কাঁই বা ঈশ্বরই
বুঝায়।
অথচ অত্যন্ত দুঃখ ও পরিতাপের বিষয় হলো সারাবিশ্বের শাস্ত্রীয় মতানুসারী
পণ্ডিত, বক্তা, বৈখ্যিক, টৈকিক, অভিধানবেত্তা ও অনুবাদকরা মরমী, শাস্ত্রীয় ও
পারম্পরিক গ্রন্থ-গ্রন্থিকার মধ্যে ব্যবহৃত ‘সূর্য’ পরিভাষাটির দ্বারা
সৌরজগতের কেন্দ্রীয় জ্যোতিষ্ককেই বুঝেন ও বুঝিয়ে থাকেন। দৈহিক সূর্যকে
পরিত্যাগ করে সৌরজগতের সূর্য নিয়ে কোটিবছর পর্যন্ত কোটি কোটি ব্যাখ্যা
বিশ্লেষণ লেখলে বা বর্ণনা করলেও তার নিজের ও বিশ্ববাসির তিল পরিমাণও উপকার
হবে না।
প্রপক
আর্যদের উপাস্য দেবতা সূর্য। আর্যজাতির বিভিন্ন শাখায় সূর্যের উপাসনা দেখতে পাওয়া যায়। তিনি গ্রীকদের ‘Helios (হিলিস)’, লাতিনদের ‘Sol (সোল)’, টিউটনদের ‘Tyr (টাইর)’ এবং ইরানিদের ‘(ﺨﻮﺮﺸﻴﺪ) (খুরশিদ)’। সূর্য, সবিতা, আদিত্য, বিবস্বান ও ভানু- এ পাঁচটি বিভিন্ন নামে সূর্যের স্তুতি করতে দেখা যায়। বিভিন্ন সময়ে ও মহিমায় সূর্যকে এরূপ ভিন্নভিন্ন নামে চিহ্নিত করা হয়েছিল। যাস্ক বলেন- আকাশ হতে যখন অন্ধকার যায়, তখন কিরণ বিস্তৃত হয়, সে সবিতার কাল। সায়ন বলেন- সূর্য উদয়ের পূর্বে যে মূর্তি তাই সবিতা এবং উদয় হতে অস্ত পর্যন্ত যে মূর্তি সে সূর্য। এ সূর্যের উদয়গিরিতে আরোহণ, মধ্য আকাশে স্থিতি এবং অস্তাচলে অস্তগমন, এ তিনটি ব্রহ্মার পদবিক্ষেপ বলে বর্ণিত হয়েছে। বিবস্বান শব্দে আকাশও বুঝায়। অহোরাত্র বিভাগের কর্তা অর্যমা। তিনি মিত্র ও বরুণের (দিবা ও রাত্রির) মধ্যবর্তী দেবতা।
আর্যদের উপাস্য দেবতা সূর্য। আর্যজাতির বিভিন্ন শাখায় সূর্যের উপাসনা দেখতে পাওয়া যায়। তিনি গ্রীকদের ‘Helios (হিলিস)’, লাতিনদের ‘Sol (সোল)’, টিউটনদের ‘Tyr (টাইর)’ এবং ইরানিদের ‘(ﺨﻮﺮﺸﻴﺪ) (খুরশিদ)’। সূর্য, সবিতা, আদিত্য, বিবস্বান ও ভানু- এ পাঁচটি বিভিন্ন নামে সূর্যের স্তুতি করতে দেখা যায়। বিভিন্ন সময়ে ও মহিমায় সূর্যকে এরূপ ভিন্নভিন্ন নামে চিহ্নিত করা হয়েছিল। যাস্ক বলেন- আকাশ হতে যখন অন্ধকার যায়, তখন কিরণ বিস্তৃত হয়, সে সবিতার কাল। সায়ন বলেন- সূর্য উদয়ের পূর্বে যে মূর্তি তাই সবিতা এবং উদয় হতে অস্ত পর্যন্ত যে মূর্তি সে সূর্য। এ সূর্যের উদয়গিরিতে আরোহণ, মধ্য আকাশে স্থিতি এবং অস্তাচলে অস্তগমন, এ তিনটি ব্রহ্মার পদবিক্ষেপ বলে বর্ণিত হয়েছে। বিবস্বান শব্দে আকাশও বুঝায়। অহোরাত্র বিভাগের কর্তা অর্যমা। তিনি মিত্র ও বরুণের (দিবা ও রাত্রির) মধ্যবর্তী দেবতা।
ঋগ্বেদের ১০টি সুক্তে সূর্যের স্তুতি করা হয়েছে। এ সূর্য জড়
জ্যোতিষ্কপি- নন। তিনি সূর্যমণ্ডল মধ্যবর্তী দেবতা বা প্রতীতি। আলোক
উদ্ভাসিত আকাশ তাঁর মুখ, সূর্যমণ্ডল তাঁর চোখ, তিনি হিরণ্যপাণি, সর্বদর্শী,
বিশ্বভুবনের চর, মর্ত্যজনের সৎ ও অসৎ কর্মের সাক্ষী। সপ্তাশ্ব যোজিত
একচক্র রথে তিনি বিশ্ব পর্যটন করেন। বরুণ তাঁর পথ পরিষ্কার করে দেন। সূর্য
মনুষ্যদের কর্মে প্রবর্তিত ও জাগ্রত করেন। তিনি স্থাবর ও জঙ্গম সব পদার্থের
প্রাণস্বরূপ। বিশ্বের সব প্রাণী তাঁর অধীন, তিনি বিশ্ব স্রষ্টা। সূর্যের
মাতা দ্যৌঃ বা অদিতি। ধাতা সূর্য ও চন্দ্রকে কল্পনা করে সৃষ্টি করেছেন।
অশ্বিদ্বয় সূর্যের পুত্র। ঊষা সূর্যের জনয়িত্রী। সূর্য অনিন্দ
সুন্দরিপ্রণয়িনী দেবির ন্যায় আগমন করেন। তিনি ঊষার কোলে দীপ্তি পান আবার
ঊষা সূর্যের স্ত্রী। তিনি পুরুষের চক্ষু হতে উৎপন্ন। তিনি আকাশে পক্ষীর
ন্যায় বা বৃষের ন্যায় বা উজ্জ্বল অশ্বের ন্যায় বিচরণ করেন। তিনি আকাশের
রত্ন, উজ্জ্বল অস্ত্র ও রথের চক্র। মিত্রাবরুণ তাঁকে মেঘ ও বৃষ্টি দ্বারা
আবৃত করেন। ইন্দ্র সূর্যকে পরাজিত করে তাঁর রথচক্র হরণ করেন অর্থাৎ মেঘে বা
সূর্যগ্রহণে সূর্যমণ্ডল আবৃত হয়ে পড়ে। স্বর্ভানু রাক্ষস অন্ধকারে সূর্যকে
আচ্ছাদন করে গ্রহণ করে। অত্রি সূর্যকে মুক্ত করে আবার আলোক প্রতিষ্ঠিত
করেন। অথর্ববেদে সর্ব প্রথম রাহুর উল্লেখ পাওয়া যায়।
সূর্য সময়ের সৃষ্টিকর্তা। তিনি ৩৬০ দিনে সম্বৎসর গঠন করেন। সূর্যচক্রে
১২টি অরা (মাস) আছে। তা আকাশে ৭২০ বার (৩৬০টি রাত্র ও ৩৬০টি দিবা) আবর্তিত
হয়। অথর্ববেদে ও আরণ্যকে সপ্তসূর্যের উল্লেখ রয়েছে। একে ঋগ্বেদে সপ্তাশ্ব ও
সপ্তরশ্মি বলা হয়েছে। রামায়ণ ও মহাভারত মতে- সূর্য কশ্যপ ও অদিতির পুত্র।
সে জন্য সূর্যের আরেক নাম আদিত্য। বিশ্বকর্মার কন্যা সংজ্ঞার সাথে সূর্যের
বিবাহ হয় এবং সংজ্ঞার গর্ভে বৈবস্বত, মনু, যম ও যমুনা নামক তিনটি সন্তান
হয়। সূর্যের প্রখর দ্যুতি ও শক্তি সহ্য করতে না পেরে সংজ্ঞা স্বানুরূপা
ছায়াকে সৃষ্টি করেন এবং স্বামির সঙ্গিনিরূপে তাঁর কাছে পাঠিয়ে,
উত্তরকুরুবর্ষে অশ্বরূপ ধারণ করে ভ্রমণ করতে থাকেন। ছায়া সূর্যের পরিচর্যায়
রত হন। ছায়াকে সংজ্ঞা মনে করে সূর্য তাঁর গর্ভে দুই পুত্র ও এক কন্যা জন্ম
দেন। জ্যেষ্ঠ সাবর্ণি মনু, দ্বিতীয় শনি ও কন্যা তপতী। পরে সংজ্ঞার শঠতা
বুঝতে পেরে সূর্য অশ্বরূপ ধারণ করে উত্তরকরুতে গিয়ে সংজ্ঞার সঙ্গে মিলিত
হন। ফলে অশ্বিনী কুমারদ্বয়ের জন্ম হয়। তারপর সূর্য সংজ্ঞাকে ফিরিয়ে আনেন।
বিশ্বকর্মা সূর্যের উগ্র শক্তি হ্রাস করার জন্য তাঁর দেহের অষ্টম অংশ
ছেদন করে দেন। এসব কর্তিত অংশ জলন্ত অবস্থায় পৃথিবীতে পতিত হলে বিশ্বকর্মা
এসব জলন্ত অংশ দ্বারা বিষ্ণুর চক্র, শিবের ত্রিশূল, কুবেরের অশ্ব,
কার্তিকেয়ের তরবারি ও অন্যান্য প্রতীতিদের অস্ত্র প্রস্তুত করেন। মহাভারত
অনুসারে সূর্যের ঔরসে ও কুন্তীর গর্ভে কর্ণের জন্ম হয়। ঋক্ষরজার গ্রীবায়
পতিত সূর্যের শুক্র থেকে সুগ্রীবের জন্ম হয়। বৈবস্বত মনু ইক্ষাকুর পিতা।
অতএব সূর্যের পৌত্র হতে সূর্যবংশের নাম নির্ধারিত হয়। চন্দ্রবংশীয় সংবরণের
সঙ্গে সূর্যকন্যা তপতীর বিবাহ হয়।
পর্যালোচনা (Review)
প্রপক আলোচনা করার পর আমাদের মনে হয় আর কেউই রূপকসাহিত্যে বর্ণিত সূর্য দ্বারা সৌরজগতের কেন্দ্রীয় নক্ষত্রকে বুঝানোর মতো ধৃষ্টতা দেখাতে প্রয়াসী হবেন না। যেমন বেদ, ত্রিপিটক, তৌরাত, যাবুর, ইঞ্জিল, কুরান, লালন ও বলন ইত্যাদি রূপকসাহিত্যে বর্ণিত সূর্য দ্বারা কখনই সৌরমণ্ডলের কেন্দ্রীয় জ্যোতিষ্ককে বুঝানো হয় না। বরং সূর্য দ্বারা সব সময়ই জীবসৃষ্টিকারী এক প্রকার মানবরসকে বুঝানো হয়। মানবদেহের ক্ষেত্রে তাকে ‘কালিয়া’ বলা হয়। এ কালিয়ারই ছদ্মনাম ‘কাঁই’। তাই কাঁইকে জীবের সৃষ্টিকর্তা বলা হয়। পক্ষান্তরে বাংভারতের শাস্ত্রীয় মতানুসারী পণ্ডিত ও বক্তারা সূর্য বলতে কেবল সৌরজগতের কেন্দ্রীয় জ্যোতিষ্ককেই বুঝেন ও বুঝিয়ে থাকেন। জীবনবিধান দ্বারা তারা সৌরবিধানের ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণাদি করে থাকেন। যদিও জীবনবিধান দ্বারা জীবনের সমাধান এবং সৌরবিধান দ্বারা সৌরসমাধান করাই বুদ্ধিমানের কাজ ছিল।
প্রপক আলোচনা করার পর আমাদের মনে হয় আর কেউই রূপকসাহিত্যে বর্ণিত সূর্য দ্বারা সৌরজগতের কেন্দ্রীয় নক্ষত্রকে বুঝানোর মতো ধৃষ্টতা দেখাতে প্রয়াসী হবেন না। যেমন বেদ, ত্রিপিটক, তৌরাত, যাবুর, ইঞ্জিল, কুরান, লালন ও বলন ইত্যাদি রূপকসাহিত্যে বর্ণিত সূর্য দ্বারা কখনই সৌরমণ্ডলের কেন্দ্রীয় জ্যোতিষ্ককে বুঝানো হয় না। বরং সূর্য দ্বারা সব সময়ই জীবসৃষ্টিকারী এক প্রকার মানবরসকে বুঝানো হয়। মানবদেহের ক্ষেত্রে তাকে ‘কালিয়া’ বলা হয়। এ কালিয়ারই ছদ্মনাম ‘কাঁই’। তাই কাঁইকে জীবের সৃষ্টিকর্তা বলা হয়। পক্ষান্তরে বাংভারতের শাস্ত্রীয় মতানুসারী পণ্ডিত ও বক্তারা সূর্য বলতে কেবল সৌরজগতের কেন্দ্রীয় জ্যোতিষ্ককেই বুঝেন ও বুঝিয়ে থাকেন। জীবনবিধান দ্বারা তারা সৌরবিধানের ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণাদি করে থাকেন। যদিও জীবনবিধান দ্বারা জীবনের সমাধান এবং সৌরবিধান দ্বারা সৌরসমাধান করাই বুদ্ধিমানের কাজ ছিল।
আমরা আরো শক্ত করে বলতে পারি- পবিত্র বেদ, ত্রিপিটক, তৌরাত, যাবুর, ইঞ্জিল, কুরান, লালন, জালাল ও বলন গ্রন্থাদির মধ্যে ব্যবহৃত ‘সূর্য’ পরিভাষাটি দ্বারা কখনই সৌরজগতের কেন্দ্রীয় জ্যোতিষ্ক সূর্যকে বুঝানো হয়নি। বরং ‘সূর্য’
পরিভাষাটির দ্বারা সর্বদাই দেহজগতের কাঁইকেই বুঝানো হয়েছে। ওপরের
উদ্ধৃতিগুলো দেখুন! কোন্ উদ্ধৃতি দ্বারা সৌরসূর্যকে বুঝানো হয়েছে নিরীক্ষা
করুন?
স্মরণীয় যে বিজ্ঞান ও জ্যোতিষ শাস্ত্রে আলোচনা করা হয় ‘সৌরসূর্য’ (Solar Sun) নিয়ে। কিন্তু রূপকসাহিত্যে আলোচনা করা হয় কেবল ‘বৈক্তিকসূর্য’ (Personal Sun) নিয়ে। বৈক্তিকসূর্য হলো জীবের সৃষ্টিকর্তা স্বয়ং ‘কাঁই’। আর কাঁইকেই রূপকসাহিত্যে ‘সূর্য’
বলা হয়। অর্থাৎ শাস্ত্রীয়রা বৈক্তিক সূর্যের ব্যাখ্যা করে সৌরসূর্য
দ্বারা। তাই তারা পবিত্র গ্রন্থাদির প্রকৃতশিক্ষা হতে চির বঞ্চিত। তারা
দেহের সূর্যের সংবাদ না নিয়ে সৌরসূর্যের সংবাদ নিতে ব্যস্ত থাকে।
(সংক্ষিপ্ত)
সূত্রতথ্যঃ আত্মতত্ত্ব ভেদ (৬ষ্ঠ খণ্ড)
লেখকঃ বলন কাঁইজি
সূত্রতথ্যঃ আত্মতত্ত্ব ভেদ (৬ষ্ঠ খণ্ড)
লেখকঃ বলন কাঁইজি
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন