আজ উপোসের তাত্ত্বিকতা- ৩. (আন্তর্জাতিক
মহাদৈবাধিবেশনে আলোচিত উপোসের সময়সীমা) (আধ্যাত্মিকবিদ্যা, আত্মদর্শন,
আত্মতত্ত্ব, দেহতত্ত্ব, পরম্পরাতত্ত্ব, স্বরূপদর্শন, নরত্বারোপ ও বলনদর্শন
টীকা)
________________________________________
________________________________________
আন্তর্জাতিক মহাদৈবাধিবেশনে আলোচিত ‘উপোসের সময়সীমা’ বিষয়ক আলোচনা দ্বারা কুরানীদের উপোসের ওপর নির্মিত লৌকিকাটির বিশ্লেষণ
By the deadlines of Fasting featured in the International divine
great conference the miracle analysis of triadic fasting built on fasting.
—————————————————————————
গত চৌদ্দশত (১,৪০০) অব্দে বাঙালীস্রষ্টা কাঁইয়ের উদ্যোগে সপ্তম মহাদৈবসম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। উল্লেখ্য প্রতি সাতাশলক্ষ বছর (২৭,০০,০০০) পরপর বিভিন্ন শাস্ত্রীয় সৃষ্টিকর্তাগণ এরূপ মহাসম্মেলনের আয়োজন করে থাকেন। রূপকসাহিত্যে একসহস্র বছর সমান এক কল্পকাল।প্রত্যেক মন্বন্তরে এক কল্পকাল বা সুদীর্ঘ এক সহস্রবছর ধরে অনুষ্ঠিতব্য এ মহাসম্মেলনে বিশ্বের বিভিন্ন বিষয়াদি নিয়ে আলোচনা ও পর্যালোচনা করা হয়ে থাকে। আন্তর্জাতিক ঐ দৈবসম্মেলনটি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল পৃথিবীর মধ্যস্থল বা কেন্দ্রস্থলে। এর জন্য ইংরেজদের ‘angel (এনঞ্জেল)’, আরবদের ‘মালাকা (ﻤﻟﻚ)’, পারস্যদের ‘ফেরেস্তা (ﻔﺮﺸﺗﻪ)’, ভারতীদের ‘দেবতা’ এবং বাঙালীদের ‘প্রতীতি’গণ প্রায় বারোলক্ষ বছর (১২,০০,০০০) পূর্ব হতে পৃথিবীর মধ্যস্থল বা কেন্দ্রবিন্দু সঠিকভাবে নির্ণয়ের চেষ্টা-প্রচেষ্টা আরম্ভ করেন। অবশেষে বাঙালী প্রতীতিগণ সম্পূর্ণ সঠিক ও নির্ভুলভাবে পৃথিবীর মধ্যস্থল বা কেন্দ্রবিন্দু নির্ণয় করেন ‘ঢাকা’ এর শূন্য বিন্দু (যা বর্তমান জিপিওর সামনে বিদ্যমান), ভারতীয় দেবতাগণ নির্ণয় করেন ‘মথুরা’, পারস্য ‘ফেরেস্তাগণ (ﻔﺮﺸﺗﻪ)’ নির্ণয় করেন ‘কোকাফ (ﻜﻭﻩ ﻘﺎﻒ)’, আরব্য ‘মালাকাগণ (ﻤﻟﻚ)’ নির্ণয় করেন ‘মদিনা (ﻤﺪﻴﻧﻪ)’ এবং ‘angels (এনঞ্জেলস)’ গণ নির্ণয় করেন ‘womb (ওম্ব)’।
By the deadlines of Fasting featured in the International divine
great conference the miracle analysis of triadic fasting built on fasting.
—————————————————————————
গত চৌদ্দশত (১,৪০০) অব্দে বাঙালীস্রষ্টা কাঁইয়ের উদ্যোগে সপ্তম মহাদৈবসম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। উল্লেখ্য প্রতি সাতাশলক্ষ বছর (২৭,০০,০০০) পরপর বিভিন্ন শাস্ত্রীয় সৃষ্টিকর্তাগণ এরূপ মহাসম্মেলনের আয়োজন করে থাকেন। রূপকসাহিত্যে একসহস্র বছর সমান এক কল্পকাল।প্রত্যেক মন্বন্তরে এক কল্পকাল বা সুদীর্ঘ এক সহস্রবছর ধরে অনুষ্ঠিতব্য এ মহাসম্মেলনে বিশ্বের বিভিন্ন বিষয়াদি নিয়ে আলোচনা ও পর্যালোচনা করা হয়ে থাকে। আন্তর্জাতিক ঐ দৈবসম্মেলনটি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল পৃথিবীর মধ্যস্থল বা কেন্দ্রস্থলে। এর জন্য ইংরেজদের ‘angel (এনঞ্জেল)’, আরবদের ‘মালাকা (ﻤﻟﻚ)’, পারস্যদের ‘ফেরেস্তা (ﻔﺮﺸﺗﻪ)’, ভারতীদের ‘দেবতা’ এবং বাঙালীদের ‘প্রতীতি’গণ প্রায় বারোলক্ষ বছর (১২,০০,০০০) পূর্ব হতে পৃথিবীর মধ্যস্থল বা কেন্দ্রবিন্দু সঠিকভাবে নির্ণয়ের চেষ্টা-প্রচেষ্টা আরম্ভ করেন। অবশেষে বাঙালী প্রতীতিগণ সম্পূর্ণ সঠিক ও নির্ভুলভাবে পৃথিবীর মধ্যস্থল বা কেন্দ্রবিন্দু নির্ণয় করেন ‘ঢাকা’ এর শূন্য বিন্দু (যা বর্তমান জিপিওর সামনে বিদ্যমান), ভারতীয় দেবতাগণ নির্ণয় করেন ‘মথুরা’, পারস্য ‘ফেরেস্তাগণ (ﻔﺮﺸﺗﻪ)’ নির্ণয় করেন ‘কোকাফ (ﻜﻭﻩ ﻘﺎﻒ)’, আরব্য ‘মালাকাগণ (ﻤﻟﻚ)’ নির্ণয় করেন ‘মদিনা (ﻤﺪﻴﻧﻪ)’ এবং ‘angels (এনঞ্জেলস)’ গণ নির্ণয় করেন ‘womb (ওম্ব)’।
এসব তথ্যের ভিত্তিতে ‘কাঁই’, ‘ব্রহ্মা’, ‘Lord (লর্ড)’, কারাতারা,
মারাংবুরু, খামিসামা ও ‘আল্লাহ (ﺍﻠﻠﻪ)’ রূপ সৃষ্টিকর্তাগণ প্রতীতিগণকে যার
যার মতের পক্ষে যুক্তি উত্থাপন করতে বলেন। পরিশেষে সবার যুক্তি ও তথ্যাদি
শ্রবণের পর সর্ব সম্মতিক্রমে ঢাকার শূন্যবিন্দুকেই পৃথিবীর মধ্যস্থল বা
কেন্দ্রবিন্দু নির্ণয় করে সপ্তম মহাদৈবাধিবেশন অনুষ্ঠানের সুব্যবস্থার
নির্দেশ প্রদান করেন। ফাল্গুন মাসের ১৪তম দিবস সোমবার বেলা দশ ঘটিকার সময়
সভার শুভকার্য আরম্ভ হয়। উপস্থাপক ‘বসিধ’ উচ্চস্বরে ঘোষণা করলেন- “অদ্যকার
সভার সভাপতির সম্মানিত পদটি অলংকৃত করবেন মহামান্য ‘কাঁইজি’ (অর্থাৎ কাঁই)।
আলোচনা ও পর্যালোচনার বিষয় হলো ‘উপোসের সময়সীমা’। সর্ব
প্রথম আলোচনায় অংশগ্রহণ করবেন বাঙালী প্রতীতি। সভায় উপস্থিত সব শাস্ত্রীয়
মতবাদের শাস্ত্রীয় সৃষ্টিকর্তা এবং বিভিন্ন ভাষার দৈবদূত বা
স্বর্গীয়দূতগণের প্রতি বাঙালী দৈবসম্বোধন প্রদর্শন করে ‘ফেরেস্তাগণের
(ﻔﺮﺸﺗﻪ)’ উদ্দেশ্যে বললেন-
প্রতীতিঃ “ওম শান্তি!” “আমরা ‘ফেরেস্তা (ﻔﺮﺸﺗﻪ)’
ভাইগণের নিকট জানতে চাই, আপনারা উপোসের গণনাটি চান্দ্রবর্ষ অনুযায়ী নাকি
সৌরবর্ষ অনুযায়ী বসিধ/ ‘নবি (ﻧﺒﺊ)’/ ‘রাসুল (ﺭﺴﻭﻝ)’/ প্রতীতির প্রতি প্রেরণ
করেন?”
‘ﻔﺮﺸﺗﻪ’ (ফেরেস্তা): “ওম শান্তি!” “আমাদের মধ্যপ্রাচ্যের সব গণনা আমরা চান্দ্রবর্ষ অনুযায়ী ‘নবি (ﻧﺒﺊ)’ ও ‘রাসুলগণের (ﺭﺴﻭﻝ)’ প্রতি প্রেরণ করে থাকি।”
প্রতীতিঃ “ওম শান্তি!” “আপনারা ‘নবি (ﻧﺒﺊ)’ ও
‘রাসুলগণের (ﺭﺴﻭﻝ)’ মাধ্যমে মানব ও দানবের উপোসের যে বিধানটি প্রবর্তন
করেছেন সেটিও কী চান্দ্রবর্ষ অনুযায়ী করেছেন?”
ফেরেস্তাঃ “ওম শান্তি!” “জী হ্যাঁ।”
প্রতীতিঃ “ওম শান্তি!” “তবে উপোসের জন্য প্রাতঃসেবা ও
সান্ধ্যসেবা গ্রহণের সময়সীমা সূর্যদৃশ্য ও সূর্য অদৃশ্যের দ্বারা কেন
নির্ধারণ করতে দেখা যায়? যদি চান্দ্রবর্ষ বা হিজরিসন (ﻫﺟﺭﻯ ﺴﻨﻪ) অনুযায়ী
আপনাদের ‘বেহেস্ত (ﺒﻬﺷﺖ ‘- এর কাজকর্মাদি সম্পাদন করা হয়ে থাকে তবে
চন্দ্রের দৃশ্যাদৃশ্যের দ্বারাই কেন আপনারা ‘সালাত (ﺻﻠﻮﺍﺓ)’ ও ‘সিয়াম
(ﺼﻴﺎﻢ)’ এর সময়সীমা নির্ধারণ করলেন না?”
ফেরেস্তাঃ “ওম শান্তি!” “আমরা চন্দ্রের গণনা অনুযায়ী
‘তৌরাত (ﺗﻮﺭﺍﺓ)’, ‘যাবুর (ﺯﺒﻮﺭ)’, ‘ইঞ্জিল (ﺍﻧﺠﻴﻝ)’ ও ‘কুরান (ﻗﺭﺍﻦ)’
ইত্যাদি গ্রন্থ ‘নবি (ﻧﺒﺊ)’ ও ‘রাসুলগণের (ﺭﺴﻭﻝ)’ ওপর অবতরণ করেছি। এখন
পর্যন্ত মহাগ্রন্থাদির মধ্যে চন্দ্রের গণনাই বিদ্যমান রয়েছে। আমাদের ‘খোদা
(ﺨﺪﺍ)’ এবং আমরা এখনো চান্দ্রবর্ষের গণনাই ব্যবহার করি। তবে বর্তমান
কুরানীরা যেসব অভিনব পদ্ধতি ব্যবহার করছে তা সবই রূপকার ও শাস্ত্রীয়
বৈখ্যিক, টৈকিক, অভিধানবেত্তা, অনুবাদক ও শাস্ত্রীয় মতবাদী পণ্ডিতগণের
অভিনব আবিষ্কার বৈ নয়। আমাদের ‘বেহেস্ত (ﺒﻬﺷﺖ)’ এর নীতিমালা ও নিয়মনীতির
সঙ্গে প্রচলিত শাস্ত্রীয় নীতিমালা ও নিয়মনীতির কোন মিল নেই।”
Angel (এনঞ্জেল): “ওম শান্তি!” “কিছু কথা বলার জন্য মহামান্য কাঁইজির অনুমতি প্রার্থনা করছি।”
কাঁইঃ “প্রশান্তি হোক স্বর্গ-মর্ত্য-পাতালে।” “কথা বলার অনুমতি দেয়া হলো।” “প্রশান্তি হোক স্বর্গ-মর্ত্য-পাতালে।”
এনঞ্জেলঃ “ওম শান্তি!” “আমরা ‘মালাকা (ﻤﻟﻚ)’ ভাইদের
নিকট জানতে চাই। আচ্ছা একটি উপোসের পুণ্য বর্ধিত করে দশগুণ (১০) করার
‘জান্নাতি (ﺠﻨﺓ)’ বিধানটি আপনারাই প্রবর্তন করেছেন কী?”
‘ﻤﻟﻚ’ (মালাকা): “ওম শান্তি!” “জী হ্যাঁ।”
এনঞ্জেলঃ “ওম শান্তি!” “আপনারা ‘জান্নাতিরা (ﺠﻨﺓ)’ কত ঘণ্টায় দিন গণনা করেন?”
মালাকাঃ “ওম শান্তি!” “চব্বিশ (২৪) ঘণ্টায়।”
এনঞ্জেলঃ “ওম শান্তি!” “কুরানীদের বর্তমান উপোস তো গড়ে
বারো (১২) ঘণ্টার অধিক নয়। কারণ গ্রীষ্মকালের উপোসাদি যেমন তের (১৩) হতে
চৌদ্দ (১৪) ঘণ্টা হয় কিন্তু শীতকালের উপোসাদি তেমন দশ (১০) হতে এগার (১১)
ঘণ্টা হয়ে থাকে। অর্থাৎ প্রতিটি উপোস গড়ে বারো (১২) ঘণ্টার ঊর্ধ্বে হয় না।
তবে তো প্রতি দুইটি উপোসের সমষ্টি (১২ + ১২ = ২৪) সমান চব্বিশ (২৪) ঘণ্টা
বা একদিন। তাহলে বাৎসরিক ছত্রিশটি উপোস সমান (৩৬ ÷ ২ = ১৮) আঠারটি (১৮)
উপোস হয় এবং এ আঠারটি (১৮) উপোসকে উপরি দশ (১০) দ্বারা গুণ করলে (১৮ × ১০ =
১৮০) একশত আশি (১৮০) দিন হয় কিন্তু সৌরবছর তো তিনশত পয়ঁষট্টি (৩৬৫) দিনে
এবং চান্দ্রবছর তো তিনশত পঞ্চান্ন (৩৫৫) দিনে। অথচ আপনারা নাকি বার্ষিক
ছত্রিশটি (৩৬) উপোসের পরিবর্তে সারাবছর উপোস পালনের পুণ্য দিয়ে থাকেন? কোন্
গণনা মাধ্যমের ওপর ভিত্তি করে আপনারা এরূপ ঘোষণা প্রদান করেছেন? নাকি
আপনাদের ‘জান্নাতে (ﺠﻨﺓ)’ ভালো গণিতবিদ নেই?”
মালাকাঃ “ওম শান্তি!” “প্রতি উপোস গড়ে বারো (১২) ঘণ্টা
ধরলে বর্তমান কুরানীদের বাৎসরিক ছত্রিশটি উপোস সমান (৩৬ ÷ ২ = ১৮) আঠারটি
(১৮) উপোস হয় এবং এ আঠারটি (১৮) উপোসকে উপরি দশ (১০) দ্বারা গুণ করলে (১৮ ×
১০ = ১৮০) একশত আশি (১৮০) দিন হয়। আবার সৌরবছর সমান তিনশত পয়ঁষট্টি (৩৬৫)
দিন এবং চান্দ্রবছর সমান তিনশত পঞ্চান্ন (৩৫৫) দিন তাও আমরা ভালোভাবে জানি।
আমাদের ‘জান্নাতে (ﺠﻨﺓ)’ ভালো গণিতবিদও রয়েছে। কিন্তু আপনারা ‘জান্নাতের
(ﺠﻨﺓ)’ ‘মালাকাদের (ﻤﻟﻚ)’ বিরুদ্ধে যে অভিযোগ উত্থাপন করেছেন তা হতে আমরা
সম্পূর্ণ মুক্ত। কারণ আমরা ‘জান্নাত (ﺠﻨﺓ)’ এর ‘মালাকারা (ﻤﻟﻚ)’
মর্ত্যবাসিদের জন্য কখনো এরূপ গোজামিলের শাস্ত্রীয় বিধান প্রবর্তন করিনি।
শাস্ত্রীয় সংস্কারের গাণিতিক গোজামিলের জন্য একমাত্র ফার্সি ‘ফেরেস্তাগণই
(ﻔﺮﺸﺗﻪ)’ দায়ী বা অভিযুক্ত।”
এনঞ্জেলঃ “ওম শান্তি!” “এবার আমরা এ বিষয়টির
সুনির্দিষ্ট ব্যাখ্যা ফার্সি ‘ফেরেস্তাগণের (ﻔﺮﺸﺗﻪ)’ মুখ থেকে সরাসরি
শোনার জন্য বিনীত নিবেদন করছি।”
ফেরেস্তাঃ “ওম শান্তি!” “আমাদের ‘বেহেস্তে (ﺒﻬﺷﺖ)’
এরূপ গোজামিলের কোন নীতিমালা নেই এবং আমরা মর্ত্যের মানব-দানবের জন্য এমন
কোন নীতিমালা প্রবর্তন করিনি। তবে পার্সিয়ান শাস্ত্রীয় নীতিনির্ধারকগণ ও
রূপকারগণ অভিনব শাস্ত্রীয়সংস্কার নির্মাণ করতে গিয়েই এরূপ করেছেন।”
দেবতাঃ “ওম শান্তি!” “মহামান্য কাঁইজির নিকট কিছু কথা বলার অনুমতি প্রার্থনা করছি”।
কাঁই: “প্রশান্তি হোক স্বর্গ-মর্ত্য-পাতালে।” “কথা বলার অনুমতি দেয়া হলো।” “প্রশান্তি হোক স্বর্গ-মর্ত্য-পাতালে।”
দেবতাঃ “ওম শান্তি!” “চন্দ্র দেখে উপোসের সূচনা এবং
চন্দ্র দেখে উপোসের শেষ। অর্থাৎ বলা যায় কুরানীদের উপোস নামক শাস্ত্রীয়
উপাসনাটি একমাত্র চান্দ্রবর্ষের সাথেই সম্পৃক্ত কিন্তু পুণ্য বা উপরি
প্রদান সৌরবর্ষের সাথে সম্পৃক্ত হলো কিভাবে বিষয়টি আবারো ফার্সি ‘ফেরেস্তা
(ﻔﺮﺸﺗﻪ)’ দাদাবাবুগণের নিকট ভালোভাবে জানতে চাই।”
ফেরেস্তাঃ “ওম শান্তি!” “ভালো কাজের পুণ্য দশগুণ
বাড়ানোর নিয়ম আমাদের ‘বেহেস্তে (ﺒﻬﺷﺖ)’ রয়েছে বটে তবে সেটা চান্দ্রবর্ষ
কিম্বা সৌরবর্ষ অনুযায়ী নয় সেটি হলো সাধারণ। আমাদের আলোচ্য বিতর্কিত
বিষয়টির জন্য একমাত্র রূপকারগণ ও শাস্ত্রীয় নীতিনির্ধারক পণ্ডিতগণই দায়ী।
কেন তারা উপরি পুণ্যের জন্য সেটা সৌরবর্ষের সঙ্গে যুক্ত করেছে তা তারাই
ভালো জানেন।”
এনঞ্জেলঃ “ওম শান্তি!” “আমরা ‘ফেরেস্তা (ﻔﺮﺸﺗﻪ)’
ভাইদের নিকট আর একটি বিষয় জানতে চাই। আচ্ছা ভাইজান উপোসান্তে ‘নির্বাণোৎসব’
বা ‘ঈদুলফিতর (ﻋﻴﺪ ﺍﻟﻔﻄﺮ)’ নামে যে তাপনের বিধান আপনারা প্রবর্তন করেছেন,
তা কী সবার জন্যই আবশ্যক নাকি সাধারণ? যদি আবশ্যক হয় তবে তা প্রতিপদ নাকি
প্রথমা শাওয়ালের সাথে সম্পৃক্ত?”
ফেরেস্তাঃ “ওম শান্তি!” “আপনার প্রশ্নটা ভালোভাবে বুঝতে পারলাম না, দয়া করে পরিষ্কার করে বলবেন কী?”
এনঞ্জেলঃ “ওম শান্তি!” “জী হ্যাঁ! বলছিলাম এ যে
উপোসান্তে দুইদিন কিম্বা তিনদিন ধরে রাষ্ট্রীয় ও অরাষ্ট্রীয়ভাবে
‘নির্বাণোৎসব’ বা ‘(ঈদুলফিতর. ﻋﻴﺪ ﺍﻟﻔﻄﺮ)’ পালন করার বর্তমানে যে নিয়ম দেখা
যাচ্ছে সে ব্যাপারটা আর কী?”
ফেরেস্তাঃ “ওম শান্তি!” “ও আচ্ছা! এবার বুঝতে পেরেছি।
উপোসান্তের ‘নির্বাণোৎসব’ বা ‘ঈদুলফিতর (ﻋﻴﺪ ﺍﻟﻔﻄﺮ)’ নামক এ বিশেষ তাপনটি
সৌরজগতের জ্যোতিষ্ক ও পৃথিবীর উপগ্রহরূপ আকাশে ভাসমান চন্দ্রের সাথে
সম্পৃক্ত নয় বরং উক্ত তাপনটি দৈহিক চন্দ্রের প্রথমা প্রতিপদের সাথে
সম্পৃক্ত। আমরা আমাদের ‘নবি (ﻧﺒﺊ)’/ ‘রাসুল (ﺭﺴﻭﻝ)’/ ‘বসিধ’ ও ‘প্রতীতি’ এর
ওপর প্রতিপদের সাথে সম্পৃক্ত করেই এ বিধানটি অবতরণ করেছি।”
দেবতাঃ “ওম শান্তি!” “মালাকা (ﻤﻟﻚ) দাদাবাবুগণের নিকট হতে আর একটু ভালোভাবে বিষয়টি জানতে চাচ্ছি।”
মালাকাঃ “ওম শান্তি!” “দেখুন ভাইজান, আমরা প্রাকৃতিক
অবকাশ বা প্রাকৃতিক বিরতি কিম্বা আন্তর্জাতিক অবকাশ বা আন্তর্জাতিক বিরতি
যাই বলি না কেন, তা বিশ্বাবাসী সব রজস্বলা দম্পতির জন্য আবশ্যক। রজস্বলা
রমণীদের রজকালে কামব্রত হতে বিরত থাকা বা বিরতি পালন করা এটি এককভাবে কোন
জাতি বা গোষ্ঠির জন্য নির্দিষ্ট নয় বরং বিশ্বের সব আর্তবা দম্পতির ওপর
সমানভাবে আবশ্যক। প্রতিমাসে তিনদিন কামব্রত হতে বিরত থেকে রজকালরূপ
অমাবস্যার পর পবিত্রতারূপ পূর্ণিমার প্রথমা প্রতিপদে আমাদের মহাপ্রভু বা
‘রব (ﺭﺐ)’ বিশ্বের প্রত্যেক মথুরা বা ‘মদিনায় (ﻤﺪﻴﻧﺔ)’ প্রত্যাগমন করেন।
মহাপ্রভু বা ‘রব (ﺭﺐ)’ এর প্রত্যাগমনের পর তাঁর সাথে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ
দর্শনলাভের জন্য প্রত্যেক উপোসান্তে ‘নির্বাণোৎসব’ বা ‘ঈদুলফিতর
(ﻋﻴﺪﺍﻟﻔﻄﺮ)’ নামক বিশেষ অনুষ্ঠানটি উযযাপন করার জন্য বর্তমান প্রচলিত
শাস্ত্রীয় সংস্কারটি নির্মাণ করা হয়েছে।
পারস্য মহাজ্ঞানী ও সুবিজ্ঞ মহান মনীষীগণ রজকালরূপ অমাবস্যান্তে
সাঁইদর্শনরূপ কামব্রত পালনের জন্য আর্তবা দম্পতি সম্মেমেলনকে আড়াল করে বা
পিছনে রেখে ‘নির্বাণোৎসব’ বা ‘ঈদুলফিতর (ﻋﻴﺪ ﺍﻟﻔﻄﺮ)’ নামক গণসম্মেলন বা
সাধারণ সম্মেলনরূপ অভিনব এ শাস্ত্রীয় সংস্কারটি উদ্ভাবন করেছেন। তাদের
শাস্ত্রীয় সংস্কারটির সাথে সৌরজগতের জ্যোতিষ্ক ও পৃথিবীর উপগ্রহ আকাশে
ভাসমান চন্দ্রকে সম্পৃক্ত করে দিয়েছেন অর্থাৎ প্রকৃত সাঁইদর্শন উপাসনা
দৈহিকচন্দ্রের ‘পবিত্রতার’ প্রতিপদের সাথে সম্পৃক্ত এবং
সংস্কারকৃত ‘নির্বাণোৎসব’ বা ‘ঈদুলফিতর (ﻋﻴﺪ ﺍﻟﻔﻄﺮ)’ নামক গণসম্মেলনটি
আকাশে ভাসমান চন্দ্র নামক জ্যোতিষ্কের সাথে সম্পৃক্ত।
দেহবিশ্বের পবিত্রতারূপ চন্দ্র, সারাবিশ্বের সব আর্তবা রমণীগণের গড়ে
তিনদিন পরে উদয় হয়। ফলে বিশ্বের সব আর্তবা দম্পতি একই দিনে অর্থাৎ চতুর্থ
দিনের দিন বা প্রথমা প্রতিপদের দিন কামব্রত অনুষ্ঠান বা সাঁই দর্শনরূপ
‘নির্বাণোৎসব’ বা ‘ঈদুলফিতর (ﻋﻴﺪ ﺍﻟﻔﻄﺮ)’ উযযাপন করতে পারেন। বিশ্বের সব
আর্তবা দম্পতি সাঁইদর্শনরূপ কামব্রত অনুষ্ঠানটি প্রথমা প্রতিপদ দিবসে একই
দিনে করা সম্ভব অর্থাৎ বিশ্বের সব দম্পতির সাঁইদর্শন দিবস প্রথমা প্রতিপদ।
এটাই হলো প্রাকৃতিক আন্তর্জাতিক সনাতনী নিয়ম এবং এ অমোঘ নিয়মের কোন
পরিবর্তন নেই। তবে সংস্কারবাদিরা দৈহিকচন্দ্রের বিষয়টিকে আড়াল করে বা পিছনে
রেখে আকাশে ভাসমান চন্দ্রের অনুকূলে নির্মিত ‘শাওয়াল (ﺸﻮﺍﻞ)’ মাসের প্রথম
দিবসকে ‘ঈদুলফিতরের (ﻋﻴﺪ ﺍﻟﻔﻄﺮ)’ দিন ধার্য করেছেন। কিন্তু সারাবিশ্বে একই
দিনে প্রথমা ‘শাওয়াল (ﺸﻮﺍﻞ)’ হওয়া সম্ভব নয়। এ জন্য একই দিনে কোন কোন
গোষ্ঠী বিশেষের গণনির্বাণোৎসব উযযাপন করাও সম্ভব নয়।”
শাওয়াল [ﺸﻮﺍﻞ] বি উঁচুটিলা, বড়টিলা, পূর্ণবয়স্ক (প্র) আরবি চান্দ্রবর্ষের দশমমাস (পরি) পূর্ণবয়স্কা, প্রাপ্তবয়স্কা, নিয়মিত জোয়ার ভাটাধারী পূর্ণযুবতী (রূ)বিণ ধনী (দেত)বিস্ত্রী রজস্বলা {আ}
দেবতাঃ “ওম শান্তি!” “দাদা বাংলাদেশের মতো ছোট একটি
দেশে মহান এ শাস্ত্রীয় উৎসবটি পরপর তিনদিন উযযাপিত হলে শাস্ত্রীয় সংস্কারের
ভিত্তিটি কী ক্রম দুর্বল হয়ে পড়ে না?”
মালাকাঃ “ওম শান্তি!” “দেখুন ভাইজান, ‘মিনহাজ (ﻤﻨﻬﺎﺝ)’
বা সনাতনী বা প্রাকৃতিক বিষয়াদিকে আড়াল করে বা পিছনে রেখে অভিনবরূপে যতই
শাস্ত্রীয় সংস্কার নির্মাণ করা হোক না কেন, তার ভিত্তিমূল যেমন দুর্বল-
শাস্ত্রীয় সংস্কারাদি পালনের বিধিবিধানও রাবারের ফিতায় হাতী মাপনের মতোই
তেমন দুর্বল। এ জন্য বলা যায় কুরানীদের ‘ঈদুলফিতর (ﻋﻴﺪ ﺍﻟﻔﻄﺮ)’ নামক
শাস্ত্রীয় উৎসবটি তিনদিন ব্যাপী হোক না পাঁচদিন ব্যাপী হোক তাতে সনাতনী বা
প্রাকৃতিক ‘কোজাগর’ বা ‘শবেবরাত (ﺸﺑﻰﺑﺭﺍﺀﺓ)’ নামক অনুষ্ঠানের কোন প্রকার ক্ষতিও হবে না এমনকি কোন প্রকার পরিবর্তনো হবে না।”
মিনহাজ [ﻤﻨﻬﺎﺝ] বি প্রকৃত, পথ, গলি, সড়ক,
সরণি, মার্গ, উপায়, পন্থা, ব্যবস্থা, কৌশল, রন্ধ্র, ছিদ্র, দ্বার, অভিমুখ,
দিক, গোচর, গমনের দিক, যার দ্বারা গমনাগমন করা যায় (প্র) প্রকাশ্যপথ, প্রকৃত পথ, প্রকৃত ব্যবস্থা, উম্মুক্ত সাধনপথ {আ}
শবেবরাত [ﺸﺑﻰﺑﺭﺍﺀﺓ] (রূপ)বি কোজাগর, মুক্তিরজনী, নির্বাণরজনী, পাপ বা কলুষ মুক্ত হওয়ার রাত (প্র)
কুরানী মনীষীদের রূপকবর্ণনা মতে আরবি চান্দ্রবর্ষের শাবান মাসের চতুর্দশতম
দিবাগত রাত- এরাতে কুরানীরা হালুয়া রুটি বিতরণ করে ও উত্তম খাবার খায়,
কুরানীদের ধারণা এ রাতে মানবের বার্ষিক খাদ্য, জন্মমৃত্য ও আয়ু ইত্যাদি
নির্ধারিত হয় (পরি) মাসিক ঋতুস্রাব হতে পবিত্রতালাভের ঠিক
পরবর্তিমুহূর্ত মুক্তির প্রথম প্রহর, উষার প্রথম দিন হতে সর্বশেষ দিন-
যেদিন নিরাকার সাঁই অদৃশ্যজগৎ হতে এসে মানবদেহে সাদাবর্ণের জীবজলরূপে
স্থিতি করেন। সাধকগণ এ প্রহরে সাঁইসাধন করে সারাবিশ্বের পালনকর্তা বা
বিশ্বকর্মা সাঁইকে সাদা জলাকারে দর্শন করে মানবজনম ধন্য করেন (আবি)বি প্রথমপ্রহর, সকাল, প্রত্যুষ, ভোর, morning (মরনিং), down (ডউন), aurora (অরোরা), আওয়ালওক্ত (আ.ﺍﻮﻞﻮﻗﺖ), ফালাক (আ.ﻔﻟﻖ), বারায়াত (আ.ﺑﺭﺍﺀﺓ), যোহরা (আ.ﺯﻫﺮﺓ), সুবহ (আ.ﺼﺑﺢ) (আভা)বি উষা, প্রতিপদ, সাঁই আগমনের সময় (আপ্র) প্রথমপ্রহর পরিবারের সদস্য বিশেষ, রূপকসাহিত্যের একটি পরিভাষা বিশেষ (সংজ্ঞা) মানবদেহের নয়প্রহর সময়ের মধ্যে প্রতিপদের প্রথম সাড়েতিনদিন সময়কে প্রথমপ্রহর বা কোজাগর বলে (আপ)বি জোহর (আ.ﻆﻬﺮ), ফজর (আ.ﻔﺠﺮ), শবেবরাত (ফা.ﺸﺑﻰ ﺑﺭﺍﺀﺓ) (ইপ)বি down (ডওন) (উপ)বি সকাল, ভোর (রূ)বি উষা (দেত)বি প্রথমপ্রহর {ফা.শব.ﺸﺑﻰ+ আ.ক্বদর.ﺑﺭﺍﺀﺓ}
প্রতীতিঃ “ওম শান্তি!” “আমরা মালাকা দাদাদের নিকট
আরেকটি বিষয় ভালোভাবে জানতে চাই- তা হলো উপোসের প্রাতঃভোজন এবং
সান্ধ্যভোজনের সময়সীমা এক পলক আগপিছ করতে দেয় না বাঙালী শাস্ত্রীয় মতবাদী
পণ্ডিতরা। তারা দর্পের সাথে বলে থাকেন উপোসের সময়সীমা আগপিছ করলে উপোস হবে
না এমনকি দণ্ডোপোস করতে হবে ইত্যাদি ইত্যাদি। কিন্তু দিন বড় হওয়ার করণে
মিসর রাষ্ট্রীয়ভাবে সূর্যাস্তের একঘণ্টা পূর্বে উপোসকারিদের সান্ধ্যভোজন
করার অনুমতি প্রদান করেছেন। (Ramadan calibrations are especially famous
in Egypt. But this year, the Egyptian government has added a new twist
to the holiday by turning back the clock just for Ramadan. That way
people and their fast an hour earlier than they would otherwise, even
though the total number of hours they fast will not change). আবার আমিরাত
শিল্প প্রতিষ্ঠানের উৎপাদন ব্যহত ও শ্রমিকদের স্বাস্থ্যহানি ইত্যাদি কারণে
শ্রমিকদের উপোস পালন না করার সিদ্ধান প্রদান করেছেন (বার্তা- সিএনএন)।
সৌদি আরব ও তার পার্শ্ববর্তী দেশাদি মানবতার প্রতি লক্ষ্য করে শাস্ত্রীয়
বিধানাদি স্বল্পমাত্রায় বা অধিকমাত্রায় পরিবর্তন করতে দেখা যায় কিন্তু যতসব
কড়াকড়ি খুষ্কমূষ্ক শাস্ত্রীয় মতবাদী পণ্ডিতদের আশ্রয়স্থল আমাদের এ
বাংলাদেশ। এ ব্যাপারে আপনাদের ‘জান্নাতি (ﺠﻨﺓ)’ দর্শন কী?”
মালাকাঃ “ওম শান্তি!” “দেখুন দাদা! শাস্ত্রীয় উপাসনাদি
ও শাস্ত্রীয় সংস্কারাদি মানবদেহের চন্দ্র সাঁই ও মানবদেহের সূর্য কাঁইয়ের
সাথে সুসামঞ্জস্য রেখে নির্মাণ করা হলেও তা সৌরজগতের চন্দ্র ও সূর্যের সাথে
সম্পৃর্ক করে রূপক উপমাদি নির্মাণ করে প্রকাশ করা হয়ে থাকে। এ জন্য
শাস্ত্রীয় রূপক উপাসনাদি স্থান, কাল ও পাত্রভেদে ভিন্নভিন্ন হতে পারে।
যেমন- আপনাদের বাঙালী মহাসাধক মহাত্মা লালন সাঁইজির একটি উক্তি-
“পাপ পুণ্যের কথা আমি কারেবা শুধাই,
এ দেশে যা পাপ গণ্য অন্য দেশে পুণ্য তাই।
এ দেশে যা পাপ গণ্য অন্য দেশে পুণ্য তাই।
তিব্বত আইন অনুসারে,
একনারী বহু পতি ধরে,
এ দেশেতে হলে পরে,
ব্যভিচারে দণ্ড দেয়।
একনারী বহু পতি ধরে,
এ দেশেতে হলে পরে,
ব্যভিচারে দণ্ড দেয়।
শূকর গরু দু’টি পশু,
খেতে বলেছেন যিশু,
হিন্দু মুসলমান পেয়ে কিছু,
তারা পিছুতে হটায়।
খেতে বলেছেন যিশু,
হিন্দু মুসলমান পেয়ে কিছু,
তারা পিছুতে হটায়।
দেশ সমস্যা অনুসারে,
ভিন্ন বিধান হতে পারে,
লালন বলে সূক্ষ্মজ্ঞান বিচারে,
পাপপুণ্য নাই বালাই।” (পবিত্র লালন- ৬২৩)।
ভিন্ন বিধান হতে পারে,
লালন বলে সূক্ষ্মজ্ঞান বিচারে,
পাপপুণ্য নাই বালাই।” (পবিত্র লালন- ৬২৩)।
রূপক উপাসনার পরিবর্তনে ‘সনাতনী’ বা ‘মিনহাজ (ﻤﻨﻬﺎﺝ)’ বা ‘প্রকৃত দৈহিক উপাসনাদি’ এর কোন ক্ষতিও হয় না। এমনকি কোন পরিবর্তনো হয় না।”
প্রতীতিঃ “ওম শান্তি!” “এবার বলুন- আমাদের বাঙালী
শাস্ত্রীয় মতবাদী পণ্ডিতরা তাপন ও উপোসের সময়সীমায় এক মুহূর্তও আগপিছ করতে
দেন না। চন্দ্রবাসী মঙ্গলগ্রহবাসী ও ভিন্নগ্রহবাসিদের কথা ছেড়েই দিলাম-
আমাদের পৃথিবীর উত্তর মেরু ও দক্ষিণ মেরুর এ্যান্টার্টিকা অঞ্চল, কানাডার
নর্থওয়েস্ট টেরিটরি, নুনোভাট ও ইউকন টেরিটরি প্রভিন্সত্রয়, গ্রীনল্যান্ড,
নরওয়ে, রাশিয়ার আংশিক উত্তরাঞ্চল প্রভৃতি স্থানে ছয়মাস দিন ও ছয়মাস রাত।
আরো এমন কিছু অঞ্চল রয়েছে যেসব স্থানে পুরোপুরি ছয়মাস সামান্য হতে গভীর রাত
ও ছয়মাস স্বচ্ছ হতে অসচ্ছ দিন। সেসব অঞ্চলে সৌরজগতের চন্দ্র ও সূর্যের
ধ্বজাধারী এবং এক মুহূর্ত আগপিছ করা যাবে না, এরূপ কট্টোরপন্থী বাঙালী
শাস্ত্রীয় মতবাদী পণ্ডিতদের ভূমিকা কতটুকু এ বিষয়টি আপনাদের নিকট জানতে
চাই।”
মালাকাঃ “ওম শান্তি!” “দেখুন দাদা! শাস্ত্রীয় উপাসনা
পদ্ধতি ও শাস্ত্রীয় সংস্কারাদির প্রবর্তন একান্তভাবে স্থান, কাল ও পাত্রের
সাথে সম্পৃক্ত। যেমন- সৌদি আরবে বাংভারতীয়দের মতো পূজা শেষে প্রতিমা
বিসর্জনের জন্য নদী পাওয়া সহজলভ্য নয়। তদ্রূপ পৃথিবীর উত্তর মেরু, দক্ষিণ
মেরু ও এ্যান্টার্টিকা মহাদেশ প্রভৃতি অঞ্চলে একমাত্র দেহবিশ্বের চন্দ্র ও
সূর্য ব্যতীত সৌরজগতের চন্দ্র ও সূর্য দেখে তাপন নির্বাণোৎসব পশুবধোৎসব
উপোসের প্রাতঃভোজন ও সান্ধ্যভোজন ইত্যাদি কোন কিছুই করা সম্ভব নয়। এ জন্য
বলা যায় শাস্ত্রীয় উপাসনা ও শাস্ত্রীয় সংস্কারাদিকে সার্বজনীন বা বিশ্বজনীন
মনে করা বোকামির নিম্নস্তর বৈ নয়। কারণ বিভিন্ন শাস্ত্রীয় মতবাদের বিভিন্ন
উপাসনাদি একেক অঞ্চলের জন্য প্রযোজ্য বিশ্ববাসির জন্য সমানভাবে তা
প্রজোয্য নয়। তবে সাধনার ‘ভেদপরম্পরা’ বা ‘মিনহাজ (ﻤﻨﻬﺎﺝ)’ বা ‘এরফানকে
(ﻋﺮﻔﺎﻦ)’ নির্দ্বিধায় সার্বজনীন ও বিশ্বজনীন বলা যায়। বিশ্বের সব
আত্মতাত্ত্বিক সাধুগণের সাধন ও ভজন পদ্ধতি এক ও অভিন্ন।
এরফান [ﻋﺮﻔﺎﻦ] বি সূক্ষ্মজ্ঞান, আধ্যজ্ঞান, ভেদজ্ঞান, পরাজ্ঞান, আধ্যাত্মিকজ্ঞান, আত্মদর্শনের জ্ঞান {আ.আরফুন.ﻋﺮﻒ;}
প্রতীতি: “ওম শান্তি!” “ভাই মালাকা (ﻤﻟﻚ), ……………..”।
মালাকাঃ “ওম শান্তি!” “দয়া করুন! আমাকে শেষ করতে দিন।
বিশ্বের বিভিন্ন ভাষায় বিভিন্ন প্রদেশে শাস্ত্রীয় রূপক সংস্কারাদি নিয়ে যে
দলাদলী ও রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের সূত্রপাত আরম্ভ হয়েছে- বুদ্ধিমান মানব ও দানব
তেমন শাস্ত্রীয় সংস্কারাদি পরিত্যাগ করে সনাতনী প্রকৃতির কোলে আশ্রয় গ্রহণ
করতে আরম্ভ করেছে। আর বাস্তবতাও তাই। চিরভ্রমময় ও চিরদ্বান্দ্বিক শাস্ত্রীয়
সংস্কারাদি নিয়ে তর্কবিতর্ক, দ্বন্দ্ব, সংঘাত ও সংগ্রাম ইত্যাদি চিরতরে
পরিত্যাগ ও পরিহার করে আবারো প্রকৃতির বুকে বা চিরাচরিত সনাতনী নিয়ম
আত্মতত্ত্ব ভেদে ফিরে না আসা পর্যন্ত বিশ্বের কোথাও কখনো শান্তি প্রতিষ্ঠা
হবে না। এমনকি অন্ধবিশ্বাসী শাস্ত্রীয় মতানুসারিরাও কখনো শান্তিতে বসবাস
করতেও পারবে না। সন্তান যেমন মাতৃক্রোড়ে চরম ও পরম প্রশান্তি অনুভব করে,
তেমনিভাবে মানুষও সর্ব প্রকার শাস্ত্রীয় সংস্কারাদির দ্বন্দ্ব ও সংঘাত
পরিহার করার মাধ্যমে, সনাতন বা প্রকৃতির কোলে প্রত্যাবর্তন করে প্রকৃতি
প্রেমিক হয়ে উঠার পর চরম ও পরম প্রশান্তি অনুভব করে থাকে। এ জন্য
বুদ্ধিমানগণের উচিত শাস্ত্রীয় সংস্কারাদির সর্ব প্রকার দ্বন্দ্ব-সংঘাত
চিরতরে পরিত্যাগ করে, সনাতন ক্রোড়ে বা প্রকৃতির কোলে ফিরে আসা। অর্থাৎ
প্রত্যেকেই নিজনিজ আত্মশুদ্ধি করা। প্রত্যেকেই নিজকে একজন প্রকৃত
আত্মতাত্ত্বিক রূপে গড়ে তোলা।”
দেবতাঃ “ওম শান্তি!” “দাদা আর একটি বিষয় আমাদেরকে একটু
অবগত করুন। বর্তমান বিশ্বের অধিকাংশ শাস্ত্রীয় উগ্রবাদ বা শাস্ত্রীয়
সন্ত্রাসবাদ প্রায় সবই আপনাদের মধ্য প্রাচ্য হতে উৎপত্তি। এমনকি বিশ্বের
প্রায় শাস্ত্রীয় উগ্রসংগঠনাদির উৎসাহদাতা ও অর্থনৈতিক যোগানদাতা আপনাদের
মধ্যপ্রাচ্যের কোন না কোন ব্যক্তি বা সংগঠন। এ ব্যাপ্যারে আপনাদের
‘বেহেস্তি (ﺒﻬﺷﺖ)’ দর্শন কী?”
ফেরেস্তাঃ “ওম শান্তি!” “দেখুন শাস্ত্রীয় উগ্রবাদ বা
শাস্ত্রীয় সন্ত্রাসবাদ এগুলো আমাদের ‘বেহেস্তি (ﺒﻬﺷﺖ)’ নীতিমালায় নেই। আমরা
‘নবি (ﻧﺒﺊ)’ ও ‘রাসুল (ﺭﺴﻭﻝ)’ গণের নিকট এরূপ কোন দৈববাণী বা ‘ওহি (ﻭﺤﻰ)’
প্রেরণ করিনি। যুদ্ধাদি ও সংগ্রামাদির যেসব বর্ণনা শাস্ত্রীয়গ্রন্থ বা
মহাগ্রন্থাদির মধ্যে করা হয়েছে তা একমাত্র আত্মতত্ত্ব ও মানবীয় প্রকৃতিমূলক
লৌকিকা বৈ নয়।”
দেবতাঃ “ওম শান্তি!” “আচ্ছা দাদা শাস্ত্রীয় মতবাদের
জন্য যারা প্রাণ উৎসর্গ করেন তাদের রক্তমাখা বসনসহ নাকি আপনারা ‘বেহেস্তে
(ﺒﻬﺷﺖ)’ নিয়ে যান?”
ফেরেস্তাঃ “ওম শান্তি!” “এগুলো সুমহান রূপকার,
বৈখ্যিক, টৈকিক, অভিধানবেত্তা ও অনুবাদকগণের রূপকসাহিত্যের নীতিমালা
অনুযায়ী নির্মিত লৌকিকা। কারণ আমাদের ‘বেহেস্তে (ﺒﻬﺷﺖ)’ রক্ত, পুঁজ, মল,
মূত্র, কাশ ও পাদ এগুলোর চিহ্নমাত্রও নেই। ‘বেহেস্ত (ﺒﻬﺷﺖ)’ হলো সবচেয়ে
পবিত্রতম স্থান। এখানে অপবিত্র কোন কিছুর স্থান নেই। তরল পদার্থের মধ্যে
দুগ্ধ, সুধা, মধু, আদি ও শুক্র ভিন্ন অন্য কোন কিছুর আশ্রয় প্রশ্রয় দেয়া হয়
না। রক্তমাখা নোংরা বসনাদি নিয়ে ‘বেহেস্তে (ﺒﻬﺷﺖ)’ প্রবেশ করার তো প্রশ্নই
আসে না”।
============================================
দৈব বিণ অলৌকিক, স্বর্গীয়, স্বর্গজাত, দেবজাত, দেবতা হতে আগত, দেবতা সম্বন্ধীয়, দৈহিক নয় এরূপ বি অদৃষ্ট, ভাগ্য, কপাল, বিধিলিপি স্ত্রী দৈবী।
============================================
দৈব বিণ অলৌকিক, স্বর্গীয়, স্বর্গজাত, দেবজাত, দেবতা হতে আগত, দেবতা সম্বন্ধীয়, দৈহিক নয় এরূপ বি অদৃষ্ট, ভাগ্য, কপাল, বিধিলিপি স্ত্রী দৈবী।
লৌক বিণ লোক সম্বন্ধীয়, মানুষের দ্বারা সৃষ্টি এরূপ বি লোক।
লৌকিকা বি ছোটকি, লৌকসত্তা, অলৌকিকরূপে
সৃষ্টিসত্তা, অসম্ভব বা অমানবীয়রূপে সৃষ্টিসত্তা, আত্মতত্ত্ব সম্বন্ধীয়
আধ্যাত্মিকশিক্ষামূলক গল্পকাহিনি।
লৌকিকার সংজ্ঞা
বাস্তব অবাস্তব ও হ্রাসবৃদ্ধিসহ ব্যক্তির প্রয়াণপূর্ব ও প্রয়াণোত্তর আলোচনা ও সমালোচনার দ্বারা জনসাধারণের মুখে মুখে যে কিংবদন্তিমূলক অতিমানবীয় ছোটছোট গল্পকাহিনি বা অলৌকিক ছোটছোট উপন্যাস ও উপাখ্যানের অস্তিত্বলাভ করে তাকে চমৎকার বা লৌকিকা বলে। লৌকিকাকে আরবিভাষায় ‘মুজিঝা (ﻤﻌﺠﺯﺓ)’ বলে।
বাস্তব অবাস্তব ও হ্রাসবৃদ্ধিসহ ব্যক্তির প্রয়াণপূর্ব ও প্রয়াণোত্তর আলোচনা ও সমালোচনার দ্বারা জনসাধারণের মুখে মুখে যে কিংবদন্তিমূলক অতিমানবীয় ছোটছোট গল্পকাহিনি বা অলৌকিক ছোটছোট উপন্যাস ও উপাখ্যানের অস্তিত্বলাভ করে তাকে চমৎকার বা লৌকিকা বলে। লৌকিকাকে আরবিভাষায় ‘মুজিঝা (ﻤﻌﺠﺯﺓ)’ বলে।
মু’জিযাঃ [ﻤﻌﺠﺯﺓ] (রূপ)বি অক্ষমতা, দুর্বলতা, অপারগতা, অযোগ্যতা (বাপ) লৌকিকা, ছোটকি, লৌকসত্তা (প্র) কুরানী মনীষীদের রূপকবর্ণনা মতে অবাক ঘটনা, দৈবিকা প্রতীতি দেব দেবতা বা ঐশ্বরিক প্রতীতিগণের দ্বারা সুসংঘটিত রূপককল্পকাহিনি (ব্য্য)
বৈক্তিকসদস্যদের ছদ্মনামকরণ করে প্রতীতি বা দৈবিকা নির্মাণ করে মূলকসংখ্যা
ও সংখ্যাসূত্রাদির সাহায্যে অতিমানবীয় বা অতিন্দ্রীয় যেসব রূপকগল্পকাহিনি
নির্মাণ করা হয় রূপকসাহিত্যে তাকে ‘লৌকিকা’ বা ‘মু’জিযাঃ (ﻤﻌﺠﺯﺓ)’ বলা হয় (পরি) আত্মদর্শনের বিষয়বস্তু এবং সংখ্যাসূত্রাদির দ্বারা রচিত রূপকসাহিত্য বা রূপকার্থে নির্মিত কিংবদন্তিময় কল্পকাহিনি লৌকিকা {আ.আজঝুন.ﻋﺠﺰ>}
কাঁই (রূপ)বি ব্রহ্মা, বিরিঞ্চি, কালা, কেলে, কালিয়া, কালো, কৃষ্ণ, কাজলা, শ্যাম, শ্যামল, শ্যামলা (সাঅ)বি সৃষ্টিকর্তা, জগৎস্রষ্টা, বিধাতা, কমলাসন, চতুরানন, প্রজাপতি, হিরণ্যগর্ভ, স্বয়ম্ভ, ব্রহ্মশক্তি (পরি) যে শক্তির দ্বারা জীবের বংশবৃদ্ধি হয়, মানবদেহে প্রাপ্ত কালোবর্ণের জীবজল বা মধুবৎ মিষ্ট অমৃতসুধা (ব্য্য) কাঁইশক্তি বা জীবনিশক্তি ভিন্ন জীব সৃষ্টি হয় না এবং জীবকুল পরমাত্মার সাথে সংযুক্ত থাকতে পারে না, বলে কাঁইকে সৃষ্টিকর্তা বলা হয় (উপ)বি সৃষ্টিকর্তা (ভাদৈ)বি ব্রহ্মা (আদৈ)বি আল্লাহ (ﺍﻟﻟﻪ) (ইদৈ)বি Lord (লর্ড) (রূ)বি কাঁই (দেত)বি সৃষ্টিকর্তা {(কালো+ঈশ্বর); কা+ঈ; কাঈ;}
angel [এঞ্জেল] (রূপ)বি সুর, অমর, অত্যন্ত সুন্দর ও নির্দোষ জীব (প্র) কুরানী মনীষীদের রূপকবর্ণনা মতে দেহহীন অত্যন্ত সূক্ষ্ম ও নিষ্পাপ অণুজীব বিশেষ (আবি)বি
দৈবিকা, প্রতীতি, দেবতা, দৈবসত্তা, উদ্দীপক, স্বর্গীয়দূত, দৈবদূত, সত্তা,
ঈশ্বর, অধিপতি ঐশিদূত, ঐশিপ্রতীতি, ঐশিবার্তাবাহক, ঐশিসংবাদিক (প্র) দেহহীন অত্যন্ত সূক্ষ্ম ও নিষ্পাপ দৈতদূত বা স্বর্গীয়দূত বিশেষ (পরি) বৈক্তিকসদস্যাদির রূপকনামাদি (সংজ্ঞা)
বৈক্তিকসদস্যের ইন্দ্র, উদ্দীপক, রিপু, রুদ্র ও দশা ইত্যাদির রূপকনামধারী
বা ছদ্ম নামধারী সদস্যাদিকে দৈবিকা বা angel (এঞ্জেল) বলে (শিশ্ন হতে
বিম্বল) (আপ্র) দৈবিকা পরিবারের সদস্য বিশেষ (ইদৈ)বি idol (আইডল), divinity (ডিভিনিটি) (আদৈ)বি মালাকা (আ.ﻤﻟﻚ), ফেরেস্তা (ফা.ﻔﺮﺸﺗﻪ) (রূ)বি প্রতীতি (দেত)বি দৈবিকা {ই}
মালাকা [ﻤﻟﻚ] (রূপ)বি সুর, অমর, অত্যন্ত সুন্দর ও নির্দোষ জীব (প্র)
১.কুরানী মনীষীদের রূপকবর্ণনা মতে দেহহীন অত্যন্ত সূক্ষ্ম ও নিষ্পাপ
অণুজীব বিশেষ ২.দেহহীন অত্যন্ত সূক্ষ্ম ও নিষ্পাপ দৈতদূত বা স্বর্গীয়দূত
বিশেষ (আবি)বি দৈবিকা, প্রতীতি, দেবতা, দৈবসত্তা, উদ্দীপক,
স্বর্গীয়দূত, দৈবদূত, সত্তা, ঈশ্বর, অধিপতি ঐশিদূত, ঐশিপ্রতীতি,
ঐশিবার্তাবাহক, ঐশিসংবাদিক (পরি) বৈক্তিকসদস্যাদির রূপকনামাদি (সংজ্ঞা) বৈক্তিকসদস্যের ইন্দ্র, উদ্দীপক, রিপু, রুদ্র ও দশা ইত্যাদির রূপকনামধারী বা ছদ্ম নামধারী সদস্যাদিকে দৈবিকা বা মালাকা (আ.ﻤﻟﻚ) বলে (শিশ্ন হতে বিম্বল) (আপ্র) দৈবিকা পরিবারের সদস্য বিশেষ (ইদৈ)বি angel (এঞ্জেল), idol (আইডল), divinity (ডিভিনিটি) (আদৈ)বি ফেরেস্তা (ফা.ﻔﺮﺸﺗﻪ) (রূ)বি প্রতীতি (দেত)বি দৈবিকা {আ}
ফেরেস্তা [ﻔﺮﺸﺗﻪ] (রূপ)বি সুর, অমর, অত্যন্ত সুন্দর ও নির্দোষ জীব (প্র)
১.কুরানী মনীষীদের রূপকবর্ণনা মতে দেহহীন অত্যন্ত সূক্ষ্ম ও নিষ্পাপ
অণুজীব বিশেষ ২.দেহহীন অত্যন্ত সূক্ষ্ম ও নিষ্পাপ দৈতদূত বা স্বর্গীয়দূত
বিশেষ (আবি)বি দৈবিকা, প্রতীতি, দেবতা, দৈবসত্তা, উদ্দীপক,
স্বর্গীয়দূত, দৈবদূত, সত্তা, ঈশ্বর, অধিপতি ঐশিদূত, ঐশিপ্রতীতি,
ঐশিবার্তাবাহক, ঐশিসংবাদিক (পরি) বৈক্তিক সদস্যাদির রূপকনামাদি (সংজ্ঞা) বৈক্তিকসদস্যের ইন্দ্র, উদ্দীপক, রিপু, রুদ্র ও দশা ইত্যাদির রূপকনামধারী বা ছদ্ম নামধারী সদস্যাদিকে দৈবিকা বা ফেরেস্তা (ফা.ﻔﺮﺸﺗﻪ) বলে (শিশ্ন হতে বিম্বল) (আপ্র) দৈবিকা পরিবারের সদস্য বিশেষ (ইদৈ)বি angel (এঞ্জেল), idol (আইডল), divinity (ডিভিনিটি) (আদৈ)বি মালাকা (আ.ﻤﻟﻚ) (রূ)বি প্রতীতি (দেত)বি দৈবিকা {ফা}
দেবতা (রূপ)বি সুর, অমর, সূর্য, সূত্র, জ্ঞানী, অত্যন্ত সুন্দর ও নির্দোষ জীব (প্র) পুরাণী মুনীষীদের রূপকবর্ণনা মতে নিষ্পাপ প্রতীতি বিশেষ (আবি)বি দৈবিকা, প্রতীতি, দৈবসত্তা, উদ্দীপক, স্বর্গীয়দূত, দৈবদূত, সত্তা, ঈশ্বর, অধিপতি ঐশিদূত, ঐশিপ্রতীতি, ঐশিবার্তাবাহক, ঐশিসংবাদিক (প্র) দেহহীন অত্যন্ত সূক্ষ্ম ও নিষ্পাপ দৈতদূত বা স্বর্গীয়দূত বিশেষ (পরি) বৈক্তিক সদস্যাদির রূপকনামাদি (সংজ্ঞা)
বৈক্তিকসদস্যের ইন্দ্র, উদ্দীপক, রিপু, রুদ্র ও দশা ইত্যাদির রূপকনামধারী
বা ছদ্ম নামধারী সদস্যাদিকে দৈবিকা বা দেবতা বলে (শিশ্ন হতে বিম্বল) (আপ্র) দৈবিকা পরিবারের সদস্য বিশেষ (ইদৈ)বি angel (এঞ্জেল), idol (আইডল), divinity (ডিভিনিটি) (আদৈ)বি মালাকা (আ.ﻤﻟﻚ), ফেরেস্তা (ফা.ﻔﺮﺸﺗﻪ) (রূ)বি প্রতীতি (দেত)বি দৈবিকা।
প্রতীতি (রূপ)বি প্রতীতি, দৈবিকা, দেবতা, উদ্দীপক, দৈবদূত, স্বর্গীয়দূত, সত্তা, সুর, অমর, ঈশ্বর, অধিপতি (সাঅ)বি জ্ঞান, বোধ, উপলব্ধি, ধারণা, বিশ্বাস (প্র) দেহহীন অত্যন্ত সূক্ষ্ম ও নিষ্পাপ দৈতদূত বা স্বর্গীয়দূত বিশেষ (আবি)বি দৈবসত্তা, দৈবদূত, অধিপতি ঐশিদূত, ঐশিপ্রতীতি, ঐশিবার্তাবাহক, ঐশিসংবাদিক (প্র) দেহহীন অত্যন্ত সূক্ষ্ম ও নিষ্পাপ দৈতদূত বা স্বর্গীয়দূত বিশেষ (পরি) বৈক্তিক সদস্যাদির রূপকনামাদি (সংজ্ঞা)
বৈক্তিক সদস্যের ইন্দ্র, উদ্দীপক, রিপু, রুদ্র ও দশা ইত্যাদির রূপকনামধারী
বা ছদ্ম নামধারী সদস্যাদিকে দৈবিকা বা প্রতীতি বলে (শিশ্ন হতে বিম্বল) (আপ্র) দৈবিকা পরিবারের সদস্য বিশেষ (ইদৈ)বি angel (এঞ্জেল), idol (আইডল), divinity (ডিভিনিটি) (আদৈ)বি মালাকা (আ.ﻤﻟﻚ), ফেরেস্তা (ফা.ﻔﺮﺸﺗﻪ) (রূ)বি প্রতীতি (দেত)বি দৈবিকা।
ঢাকা (রূপ)বি ঢাকন, ঢাকনা, আবরণ, আচ্ছাদন বিণ আবৃত, লুকানো, গোপন, আচ্ছাদিত, গুপ্ত, অপ্রকাশিত ক্রি আচ্ছাদন করা, আবৃত্ত করা, ঢেঁকে রাখা, চাপিয়ে রাখা (ভাঅ)বি মথুরা, কাশী, নিধুয়া (প্র) ১.ঢাকা নগরী, ১৯৭১ অব্দ হতে স্বাধীন বাংলাদেশের রাজধানী ও একটি বিখ্যাত নগর ২.ঢাকার পূর্ব নাম ছিল জাহাঙ্গিরনগর (ব্য্য) ঢাকা থাকে বলেই গর্ভাশয়কে ঢাকা বলা হয় (ভাদৈ) মথুরা (আদৈ)বি মদিনা (ﻤﺪﻴﻧﻪ) (ইদৈ)বি womb (ওম্ব) (উপ)বি আকাশ, পাতাল, স্বর্গ (রূ)বি নিধুয়া (দেত)বি জরায়ু।
মথুরা (রূপ)বি মন্থনাগার, মন্থনগৃহ, মন্থনকৃতস্থান (ভাঅ)বি কাশী, নিধুয়া, ঢাকা (প্র)
১.ভারতের একটি নগরী। এখানে শ্রীকৃষ্ণের হাতে কংসরাজের মৃত্যু হয়
২.মধুদৈত্য নির্মিত নগরী, যমনানদীর দক্ষিণদিকে অবস্থিত একটি বৃহৎনগরী।
এখানেই মহাত্মা শ্রীকৃষ্ণে জন্ম হয় (ব্য্য) প্রাণরস মন্থন করে দেহ নির্মাণ করা হয় বলে গর্ভাশয়কে মথুরা বলা হয় (আদৈ)বি মদিনা (ﻤﺪﻴﻧﻪ) (ইদৈ)বি womb (ওম্ব) (বাদৈ)বি নিধুয়া (উপ)বি আকাশ, পাতাল, স্বর্গ (রূ)বি নিধুয়া (দেত)বি জরায়ু।
কোকাফ [ﻜﻭﻩ ﻘﺎﻒ] (রূপ)বি কবি কল্পিত ও প্রবাদসিদ্ধ একটি পাহাড়, ককেশাস পর্বত (প্র)
১.কুরানী মনীষীদের রূপকবর্ণনা মতে আরব বিশ্বের ভূত ও রাক্ষস খোক্ষস
বসবাসের ভয়ংকর পাহাড় বিশেষ ২.পৃথিবী বেষ্টন করে রয়েছে এরূপ পাহাড়- যাতে
অসংখ্য দৈবিকা, প্রতীতি, দৈত্য দানব দেব দেবতা সুর অসুর ইত্যাদি বাস করে (আদৈ)বি মদিনা (ﻤﺪﻴﻧﻪ) (ইদৈ)বি womb (ওম্ব) (ভাদৈ)বি কাশী, মথুরা (বাদৈ)বি নিধুয়া, ঢাকা (উপ)বি পাহাড়, স্বর্গ (রূ)বি নিধুয়া (দেত)বি গর্ভাশয় {আ}
মদিনা [ﻤﺪﻴﻧﻪ] (রূপ)বি নগর, হাট, তীর্থ, মেলা, ব্যবসাকেন্দ্র, বিপণিচক্র, গন্তব্য স্থল, তীর্থস্থান, সুজলা সুফলা শস্য শ্যামলা ভূমি (প্র)
১.কুরানী মনীষীদের রূপকবর্ণনা মতে আরবদেশের অন্যতম প্রধান নগর এবং
কুরানীদের বিশ্বতীর্থস্থান, কুরানোক্ত মুহাম্মদ জন্মভূমি মক্কা ছেড়ে
স্থানান্তরিত হয়ে এখানে আসেন এবং তাঁর সমাধিও এখানে অবস্থিত ২.‘মদিনার
(ﻤﺪﻴﻧﻪ)’ পূর্বনাম ছিল ‘ইয়াসরিব (ﻴﺜﺮﺐ)’ (ইদৈ)বি womb (ওম্ব) (ভাদৈ)বি মথুরা, কাশী (বাদৈ)বি ঢাকা, নিধুয়া (উপ)বি পাহাড়, আকাশ ও স্বর্গ (রূ)বি নিধুয়া (দেত)বি গর্ভাশয় {আ}
ওম্ব [ড়িসন] (রূপ)বি জরায়ু, জঠর, গর্ভাশয়, কুসুমকোষ (আদৈ)বি মদিনার (ﻤﺪﻴﻧﻪ) (ভাদৈ)বি মথুরা ও কাশী (বাদৈ)বি নিধুয়া (উপ)বি নগর, আকাশ, পাহাড় ও স্বর্গ (রূ)বি নিধুয়া (দেত)বি গর্ভাশয় {ই}
আল্লাহ [ﺍﻠﻠﻪ] (রূপ)বি বিধাতা, স্রষ্টা, ঈশ্বর, উপাস্য, ব্রহ্মা ও স্বায়ম্ভু বিণ সর্বেসর্বা, সৃজক, সৃষ্টিকারী, সর্বময়, সর্বব্যাপী, বিশ্বব্যাপী, সর্বাত্মক, সর্বাধার, creator, maker, producer, designer (আবি)বি কাঁই, কালা, কালো, কালিয়া, কাজলা, কৃষ্ণ, কেলে, শ্যাম, শ্যামল ও শ্যামলা (প্র)
কুরানী মনীষীদের রূপকবর্ণনা মতে সৃষ্টিকর্তা, বিশ্বচরাচরের স্রষ্টা, একক ও
অযোনিজাত স্রষ্টা, পাপের শাস্তিদাতা ও পুণ্যের পুরস্কারদাতা, মানুষের
একমাত্র উপাস্য, সৃষ্টিকুলের পতি (পরি) যে শক্তির দ্বারা জীবের বংশবৃদ্ধি হয়, মানবদেহে প্রাপ্ত কালোবর্ণের জীবজল বা মধুবৎ মিষ্ট অমৃতসুধা (উপ)বি সৃষ্টিকর্তা (ইদৈ)বি Lord (ভাদৈ)বি ব্রহ্মা (বাদৈ)বি কালা (রূ)বি কাঁই (দেত)বি সৃষ্টিকর্তা {আ}
Lord [লর্ড] (রূপ)বি ব্রহ্মা, ঈশ্বর স্বামী, শাসনকর্তা, পরমেশ্বর, সম্ভ্রান্ত ব্যক্তিবর্গের উপাধি বিশেষ, মন্দিরের প্রধান মতবাদযাজক আবি)বি কাঁই, কালা, কেলে, শ্যাম, কৃষ্ণ, কালিয়া, কাজলা (পরি) যে শক্তির দ্বারা জীবের বংশবৃদ্ধি হয়, মানবদেহে প্রাপ্ত কালোবর্ণের জীবজল বা মধুবৎ মিষ্ট অমৃতসুধা (উপ)বি সৃষ্টিকর্তা (আদৈ)বি আল্লাহ (ﺍﻠﻠﻪ) (ভাদৈ)বি ব্রহ্মা (বাদৈ)বি কালা (রূ)বি কাঁই (দেত)বি সৃষ্টিকর্তা {ই}
রাসুল [ﺮﺴﻭﻝ] (রূপ)বি সাঁই, প্রেরিত, দূত, চর, বাহক, ঘটক, বার্তাবাহক, ভবিষ্যদ্বক্তা (প্র) কুরানী মনীষীদের রূপকবর্ণনা মতে স্বর্গীয়বার্তা প্রচারকারী মহামানব বিশেষ (পরি) মানবদেহে প্রাপ্ত সাদাবর্ণের জীবজল বা অমৃতসুধা (আবি)বি অবতার (ভাদৈ)বি দেবতা (বাদৈ)বি অবতার, বসিধ, প্রতীতি ও দৈবিকা (রূ)বি সাঁই (দেত)বি পালনকর্তা {আ}
মানব বি মানুষ, মানুষ্য, মনু, নর, নৃ বিণ মনুসম্পর্কীয়, মনু কর্তৃক প্রণীত স্ত্রী মানবী।
দানব (রূপ)বি অসুর, দৈত্য, দনুজ, রাক্ষস (প্র) বৈদিকসাহিত্যে বর্ণিত অসুর বিশেষ (উপ)বি রাক্ষস (আদৈ)বি জিন (ﺠﻦ) (রূ)বি ধন (দেত)বি শুক্র স্ত্রী দানবী।
চান্দ্রবর্ষ বি চাঁদ দ্বারা গণনা করা হয় এরূপ
বর্ষ, চাঁদের গণনায় ৩৫৫ দিনে এক বছর হয়। যা সৌর বছরের চেয়ে ১০ দিন ন্যূন।
কেননা সৌরবছর হয় ৩৬৫ দিনে এবং চান্দ্রবছর হয় ৩৫৫ দিনে।
সৌরবছর বি ৩৬৫ দিন ৫ ঘণ্টা ৪৮ মিনিট ৪৭ সেকেন্ডে পৃথিবী সূর্যকে একবার প্রদক্ষিণ করে, এ সময়কে সৌরবছর বলা হয়, solar year.
হিজরিসন [ﻫﺟﺭﻯ ﺴﻨﻪ] বি স্খলিতবর্ষ, পতিতবর্ষ, বিচ্ছিন্নবর্ষ, বিচ্যুত অব্দ, এক স্থান হতে অন্যস্থানে ভ্রমণ অব্দ (প্র)
কুরানী মনীষীদের রূপকবর্ণনা মতে খ্রিস্ট জন্মের ৬২২ বছর পর কুরানোক্ত
বিশ্বনবির মক্কা হতে পুনঃ মদিনায় অদৃশ্য হবার পর হতে চান্দ্রবর্ষ গণনার
সূচনা হয়, কুরানী ইতিহাসের দ্বিতীয় প্রতিনিধি হযরত ওমর এ হিজরিসন গণনার
সূচনা করেন (আবি)বি কিশোরিরা রজস্বলা হবার পর বসিধের আগমনের দিন
গণনা করার দ্বারা যে বর্ষ বা অব্দের সূচনা হয়, অতঃপর বসিধের বিদায়ের পর
পুনরায় বসিধ আগমনের দিনও গণনা করে বের করা হয়, এভাবে যে মাস ও অব্দ বা বর্ষ
গণনার শুভসূচনা হয় {আ}
বেহেস্ত [ﺒﻬﺷﺖ] (রূপ)বি স্বর্গ, অমরা, সর্বময় সুখের স্থান (প্র) কুরানী মনীষীদের রূপকবর্ণনা মতে পুনরুত্থানের পর পুণ্যবানদের বাসস্থান (আবি)বি অটলতা অর্জনরূপ মরণের পর কাঁই লীলাক্ষেত্র ও সাঁই লীলাক্ষেত্ররূপ সর্বোচ্চ স্থান অলোকধাম জঠরে প্রবেশাধিকাররূপ প্রশান্তি (ভাদৈ)বি স্বর্গ (ইদৈ)বি heaven (হ্যাভেন) (দেত)বি শান্তি {ফা}
তৌরাত [ﺗﻮﺭﺍﺓ] (রূপ)বি ধ্বস, ধ্বসন, ভাঙ্গন, ধ্বসেপড়ন, বিনষ্ট, পতিত, স্খলিত, বিচ্যুত, ধ্বংসপ্রাপ্ত, কোন কিছু খসে পড়া (প্র) কুরানী মনীষীদের রূপকবর্ণনা মতে হযরত মুসার ওপর অবতীর্ণ গ্রন্থ (ব্য্য)
বসিধের আগমনের পর হতে দিবস ও মাসের নাম স্মরণ রাখা বা তার আগমন দিবস লিখে
রেখে তা পুনঃপুন পড়া হয় বলে পবিত্র ‘তৌরাতকে (ﺗﻮﺭﺍﺓ)’ গ্রন্থ বলা হয় (আবি)বি রজ, আর্তব, স্রাব, ঋতুস্রাব, dust (ডাস্ট), menstrual (মিন্সট্রুয়াল), আদাত (আ.ﻋﺎﺪﺓ), কুরউ (আ.ﻘﺮﺃ), মাহিজ (আ.ﻤﺤﻴﺾ) (আঞ্চ)বি ঋতু, মাসিক (আভা)বি অবতার, জোয়ার, প্লাবন, বন্যা, রক্তবন্যা, লালজল, ভার্গব, ভীষ্ম, সরস্বতী (আপ্র) রজ পরিবারের সদস্য বিশেষ, রূপকসাহিত্যের একটি দৈবিকা বা প্রতীতি (সংজ্ঞা) রজস্বলাদের জরায়ু হতে প্রতি মাসেমাসে যে রক্তবন্যা প্রবাহিত হয় তাকে রজ বা পতিতপদার্থ বলে (উপ)বি বন্যা, প্লাবন, জোয়ার, রক্তবৃষ্টি, রক্তবন্যা, গ্রন্থ, গ্রন্থিকা (ভাপ)বি সরস্বতী, ভীষ্ম (আপ)বি নবি (আ.ﻧﺒﺉ), পয়গাম্বর (ফা.ﭙﻴﮕﻤﺒﺭ), ইঞ্জিল (আ.ﺍﻧﺠﻴﻝ), যাবুর (আ.ﺯﺒﻮﺭ), হাওয়া (আ.ﺤﻮﺍﺀ) (ইপ)বি (মেসেঞ্জার) (ছনা)বি বসিধ (রূ)বি জোয়ার (দেত)বি রজ {আ}
যাবুর [ﺯﺒﻮﺭ] (রূপ)বি দৈবদূত, স্বর্গীয়দূত, উদ্দীপক, প্রেমঝুলিতে যা অবতীর্ণ হয়ে থাকে (প্র) কুরানী মনীষীদের রূপকবর্ণনা মতে কুরানোক্ত হযরত দাউদ এর ওপর অবতীর্ণ বিখ্যাত ঐশিমহাগ্রন্থ (ব্য্য)
বসিধের আগমনের পর হতে দিবস ও মাসের নাম স্মরণ রাখা বা তার আগমন দিবস লিখে
রেখে তা পুনঃপুন পড়া হয় বলে পবিত্র যাবুরকে (ﺯﺒﻮﺭ) গ্রন্থ বলা হয় (আবি)বি রজ, আর্তব, স্রাব, ঋতুস্রাব, dust (ডাস্ট), menstrual (মিন্সট্রুয়াল), আদাত (আ.ﻋﺎﺪﺓ), কুরউ (আ.ﻘﺮﺃ), মাহিজ (আ.ﻤﺤﻴﺾ) (আঞ্চ)বি ঋতু, মাসিক (আভা)বি অবতার, জোয়ার, প্লাবন, বন্যা, রক্তবন্যা, লালজল, ভার্গব, ভীষ্ম, সরস্বতী (আপ্র) রজ পরিবারের সদস্য বিশেষ, রূপকসাহিত্যের একটি দৈবিকা বা প্রতীতি (সংজ্ঞা) রজস্বলাদের জরায়ু হতে প্রতি মাসেমাসে যে রক্তবন্যা প্রবাহিত হয় তাকে রজ বা দৈবদূত বলে (উপ)বি বন্যা, প্লাবন, জোয়ার, রক্তবৃষ্টি, রক্তবন্যা, গ্রন্থ, গ্রন্থিকা (ভাপ)বি সরস্বতী, ভীষ্ম (আপ)বি নবি (আ.ﻧﺒﺉ), পয়গাম্বর (ফা.ﭙﻴﮕﻤﺒﺭ), ইঞ্জিল (আ.ﺍﻧﺠﻴﻝ), যাবুর (আ.ﺯﺒﻮﺭ), হাওয়া (আ.ﺤﻮﺍﺀ) (ইপ)বি messenger (মেসেঞ্জার) (ছনা)বি বসিধ (রূ)বি জোয়ার (দেত)বি রজ {আ}
ইঞ্জিল [ﺍﻧﺠﻴﻝ] (রূপ)বি শুভসংবাদ, সুসমাচার, দৈববাক্য, দৈববাণী, ঐশিবাণী, আকাশবাণী (প্র)
কুরানী মনীষীদের রূপকবর্ণনা মতে কুরানোক্ত ইসার (ﻋﻴﺲٰ) ওপর অবতীর্ণ
ঐশিমহাগ্রন্থ, খ্রিস্টানদের শাস্ত্রীয়গ্রন্থ, যীশুখ্রিস্টের প্রচারিত বাণী,
Gospel (ব্য্য) বসিধের আগমনের পর হতে দিবস ও মাসের নাম স্মরণ
রাখা বা তার আগমন দিবস লিখে রেখে তা পুনঃপুন পড়া হয় বলে পবিত্র ইঞ্জিলকে
(ﺍﻧﺠﻴﻝ) গ্রন্থ বলা হয় (পরি) যৌবনের শুভসংবাদ, যুবতী হওয়ার ঘোষণা (নচ)বি ভীষ্ম (নাচ)বিস্ত্রী সরস্বতী (আবি)বি রজ, আর্তব, স্রাব, ঋতুস্রাব, dust (ডাস্ট), menstrual (মিন্সট্রুয়াল), আদাত (আ.ﻋﺎﺪﺓ), কুরউ (আ.ﻘﺮﺃ), মাহিজ (আ.ﻤﺤﻴﺾ) (আঞ্চ)বি ঋতু, মাসিক (আভা)বি অবতার, জোয়ার, প্লাবন, বন্যা, রক্তবন্যা, লালজল, ভার্গব, ভীষ্ম, সরস্বতী (আপ্র) রজ পরিবারের সদস্য বিশেষ, রূপকসাহিত্যের একটি দৈবিকা বা প্রতীতি (সংজ্ঞা) রজস্বলাদের জরায়ু হতে প্রতি মাসেমাসে যে রক্তবন্যা প্রবাহিত হয় তাকে রজ বা শুভসংবাদ বলে (উপ)বি বন্যা, প্লাবন, জোয়ার, রক্তবৃষ্টি, রক্তবন্যা, গ্রন্থ, গ্রন্থিকা (ভাপ)বি সরস্বতী, ভীষ্ম (আপ)বি নবি (আ.ﻧﺒﺉ), পয়গাম্বর (ফা.ﭙﻴﮕﻤﺒﺭ), যাবুর (আ.ﺯﺒﻮﺭ), হাওয়া (আ.ﺤﻮﺍﺀ) (ইপ)বি messenger (মেসেঞ্জার) (ছনা)বি বসিধ (রূ)বি জোয়ার (দেত)বি রজ {আ}
কুরান [ﻗﺭﺍﻦ] (রূপ)বি শিং, দিক, শতাব্দি,
শৃঙ্গ, পাহাড়, দুর্গ, বেণী, চূড়া, আলোকছটাদি, ত্রিশবছরের যুগ, এক শতাব্দি,
এককালের লোক, ছোট পাহাড়, পাহাড়ের শৃঙ্গ (বাপ)বি সুধা, সোম, অমির, পীযুষ, মীন, শিল (প্র) কুরানী মনীষীদের রূপকবর্ণনা মতে প্রায় দেড় সহস্র বছর পূর্বে আরবিভাষায় রচিত মহাগ্রন্থ এবং মুসলমানদের শাস্ত্রীয়গ্রন্থ বিশেষ (ব্য্য)
১.রজস্বলাদের জঠর বা ত্রিবেণী হতে রজ সুধা মধু এ তিনটি ধারা প্রবাহিত হয়। এ
তিনটি ধারাকেই আত্মতত্ত্বে শিং, চূড়া, শৃঙ্গ, পাহাড়, রাজা, দিক, ধারা,
নদী, সাগর ও দাঁত ইত্যাদি রূপকনামেই প্রকাশ করা হয়। কিন্তু ‘কুরান
(قُرَانُ)’ বলতে আধ্যাত্মিক বিদ্যায় নির্দিষ্টভাবে সুধাকেই বুঝায় ২.আরবি
‘ক্বারন (ﻘﺮﻦ)’ পরিভাষাটির বহুবচন ‘কুরান (ﻘﺮﺍﻦ)’। অতঃপর ‘কুরান (ﻘﺮﺍﻦ)’
হতে কুরআন (قُرَانُ) পরিভাষাটির উৎপত্তি (ভাপ) সোম (ইপ)বি God (গড), nectar (নেক্টার), elixir (ইলিক্সার) (নচ)বি সুধাংকর (উপ)বি গ্রন্থ, গ্রন্থিকা (রূ)বি সাঁই (দেত)বি পালনকর্তা {আ.কারন.ﻘﺮﻦ; বব}
১. আরবি ‘কুরান (قُرَانُ)’ পরিভাষাটি আরবি ‘ক্বিরা (قِراﻯ)’ পরিভাষা হতে
উৎপত্তি। আর ‘ক্বিরা (قِراﻯ)’ অর্থ- থলীতে জমাকৃত জল, অতিথির সম্মুখে দেয়া
খাদ্য।
২. আরবি ‘কুরান (قُرْآنُ)’ পরিভাষাটি ‘ক্বারন (ﻘﺭﻦ) এর বহুবচন শব্দরূপে উৎপত্তি হয়েছে। ‘কারন (ﻘﺭﻦ)’ অর্থ- শিং, দিক, শতাব্দি, শৃঙ্গ, পাহাড়, দুর্গ, বেণী, চূড়া। শব্দটি একবচনে ‘কারন (ﻘﺭﻦ)’ দ্বিবচনে ‘ক্বারনাইনে (ﻗﺮﻨﻴﻦ)’ এবং বহুবচনে ‘কুরআনুনরূপে (قُرْآنُ)’ উৎপত্তি হয়েছে।
২. আরবি ‘কুরান (قُرْآنُ)’ পরিভাষাটি ‘ক্বারন (ﻘﺭﻦ) এর বহুবচন শব্দরূপে উৎপত্তি হয়েছে। ‘কারন (ﻘﺭﻦ)’ অর্থ- শিং, দিক, শতাব্দি, শৃঙ্গ, পাহাড়, দুর্গ, বেণী, চূড়া। শব্দটি একবচনে ‘কারন (ﻘﺭﻦ)’ দ্বিবচনে ‘ক্বারনাইনে (ﻗﺮﻨﻴﻦ)’ এবং বহুবচনে ‘কুরআনুনরূপে (قُرْآنُ)’ উৎপত্তি হয়েছে।
(সংক্ষিপ্ত)
সূত্রতথ্যঃ আত্মতত্ত্ব ভেদ (১ম খণ্ড)
লেখকঃ বলন কাঁইজি।
সূত্রতথ্যঃ আত্মতত্ত্ব ভেদ (১ম খণ্ড)
লেখকঃ বলন কাঁইজি।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন