“প্রেমগাছের ফল একটি নয় বরং দুইটি”
(আধ্যাত্মিকবিদ্যা, আত্মদর্শন, আত্মতত্ত্ব, দেহতত্ত্ব, পরম্পরাতত্ত্ব, স্বরূপদর্শন, নরত্বারোপ ও বলনদর্শন টীকা)।
_____________________________________________________
(আধ্যাত্মিকবিদ্যা, আত্মদর্শন, আত্মতত্ত্ব, দেহতত্ত্ব, পরম্পরাতত্ত্ব, স্বরূপদর্শন, নরত্বারোপ ও বলনদর্শন টীকা)।
_____________________________________________________
বেদঃ
“ইন্দ্র বলেছেন, যে আমার মাতা মৃত হবেন; তথাপি পুরাতন পথ অনুগমন করব না, শীঘ্র বহির্গত হব। ইন্দ্র অভিষবকারী ত্বষ্টার গৃহে বলপূর্বক সোমাভিষব দুইটি ফল অভিষুত সোম পান করেছিলেন। সে সোম শত ধনের দ্বারা ক্রীত (২)।” (ঋকবেদ, চতুর্থমণ্ডল , সুক্ত ১৮/৩)।
“ইন্দ্র বলেছেন, যে আমার মাতা মৃত হবেন; তথাপি পুরাতন পথ অনুগমন করব না, শীঘ্র বহির্গত হব। ইন্দ্র অভিষবকারী ত্বষ্টার গৃহে বলপূর্বক সোমাভিষব দুইটি ফল অভিষুত সোম পান করেছিলেন। সে সোম শত ধনের দ্বারা ক্রীত (২)।” (ঋকবেদ, চতুর্থমণ্ডল , সুক্ত ১৮/৩)।
ত্রিপিটকঃ
“এই ভাবিয়া সেই ব্রাহ্মণ ভোজনশালা অবলোকন করিবার সময় দুইটি দ্রব্য দেখিতে পাইলেন না, যবাগূ এবং মধুগোলক (লাড়ু)।” (ত্রিপিটক, ১ম খণ্ড, বিনয়-পিটক, যবাগু ও লাড়ুর বিধান)।
“এই ভাবিয়া সেই ব্রাহ্মণ ভোজনশালা অবলোকন করিবার সময় দুইটি দ্রব্য দেখিতে পাইলেন না, যবাগূ এবং মধুগোলক (লাড়ু)।” (ত্রিপিটক, ১ম খণ্ড, বিনয়-পিটক, যবাগু ও লাড়ুর বিধান)।
কুরানঃ
১. “উভয় উদ্যানে আছে বহমান দুই প্রস্রবণ।” (কুরান, সুরা রহমান- ৫০)।
২. “তথায় আছে উদ্বেলিত দুই প্রস্রবণ।” (কুরান, সুরা রহমান- ৬৬)।
৩. “নিশ্চয়ই আল্লাহ্ কারো প্রাপ্য হক বিন্দু-বিসর্গও রাখেন না; আর যদি তা সৎকর্ম হয়, তবে তাকে দ্বিগুণ করে দেন এবং নিজের পক্ষ থেকে বিপুল সওয়াব দান করেন।” (কুরান, সুরা নিসা- ৪০)।
৪. “যারা আল্লাহর রাস্তায় স্বীয় ধন-সম্পদ ব্যয় করে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের লক্ষ্যে এবং নিজের মনকে সুদৃঢ় করার জন্যে তাদের উদাহরণ টিলায় অবস্থিত বাগানের মত, যাতে প্রবল বৃষ্টিপাত হয়। অত:পর দ্বিগুণ ফসল দান করে।” (কুরান, বাকারা- ২৬৫)।
১. “উভয় উদ্যানে আছে বহমান দুই প্রস্রবণ।” (কুরান, সুরা রহমান- ৫০)।
২. “তথায় আছে উদ্বেলিত দুই প্রস্রবণ।” (কুরান, সুরা রহমান- ৬৬)।
৩. “নিশ্চয়ই আল্লাহ্ কারো প্রাপ্য হক বিন্দু-বিসর্গও রাখেন না; আর যদি তা সৎকর্ম হয়, তবে তাকে দ্বিগুণ করে দেন এবং নিজের পক্ষ থেকে বিপুল সওয়াব দান করেন।” (কুরান, সুরা নিসা- ৪০)।
৪. “যারা আল্লাহর রাস্তায় স্বীয় ধন-সম্পদ ব্যয় করে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের লক্ষ্যে এবং নিজের মনকে সুদৃঢ় করার জন্যে তাদের উদাহরণ টিলায় অবস্থিত বাগানের মত, যাতে প্রবল বৃষ্টিপাত হয়। অত:পর দ্বিগুণ ফসল দান করে।” (কুরান, বাকারা- ২৬৫)।
লালনঃ
১. “ব্রহ্ম ঈশ্বর দুই তো, লেখা যায় সাধ্য মতো, উঁচুনিচু কী তারও তো, করতে হয় সেও দিশে।” (পবিত্র লালন- ৮০৪/২)।
২. “যে জানে সে দুই নূরীকে, সিদ্ধি করে যোগে জেগে, লালন ফকির পড়ল ফাঁকে, মনের দ্বিধায়।” (পবিত্র লালন- ৬০৬/৪)।
১. “ব্রহ্ম ঈশ্বর দুই তো, লেখা যায় সাধ্য মতো, উঁচুনিচু কী তারও তো, করতে হয় সেও দিশে।” (পবিত্র লালন- ৮০৪/২)।
২. “যে জানে সে দুই নূরীকে, সিদ্ধি করে যোগে জেগে, লালন ফকির পড়ল ফাঁকে, মনের দ্বিধায়।” (পবিত্র লালন- ৬০৬/৪)।
বলনঃ
১. “আকাশে যে মই লাগিলে উড়ে পাতালে যায় বাতাসে, সাদা কালো দুইটি চন্দ্র তার হাতে আসে অনাসে, পায় না চাঁদ অস্ত গেলে, পাহাড় সাগর খগোলে।” (বলন তত্ত্বাবলী- ১২৮)।
২. “কত সাধু চাঁদের আশে, যুগ যুগান্তর ঘুরিতেছে, একগাছে দুই চাঁদ ধরে, কত ভ্রমর পাগল করে, চাঁদ পেড়ে চাঁদের মালা, পরবি কে আয় গলায়।” (বলন তত্ত্বাবলী- ১৩২)।
৩. “দয়াল কত করুণাময়, দুইছানা এক হরিণে রয়, বলন কহে সর্বদায়, কোন্দিন কার ভাগ্যে হয়।” (বলন তত্ত্বাবলী- ২৫৮)।
৪. “দশজনে বাঁধ বাঁন্ধিলে- ছয়’জনে কাটিয়া ফেলে, দুইজন ঘরে মহাজন-, পঞ্চরস সদা ভুলে রই- পঞ্চবাণ ছিলে কাটিলে কই, পঞ্চভূত করছনি বশীকরণ।” (বলন তত্ত্বাবলী- ২৪৯)।
৫. “দশডালেতে চৌদ্দশাখা, মগডালে পাখির বাসা, মাসে ফুটে দুইটি ছা, কথা কয় সহস্রমাসে।” (বলন তত্ত্বাবলী- ২০৮)।
৬. “প্রেমসন্ধি সরোবরে, সাদা কালো দুই ফল ধরে, গুরু যদি আহার করে, শিষ্যও বিহার করতে পারে।” (বলন তত্ত্বাবলী- ৯৯)।
৭. “মায়াকানন কুসুমবাগে, সাদা কালো দুই শশী জাগে, বাছাধন কেষ্ট মাঙ্গে, তোর দুয়ার দে খুলে।” (বলন তত্ত্বাবলী- ২০১)।
৮. “শুকনা গাঙ্গে জোয়ার আসে, সাদা কালো দুই চাঁদ ভাঁসে, পাব বলে কূলেই বসে, মরি মুখে লাল পড়ি।” (বলন তত্ত্বাবলী- ১৬৬)।
_____________________________________________
১. “আকাশে যে মই লাগিলে উড়ে পাতালে যায় বাতাসে, সাদা কালো দুইটি চন্দ্র তার হাতে আসে অনাসে, পায় না চাঁদ অস্ত গেলে, পাহাড় সাগর খগোলে।” (বলন তত্ত্বাবলী- ১২৮)।
২. “কত সাধু চাঁদের আশে, যুগ যুগান্তর ঘুরিতেছে, একগাছে দুই চাঁদ ধরে, কত ভ্রমর পাগল করে, চাঁদ পেড়ে চাঁদের মালা, পরবি কে আয় গলায়।” (বলন তত্ত্বাবলী- ১৩২)।
৩. “দয়াল কত করুণাময়, দুইছানা এক হরিণে রয়, বলন কহে সর্বদায়, কোন্দিন কার ভাগ্যে হয়।” (বলন তত্ত্বাবলী- ২৫৮)।
৪. “দশজনে বাঁধ বাঁন্ধিলে- ছয়’জনে কাটিয়া ফেলে, দুইজন ঘরে মহাজন-, পঞ্চরস সদা ভুলে রই- পঞ্চবাণ ছিলে কাটিলে কই, পঞ্চভূত করছনি বশীকরণ।” (বলন তত্ত্বাবলী- ২৪৯)।
৫. “দশডালেতে চৌদ্দশাখা, মগডালে পাখির বাসা, মাসে ফুটে দুইটি ছা, কথা কয় সহস্রমাসে।” (বলন তত্ত্বাবলী- ২০৮)।
৬. “প্রেমসন্ধি সরোবরে, সাদা কালো দুই ফল ধরে, গুরু যদি আহার করে, শিষ্যও বিহার করতে পারে।” (বলন তত্ত্বাবলী- ৯৯)।
৭. “মায়াকানন কুসুমবাগে, সাদা কালো দুই শশী জাগে, বাছাধন কেষ্ট মাঙ্গে, তোর দুয়ার দে খুলে।” (বলন তত্ত্বাবলী- ২০১)।
৮. “শুকনা গাঙ্গে জোয়ার আসে, সাদা কালো দুই চাঁদ ভাঁসে, পাব বলে কূলেই বসে, মরি মুখে লাল পড়ি।” (বলন তত্ত্বাবলী- ১৬৬)।
_____________________________________________
উপরোক্ত উদ্ধৃতির মধ্যে (দুই ছা, দুই ছানা, দুই চন্দ্র, দুই চাঁদ,
দুই দ্রব্য, দুই নূরী, দুই প্রস্রবণ, দুই ফল, দুই মহাজন, দুই শশী, দ্বিগুণ,
দ্বিগুণ ফসল ও ব্রহ্ম ঈশ্বর দুই) এসব রূপক পরিভাষা পাওয়া যায়। উপরোক্ত রূপক পরিভাষাগুলো দ্বারা কেবলই ‘দুইফল’ বুঝায়। দুলফলগুলো হলো-
১. পুরাণী বৈষ্ণব মরমী মনীষীদের মতো- ১.ব্রহ্মা ও ২.বিষ্ণু/ ১.কৃষ্ণ ও ২.রাম।
২. ত্রিপিটকী সহজিয়া মরমী মনীষীদের মতো- ১.ব্রহ্মা ও ২.বিষ্ণু/ ১.যবাগূ ও ২.মধু।
৩. ইঞ্জিলী ক্যাথলিক মনীষীদের মতে- ১.Lord (লর্ড) ও ২.God (গড)।
৪. কুরানী বাউল মনীষীদের মতে- ১.(ﺍﻟﻠﻪ) আল্লাহ ও ২.(ﺮﺴﻮﻞ) রাসুল।
৫. লালনপন্থী মনীষীদের মতে- ১.কালশশী ও ২.সাদাশশী।
৬. আত্মতাত্ত্বিক মনীষীদের মতে- ১.কাঁই ও সাঁই।
২. ত্রিপিটকী সহজিয়া মরমী মনীষীদের মতো- ১.ব্রহ্মা ও ২.বিষ্ণু/ ১.যবাগূ ও ২.মধু।
৩. ইঞ্জিলী ক্যাথলিক মনীষীদের মতে- ১.Lord (লর্ড) ও ২.God (গড)।
৪. কুরানী বাউল মনীষীদের মতে- ১.(ﺍﻟﻠﻪ) আল্লাহ ও ২.(ﺮﺴﻮﻞ) রাসুল।
৫. লালনপন্থী মনীষীদের মতে- ১.কালশশী ও ২.সাদাশশী।
৬. আত্মতাত্ত্বিক মনীষীদের মতে- ১.কাঁই ও সাঁই।
উল্লেখ্য রূপকসাহিত্যে ‘প্রেমগাছ’ বলতে কেবল মানবদেহকে বুঝায়। আর ‘প্রেমগাছ’ এর ফল বলতে ‘মানবজল’কে বুঝায়। ‘মানবজল’ হলো ‘অমির’ ও ‘পীযূষ’।
এবার শক্ত করেই বলা যায় বিশ্বের অধিকাংশ শাস্ত্রীয় জনক, যাজক ও রূপকার
মনীষীর মতে প্রেমগাছের ফল দু’টি। অন্যদিকে কেবল মানিকগঞ্জের কালুশাহর এই
বাণীটির দ্বারা রূপকসাহিত্যের বিশ্ববিখ্যাত দুইফলকে একফল বলা কতটুকু
সমীচীন?
আরো উল্লেখ্য এদেশের অধিকাংশ পারম্পরিক মনীষী ‘প্রেমগাছ’ বলতে দেহকে বুঝালেও, ‘প্রেমগাছ’ এর ‘দুইফল’
বলতে রমণীদের স্ফীতগ্রন্থিকে বুঝেন ও বুঝিয়ে থাকেন। এটি নিশ্চিত একটি
লজ্জাস্কর বিষয়। এ লজ্জাস্কর বিষয়টি হতে বেরিয়ে আসা কিংবা বিষয়টিকে এড়িয়ে
যাওয়ার জন্যই হয়ত দুইফলকে একফল বলে পাঠক-শ্রোতার দৃষ্টিভঙ্গিকে অন্যদিকে
সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে এ গানটির মাধ্যমে।
আমাদের কথা হলো, প্রেমগাছের দুইফলরূপ Mythology (মিথোলজি) এর ভুল
ব্যাখ্যা হতে সৃষ্টি হয়েছে লজ্জাস্করতা। এই লজ্জাস্করতা দূর করার জন্য
দুইফল কেটে একফল করা হলো। আত্মদর্শনে এর কোন বাস্তবতা নেই। অর্থাৎ মনগড়া ও
অপব্যাখ্যার দ্বারা লজ্জাস্কর এক ভুলের সৃষ্টি করা হলো। উক্ত লজ্জাস্করতা
দূর করার জন্য আরেক ভুলের জন্ম দেওয়া হলো। অর্থাৎ ভুল দ্বারা ভুলের সৃষ্টি
করা হলো।
তবে এবার প্রশ্ন হতে পারে রূপকসাহিত্যে প্রেমগাছের দুইফল Mythology (মিথোলজি) এর Theology (থিওলোজি) বলতে মরমী মনীষীরা ‘কাঁই’ ও ‘সাঁই’কে
বুঝেন ও বুঝিয়ে থাকেন। কিন্তু যখন প্রেমগাছের একফল বলা হলো তখন এর
Mythological (মিথোলজিক্যাল) ব্যাখ্যাইবা কী হবে এবং Theological
(থিওলোজিক্যাল) ব্যাখ্যাইবা কী হবে?
প্রেমগাছের একফল কী? এর উত্তরে- কেউ বলবেন ‘প্রেম’, কেউ বলবেন ‘বিশ্বাস’, কেউ বলবেন ‘ভক্তি’, কেউ বলবেন ‘গুরুর-জ্ঞান’, কেউ বলবেন ‘নারী’, কেউ বলবেন ‘স্ত্রী’ এই তো। এবার বলুন- “ঐ ফল গুরুকে দিয়ে শিষ্যে খাইলে অমর হয় সে সংসারে।”- এর অর্থ কী হবে? যদি প্রেমগাছ এর ফল এগুলোই হয়, তবে এগুলো খায় কিভাবে এবং অমর হয় কিভাবে?
আত্মদর্শন (Theology)
সমাধান হলো প্রেমগাছ এর ফল একটি নয় বরং দুটি। আর তা হলো ‘কাঁই’ ও ‘সাঁই’। এখানে পীযূষ এর চারিত্রিকপরিভাষা হলো ‘কাঁই’ এবং সুধার চারিত্রিকপরিভাষা হলো ‘সাঁই’।
সমাধান হলো প্রেমগাছ এর ফল একটি নয় বরং দুটি। আর তা হলো ‘কাঁই’ ও ‘সাঁই’। এখানে পীযূষ এর চারিত্রিকপরিভাষা হলো ‘কাঁই’ এবং সুধার চারিত্রিকপরিভাষা হলো ‘সাঁই’।
এটি প্রকৃত মানবরস নাকি বর্জ্যজল? আত্মতাত্ত্বিক মনীষীদের মতে পরীক্ষার
জন্য এ রসদ্বয় আগে গুরুর নিকট প্রেরণ করতে হয়। দয়াময় গুরু এ রসদ্বয় স্বয়ং
পরীক্ষা করে সঠিক বললে এবং এ রসদ্বয় নিয়মিত পান করতে থাকলে তার আর
সন্তানরূপ পুনর্জন্ম হয় না।
এখানে রসদ্বয় গুরুর নিকট পরীক্ষার জন্য প্রেরণ করাকে বলা হয়েছে- ‘গুরুকে দেওয়া’। এবং সন্তান গ্রহণ না করাকে বলা হয়েছে ‘অমর হওয়া’। এ ছাড়া রূপকসাহিত্যে ‘অটল’ বা ‘ঊর্ধ্বরেতা’ হওয়াকেও ‘অমর হওয়া’ বলা হয়। এরূপ অবস্থা হতেই বলা হয়েছে- “ঐ ফল গুরুকে দিয়ে শিষ্যে খাইলে অমর হয় সে সংসারে।”
___________________________
অর্থাৎ প্রেমগাছ এর ফল একটি নয় বরং দুইটি।
__________________________________
___________________________
অর্থাৎ প্রেমগাছ এর ফল একটি নয় বরং দুইটি।
__________________________________
“নিরীক্ষ বান্ধরে দুই নয়নে ভুইলনা মন তাহারে
ঐ নাম ভুল করিলে যাবিরে মারা
পড়বিরে বিষম ফেরে।।
আগে আপনকে চেন
পরে গুরুকে মান
দেহ পাশ করে আন
ওরে সই মহলের নকল গুরু
দেবেন তোমায় দয়া করে ।।
পরে গুরুকে মান
দেহ পাশ করে আন
ওরে সই মহলের নকল গুরু
দেবেন তোমায় দয়া করে ।।
প্রেমের গাছে দুইটি ফল (একটি ফল ছিল)
রসে করে টলমল
কত ভ্রমর হয় পাগল
সে ফল গুরুকে দিয়ে শিষ্য খাইলে
অমর হয় সে সংসারে ।।
রসে করে টলমল
কত ভ্রমর হয় পাগল
সে ফল গুরুকে দিয়ে শিষ্য খাইলে
অমর হয় সে সংসারে ।।
প্রেমের হাটে গেলা না
প্রেমের সদাই কিনলানা
প্রেমের মানুষ চিনলানা
ওরে সেই মানুষের লাইগারে
মানুষ জঙ্গলে বসত করে।।
প্রেমের সদাই কিনলানা
প্রেমের মানুষ চিনলানা
ওরে সেই মানুষের লাইগারে
মানুষ জঙ্গলে বসত করে।।
ফকির কালুশাহ তাই কয়
মনরে বলি যে তোমায়
এই প্রেম সামান্যেতে নয়
এই প্রেমের লাইগারে মানুষ
ঘুরে জনম ভরে ।।”
মনরে বলি যে তোমায়
এই প্রেম সামান্যেতে নয়
এই প্রেমের লাইগারে মানুষ
ঘুরে জনম ভরে ।।”
গীতিকারঃ কালুশাহ ফকির
শিল্পীঃ পুতুল।
শিল্পীঃ পুতুল।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন