আধ্যাত্মিকবিদ্যার বিষয়বস্তু: (আধ্যাত্মিকবিদ্যা, আত্মদর্শন,
আত্মতত্ত্ব, দেহতত্ত্ব, দিব্যজ্ঞান, স্বরূপদর্শন, নরত্বারোপ ও বলনদর্শন
টীকা)
আত্মদর্শন- ২
আধ্যাত্মিক বিদ্যার বিষয়বস্তু
আধ্যাত্মিক বিদ্যার বিষয়বস্তু হলো আত্মদর্শন জানা, অটল হওয়া, দীর্ঘায়ুলাভ করা ও সুখী পরিবার গঠন করা। এছাড়া মূলকসত্তা, মূলকসংখ্যা ও পঞ্চরসের আলোচনাও অধিক অধিক করা হয়ে থাকে। আধ্যাত্মিক বিদ্যার বিষয়বস্তু দুই প্রকার। যথা- ১.উৎপত্তিমূল ও ২.উপকারিতা।
আধ্যাত্মিক বিদ্যার বিষয়বস্তু হলো আত্মদর্শন জানা, অটল হওয়া, দীর্ঘায়ুলাভ করা ও সুখী পরিবার গঠন করা। এছাড়া মূলকসত্তা, মূলকসংখ্যা ও পঞ্চরসের আলোচনাও অধিক অধিক করা হয়ে থাকে। আধ্যাত্মিক বিদ্যার বিষয়বস্তু দুই প্রকার। যথা- ১.উৎপত্তিমূল ও ২.উপকারিতা।
১. উৎপত্তিমূল
উৎপত্তিমূল পাঁচ প্রকার। যথা- ১.অঙ্গাদি ২.দ্রব্যাদি ৩.বিষয়াদি ৪.শক্তিগুলো ও ৫. সদস্যাদি ।
উৎপত্তিমূল পাঁচ প্রকার। যথা- ১.অঙ্গাদি ২.দ্রব্যাদি ৩.বিষয়াদি ৪.শক্তিগুলো ও ৫. সদস্যাদি ।
১. অঙ্গাদি
মানবদেহের অঙ্গ প্রত্যঙ্গের মধ্যে বাহ্য ১.চক্ষু, ২.কর্ণ, ৩.নাসিকা, ৪.মুখ, ৫.শিশ্ন ও ৬.কবন্ধ- এ ৬টি অঙ্গের আলোচনা এ শাস্ত্রে অধিক পরিমাণে করা হয়ে থাকে।
মানবদেহের অঙ্গ প্রত্যঙ্গের মধ্যে বাহ্য ১.চক্ষু, ২.কর্ণ, ৩.নাসিকা, ৪.মুখ, ৫.শিশ্ন ও ৬.কবন্ধ- এ ৬টি অঙ্গের আলোচনা এ শাস্ত্রে অধিক পরিমাণে করা হয়ে থাকে।
২. দ্রব্যাদি
মানবদেহের দ্রব্যাদির মধ্যে ১. লালা, ২. দুগ্ধ, ৩. শুক্র, ৪. সুধা ও ৫. মধু- এ পঞ্চরসের অলোচনা অধিক পরিমাণে করা হয়ে থাকে।
মানবদেহের দ্রব্যাদির মধ্যে ১. লালা, ২. দুগ্ধ, ৩. শুক্র, ৪. সুধা ও ৫. মধু- এ পঞ্চরসের অলোচনা অধিক পরিমাণে করা হয়ে থাকে।
৩. বিষয়াদি
মানবের বয়স, কর্ম, পরিবার ও বৃত্তি ইত্যাদির আলোচনা অধিক পরিমাণে করা হয়ে থাকে। আধ্যাত্মিক বিদ্যায় নাভিকে মানব দেহের মূল কেন্দ্রবিন্দু ধরা হয়। নাভিকে কেন্দ্র ধরে যেভাবে বৈক্তিক সদস্যগুলোর দ্বারা উপমা নির্মাণ করা হয়।
মানবের বয়স, কর্ম, পরিবার ও বৃত্তি ইত্যাদির আলোচনা অধিক পরিমাণে করা হয়ে থাকে। আধ্যাত্মিক বিদ্যায় নাভিকে মানব দেহের মূল কেন্দ্রবিন্দু ধরা হয়। নাভিকে কেন্দ্র ধরে যেভাবে বৈক্তিক সদস্যগুলোর দ্বারা উপমা নির্মাণ করা হয়।
১. আত্মাকে সব সময় নরচরিত্রে রাখা হয়।
২. কাঁইকে সূর্য ধরা হয়।
৩. গর্ভাশয়কে পাতাল, আকাশ বা স্বর্গ ধরা হয়।
৪. জ্ঞানকে গুরু ধরা হয়।
৫. দেহের অসুস্থতাকে (রজকাল) রাত, অমঙ্গল, ভাটা বা ভাটি ধরা হয়।
৬. দেহের সুস্থতাকে (পবিত্রতা) দিন, মঙ্গল, জোয়ার বা উজান ধরা হয়।
৭. নরদেহকে বৃন্দাবন বা কৈলাস ইত্যাদি ধরা হয়।
৮. নর-নারির একত্র দাম্পত্য জীবনকে পরিপূর্ণ মানবজীবন বা মানুষ ধরা হয়।
৯. নাভির ওপরের অংশকে আকাশ ঊর্ধ্বাঙ্গ, উচ্চাঙ্গ, আগধড় বা পশ্চিম ধরা হয়।
১০. নাভির নিচের অংশকে ভূমি, নিম্নাঙ্গ, পাতাল, পাছধড় বা পূর্ব ধরা হয়।
১১. নারিদেহকে নিধুবন ও লীলাভূমি ইত্যাদি ধরা হয়।
১২. নাসিকাকে বাঁশি ধরা হয়।
১৩. শুক্রকে সব সময় নারি চরিত্রে রাখা হয়। যেমন- কমলা, বেহুলা, লক্ষ্মী, জুলেখা, ফাতিমা।
১৪. মনকে শিষ্য ধরা হয়।
১৫. মানবদেহের হৃদপিণ্ডের অবস্থানের পার্শ্বকে বামপার্শ্ব বা উত্তর ধরা হয়।
১৬. মানবদেহের হৃদপিণ্ডের অবস্থানের বিপরীত পার্শ্বকে ডানপার্শ্ব বা দক্ষিণ ধরা হয়।
১৭. শুধু নর বা পুরুষকে অর্ধাঙ্গ বা অর্ধমানুষ ধরা হয়।
১৮. শুধু নারী বা মহিলাকে অর্ধাঙ্গিনী বা অর্ধমানুষ ধরা হয়।
২. কাঁইকে সূর্য ধরা হয়।
৩. গর্ভাশয়কে পাতাল, আকাশ বা স্বর্গ ধরা হয়।
৪. জ্ঞানকে গুরু ধরা হয়।
৫. দেহের অসুস্থতাকে (রজকাল) রাত, অমঙ্গল, ভাটা বা ভাটি ধরা হয়।
৬. দেহের সুস্থতাকে (পবিত্রতা) দিন, মঙ্গল, জোয়ার বা উজান ধরা হয়।
৭. নরদেহকে বৃন্দাবন বা কৈলাস ইত্যাদি ধরা হয়।
৮. নর-নারির একত্র দাম্পত্য জীবনকে পরিপূর্ণ মানবজীবন বা মানুষ ধরা হয়।
৯. নাভির ওপরের অংশকে আকাশ ঊর্ধ্বাঙ্গ, উচ্চাঙ্গ, আগধড় বা পশ্চিম ধরা হয়।
১০. নাভির নিচের অংশকে ভূমি, নিম্নাঙ্গ, পাতাল, পাছধড় বা পূর্ব ধরা হয়।
১১. নারিদেহকে নিধুবন ও লীলাভূমি ইত্যাদি ধরা হয়।
১২. নাসিকাকে বাঁশি ধরা হয়।
১৩. শুক্রকে সব সময় নারি চরিত্রে রাখা হয়। যেমন- কমলা, বেহুলা, লক্ষ্মী, জুলেখা, ফাতিমা।
১৪. মনকে শিষ্য ধরা হয়।
১৫. মানবদেহের হৃদপিণ্ডের অবস্থানের পার্শ্বকে বামপার্শ্ব বা উত্তর ধরা হয়।
১৬. মানবদেহের হৃদপিণ্ডের অবস্থানের বিপরীত পার্শ্বকে ডানপার্শ্ব বা দক্ষিণ ধরা হয়।
১৭. শুধু নর বা পুরুষকে অর্ধাঙ্গ বা অর্ধমানুষ ধরা হয়।
১৮. শুধু নারী বা মহিলাকে অর্ধাঙ্গিনী বা অর্ধমানুষ ধরা হয়।
৪. শক্তিগুলো
শক্তি গুলোর মধ্যে ১. আত্মা ২. মন ৩. জ্ঞান ৪. বিচার ৫. বুদ্ধি ও ৬. কামশক্তির আলোচনা অত্যাধিক করা হয়ে থাকে।
শক্তি গুলোর মধ্যে ১. আত্মা ২. মন ৩. জ্ঞান ৪. বিচার ৫. বুদ্ধি ও ৬. কামশক্তির আলোচনা অত্যাধিক করা হয়ে থাকে।
৫. সদস্যাদি
বৈক্তিক সদস্যগুলো পাঁচ প্রকার। যথা- ১. মূলকসদস্য ২. রূপকসদস্য ৩. উপমানসদস্য ৪. চারিত্রিকসদস্য ও ৫. ছদ্মনামসদস্য। এছাড়া মূলকসংখ্যাকেও রূপকসাহিত্যে ৫. মূলকসংখ্যা সদস্য বলা হয়।
বৈক্তিক সদস্যগুলো পাঁচ প্রকার। যথা- ১. মূলকসদস্য ২. রূপকসদস্য ৩. উপমানসদস্য ৪. চারিত্রিকসদস্য ও ৫. ছদ্মনামসদস্য। এছাড়া মূলকসংখ্যাকেও রূপকসাহিত্যে ৫. মূলকসংখ্যা সদস্য বলা হয়।
১. মূলকসদস্য
রূপক সাহিত্যের সাথে সংশ্লিষ্ট শক্তি, বিষয়-বস্তু ইত্যাদির মূল সত্তাকেই মূলক বলে। যেমন- হাতের মূলক শিশ্ন।
রূপক সাহিত্যের সাথে সংশ্লিষ্ট শক্তি, বিষয়-বস্তু ইত্যাদির মূল সত্তাকেই মূলক বলে। যেমন- হাতের মূলক শিশ্ন।
মূলকরূপে ব্যবহৃত শক্তি, বিষয়-বস্তু ইত্যাদি সত্তাকে মূলকসদস্য বলে। যেমন- শিশ্ন ও কবন্ধ ইত্যাদি।
রূপকসাহিত্য/ ‘Fabulous literature’ নির্মাতা সুমহান মনীষিদের মতে
ব্যক্তিসত্তা বা মূলকসদস্য প্রায় ১০০টি। এ সদস্যগুলোর রূপক, ব্যাপক ও
প্রপকগুলো দ্বারা spiritualogy বা ‘Fabulous literature’ নির্মাণ করা হয়।
নিচে ১০০টি মূলকসদস্য তুলে ধরা হলো।
মূলকসদস্য
১. অজ্ঞতা, ২. অতীতকাহিনি, ৩. অন্যায়, ৪. অবিশ্বাসী, ৫. অভিশাপ, ৬. অর্ধদ্বার, ৭. অশান্তি, ৮. আগধড়, ৯. আয়ু, ১০. আশীর্বাদ, ১১. আশ্রম, ১২. ইঙ্গিত, ১৩. উপমা, ১৪. উপস্থ, ১৫. উপহার, ১৬. উপাসক, ১৭. কানাই, ১৮. কাম, ১৯. কামরস, ২০. কিশোরী, ২১. কৈশোরকাল, ২২. গবেষণা, ২৩. গর্ভাবস্থান, ২৪. চক্ষু, ২৫. চন্দ্রচেতনা, ২৬. চিন্তা, ২৭. জন্ম, ২৮. জরায়ু, ২৯. জিগীষা, ৩০. জীবনিশক্তি, ৩১. জ্ঞান, ৩২. ডান, ৩৩. দুগ্ধ, ৩৪. দেহ, ৩৫. দৈবিকা, ৩৬. নর, ৩৭. নরদেহ, ৩৮. নারিদেহ, ৩৯. নারী, ৪০. নাসিকা, ৪১. ন্যায়, ৪২. পঞ্চবায়ু, ৪৩. পঞ্চরস, ৪৪. পবিত্রতা, ৪৫. পরকিনী, ৪৬. পরম্পরা, ৪৭. পাঁচশতবছর, ৪৮. পাছধড়, ৪৯. পালনকর্তা, ৫০. পুরুষ, ৫১. পুরুষত্ব, ৫২. প্রথমপ্রহর, ৫৩. প্রয়াণ, ৫৪. প্রসাদ, ৫৫. প্রেমিক, ৫৬. বন্ধু, ৫৭. বর্তমানজনম, ৫৮. বলাই, ৫৯. বসন, ৬০. বাম, ৬১. বার্ধক্য, ৬২. বিদ্যুৎ, ৬৩. বিনয়, ৬৪. বিনোদন, ৬৫. বিশ্বাসী, ৬৬. বৃদ্ধা, ৬৭. বৈতরণী, ৬৮. ব্যর্থতা, ৬৯. ভগ, ৭০. ভালোবাসা, ৭১. ভৃগু, ৭২. মন, ৭৩. মনোযোগ, ৭৪. মানুষ, ৭৫. মুমুর্ষুতা, ৭৬. মুষ্ক, ৭৭. মূত্র, ৭৮. মূলনীতি, ৭৯. মোটাশিরা, ৮০. যৌবন, ৮১. যৌবনকাল, ৮২. রজ, ৮৪. রজকাল, ৮৪. রজপট্টি, ৮৫. রজস্বলা, ৮৬. শত্রু, ৮৭. শান্তি, ৮৮. শুক্র, ৮৯. শুক্রধর, ৯০. শুক্রপাত, ৯১. শুক্রপাতকারী, ৯২. শেষপ্রহর, ৯৩. শ্বাস, ৯৪. সন্তান, ৯৫. সন্তানপালন, ৯৬. সপ্তকর্ম, ৯৭. সহস্রবছর, ৯৮. সৃষ্টিকর্তা, ৯৯. স্তন ও ১০০. স্বভাব।
১. অজ্ঞতা, ২. অতীতকাহিনি, ৩. অন্যায়, ৪. অবিশ্বাসী, ৫. অভিশাপ, ৬. অর্ধদ্বার, ৭. অশান্তি, ৮. আগধড়, ৯. আয়ু, ১০. আশীর্বাদ, ১১. আশ্রম, ১২. ইঙ্গিত, ১৩. উপমা, ১৪. উপস্থ, ১৫. উপহার, ১৬. উপাসক, ১৭. কানাই, ১৮. কাম, ১৯. কামরস, ২০. কিশোরী, ২১. কৈশোরকাল, ২২. গবেষণা, ২৩. গর্ভাবস্থান, ২৪. চক্ষু, ২৫. চন্দ্রচেতনা, ২৬. চিন্তা, ২৭. জন্ম, ২৮. জরায়ু, ২৯. জিগীষা, ৩০. জীবনিশক্তি, ৩১. জ্ঞান, ৩২. ডান, ৩৩. দুগ্ধ, ৩৪. দেহ, ৩৫. দৈবিকা, ৩৬. নর, ৩৭. নরদেহ, ৩৮. নারিদেহ, ৩৯. নারী, ৪০. নাসিকা, ৪১. ন্যায়, ৪২. পঞ্চবায়ু, ৪৩. পঞ্চরস, ৪৪. পবিত্রতা, ৪৫. পরকিনী, ৪৬. পরম্পরা, ৪৭. পাঁচশতবছর, ৪৮. পাছধড়, ৪৯. পালনকর্তা, ৫০. পুরুষ, ৫১. পুরুষত্ব, ৫২. প্রথমপ্রহর, ৫৩. প্রয়াণ, ৫৪. প্রসাদ, ৫৫. প্রেমিক, ৫৬. বন্ধু, ৫৭. বর্তমানজনম, ৫৮. বলাই, ৫৯. বসন, ৬০. বাম, ৬১. বার্ধক্য, ৬২. বিদ্যুৎ, ৬৩. বিনয়, ৬৪. বিনোদন, ৬৫. বিশ্বাসী, ৬৬. বৃদ্ধা, ৬৭. বৈতরণী, ৬৮. ব্যর্থতা, ৬৯. ভগ, ৭০. ভালোবাসা, ৭১. ভৃগু, ৭২. মন, ৭৩. মনোযোগ, ৭৪. মানুষ, ৭৫. মুমুর্ষুতা, ৭৬. মুষ্ক, ৭৭. মূত্র, ৭৮. মূলনীতি, ৭৯. মোটাশিরা, ৮০. যৌবন, ৮১. যৌবনকাল, ৮২. রজ, ৮৪. রজকাল, ৮৪. রজপট্টি, ৮৫. রজস্বলা, ৮৬. শত্রু, ৮৭. শান্তি, ৮৮. শুক্র, ৮৯. শুক্রধর, ৯০. শুক্রপাত, ৯১. শুক্রপাতকারী, ৯২. শেষপ্রহর, ৯৩. শ্বাস, ৯৪. সন্তান, ৯৫. সন্তানপালন, ৯৬. সপ্তকর্ম, ৯৭. সহস্রবছর, ৯৮. সৃষ্টিকর্তা, ৯৯. স্তন ও ১০০. স্বভাব।
২. রূপকসদস্য
রূপকসাহিত্যের/ ‘Fabulous literature’ মূলকসদস্যের রূপক, ব্যাপক, চারিত্রিক ও ছদ্মনামগুলোকে রূপকসদস্য বলে।
রূপকসাহিত্যের/ ‘Fabulous literature’ মূলকসদস্যের রূপক, ব্যাপক, চারিত্রিক ও ছদ্মনামগুলোকে রূপকসদস্য বলে।
রূপকসাহিত্য/ ‘Fabulous literature’ নির্মাতা সুমহান মনীষিদের মতে
রূপকসদস্যও প্রায় ১০০টি। এ সদস্যগুলোর ব্যাপক ও প্রপকগুলো দ্বারা
‘Fabulous literature’ বা রূপকসাহিত্য নির্মাণ করা হয়। নিচে ১০০টি
রূপকসদস্য তুলে ধরা হলো।
রূপকসদস্য
১. senility, ২.steady ৩. অমাবস্যা, ৪. অরজা, ৫. অর্যমা, ৬. অসু, ৭. অহিত, ৮. আগুন, ৯. আচোট, ১০. আত্মা, ১১. আস্তিক, ১২. ইতিহাস, ১৩. ইহকাল, ১৪. উত্তর, ১৫. উপাসনা, ১৬. ঊষা, ১৭. কণ্ডনি, ১৮. কল্প, ১৯. কাঁই, ২০. কাপুরুষ, ২১. ক্ষীর, ২২. গরল, ২৩. গাছ, ২৪. গুরু, ২৫. গোপী, ২৬. ঘুম, ২৭. ঘোষক, ২৮. চমৎকার, ২৯. জনক, ৩০. জৈব্যতা, ৩১. জোয়ার, ৩২. ডালিম, ৩৩. তপোবন, ৩৪. তিরোধান, ৩৫. ত্রিবেণী, ৩৬. থলি, ৩৭. দক্ষিণ, ৩৮. দক্ষিণা, ৩৯. দ্বীপান্তর, ৪০. দ্রষ্টা, ৪১. ধন, ৪২. ধর্ম, ৪৩. নদ/নদী, ৪৪. নদিয়া, ৪৫. নরক, ৪৬. নাগর, ৪৭. নাস্তিক, ৪৮. নিদান, ৪৯. নিধুবন, ৫০. নিধুয়া, ৫১. নিরীক্ষ, ৫২. নিষ্কামিতা, ৫৩. নেংটি, ৫৪. পদ, ৫৫. পরাজয়তা, ৫৬. পর্যটন, ৫৭. পশ্চিম, ৫৮. পাণ্ডব, ৫৯. পাপ, ৬০.পাশাখেলা, ৬১. পিড়ি, ৬২. পুণ্য, ৬৩. পুনরুত্থান, ৬৪. পূর্ণিমা, ৬৫. পূর্ব, ৬৬. পৌরুষ, ৬৭. প্রতীতি, ৬৮. প্রত্যাদেশ, ৬৯. প্রেম, ৭০. বণিক, ৭১. বনবাস, ৭২. বর, ৭৩. বাঁশি, ৭৪. বাতাস, ৭৫. বিম্বল, ৭৬. বৃন্দাবন, ৭৭. বেলা, ৭৮. ব্রজ, ৭৯. ভক্তি, ৮০. ভোগ, ৮১. মধ্যমা, ৮২. মিত্র, ৮৩. মূর্তি, ৮৪. মূর্তিপূজা, ৮৫. মৃত্যু, ৮৬. যোগ, ৮৭. রজকিনী, ৮৮. রথ, ৮৯. রিপু, ৯০. শিষ্য, ৯১. শোষী, ৯২. সপ্তর্ষি, ৯৩. সম্পদ, ৯৪. সাঁই, ৯৫. সাধক, ৯৬. সুড়ঙ্গ, ৯৭. সেতু, ৯৮. সৈস্বরা, ৯৯. স্বর্গ ও ১০০. স্বল্প।
১. senility, ২.steady ৩. অমাবস্যা, ৪. অরজা, ৫. অর্যমা, ৬. অসু, ৭. অহিত, ৮. আগুন, ৯. আচোট, ১০. আত্মা, ১১. আস্তিক, ১২. ইতিহাস, ১৩. ইহকাল, ১৪. উত্তর, ১৫. উপাসনা, ১৬. ঊষা, ১৭. কণ্ডনি, ১৮. কল্প, ১৯. কাঁই, ২০. কাপুরুষ, ২১. ক্ষীর, ২২. গরল, ২৩. গাছ, ২৪. গুরু, ২৫. গোপী, ২৬. ঘুম, ২৭. ঘোষক, ২৮. চমৎকার, ২৯. জনক, ৩০. জৈব্যতা, ৩১. জোয়ার, ৩২. ডালিম, ৩৩. তপোবন, ৩৪. তিরোধান, ৩৫. ত্রিবেণী, ৩৬. থলি, ৩৭. দক্ষিণ, ৩৮. দক্ষিণা, ৩৯. দ্বীপান্তর, ৪০. দ্রষ্টা, ৪১. ধন, ৪২. ধর্ম, ৪৩. নদ/নদী, ৪৪. নদিয়া, ৪৫. নরক, ৪৬. নাগর, ৪৭. নাস্তিক, ৪৮. নিদান, ৪৯. নিধুবন, ৫০. নিধুয়া, ৫১. নিরীক্ষ, ৫২. নিষ্কামিতা, ৫৩. নেংটি, ৫৪. পদ, ৫৫. পরাজয়তা, ৫৬. পর্যটন, ৫৭. পশ্চিম, ৫৮. পাণ্ডব, ৫৯. পাপ, ৬০.পাশাখেলা, ৬১. পিড়ি, ৬২. পুণ্য, ৬৩. পুনরুত্থান, ৬৪. পূর্ণিমা, ৬৫. পূর্ব, ৬৬. পৌরুষ, ৬৭. প্রতীতি, ৬৮. প্রত্যাদেশ, ৬৯. প্রেম, ৭০. বণিক, ৭১. বনবাস, ৭২. বর, ৭৩. বাঁশি, ৭৪. বাতাস, ৭৫. বিম্বল, ৭৬. বৃন্দাবন, ৭৭. বেলা, ৭৮. ব্রজ, ৭৯. ভক্তি, ৮০. ভোগ, ৮১. মধ্যমা, ৮২. মিত্র, ৮৩. মূর্তি, ৮৪. মূর্তিপূজা, ৮৫. মৃত্যু, ৮৬. যোগ, ৮৭. রজকিনী, ৮৮. রথ, ৮৯. রিপু, ৯০. শিষ্য, ৯১. শোষী, ৯২. সপ্তর্ষি, ৯৩. সম্পদ, ৯৪. সাঁই, ৯৫. সাধক, ৯৬. সুড়ঙ্গ, ৯৭. সেতু, ৯৮. সৈস্বরা, ৯৯. স্বর্গ ও ১০০. স্বল্প।
৩. উপমানসদস্য
ব্যক্তি সত্তার মূলক গুলোর তুলনা মূলক পরিভাষা গুলোকে উপমান সদস্য বলে। রূপকসাহিত্য/ ‘Fabulous literature’ নির্মাতা সুমহান মনীষীদের মতে উপমান সদস্য প্রায় ৫৮টি। এসব রূপক, ব্যাপক ও প্রপক গুলো দ্বারা রূপকসাহিত্য/ ‘Fabulous literature’ নির্মাণ করা হয়। personifies মূলকগুলোর রূপক ও ব্যাপকপরিভাষা ব্যতীত কখনই ‘Fabulous literature’ নির্মিত হয় না। নিচে কয়েকটি উপমানসদস্য তুলে ধরা হল-
ব্যক্তি সত্তার মূলক গুলোর তুলনা মূলক পরিভাষা গুলোকে উপমান সদস্য বলে। রূপকসাহিত্য/ ‘Fabulous literature’ নির্মাতা সুমহান মনীষীদের মতে উপমান সদস্য প্রায় ৫৮টি। এসব রূপক, ব্যাপক ও প্রপক গুলো দ্বারা রূপকসাহিত্য/ ‘Fabulous literature’ নির্মাণ করা হয়। personifies মূলকগুলোর রূপক ও ব্যাপকপরিভাষা ব্যতীত কখনই ‘Fabulous literature’ নির্মিত হয় না। নিচে কয়েকটি উপমানসদস্য তুলে ধরা হল-
উপমানসদস্য
১.অচেতন, ২.অবতার, ৩.অর্ধবেলা, ৪.অষ্ঠি, ৫.আকাশ, ৬.আগুন, ৭.আত্মহত্যা, ৮.আলো, ৯.উল্কা, ১০.কাপুরুষ, ১১.খুঁটি, ১২.গাড়ি, ১৩.গোপী, ১৪.গ্রন্থ, ১৫.ঘাট, ১৬.ঘানি, ১৭.চাতক, ১৮.জনম, ১৯.ঢেমনা, ২০.দস্যু, ২১.দিন, ২২.ধার্মিক, ২৩.ধ্যান, ২৪.নির্বাণ, ২৫.নিহার, ২৬.পথ, ২৭.পরকাল, ২৮.পরপার, ২৯.পূজা, ৩০.ফুঁৎকার, ৩১.বিগ্রহ, ৩২.বিদেশ, ৩৩.বিষ, ৩৪.বীর, ৩৫.ভাড়া, ৩৬.ভ্রমণ, ৩৭.ময়না, ৩৮.মরাগাছ, ৩৯.মরুভূমি, ৪০.মর্ত্য, ৪১.মায়া, ৪২.যন্ত্রণা, ৪৩.যবন, ৪৪.রাত, ৪৫.লাউ, ৪৬.লালন, ৪৭.লোকান্তর, ৪৮.লৌকিকা, ৪৯.সকাল, ৫০.সন্ধ্যা, ৫১.সম্প্রদান, ৫২.সরন্দ্বীপ, ৫৩.সুখ, ৫৪.সুড়ঙ্গ, ৫৫.সুশোভিতবৃক্ষ, ৫৬.স্বর্গীয়ান্ন, ৫৭.স্বর্গ ও ৫৮.স্বর্গদ্বার।
১.অচেতন, ২.অবতার, ৩.অর্ধবেলা, ৪.অষ্ঠি, ৫.আকাশ, ৬.আগুন, ৭.আত্মহত্যা, ৮.আলো, ৯.উল্কা, ১০.কাপুরুষ, ১১.খুঁটি, ১২.গাড়ি, ১৩.গোপী, ১৪.গ্রন্থ, ১৫.ঘাট, ১৬.ঘানি, ১৭.চাতক, ১৮.জনম, ১৯.ঢেমনা, ২০.দস্যু, ২১.দিন, ২২.ধার্মিক, ২৩.ধ্যান, ২৪.নির্বাণ, ২৫.নিহার, ২৬.পথ, ২৭.পরকাল, ২৮.পরপার, ২৯.পূজা, ৩০.ফুঁৎকার, ৩১.বিগ্রহ, ৩২.বিদেশ, ৩৩.বিষ, ৩৪.বীর, ৩৫.ভাড়া, ৩৬.ভ্রমণ, ৩৭.ময়না, ৩৮.মরাগাছ, ৩৯.মরুভূমি, ৪০.মর্ত্য, ৪১.মায়া, ৪২.যন্ত্রণা, ৪৩.যবন, ৪৪.রাত, ৪৫.লাউ, ৪৬.লালন, ৪৭.লোকান্তর, ৪৮.লৌকিকা, ৪৯.সকাল, ৫০.সন্ধ্যা, ৫১.সম্প্রদান, ৫২.সরন্দ্বীপ, ৫৩.সুখ, ৫৪.সুড়ঙ্গ, ৫৫.সুশোভিতবৃক্ষ, ৫৬.স্বর্গীয়ান্ন, ৫৭.স্বর্গ ও ৫৮.স্বর্গদ্বার।
৪. চারিত্রিকসদস্য
চরিত্ররূপে ব্যবহৃত বৈক্তিক সদস্যের রূপকনাম গুলোকে চারিত্রিক সদস্য বলে।
চরিত্ররূপে ব্যবহৃত বৈক্তিক সদস্যের রূপকনাম গুলোকে চারিত্রিক সদস্য বলে।
রূপকসাহিত্য/ ‘Fabulous literature’ নির্মাতা সুমহান মনীষিদের
মতে চরিত্ররূপে ব্যবহৃত বৈক্তিকসদস্যের অনেক ছদ্মনাম রয়েছে। বৈক্তিক
সদস্যগুলোর রূপক, ব্যাপক ও উপমান পরিভাষগুলোর দ্বারা নির্মাণ করা হয় প্রপক
এবং প্রপকগুলোর দ্বারা নির্মাণ করা হয় রূপকসাহিত্য/ ‘Fabulous literature’ ।
কিন্তু শাস্ত্রীয় ও পারম্পরিক পণ্ডিত ও বক্তারা বিষয়টি ঘূর্ণাক্ষরেও জানতে
বা বুঝতে পারেন না। চরম অন্ধ-বিশ্বাসের ভিত্তিতে তারা রূপকসাহিত্য/
‘Fabulous literature’ এর চরিত্রগুলোকে ঐশীদূত বা ঐশী মহামানব রূপেই বুঝেন ও
বুঝিয়ে থাকেন। ফলে সমাজের সাধারণমানুষ চিরদিনের জন্যই রূপকসাহিত্য/
‘Fabulous literature’ মূলশিক্ষা হতে চিরবঞ্চিত হয়ে থাকে। রূপক সাহিত্যের
বৈক্তিকসদস্য সারণির কয়েকটি চারিত্রিকসদস্য তুলে ধরা হলো।
চারিত্রিকসদস্য
১.অণ্ডাল, ২.অপত্য, ৩.অবাচী, ৪.অর্জুন, ৫.ইন্দ্র, ৬.উদীচী, ৭.ঋভু, ৮.কণ্ডনি, ৯.কানীন, ১০.গাছ, ১১.গাণ্ডিব, ১২.চরণ, ১৩.জিষ্ণু, ১৪.দৈন্য, ১৫.ধন্বন্তরী, ১৬.পবন, ১৭.প্রতিপদ, ১৮.প্রভু, ১৯.বংকিম, ২০.বলাই, ২১.বলন, ২২.বসিধ, ২৩.বৈয়াম্বু, ২৪.বর্থ্য, ২৫.ব্রজ, ২৬.মানুষগুরু, ২৭.যম, ২৮.রতী, ২৯.শুভ্রাংশ, ৩০.সেতু ও হিল্লোল।
১.অণ্ডাল, ২.অপত্য, ৩.অবাচী, ৪.অর্জুন, ৫.ইন্দ্র, ৬.উদীচী, ৭.ঋভু, ৮.কণ্ডনি, ৯.কানীন, ১০.গাছ, ১১.গাণ্ডিব, ১২.চরণ, ১৩.জিষ্ণু, ১৪.দৈন্য, ১৫.ধন্বন্তরী, ১৬.পবন, ১৭.প্রতিপদ, ১৮.প্রভু, ১৯.বংকিম, ২০.বলাই, ২১.বলন, ২২.বসিধ, ২৩.বৈয়াম্বু, ২৪.বর্থ্য, ২৫.ব্রজ, ২৬.মানুষগুরু, ২৭.যম, ২৮.রতী, ২৯.শুভ্রাংশ, ৩০.সেতু ও হিল্লোল।
এছাড়াও নিচের এ কয়টি সদস্য সম্পর্কে একবার ভালোভাবে জেনে নিলে পুরো শাস্ত্রীয় ও পারম্পরিক বিশ্বকে অতি সহজেই জানা ও বুঝা যায়।
অগ্নিশিখা, অচেতন, অণ্ডাল, অধঃপতন, অন্ধকুপ, অপত্য, অবতার,
অবাচী, অবীচি, অমৃতসুধা, অর্জুন, অর্ঘ্য, অর্ধবেলা, অলৌকিক কার্য, অষ্ঠি,
অসুর, আকাশ, আত্মহত্যা, আদিপিতা, আদিমাতা, আদিত্য, আশিস, আশীব, আলো, ইড়া,
ইতিবৃত্ত, ইন্দ্র, উদীচী, উবুদগাছ, উল্কা, উষ্ণজল, ঋভু, ঐশী দূত, ঐশী বাণী,
ঔপমিক, কমলা, কল্পতরু, কানীন, কাহিনি, কিরীটী, কুকুর, কুঞ্জ, কৃষ্ণপক্ষ,
খুঁটি, গাছ, গাড়ি, গাণ্ডিব, গুপ্তপথ, গ্রন্থ, ঘাট, ঘানি, চন্দ্রশ্বাস, চরণ,
চাঁদ, চাতক, চৈনন, চোর, জনম, জগৎগুরু, জগাই, জিষ্ণু, জ্যোতিকা, টল,
তপোলোক, দস্যু, দিন, দেশান্তর, দৈন্য, ধনুক, ধন্বন্তরী, ধার্মিক, ধ্যান,
নদিয়া, ননি, নবদ্বীপ, নাগর, নির্বাণ, নিহার, নৈবেদ্য, নৌকা, পণ, পদ, পরকাল,
পাঁচভাই, পাখি, পাতাল, পিঙ্গলা, পূজা, পৈথান, পৈবত্র, পৈয়র, প্রকৃতপথ,
প্রকৃতি, প্রতিপদ, প্রতিমা, প্রতীচী, প্রভু, প্রেমাগুন, ফল, ফুঁৎকার,
বংকিম, বরুণ, বলন, বসিধ, বসিধের বাহন, বালিশ, বিগ্রহ, বিদেশিনী, বিরজা,
বিষ, বীরত্ব, বৃন্দাবন, বৈকুণ্ঠ, বৈয়াম্বু, বর্থ্য, ভজনালয়, ভালোকর্ম,
ভ্রমণ, মমতা, ময়না, মরণ-উন্নুখ, মরা, মরাগাছ, মরুভূমি, মর্ত্য, মাধাই,
মানুষ গুরু, মায়া, মিথিলা, মিনতি, মৈত্রিকেয়, মোহ, মোহমায়া, যজ্ঞ,
যন্ত্রণা, যবন, যম, যমুনা, রক্ষিত, রক্ষিতা, রতী, রাত, রুটি, রৌরব, লাউ,
লালন, লোকান্তর, লৌকিকা, শিঙ্গা, শিতান, শিয়র, শুভ্রাংশ, শুক্লপক্ষ, সকাল,
সন্ধ্যা, সব্য, সময়, সম্প্রদান, সম্রাট, সরন্দ্বীপ, সরস্বতী, সহস্র মাস,
সাধন সঙ্গিনী , সাধনা, সুখ, সুড়ঙ্গ, সুবোল, সুর, সুশোভিত বৃক্ষ, সুষুম্না
সূর্যশ্বাস স্রষ্টা স্বায়ম্ভু স্বর্গ স্বর্গদ্বার স্বর্গীয়ান্ন স্বর্গীয়নদী
হিবাচী ও হিল্লোল।
৫. মূলকসংখ্যা
আত্মদর্শনে মোট চল্লিশটি মূলক সংখ্যা পাওয়া যায়। নিচে তা উল্লেখ করা হলো।
আত্মদর্শনে মোট চল্লিশটি মূলক সংখ্যা পাওয়া যায়। নিচে তা উল্লেখ করা হলো।
প্রকৃত মূলকসংখ্যা
১.এক নিরীক্ষ, ২.দুই ফল, ৩.তিন তার, ৪.চার চন্দ্র, ৫.পঞ্চ বাণ, ৬.ছয় রিপু, ৭.সাত কর্ম, ৮.অষ্ট অঙ্গ, ৯.নয় দ্বার, ১০.দশ ইন্দ্র, ১১.এগার রুদ্র, ১২.বারো নেতা, ১৩.তের নদী, ১৪.চৌদ্দ পোয়া, ১৫.পনের চল, ১৬.ষোলকলা, ১৭.আঠারো ধাম, ১৮.ঊনিশ রক্ষী, ১৯.বিশ আঙুল, ২০.একুশ দিন, ২১.তেইশ জোড়া, ২২.চব্বিশ পক্ষ, ২৩.পঁচিশ গুণ, ২৪.সাতাশ নক্ষত্র, ২৫.ত্রিশ বছর, ২৬.বত্রিশ দাঁত, ২৭.ছত্রিশ রবি, ২৮.বাহান্ন হাট, ২৯.চুয়ান্ন মাথা, ৩০.বাহাত্তর কম্প, ৩১.আশি কর, ৩২.চুরাশি ফের, ৩৩.দুইশত ছয় হাড়, ৩৪.তিনশতদশ গর্ভবাস ৩৫.তিনশতষাট মূর্তি, ৩৬.পাঁচশত শ্বাস, ৩৭.ছয়শতছিষট্টি সূপারি, ৩৮.সহস্র মাস, ৩৯.ছয়সহস্র ছয়শত ছিষট্টি সূপারিচ ও ৪০.কোটি ঊর্ণ।
১.এক নিরীক্ষ, ২.দুই ফল, ৩.তিন তার, ৪.চার চন্দ্র, ৫.পঞ্চ বাণ, ৬.ছয় রিপু, ৭.সাত কর্ম, ৮.অষ্ট অঙ্গ, ৯.নয় দ্বার, ১০.দশ ইন্দ্র, ১১.এগার রুদ্র, ১২.বারো নেতা, ১৩.তের নদী, ১৪.চৌদ্দ পোয়া, ১৫.পনের চল, ১৬.ষোলকলা, ১৭.আঠারো ধাম, ১৮.ঊনিশ রক্ষী, ১৯.বিশ আঙুল, ২০.একুশ দিন, ২১.তেইশ জোড়া, ২২.চব্বিশ পক্ষ, ২৩.পঁচিশ গুণ, ২৪.সাতাশ নক্ষত্র, ২৫.ত্রিশ বছর, ২৬.বত্রিশ দাঁত, ২৭.ছত্রিশ রবি, ২৮.বাহান্ন হাট, ২৯.চুয়ান্ন মাথা, ৩০.বাহাত্তর কম্প, ৩১.আশি কর, ৩২.চুরাশি ফের, ৩৩.দুইশত ছয় হাড়, ৩৪.তিনশতদশ গর্ভবাস ৩৫.তিনশতষাট মূর্তি, ৩৬.পাঁচশত শ্বাস, ৩৭.ছয়শতছিষট্টি সূপারি, ৩৮.সহস্র মাস, ৩৯.ছয়সহস্র ছয়শত ছিষট্টি সূপারিচ ও ৪০.কোটি ঊর্ণ।
এছাড়াও রূপকসাহিত্য/ ‘Fabulous literature’ এর বিশ্ববরেণ্য
মনীষিরা নিচের ১২টি রূপকসংখ্যাকেও প্রায় মূলকের মতো সমমান বলেই গণ্য করে
থাকেন।
১.তেত্রিশ প্রতীতি (স্থাপক), ২.চল্লিশ তলা (যোজক), ৩.তিপ্পান্ন গলি
(যোজক), ৪.পঞ্চান্ন ধারা (যোজক), ৫.ষাট হাত (শূন্যক), ৬.তিষট্টি বাই
(স্থাপক), ৭.ছিষট্টি তল (স্থাপক), ৮.সত্তর জন (শূন্যক), ৯.সাতাত্তর পালা
(স্থাপক), ১০.নব্বই ভাগ (শূন্যক), ১১.নিরানব্বই নাম (স্থাপক) ও ১২.শতদল
(শূন্যক)।
২. উপকারিতা
১.সুস্বাস্থ্য ২.দীর্ঘায়ু ৩.সুখী পরিবার গঠন ৪.শুক্র নিয়ন্ত্রণ ৫.জন্ম নিয়ন্ত্রণ ৬.অনন্ত প্রশান্তিময় জীবন।
১.সুস্বাস্থ্য ২.দীর্ঘায়ু ৩.সুখী পরিবার গঠন ৪.শুক্র নিয়ন্ত্রণ ৫.জন্ম নিয়ন্ত্রণ ৬.অনন্ত প্রশান্তিময় জীবন।
১. সুস্বাস্থ্য
শরীর মোটা বা ক্ষীণ যা-ই হোক না কেন রোগমুক্ত ও কাম শক্তিশালী সুস্বাস্থ্য উপহার দেয় আধ্যাত্মিক শাস্ত্র।
শরীর মোটা বা ক্ষীণ যা-ই হোক না কেন রোগমুক্ত ও কাম শক্তিশালী সুস্বাস্থ্য উপহার দেয় আধ্যাত্মিক শাস্ত্র।
২. দীর্ঘায়ু
সুস্থ শরীরে/ নিরোগ শরীরে দীর্ঘদিন স্ব সম্মানে বেঁচে থাকার শিক্ষা আধ্যাত্মিক শাস্ত্র হতে পাওয়া যায়।
সুস্থ শরীরে/ নিরোগ শরীরে দীর্ঘদিন স্ব সম্মানে বেঁচে থাকার শিক্ষা আধ্যাত্মিক শাস্ত্র হতে পাওয়া যায়।
৩. সুখীপরিবার গঠন
সাধু শাস্ত্রে সর্বকালে সর্বযুগেই পুনর্জনম বা পুনরুত্থান নিষিদ্ধ। তবে গুরু বাক্যের ওপর পুত্র হোক বা কন্যা হোক একবার জন্ম নেওয়া কোন কোন ক্ষেত্রে সিদ্ধ রাখা হয়েছে। পুনর্জন্ম নিষিদ্ধ পরিবার মানেই সুখী পরিবার। একমাত্র spiritualogy ই সুখী পরিবারের নিশ্চয়তা প্রদান করে।
সাধু শাস্ত্রে সর্বকালে সর্বযুগেই পুনর্জনম বা পুনরুত্থান নিষিদ্ধ। তবে গুরু বাক্যের ওপর পুত্র হোক বা কন্যা হোক একবার জন্ম নেওয়া কোন কোন ক্ষেত্রে সিদ্ধ রাখা হয়েছে। পুনর্জন্ম নিষিদ্ধ পরিবার মানেই সুখী পরিবার। একমাত্র spiritualogy ই সুখী পরিবারের নিশ্চয়তা প্রদান করে।
৪. শুক্র নিয়ন্ত্রণ
অবৈজ্ঞানিক যুগে মৈথুন ক্রিয়ায় কিভাবে মহা মূল্যবান শুক্র বন্ধ রাখা যায় তার সঠিক ও সুন্দর সমাধান প্রদান করেছিল আধ্যাত্মিক শাস্ত্র। আজও তা অবিকল তাই আছে। আধ্যাত্মিক শিক্ষা গ্রহণকারিদের মৈথুন ক্রিয়ায় কোন ভয় নেই। আধুনিক কোন জন্ম নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থারও প্রয়োজন নেই। আধ্যাত্মিক শিক্ষা গ্রহণকারী পুরুষরা ইচ্ছা করলে মৈথুন ক্রিয়ায় শুক্রপাত করতেই পারে বা দীর্ঘ সময় শুক্র বন্ধও রাখতে পারে। বৈজ্ঞানিক কোন প্রকার প্রযুক্তির সাহায্য ছাড়া দীর্ঘ স্থায়ী মৈথুন ক্রিয়া এবং শুক্র নিয়ন্ত্রণের নিশ্চয়তা প্রদান করেছে আধ্যাত্মিক শাস্ত্র।
অবৈজ্ঞানিক যুগে মৈথুন ক্রিয়ায় কিভাবে মহা মূল্যবান শুক্র বন্ধ রাখা যায় তার সঠিক ও সুন্দর সমাধান প্রদান করেছিল আধ্যাত্মিক শাস্ত্র। আজও তা অবিকল তাই আছে। আধ্যাত্মিক শিক্ষা গ্রহণকারিদের মৈথুন ক্রিয়ায় কোন ভয় নেই। আধুনিক কোন জন্ম নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থারও প্রয়োজন নেই। আধ্যাত্মিক শিক্ষা গ্রহণকারী পুরুষরা ইচ্ছা করলে মৈথুন ক্রিয়ায় শুক্রপাত করতেই পারে বা দীর্ঘ সময় শুক্র বন্ধও রাখতে পারে। বৈজ্ঞানিক কোন প্রকার প্রযুক্তির সাহায্য ছাড়া দীর্ঘ স্থায়ী মৈথুন ক্রিয়া এবং শুক্র নিয়ন্ত্রণের নিশ্চয়তা প্রদান করেছে আধ্যাত্মিক শাস্ত্র।
৫. জন্মনিয়ন্ত্রণ
কয়েক সহস্র বছর পূর্বেই আধ্যাত্মিক শাস্ত্রে ঘোষণা করা হয়েছে পুনর্জন্ম সংসারে অশান্তির একমাত্র কারণ। অতএব কেউই পরকাল বা পুনর্জনমে যেও না। আগে শুক্র নিয়ন্ত্রণ করা শিখলে, পরে আপনার জন্ম আপনি নিয়ন্ত্রণ করা যায়। কয়েক সহস্র বছর পূর্বেও আধ্যাত্মিক জ্ঞান অন্বেষিদের জন্ম নিয়ন্ত্রণ করার জন্য কোন প্রকার বিকল্প ব্যবস্থার প্রয়োজন হয়নি। বর্তমানেও কোন প্রকার বৈজ্ঞানিক প্রযুক্তির প্রয়োজন হয় না।
কয়েক সহস্র বছর পূর্বেই আধ্যাত্মিক শাস্ত্রে ঘোষণা করা হয়েছে পুনর্জন্ম সংসারে অশান্তির একমাত্র কারণ। অতএব কেউই পরকাল বা পুনর্জনমে যেও না। আগে শুক্র নিয়ন্ত্রণ করা শিখলে, পরে আপনার জন্ম আপনি নিয়ন্ত্রণ করা যায়। কয়েক সহস্র বছর পূর্বেও আধ্যাত্মিক জ্ঞান অন্বেষিদের জন্ম নিয়ন্ত্রণ করার জন্য কোন প্রকার বিকল্প ব্যবস্থার প্রয়োজন হয়নি। বর্তমানেও কোন প্রকার বৈজ্ঞানিক প্রযুক্তির প্রয়োজন হয় না।
৬. অনন্ত প্রশান্তিময় জীবন
আধ্যাত্মিক শাস্ত্রই একমাত্র অনন্ত প্রশান্তিময় জীবনের নিশ্চিত সন্ধান প্রদান করতে পারে। সাধুরাই বিশ্বের একমাত্র সুখী মানুষ। তাদের কোন প্রকার ভয় নেই এবং কোন প্রকার চিন্তাও নেই। যে লোকের কোন প্রকার ভয় এবং কোন প্রকার চিন্তা নেই তিনিই একমাত্র সুখী মানুষ। একমাত্র আধ্যাত্মিক শিক্ষার মাধ্যমেই এ ভয়হীন ও চিন্তাহীন জীবন অর্জন করা যায়। spiritualogy অর্জন করার দ্বারা ভয় ও চিন্তা দূর হওয়ার অন্যতম কারণ হলো- এ বিদ্যা অর্জনকারিরা জানেন যে, অর্থ সম্পদ কেউ অনন্ত কাল ধরে রাখতে পারেন না বিধায় তাদের মধ্যে অর্থ লিপ্সা থাকে না।
আধ্যাত্মিক শাস্ত্রই একমাত্র অনন্ত প্রশান্তিময় জীবনের নিশ্চিত সন্ধান প্রদান করতে পারে। সাধুরাই বিশ্বের একমাত্র সুখী মানুষ। তাদের কোন প্রকার ভয় নেই এবং কোন প্রকার চিন্তাও নেই। যে লোকের কোন প্রকার ভয় এবং কোন প্রকার চিন্তা নেই তিনিই একমাত্র সুখী মানুষ। একমাত্র আধ্যাত্মিক শিক্ষার মাধ্যমেই এ ভয়হীন ও চিন্তাহীন জীবন অর্জন করা যায়। spiritualogy অর্জন করার দ্বারা ভয় ও চিন্তা দূর হওয়ার অন্যতম কারণ হলো- এ বিদ্যা অর্জনকারিরা জানেন যে, অর্থ সম্পদ কেউ অনন্ত কাল ধরে রাখতে পারেন না বিধায় তাদের মধ্যে অর্থ লিপ্সা থাকে না।
আত্মতাত্ত্বিক মনীষীরা বলেন যে, অর্থ সম্পদের প্রভু বা প্রতিভুরা
প্রকৃত পক্ষে ঐ অর্থ সম্পদের প্রভু নয় বরং তার প্রহরী। সম্পদের প্রতিভুরা
কেবল তার উত্তরাধিকারিদের সম্পদের পাহারা দিয়ে থাকেন। কারণ পিতা সম্পদ
অর্জন করলে সন্তান তার প্রতিভু, কিংবা এক ভাই সম্পদ অর্জন করলে অন্যভাই তার
প্রতিভু। সেজন্য তারা কেউ কেউ বলে থাকেন- “মানুষ আপন টাকা পর, টাকা ছেড়ে
মানুষ ধর।” অনেক সময় অর্থই অনর্থের মূল হয়ে দাঁড়ায়।
অপরদিকে এ বিদ্যা অর্জনকারিরা অত্যন্ত অল্প আহারে দীর্ঘদিন
বেঁচে থাকতে পারেন। এ বিদ্যার ধারক-বাহকরা কেউ প্রকৃতিবাদী ও কেউ
বস্তুবাদী। এদের মধ্যে কেউ নিরামিষ ভোজী আবার কেউ তৃণভোজী বিধায় তাদের
একবেলা খেয়ে অন্যবেলার খাদ্যের কোন চিন্তা নেই। এ শ্রেণির মনীষীরা নগরের
মধ্যে যেমন বিলাস বসনে জীবনযাপন করতে পারেন তদ্রূপ নদিতীর বা গভীর অরণ্যে
তৃণভোজন করেও জীবনযাপন করতে পারেন। তাই তাঁদের চোর দস্যুর যেমন ভয় নেই তেমন
পেটের খাদ্যের জন্যও কোন চিন্তা নেই। আর ভয় ও চিন্তা যাদের নেই তাঁরাই
প্রকৃত সোনারমানুষ। আর সোনার মানুষ যারা তাঁরাই মানব জনমের প্রকৃতস্বাদ
উপলব্ধি করতে পারেন। সোনার মানুষ হওয়ার চেষ্টা সাধনা করা প্রত্যেক মানুষের
একান্ত কর্তব্য।
_______________________________
_______________________________
সংক্ষিপ্ত
সূত্রতথ্য
আধ্যাত্মিকবিদ্যা পরিচিতি,
লেখক, বলন কাঁইজি।
আধ্যাত্মিক বিদ্যার বিষয়বস্তু: (আত্মদর্শন, আত্মতত্ত্ব, দেহতত্ত্ব, দিব্যজ্ঞান, স্বরূপদর্শন, নরত্বারোপ ও বলনদর্শন নোট)
সূত্রতথ্য
আধ্যাত্মিকবিদ্যা পরিচিতি,
লেখক, বলন কাঁইজি।
আধ্যাত্মিক বিদ্যার বিষয়বস্তু: (আত্মদর্শন, আত্মতত্ত্ব, দেহতত্ত্ব, দিব্যজ্ঞান, স্বরূপদর্শন, নরত্বারোপ ও বলনদর্শন নোট)
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন