৯৮/১১. সৃষ্টিকর্তা প্রসঙ্গঃ ‘কালু’ (১৬ পর্বের ১১তম
পর্ব বিশেষ) (আধ্যাত্মিকবিদ্যা, আত্মতত্ত্ব, আত্মদর্শন, দেহতত্ত্ব,
পরম্পরাতত্ত্ব, দিব্যজ্ঞান, স্বরূপদর্শন, নরত্বারোপ ও বলনদর্শন টীকা)
কালু
Raven (র্যাভেন)/ ‘أسحم’ (আসহাম)
Raven (র্যাভেন)/ ‘أسحم’ (আসহাম)
এটি রূপকসাহিত্যের বৈক্তিকসদস্য সারণির ব্যাপকপরিবারের অন্যতম একটি ‘চারিত্রিকপরিভাষা’। এর মূলকসদস্য ‘সৃষ্টিকর্তা’, রূপকপরিভাষা ‘কাঁই’, উপমানপরিভাষা ‘ঘি, নীর, পীযূষ, মধু, শস্য ও সূর্য’, অন্যান্য চারিত্রিকপরিভাষা ‘অসিত, কালা ও কৃষ্ণ’ এবং ছদ্মনামপরিভাষা ‘আদি, স্রষ্টা, স্বায়ম্ভু ও হর’।
কালু বিণ অসিত, কালা, কালো, শ্যাম, শ্যামল, শ্যামলা, কৃষ্ণবর্ণ, কালোবর্ণ, শ্যামবর্ণ (প্র) বাংলা ‘গাজি-কালু’ নামক লোকসাহিত্যের গাজির বড় ভ্রাতা বিশেষ, Raven (র্যাভেন), ‘أسحم’ (আসহাম) (আবি)বি
১.কাঁই, কালা, কালু, কেলে, কালিয়া, কৃষ্ণ, কাজলা, ব্রহ্মা, বিরিঞ্চি,
শ্যাম, শ্যামল, শ্যামলা, melanin (মিলেনিন), ‘ميلانين’ (মিলেনিন) ২.ঈশ্বর,
অনন্ত, কালোঈশ্বর, প্রজাপতি, হিরণ্যগর্ভ, বিধাতা, বিবস্বান, স্বায়ম্ভু (আদৈ)বি আল্লাহ (আ.ﺍﻠﻠﻪ), ইসা (আ.ﻋﻴﺴﻰٰ), মসিহ (আ.ﻤﺴﻴﺢ), শাম (আ.ﺷﺄﻢ), শামস (আ.ﺸﻤﺲ), শিশ (আ.ﺸﻴﺶ) (ইদৈ)বি লর্ড (Lord), মেকার (maker), ডিজাইনার (designer) (দেপ্র) এটি রূপকসাহিত্যের বৈক্তিকসদস্য সারণির ‘সৃষ্টিকর্তা’ পরিবারের ‘চারিত্রিকপরিভাষা’ ও রূপকসাহিত্যের একটি পরিভাষা বিশেষ (সংজ্ঞা) ১.সাধারণত কালোবর্ণ লোককে কালু বলা হয় ২.কালোবর্ণের অমৃত মানবজলকে সৃষ্টিকর্তা বা কালু বলা হয় (ছনা)বি আদি, স্রষ্টা, স্বায়ম্ভু ও হর (চরি)বি অসিত, কালা, কালু ও কৃষ্ণ (উপ)বি ঘি, নীর, পীযূষ, মধু, শস্য ও সূর্য (রূ)বি কাঁই (দেত)বি সৃষ্টিকর্তা।
কালুর সংজ্ঞা (Definition of Raven)
সাধারণত কালোবর্ণ লোককে কালু বলে।
সাধারণত কালোবর্ণ লোককে কালু বলে।
কালুর আধ্যাত্মিক সংজ্ঞা (Theosophical definition of Raven)
কালোবর্ণের অমৃত মানবজলকে সৃষ্টিকর্তা বা কালু বলে।
কালোবর্ণের অমৃত মানবজলকে সৃষ্টিকর্তা বা কালু বলে।
কালুর প্রকারভেদ (Variations of Raven)
কালু দুই প্রকার। যথা- ১.উপমান কালু ও ২.উপমিত কালু।
কালু দুই প্রকার। যথা- ১.উপমান কালু ও ২.উপমিত কালু।
১. উপমান কালু (Analogical Raven)
সাধারণত কালোবর্ণ লোককে উপমান কালু বলে।
সাধারণত কালোবর্ণ লোককে উপমান কালু বলে।
২. উপমিত কালু (Compared Raven)
রূপকসাহিত্যে কালোবর্ণের অমৃত মানবজলকে উপমিত কালু বলে।
রূপকসাহিত্যে কালোবর্ণের অমৃত মানবজলকে উপমিত কালু বলে।
কালুর পরিচয় (Identity of Raven)
এটি রূপকসাহিত্যের বৈক্তিকসদস্য সারণির ‘সৃষ্টিকর্তা’ পরিবারের অধীন একটি ‘চারিত্রিকপরিভাষা’ বিশেষ। সারাবিশ্বের সর্ব প্রকার শাস্ত্রীয় ও পারম্পরিক গ্রন্থ-গ্রন্থিকায় সর্বাধিক ব্যবহার লক্ষ্য করা যায়। কিন্তু বিশ্বের একেক দেশে একেক ভাষায় এ পরিভাষাটি ব্যবহার হওয়ার কারণে সাধারণ পাঠকরা এর গুরুত্ব তেমন অনুভব করতে পারে না। এটি মানবদেহের রজ জাতীয় একটি সত্তা বিশেষ। প্রথমে এর এর প্রতি নরত্বারোপ করা হয়। অতঃপর একে ব্যক্তিরূপে উপস্থাপন করা হয়। তারপর এর দ্বারা অভিনয় করানো হয়। কিন্তু সাধারণ শাস্ত্রীয়রা স্বস্ব শাস্ত্রাদি পাঠ করে একে রক্ত-মাংসে নির্মিত মানুষ মনে করে বসেন। এর দ্বারা কোন ঘটনা ঘটানো হলে তাকে ইতিহাস বলে মনে করেন। প্রকৃত ব্যাপার হলো সাহিত্যিক চরিত্র বা ঔপন্যাসিক চরিত কখনই বাস্তব নয়। তবে ঐতিহাসিক চরিত্র অবশ্যই বাস্তব। যেমন- নবাব সিরাজদৌলা বাস্তব। শেখ মুজিবর রহমান বাস্তব। কিন্তু রামায়ণের রাম ও কারবালার হোসেন বাস্তব নয়।
এটি রূপকসাহিত্যের বৈক্তিকসদস্য সারণির ‘সৃষ্টিকর্তা’ পরিবারের অধীন একটি ‘চারিত্রিকপরিভাষা’ বিশেষ। সারাবিশ্বের সর্ব প্রকার শাস্ত্রীয় ও পারম্পরিক গ্রন্থ-গ্রন্থিকায় সর্বাধিক ব্যবহার লক্ষ্য করা যায়। কিন্তু বিশ্বের একেক দেশে একেক ভাষায় এ পরিভাষাটি ব্যবহার হওয়ার কারণে সাধারণ পাঠকরা এর গুরুত্ব তেমন অনুভব করতে পারে না। এটি মানবদেহের রজ জাতীয় একটি সত্তা বিশেষ। প্রথমে এর এর প্রতি নরত্বারোপ করা হয়। অতঃপর একে ব্যক্তিরূপে উপস্থাপন করা হয়। তারপর এর দ্বারা অভিনয় করানো হয়। কিন্তু সাধারণ শাস্ত্রীয়রা স্বস্ব শাস্ত্রাদি পাঠ করে একে রক্ত-মাংসে নির্মিত মানুষ মনে করে বসেন। এর দ্বারা কোন ঘটনা ঘটানো হলে তাকে ইতিহাস বলে মনে করেন। প্রকৃত ব্যাপার হলো সাহিত্যিক চরিত্র বা ঔপন্যাসিক চরিত কখনই বাস্তব নয়। তবে ঐতিহাসিক চরিত্র অবশ্যই বাস্তব। যেমন- নবাব সিরাজদৌলা বাস্তব। শেখ মুজিবর রহমান বাস্তব। কিন্তু রামায়ণের রাম ও কারবালার হোসেন বাস্তব নয়।
মানবদেহে কালোবর্ণের এক প্রকার রস রয়েছে। রূপকসাহিত্যে এ কালোবর্ণের
রসকেই কালু বলা হয়। সৃষ্টিক্রিয়ায় সর্ব প্রথমে অংশগ্রহণ করে বলেই এ রসকে
সৃষ্টিকর্তা বলা হয়। এ রসকেই আরবিতে আল্লাহ (ﺍﻠﻠﻪ) এবং ইংরেজিতে লর্ড
(Lord) বলা হয়।
সংক্ষিপ্ত
সূত্রতথ্যঃ
আত্মতত্ত্ব ভেদ (৬ষ্ঠ খণ্ড)
লেখকঃ বলন কাঁইজি
সূত্রতথ্যঃ
আত্মতত্ত্ব ভেদ (৬ষ্ঠ খণ্ড)
লেখকঃ বলন কাঁইজি
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন