শনিবার, ২৯ নভেম্বর, ২০১৪

রূপকসাহিত্য প্রসঙ্গঃ

রূপকসাহিত্য প্রসঙ্গ:
(আত্মদর্শন, আত্মতত্ত্ব ভেদ, দেহতত্ত্ব, দিব্যজ্ঞান, নরত্বারোপ, স্বরূপদর্শন, আধ্যাত্মিকবিদ্যা ও বলন দর্শন)
রূপকসাহিত্য প্রসঙ্গ: ০১.
সাহিত্য দুই প্রকার। যথা- ১. সাধারণ সাহিত্য (general literature) ও ২. রূপকসাহিত্য (fabulous literature)।
কেবল সাম্প্রদায়িক ও মরমী সাহিত্যই রূপকসাহিত্য আর সব সাধারণ সাহিত্য। আর রূপকসাহিত্যের সর্বদা দুটো দিক আছে।
(ক) রূপকদর্শন (mythology) ও (খ) আত্মদর্শন (theology)।
রূপকদর্শন (mythology) টি সবাই ন্যূনাধিক জানেন কিন্তু আত্মদর্শন (theology) অনেকেই জানেন না। এ জন্যই সৃষ্টি হয় দলাদলি, উগ্রবাদ, আতংবাদ ও সাম্প্রদায়িকতা। যেমন কুরানিরা সবাই কারবালা উপন্যাসের অন্যতম চরিত্র আলির mythology ন্যূনাধিক জানেন কিন্তু theology অনেকেই জানেন না। তদ্রূপ পুরাণিরা সাবাই রামায়ণ উপন্যাসের নায়ক রামের mythology ন্যূনাধিক জানেন কিন্তু theology অনেকেই জানেন না। শাস্ত্রীয় mythology এর theology না জানাই সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার মূল কারণ। mythology কে যারা theology তে বা আত্মতত্ত্বে রূপান্তর করতে বা convert করতে পারেন না তারাই সাম্প্রদায়িক। পরিশেষে চিরন্তন একটি কথা এভাবে বলা যায়- সব mythology এর theology আছে কিন্তু সব theology এর mythology এখনো সৃষ্টি হয়নি।
সংক্ষিপ্ত।
সূত্রতথ্য
আত্মতত্ত্ব ভেদ (ষষ্ঠ খণ্ড)

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন