৫৭/৩. ‘ইহধাম’ (‘বর্তমানজনম’ ৪র্থ পর্বের ২য় পর্ব বিশেষ)। এটি রূপকসাহিত্যের বৈক্তিকসদস্য সারণির ৫৭ নং ‘বর্তমানজনম’ মূলকের অধীন একটি ‘উপমানপরিভাষা’ বিশেষ। এর অন্যান্য সদস্যগুলো হচ্ছে- ১.বর্তমানজনম, ২.ইহকাল ও ৩.ইহলোক। বলন কাঁইজির নির্মিত ‘আত্মতত্ত্ব ভেদ’ (৫ম খণ্ড) গ্রন্থে এ মূলকের অধীন অন্যান্য সদস্যগুলো সবিস্তারে আলোচনা করা হয়েছে।
———————————————————————————
ইহধাম
Organism (ওর্গানিজিম)/ ‘المتعضي’ (আলমাতায়াদি)
এটি রূপকসাহিত্যের বৈক্তিকসদস্য সারণির ‘বর্তমানজনম’ পরিবারের অন্যতম একটি ‘উপমানপরিভাষা’। এর মূলক ‘বর্তমানজনম’, রূপকপরিভাষা ‘ইহকাল’ এবং ছদ্মনামপরিভাষা ‘ইহলোক’।
———————————————————————————
ইহধাম
Organism (ওর্গানিজিম)/ ‘المتعضي’ (আলমাতায়াদি)
এটি রূপকসাহিত্যের বৈক্তিকসদস্য সারণির ‘বর্তমানজনম’ পরিবারের অন্যতম একটি ‘উপমানপরিভাষা’। এর মূলক ‘বর্তমানজনম’, রূপকপরিভাষা ‘ইহকাল’ এবং ছদ্মনামপরিভাষা ‘ইহলোক’।
ইহধাম (রূপ)বি ইহলোক, ইহকাল, ইহজনম এপার, জীবিতকাল, এজন্ম, জন্ম হতে প্রয়াণকাল পর্যন্ত সময়, Organism (ওর্গানিজিম), ‘المتعضي’ (আলমাতায়াদি) বিপ পরকাল, ‘ﺍﺨﺮﺓ’ (আখিরাত) (আবি)বি বর্তমানজনম, জীবিতকাল, Armageddon life (আর্মাগেডান লাইফ), ‘ﺤﻴﺎﺓ ﺍﻠﻓﺎﻨﻴﺔ’ (হায়াতুল ফানিয়া) (আপ)বি হাশর (আ.ﺤﺸﺭ) (ইপ)বি regeneration (রিজেনারেশন) (দেপ্র) এটি রূপকসাহিত্যের বৈক্তিকসদস্য সারণির ‘বর্তমানজনম’ পরিবারের ‘উপমানপরিভাষা’ ও রূপকসাহিত্যের একটি পরিভাষা বিশেষ (সংজ্ঞা) বর্তমান জীবনকালকে ইহধাম বলা হয় (ছনা)বি ইহলোক (উপ)বি ইহধাম (রূ)বি ইহকাল (দেত)বি বর্তমানজনম {বাং.ইহ+ বাং.ধাম}
‘ﻋﺎﺠﻠﺔ’ [আজিল্লা] বি ইহকাল, তাড়াতাড়ি, তাৎক্ষণাৎ, তাৎক্ষণিক {আ}
‘ﺍﺨﺮﺓ’ [আখিরাত] বি পরকাল, প্রয়াণোত্তরকাল {আ}
‘ﻋﺎﺠﻠﺔ’ [আজিল্লা] বি ইহকাল, তাড়াতাড়ি, তাৎক্ষণাৎ, তাৎক্ষণিক {আ}
‘ﺍﺨﺮﺓ’ [আখিরাত] বি পরকাল, প্রয়াণোত্তরকাল {আ}
ইহধামের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্ধৃতি
(Some highly important quotations of Organism)
১. “ইহকালে ভোগ করে সুখ, পরে যদি হলো অসুখ, লালন বলে মনরে, শাস্ত্রীয়বাদের জন্য অসুখ ভালো” (পবিত্র লালন- ২৪০/৪)।
২. “ইহকালের পরে পরকাল, আছে সেথা হাজার আল, বলন কয় কাটরে বাঁধাল, বায়ু হাজারী সাধু সেজে” (বলন তত্ত্বাবলী- ১৭৩)।
৩. “থেকে সাধুর চরণতলে, স্থুলজ্ঞান সূক্ষ্ম হলে, পরকাল পাবি ইহকালে, বলন কয় ভেদখানা” (বলন তত্ত্বাবলী- ২৪৩)।
৪. “মান করো না ওগো রাধে, তোমায় করি মানা, মান করলে ইহকালে, তোমার কাছে কেউ যাবে না” (পবিত্র লালন- ৭৭৭/১)।
৫. “মান ছেড়ে দাও ওগো রাধে, কৃষ্ণ কেঁদে কেঁদে কয়, কৃষ্ণ গেলে ইহকালে, তোমার কোন গতি নাই” (পবিত্র লালন- ৭৭৮/১)।
৬. “মন সত্য সূক্ষ্মজগৎ বিনে পরকাল পাবি না, স্থুলজগৎ ইহকাল বলে অভিধানে রচনা” (বলন তত্ত্বাবলী- ২৪৩)।
(Some highly important quotations of Organism)
১. “ইহকালে ভোগ করে সুখ, পরে যদি হলো অসুখ, লালন বলে মনরে, শাস্ত্রীয়বাদের জন্য অসুখ ভালো” (পবিত্র লালন- ২৪০/৪)।
২. “ইহকালের পরে পরকাল, আছে সেথা হাজার আল, বলন কয় কাটরে বাঁধাল, বায়ু হাজারী সাধু সেজে” (বলন তত্ত্বাবলী- ১৭৩)।
৩. “থেকে সাধুর চরণতলে, স্থুলজ্ঞান সূক্ষ্ম হলে, পরকাল পাবি ইহকালে, বলন কয় ভেদখানা” (বলন তত্ত্বাবলী- ২৪৩)।
৪. “মান করো না ওগো রাধে, তোমায় করি মানা, মান করলে ইহকালে, তোমার কাছে কেউ যাবে না” (পবিত্র লালন- ৭৭৭/১)।
৫. “মান ছেড়ে দাও ওগো রাধে, কৃষ্ণ কেঁদে কেঁদে কয়, কৃষ্ণ গেলে ইহকালে, তোমার কোন গতি নাই” (পবিত্র লালন- ৭৭৮/১)।
৬. “মন সত্য সূক্ষ্মজগৎ বিনে পরকাল পাবি না, স্থুলজগৎ ইহকাল বলে অভিধানে রচনা” (বলন তত্ত্বাবলী- ২৪৩)।
ইহধামের সংজ্ঞা (Definition of Organism)
বর্তমান জীবনকালকে ইহধাম বলে।
বর্তমান জীবনকালকে ইহধাম বলে।
ইহধামের পরিচয় (Identity of Organism)
এটি রূপকসাহিত্যের বৈক্তিকসদস্য সারণির ‘বর্তমানজনম’ পরিবারের অধীন একটি ‘উপমানপরিভাষা’ বিশেষ। বর্তমান জীবনকালকে ইহকাল বলা হয় বা প্রত্যেক মানবজনমকেই ইহধাম বলা হয়। মানবসন্তানরূপে জন্মগ্রহণ করে জ্ঞানপ্রাপ্ত ও বয়োঃপ্রাপ্ত হওয়ার পর আবার সন্তানরূপে জন্মগ্রহণ করাকে পরধাম বা পরকাল বলা হয়। যেমন পিতা-পুত্রের ক্ষেত্রে পিতা ইহধাম বা ইহকাল এবং পুত্র পরধাম বা পরকাল। তদ্রূপ মাতা-কন্যার ক্ষেত্রেও মাতা ইহধাম বা ইহকাল ও কন্যা পরধাম বা পরকাল।
———————————————————————————————
(সংক্ষিপ্ত সংকলন)
তথ্যসূত্রঃ
আত্মতত্ত্ব ভেদ (৫ম খণ্ড)
লেখকঃ বলন কাঁইজি
এটি রূপকসাহিত্যের বৈক্তিকসদস্য সারণির ‘বর্তমানজনম’ পরিবারের অধীন একটি ‘উপমানপরিভাষা’ বিশেষ। বর্তমান জীবনকালকে ইহকাল বলা হয় বা প্রত্যেক মানবজনমকেই ইহধাম বলা হয়। মানবসন্তানরূপে জন্মগ্রহণ করে জ্ঞানপ্রাপ্ত ও বয়োঃপ্রাপ্ত হওয়ার পর আবার সন্তানরূপে জন্মগ্রহণ করাকে পরধাম বা পরকাল বলা হয়। যেমন পিতা-পুত্রের ক্ষেত্রে পিতা ইহধাম বা ইহকাল এবং পুত্র পরধাম বা পরকাল। তদ্রূপ মাতা-কন্যার ক্ষেত্রেও মাতা ইহধাম বা ইহকাল ও কন্যা পরধাম বা পরকাল।
———————————————————————————————
(সংক্ষিপ্ত সংকলন)
তথ্যসূত্রঃ
আত্মতত্ত্ব ভেদ (৫ম খণ্ড)
লেখকঃ বলন কাঁইজি
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন