গুরু গ্রহণ প্রয়োজনীয়তা- (চতুর্থ পর্ব)
একাধিক গোঁসাই-গুরুর নিকট শিষ্যপদ গ্রহণ প্রসঙ্গঃ
বিভিন্ন কারণে একাধিক গুরুর নিকট শিষ্যপদ গ্রহণ করা যায়। যেসব কারণে একাধিক গুরুর নিকট শিষ্যপদ গ্রহণ করা যায় তা হলো-
১. গোঁসাই বা গুরু যদি প্রয়াণলাভ করেন। তখন অন্য গোঁসাই বা গুরুর
নিকট শিষ্যপদ গ্রহণ করা সর্বক্ষেত্রে ও সর্ব ঘরানাতেই বৈধ বা সিদ্ধ রয়েছে।
২. গোঁসাই বা গুরু যদি জীবনের তরে দেশান্তরি হন। যেমন- অন্য দেশের
নাগরিকত্ব গ্রহণ করেন। তবে অন্য গোঁসাই বা গুরুর নিকট শিষ্যত্বপদ গ্রহণ
করতে কোন দোষ নেই।
৩. যদি কোন কারণে একই দেশে, এক অঞ্চল হতে অন্য কোন অঞ্চলে গুরু বা
শিষ্যের যে কোন একজনের হঠাৎ স্থানান্তরের কারণে- তাদের মধ্যে ব্যবধান এত
অধিক হয় যে গোঁসাই বা গুরুর সাথে সাক্ষাত করা অত্যন্ত কঠিন হয়ে দাঁড়ায়।
এরূপ ক্ষেত্রে গোঁসাই বা গুরুর নিকট হতে অনুমতি সাপেক্ষ অন্য গোঁসাই বা
গুরুর নিকট পুনঃ শিষ্যপদ গ্রহণ করা যায়। এরূপ ক্ষেত্রে গোঁসাই বা গুরু যদি
অনুমতি না-ও দেয় তবুও অন্যগুরু গ্রহণ করতে কোন দোষ নেই।
৪. যদি কোন কারণে গুরু ও শিষ্যের মধ্যকার সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়
এরং কোনক্রমেই গুরুর সহচার্য লাভের সম্ভবনা না থাকে তবে অন্যত্র শিষ্যপদ
গ্রহণ করা যায়।
৫. চুরি, দস্যুতা ও নরহত্যা ইত্যাদির মতো বড়বড় দোষ কোন গোঁসাই বা
গুরুর মধ্যে পাওয়া গেলে এরূপ গুরু পরিত্যাগ করে অন্য কোন গুরুদেবের নিকট
শিষ্যত্বপদ গ্রহণ করতেকোন দোষ নেই।
৬. উচ্চ আত্মদর্শন শিক্ষালাভের জন্য গোঁসাই বা গুরুর অনুমতি সাপেক্ষ
অসংখ্য গোঁসাই বা গুরুর নিকট শিষ্যপদ গ্রহণ করা যায়। এরূপ ক্ষেত্রে গোঁসাই
বা গুরুর অনুমতি না পেলেও উচ্চশিক্ষার জন্য অন্য গোঁসাই বা গুরুর নিকট
শিষ্যত্বপদ গ্রহণ করা যায়।
৭. গোঁসাই বা গুরু যদি আত্মদর্শন বা আত্মতত্ত্ব বা দিব্যজ্ঞান না
জানেন ও না বুঝেন তবে অন্য গোঁসাই বা গুরুর নিকট দীক্ষাগ্রহণ করা সর্বকালে
সর্বস্থলেই সিদ্ধ।
বর্তমান প্রেক্ষাপট
১. গোঁসাই বা গুরুর শিষ্যবর্গ যদি এত অধিক হয় যে, লোকের ভিড়ে তিনি নিজ
নিজ শিষ্য চিনতে অসর্থ। তবে আত্মতত্ত্ব/ আত্মদর্শন/ দেহতত্ত্ব,
পরম্পরাতত্ত্ব, দিব্যজ্ঞান ও আধ্যাত্মিকবিদ্যা অর্জনের জন্য এরূপ গোঁসাই বা
গুরু পরিত্যাগ করে সঙ্গেসঙ্গেই অন্য সাধকগোঁসাই বা সাধকগুরুর নিকট
পুনঃদীক্ষা গ্রহণ করা সবার একান্ত প্রয়োজন।
২. গোঁসাই বা গুরুর আশ্রমে আত্মতত্ত্ব/ আত্মদর্শন/ দেহতত্ত্ব,
পরম্পরাতত্ত্ব, দিব্যজ্ঞান ও আধ্যাত্মিকবিদ্যা শিক্ষাদীক্ষার পরিবর্তে যদি
কেবল মিলাদ, সামা, কাওয়ালি, গজল, জিকির, গান, নৃত্য, শাস্ত্রীয় উপাসনা
(পূজা/ ধ্যান/ প্রাণায়াম ও নামাজ) চলতে থাকে- তবে এরূপ গোঁসাই বা গুরু
পরিত্যাগ করে আত্মতত্ত্ব জ্ঞানী সাধকগোঁসাই বা সাধকগুরুর নিকট পুনঃদীক্ষা
গ্রহণ করা সবার একান্ত প্রয়োজন।
৩. যে সব গোঁসাই বা গুরু শিষ্যদের আত্মতত্ত্ব/ আত্মদর্শন/ দেহতত্ত্ব,
পরম্পরাতত্ত্ব, দিব্যজ্ঞান ও আধ্যাত্মিকবিদ্যা শিক্ষার ব্যবস্থা না করে
কেবল শিষ্য বাড়ানোর প্রতিযোগতার লিপ্ত থাকে এবং শিষ্য বাড়ানোর জন্য অডিও/
ভিডিও প্রচার করে থাকে- সে সব গোঁসাই বা গুরু পরিত্যাগ করে সাধকগোঁসাই বা
সাধকগুরুর নিকট পুনঃদীক্ষা গ্রহণ করা সবার একান্ত প্রয়োজন।
৪. সর্বোপরি গোঁসাই বা গুরু গ্রহণের মূল উদ্দেশ্য হলো, নিজকে নিজে চেনা,
সনাতনী পদ্ধতিতে শুক্রনিয়ন্ত্রণ করা, শাস্ত্রীয় ও পারষ্পরিক মতবাদাদির
প্রকৃত আত্মদর্শন জানা ও আত্মশুদ্ধি করা। গ্রহণকৃত গোঁসাই বা গুরুর নিকট
এসব উদ্দেশ্য অর্জন না হলে উক্ত গোঁসাই বা গুরু পরিত্যাগ করে সঙ্গেসঙ্গে
সাধকগোঁসাই বা সাধকগুরুর নিকট পুনঃদীক্ষা গ্রহণ করা সবার একান্ত প্রয়োজন।
স্মরণিকাঃ ১
গুরু চার প্রকারঃ ১. মানুষগুরু ২. জগৎগুরু ৩. কামগুরু ও ১.পরমগুরু।
১. মানুষগুরুঃ
গুরুপদ (খেলাফত) প্রাপ্ত ব্যক্তির জ্ঞানকে গুরু বলে।
_______________________
উদাহরণ
১. “গুরু চেনা সহজ নয়রে গুরু চেনা সহজ নয়, জগৎগুরু চিনতে গেলে মানুষগুরু ভজতে হয়” (বলন তত্ত্বাবলী- ৯৬)।
২. “হক্বের ওপর থাকবে যখন, লাহুত মুক্বাম চিনবে তখন, এ সত্য জেনে ও মন, মানুষগুরু ধরলে না” (পবিত্র লালন- ৭৪২/৩)।
৩. “গুরু যার থাকে সদয়, শমন বলে কিসের ভয়, লালন বলে মন তুই আমায়, করলি দুষি” (পবিত্র লালন- ১৪৩/৪)।
গুরুপদ (খেলাফত) প্রাপ্ত ব্যক্তির জ্ঞানকে গুরু বলে।
_______________________
উদাহরণ
১. “গুরু চেনা সহজ নয়রে গুরু চেনা সহজ নয়, জগৎগুরু চিনতে গেলে মানুষগুরু ভজতে হয়” (বলন তত্ত্বাবলী- ৯৬)।
২. “হক্বের ওপর থাকবে যখন, লাহুত মুক্বাম চিনবে তখন, এ সত্য জেনে ও মন, মানুষগুরু ধরলে না” (পবিত্র লালন- ৭৪২/৩)।
৩. “গুরু যার থাকে সদয়, শমন বলে কিসের ভয়, লালন বলে মন তুই আমায়, করলি দুষি” (পবিত্র লালন- ১৪৩/৪)।
২. জগৎগুরুঃ
নিজ নিজ নাসিকার শ্বাসকে জগৎগুরু বলে।
_______________________
উদাহরণ
১. “অখণ্ড মণ্ডলাকারং ব্যাপ্তং সারাচরাচর, গুরু তুমি পতিতপাবন পরমও ঈশ্বর” (পবিত্র লালন- ৪২/১)।
২. “গুরু চেনা সহজ নয়রে গুরু চেনা সহজ নয়, জগৎগুরু চিনতে গেলে মানুষগুরু ভজতে হয়” (বলন তত্ত্বাবলী- ৯৬)।
৩. “রণে, বনে, পাহাড়ে ও জঙ্গলে যেখানে আমাকে স্মরণ করবে সেখানেই আমাকে পাবে” (লোকনাথ)।”
নিজ নিজ নাসিকার শ্বাসকে জগৎগুরু বলে।
_______________________
উদাহরণ
১. “অখণ্ড মণ্ডলাকারং ব্যাপ্তং সারাচরাচর, গুরু তুমি পতিতপাবন পরমও ঈশ্বর” (পবিত্র লালন- ৪২/১)।
২. “গুরু চেনা সহজ নয়রে গুরু চেনা সহজ নয়, জগৎগুরু চিনতে গেলে মানুষগুরু ভজতে হয়” (বলন তত্ত্বাবলী- ৯৬)।
৩. “রণে, বনে, পাহাড়ে ও জঙ্গলে যেখানে আমাকে স্মরণ করবে সেখানেই আমাকে পাবে” (লোকনাথ)।”
৩. কামগুরুঃ
কামের প্রতীতি মদনকে কামগুরু বলে।
_______________________
উদাহরণ
১. “পরমগুরু প্রেম পিরিতি, কামগুরু হয় নিজপতি, কাম ছাড়া প্রেম পায় কী গতি, তাই ভাবে লালন” (পবিত্র লালন- ২৬৫/৪)।
২. “প্রেম প্রকৃতি স্বরূপসতী, কামগুরু হয় নিজপতি, ও মন অনুরাগী না হলে, ভজন সাধন হয় না (পবিত্র লালন- ৬৪৯/২)।
৩. “প্রেমবাজারে কে যাবি, তোরা আয় গো আয়, প্রেমগুরু কল্পতরু, প্রেমরসে মেতে রয়” (পবিত্র লালন- ৬৫১/১)।
৪. “প্রেমের রাজা মদনমোহন, নির্হেতু প্রেম সাধনে শ্যাম, ধরে রাধার যুগলচরণ, প্রেমের সহচরী গোপীগণ, গোপীর দ্বারে বাঁধা রয়” (পবিত্র লালন- ৬৫১/২)।
কামের প্রতীতি মদনকে কামগুরু বলে।
_______________________
উদাহরণ
১. “পরমগুরু প্রেম পিরিতি, কামগুরু হয় নিজপতি, কাম ছাড়া প্রেম পায় কী গতি, তাই ভাবে লালন” (পবিত্র লালন- ২৬৫/৪)।
২. “প্রেম প্রকৃতি স্বরূপসতী, কামগুরু হয় নিজপতি, ও মন অনুরাগী না হলে, ভজন সাধন হয় না (পবিত্র লালন- ৬৪৯/২)।
৩. “প্রেমবাজারে কে যাবি, তোরা আয় গো আয়, প্রেমগুরু কল্পতরু, প্রেমরসে মেতে রয়” (পবিত্র লালন- ৬৫১/১)।
৪. “প্রেমের রাজা মদনমোহন, নির্হেতু প্রেম সাধনে শ্যাম, ধরে রাধার যুগলচরণ, প্রেমের সহচরী গোপীগণ, গোপীর দ্বারে বাঁধা রয়” (পবিত্র লালন- ৬৫১/২)।
৪. পরমগুরুঃ
জীবজগতের পালনকর্তা সাঁইকে পরমগুরু বলে।
_______________________
উদাহরণ
১. “অনুরাগের তরণি করো, ধারা চিনে উজানে ধরো, লালন কয় করতে পারো, পরমগুরুর ঠিকানা” (পবিত্র লালন- ৮২৭/৪)।
২. “আদিতত্ত্ব আত্মা ইন্দ্র রাসুল বহন করে, মহাজ্ঞানিরা আপন আত্মা পায় দেখিবারে, তত্ত্বধারী হলে জ্ঞান- উপধর বলে জ্ঞানিগণ, বলন কয় পরমগুরু হলেন তিনি” (বলন তত্ত্বাবলী- ২৭৩)।
৩. “পরমগুরু প্রেম পিরিতি, কামগুরু হয় নিজপতি, কাম ছাড়া প্রেম পায় কী গতি, তাই ভাবে লালন” (পবিত্র লালন- ২৬৫/৪)।
৪. “পরমগুরু বড়ই রঙ্গিলা আমার মনভোলা, কত নামে ধরাধামে করে আকারে লীলাখেলা” (বলন তত্ত্বাবলী- ১১১)।
৫. “মানুষগুরুর প্রেমপণ্যারে- জগৎগুরু চলে ফিরে, ধরতে গেলে যায়রে দূরে- পরমগুরু কাছে রয়, মানুষগুরু হইলে সদয়- জগৎগুরু দেয় পরিচয়, জানতে হয় তা নিরালায়- ভক্তিভজন রেখে ভয়” (বলন তত্ত্বাবলী- ৯৬)।
৬. “ত্রিবেণির ত্রিধারে, মীনরূপে গুরু বিরাজ করে, কেমন করে ধরবি তারে, বলরে অবুঝ মন” (পবিত্র লালন- ১৫৩/৩)।
৭. “হলে অমাবতির বার, মাটি রসে হয় সরোবর, সাধু গুরু বৈষ্টম তিনে, উদয় হয় সে যোগের দিনে” (পবিত্র লালন- ১৬২/২)।
জীবজগতের পালনকর্তা সাঁইকে পরমগুরু বলে।
_______________________
উদাহরণ
১. “অনুরাগের তরণি করো, ধারা চিনে উজানে ধরো, লালন কয় করতে পারো, পরমগুরুর ঠিকানা” (পবিত্র লালন- ৮২৭/৪)।
২. “আদিতত্ত্ব আত্মা ইন্দ্র রাসুল বহন করে, মহাজ্ঞানিরা আপন আত্মা পায় দেখিবারে, তত্ত্বধারী হলে জ্ঞান- উপধর বলে জ্ঞানিগণ, বলন কয় পরমগুরু হলেন তিনি” (বলন তত্ত্বাবলী- ২৭৩)।
৩. “পরমগুরু প্রেম পিরিতি, কামগুরু হয় নিজপতি, কাম ছাড়া প্রেম পায় কী গতি, তাই ভাবে লালন” (পবিত্র লালন- ২৬৫/৪)।
৪. “পরমগুরু বড়ই রঙ্গিলা আমার মনভোলা, কত নামে ধরাধামে করে আকারে লীলাখেলা” (বলন তত্ত্বাবলী- ১১১)।
৫. “মানুষগুরুর প্রেমপণ্যারে- জগৎগুরু চলে ফিরে, ধরতে গেলে যায়রে দূরে- পরমগুরু কাছে রয়, মানুষগুরু হইলে সদয়- জগৎগুরু দেয় পরিচয়, জানতে হয় তা নিরালায়- ভক্তিভজন রেখে ভয়” (বলন তত্ত্বাবলী- ৯৬)।
৬. “ত্রিবেণির ত্রিধারে, মীনরূপে গুরু বিরাজ করে, কেমন করে ধরবি তারে, বলরে অবুঝ মন” (পবিত্র লালন- ১৫৩/৩)।
৭. “হলে অমাবতির বার, মাটি রসে হয় সরোবর, সাধু গুরু বৈষ্টম তিনে, উদয় হয় সে যোগের দিনে” (পবিত্র লালন- ১৬২/২)।
স্মরণিকাঃ ২
রক্তমাংসে নির্মিত মানুষকে গোঁসাই বা গুরু ভাবা, গোঁসাই বা গুরুর ছবি ধ্যান করা, গোঁসাই বা গুরুর মুখমণ্ডলের ধ্যান করা সর্বকালে সর্ব ঘরানাতেই নিষিদ্ধ ছিল, এখনো নিষিদ্ধ আছে এবং ভবিষ্যতেও নিষিদ্ধ থাকবে। যে সব গোঁসাই বা গুরু এরূপ করে তারা একান্ত গুরুতত্ত্ব না জেনে ও না বুঝেই করে। আবার যে সব গোঁসাই বা গুরু এরূপ ভাবে তারাও একান্ত গুরুতত্ত্ব না জেনে ও না বুঝেই ভাবে। এরূপ গোঁসাই গুরুর সঙ্গ পরিত্যাগ করে সঙ্গেসঙ্গেই আত্মতাত্ত্বিক সাধকগোঁসাই বা সাধকগুরুর নিকট পুনঃদীক্ষা গ্রহণ করা সবার একান্ত প্রয়োজন।
রক্তমাংসে নির্মিত মানুষকে গোঁসাই বা গুরু ভাবা, গোঁসাই বা গুরুর ছবি ধ্যান করা, গোঁসাই বা গুরুর মুখমণ্ডলের ধ্যান করা সর্বকালে সর্ব ঘরানাতেই নিষিদ্ধ ছিল, এখনো নিষিদ্ধ আছে এবং ভবিষ্যতেও নিষিদ্ধ থাকবে। যে সব গোঁসাই বা গুরু এরূপ করে তারা একান্ত গুরুতত্ত্ব না জেনে ও না বুঝেই করে। আবার যে সব গোঁসাই বা গুরু এরূপ ভাবে তারাও একান্ত গুরুতত্ত্ব না জেনে ও না বুঝেই ভাবে। এরূপ গোঁসাই গুরুর সঙ্গ পরিত্যাগ করে সঙ্গেসঙ্গেই আত্মতাত্ত্বিক সাধকগোঁসাই বা সাধকগুরুর নিকট পুনঃদীক্ষা গ্রহণ করা সবার একান্ত প্রয়োজন।
স্মরণিকাঃ ৩
গোঁসাই বা গুরুতত্ত্ব অত্যন্ত কঠিন। এটি সাধকগুরু বা সাধকগোঁসাই ব্যতীত অন্য কেউ বুঝেন না। আর ভারপ্রাপ্ত গুরু বা ভারপ্রাপ্ত গোঁসাই, ছেলেগুরু, নাতিগুরু, পুতিগুরু, ত্রোতিগুরু, গদিনশীনগুরু, জামাইগুরু ও ভাইগুরুর জানার তো প্রশ্নই আসে না। যেমন মহাত্মা লালন সাঁইজি বলেছেন-
গোঁসাই বা গুরুতত্ত্ব অত্যন্ত কঠিন। এটি সাধকগুরু বা সাধকগোঁসাই ব্যতীত অন্য কেউ বুঝেন না। আর ভারপ্রাপ্ত গুরু বা ভারপ্রাপ্ত গোঁসাই, ছেলেগুরু, নাতিগুরু, পুতিগুরু, ত্রোতিগুরু, গদিনশীনগুরু, জামাইগুরু ও ভাইগুরুর জানার তো প্রশ্নই আসে না। যেমন মহাত্মা লালন সাঁইজি বলেছেন-
১. “মুর্শিদতত্ত্ব অথৈ গভীরে, চাররসের মূল সে রস, রসিক হলে জানতে পারে” (পবিত্র লালন- ৭৯৭/১)।
২. “যার কালিমা দিন দুনিয়ায়, সে শিষ্য হয় কোন্ কালিমায়, লিহাজ করে দেখ মনোরায়, গুরুতত্ত্ব অথৈ গভীরে” (পবিত্র লালন- ৫৩০/২)।
২. “যার কালিমা দিন দুনিয়ায়, সে শিষ্য হয় কোন্ কালিমায়, লিহাজ করে দেখ মনোরায়, গুরুতত্ত্ব অথৈ গভীরে” (পবিত্র লালন- ৫৩০/২)।
_______________________
সংক্ষিপ্ত
সূত্রতথ্যঃ লালন ঘরানা পরিচিতি
লেখক: বলন কাঁইজি।
সংক্ষিপ্ত
সূত্রতথ্যঃ লালন ঘরানা পরিচিতি
লেখক: বলন কাঁইজি।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন