৪৪/৬.‘শুক্লপক্ষ’ (পবিত্রতা ৬ষ্ঠ পর্বের শেষ পর্ব বিশেষ)। এটি রূপকসাহিত্যের বৈক্তিকসদস্য সারণির ৪৪ নং ‘পবিত্রতা’ মূলকের অধীন ‘ছদ্মনামপরিভাষা’ বিশেষ। বলন কাঁইজির নির্মিত ‘আত্মতত্ত্ব ভেদ’ (৫ম খণ্ড) গ্রন্থে এ পরিভাষাটি সবিস্তারে আলোচনা করা হয়েছে।
—————————————————————————————-
—————————————————————————————-
শুক্লপক্ষ
Hoary fortnight (হোরি ফোর্টনাইট)/ ‘أسبوعين اشيب’ (আসবুয়াইনি আসিয়াব)
Hoary fortnight (হোরি ফোর্টনাইট)/ ‘أسبوعين اشيب’ (আসবুয়াইনি আসিয়াব)
এটি রূপকসাহিত্যের বৈক্তিকসদস্য সারণির ‘পবিত্রতা’ পরিবারের অন্যতম একটি ‘ছদ্মনামপরিভাষা’। এর মূলকসদস্য ‘পবিত্রতা’, রূপকপরিভাষা ‘পূর্ণিমা’, উপমানপরিভাষা ‘দিন’, চারিত্রিকপরিভাষা ‘পূর্ণেন্দু’ ও অন্যান্য ছদ্মনামপরিভাষা ‘মঙ্গলবার’।
শুক্লপক্ষ (রূপ)বি চন্দ্রোদয়ের প্রথম ১৪ দিন,
পূর্ণিমা তিথিতে যে পক্ষের অবসান হয়, hoary fortnight (হোরি ফোর্টনাইট),
‘أسبوعين اشيب’ (আসবুয়াইনি আসিয়াব) (আবি)বি পবিত্রতা, বিশুদ্ধতা, নির্মলতা, purity (পিউরিটি) (আভা)বি পৌর্ণমাসী, শুক্লপক্ষ, শরীরের সুস্থ্যতা (ব্য্য)
পবিত্রতার ২৭ দিন, এক ঋতুস্রাব হতে পবিত্র হওয়ার পর হতে আবার ঋতু আগমনের
পূর্ব পর্যন্ত সময়, শরীরের সুস্থতার সময়, শরীর সুস্থ থাকাকালীন সময় (আপ)বি ইদ্দত (আ.ﻋﺩﺖ), চাহারশম্বা (ফা.ﭼﻬﺎﺮ ﺸﻧﺒﻪ), ত্বহুর (আ.ﻄﻬﺭﺓ), পাক (ফা.ﭙﺎﮎ), মি’রাজ (আ.ﻤﻌﺭﺍﺝ) (দেপ্র) এটি রূপকসাহিত্যের বৈক্তিকসদস্য সারণির ‘পবিত্রতা’ পরিবারের ‘ছদ্মনামপরিভাষা’ ও রূপক সাহিত্যের একটি পরিভাষা বিশেষ (সংজ্ঞা) ১.চন্দ্রোদয়ের প্রথম চৌদ্দ দিনকে শুক্লপক্ষ বলা হয় ২.রজস্বলাদের একস্রাবের প্রস্থান হতে অন্য স্রাব সূচনার মধ্যবর্তী সাতাশ দিনকে পবিত্রতা বা রূপকার্থে শুক্লপক্ষ বলা হয় (ছনা)বি মঙ্গলবার ও শুক্লপক্ষ (চরি)বি পূর্ণেন্দু (উপ)বি দিন (রূ)বি পূর্ণিমা (দেত)বি পবিত্রতা {বাং.শুক্ল+ বাং.পক্ষ}
শুক্লপক্ষের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্ধৃতি
(Some highly important quotations of hoary fortnight)
১. “কৃষ্ণ-শুক্ল ভেদ বিচারে, জোয়ার-ভাটা হয় সাগরে, বলন কয় পেতে তারে, করো গুরুর দাস্যগির” (বলন তত্ত্বাবলী- ১৩২)।
২. “প্রথমে চাঁদ উদয় দক্ষিণে, কৃষ্ণপক্ষে অধঃ হয় বামে, আবার দেখি শুক্লপক্ষে, কিরূপে যায় দক্ষিণে” (পবিত্র লালন- ৫৮৭/২)।
৩. “শুক্ল-কৃষ্ণ পক্ষের বিচার, না করিলে যায় না বিমার, গণনা সারা নব্বইসহস্র, মিলে না গুরু বিনে” (বলন তত্ত্বাবলী- ১১০)।
(Some highly important quotations of hoary fortnight)
১. “কৃষ্ণ-শুক্ল ভেদ বিচারে, জোয়ার-ভাটা হয় সাগরে, বলন কয় পেতে তারে, করো গুরুর দাস্যগির” (বলন তত্ত্বাবলী- ১৩২)।
২. “প্রথমে চাঁদ উদয় দক্ষিণে, কৃষ্ণপক্ষে অধঃ হয় বামে, আবার দেখি শুক্লপক্ষে, কিরূপে যায় দক্ষিণে” (পবিত্র লালন- ৫৮৭/২)।
৩. “শুক্ল-কৃষ্ণ পক্ষের বিচার, না করিলে যায় না বিমার, গণনা সারা নব্বইসহস্র, মিলে না গুরু বিনে” (বলন তত্ত্বাবলী- ১১০)।
শুক্লপক্ষের সংজ্ঞা (Definition of hoary fortnight)
চন্দ্রোদয়ের প্রথম চৌদ্দদিনকে শুক্রপক্ষ বলে।
শুক্লপক্ষের আধ্যাত্মিক সংজ্ঞা
(Theosophical definition of hoary fortnight)
রজস্বলাদের একস্রাবের প্রস্থান হতে অন্য স্রাব সূচনার মধ্যবর্তী সাতাশ দিনকে পবিত্রতা বা শুক্রপক্ষ বলে।
চন্দ্রোদয়ের প্রথম চৌদ্দদিনকে শুক্রপক্ষ বলে।
শুক্লপক্ষের আধ্যাত্মিক সংজ্ঞা
(Theosophical definition of hoary fortnight)
রজস্বলাদের একস্রাবের প্রস্থান হতে অন্য স্রাব সূচনার মধ্যবর্তী সাতাশ দিনকে পবিত্রতা বা শুক্রপক্ষ বলে।
শুশ্লপক্ষের প্রকারভেদ (Classification of hoary fortnight)
শুক্লপক্ষ দুই প্রকার। যথা- ১.উপমান শুক্লপক্ষ ও ২.উপমিত শুক্লপক্ষ।
১. উপমান শুক্লপক্ষ (Analogical hoary fortnight)
চন্দ্রোদয়ের প্রথম চৌদ্দদিনকে উপমান শুক্রপক্ষ বলে।
২. উপমিত শুক্লপক্ষ (Compared hoary fortnight)
রজস্বলাদের একস্রাবের প্রস্থান হতে অন্য স্রাব সূচনার মধ্যবর্তী সাতাশ দিনকে পবিত্রতা বা উপমিত শুক্রপক্ষ বলে।
শুক্লপক্ষ দুই প্রকার। যথা- ১.উপমান শুক্লপক্ষ ও ২.উপমিত শুক্লপক্ষ।
১. উপমান শুক্লপক্ষ (Analogical hoary fortnight)
চন্দ্রোদয়ের প্রথম চৌদ্দদিনকে উপমান শুক্রপক্ষ বলে।
২. উপমিত শুক্লপক্ষ (Compared hoary fortnight)
রজস্বলাদের একস্রাবের প্রস্থান হতে অন্য স্রাব সূচনার মধ্যবর্তী সাতাশ দিনকে পবিত্রতা বা উপমিত শুক্রপক্ষ বলে।
শুক্লপক্ষের পরিচয় (Identity of hoary fortnight)
এটি রূপকসাহিত্যের বৈক্তিকসদস্য সারণির ‘পবিত্রতা’ পরিবারের অধীন একটি ‘ছদ্মনামপরিভাষা’ বিশেষ। সারাবিশ্বের সর্ব প্রকার শাস্ত্রীয় ও পারম্পরিক গ্রন্থ-গ্রন্থিকায় এর ন্যূনাধিক ব্যবহার লক্ষ্য করা যায়। তবে এ পরিভাষাটি একেক গ্রন্থে একেক ভাষায় ব্যবহার হওয়ার কারণে সাধারণ পাঠক-পাঠিকা ও শ্রোতাদের তেমন দৃষ্টিগোচর হয় না।
এটি রূপকসাহিত্যের বৈক্তিকসদস্য সারণির ‘পবিত্রতা’ পরিবারের অধীন একটি ‘ছদ্মনামপরিভাষা’ বিশেষ। সারাবিশ্বের সর্ব প্রকার শাস্ত্রীয় ও পারম্পরিক গ্রন্থ-গ্রন্থিকায় এর ন্যূনাধিক ব্যবহার লক্ষ্য করা যায়। তবে এ পরিভাষাটি একেক গ্রন্থে একেক ভাষায় ব্যবহার হওয়ার কারণে সাধারণ পাঠক-পাঠিকা ও শ্রোতাদের তেমন দৃষ্টিগোচর হয় না।
সাধারণত চন্দ্রোদয়ের প্রথম চৌদ্দদিনকে শুক্রপক্ষ বলা হয় কিন্তু
রূপকসাহিত্যে রজস্বলাদের একস্রাবের প্রস্থান হতে অন্য স্রাব সূচনার
মধ্যবর্তী সাতাশ (২৭) দিনকে পবিত্রতা বা শুক্রপক্ষ বলা হয়। তবে
রূপকসাহিত্যে রজকালকে কৃষ্ণপক্ষ ও পবিত্রতাকে শুক্রপক্ষ বলা হয়। উল্লেখ্য
মরমী, শাস্ত্রীয় ও পারম্পরিক রূপকসাহিত্য কেবল আত্মদর্শন বা আত্মতত্ত্ব ভেদ
দ্বারা নির্মিত। অথচ বড় হাস্যকর ব্যাপার হলো শাস্ত্রীয় মতানুসারী পণ্ডিত ও
বক্তারা এসব গ্রন্থ-গ্রন্থিকার ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ করেন সৌরজগতের চন্দ্র ও
সূর্য দ্বারা। দৈহিক কৃষ্ণপক্ষ ও শুক্লপক্ষ বিচার করেন চান্দ্রিক শুক্লপক্ষ
ও কৃষ্ণপক্ষ দ্বারা। স্মরণীয় যে সৌরজগতের চান্দ্রিক শুক্লপ্রথমা তিথি আসে
আগে কিন্তু দেহজগতের কৃষ্ণপ্রথমা তিথি আসে আগে। তবুও শাস্ত্রীয় মতানুসারী
পণ্ডিত ও বক্তারা দৈহিক কৃষ্ণ-শুক্লপক্ষের সাথে সৌর-চান্দ্র শুক্ল-কৃষ্ণ
পক্ষের চরম গোঁজামিল দিয়েই চালিয়ে আসছে এ পর্যন্ত। যতদিন পর্যন্ত দৈহিক
কৃষ্ণ-শুক্লপক্ষের সঠিক বিচার করা না হবে ততদিন পর্যন্ত মানুষ অন্ধকারেই
ঘুরতে থাকবে। শাস্ত্রীয় ও আধ্যাত্মিকমুক্তির পথ অন্বেষণ করে পাবেন না কোন
মতেই। বড় শক্ত করেই বলা যায় বিশ্ববিখ্যত শাস্ত্রীয় গ্রন্থাদি হলো মানুষের
জীবনবিধান। এ জন্য এসব মহাগ্রন্থের মধ্যে অবশ্যই দৈহিক কৃষ্ণ-শুক্লপক্ষের
কথায় আলোচনা করা হয়েছে। জীবনবিধানের মধ্যে কেবল জীবনের কথাই আলোচিত হয়ে
থাকে। জীবন বিধানের মধ্যে সৌরবিধান বা প্রাকৃতিকবিধান আলোচনা করা বা হওয়ার
কোন সম্ভাবনাই নেই।
(সংক্ষিপ্ত সংকলন)
তথ্যসূত্রঃ
আত্মতত্ত্ব ভেদ (৫ম খণ্ড)
লেখকঃ বলন কাঁইজি
তথ্যসূত্রঃ
আত্মতত্ত্ব ভেদ (৫ম খণ্ড)
লেখকঃ বলন কাঁইজি
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন